শ্রীরামপুর বিবিরবেড়ে ভাই ভাইকে সম্পত্তির জেরে খুন

Web Desk: ভাই ভাইকে সম্পত্তির জেরে মদ্যপ অবস্থায় খুন করলো। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৬ই জুন শ্রীরামপুর থানার অন্তর্গত শ্রীরামপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড ও রাজ্যধর পুর গ্রাম পঞ্চায়েত সংযোগ স্থান বিবিরবের অঞ্চলে l দীর্ঘদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে জ্যাঠতুতো খুড়তুতো দুই ভাই অভিজিত দাস ও অমিত দাসের পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলে আসছিলো , স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত ৬ই জুন রাত ১০:০০ টা নাগাদ দুই ভাই বাড়ীর কাছাকাছি পাশের মাঠে কথা কাটাকাটির মাধ্যমে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। তৎক্ষণাৎ খুড়তুতো ভাই অমিত বাড়ী থেকে দ্রুত ছুরি নিয়েসে সরাসরি আঘাত হানে জ্যাঠতুতো দাদা অভিজিৎ – এর উপর। প্রথম বার অভিজিৎ হাত দিয়ে আটকালেই দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর পর দুবার অমিত দাদার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। রাত ১০:৩০ নাগাত চিৎকার চেঁচামেচিতে উভয়ের পরিবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দেখে অভিজিৎ রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছে । স্থানীয়দের সহযোগিতায় তৎক্ষণাৎ শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই অভিজিৎ মারা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অমিত দাস, অমিতের পিতা অনাই দাস, অমিতের বৌ ও অমিতের মা গ্রেফতার হয় । শ্রীরাম পুর থানার আই.সি. দিব্যেন্দু দাস জানান ঘটনায় মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও মূল অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে । শ্রীরামপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কমিটির সেক্রেটারি সমিরেশ রায় জানান দুজনেই প্রচুর নেশা করতো, তিনি মৃতর মায়ের সূত্রে জানতে পারেন খুনের মূল কারন সম্পত্তি সংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্ব। রাজ্যধরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোড়ামারা পশ্চিম সদস্য প্রদীপ দাস ঘটনাস্থলে যান, এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার বার্তা দেন।
Reporter Aniruddha Benerjee

হাতি, গরুর পর এবার শেয়াল! বোমা ভর্তি মাংস খাইয়ে নিরীহ প্রাণীকে মারল মানুষ

Web Desk:মানুষ কি বিবেক, বুদ্ধি, বিবেচনা হারিয়ে ফেলছে! নাকি দিনের পর দিন হৃদয়হীন হচ্ছে। কীসের জন্য নিরীহ বন্যপ্রাণীদের এমন নৃশংসভাবে মারছে মানুষ। কেরলে গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক ভর্তি আনারস খাইয়ে মারা হয়েছিল। সেই খবরের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক নৃশংসতার খবর এসেছিল। একটি গরুকেও একইভাবে বিস্ফোরক ভর্তি খাবার খাইয়েছিল কিছু অ-মানুষ। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সেই নিরীহ গরুটির চোয়াল উড়ে গিয়েছিল। আর এবার মানুষের নৃশংসতার শিকার হল একটি শেয়াল। তামিলনাড়ুর তিরুচির জিয়াপুরমের ঘটনা। বন দফতরের কর্মীরা একটি শেয়ালের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করেন। সেই শেয়ালটির মুখ বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে। জঙ্গলের কাছাকাছি একটি অঞ্চল থেকে উদ্ধার হয়েছে মৃতদেহ। বন দফতরের কর্মীরা বলছেন, বিস্ফোরণের পর যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে শেয়ালটি। এমন ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি।
বন দফতরের একজন অফিসার জানিয়েছেন, স্থানীয় কিছু মানুষ বিস্ফোরক ভর্তি মাংস খাইয়ে শেয়ালটিকে নৃশংসভাবে খুন করেছে। শেয়ালটির চোয়াল ও গলার বেশ কিছুটা অংশ বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে। পুলিস ও বন দফতর যৌথ অভিযান চালিয়ে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১২জনকে গ্রেফতার করেছে। ১২ জনের বিরুদ্ধে বন্য জন্তু শিকারের মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা জঙ্গলে মধু সংগ্রহ করে। শিয়ালের মাংস খাওয়ার জন্যই এমন জঘন্য কাজ তাঁরা করেছে বলে জানা গিয়েছে। জঙ্গল থেকে গ্রামে ফেরার পথে তাঁরা একটি শেয়ালকে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখেন। এর পরই শেয়াল শিকারের জন্য বিস্ফোরক ভর্তি মাংসের টুকরো রেখে দেওয়া হয়। শিয়াল সেই মাংসের টুকরো মুখে পুড়তেই বিস্ফোরণ হয়। যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে শিয়ালটি মারা যায়।
ওই ১২ জন শিয়ালের মৃতদেহটি বস্তায় পুড়ে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানের পিছনে রেখে দেয়। সেই চায়ের দোকানে একজন কনস্টেবল বসে ছিলেন। ১২ জনের ওই শিকারি দলের গতিবিধি দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। তার পরই তিনি জিজ্ঞাসাবা শুরু করেন। ১২ জনের দলের কথাবার্তায় অসঙ্গতি দেখা দিলে কনস্টেবল থানায় খবর দেন। এর পরই বেরিয়ে আসে আসল সত্যি। ওই ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করায় তাঁরা পুরো ঘটনা স্বীকার করেছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দোষীদের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
Reporter Aniruddha Benerjee

মানুষের ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লাভস পৌঁছল সমুদ্রের জলে, দূষণ ছড়াবে ৪৫০ বছর ধরে

Web Desk:বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও কিছু মানুষ কিছুতেই সতর্ক হয়নি। লকডাউনের জেরে পরিবেশ আগের থেকে অনেকটাই দূষণমুক্ত হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেই কিছু মানুষের গাফলতি নতুন করে বড় বিপদ ডেকে আনবে। করোনার হাত থেকে বাঁচতে মানুষের ব্যবহার করা মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই কিট ভেসে বেড়াচ্ছে সমুদ্রের জলে। এর থেকে যেমন করোনা ছড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ল, তেমনই এইসব জিনিস আগামী ৪৫০ বছর ধরে সমুদ্রে দূষণ ছড়াবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

থ্রি লেয়ার মাস্ক পলিপ্রোপিলিন মাস্ক বছরের পর বছর নষ্ট হবে না। প্লাস্টিকের মতোই বছরের পর বছর ধরে এই মাস্ক পরিবেশে দূষণ ছড়াবে। সমুদ্রের জলকে দূষিত করবে পিপিই কিট বা প্লাস্টিক মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি গ্লাভস ও পিপিই কিট। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা থেকে বাঁচতে প্রতি বছর সারা বিশ্বে চিকিত্সকদের আট কোটি গ্লাভস, ১৬ লাখ মেডিকেল গগলস, নয় কোটি মেডিকেল মাস্ক লাগবে। সাধারণ মানুষও প্রচুর পরিমাণে এন নাইন্টি ফাইভ মাস্ক ব্যবহার করছেন। আর তার অধিকাংশ যেখানে সেখানে ফেলছেন। অনেকেই ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লাভস নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলছেন না। নষ্টও করছেন না।

প্লাস্টিকের কবল থেকে প্রকৃতিকে বাঁচাতে লড়াই করছে বহু সংগঠন। এমনকী বহু দেশের সরকারও প্লাস্টিকের খারাপ দিক নিয়ে সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। তার মধ্যে মানুষ নতুন করে সমুদ্র ও পরিবেশ দূষণ শুরু করেছে। 

ইতিমধ্যে বহু দেশের সমুদ্রতটে মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। সমুদ্র থেকে তুলে আনা মাছের গলায় জড়িয়ে রয়েছে মানুষের ব্যবহার করা মাস্ক। এমন ছবিও ধরা পড়েছে। যার ফলে একদিকে বাড়ছে নতুন করে সংক্রমণের আশঙ্কা। আরেকদিকে পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনাও বেড়েছে কয়েক গুণ।
Reporter Aniruddha Benerjee

শনিবার থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির, পুজো দিতে হবে গর্ভগৃহের বাইরে থেকে

Web Desk: পুণ্যর্থীদের জন্য শনিবার থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির। সকাল সাতটা থেকে সকাল দশটা এবং দুপুর সাড়ে তিনটে থেকে সন্ধে সাড়ে ছটা পর্যন্ত পুজো দেওয়া যাবে। তবে পুজো দিতে হবে গর্ভগৃহের বাইরে থেকে। পুজোর ডালায় কোনও ফুল দেওয়া যাবে না। একসঙ্গে ১০ জনের বেশি ভিতরেও ঢোকা যাবে না। দেওয়া হবে না চরণামৃত।
Reporter Aniruddha Benerjee

যান-দুর্ভোগ কমাতে সরকারি কর্মীদের দু’ভাগে কাজের সময় বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

Web Desk: গত কয়েক দিন ধরেই গন্তব্যে পৌঁছতে গিয়ে যান যন্ত্রণায় নাজেহাল রাজ্যবাসী। বিশেষ করে অফিসে যাওয়া-আসার সময় রাস্তায় কম বাস থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কর্মচারীরা। দুর্ভোগ কমাতে এ বার সরকারি কর্মীদের অফিসে কাজের সময় দু’ভাগে ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তিনি নবান্নে সাংবাদিকদের বলেন, “সাধারণ কর্মচারী থেকে ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদা পর্যন্ত অফিসারেরা দুই শিফ্টে কাজে আসবেন। একটি শিফ্ট হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটে, আর একটি শিফ্ট হবে সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত।”

রাস্তায় বেরিয়ে সমস্যায় যাতে না পড়তে হয়, সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে এ দিন জানিয়েছেন মমতা। তিনি বলেন, “ভিড় বাসে চাপাচাপি করে কাজে এলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই দুই শিফ্টে কাজে এলে সমস্যা কমবে।” পরিবহণ দফতরকে এই সময়সূচি মাথায় রেখে বেশি করে বাস নামানোর নির্দেশও দেন তিনি।

শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে মমতা বলেন, “ওয়ার্ক ফর্ম হোম-এর উপরে জোর দেওয়া যেতে পারে। ৫০ বা ৭০ শতাংশ কর্মী এনে করানো যেতে পারে কাজ। তবে এ বিষয়টি আপনাদের উপরেই ছেড়ে দিলাম। প্রয়োজনে সময় ভাগাভাগি করে নেওয়া যেতে পারে।”

অফিস, রেস্তরাঁ খুললেও, এখনও খোলেনি স্কুল-কলেজ। বাসে যাতে ভিড় না হয়, সাইকেলেও ছাড়পত্র দিয়েছে রাজ্য। বাইলেন দিয়ে সাইকেল চালিয়ে অফিস যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।  মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পরিস্থিতি বিবেচনা করে ৩০ থেকে কোথাও কোথাও ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিয়ে বাড়িতে ২৫ জন, ধর্মীয়স্থানে ২৫ জনের বেশি যাওয়া যাবে না।’’ তিনি আরও বলেন, “বেশি ভিড় হলে লোকের সমস্যা হয়। ট্রেন বন্ধ রয়েছে, কারণ করোনা বাড়তে পারেন। কিন্তু বাইরে না বেরলে অনাহারে মরতে হবে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের মাইনে দিচ্ছি। বেসরকারি কর্মচারীরা আছেন। বাইরে না বেরলে কী খাবেন, তাঁরা?”

অফিস খুললেও, এখনই স্কুল-কলেজ খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ৩০ জুন পর্যন্ত সব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জুলাই মাস অবধি তা হয়ে যেতে পারে। উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষা জুলাইয়ে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি শিক্ষা দফতর ভাল করে বলতে পারবে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা সব রকম ভাবে সাহায্য করছেন।’’ বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের অনুরোধ করছি, এ বার আর ফি বাড়াবেন না। বাড়তি টাকা দয়া করে নেবেন না। কারণ, মানুষের হাতে পয়সা নেই। নোটবন্দি-ঘরবন্দি দেখলাম। হাতে নোট নেই। ঘরবন্দিতে ঘরে থেকেও খাবার জোগাড় করা মুশকিল।”
Reporter Aniruddha Benerjee

ভিড় এড়াতে সরকারি অফিসে কাজ হবে ২ শিফটে, বেসরকারিতে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর

Web Desk: লকডাউন কাটিয়ে শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। খুলে গিয়েছে অফিস কাছারি। অফিস যাওয়ার জন্য মানুষজনকে রাস্তায় বেরতে হচ্ছে। কিন্তু এখনও ট্রেন চালু হয়নি। রাস্তায় বাসেরও সংখ্যা অপর্যাপ্ত। ফলে অফিস পৌঁছতে গিয়ে কালঘাম ছুটছে মানুষের। সেইসঙ্গে ভিড়। শিকেয় উঠছে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং।

এই পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে সরকারি অফিসগুলিতে শিফটিং ডিউটি চালুর নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা আড়াইটে আর বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা, এই দুই শিফটে ভাগাভাগি করে সরকারি অফিসে কাজ হবে। ডেপুটি সেক্রেটারি লেভেল পর্যন্ত শিফটিং ডিউটি হবে। 

পাশাপাশি, এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি অফিসে হাজিরার ক্ষেত্রে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত দেরি হলে কোনওরকম লাল কালির দাগ পড়বে না। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই এই মর্মে নবান্নের তরফে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। ১১ জুন থেকে সরকারি অফিসগুলিতে এই নয়া ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে। 

পুরসভার কর্মীরা জানাচ্ছে, এভাবে শিফটিং ডিউটি হলে তাঁদের সুবিধা-ই হবে। এখন সামাজিক দুরত্ব বজায়  রেখে কাজ করা যাচ্ছে না। যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে। ভিড় কমাতে এদিন বেসরকারি অফিসগুলোতেও শিফটিং ডিউটি চালুর কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বেসরকারি অফিসগুলিতে ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার উপরও জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

একইসঙ্গে অভিযোগ করেন, “বেসরকারি সংস্থায় যাঁরা কাজ করেন তাঁরা সবাই ঠিকমতো বেতন পাচ্ছেন না।” তবে কঠিন পরিস্থিতিতেও রাজ্য সরকার তার কর্মীদের সম্পূর্ণ বেতন দিয়েছে বলে জানান তিনি। 
Reporter Aniruddha Benerjee

ভাইরাসের আঁতুড়ঘর হতে পারে টাকা, করোনা আতঙ্কে অভিনব লেনদেন NKDA-র

Web Desk:নগদ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা নিয়ে আগেই সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। নোটে ৪৮ ঘণ্টারও বেশি করোনাভাইরাস বেঁচে থাকতে পারে বলেও দাবি বিশেষজ্ঞদের। তাই নগদ টাকার লেনদেনে নোটের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিকে একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই দিকে নজর রেখেই স্পর্শহীন লেনদেনে (Contactless Payment) জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এনকেডিএ। 
এনকেডিএ-এর নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এবার থেকে যে কোনও মাঠ, হল ইত্যাদি ভাড়া নিতে গেলে নেট ব্যাঙ্কিং বা ই-ওয়ালেটের ব্যবহার করতে হবে। শুধু তাই নয়, নিত্যনৈমিত্যিক কার্যাবলী, যেমন বিল্ডিং-এর প্ল্যানের অনুমোদনের মতো ক্ষেত্রেও ফিজ জমা দিতে হবে ক্যাশলেসভাবে। 
তবে, শুধু প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও নিউটাউনে নগদহীন লেনদেনে জোর দেবে প্রশাসন। উদাহরণস্বরূপ, রিক্সা-টোটোচালকদের সারাদিন বহু মানুষ নগদ অর্থ দিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রেও ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে লেনদেনে উত্সাহিত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে নিউ টাউনের প্রায় ৮০ শতাংশ লেনদেনই স্পর্শহীন করার লক্ষ্য নিয়েছে প্রশাসন। শুধু তাই নয়, আসন্ন দুর্গাপুজোর আগে ১০০ শতাংশ কনট্যাক্টলেস পেমেন্টের দিকে এগনোর পরিকল্পনা এনকেডিএ-এর।
Reporter Aniruddha Benerjee

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খুন, বিজেপি সাংসদকে ফের ম্যারাথন জেরা সিআইডির

Web Desk:নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত্ বিশ্বাসের খুনের ঘটনায় ফের জেরার মুখে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। বুধবার তাঁকে ভবাণীভবনে টানা ৪ ঘণ্টা জেরা করে সিআইডি। এনিয়ে তাঁকে তিনবার জেরা করা হল তাঁকে।
এবছর ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ ও ৯ তারিখে ম্যারাথন জেরা করে সিআইডি। তবে ওই খুনের কিনারা এখনও হয়নি। সত্যজিত্‍ বিশ্বাস খুনের ঘটনায় তৃণমূল রাজনৈতিক অভিসন্ধি নিয়ে বিজেপির লোকজনকে ফাঁসাচ্ছে, এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। কলকাতা হাইকোর্ট জগন্নাথ সরকারকে তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দেয়। সত্যজিত্‍ খুনের তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করবেন জানিয়েও বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করেছিলেন, পুরভোটের দিকে তাকিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তৃণমূল।
উল্লেখ্য, গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি ভরাসভায় গুলিতে খুন হন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত্ বিশ্বাস। বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে নিজেরই ক্লাবের সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে খুন হন সত্যজিত। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে সত্যজিতের মাথায় গুলি করে আততায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ সেসময় দাবি করেন,  রীতিমতো ছক কষেই খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার পরই অভিজিত্ পুন্ডারি নামের একজনকে আটক করে পুলিস। সত্যজিত বিশ্বাস খুনের পর শনিবার রাতেই অভিজিত্ নামে এক যুবকের বাড়ি ভাঙচুর করে এলাকার মানুষজন।

ঘটনার রাতেই ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজে নেমে পড়ে পুলিস। বিধায়ক খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় আরও দুজনকে। কার্তিক মণ্ডল ও সুজিত মণ্ডল নামের এই দুজনকে ম্যারাথন জেরা করে পুলিস। ঘটনাস্থলের প্রায় একশো মিটার দূর থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। আততায়ীর খোঁজে স্থানীয় বাসিন্দাদের মোবাইল ফুটেজও ভরসা করে পুলিস।
পাড়ার সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠান বলে এদিন স্থানীয় বহু মানুষ মোবাইলে ছবি তুলছিলেন। কেউ কেউ আবার অনুষ্ঠানের মুহূর্ত ভিডিও করে রেখেছেন। সেইসব ছবি বা ভিডিও থেকেও তদন্তে সহায়তা করার মতো কোনও ফুটেজ পাওয়া যায় কি না তাও দেখে পুলিস। খুনের ধরন ও পারিপার্শ্বিক ঘটনা দেখে পরিকল্পনা মাফিক খুন বলেই মনে হয়, এমনটাই বক্তব্য স্থানীয়দের। এদিন পুজোর অনুষ্ঠানের মাঝে বারবার লোডশেডিং হচ্ছিল। স্থানীয় মানুষের একাংশের দাবি, ষড়যন্ত্র করেই এমনটা করা হচ্ছিল। যাতে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে অনায়াসে অপারেশন চালানো যায়!
Reporter Aniruddha Benerjee

নেতাজিকে নিয়ে অশ্লীল পোস্ট, বাংলার পুলিশ চুপ কেন

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগরের বাসিন্দা; রজিবুল মোল্লা ফেসবুকে একের পর এক ভারত; এবং হিন্দু বিদ্বেষী পোস্ট করে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছে। বাংলা তথা ভারতের গর্ব নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে অশ্লীল পোস্ট করে; সমস্ত ভারতীয়দের অপমান করেছে সে। শুধু এখানেই না থেমে রজিবুল মোল্লা ফেসবুকে পোস্ট করে; “পাকিস্তান যখন ভারতীয় সেনার জওয়ানদের মারে; তখন মন খুশিতে ভরে যায়”। পাকিস্তানের সমর্থন করে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বিরুদ্ধে; বিষ উগড়ে দেয় রজিবুল মোল্লা। তবু এখনও চুপ; বাংলার পুলিশ! কিন্তু কেন? গত মাসে মুর্শিদাবাদের এক যুবক; ফেসবুকে হিন্দু মহিলা এবং দেবদেবী নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করে গ্রেফতার হয়েছিল। রজিবুল মোল্লার আরেকটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে; যেখানে সে হিন্দু দেবী ‘মা দুর্গা’ এবং; ভগবান শ্রী রামকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছে। হিন্দু মন্দিরের শিল্প নিয়েও কুরুচিকর ও নোংরা মন্তব্য করেছে সে। ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করে; হিন্দু ধর্ম এবং ভারতবর্ষের নামে বিষ উগড়ে গেছে রজিবুল মোল্লা। Developed Reporter Samrat Ghosh

আমার প্রথম ছেলের জন্য মস্তিষ্কের রোগে আক্রান্ত

Webdesk: Pic Google
লকডাউনের কারণে আমি। কেবল একজন শ্রমজীবী, বেকার। আমি আমার প্রথম ছেলের জন্য মস্তিষ্কের রোগে আক্রান্ত হয়ে যা কিছু ছিল তা বিক্রি করে দিয়েছি। এখন আমার দ্বিতীয় ছেলে শাম একই ব্যথাজনিত ব্যাধিতে ভুগছে। ছোট শামের মাথা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা এবং তার বাম চোখটি ফোলা, আরও বড় এবং আরও বড় হতে থাকে survive তার বেঁচে থাকার জন্য জরুরি চিকিত্সা দরকার এবং আমার কাছে অর্থ চাওয়ার কোথাও নেই  আপনার অনুদানই আমার ছোট্ট শামকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় Please দয়া করে সহায়তা করুন। "

সমর্থন করার জন্য: বিট.লি / সেভশাম।Developed Reporter Samrat Ghosh