হাওড়ার চিতনানে ভাঙল রূপনারায়ণ নদের রিং বাঁধের একাংশ, আতঙ্কে স্থানীয়রা

, উলুবেড়িয়া: জোয়ারের তোড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেল রূপনারায়ণ নদের উত্তর দিকের রিং বাঁধ ও পাড়ের প্রায় ৫০ ফুট অংশ। শুক্রবার রাতে জোয়ারের তোড়ে হাওড়ার দ্বীপাঞ্চলের চিতনান (Chitnan) এলাকার প্রায় ৫০ ফুট রিং বাঁধ ও নদীর পাড় নদীগর্ভে চলে যায়। এর ফলে প্লাবিত হল বিস্তীর্ণ এলাকার চাষের জমি। তাই আগামী বর্ষায় ও বন্যার সময় বিপদের আশঙ্কায় প্রহর গুণছে চিতনান এলাকার বহু মানুষ।হাওড়ার একদম শেষপ্রান্তে রয়েছে এই দ্বীপ। এর মধ্যে রয়েছে ভাটোরা ও ঘোড়াবেড়িয়া-চিতনান গ্রাম পঞ্চায়েত। চারিদিক রূপনারায়ণ ও মুন্ডেশ্বরী নদী দ্বারা বেষ্টিত। বিভিন্ন সময়ই এখানে নদীর পাড় ভাঙে। আমফান ঝড়ের সময় রূপনারায়ণের নদের চিতনান এলাকার বেশ কিছুটা পাড় ও বাঁধে ফাটল ধরেছিল। তারপর জোয়ারের তোড়ে ধীরে ধীরে সেই বাঁধ ভাঙছিল। শুক্রবার রাতে কোটালের পরে চিতনান দক্ষিণ পাড়ার কাছে নদী বাঁধের প্রায় ৫০ ফুটের বেশি অংশ ভেঙে গিয়েছে। ফলে হু হু করে জল ঢুকেছে এলাকায়। শনিবার দুপুরে দেখা গেল জোয়ারের জল নেমে গিয়েছে। কিন্তু, বাঁধ ভেঙে যাওয়া ফলে সামান্য জোয়ারেও ওই এলাকায় জল ঢুকে যাবে। এতে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হবে। শুধু তাই নয়, এখনও পুরো বর্ষাকাল রয়েছে। এই সময় নদীর পাড়ের বিরাট অংশ ধসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।ঘোড়াবেড়িয়া-চিতনান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ওই এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার সামন্ত বলেন, এসময় নদীর তীরে বিভিন্ন বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করেন চাষীরা। পটল, ঝিঙে ও উচ্ছে থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে জীবনধারণ করেন। কিন্তু, বারবার বন্যার জল এলাকায় ঢুকে গেলে সেই চাষে ব্যাপক ক্ষতি হবে। পেশায় গ্রামীণ চিকিৎসক সইদুল ইসলাম বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে রয়েছি।Developed Reporter Samrat Ghosh

শুধু ভারত নয়, লাদাখ সমস্যা মেটাতে চিনকেও ‘সাহায্য’ করবেন ট্রাম্প

লাদাখের অশান্তি নিয়ে প্রথম মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে চিনের সঙ্গে ভারতের যে টানাপোড়েন বা লড়াই চলছে, তাতে সবসময় নয়াদিল্লির পাশেই আছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এতদিন লাদাখ ইস্যুতে নিঃশর্তে ভারতের পাশে থাকার বার্তাই দিয়ে এসেছে আমেরিকা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি কিছুটা হলেও পালটাল। লাদাখে ভারত-চিনের সংঘর্ষ নিয়ে এবার মুখ খুললেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) । মুখ খুলেই একপ্রকার মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  তিনি চাইছেন এই সমস্যা মেটাতে দুই দেশের সঙ্গেই আলোচনা করতে। দুই দেশকেই সাহায্য করতেশনিবার নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে (White House) এক সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যেকার পরিস্থিতি খুব জটিল। ওরা একে অন্যের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। আমরা ভারতের সঙ্গে কথা বলছি, আবার আমরা চিনের (China) সঙ্গেও কথা বলছি। আমরা ওদের সঙ্গে আলোচনা করব। ওদের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করব।” উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুসম্পর্ক সর্বজনবিদিত। তুলনায় চিনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক এখন তলানিতে। তা সত্বেও আমেরিকার লাদাখ ইস্যুতে এই ‘মধ্যস্থতার’ প্রস্তাব বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবশ্য আগেও একইরকমভাবে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু সে প্রস্তাব দুই দেশই খারিজ করেছে। প্রসঙ্গত শুরু থেকেই লাদাখে চিনা আগ্রাসনের বিরোধী ছিল আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একেবারে প্রথম সপ্তাহ থেকেই লাদাখ পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছে। আমেরিকার বিদেশমন্ত্রক একাধিকবার স্পষ্ট করে দিয়েছে, লাদাখে চিনা সেনার আগ্রাসন সমর্থনযোগ্য নয়। চিন যেভাবে প্রতিবেশীদের হেনস্তা করছে, এবং তাঁদের উপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে, আমেরিকা তার তীব্র বিরোধিতা করে। কিন্তু শনিবারের ট্রাম্পের বক্তব্য খানিকটা অন্যরকম বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তাঁদের ধারণা, আমেরিকা আর নিঃশর্তভাবে ভারতের পাশে থাকার পক্ষে নয়। সেজন্যই হয়তো দু’দেশের সঙ্গেই আলোচনা চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।Developed Reporter Samrat Ghosh

ইটের জবাব পাটকেলে! প্রয়োজনে চিন সীমান্তে সেনাকে আগ্নেয়ান্ত্র ব্যবহারের অনুমতি কেন্দ্রের

গালওয়ানে হামলার পর রুলস অব এনগেজমেন্টে বদল আনছে কেন্দ্র। চিনের অতর্কিত হামলায় শহিদ হয়েছেন ২০ ভারতীয় জওয়ান। চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দিতে প্রস্তুত ভারতও। রণসজ্জার পাশাপাশি ভারত-চিন সীমান্ত তথা লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (LAC) কর্মরত জওয়ানদের ক্ষেত্রে বেশকিছু নিয়ম বদল করছে কেন্দ্র সরকার। বদল আনা হচ্ছে ‘রুলস অব এনগেজমেন্ট’-এ (Rules of Engagement)।সূত্রের খবর, নতুন নিয়মে চূড়ান্ত পরিস্থিতিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কোনও বারণ থাকবে না সেনাবাহিনীর উপরে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও ইতিমধ্যে এই নীতিতে সায় দিয়েছে। এতদিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও চিনের সেনা মুখোমুখি হলেও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করত না ভারতীয় সেনাবাহিনী। এবার সেই নিয়মে চূড়ান্ত বদল আনছে কেন্দ্র। এবার থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনাকে (Indian Army) পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে বলেও খবর। ফলে চূড়ান্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে, তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। ওয়াকিবহাল মহলের কথায়, ইট ছুঁড়লে এবার পাটকেল খেতে হবে লালফৌজকেও।সূত্রের খবর, গত সোমবার রাতে কার্যত অতর্কিত হানা (India china Face off) দিয়েছিল চিনা সেনা। নিয়ম মেনে ভারতীয় সেনা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি বলেই খবর। ফলে কার্যত একতরফা দাপট দেখিয়েছে ড্রাগনের দেশের ফৌজ। যদিও প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন, ভারতীয় জওয়ানরা উচিৎ শিক্ষা দিয়েছে। তারপরেও জল্পনা চলছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার নিয়মবিধি নিয়ে বারবার বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়েছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি, সীমান্তরেখা বরাবর তৎপরতা বাড়িয়েছে লালফৌজ। মজুত হয়েছে যুদ্ধের সাজ-সরঞ্জাম। পিছিয়ে নেই ভারতীয় সেনাও। জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে চক্কর কেটেছে একাধিক যুদ্ধবিমান। বায়ুসেনা সূত্রের মতে, মিরাজ, সুখোইয়ের মতো অত্যাধুনিক বিমানকে ইতিমধ্যেই ফরওয়ার্ড বেসে পাঠানো হয়েছে। লেহ-র আকাশে উড়েছে অ্যাপাচে কপ্টার। এরপর রুলস অব অনগেজমেন্টের মতো পুরনো নিয়মেও বদল আনল কেন্দ্র। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ইট মারলে এবার পাটকেল ছুঁড়তে কোমর বাঁধছে ভারতীয় সেনাও।Developed Reporter Samrat Ghosh

আগামি তিনমাস ইলেকট্রিক বিল মুকুবের দাবি

Web Desk: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কামারহাটির বিধায়ক কমঃ মানস মুখার্জি সহ অন্যান্য বাম ও কংগ্রেস নেতা কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে, সাগর দত্ত হাসপাতাল কে শুধুমাত্র কোভিড হাসপাতাল নয় অন্যান্য রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে,আমফান ক্ষতিগ্রস্ত দের পূনর্বাসনের দাবিতে,

আগামি তিনমাস ইলেকট্রিক বিল মুকুবের দাবিতে, আগামী ছয় মাস প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাটাউন্টে ৭৫০০ টাকা করে দেওয়ার দাবিতে বাম কংগ্রেস সহ অন্যান্য সহযোগী দলগুলোর বিক্ষোভ কর্মসূচিতে জন জোয়ার। উপস্থিত ছিলেন ডঃ সুজন চক্রবর্তী, কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান, বিধায়ক কমঃ তন্ময় ভট্টাচার্য, কমঃ পলাশ দাস,সহ বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্ব।Reporter Aniruddha Benerjee

এত রঙের সূর্য আগে কখনও দেখেছেন?

ফটো গ্যালারি
আকাশে নানা রঙের সূর্য, দেখুন বলয়গ্রাস গ্রহণে বিভিন্ন জায়গা থেকে সূর্যের রূপ।Developed Reporter Samrat Ghosh

বর্ধমানে মেঘের আড়ালে মুখ লুকিয়েছেন সূর্যদেব ।
হরিয়ানার কুরুক্ষেএর আকাশে গহণে লাগা সূর্যের ছায়া
ফিকে কমলা সূর্য জম্মুও কাশ্মীরের আকাশে
চাঁদে ঢাকা সূর্যের খণ্ডিত অংশ, গুজরাট
তামিলনাড়ুর কোযেম্মাটোর রক্তিম সূর্য
একফালি সূর্য পাকিস্তানের করাচির আকাশে

২১শে জুন, ২০২০ সকালে সূর্যগ্রহণ উপলক্ষে সকল ভক্ত ও দর্শনার্থীগণকে জানানো হচ্ছে যে, সকালে বেলুড় মঠ প্রাঙ্গণে প্রবেশ বন্ধ থাকবে | তাঁরা আবার ঐদিন বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত মঠ-প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন | Reporter: Shrinjoy Ghosh

ফের সুন্দরবনে মৎস্যজীবীদের ওপর বাঘের হামলা, নিখোঁজ এক মৎস্যজীবী!

Web Desk:  এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হামলা নিখোঁজ এক মৎস্যজীবী। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার  সুন্দরবনের পিরখালি এক নম্বর জঙ্গলে। নিখোঁজ ওই মৎস্যজীবীর নাম মনোহর মন্ডল (৬৫)। বাড়ি  গোসাবার জেমসপুর গ্রামে।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে মনোহর ও তার তিন সঙ্গী কাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে পিরখালি ১ নম্বর জঙ্গলে যান। যখন তারা পিরখালি ১ নম্বর জঙ্গলের খাঁড়িতে কাঁকড়া ধরছিলেন, ঠিক তখনই আচমকাই মনোহরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঘ। তারপর ওখান থেকে মুখে করে জঙ্গলের গভীরে নিয়ে চলে যায় মনোহরকে। এখনো পর্যন্ত তার  কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। যদিও, তার জীবিত থাকার সম্ভাবনা ক্ষীন বলে অনুমান করছেন মৎস্যজীবীর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে ইতিমধ্যেই গোসাবার জেমস গ্রাম থেকে অন্যান্য মৎস্যজীবীরা মনোহরের খোঁজে পীরখালির জঙ্গলে রওনা দিয়েছেন। এর আগে ১৩ জুন সকালেও কুলতলির চিতুড়ি ফরেস্টে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হামলায় মৃত্যু হয় এক মৎস্যজীবীর। চলতি বছরে এখনো পর্যন্ত বাঘের থাবায় মৃত ৬ মৎস্যজীবী।
Reporter Aniruddha Benerjee

রাত পোহালেই সূর্যগ্রহণ , মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল বেলুড়

Web Desk: রাত পোহালেই সূর্যগ্রহণ। মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকবে কলকাতাবাসী। আর সেই গ্রহণের সময় মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল বেলুড়। ২১ জুন রবিবার সূর্যগ্রহণ হবে। ওইদিন ভক্ত ও দর্শনার্থীগণের বেলুড় মঠের সকালের দর্শন বন্ধ থাকবে। সকাল ৯টা থেকে সকাল ১১টা ঢুকতে পারবেন না ভক্ত, দর্শনার্থীরা। তবে বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা মঠ খোলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

বেলুড় মঠের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল ২১ জুন সকালে সূর্যগ্রহণ উপলক্ষে বেলুড় মঠ প্রাঙ্গনে ভক্ত ও দর্শনার্থীগণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। তবে, বিকালে ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত মঠ প্রাঙ্গনে তাঁরা যথারীতি প্রবেশ করতে পারবেন।
৮২ দিন বন্ধ থাকার পরে সম্প্রতি খুলেছে বেলুড় মঠ। এখন দর্শনার্থীদের জন্য সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ও বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত বেলুড় মঠ খোলা থাকছে মঠ। তবে দর্শনার্থীদের জন্য একাধিক নিয়ম চালু করেছে মঠ কর্তৃপক্ষ। মূল প্রবেশদ্বারে প্রত্যেকের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। তার আগে প্রবেশদ্বারের বাইরে প্রত্যেক দর্শনার্থীকে ছাউনির নিচে কিছুটা বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। তারপর থার্মাল স্কিনিং করে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করানো হচ্ছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

৫০০ কোটির বরাত বাতিল, দুই চিনা সংস্থাকে ঘাড়ধাক্কা মুম্বই মনোরেলের

ভারতীয় সংস্থাকে দেওয়া হবে দায়িত্ব।সংবাদ প চিনকে ভাতে মারতে প্রস্তুত ভারত। সীমান্তে লালফৌজের নৃশংস হামলার পর দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে দেশবাসী। এমন আবহে টেলিকম থেকে রেল, চিনা সংস্থার একের পর এক বরাত বাতিল করছে কেন্দ্র। এবার মুম্বইয়ের মনোরেলও দুই চিনা সংস্থার টেন্ডার (Tender) বাতিল করল। এখন সেই কাজের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য কোনও ভারতীয় সংস্থাকে খোঁজা হচ্ছে। নতুন করে টেন্ডার ডাকা হবে বলেও খবর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নও কিছুটা হলেও সফল হবে।জানা গিয়েছে, মুম্বই মনোরেলের (MonoRail) জেকব সার্কেল-ওয়াদালা-চেম্বুর লাইনের জন্য চার কামরার ১০টি মনোরেলের রেকের বরাত দিয়ে গ্লোবাল টেন্ডার ডেকেছিল মুম্বইয়ের পরিবহণ ও পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা The Mumbai Metropolitan Region Development Authority (MMRDA)। বরাত ছিল প্রায় ৫০০ কোটি টাকার।জানা গিয়েছে, মাত্র দুটি সংস্থা বরাত জমা দেয়। দুটিই চিনের সংস্থা- চায়না রেল রোড কর্পোরেশন (China Rail Road Corporation) এবং বিল্ড ইওর ড্রিম (Build Your Dream)। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি কোনও ভারতীয় সংস্থাও। এদিকে ময়দান ফাঁকা পেয়ে অর্থনৈতিক, যোগ্যতার ক্ষেত্রে বরাতের শর্তে পরিবর্তন আনতে রেল কর্তৃপক্ষের উপর চাপ দিতে থাকে তারা। সেই কারণ দেখিয়ে ওই বরাত প্রক্রিয়া বাতিল করা হচ্ছে বলে খবর।প্রসঙ্গত, লাদাখে ভারতের পিঠে ছুরিকাঘাত করেছে চিন। তাই সেনার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ‘ড্রাগন’কে জবাব দিতে তৈরি দেশের বণিকরাও। অর্থনীতির ময়দানে বেজিংকে কুপোকাত করতে এবার ৩ হাজার চিনা পণ্য বয়কট করার ডাক দিয়েছে ‘The Confederation of All India Traders’ (CAIT)। চিনা পণ্য ব্যবহার বন্ধ করেছে বিএসএনএল। সড়কপথের সুড়ঙ্গ নির্মাণের বরাতও বাতিল হতে পারে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বাতিল হয়েছে ফ্রেইট করিডোরের বরাতও। এবার মনোরেলের রেক নির্মাণের বরাতও হাতছাড়া হল চিনা সংস্থার। সবমিলিয়ে চিনের বাণিজ্যিক সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের ভাতে মারতে কোমর বেঁধে তৈরি ভারত। Developed Reporter Samrat Ghosh

‘আমরা ভারতীয়, চিন দূর হঠো’, খাস কলকাতায় বিক্ষোভ মিছিল চিনাদের

Developed Reporter Samrat Ghoshচিনা ভাষায় স্লোগান তোলেন বিক্ষোভকারীরা। লাদাখ ইস্যুতে তোলপাড় গোটা দেশ। দাবি উঠেছে চিনা পণ্য বয়কটের। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পাশেই দাঁড়ালেন কলকাতার চায়না টাউনের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সুর চড়ালেন চিনের বিরুদ্ধে।ভারত-চিন সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের প্রাণ ত্যাগের ক্ষত এখনও টাটকা। ক্ষোভের আগুন জ্বলছে প্রত্যেক দেশবাসীর ভিতর। এরাজ্যের ছবিটাও ভিন্ন নয়। জওয়ানদের উপর চিনাদের নৃশংসতার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে শহর থেকে জেলা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা দাবি তুলেছেন চিনা পণ্য বয়কটের। এই পরিস্থিতিতে শনিবার কলকাতার চায়না টাউনের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন জাভেদ খান ও তাঁর পুত্র ফইয়াজ খান। সেই প্রতিবাদ মিছিল থেকে চিনা, বাংলা, হিন্দি ও ইংরাজি ভাষায় চিনা বর্বরতার বিরুদ্ধে সরব হন প্রবাসীরা। পাশে দাঁড়ান ভারতীয় সেনার। তাঁদের কথায়, “আমরা তিন দশক ধরে এই শহর কলকাতায় রয়েছি। আমরা সম্পূর্ণভাবে ভারতীয়।শহর কলকাতাকে আমরা নিজের প্রাণের থেকেও বেশি ভালোবাসি।আমাদের সঙ্গে চিনের কোনও সম্পর্ক নেই।” প্রসঙ্গত, চিনা নৃশংসতার শহিদ এদেশের ২০ জন জওয়ানের  মধ্যে রয়েছেন এরাজ্যের দুজন। একজন বীরভূমের বাসিন্দা অপরজন আলিপুরদুয়ারের। গতকালই ঘরে ফিরেছে তাঁদের দেহ। অবিলম্বে বীরভূমের জওয়ানের বোনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে প্রশাসন। শনিবার আলিপুরদুয়ারে শহিদ বিপুলের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অর্থ।  Developed Reporter Samrat Ghosh