গালওয়ান উপত্যকায় ডি-এ্যাসকেলেশন প্রক্রিয়া চলাকালীন, গতকাল রাতে হতাহতের ঘটনায় একটি সহিংস মুখোমুখি ঘটনা ঘটে। ভারতীয় পক্ষের প্রাণহানির মধ্যে একজন কর্মকর্তা ও ২ জন সৈন্য রয়েছে। পরিস্থিতি হ্রাস করার জন্য দু’পক্ষের সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তারা বর্তমানে ঘটনাস্থলে বৈঠক করছেন: সেনা

খেতে পাচ্ছে না মানুষ, লকডাউন ভেঙে পিকনিক তৃণমূলের

Web Desk:করোনা, লকডাউন; খেতে পাচ্ছে না মানুষ; আর তার মাঝেই লকডাউন ভেঙে পিকনিক তৃণমূলের। লকডাউন কি শুধু সাধারণ মানুষ আর বিরোধীদের জন্য; উঠেছে প্রশ্ন। লকডাউনের তোয়াক্কা না করেই; রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ লাগোয়া বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্যে; ‘পিকনিকে’ মেতেছিলেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। রবিবার দুপুরে স্থানীয়রা বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেতেই; কাটল তাল। দীর্ঘক্ষণ অভয়ারণ্যের মূল গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। অভিযোগ, এই আয়োজনে মদ, খাসির মাংস, নাচ-গান সব কিছুরই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সকাল থেকেই চলছিল এই বিশাল আয়োজন।

৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন চলবে; বলে ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রীর নির্দেশ মানছেন না; তাঁর দলের কর্মীরাই। বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্যে এমনই অভিযোগ উঠেছে। এদিন সেখানে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের পিকনিক করতে দেখে; বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। লকডাউনের কারণে অভয়ারণ্য বন্ধ থাকলেও, তৃণমূল নেতাদের পিকনিক করার জন্য খুলে দেওয়া হয় গেট। আর এতেই এগে লাল হয়ে যায় গ্রামবাসী।

লকডাউন জারি থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ; বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য। ফলে পর্যটকদের আনাগোনা নেই সেখানে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার সকালে স্থানীয়দের নজরে পড়ে; বনভূমি কর্মাধ্যক্ষ অরূপ পাল, জেলা পরিষদের সদস্য পরিতোষ সাহা, রাম বোস-সহ বাগদা এলাকার শতাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মীরা; ওই অভয়ারণ্যে প্রবেশ করেছেন। কিছুক্ষণ কাটতেই তাঁরা বুঝতে পারেন; পাঁচিলে ঘেরা অভয়ারণ্যের ভিতর চলছে পিকনিক। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। ফরেস্টের গেটের বাইরে শুরু হয় বিক্ষোভ।

তাঁরা অভিযোগ করে জানান যে; রেশনের চাল চুরি থেকে শুরু করে; গৃহহীন মানুষদের ক্ষতিপূরণের টাকা পর্যন্ত খেয়ে বসে আছেন পরিতোষ বাবু। তাঁরা এমনও অভিযোগ করেন যে; কাটমানির সেই টাকা দিয়েই চলছে; তৃণমূলের এই বিশাল আয়োজন। অনেকেই বলছেন; “একদিকে মানুষ খেতে পারছে না; তখন আরেকদিকে এরা এরকম কাজ করতে পারে কি করে?” পরে পুলিশের উপস্থিতিতে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। যদিও তৃণমূলের দাবি; পিকনিক হচ্ছিল না সেখানে। স্থানীয়দের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

ওই পিকনিকে উপস্থিত তৃণমূল নেতা বলেন; “আমফানে বহু গাছ নষ্ট হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে; সেই গাছের বিষয়ে; আলোচনা করতে গিয়েছিলাম”। স্থানীয়দের বক্তব্য; “মদ মাংস, জল নিয়ে কেউ গাছ লাগাতে আসে বলে; আগে শুনি নি আমরা। এরকম অমানবিক কাজ; একমাত্র তৃণমূলের দ্বারাই করা সম্ভব। মানুষের কাজ চলে গেছে; দুবেলা দুমুঠো খেতে পারছে না। ঝড়ে রাজ্যে বিভিন্ন এলাকায়; ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেকেই এখনও গৃহহীন আর এর মধ্যে; তৃণমূলের নেতারা মদ, মাংস দিয়ে উল্লাস করছে। এর থেকে লজ্জার ব্যাপার আজকের দিনে আর কিছুই হতে পারেনা”।
Reporter Aniruddha Benerjee

থানার সামনেই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা, গণপিটুনি অভিযুক্তকে

Web Desk: প্রকাশ্য দিবালোকে থানার সামনে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়৷ উত্তেজিত জনতা হাতেনাতে ধরে ফেলে দুষ্কৃতীকে। তারপর দফায় দফায় চলে গণপিটুনি। শেষে অভিযুক্তে পুলিসের হাতে তুলে দেয় স্থানীয় জনতা। 
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার সামনের বাজারে। আহত ব্যবসায়ীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে দলুয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে থেকে তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক সফিক আজমলকেও উদ্ধারের পর দলুয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায় পুলিস। সেখানে ফের গণপিটুনির শিকার হয় সে।
অভিযোগ, সোমবার দুপুরে চোপড়া থানার সামনের বাজারে জুতো ব্যবসায়ী মঞ্জুর আলমের দোকানে ঢুকে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে লাগাতার আঘাত করে সফিক আজমল নামে ওই যুবক। পরবর্তীতে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। খবর দেওয়া হয় ঢিল ছোঁড়া দূরত্বের চোপড়া থানায়। 

পুলিস এসে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে অভিযুক্ত সফিককে। আহত ব্যবসায়ী মঞ্জুর আলমকেও উদ্ধার করে প্রথমে দলুয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। তবে পুলিসি হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই দলুয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফের গণপিটুনির শিকার হন ওই যুবক। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।  
যদিও পুলিসের তরফে এর কোনও উত্তর মেলেনি। পাশাপাশি, কী কারণে সফিক মঞ্জুরের উপর হামলা চালাল, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। ধন্দে পুলিস। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিসের অনুমান, পুরনো কোনও বিবাদের জেরেই এই ঘটনা।
Reporter Aniruddha Benerjee

রাজ্যে শীঘ্রই চালু হতে পারে লোকাল ট্রেন এবং মেট্রো, ইঙ্গিত রেলের

Web Desk: লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু নিয়ে রাজ্যের কোর্টেই বল ঠেলল রেলমন্ত্রক। কোনও রাজ্য লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালাতে চাইলে,পরিস্থিতি বিচার করে তার অনুমতি দেওয়া হবে। জানিয়ে দিলেন রেলবোর্ডের চেয়ারম্যান। 

মানুষের রুজি রোজগারে টান পড়েছে। ট্রেন চলাচল একদম বন্ধ। এদিকে সরকারি- বেসরকারি সব অফিস খুলে গেছে। কিন্তু ট্রেন না চলায় চরম দুর্ভোগে সাধারন মানুষ। এই অবস্থায় আশার আলো দেখাল  হাওড়া ডিভিশন। ট্রেন চালু হলে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন স্টেশনে সেই সার্ভে চালায় হাওড়ার রেলওয়ে সুরক্ষাবাহিনীর আধিকারিকরা। তবে কি সরকারি সব নির্দেশিকা মেনে ট্রেন চালানোর ভাবনায় রেল? 
রাজ্যে কবে চলবে ট্রেন? সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্যই। সোমবার রেলবোর্ডের তরফ থেকে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বলা  হয়েছে পরিস্থিতি বিবেচনা করেই রাজ্যই সিদ্ধান্ত নেবে ট্রেন কবে থেকে চালানো হবে। 

আনলক ওয়ান থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টায় কেন্দ্র এবং রাজ্য। সরকারি বা বেসরকারি অফিস খুলে গেলেও লোকাল ট্রেন এখনও বন্ধ। অথচ লক্ষ লক্ষ অফিসযাত্রী এই ট্রেনের উপরই নির্ভরশীল। তাই সরকারি নির্দেশিকা আসার পর লোকাল ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে সেই ব্যাপারে সোমবার হাওড়া ডিভিশন নিজেদের উদ্যোগে সার্ভে সেরে রাখল । 

হাওড়া ডিভিশনের বিভিন্ন স্টেশনে সার্ভে চালায় রেলওয়ে সুরক্ষাবাহিনীর আধিকারিকরা । ট্রেন চলাচল শুরু  হলে মূলত সামাজিক দুরত্ব , স্টেশনে প্রবেশপথে চেকিং আর  অবাঞ্চিত লোকের সমাগম স্টেশনে যাতে  না হয় সেটাই  ছিল সার্ভের প্রধান লক্ষ্য । 

হাওড়া ডিভিশন নিজেদের উদ্যোগে সার্ভে চালিয়ে তৈরি থাকছে ।  নেপথ্যে কি  এই ইঙ্গিত খুব তাড়াতাড়ি মিলবে ট্রেন চলাচলের সবুজ সংকেত । তবে হাওড়ার DRM জানিয়েছেন, লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে এখনওকোনওনির্দেশ আসেনি। তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ট্রেন চালাতে প্রস্তুত তাঁরা। 
Reporter Aniruddha Benerjee

দীর্ঘ অপেক্ষার পর রামপুরহাট বাসীর স্বপ্নপূরণ সরকারি বাস ডিপো চালু

Web Desk:রামপুরহাট বাসির দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল রামপুরহাটে একটি সরকারি বাস ডিপো করার জন্য। সেই স্বপ্ন এতদিনে পূর্ণ হয়েছে। চলতি মাসের ১৩ তারিখ মৌখিকভাবে জানায় ১৫ জুন ভোর থেকেই বাস চলাচল শুরু হবে ,রামপুরহাট হইতে সিউড়ি পানাগর ভাইয়া হয়ে কলকাতা যাবে ,এছাড়া রামপুরা থেকে ফারাক্কা ,রামপুরহাট- বর্ধমান ,রামপুরহাট -বহরমপুর বাস চলবে। রামপুরহাট সাউথ বেঙ্গল বাস ডিপো ইনচার্জ আনারুল বাসার জানান ,”আজ থেকে রামপুরহাট থেকে কলকাতা যাবার বাস চলা শুরু হয়েছে, ভোর ৫টায় প্রথম বাস ছেড়ে গেছে এখন আপাতত মোট তিনটি বাস কলকাতা যাচ্ছে। আমরা যাত্রীদেরকে বাসে ওঠার আগে ,সরকারি বিধি নিষেধ মেনে যেমন, মুখে মাক্স, শারীরিক তাপমাত্রা পরীক্ষা করা , হ্যান্ড  স্যানিটইজার স্প্রে করা,  এসকল সবকিছুই করে আমরা যাত্রীদেরকে বাসে চাপাচ্ছি। রামপুরহাট থেকে কলকাতা যেতে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগবে  বলেই জানাই।
Reporter Aniruddha Benerjee

সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদে পূর্বস্থলীর কৃষক পরিবারের ছেলে

Web Desk:সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদে যোগ দিলেন পূর্বস্থলী কৃষক পরিবারের এক ছেলে সুব্রত বৈষ্ণব। শনিবার লেফটেন্যান্ট বাহিনীর হেডকোয়াটার দেরাদুন পদে যোগ দেওয়ার পর উচ্ছ্বসিত পূর্বস্থলীর পারুলিয়ার বড়গাছী বাসিন্দা সুব্রত বৈষ্ণব এর পরিবার থেকে এলাকার মানুষজনেরা. তবে রবিবার ই তাকে মিরাটের সেনা ইউনিটে পাঠানো হয়। নতুন পদে যোগ দিয়ে মা-বাবাকে খুশির বার্তা পাঠান ওই সেনা অফিসার। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই উচ্ছ্বসিত ওই গ্রামের মানুষরা থেকে পরিবারের লোকজনেরা। এদিন সোমবার বিকেলে পূর্বস্থলী দু’নম্বর ব্লক বিডিও সৌমিক বাকচি ওই সেনা অফিসারের মা-বাবার হাতে পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি এ দিন সংবাদমাধ্যমকে জানান অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে এই জায়গায় পৌঁছানো তাকে শুভেচ্ছা জানাই, সেই কারণেই আজ ব্লকের তরফ থেকে তার মা-বাবাকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হলো। পাশাপাশি ওই সেনা অফিসারের বাবা তপন কুমার বৈষ্ণব তিনি জানান ছোটবেলা থেকেই ভালো পড়াশোনায় ছিল তার ছেলে, ছেলের জেদ ও ইচ্ছাশক্তির কারণে সেএই জায়গায় পৌঁছেছে। আর এই কারণে খুশি পরিবারের লোকেরা।Reporter Aniruddha Benerjee

পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ এর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

Web Desk:পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ এর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার রায়না ১ বিডিও অফিস থেকে। নাম মিঠু চৌধুরী বলে জানা যায়। বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। মৃত ওই ব্যাক্তির বাড়ি রায়না ১ ব্লকের আউসপাড়া গ্রামে। তিনি বর্ধমান জর্জ কোর্ট এ ওকালতি করতেন। কর্মসূত্রে তিনি বর্ধমান শহরেই বসবাস করতেন। আজ বিকেলের দিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তকর্মদক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরীকে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর খবর দেওয়া হয় স্থানীয় রায়না থানায়। ঘটনাস্থলে পৌছান এস ডি পি ও সাউথ (সদর) আমিনুল ইসলাম খান, এবং সি আই (সি )সদর সাউথ সঞ্জয় কুন্ডু সহ,  বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ এসে তৎক্ষণাৎ ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে রায়না ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে,  চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠান বর্ধমান মেডিক্যালকলেজ হাসপাতালে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন রায়না থানার পুলিশ।
Reporter Aniruddha Benerjee

সাংবাদিক সম্মেলন করলেন রাহুল সিনহা

Web Desk:২০২১ সালে তৃণমূল মুক্ত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব জেলায় জেলায় প্রচারে নেমেছে। বর্তমানে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আশা পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে টানার জন্য বিভিন্ন কৌশল করা হচ্ছে বিজেপির পক্ষ থেকে। সোমবার বর্ধমান ডিভিসি মোড় বিজেপি জেলা কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এদিন বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাহুল সিনহা, বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দ্বীপ নন্দী সহ অন্যান্য কার্যকর্তা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন শুরুর আগে বিজেপি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা কে পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন সন্দীপ নন্দী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল সিনহা বলেন রাজ্যে ৭৮০০০ বুথের প্রতিটি পরিবারে বিজেপির কার্যকর্তা গিয়ে নরেন্দ্র মোদির আত্মনির্ভর ভারত গড়ার বার্তা পৌঁছে দেবেন। রাহুল সিনহা বলেন যাদের কিষান ক্রেডিট কার্ড আছে তাদের ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। আরো বলেন যেসব মানুষ রাস্তায় ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন ,তাদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দু লক্ষ কোটি টাকা আর সংস্থান রেখেছেন। এর পাশাপাশি রেশম শিল্পী ,মৌমাছি পালক সহ ক্ষুদ্র শিল্পীদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও বলেন তিনি। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাহুল সিনহা বলেন বিজেপি পার্টি চলবে আগে আগে তৃণমূল চলবে পিছন পিছন। রাহুল সিনা অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো ৫ কেজি চাল লুট হচ্ছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

আস্তে আস্তে নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বাড়ি

Web Desk:মালদহের হবিবপুর ব্লকের আইহো অঞ্চলের আইহো বারুই পাড়ায় নদী ভাঙ্গনে সাতটি বাড়ির ভয়াবহ অবস্থা। গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রবল বৃষ্টির জেরে সাতটি বাড়ি মধ্যে দুটি বাড়ির অধেক অংশ ধসে পড়েছে। ইতি মধ্যে সেই বাড়িতে থাকা জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কে দিন কাটাছে আইহো অঞ্চলের বারুই পাড়ার সাতটি পরিবার। কৃষ্ণা দাস বলেন আমাদের এই নদী ভাঙ্গন ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয়েছে। সরকারের কাছে বার বার জানানো হয়েছে কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি। ব্লক প্রশাসন ও আইহো গ্রামপঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সদস্য সকলেই এসেছিলেন দেখে যান আশ্বাস দিয়ে যায় কিন্তু সঠিক কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন। অন্য দিকে টোটোন দাস বলেন এই লক ডাউনের আগে ভাঙ্গন শুরু হয়েছিল কিন্তু কাজ হবে আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু কোন কাজ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আজ আমাদের বাড়ির অধেক অংশ নদীতে যেতে বসেছে। তিন থেকে চার বার প্রশাসনের কাছে লিখিত ভাবে সেচ দপ্তর থেকে শুরু করে গ্রামপঞ্চায়েত,ব্লক প্রশাসন, বার বার জানানো হয়েছে তাদের তরফে শুধু আশ্বাস দেওয়া হয় কাজ হবে কিন্তু কোন কাজ হছে না। আজ কাজ না হওয়া বাড়ির অধেক অংশ নদীতে চলে গিয়েছে। এ বিষয়ে আইহো গ্রামপঞ্চায়ের সদস্য অমৃত হালদার বলেন তিন মাস আগে একবার ভাঙ্গন হয় সে সময় পরির্দশন করে গিয়েছিল বিডিও। আশ্বাসে বলা হয় লক ডাউনের পরে কাজ হবে। কিন্তু গত কাল রাতে বৃষ্টিতে বাড়ির কিছু অংশ নদীতে নেমে যায়।
Reporter Aniruddha Benerjee

মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে বোমাতাঙ্ক দুস্কৃতীদের তল্লাশিতে পুলিশ

Web Desk:ভরদুপুরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল‍্য ছড়াল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। এদিন দুপুরে ওই ঘটনাকে ঘটনায় ব‍্যাপক  চাঞ্চল্যের সাথে  ছড়াল আতঙ্ক স্থানীয়দের মধ‍্যে। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসিহাটা দৈনিক বাজারের অদূরে একটি অবৈধ মদের ঠেকে বোমা ফাটিয়েছে দুষ্কৃতীরা, বলে অভিযোগ বাসিন্দা সহ স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস‍্যের। ঘটনার খবর পেয়ে  হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে ঠেকের মালকিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কারা বোমা ফাটিয়েছে তা জানতে মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। যদিও ঘটনার জেরে এলাকাজুড়ে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ঠেকটি চললেও পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছিল না বলে অভিযোগ। এমনকি আটক মহিলা মাম্পি দাস শাসকদলের ছত্রছায়ায় থেকে ঠেক চালাচ্ছিলেন, উঠেছে এমন অভিযোগও। পুলিশ অবশ্য সব খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তুলসিহাটা দৈনিক বাজারের পাশ দিয়ে ছত্রক যাওয়ার রাস্তায় যোত বহরমপুর পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ঠেকটি চলছে। সন্ধের পর তো বটেই, সারাদিন ধরেই সেখানে এলাকার দুষ্কৃতীরা জড়ো হয়ে আসর বসায় বলে অভিযোগ। স্বামী পরিত্যাক্তা মাম্পি কয়েক বছর ধরেই ঠেকটি চালাচ্ছিলেন। এমনকি সেখানে তিনজন লেঠেল রাখা হয়েছিল বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বাসিন্দারা একাধিকবার ঠেকটির বিরুদ্ধে সরব হলেও ফল হয়নি বলে অভিযোগ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মাম্পি শাসকদলের হয়ে সামনে থেকে প্রচার চালিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন বাসিন্দারা। আর শাসকদলের ছত্রছায়ায় থাকায় ঠেকটি তোলা নিয়ে পুলিশ নীরব ছিল কি না সেই প্রশ্নও উঠতে শুর করেছে। এরই মধ্যে এদিন দুপুরে আচমকাই ঠেকে বোমা ফাটার শব্দে কেঁপে ওঠে লাগোয়া এলাকা। ঠেকের পিছনে দুই দুষ্কৃতী বোমা ফাটায় বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এবিষয়ে মালদা জেলা পরিষদের শিশু, নারী ও ত্রান কর্মাধ্যক্ষ মার্জিনা খাতুন জানান, ঘটনা কি জানিনা। তবে এই আতঙ্কের মাঝে আবারও কৃত্রিমভাবে এলাকায় আতঙ্ক  সৃষ্টি করলে পুলিশ প্রশাসন যথাযথ আইনত ব‍্যবস্থা গ্রহন করবে বলে আশাবাদী ওই কর্মাধ‍্যক্ষের।
Reporter Aniruddha Benerjee