উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় দিব্বি শোনা যায় নেপালি এফএম চ্যানেল।সংবাদ প্রতিদন ডিজিটাল ভারতকে উসকানি দিতে এবার উত্তর কোরিয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করছে নেপাল। লাগাতার ভারত বিরোধী গান বাজিয়ে চলছে নেপালের একাধিক রেডিও স্টেশন। এভাবেই দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে রেডিওতে প্রচার চালায় উত্তর কোরিয়া।জানা গিয়েছে, উত্তরাখণ্ডে ভারত-নেপাল সীমান্তে অনেক সময়ই বাসিন্দাদের রেডিওতে নেপালের চ্যানেলগুলি শোনা যায়। বহু বছর ধরে পড়শি দেশের এফএম চ্যানেল শুনতে অভ্যস্ত ওই এলাকার বাসিন্দারা। সম্প্রতি, আচমকাই ভারতের জমি নিজের বলে দাবি করে সীমা বিবাদ উসকে দিয়েছে কাঠমাণ্ডু। তারপর থেকেই লাগাতার ভারত বিরোধী গান চলছে নেপালের এফএম চ্যানেলগুলিতে। ওই গানগুলিতে ভারতের কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরাকে নেপালের অংশ বলে দাবি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতের হাত থেকে ওই এলাকাগুলিকে ‘উদ্ধার’ করতে বিফল হওয়ায় নেপালি রাজনীতিবিদদেরও সমালোচনা করা হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলার ধরচুলা, ঝুলাঘাটের মতো শহরে বেশ কয়েকটি নেপালি এফএম চ্যানেল দিব্বি শোনা যায়। গত মে মাস থেকেই–নয়া নেপাল, কালাপানি রেডিও, ধরচুলা রেডিও, রেডিও সারথি-সহ অন্যান্য নেপালি রেডিও চ্যানেলগুলি ভারত বিরোধী গান চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, কৃষ্ণ গারবিয়াল নামের এল স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ। ওই চ্যানেলগুলিতে খবর পরিবেশনের নামে ভারতের বিরুদ্ধে কুৎসা করা হয়। তাই অনেকেই বিরক্ত হয়ে সেগুলি শোনা বন্ধ করে দিয়েছেন।উল্লেখ্য, চিন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনার আবহে সম্প্রতি নিজেদের জাতীয় সংসদের উভয়কক্ষে বিতর্কিত মানচিত্র বিল পাশ করেছে নেপাল। আগে নিম্নকক্ষে পাশ হয়েছিল, বৃহস্পতিবার উচ্চকক্ষেও এই সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী (Constitution Amendment) বিলটি কোনও রকম বিরোধিতা ছাড়াই পাশ হয়ে যায়। এর ফলে ভারতের অংশ-সহ নতুন মানচিত্র ব্যবহারে আর কোনও সমস্যা রইল না নেপালের।Developed Reporter Samrat Ghosh
Category Archives: Uncategorized
৩০ বছরের কেরিয়ারে ইতি! অবসর ঘোষণা করলেন WWE’র রাজা ‘দ্য আন্ডারটেকার’
পেশাদার রেসলিং জগতে এক অধ্যায়ের অবসান।‘দ্য আন্ডারটেকার’। শিশু বা কিশোর বয়সে কমবেশি সকলেই এই নামটি শুনে থাকবেন। প্রায় ৩০ বছর পেশাদার রেসলিং রিংয়ে রাজত্ব করেছেন যিনি। সেই কিশোর মনের ‘নায়ক’ এবার অবসর নিলেন। হ্যাঁ, সুদীর্ঘ কেরিয়ারে ইতি টেনে WWE-কে বিদায় জানালেন ‘দ্য আন্ডারটেকার’। সেই সঙ্গে পেশাদার রেসলিং জগতে একটা অধ্যায়ের অবসান হল। তবে সবটাই ‘আপাতত’। কারণ, ভবিষ্যতে ফের রিংয়ে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আন্ডারটেকার নিজেই।WWE অর্থাৎ, World Wrestling Entertainment। কুস্তি আর বিনোদনের মিশেল এই খেলা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা চূড়ান্ত। বিশ্বের প্রায় সব প্রান্তে এর সমর্থক আছে। আর এই WWE’র সর্বকালের সবচেয়ে সফল এবং জনপ্রিয় তারকা কে? অনেকেই একবাক্যে উত্তর দেবেন ‘দ্য আন্ডারটেকার’। দীর্ঘ ৩০ বছরের কেরিয়ারে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজও সমান জনপ্রিয় তিনি। কিন্তু বয়সের ভারে এবার পেশাদার রিং ছাড়তেই হচ্ছে মার্ক ক্যালাওয়েকে (এটিই তাঁর আসল নাম)। নিজের উপর তৈরি ডকুসিরিজের শেষ অধ্যায়ে এসে আন্ডারটেকার বলছেন,”কখনও বিদায় বলা উচিত নয়। কিন্তু আমার আর রিংয়ে ফেরার কোনও ইচ্ছে নেই। আমার বোধ হয় এবার সত্যিই বিদায় নেওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কারণ, আমার আর কিছু পেতে বাকি নেই। এমন কোনও সাফল্য নেই, যা অধরা। খেলাটা অনেক বদলে গিয়েছে। এখন নতুনদের আগমনের সময়।”মার্ক ক্যালাওয়ের জন্ম ১৯৬৫ সালে। ১৯৮৭ সালে পেশাদার রেসলিংয়ে অভিষেক হয় তাঁর। সুদীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক পোশাকি নামে খেলেছেন তিনি। তবে তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ‘আন্ডারটেকার’ অবতারই। নিজের কেরিয়ারে WWE’র এমন কোনও খেতাব নেই যেটা জেতেননি তিনি। তাঁর অবসরে মন খারাপ অনুরাগীদের। যদিও, এই অবসর স্থায়ী কিনা স্পষ্ট নয়। এর আগেও একাধিকবার অবসর ঘোষণা করেছেন তিনি। আবার ফিরেও এসেছেন। এবারেও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। WWE কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করলে প্রত্যাবর্তনের কথা ভেবে দেখতেই পারেন। Developed Reporter Samrat Ghosh
আয়ুশ ক্কাথ তৈরিতে তুলসির আকাল, ১৫০ বিঘা জমিতে চাষের সিদ্ধান্ত রাজ্যের
তুলসী চাষে ১০০ দিনের প্রকল্পকে যুক্ত করা হয়।: কোভিড মোকাবিলার অন্যতম অস্ত্র হয়ে উঠেছে আয়ুশ ক্বাথ। পুলিশ থেকে আমলা, সবাই দিনে দু’বার ভেষজ পাঁচন খাচ্ছেন। কিন্তু ক্বাথ তৈরির প্রধান উপকরণ তুলসীরই দেখা নেই। উৎপাদিত তুলসী (Tulsi) পাতার সিংহভাগ হাওড়ার মল্লিকঘাট হয়ে চলে যাচ্ছে ভগবানের পায়ে। এবার তাই একশো দিনের প্রকল্পকে যুক্ত করে রাজ্য সরকার তুলসী চাষের উদ্যোগ নিল। চিহ্নিত করা হল কোচবিহারের দুই গ্রাম পঞ্চায়েতকে। বুধবারই প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।কোচবিহারের (Cooch Behar) বারোটি জনপদকে তুলসী গ্রাম হিসাবে গড়ে তোলার পাশাপাশি এক বিঘা জমি আছে, এমন ১৫০জন চাষিকে নির্বাচন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। এক আধিকারিক জানালেন, “চাষিদের তুলসী বীজ দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তুলসী পাতা শুকনো করার জন্য সোলার-ড্রাইং ইউনিট এবং একটি স্টোরেজ গুদাম তৈরি করা হবে। একটি তুলসী প্রসেসিং প্ল্যান্টও তৈরি করা হবে, যেখানে আয়ুশ ক্বাথ, তুলসী অর্ক, তুলসী তেলের মতো দ্রব্য উৎপাদিত হবে।” একশো দিনের প্রকল্পে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের যুক্ত করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ‘মহাত্মা গান্ধী জাতীয় কর্মসংস্থান সুনিশ্চিতকরণ প্রকল্প’-র টেকনিক্যাল অফিসার তাপস সাহা এই খবর জানিয়ে বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ রাজ্যে প্রথম। তবে এই ব্যাপারে যা বলার আধিকারিকরাই বলবেন।” আন্তর্জাতিক বাজারে তুলসীর বিপুল চাহিদা। এক কেজি শুকনো পাতার বর্তমান দাম ৪০-৫০ টাকা। কিন্তু এখন টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না তুলসী। রাজ্য ভেষজ উদ্ভিদ পর্ষদ সূত্রে খবর, এক হেক্টর জমি থেকে আনুমানিক ১ টনের মতো শুকনো পাতা বছরে দু’ থেকে তিনবার সংগ্রহ করা যাবে। আয়ুশ ক্বাথ তৈরিতে চারভাগ তুলসী, দু’ভাগ দারচিনি, দু’ভাগ শুকনো আদা ও একভাগ গোলমরিচ লাগে।কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গে আর্দ্রতা বা ঠান্ডা বেশি। সারা বছর ধরে জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভোগেন এখানকার মানুষ। আউটডোরে উপচে পড়ে জ্বরের রোগী। সর্দি-কাশিতে লাগাম পরাতেই তুফানগঞ্জ ১ নম্বর ব্লকের নাটাবাড়ি ২ অঞ্চলে ভেলাপেটা গ্রামে তুলসী গ্রাম তৈরির উদ্যোগ নেন নাটাবাড়ি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সিনিয়র আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. বাসবকান্তি দিন্দা। তিনি জানালেন, “২০১৮ সালের মে মাসে তুলসী গ্রাম হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে ভেলাপেটা। এক বছর পরে দেখা যায়, তুলসীর বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহারে জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসনালির সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্টের প্রকোপ অনেক কমেছে। তুলসীগাছ বিক্রি করে বিকল্প আয়ের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। গত নভেম্বরে কলকাতায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবে ‘অ্যাপ্লিকেশন অফ আয়ুশ সিস্টেম’ বিভাগে তুলসী গ্রাম প্রকল্পটি দেশের সেরা নির্বাচিত হয়। এরপরই প্রকল্পের সুফল ব্লকের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় রাজ্য প্রশাসন। আয়ুশ বিভাগ, রাজ্য ভেষজ পর্ষদ, আনন্দধারা প্রকল্প, ডিআরডিসি, পশ্চিমবঙ্গ সামগ্রিক অঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ, উদ্যান পালন বিভাগ, নারেগা। সবাই মিলে তুলসী গ্রামের প্রসারে ভাবনাচিন্তা শুরু করে। নাটাবাড়ি ১ নম্বর অঞ্চলের সাতটি ও নাটাবাড়ি ২ নম্বর অঞ্চলের পাঁচটি গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে একটি নার্সারি তৈরি হচ্ছে। সেই নার্সারির চারা ১২টি গ্রামের ৮ হাজার পরিবারকে দেওয়া হবে। আর চাষিদের দেওয়া হবে তুলসীবীজ।Developed Reporter Samrat Ghosh
লাদাখে নিহত ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীভৎস ছবি প্রকাশ!

Web Desk: লাদাখে চীনা সেনাদের হাতে নিহত ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ‘দ্য ইস্টার্ন লিঙ্ক’ নামে একটি গনমাধ্যমে ছবি গুলো প্রকাশ করেছেন।

এর আগে গত ১৫ জুন লাদাখে চীনা সেনাদের হামলায় ভারতের ২০ সেনা নিহত হয়। এ ঘটনায় দুই দেশের সেনাদের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। তবে কোনো সুরাহা আসেনি।

এর মধ্যে চীনের হাতে আটক হওয়া ভারতের ১০ সেনাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। লাদাখ নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে এখনো উত্তেজনা চলছে। দুই দেশই সীমান্তে অস্ত্রের মজুত করেছে।

এই ছবি গুলি ‘দ্য ইস্টার্ন লিঙ্ক’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee
হাওড়ায় ১ থেকে ৬ ও ৭ এর আংশিক এবং ১০ থেকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জল সরবরাহ বন্ধ।মঙ্গলবার দুপুর ও সান্ধ্যকালীন জল সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বুধবার সকাল থেকে সমস্ত ওয়ার্ডে জল সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভবনা ||

দুই বাংলার ইছামতীর পাড়ে বলয়গ্রাস দেখতে মানুষের ঢল

Web Desk: বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট ইছামতি ব্রিজ ও টাকি সীমান্তের পাড়ে একবিংশ শতাব্দী সেরা মহাজাতি বলয়গ্রাস দেখতে ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকাল থেকে ভিড় জমাচ্ছে। বিরাশি বছর পর এই প্রথম সূর্য বলয়গ্রাস দেখতে মানুষ একে একে ভিড় জমাচ্ছে ইছামতি ব্রিজের উপরে ও বাংলাদেশ সীমান্তের টাকি ইছামতি নদীর পারে সকাল থেকে এক্সরে প্লেট, চশমা নিয়ে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছে শত শত পর্যটক। সময় যত যাচ্ছে তত আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ছে ছাত্র-ছাত্রীরা খোলা আকাশের সূর্যের দিকে এক্সরে প্লেট নিয়ে আকুল দৃষ্টিতে চেয়ে বসে আছে ।কখন সূর্যের বলয় গ্রাস দেখতে পাবেন। একদিকে টাকি সীমান্তের পারে দুই বাংলার মধ্যে ইছামতি নদী ধারে ভিড় জমাচ্ছে সকলে ।আবার বসিরহাট ইছামতি ব্রীজের ওপর দাঁড়িয়ে সূর্যের দিকে তাকিয়ে রয়েছে অগনতি মানুষ ।এই মহাজাতিক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে। একে একে মানুষ ভিড় জমাচ্ছে আট থেকে আশি । সময় যত যাচ্ছে এই বলয়গ্রাস দেখতে আবেগাপ্লুত হয়ে পরছে।
Reporter Aniruddha Benerjee
কচিকাচাদের গ্রহন

Web Desk: রাহু-কেতুর অলৌকিক কাহিনী বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের জটিল তত্ত্ব নয়। সম্পূর্ণ নিজেদের মতো করে শিশুরা অনুভব করলো, ২০২০- র প্রথম সূর্য-গ্রহন। পূর্ব-বর্ধমানের কাটোয়া ২নং ব্লকের পলসোনা অঞ্চলের পলসোনা গ্রামের একটি বাড়ির ছাদে এই দৃশ্য দেখা যায়। ছোটো ছোটো ছেলে-মেয়েরা কাঁসার থালায় জল রেখে,সূর্যের প্রতিবিম্ব থেকে এক ভিন্ন স্বাদের সূর্য-গ্রহন দেখে আর আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষ-দর্শী বংশীধর ঘোষ বলেন, “আমাদের বর্তমান প্রজন্ম সূর্য-গ্রহন সম্পর্কে তথাকথিত কু-সংস্কার ভুলে নিজেদের মতো করে বাঁচতে চাইছে,এটা তাদের আগামীদিনে যুক্তিবাদী ও মননশীল হতে সাহায্য করবে।”
Reporter Aniruddha Benerjee
আকাশ থেকে তীব্র গতিতে এসে পড়ল ধাতব চাঁই, বিকট শব্দে কাঁপল এলাকা
রাজস্থানের শহরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।২১ জুন এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে গোটা বিশ্ব। তার আগে আরও এক রহস্যজনক মহাজাগতিক ঘটনা ঘটে গেল রাজস্থানে (Rajasthan)। আচমকাই আকাশ থেকে বিশাল এক চাঁই এসে পড়ল মরু রাজ্যের শহরে। তার তাপে ঝলসে গেল মাটির ঘাস। বিকট শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। প্রবল আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শেষপর্যন্ত রহস্যজনক ওই বস্তুর খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন সেটিকে পরীক্ষা করতে পাঠায়।
ঠিক কী হয়েছিল?
সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, শুক্রবার ভোরে রাজস্থানের সাঞ্চোর শহরে আচমকাই একটি উল্কাপিণ্ডের (meteorite) মতোন রহস্যময় বস্তু উড়ে এসে পড়ে। তার ফলে বিকট শব্দের সৃষ্টি হয়। যার আওয়াজ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দু কিলোমিটার দূরে পর্যন্ত শোনা গিয়েছে। এই শব্দে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। খবর পেয়ে হাজির হন প্রশাসনিক কর্তারা। জানা গিয়েছে, ওই বস্তুটির ওজন ছিল প্রায় ২.৭৮ কেজি। মাটিতে প্রায় কয়েক ফুট গভীর গর্ত হয়ে গিয়েছে। তবে বস্তুটি কোথা থেকে এল বা তার উৎপত্তি কোথা থেকে, তা নিয়ে রহস্য রয়েই গিয়েছে।ঘটনা প্রসঙ্গে সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট ভূপেন্দ্র সিং জানান, “ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি, ওই বস্তুপিণ্ডটি তখনও গরম হয়ে রয়েছে। ওটা থেকে তাপ বের হচ্ছে। ঠান্ডা হওয়ার পর একটি জারের মধ্যে ভরে থানায় পাঠানো হয়। গোটা এলাকা ঘুরে দেখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, বস্তুটি আকাশ থেকে পড়েছে। মনে করা হচ্ছে ওটা একটা উল্কাপিন্ড। তবে আরও বিস্তারিত জানতে এটা পরীক্ষা করতে পাঠানো হবে।” তবে সূত্রের খবর, স্থানীয় একটি পরীক্ষাগারে বস্তুটিকে পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাতে জানা গিয়েছে, জার্মেনিয়াম, প্ল্যাটিনাম, নিকেল ও লোহা দিয়ে বস্তুটি তৈরি হয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
মাস্কের সংস্পর্শে এলেই মরবে ভাইরাস, করোনা রুখতে আরও উন্নত মানের মাস্ক এল বাজারে
ভারতীয় প্রযুক্তিবিদের তৈরি সুইস সংস্থা এই মাস্ক বানিয়েছে। লালারস বা শরীরের অন্য কোনও জলকণা (Fluid) থেকে সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যেহেতু নোভেল করোনা ভাইরাস (Novel Coronavirus) জলকণাবাহিত, তাই এই সতর্কতা। তবে একটি সুইস সংস্থা এমন একটি মাস্ক তৈরি করেছে যা প্রকৃত অর্থেই সুরক্ষা বর্ম, মাস্কটি জীবাণুর সক্রিয়তা নষ্ট করে দেয়। এমন চমকপ্রদ মাস্ক তৈরি করে পেটেন্ট পাওয়ার পর সম্প্রতি বিশ্বের বাজারে তা এসেছে। ভারতস-সহ বেশ কয়েকটি দেশ তার ক্রেতা। আর এই কীর্তির নেপথ্যে রয়েছেন এক ভারতীয়। সুইজারল্যান্ডের ওই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জীব স্বামী।ফেস মাস্কের কাছাকাছি এলেই ভাইরাসের সমস্ত জারিজুরি শেষ। সুইস সংস্থা লিভিংগার্ড টেকনোলজি এমনই একটি মাস্ক তৈরি করেছে। বলা হচ্ছে, যে কোনও ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ৯৯.৯ শতাংশ রুখে দেবে। এমনকী সাম্প্রতিক নোভেল করোনা ভাইরাসের দৌরাত্ম্যও রুখে যাবে এই মাস্কে। এর নেপথ্যে রয়েছেন জার্মানির বার্লিনের ফ্রি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। সেখানকার স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ গবেষণা চালিয়ে দেখেছে, এক ধরনের কাপড়ের টুকরো বিশেষভাবে বানিয়ে ব্যবহার করলে তা চারপাশের ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। এরপর তাঁরা যোগাযোগ করেন সঞ্জীব স্বামীর সংস্থা লিভিংগার্ড টেকনোলজিস-এর সঙ্গে। ওই সংস্থার সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে নতুন ফেস মাস্কটি।তবে তা বাজারে আনার কাজ বিশেষ সহজ ছিল না। ১০০টিরও বেশি পেটেন্ট এবং অন্তত ৬৫ হাজার পরীক্ষার পর তবেই মাস্ক বাজারে আনার সম্মতি পেয়েছে সংস্থাটি। বুধবার ভারত-সহ কয়েকটি দেশের বাজারে তা এসেছে। এই মাস্কের সুবিধা আপাতত পাবে জাপান, জার্মানি, আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কয়েকটি দেশের নাগরিকরা। প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জীব স্বামীর কথায়, ”আমরা ভেবেছি, কীভাবে আরও উন্নত মাস্ক তৈরি করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ঝুঁকি কমানো যায়। সেই লক্ষ্যেই বার্লিনের ফ্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আমরাও শামিল হয়েছি। আর ভারতের মতো দেশে মাস্ক দিতে পেরে আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব ভাল লাগছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশেও আমরা মাস্ক দিতে পেরেছি।এই মাস্ক পরিবেশবান্ধব। সংস্থা তরফে জানা গিয়েছে, মাস্ক তৈরিতে যে কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অতি সূক্ষ্ম ফাইবারের। তাতে ন্যানোটেকনোলজি প্রয়োগ করে কিছু আয়ন দেওয়া আছে। এই আয়ন বায়ুমণ্ডলের যে কোনও জীবাণুকে মেরে ফেলতে সক্ষম। আর মাস্কে থাকা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধাতব পদার্থ ত্বকের জন্যও নিরাপদ। তাই এই মাস্ক মোটের উপর আরামদায়ক। ধুয়ে পরাও যাবে। সাধারণ মাস্কের চেয়ে অন্তত ২০০ গুণ ভাল বলে দাবি নির্মাতাদের। তবে দামের বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। ভারতের মতো দেশে কতজন এই মাস্ক ব্যবহার করতে পারবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
সুরাপ্রেমীরা শুনছেন? আমাজনে অর্ডার দিলে বাড়িতেই মিলবে মদের ডেলিভারি!
শোনা যাচ্ছে, আরও একটি ই-কমার্স সাইট বাংলায় মদ ডেলিভারি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।সংবাদ প্রতিদিন বাড়ি বসেই যদি মদের বোতল হাতে পাওয়া যেত! কী ভালই না হত। দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যে সুরাপ্রেমীরা বেশি করে এই ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। এমনকী মদের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন ঠেকাতে বিভিন্ন রাজ্যে অনলাইন অর্ডারের ব্যবস্থাও করা হয়। তবে এবার সকলের জন্য মুশকিল আসান করে দিতে আসরে নামছে আমাজন। শোনা যাচ্ছে, এখন এই ই-কমার্স সাইটেই মদের অর্ডার দেওয়া যাবেসংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ভারতের মধ্যে এই বাংলা থেকেই মদের হোম ডেলিভারি পরিষেবা শুরু করার কথা ভাবছে আমাজন। শুক্রবার রাজ্যের পানীয় নিগমের তরফে বলা হয়েছে বাংলায় অনলাইন মদ বিক্রির ক্ষেত্রে আমাজনের (Amazon) রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নেই। তাই ধরে নেওয়াই যায়, অদূর ভবিষ্যতে এ রাজ্যের সুরাপ্রেমীদের আর মদের দোকানের বাইরের লাইনে দাঁড়াতে হবে না। স্মার্টফোনের এক ক্লিকেই বাড়িতে আসবে প্রিয় ব্র্যান্ডের মদের বোতল।কিন্তু ভারতে এ ব্যবসা চালুর ক্ষেত্রে বাংলাকেই কেন বেছে নিচ্ছে আমাজন? আসলে জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতে বাংলার স্থান চতুর্থ। তাছাড়া এখানে মদের চাহিদাও চোখে পড়ার মতো। এ রাজ্যে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা আমাজন। সবমিলিয়েই তাই বাংলাকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, আরেক ই-কমার্স সাইট বিগ বাস্কেটও (Big Basket) নাকি বাংলায় মদ ডেলিভারি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই মদপ্রেমী বঙ্গবাসীর যে পোয়া বারো, তা বলাই বাহুল্য।উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সুইগি, জোম্যাটোর মতো অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থায় মদের অর্ডার দিলে বাড়িতে বসেই পছন্দসই ব্র্যান্ডটি হাতে চলে আসে। যে সমস্ত দোকানের সঙ্গে ওই সংস্থাগুলি গাঁটছড়া বেঁধেছে, কেবলমাত্র সেখানেই অর্ডার দেওয়া যায়। তবে এবার জামাকাপড়, ঘর সাজানোর জিনিস, রান্নাঘরের সরঞ্জামের সঙ্গে আমাজনে অর্ডার করা যাবে মদও! লকডাউনের মহিমা!Developed Reporter Samrat Ghosh





