
Web Desk:ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ীর চুরির ঘটনার কিনারা কয়েকদিন আগেই করেছিল গাইঘাটা থানার পুলিশ। গ্রেফতার তিন চোর। ধৃতরা সকলেই আদালতের নির্দেশ অনুসারে পুলিশের হেপাজতে রয়েছে।ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রণামীর বাক্সে থাকা খোয়া যাওয়া টাকা। ধৃতদের বয়ান অনুযায়ী এই চুরির ঘটনায় কোন রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছিল পুলিশ। কিভাবে ধৃতরা ওইদিন চুরি করেছিল সেটা খতিয়ে দেখতে সোমবার দুপুরে ধৃতদেরকে নিয়ে ওই চুরির ঘটনার পুণঃনির্মান করলো গাইঘাটা থানার পুলিশ। উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার মন্দিরের কাচের দরজা ভেঙে ঠাকুরের গহনাসহ প্রণামী বাক্স নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল উত্তর ২৪ পরগনা ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি গুরুচাঁদ মন্দির।গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। ঠাকুরবাড়ির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,তার পর শুক্রবার সকালে তারা গুরুচাঁদ মন্দিরে গিয়ে দেখেন মন্দিরের কাচের দরজাটি ভাঙা রয়েছে। ঠাকুরের গলার গহনা নেই, প্রণামী বাক্স টি ঠাকুর বাড়ির সামনের মাঠের মধ্যে তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তাদের দাবি ঠাকুরের গলার গহনা ও প্রনামী বাক্সের প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে চোর। এই ঘটনা ঠাকুরবাড়ির পক্ষ থেকে গাইঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এবিষয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, গুরুচাঁদ মন্দির এর চুরির পিছনে তৃণমূলের মদত রয়েছে। শাসক দলের মত না থাকলে ঠাকুরবাড়িতে এমন ঘটনা ঘটার কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পুলিশ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার না করলে অনশনে বসার হুংকার দিয়েছিলেন তিনি।
এ বিষয়ে তৃণমূল নেতা ধ্যানেশ নারায় গুহ বলেন, শান্তনু ঠাকুর এর অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। তৃণমূল কংগ্রেস চুরির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। শান্তনু ঠাকুর ওই বাড়িতে চোর ডাকাত গাজাখোরদের পোষেন, চুরি করলে তারাই করেছে।
থানায় তো অভিযোগ করেছেন,পুলিশ তদন্ত করুক অপরাধী সামনে এসে যাবে, কারা এই কাজ করেছে।
পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর ওই চুরির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।ওই চুরির ঘটনায় পুনঃনির্মাণ করল। কিভাবে চুরি করেছিল সেই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার জন্য পুলিশ ও তিনজনকে ঠাকুরবাড়ি গুরুচাঁদ মন্দিরে নিয়ে আসে, পুলিশ জানতে চায় কিভাবে মন্দিরে চুরি হয়েছিল। খোওয়া যাওয়া অর্থ,ও অপরাধিদের পুলিশ ৭২ ঘণ্টার আগেই চুরির কিনারা করল।
Reporter Aniruddha Benerjee








