২১ জুলাই শুরু হতে পারে অমরনাথ যাত্রা,থাকছে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ

Web Desk:সরকারের চূড়ান্ত সম্মতি পেলে চলতি বছরের ২১ জুলাই থেকে শুরু হতে পারে অমরনাথ যাত্রা৷তবে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সতর্কতার জন্য দৈনিক ২০০০ পুণ্যার্থীকে যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে৷এ বছরের অমরনাথ যাত্রাও সংক্ষিপ্ত করে ২১ জুলাই থেকে ৩ অগাস্ট পর্যন্ত৷এ দিন শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ডের আধিকারিকদের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে৷এ বছর বালতালের দিক দিয়েই যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে৷ওই পথে অমরনাথ যাত্রার সময়ও কম লাগে৷পহেলগাঁওয়ের দিক দিয়ে তুলনা দীর্ঘ পথটি দিয়ে যাত্রার বন্ধ থাকছে৷এর পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে৷যেমন সাধুদের ছাড়া ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বে কাউকেই যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না৷তবে যাত্রার অনুমতি পাওয়ার প্রধান শর্তই হলো প্রত্যেকের কাছে কোভিড ১৯ সার্টিফিকেট থাকতে হবে৷শুধু তাই নয়, জম্মু কাশ্মীরে প্রবেশের আগে করোনা সংক্রমণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্তা৷যেহেতু এ বছর খুব অল্প সংখ্যক পুণ্যার্থী অমরনাথ যাত্রার অনুমতি পাচ্ছেন,তাই সকাল- সন্ধ্যায় গুহা থেকে সরাসরি আরতির সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করার কথাও ভাবা হচ্ছে৷তবে হেলিকপ্টারের মাধ্যমেও পুণ্যার্থীদের গুহায় দর্শন করানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে বলেও এক আধিকারিক জানিয়েছেন৷ Reporter Aniruddha Benerjee

করোনা চিকিৎসার অব্যবস্থা নিয়ে দিল্লি সরকারকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

Web Desk:দিল্লিতে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার অব্যবস্থা নিয়ে কেজরিওয়াল সরকারকে কড়া ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট৷দিল্লির সরকারি হাসপাতালগুলিতে করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে রাজ্য সরকারের থেকে ব্যাখ্যাও তলব করেছে শীর্ষ আদালত৷একই সঙ্গে করোনায় মৃতদের প্রতিও দিল্লিতে যে আচরণ করা হচ্ছে,তারও কড়া সমালোচনা করে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷বিচারপতি অশোষ ভূষণের নেতৃত্বাধীন একটি ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় নিজেদের এই পর্যবেক্ষণ জানিয়েছে৷এ দিন মামলার শুনানি চলাকালীন দিল্লির হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের দুরবস্থা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে যে সমস্ত রিপোর্ট বেরিয়েছে,সেগুলিরও উল্লেখ করেন বিচারপতিরা৷একাধিক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের মধ্যেই করোনা আক্রান্ত জীবিত এবং মৃত রোগীরা এক জায়গাতেই পড়ে রয়েছেন৷অথচ তাঁদের দেখভালের জন্য কেউ নেই৷সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা স্বীকার করে নেন, মৃতের প্রতি সম্মান না দেখানো ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী একটি অপরাধ হিসেবেই গণ্য করা হয়৷আদালত তখন পাল্টা প্রশ্ন করে,এসব জানার পরেও আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন?ক্ষুব্ধ বিচারপতিরা আরও বলেন, রোগীরা যন্ত্রণায় ছটফট করলেও তাঁদর দেখার কেউ নেই৷এলএনজেপি হাসপাতালের একটি ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে,কতটা খারাপভাবে মৃতদেহ সরানো হচ্ছে৷মৃতদের প্রতিও ন্যূনতম সম্মান দেখানো হচ্ছে না৷বিচারপতিরা আরও অভিযোগ করেন, বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে মৃতদের পরিবারকেও খবর দেওয়া হচ্ছে না৷পরিবার জানতে পারার আগেই মৃতদেহের সৎকার হয়ে যাচ্ছে৷নির্দেশ দিতে গিয়ে আদালত বলে,পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ৷কেন্দ্রীয় সরকারের ঠিক করে দেওয়া গাইডলাইনও মানা হচ্ছে না৷হাসপাতালগুলি মৃতদেহগুলি নিয়ে ন্যূনতম যত্নবান হচ্ছে না৷পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বলে মন্তব্য করে বিচারপতিরা অভিযোগ করেন, প্রায় ২৫০০ বেড খালি থাকলেও অনেক আক্রান্তই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে চাইছেন না৷ হাসপাতালগুলিতে রোগীদের দুরবস্থা থেকে শীর্ষ আদালত ব্যথিত বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতিরা৷একই সঙ্গে আদালত অভিযোগ করে, করোনা সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকলেও দিল্লিতে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা কমছে৷এর কারণ কী তা নিয়েও প্রশ্ন করেন ক্ষুব্ধ বিচারপতিরা৷আদালত জানতে চায়,মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও দিল্লিতে তা কমছে কেন? আপনারা কি কৃত্রিম পরিসংখ্যান দেখাতে চাইছেন?পরীক্ষা না করাটা সমস্যার সমাধান নয়৷নমুনা পরীক্ষা বাড়ানো প্রতিটি রাজ্যের দায়িত্ব৷দিল্লি সরকারকে নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে আদালত বলে, কোভিড পরীক্ষা করাতে ইচ্ছুক প্রত্যেকেরই পরীক্ষা যাতে হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে৷পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা,মৃতদেহগুলি সঠিকভাবে না সরানোর অভিযোগ এবং নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি নিয়ে দিল্লি সরকারকে একটি নোটিসও পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত৷একই সঙ্গে মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা,মোট রোগীর সংখ্যা এবং কত চিকিৎসক ও বেড রয়েছে,তা জানতে চেয়ে এই তিনটি রাজ্যের মুখ্যসচিবদেরও নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত৷
Reporter Aniruddha Benerjee

করোনাকে হারিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন সুজিত বসু 

Web Desk:কলকাতা: রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে করোনাকে হারিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন সুজিত বসু। গত ২৮ মে দমকলমন্ত্রীর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। সম্প্রতি মন্ত্রীর বাড়িতে রান্নার কাজে নিযুক্ত পরিচারিকার জ্বর আসে। করোনা পরীক্ষা করালে তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর পরেই দমকলমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, তাঁর স্ত্রী এবং বাড়ির আরও পরিচারকের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে তাঁর করোনার কোনও উপসর্গই ছিল না। সেই জন্য প্রথমদিকে বাড়িতেই সেল্ফ কোয়ারেন্টিনে ছিলেন মন্ত্রী। তবে একে একে করোনা পজিটিভ হন তাঁর স্ত্রী ও ছেলেও। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে গত বুধবার বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। আজ রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। এদিন সন্ধে থেকেই হাসপাতালের বাইরে ছিল অনুগামীদের ভিড়। পাড়াতেও পুষ্পবৃষ্টি করে তাঁকে স্বাগত জানান এলাকার মানুষ।
Reporter Aniruddha Benerjee

করোনার থাবা, সিল করে দেওয়া হল মালাইকা অরোরার অ্যাপার্টমেন্ট

Web Desk: এবার বলিউড ডিভা মালাইকা অরোরা অ্যাপার্টমেন্টে করোনার থাবা। অভিনেত্রী অ্যাপার্টমেন্ট সিল করে দিয়েছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC)। 
জানা যাচ্ছে, ওই অ্যাপার্টমেন্টেরই এক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত। গত ৮ জুন ওই ব্যক্তির করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আর এরপরই তড়িঘড়ি সিল করে দেওয়া হয় মালাইকাদের ‘তাসকানি’ অ্যাপার্টমেন্ট। পাশাপাশি ওই এলাকা কনটেনমেন্ট জোন হিসাবে চিহ্নিত করেছে BMC।
Reporter Aniruddha Benerjee

বৃষ্টির মধ্যেই বড়বাজারে ভয়াবহ আগুন, গোটা এলাকায় আতঙ্ক

Web Desk: বৃষ্টির মধ্যেই বড়বাজারে ভয়াবহ আগুন, গোটা এলাকায় আতঙ্ক

শুক্রবার বৃষ্টির মধ্যে বড়বাজারে চামরার ব্যাগের কারখানায় ভয়াবহ আগুন। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায়, আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন।Reporter Aniruddha Benerjee

গ্যাস সিলিন্ডার লিক মালদা জেলার চাঁচলে ভস্মীভূত চারটি পরিবারের বাড়ি

Web Desk: গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লেগে বিপত্তি। ভস্মীভূত হয়ে গেল চারটি পরিবারের ১১ টি বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত আটটা নাগাদ মালদা জেলার চাঁচল থানার অন্তর্গত অলিওন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবীগঞ্জ গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎই এক স্থানীয়ের বাড়িতে রান্নার গ্যাস থেকে আগুন লেগে যায়। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ায় জ্বলতে থাকে বাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে আরো তিনটে প্রতিবেশীর ‌ বাড়িতে আগুন ধরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে।প্রথমে পাশের পুকুর থেকে পাম্পসেট দিয়ে জল তুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন বাসিন্দারা। ফোন করা হয় চাঁচল দমকল অফিসে। দ্রুত ছুটে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দমকল কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বলে খবর। সর্বস্ব হারিয়ে চারটি পরিবার এখন গাছতলায় আশ্রয় নিয়েছে।
দমকল বাহিনী সূত্রে জানা যায় গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করে আগুন লেগেছে বলে অনুমান। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুকটু দেশি, কমলা দেশি, সুবল দাস ও সকরাতু দাসের পরিবার। মোট চারটি পরিবারের ১১ টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানান। আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১০ লক্ষের উর্ধ্বে। অগ্নিকান্ডে কেউ হতাহত হয়নি বলে খবর।
Reporter Aniruddha Benerjee

ইতিহাসে প্রথম! দুই ব্যক্তিকে ৭২৩ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালতের

Web Desk:শুনতে অবাক লাগলেও কিন্তু এমনটাই শাস্তি ঘোষণা করেছেন আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডের একটি আদালতে। জানা গেছে
এপিচার্ট বোয়োর্নব্যানচারাক এবং প্রাপাসারন নামে দুটি থাই রেস্তোরাঁ বিজ্ঞাপন দিয়েছিল যে তাদের কাছে সামুদ্রিক প্রাণীর সুস্বাদু সব ধরনের রেসিপি পাওয়া যায়। আর এরপরেই বাড়ে বিপত্তি। ব্যবসা রমরমা করতে গিয়ে ফাঁপরে পড়লেন ‌ওই দুই রেস্তোরাঁর মালিকেরা।

কম মূল্যে সামুদ্রিক প্রাণীর রেসিপির বিজ্ঞাপন দিয়েছিল ওই দুটি রেস্তোরাঁ। তাতেই বিপদ। একের পর এক গ্রাহক অভিযোগ জানাতে থাকেন। রেস্তোরাঁয় সামুদ্রিক প্রাণী রাখার অভিযোগে একাধিক জায়গায় পরিবেশ প্রেমীরা মামলা দায়ের করেন। মামলা গড়ায় আদালতে। পাবলিক প্রসিকিউটর দাবি করেন, এভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে সামুদ্রিক প্রাণীর রেসিপি বিক্রি করা বেআইনি। থাইল্যান্ডের আইন অনুযায়ী ওই দুই রেস্তোরাঁ মালিকের শাস্তি ঘোষণা করেন বিচারক। দুজন মালিককে ৭২৩ বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। তার পরই শাস্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দাঁড়ালে বিচারক এমন শাস্তির সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন। প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডে ২০ বছরের বেশি কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া যায় না। তাই বিচারক শাস্তির সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন।
Reporter Aniruddha Benerjee

NRS থেকে গোপনে পাচার হচ্ছে মৃতদের দেহ!’ ভুয়ো ভিডিয়ো ঘিরে তোলপাড় হতেই লালবাজারে FIR

ওই ১১টি দেহ বেওয়ারিশ লাশ। যাঁদের নাম, ঠিকানা পাওয়া যায়নি। পরিবারের  সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। 

Web Desk:NRS থেকে গোপনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দেহ পাচার করা হচ্ছে। ১১টি দেহ পাচার করা হয়েছে।’ এমনই একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। আর ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্যভবন ও NRS কর্তৃপক্ষ। শেষে অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর NRS অধ্যক্ষ সাফ জানালেন, ভিডিয়োটি ভুয়ো। ওই ফেক ভিডিয়োর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে লালবাজারে চিঠি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দায়ের করা হয়েছে এফআইআর।
পরপর ১১টি পচাগলা দেহ মর্গ  থেকে বের করে একটি কালো গাড়িতে তোলা হচ্ছে। এমনই একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। ভিডিয়োতে দেখা যাওয়া ওই মর্গ NRS মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরতে থাকা ওই ভিডিয়োটিতে বলা হয়েছে, নোভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েই এই ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর তারপরই গোপনে দেহ পাচার করছে NRS মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

বিষয়টি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের অধ্যক্ষ শৈবাল মুখোপাধ্যায়, হাসপাতাল সুপার, আধিকারিকরা মর্গ পরিদর্শন করেন। খতিয়ে দেখেন ভিডিয়োটি। পাশাপাশি খতিয়ে দেখেন মর্গের কাগজপত্রও। তারপরই তাঁরা জানান যে, ভিডিয়োটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়ো। ওই ১১টি দেহ বেওয়ারিশ লাশ। যাঁদের নাম, ঠিকানা পাওয়া যায়নি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে সেগুলি পরে কলকাতা পুরসভার হাতে তুলে দেওয়া হয় শেষকৃত্যের জন্য। এক্ষেত্রেও তেমনই করা হয়েছে।

এরপরই কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অধ্যক্ষ শৈবাল মুখোপাধ্যায় লালবাজার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লেখেন। সেই চিঠি বৃহস্পতিবারই পাঠানো হয়েছে লালবাজারে। সেখানে বলা হয়েছে, একটি ফেক ভিডিয়ো NRS মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সম্পর্কে অসত্য তথ্য পরিবেশন করছে। ওই ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। সেখানে বলা হচ্ছে, গোপনে ১১টি মৃতদেহ পাচার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ করা হোক। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিসের সাইবার সেল।
Reporter Aniruddha Benerjee

বেহাল রাস্তা, মুখ থুবড়ে পড়ল লালারস সংগ্রহে যাওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের অ্যাম্বুলেন্স

Web Desk:ভিনরাজ্য থেকে ফেরা কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিকের দেহে মিলেছিল করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব। এরপরই ওই শ্রমিকদের গ্রামে গিয়ে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকালে সেইসতো পাঁচজনের স্বাস্থ্যকর্মীর একটি দল অ্যাম্বুলেন্সে চেপে মালদহের ভুতনি এলাকার কয়েকটি গ্রামে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথেই হল বিপত্তি। অত্যন্ত খারাপ রাস্তায় কাদায় আটকে গেল সেই অ্যাম্বুলেন্স। প্রায় এক হাঁটু কাদায় আটকে গেল অ্যাম্বুলেন্সের সামনের চাকা, কোনওক্রমে গ্রামবাসীদের চেষ্টায় সাজসরঞ্জাম নিয়ে ওই অ্যাম্বুলেন্স থেকে বেরিয়ে আসেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

ফলে লালারসের নমুনা না নিয়েই ফিরতে হল তাঁদের। এদিন সকালে মানিকচক থেকে সরকারি গাড়িতে ওই দলটি পৌঁছয় ভূতনিতে। তাঁদের যাওয়ার কথা ছিল পুলিনটোলা, খুশবরটোলা প্রভৃতি এলাকায়। এদিন সকালেই ভুতনি হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স তাঁদেরকে ভুতনি ব্রিজ হয়ে গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়। কিন্তু পথেই গোবর্ধনটোলা এলাকায় বেহাল রাস্তায় কাদামাটির মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের সামনের চাকা বসে যায়। গ্রামবাসীদের সহায়তায় দরজা দিয়ে লাফ ঝাঁপ দিয়ে নামেন পুরুষ ও মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু তাঁদের আর ওই সমস্ত গ্রামে আর পৌঁছানো হয়নি। সরকারি কাজে আসা স্বাস্থ্যকর্মীদের গাড়িই যদি এভাবে আটকে যায় তবে নিত্যদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষদের কী অবস্থা হয়? প্রশ্ন গ্রামবাসীদের। মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, আগাম না জানিয়ে যাওয়ার কারণেই ওই রাস্তা গাড়ি চলাচলের উপযুক্ত করা যায়নি। আগামীকাল যাতে ওই এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা পৌঁছে লালারসের নমুনা সংগ্রহ করতে পারেন তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবেReporter Aniruddha Benerjee