বেঙ্গালুরুতে স্ত্রীকে খুন, কলকাতায় শাশুড়িকে হত্যা, ফুলবাগানকাণ্ডে চোখ কপালে পুলিশের

রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ঘাতকের গুপ্ত অনেক কথাই জেনে ফেললেন তদন্তকারীরা। ফুলবাগানে শাশুড়িকে হত্যা করা আত্মঘাতী হওয়া অমিত আগরওয়াল এর আগে বেঙ্গালুরুতে স্ত্রীকে খুন করে আজই ফিরেছে কলকাতায়। ফিরে শ্বশুরবাড়িতে এসেই এমন কাণ্ড। সোমবার বিকেলে ফুলবাগানের ওই আবাসনে পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে আত্মঘাতী অমিতের পকেট থেকে সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। তাতেই রহস্যের পর্দা খানিকটা সরেছে।https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?client=ca-pub-3076479851646180&output=html&h=266&slotname=2733864303&adk=4246347440&adf=1343969195&w=320&ebfa=1&lmt=1592848613&rafmt=1&psa=1&guci=2.2.0.0.2.2.0.0&format=320×266&url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Fkolkata%2Fkiller-of-old-lady-at-phoolbagan-kills-wife-at-bangalore-and-then-came-to-kolkata%2F&flash=0&fwr=1&fwrattr=true&rpe=1&resp_fmts=3&sfro=1&wgl=1&dt=1592848613554&bpp=88&bdt=7446&idt=89&shv=r20200618&cbv=r20190131&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D31e54db4550bbaaa%3AT%3D1576759916%3AS%3DALNI_MbRTCTqDdDCYkKn0NqdPsd4Lt6qcA&prev_fmts=0x0%2C320x266&nras=1&correlator=2005918446018&frm=20&pv=1&ga_vid=1086128620.1576759909&ga_sid=1592848613&ga_hid=854302569&ga_fc=0&iag=0&icsg=688268508842&dssz=37&mdo=0&mso=0&u_tz=330&u_his=1&u_java=0&u_h=569&u_w=320&u_ah=569&u_aw=320&u_cd=24&u_nplug=0&u_nmime=0&adx=0&ady=1508&biw=320&bih=497&scr_x=0&scr_y=0&eid=21066349&oid=3&pvsid=4083643356682117&pem=407&ref=http%3A%2F%2Fm.facebook.com%2F&rx=0&eae=0&fc=1924&brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C320%2C0%2C320%2C497%2C320%2C497&vis=1&rsz=%7C%7CoeEbr%7C&abl=CS&pfx=0&fu=8336&bc=31&ifi=2&uci=a!2&btvi=1&fsb=1&xpc=Y5yeBLZ0dy&p=https%3A//www.sangbadpratidin.in&dtd=132

বউয়ের সঙ্গে দু’বছর ধরে চলছে ডিভোর্সের মামলা। আর তা নিয়েই শাশুড়ির সঙ্গে বচসা। জামাই অমিতকে একটু বেশি বকাবকি করে ফেলেছিলেন শাশুড়ি। হঠাৎই দেখেন জামাইয়ের হাতে উঠে এসেছে আগ্নেয়াস্ত্র। দুই পা পিছিয়ে যান বৃদ্ধা। একটু দূর থেকে আটকে ওঠেন তাঁর স্বামী। এরপর ফ্ল্যাট কাঁপিয়ে গুলির আওয়াজ। দেখে পালিয়ে যান শ্বশুর। এরপর ফের গুলির শব্দ। সোমবার বিকেলে ফুলবাগানের অভিজাত আবাসনে গুলি চালিয়ে শাশুড়িকে খুনের পর আত্মহত্যা করে অমিত আগরওয়াল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অমিত পকেট থেকে উদ্ধার হয়েছে সুইসাইড নোট। তা দেখে চোখ কপালে পুলিশের। সেখানে লেখা আছে, বেঙ্গালুরুতে স্ত্রী শিল্পীকে হত্যা করে জামাই অমিত আগরওয়াল চলে এসেছেন কলকাতায়। এখানে শ্বশুর-শাশুড়িকে খুন করে আত্মহত্যা করবেন তিনি।যদিও কোনওমতে পালিয়ে বেঁচে গিয়েছেন শ্বশুর। সুইসাইড নোটটি দেখামাত্রই বেঙ্গালুরু পুলিশকে সতর্ক করে কলকাতা পুলিশ। বেঙ্গালুরুর ডিসিপি (হোয়াইটফিলড) নিজেই টিম নিয়ে ছুটে যান শিল্পী আগরওয়ালের বাড়িতে। সেখানে শিল্পীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, স্ত্রীকে খুনের পর সোমবারই বিমানে করে বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতায় ফেরেন অমিত। তারপরে শ্বশুর-শাশুড়িকে খুন করতে চলে আসেন ফুলবাগানে।Developed Reporter Samrat Ghosh

শঙ্কা জঙ্গি হামলার, হাইঅ্যালার্ট জারি দিল্লিতে

Web Desk:চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ফের গোয়েন্দাদের রিপোর্টে ঘুম উড়েছে। জঙ্গি হামলার শঙ্কা রয়েছে  রাজধানী দিল্লিতে। এর জেরে আগেভাগেই হাইঅ্যালার্ট জারি করেছে সরকার। 

গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী, জম্মু-কাশ্মীর থেকে সড়কপথে দিল্লিতে জঙ্গিরা প্রবেশ করেছে। আরও কয়েকজন ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছে। বাস, ট্যাক্সি বা ট্রাকে করে এসব জঙ্গি দিল্লিতে এসেছে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে দিল্লিতে বড়সড় নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। এমন তথ্য পাওয়ার পরই দিল্লিতে কড়া সতর্কতা জারি হয়েছে। চলছে নাকা চেকিং। কড়া নজরদারি রয়েছে রাজধানী শহরে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও স্পেশাল সেলকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। রাজ্যের ১৫ জেলাতেই পাঠানো হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতার বার্তা। দিল্লি শহরের সব বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও বাজার এলাকায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে। শহরের সব হোটেল, বাসস্ট্যান্ড সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। রাজধানীতে প্রবেশের সব পয়েন্টে চেক পোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।  
Reporter Aniruddha Benerjee

এবার রাজপথের ভাগীদার হচ্ছে সাইকেলও, পৃথক লেন একুশেই 

NewsBally webdesk

কলকাতা: ব্রিটেন পেরেছে। আমেরিকা পেরেছে। রাশিয়া ও জার্মানি পেরেছে। তাহলে কেনই বা কলকাতা পারবে না? সবকিছু ঠিকঠাক চললে একুশেই রাজপথের ভাগীদার হয়ে উঠবে সাইকেলও। অর্থাৎ, ক্রিং ক্রিং আওয়াজ তুলে পৃথক লেনে ছুটবে এই পরিবেশবান্ধব যান। এড়ানো যাবে কোভিডের ছোঁয়াচ। জ্বালানি না পুড়িয়ে পোড়ানো যাবে ক্যালোরিও। এমনটাই চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশে আলাদা সাইক্লিং রোডের ম্যাপ তৈরিতে ঝাঁপিয়েছে কেএমডিএ। সঙ্গে থাকছে কলকাতা পুরসভা ও খড়্গপুর আইআইটি। 
পরিকল্পনাটি একেবারে আনকোরা নয়। বহু আগে থেকেই লন্ডন কিংবা ওয়াশিংটনের ধাঁচে কলকাতায় ‘সাইকেল বে’ তৈরি করতে উদ্যোগী ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমেরিকার একটি সমীক্ষা বলছে, ২০১৬ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রতি সপ্তাহে সাইকেল আরোহীর সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার। নিউ ইয়র্কে ৪০ হাজারেরও বেশি। ভারতেরও বেশ কয়েকটি শহরে সাইকেল চলাচলে পৃথক করিডর রয়েছে। কোভিড, লকডাউনের পর সেই করিডরের ব্যাপ্তি আরও বাড়ছে। বেঙ্গালুরু শহরে সংযোজিত হচ্ছে আরও ১২০ কিলোমিটার করিডর। এবার সেই পথে এগচ্ছে কলকাতাও। 
সমীক্ষার কাজ শুরু হচ্ছে চলতি সপ্তাহেই। সাইক্লিং জোন ও রোড ম্যাপ তৈরি করতেই এই সমীক্ষা। গত বছর ডিসেম্বরে কনসালটেন্সি এজেন্সি নিয়োগ করতে টেন্ডার ডেকেছিল রাজ্য। বরাত পেয়েছে দিল্লির একটি সংস্থা। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে একটি কমিটি। তাতে ওই এজেন্সি ছাড়াও রয়েছে কেএমডিএ, কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিস, খড়গপুর আইআইটি এবং পরিবহণ দপ্তর। জানা গিয়েছে, সমীক্ষার পর কনসালটেন্সি এজেন্সি এই কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই রিপোর্ট তৈরি করবে। প্রতিদিন মোট কত সংখ্যক মানুষ সাইকেলে চেপে শহরে ঢুকছেন, সমীক্ষায় তাতেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পুরসভা সূত্রে খবর, প্রকল্পের খরচ ধার্য হয়েছে ৩৪ লক্ষ টাকা। শহরের কোন কোন রাস্তায় সাইকেল চালানো সম্ভব, তার বাস্তব পরিস্থিতি বিচার করে তৈরি হবে রোড ম্যাপ। পুরসভার এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, শহরের বেশিরভাগ রাজপথ খুব একটা চওড়া নয়। সবদিক ভেবেচিন্তে ম্যাপ তৈরির কাজ হবে। মূলত ফুটপাত কমিয়ে বা কিছু পার্কিং এলাকা ব্যবহার করে করিডর বানানো যায় কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগামী চার মাসের মধ্যে সমীক্ষা করে রিপোর্ট তৈরি হয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী। 
২০০৮ সালে শহরের ৩৮টি রাস্তায় সাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। ২০১৪ সালে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ঢোকে আরও ২৪টি রাস্তা। বর্তমানে কিছু রাস্তায় সাইকেল চললেও তার জন্য নির্দিষ্ট কোনও পথ নেই। অনিয়ন্ত্রিতভাবেই আরোহীরা যাতায়াত করতেন। পরিকল্পিত শহর নিউটাউনে সাইকেলের জন্য নির্দিষ্ট ট্র্যাক রয়েছে। রাজ্যের একমাত্র এই শহরেই ২৯ কিলোমিটার পথ বাইসাইকেলের জন্য ‘ডেডিকেটেড’। এবার শহর কলকাতাতেও তেমনি ট্র্যাক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হল।

দেশে এখনই ক্রিকেট শুরু করাসম্ভব নয়, মত রাহুল দ্রাবিড়ের

লকডাউনের বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে শিথিল হলেও করোনার প্রকোপ কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দেশে ক্রিকেট চালু করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘তাড়াহুড়ো করলে চলবে না। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে কী না, সেদিকে নজর রাখা দরকার। সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম শুরু হয়ে যায়। এবার সেটা পিছিয়ে অক্টোবরে হতে পারে। সেক্ষেত্রে কাটছাঁট করতে হবে ঘরোয়া মরশুম।’ রাহুল দ্রাবিড়ের এই বক্তব্যকে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ তিনি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির প্রধান। তৃণমূল স্তরে দ্রাবিড়ের যোগাযোগ বেশ ভালো। তাই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রাবিড় সবদিক বিচার বিবেচনা করেই এমন মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বিসিসিআইয়ের।
দেশে কবে ক্রিকেট শুরু হবে, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন বোর্ড কর্তারা। ভারতীয় দলের আউটডোর অনুশীলন এখনও শুরু হয়নি। প্রস্তুতির অভাবে শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবোয়ে সফরও বাতিল করে দিয়েছে বিসিসিআই। আপাতত বিরাট কোহলিদের পাখির চোখ ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠেয় চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। তার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির প্রয়োজন। কিন্তু ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় টিম ইন্ডিয়ার আউটডোর অনুশীলনের ঝুঁকি নিতে চাইছে না বোর্ড। তবে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে সৌরভ গাঙ্গুলির বোর্ড। এই প্রসঙ্গে দ্রাবিড় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘অনুশীলনের জন্য জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির দরজা প্রথম খুলবে স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য। যারা বাইরে থেকে আসবে তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।’
ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ দিয়ে ফের বিশ্ব ক্রিকেটের দরজা খুলছে। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছেন ম্যাঞ্চেস্টারে। সেখানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন জেসন হোল্ডাররা। তারপর ধীরে ধীরে অনুশীলন শুরু করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। প্রথম টেস্ট শুরু ৮ জুলাই। এই প্রসঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটের ‘দ্য ওয়াল’ দ্রাবিড় বলেছেন, ‘বায়ো-সিকিওর পরিবেশ তৈরি করে খেলা সব দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজের দিকে সবার নজর থাকবে। সফল হলে এই ব্যবস্থাকে অনেক ক্রিকেট বোর্ডই অনুসরণ করতে চাইবে। তবে এটা খুবই ব্যয় সাপেক্ষ। তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে বায়ো-সিকিওর পদ্ধতি চালু করা কঠিন।’

কলকাতার নামজাদা পুজো এবার অনলাইনেও 

NewsBally webdesk

, কলকাতা: দুর্গাপুজো এবার অনলাইনে! করোনার কারণে বাজেট কাটছাঁট করছে বেশিরভাগ পুজো কমিটি। তাই জাঁকজমক যে কিছুটা কমবে, তা বলাই বাহুল্য। সবচেয়ে বড় কথা, পুজো দেখতে মানুষের ঢল নামবে কতটা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। কলকাতার ডাকসাইটে পুজোগুলি তাই এবার অনলাইনে ঠাকুর দেখার আয়োজন করার দিকেও এগচ্ছে।
পুজোর আর মাস তিনেক বাকি। অন্যান্য বছর জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় এই সময়। একে অপরকে টেক্কা দিতে গোপনে চলে পুজোর থিমের রূপদান। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষের রুটি-রুজির জোগান দেয় দুর্গাপুজো। এবারের ছবিটা একেবারেই অন্য। কলকাতার নামজাদা একটি পুজো কমিটির কর্তার কথায়, ‘আমরা এখনও পুজোর বাজেট নিয়ে ভাবিইনি। চলতি মাসের শেষের দিকে এই বিষয়ে কমিটির বৈঠক ডেকেছি। স্পনসর হিসেবে কাদের পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে আলোচনা করব। এটা আর বলার আপেক্ষা রাখে না, অন্যান্যবারের জৌলুস এবার আর থাকবে না। বাজেট কাটছাঁট হবেই। করোনার সংক্রমণ কতটা জিইয়ে থাকবে, সরকারি বিধিনিষেধই বা কতটা থাকবে, কেউই জানি না। ফলে সব মিলিয়ে আমরা বেশ ধন্দে আছি। মানুষ কতটা সাড়া দেবে, তা নিয়েও চিন্তার শেষ নেই।’
সেই দর্শকের কথা ভেবেই এবার অনলাইনে ঠাকুর দেখার পথে এগচ্ছে কলকাতার নামকরা পুজো কমিটিগুলি। শহরের পুজো উদ্যোক্তাদের মঞ্চ ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’ ঠিক করেছে, তারা অনলাইনেই পুজো দেখাবে দর্শকদের। ফোরাম ফর দুর্গোৎসব এবং ‘শিবমন্দির’ পুজো কমিটির অন্যতম কর্তা পার্থ ঘোষের কথায়, ‘ঘরে বসেই মানুষ যাতে পুজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, আমরা সেই চেষ্টা চালাচ্ছি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে যে পুজো দেখানো হয়, তেমন নিছক পুজো-পরিক্রমা নয়। একেবারে অন্য আঙ্গিকে দেখানো হবে সেই পুজো। প্রাথমিকভাবে ঠিক করেছি, কলাবউ স্নান থেকে শুরু করে মহাষ্টমীর অঞ্জলি, বা সন্ধিপুজোর মতো সব আচার-অনুষ্ঠানগুলিকে দেখানো হবে অনলাইনে। সরাসরি সম্প্রচারিত হবে চণ্ডীপাঠ থেকে আরতি। পাশাপাশি মণ্ডপের কারুকাজ, আলোকসজ্জা তো আছেই। কোন কোন পুজো কমিটি কী কী দেখাবে, সেগুলি পরবর্তীকালে ঠিক করা হবে।’
ভাবনা অনুযায়ী অনলাইনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব। তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে পুজোর আড্ডা। যেখানে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন কমিটির কর্তা, শিল্পী ও কলাকুশলীরা। উম-পুনের পর ইন্টারনেট বিভ্রাটে তা সাময়িক বন্ধ ছিল। শীঘ্রই তা চালু হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের কর্তারা। তাঁরা বলছেন, অনলাইনে পুজো দেখানোর বিষয়টি প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে এবং সম্মতি মিলেছে। আপাতত পুজো নিয়ে লাইভ আড্ডা চলবে। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হবে অনলাইন পুজোর ব্যাপারটি। প্রয়োজনে কোনও পোর্টাল বা বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া হবে। করোনা আতঙ্কে ঠাকুর দেখতে আসতে না পারলেও আফশোস নেই। দর্শকরা যাতে শহরের পুজোগুলির আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন, সার্বিকভাবে সেই চেষ্টাই সর্বোতভাবে করা হবে। Developed Reporter Samrat Ghosh

কলকাতাবল বিয়ারিং দিয়ে ‘গুলি’ বানিয়ে খুন প্রিয়াঙ্কা

কলকাতা: গুলি নয়। ময়নাতদন্তে প্রিয়াঙ্কার দেহ থেকে একাধিক  বল বিয়ারিং উদ্ধার হয়েছে। যা দেখে ময়নাতদন্তকারী   চিকিত্সক থেকে কলকাতা পুলিসের  গোয়েন্দারা রীতিমতো স্তম্ভিত! কেননা, কলকাতা শহরে এমন খুনের ঘটনা এই প্রথম। লালবাজারের এক গোয়েন্দার কথায়, জীবনে অনেক খুনের ঘটনার তদন্ত করেছি। কিন্তু কেউ বাড়িতেই বল বিয়ারিং দিয়ে ‘গুলি’ বানিয়ে কাউকে খুন করেছে, এমন নজির এই শহরে নেই। স্বভাবতই বিষয়টি ভাবাচ্ছে কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দাদের। শনিবার সাতসকালে বাড়িতে ঢুকে প্রিয়াঙ্কাকে খুনের পর পলাতক জয়ন্তকে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিস চণ্ডী ঘোষ রোড থেকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জয়ন্ত পুলিসকে জানায়, সে নিজেই বাড়িতে ইন্টারনেট ঘেঁটে কৌশল শিখে পাইপগান বানিয়েছিল। পাশাপাশি, একাধিক বল বিয়ারিং একত্রিত করে তা দিয়ে গুলি বানিয়েছে। এরপর বিকেলে  ময়নাতদন্তের সময় প্রিয়াঙ্কার দেহ থেকে সেই বল বিয়ারিংয়ের হদিশ মেলে। লালবাজারের এক সূত্র জানিয়েছে, পাইপগান বানানো বা বল বিয়ারিং দিয়ে গুলি তৈরি জয়ন্ত নিজে হাতে করেছে, নাকি অন্য কেউ তৈরি করে দিয়েছে, তা আমাদের প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে। গোয়েন্দাদের পাল্টা যুক্তি, এমনও তো হতে পারে, কেউ জয়ন্তকে এসব তৈরি করে দিয়েছে। জয়ন্ত তাকে বাঁচানোর জন্য আমাদের মিথ্যে তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে।
কীভাবে এই গুলি তৈরি করেছিল জয়ন্ত? লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে বাজার থেকে সে বল বিয়ারিং ও বারুদ কিনে আনে। এরপর পাইপগানের পাইপে ধাপে ধাপে সেই বল বিয়ারিং ও বারুদ ঠেসে ভরে দেয়। অনেকটা পুরনো আমলে কামানে বারুদ ভরার মতো। এরপর পাইপ গানের ট্রিগার টেপা মাত্রই বারুদে অগ্নিসংযোগ ঘটে। এরফলে প্রবল চাপে বল বিয়ারিং গুলির মতো সশব্দে ছিটকে প্রিয়াঙ্কার গলায় বিঁধে যায়। আর তাই প্রিয়াঙ্কার গলায় একাধিক বল বিয়ারিংয়ের থেকে তৈরি ক্ষতচিহ্ন মিলেছে।
এদিকে, প্রাক্তন প্রেমিকাকে হত্যার অভিযোগে জয়ন্তকে আগামী ৩ জুলাই পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আদালত। রবিবার  আলিপুরের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট ওই নির্দেশ দেন। আদালতে এদিন ধৃতের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না। আদালতে পুলিসের তরফে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত যুবকের বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। সেই বক্তব্যর সত্যতা যাচাই করার জন্য আরও জেরা করা দরকার। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে আদালতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন খোদ বিচারকও। যদিও অভিযুক্তের ম঩ধ্যে ছিল না কোনও হেলদোল। 

পরপুরুষের সঙ্গে বাড়িতেই উদ্দাম যৌনতা! মধুচক্র চালানোর দায়ে ধৃত হুগলির গৃহবধূ

মধ্যরাতে বাড়িতে আনাগোনা করেন বহু অপরিচিত পুরুষ এবং মহিলা। প্রায় বছরখানেক ধরে এরকম নানা কাণ্ডকারখানার সাক্ষী হুগলির (Hooghly) মাখলার মনসাতলার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, ওই বাড়িতে গোপনে চালানো হয় মধুচক্র (Flesh trade)। সেই অভিযোগে রবিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এদিন ওই বাড়ি ঘিরে প্রথমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছায়। এলাকার মানুষ দাবি করতে থাকেন অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে। ইতিমধ্যে বাড়ির মালকিন জনতাকে লক্ষ্য করে থান ইট ছোঁড়ে। ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে জনতা। উত্তেজিত মহিলারা বাড়ির মালকিন ও তার আত্মীয়ার উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। পুলিশ ওই বাড়ির মালকিন-সহ চার মহিলা ও তিনজন পুরুষকে আটক করেছে।স্থানীয় ২১ নং ওয়ার্ডের তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর খোকন মণ্ডলের অভিযোগ, দীর্ঘ এক বছর ধরে ওই বাড়িটিতে মধুচক্র চলছে। এলাকার মহিলারা তাঁকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন রাত আড়াইটে পর্যন্ত ওই বাড়িটিতে বহু পুরুষ ও মহিলারা আনাগোনা করে। তার ভিডিও এবং ছবিও করে রাখা হয়েছে। তার দাবি, এলাকায় সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে কোনও মধুচক্র চালাতে দেওয়া যাবে না। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে বাড়ির মালকিন ও তার আত্মীয়দের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি সেই সময়ও ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ লুকিয়ে ছিল।Developed Reporter Samrat Ghosh

শহিদ জওয়ানদের হয়ে ‘বদলা’ নিতে লাদাখের পথে খুদের দল! ভাইরাল ভিডিও

বাড়ি থেকে বেরিয়ে পিচের রাস্তা ধরে এগিয়ে চলেছে আট-দশজন খুদে। অভিভাবক ছাড়াই হাঁটতে থাকা কচিকাঁচাদের দলকে মাঝরাস্তাতে দাঁড় করিয়ে দেয় পুলিশ। জিজ্ঞেস করা হয়, তারা কোথায় যাচ্ছে। কিন্তু খুদেদের মুখ থেকে এমন উত্তর একেবারেই প্রত্যাশা করেননি পুলিশ কর্মীরা। তারা জানিয়ে দেয়, ভারত-চিন সীমান্তে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই। শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের হয়ে ‘বদলা’ নেওয়া!হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। সীমান্তে সেনাদের শহিদ হওয়ার ঘটনা নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে সাত থেকে ১১ বছরের বালকদেরও। তাই ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছে তারা। খুদেদের এই ঘটনার দৃশ্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যেখানে তাদের প্রশ্ন করা হয়েছে, চিনা সেনার সঙ্গে কি তারা লড়াই করতে প্রস্তুত? বেশ দৃঢ়তার সঙ্গেই জানিয়ে দিচ্ছে, তৈরি তারা। উত্তরপ্রদেশের আলিগড় জেলার আমরদপুর গ্রামের খুদেদের এই আত্মবিশ্বাস আর দেশপ্রেম মন কেড়েছে নেটিজেনদের। অনেকেই দেশের এই সাহসী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্যালুট জানিয়েছেন।Developed Reporter Samrat Ghosh

অমানবিক বালি বীরেশ্বর চ্যাটার্জি স্ট্রিট বহুতল আবাসিকরা

Web Desk: বালি বীরেশ্বর চ্যাটার্জি স্ট্রিট গতকাল এক পরিবারের ছেলের করোনা পজেটিভ হয়। কলকাতায় সেনা হসপিটালে হভর্তি করা হয়। আজ ভোর পাঁচটা নাগাদ বছর 45 মায়ের শ্বাসকষ্টজনিত রোগ হয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয়। বীরেশ্বর চ্যাটার্জি স্ট্রিট বহুতলের আবাসিক মৃতদেহ ঘরে ঢুকতে বাধা দেয়। 7 ঘন্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও মৃতদেহ গেটের সামনে পড়ে আছে আতঙ্কে ভুগছে এলাকাবাসী।
Reporter Aniruddha Benerjee

কাশ্মীরে চার মাসে খতম লস্কর, হিজবুল ও জইশ-সহ ৪ জঙ্গি সংগঠনের প্রধান

ভূস্বর্গের ইতিহাসে এই প্রথম এতবড় সাফল্য পেয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। কাশ্মীরে লস্কর, হিজবুল ও জইশ-সহ ৪ জঙ্গি সংগঠনের প্রধানকেই গত ৪ মাসের মধ্যে খতম করা হয়েছে। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথাই জানালেন কাশ্মীর পুলিশের আইজি (IG) বিজয় কুমার। ভূস্বর্গে জঙ্গি তৎপরতা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথম এই ঘটনা ঘটল বলেও আজ উল্লেখ করেন তিনি। এর জন্য নিরাপত্তারক্ষীদেরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি নিরাপত্তা বাহিনীগুলির সদস্যদের অভিনন্দন জানাতে চাই। ইতিহাসে এই প্রথম কাশ্মীরে দায়িত্বপ্রাপ্ত লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হিজবুল মুজাহিদিন ও আনসার গজওয়াত-উল হিন্দ জঙ্গি সংগঠনের প্রধানকে গত চার মাসে খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সংগঠনের মাথারা এভাবে ঝরে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাশ্মীরের চার প্রধান জঙ্গি সংগঠনের কাজও। গত দুদিনে দুটি পৃথক অভিযান সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করা হয়েছে। এতে আমাদের কোনও ক্ষতি হয়নি। শনিবার কুলগামে অভিযান চালানোর সময় দুই জঙ্গি খতম হয়। বাকি দুজন পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে একজন পাকিস্তান অধিকৃত পাঞ্জাবের জইশ জঙ্গি। কুলগামে গত তিন বছর ধরে সক্রিয় রয়েছে আইইডি বিশেষজ্ঞ ও শার্পশুটার ওই জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭, পিস্তল ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।’শনিবার জম্মুর পানেসর সেক্টরের বিএসএফ (BSF) আউটপোস্টের কাছে একটি অস্ত্র বোঝাই পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়। তার মধ্যে অস্ত্র ছিল। ওই অস্ত্রগুলি পুলওয়ামাতে নাশকতার কাজে যুক্ত থাকা আলি ভাই নামে এক পাকিস্তানি জঙ্গির উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল বলেও আজ উল্লেখ করেন বিজয় কুমার।Developed Reporter Samrat Ghosh