করোনা আবহে লকডাউনের মধ্যেই লড়ির ভিতর ফলের পেটির মধ্যে করে ও চাকার ওপরের হাইড্রোলিক এর মধ্যে করে গাঁজা পাচার করার সময় পুলিশের জালে ধরা পড়লো আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের চার ব্যক্তি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে নদিয়ার কল্যাণী সাহেব বাগান এলাকা ২৩৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করলো এসটিএফ ও কল্যাণী থানার পুলিশ। আটক হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার ধৃত চার গাঁজা পাচারকারীকে কল্যাণী আদালতে তুলবে পুলিশ। সূত্রের খবর, বুধবার এসটিএফ এর কাছে খবর আসে উড়িষ্যা থেকে কল্যাণী হয়ে মেদিনীপুর পাচার হচ্ছে বিশাল পরিমান গাঁজা। সেই খবরের ভিত্তিতেই কল্যাণী পুলিশ কে নিয়ে অভিযান চালিয়ে এই সাফল্য পেলো পুলিশ। ঘটনায় একটি লড়ি ও একটি সুইফট ডিজায়ার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।Developed Reporter Samrat Ghosh
Category Archives: Uncategorized
বোমাবাজি কান্ডের পাঁচদিন পর অবশেষে বুধবার এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বোম গুলোকে বম্ব স্কোয়ার্ড টিম গিয়ে বোম গুলি নিস্ক্রিয় করলো।
বোমাবাজি কান্ডের পাঁচদিন পর অবশেষে বুধবার এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বোম গুলোকে বম্ব স্কোয়ার্ড টিম গিয়ে বোম গুলি নিস্ক্রিয় করলো। চাঁচোল থানা চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জানিপুর গ্রামে চৌঠা জুন জমি নিয়ে বিবাদের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। পুলিশ পরিস্থিতি তখনই নিয়ন্ত্রণে আনলেও বোমা গুলির উদ্ধারের তল্লাশি শুরু করে । বুধবার চাঁচল থানার পুলিশ এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে ছটি তাজা বোমা উদ্ধার করে তারপর বম্ব স্কোয়ার টিম গিয়ে বোমা গুলিকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। বুধবার দুপুরে চাঁচোল মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক সজল কান্তি বিশ্বাস এর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও একটি টিম। Developed Reporter Samrat Ghosh
ঠাকুরপুকুরে আত্মঘাতী বাবা-মা-ছেলে

Web Desk: ঠাকুরপুকুর থানার সত্যনারায়ন পল্লী এলাকায় একই পরিবারের তিনজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। বুধবার সকালেই তিনজনের দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় যথেষ্ঠ চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম গোবিন্দ কর্মকার(৭০), রানু কর্মকার (৬৫) এবং তাঁদের প্রতিবন্দী ছেলে দেবাশিস কর্মকার (৪৫)। এই বৃদ্ধ দম্পতির ছেলে দেবশিস জন্ম থেকেই পঙ্গু। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার এই পরিবারের তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। প্রতিবেশীরাই খবর দেয় পুলিশে। অভিযোগ, তাঁদের পুলিশের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে গেলেও রাতের দিকে পুলিশই তিনজনকে ফের বাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে যায়। প্রতিবেশীদের দাবি, এই ঘটনায় গোবিন্দবাবু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। বুধবার সকালে তাঁর ঘর থেকে কোনও সাড়াশব্দ না পাওয়ায় প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন। তখনই তিনজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। খবর দেওয়া হয় ঠাকুরপুকুর থানায়।পুলিশ জানিয়েছে, ঘরের মেঝেতে চক দিয়ে একটি সুইসাইড নোট লেখা ছিল। পুলিশ দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে দেয়। তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের মৃত্যু হল সেটা জানতে তদন্ত শুরু করেছে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক ভাবে মৃতদেহ দেখে এবং পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণ থেকে মনে করা হচ্ছে বিষ খেয়েই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনজন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে তীব্র আর্থিক অনটনের জন্যই এই পরিবার আত্মঘাতী হয়েছেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সঙ্কটে ভুগছিলেন গোবিন্দবাবু। তাঁর স্ত্রী রুনু পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন। ছেলে দেবাশিসও জন্ম থেকে পঙ্গু। জমানো টাকাই একমাত্র আর্থিক সংস্থান ছিল তাঁদের। সম্প্রতি রাণুদেবীও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁর চিকিতসার জন্য প্রচুর টাকাও খরচ হয়ে যায়। ফলে এই লকডাউনের মধ্যে আর্থিক সমস্যা প্রকট হয় কর্মকার পরিবারের। এই যন্ত্রনা থেকেই হয়তো পুরো পরিবার বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে।Reporter Aniruddha Benerjee
শ্রীরামপুর থেকে শুরু হল ফেরি সার্ভিস হাওড়া পর্যন্ত

Web Desk: লকডাউনে দীর্ঘদিন সবকিছু বন্ধ ফলে বিশেষ কোনো প্রয়োজনে সাধারণ মানুষেকে বেশ হয়রান হতে হয়েছে। অবশেষে খুললো বিভিন্ন অফিস এবং বাস,অটো, ফেরি সহ বিভিন্ন যানবাহন কিন্তু লোকাল ট্রেন এখনও বন্ধ তাই বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে হুগলি বাসীকে। অবশেষে চালু হল শ্রীরামপুর থেকে হাওড়া অবধি ফেরি ব্যবস্থা। শ্রীরামপুর থেকে ছাড়বে স্টপেজ দেবে রিষড়া, কোন্নগর, উত্তরপাড়া ও হাওড়া। Reporter Aniruddha Benerjee
মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাটল জট, বৃহস্পতিবার থেকেই স্টুডিওপাড়ায় শুরু শ্যুটিং

Web Desk: মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত কাটল টালিগঞ্জের শ্যুটিং জট৷বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হচ্ছে শ্যুটিং৷সবপক্ষকে নিয়ে জোড়া বৈঠকের পর এ দিন এই দাবি করেছেন অরূপ বিশ্বাস৷কাজ শুরু করার জন্য সবপক্ষই একটি চুক্তিতেও সই করেছে৷লকডাউনের পর মঙ্গলবার থেকেই টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় বাংলা টেলিভিশনের সিরিয়ালগুলির শ্যুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল৷কিন্তু স্বাস্থ্যবিমার কাগজ হাতে না পাওয়া পর্যন্ত শ্যুটিং শুরু করবে না বলে জানিয়ে দেয় আর্টিস্ট ফোরাম৷এই নিয়েই শুরু হয় জটিলতা৷জট কাটাতে হস্তক্ষেপ করেন অরূপ বিশ্বাস৷আর্টিস্ট ফোরাম, প্রযোজকদের সংগঠন,চারটি চ্যানেলের কর্তৃপক্ষকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা৷এ দিন জোড়া বৈঠক করে অরূপবাবু৷প্রথমে তিনি কথা বলেন আর্টিস্ট ফোরামের সঙ্গে৷এর পর প্রযোজকদের সংগঠন এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় তাঁর৷সবপক্ষই কাজ শুরু করার জন্য ইতিবাচক বার্তাই দেয়৷জোড়া বৈঠকের শেষে অরূপবাবু জানান, কার্যপদ্ধতি নিয়ে ঐক্যমতে পৌঁছনো যায়নি বলেই জটিলতা তৈরি হয়েছিল৷ আলোচনায় সেই জট কেটে গিয়েছে৷ফলে বৃহস্পতিবার থেকেই শ্যুটিং শুরু হচ্ছে৷আর্টিস্ট ফোরামের কার্যকরী সভাপতি শঙ্কক চক্রবর্তীও বলেন,একটা বড় পরিবারেও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ হয়৷সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় তা মিটেও গিয়েছে৷এরকম পরিস্থিতিতে তো আমরা কেউ এর আগে পড়িনি৷সবাই যাতে সুস্থ থেকে কাজ করতে পারেন, সেটাই আমাদের লক্ষ্য৷আর্টিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন,যতদিন না পর্যন্ত শিল্পীদের স্বাস্থ্য বিমার কাগজপত্র তৈরি হচ্ছে,ততদিন পর্যন্ত কেউ শ্যুটিং করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হলে সবপক্ষ মিলেই তাঁর চিকিৎসার ভার নেবে বলে প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে৷এর জন্য একটি বিশেষ তহবিল তৈরিরও চেষ্টা চলছে৷জানা গিয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বৃহস্পতিবার থেকে শ্যুটিং শুরু হবে টালিগঞ্জে৷শিল্পীদের স্বাস্থ্য বিমার কাগজও কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে৷Reporter Aniruddha Benerjee
PPE পরে পুজো করবেন পুরোহিত – একগুচ্ছ বিধিনিষেধ সহ করোনা আবহেই শনিবার খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির

Web Desk: অবশেষে স্বস্তির খবর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ভক্তদের জন্য।দীর্ঘ দুমাসেরও বেশি লকডাউন এবং করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবহেই অবশেষে শনিবার থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির।তবে মন্দির খুললেও একাধিক স্বাস্থ্য বিধি মেনেই মন্দিরে ঢুকতে হবে দর্শনার্থীদের।মন্দিরের ভিতরে ঢুকে ও সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে তবেই মা কালীকে পুজো দেওয়া যাবে।সামাজিক দূরত্ব বিধি মানার জন্য মন্দিরের ভেতরে নির্দিষ্ট দূরত্ব অন্তর অন্তর মার্ক করে দেওয়া হয়েছে।পায়ের ছাপ দেওয়া মার্ক গুলিতেই দর্শনার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়ে তবেই পুজো দিতে পারবেন।করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে মন্দির কমিটির তরফে সব পুরোহিতদেরই পিপিই কিট পরে কাজ করতে বলা হয়েছে।মন্দিরের ভেতর থেকে শুরু করে মন্দিরের নিরাপত্তারক্ষী পর্যন্ত সবাই আপাতত পিপিই কিট পড়ে কাজ করবেন।এ প্রসঙ্গে কুশল বাবু জানান আমাদের সব সময় সংক্রমণের আশঙ্কা থাকছে।এটা আমাদের কাছে একটা কঠিন লড়াই।আমরা চেষ্টা করব সর্তকতা মাধ্যমে যাতে নিশ্চিতভাবে সব ব্যবস্থা সুরক্ষিত করা যায়।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের অছি পরিষদের সম্পাদক কুশল চৌধুরী জানিয়েছেন এবার থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে ১০ টা এবং বিকেল বেলায় ৩:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকবে। মন্দির খোলার ২০ মিনিট আগেই যেমন মন্দিরের সিংহদুয়ার খোলা হবে তেমনি মন্দির বন্ধ হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যেই সিংহদুয়ার বন্ধ করে দেওয়া হবে।তবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা মন্দির চত্বরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্দির ও শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এর ঘরের ভেতরে প্রবেশ বা অবস্থান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।মন্দিরে ঢোকার সময়েই দর্শনার্থীদের তাপমাত্রা মাপা হবে।তাপমাত্রা মাপার পর স্যানিটাইজার টানেলের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের মন্দিরের ভেতরে ঢুকতে হবে।তবে মন্দিরের ভেতরে ঢুকলে ও সামাজিক দূরত্ব বিধি মানার জন্য নির্দিষ্ট করে মার্ক করে দেওয়া হয়েছে দর্শনার্থীদের দাঁড়ানোর জন্য। ৬ ফুট দূরত্ব অনুযায়ী মার্ক করে দর্শনার্থীদের দাঁড়াতে হবে।এপ্রসঙ্গে মন্দির কমিটির আছি পরিষদের সম্পাদক কুশল চৌধুরী জানিয়েছেন একসঙ্গে মন্দিরের ভেতর ৪০০ জন থাকতে পারবেন। কিন্তু ১০ জন থেকে ২৫ জন পর্যন্ত পুজো দিতে পারবেন।কোনভাবেই মন্দিরের ভেতরে কোন বসে থাকা বা জমায়েত করা যাবে না।তবে শুধু মন্দিরের ভেতর নয়,মন্দির সংলগ্ন ডালার দোকানগুলি নিয়েও একাধিক সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।মূলত জোড়-বিজোড় পদ্ধতিতে এই ডালার দোকানগুলি খুলবে।তার সঙ্গে পাশাপাশি কোনভাবেই দোকান খুলবে না।ডালার দোকানগুলো পাশাপাশি খাবারের দোকান নিয়েও একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।মন্দির সংলগ্ন এলাকাতে যে খাবারের দোকানগুলো রয়েছে সেখানে কোনো ভাবেই বসে খাওয়া যাবেনা।তবে বাড়ি অব্দি খাবার নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে।মন্দির সংলগ্ন যে দোকানগুলি থাকবে প্রত্যেকটি দোকানেই স্যানিটাইজার এবং মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মন্দিরের তরফে।বুধবারের সাংবাদিক সম্মেলন করে মন্দির কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে প্রসাদ নিয়ে মাকে পুজো দেওয়া গেলেও আপাতত কোন ফুল বা সিঁদুর দিয়ে পুজো দেওয়া যাবে না।ফুলের মধ্যেও ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কা থাকছে।তাই ফুল দেওয়া যাবে না।সিঁদুর, চন্দন কিছুই আপাতত দেওয়া যাবে না।দর্শনার্থীদের কথা ভেবে প্রসাদ দিয়ে পুজো দিলেও সেগুলি পুরোহিতরা নেবেন একটি নির্দিষ্ট বাস্কেটে।যতটা সম্ভব চেষ্টা করা হবে যাতে পুরোহিতরা স্পর্শ থেকে দূরে থাকেন।এদিকে দীর্ঘদিন বাদে শনিবার থেকে মন্দির খোলায় দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভিড়ের আশঙ্কা থাকছে।একদিকে খুব কম সময়ের জন্য মন্দির খোলা থাকবে দ্বিতীয়ত নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে লাইনে ঢোকানো হবে দর্শনার্থীদের।তাই সেই দিক মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারটের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।তিনি জানান শনি ও রবিবার দর্শনার্থীদের ভিড় অনেকটাই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।সেক্ষেত্রে যাতে কোনোভাবেই সামাজিক দূরত্ব বিধি লঙ্ঘিত না হয় তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা থাকবে মন্দির সংলগ্ন এলাকাতেই।এমনকি স্কাইওয়াকেও থার্মাল স্ক্রিনিং হবে দর্শনার্থীদের।Reporter Aniruddha Benerjee
জুলাই মাসেও খুলছে না স্কুল, উচ্চমাধ্যমিক হবে ঘোষিত দিনেই – মুখ্যমন্ত্রী

Web Desk: ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে জুলাই মাসেও স্কুল বন্ধই রাখতে হবে বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে নির্ধারিত দিনে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ৩০ জুন পর্যন্ত স্কুল ছুটি।কিন্তু মনে হচ্ছে জুলাই মাসেও স্কুল খুলবে না ।তবে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে৷প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান উচ্চমাধ্যমিকের বাকি তিনটি পরীক্ষা হবে ২, ৬ এবং ৮ জুলাই। এ দিকে করোনা সংক্রমণ রুখতে গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ।দফায় দফায় লকডাউনের জেরে ফের কবে তা খুলবে,তা নিয়ে চিন্তায় রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক-সহ দেশের ৩৩ কোটি পড়ুয়া।পশ্চিমবঙ্গের পড়ুয়াদের চিন্তা লাঘব করতে ২৭ মে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে স্কুলগুলি ছুটি থাকবে।পাশাপাশি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও ছুটি ঘোষণা করা হয়। আজ মুখ্যমন্তী জানান, ৩০ জুনেও সম্ভবত খুলবে না স্কুল।এমনকি জুলাই মাসেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি খোলার সম্ভাবনা নেইReporter Aniruddha Benerjee
এ বছর বেতন বাড়াবেন না, বেসরকারি স্কুলগুলিকে আবেদন মমতার

Web Desk: স্কুল বন্ধ প্রায় তিন মাস৷অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনলাইনে কিছুটা পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করেছে বেসরকারি স্কুলগুলি৷কিন্তু তার মধ্যেই অনেক বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষই মাইনে বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা৷এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি স্কুলগুলিকে ফি না বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷এ দিন নবান্নে মু্খ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের সমস্ত স্কুল ৩০ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকার কথা থাকলেও জুলাই মাসেও স্কুল খোলার সম্ভাবনা কম৷যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে পড়ুয়াদের আরও বেশ কিছু দিন স্কুল থেকে দূর থাকতে হবে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন৷এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলির কথা তোলেন মুখ্যমন্ত্রী৷বেসরকারি স্কুলগুলির উদ্দেশে তিনি অনুরোধ করেন,করোনার জেরে লকডাউনের ফলে মানুষের হাতে এখন টাকা নেই৷এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ যাতে এ বছর স্কুলের বেতন না বাড়ান,সেই অনুরোধও করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেদনে বেসরকারি স্কুলগুলি সাড়া দেয় কি না, তা সময়ই বলবে৷তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেদনে বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের অভিভাবকরা যে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হলেন,তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷কারণ বেসরকারি স্কুলগুলি যেরকম একতরফা ভাবে অন্যান্য বছরের মতো বর্তমান সংকটের পরিস্থিতিতেও স্কুলের মাইনে একধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিল,তাতে সমস্যায় পড়ছিলেন অনেকেই. Reporter Aniruddha Benerjee
শ্রীরামপুর থেকে কোলকাতা সরকারী বাস পরিষেবা চালু

Web Desk: বহু প্রতীক্ষিত শ্রীরামপুর থেকে করুণাময়ী ও শ্রীরামপুর থেকে এসপ্লানেড সরকারী বাস পরিষেবা চালু হলো। আজ মোট সাতটি বাস চলেছে, মোট ৫৫ সিটের বাসটি পেয়ে যাত্রীরা খুশি। একেই ট্রেন চলছে না, তারপর ১০০%অফিসে হাজিরা, সব মিলিয়ে নাজেহাল জীবনে বেশ কিছুটা অক্সিজেন জুগিয়েছে এই পরিষেবা। শ্রীরামপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান অমিয় মুখার্জী শ্রীরামপুর অমূল্যকানন শিবতলা বাস টার্মিনার্সে নারকেল ফাটিয়ে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা বাস চলাচলের শুভ উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সন্তোষ সিং প্রমুখ
Reporter Aniruddha Benerjee
২৩ বছর ধরে যুগল কিশোর সেতু নিজের হাত দিয়ে পরিষ্কার করে চলেছেন

Web Desk: ছবিতে থাকা ব্যাক্তিটির নাম রাজকুমার পাল, ৮৩ বছর বয়সী এই মানুষটি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক।
ইনি গত ২৩ বছর ধরে যুগল কিশোর সেতু নিজের হাত দিয়ে পরিষ্কার করে চলেছেন।
রাজকুমার পালের কথায় “এই ব্রীজটার খুব দরকার ছিল”। এই ব্রিজ তৈরি হওয়ার আগে ছাত্র ছাত্রীরা মাঝে মাঝে স্কুল কামাই করতো কারণ তারা চূর্ণী নদী পার করতে পারতো না!
তাই উনি স্থানীয় এবং জেলার আধিকারিক দের কাছে, এমনকি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ব্রিজ তৈরির আবেদন জানান। কিন্তু তারা সবাই ফান্ডিং এর সমস্যা দেখিয়ে হাটগুটিয়ে নেয় । কিন্তু রাজকুমার পাল, এতে হার না মেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে অনবরত চিঠি লিখতে থাকেন। তার এই অক্লান্ত চেষ্টায় প্রভাবিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী ২.৩৩ কোটি টাকা ব্রিজ তৈরির জন্য বরাদ্দ করেন।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন ওনার সাথে ব্রিজ এর এক গভীর সম্পর্ক থাকা স্বাভাবিক। সেটা আছেও। কিন্তু যেটা অবাক করার মত সেটা হল উনি প্রতিদিন স্নান করার পর পরিষ্কার জামা কাপড় পরে ব্রিজে চলে আসেন। তারপর উনি ব্রিজ, ব্রিজের ওপরের রাস্তা, এবং রেলিং পরিষ্কার করতে এখানে ৪ ঘণ্টা সময় কাটান। গত ২৩ বছর ধরে এটাই তাঁর রোজকার নিয়ম। আজ পর্যন্ত অন্যথা হয়নি।
কিন্তু উনি পরিচ্ছন্ন জামাকাপড়ে এবং খালি হতে ব্রিজ পরিষ্কার করেন?
উত্তর হল উনি আধ্যাতিক ব্যাক্তি। ব্রিজটির নাম হল যুগল কিশোর , যেটা কিনা ভগবান কৃষ্ণের অপর নাম। এবং ব্রিজ এর পাশেই ভগবান কৃষ্ণের একটি মন্দির আছে। উনি সব সময় তাঁর উপস্থিতি অনুভব করেন ব্রিজে। সেই জন্য উনি ঝাঁটা ব্যাবহার না করে পরিষ্কার জামাকাপড় এবং খালি হাতে এই কাজ গত 23 বছর ধরে রোজ করে আসছেন।
ওনাদের সম্পর্ক হয়তো অনেকটা বাবা – ছেলের মত হয়ে গিয়েছে। তাই বৃদ্ধ বাবা যে তার ছেলের যত্ন এখনও নিয়ে চলেছেন।
সত্যিই বলতে এই মহান ভারতবর্ষে এইরকম মহান মানুষ, মহান শিক্ষকের আরও প্রয়োজন৷
Reporter Aniruddha Benerjee




