ভারতের সঙ্গে শত্রুতার জের, পদ হারাতে পারেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী!

Web Desk: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ পড়ার পর চিনা কুটনৈতিকে বেশ কিছুদিন প্রশ্রয় দিয়েছিলেন। যার জেরে বড়সড় ধাক্কা খেতে হয় নেপালকে। এক ধাক্কায় বদলে যায় নেপালের বাজার। আকাল দেখা দেয়। এরপরেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী  কেপি শর্মা অলির বিরুদ্ধেই তার দলের মন্ত্রীরাই প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে। আজ শনিবার বৈঠক করে সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবেন। অলিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর জন্য ঘরে-বাইরে প্রবল ভাবে চাপ রয়েছে। বিরোধীরা তো তাঁকে পছন্দ করছেনই না। উপরন্তু, নিজের দলেও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন কেপি শর্মা অলি। 

সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের কারণে শাসকদলের প্রবীণ নেতারা তাঁকে পছন্দ করছেন না। অলিকে তাঁরা সরাসরি বলেছেন ইস্তফা দিতে। যদিও, অলি এক অর্থে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে সম্প্রতি নিজে সংগঠনের বৈঠক ডেকে, নিজেই অনুপস্থিত ছিলেন। এর পর, সংগঠন তার উপর আরও চটেছে। প্রবীণ নেতাদের বক্তব্য, নিজে বৈঠক ডেকেও উপস্থিত না-থেকে অলি যা করেছেন, তা সংগঠনকে অপমান। দলীয় সূত্রে জানা যায়, এখন দলের মুখোমুখি হওয়া মানে, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হবে। অলি সেটা ভালো মতোই জানেন। তাই সংগঠনকে তিনি এড়িয়ে চলতে চাইছেন। নিজের কুরসি নিয়ে প্রবল চাপে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। কাঠমান্ডুর এক হাসপাতালে বুকে ব্যথা নিয়ে বৃহস্পতিবার ভর্তিও হয়েছিলেন।

এই অবস্থায় নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির ৪৫ সদস্যের স্ট্যান্ডিং কমিটি শনিবার বৈঠকে বসতে চলেছে। এই বৈঠকেই অলির ভবিষ্যত্‍‌ চূড়ান্ত হয়ে যাবে। অর্থাত্‍‌ অলি আদৌ প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কি না, পার্টির স্থায়ী কমিটিই তা ঠিক করে দেবে।
Reporter Aniruddha Benerjee

কুলতলীতে তীব্র রাজনৈতিক সংঘর্ষ,প্রাণ গেল এপর্যন্ত তিনজনের,এলাকায় পুলিশের বিশাল বাহিনী

Web Desk: আম্পানের টাকার ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রাণ গেল তিনজনের মতো মানুষের।নিখোঁজ আরো অনেকে।এখনো চলছে মার পাল্টা মারারের তান্ডব।পুরেছে অনেকে মানুষের ঘরবাড়ি।কুলতলীর সামগ্রিক চিত্রটা এখন এরকমই।দক্ষিণ ২৪ পরগণার কুলতলী ব্লকের দেউলবাড়ি মৈপিঠ অঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরেই আম্পানের ক্ষতিপুরণের টাকা পাওয়া নিয়ে চলছিল চরম অসন্তোষ।

এখানে আম্পানের ক্ষতিপুরনের সব টাকা যুব তৃণমুলের লোকেরা হাতিয়ে নিয়েছে এই অভিযোগে গত ১ জুলাই এলাকার লোকেরা ব‍্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।যেখানে তাদের দাবি ছিল সম্পুর্ণ অন‍্যায়ভাবে যুব তৃণমুলের লোকেরা আম্পানের ক্ষতিপুরনের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।ফলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব‍্যাক্তিরা তাদের ন‍্যায‍্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।এই ঘটনার জেরে ওইদিন বিডিও ও স্হানীয় থানার আইসিকে স্হানীয় মানুষ রাত প্রায় ৮ পযর্ন্ত ঘেরাও করে রেখেছিল।

পরে ন‍্যায‍্য ব‍্যবস্হা গ্রহণের আশ্বাস দিলে তবেই তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।এই ঘটনার পর পরেই স্হানীয় যু তৃণমুলের নেতা গণেশ মন্ডলের নেতৃত্বে বিক্ষোভকারী এস ইউসি ও বিজেপির কর্মীদের উপর মারধর শুরু করেন বলে স্হানীয়দের অভিযোগ।যাকেই পাল্টা মারের রাস্তায় গিয়ে এস ইউসির হার্মাদদের হাতে খুন হয়ে যান অশ্বিনী রায় নামে তৃণমুলের একজন সক্রিয় কর্মী।এই ঘটনায় অগ্নিতে ঘি পড়ার মতো তৃণমুলের এই দুস্কৃতিরা আরো লোকজন এনে বেচে বেচে এস ইউসি এবং বিজেপির কর্মীদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালাতে থাকে।

এদের রোষে পড়ে একজন এস ইউ সি কর্মী খুন হয়ে যান এবং আরো দুজনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।যদিও মৃত এস ইউসি আই কর্মীকে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলতে দেখা গেছে।যা নিয়ে তৃণমুলের দাবি তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত‍্যা করেছেন।যদিও এস ইউসি পার্টির দাবি তাকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।পুরো ঘটনায় এখনো পর্যন্ত গ্রামে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে বলে খবর।

যেখানে তৃণমুলের যুব সভাপতি গণেশ মন্ডলের নেতৃত্বে প্রচুর পরিমাণে বাইকবাহিনী স্কোরপিয়ো করে লোক এনে গোটা এলাকা জুরে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে বলে খবর।
Reporter Aniruddha Benerjee

বোমা বাঁধতে গিয়ে বিষ্ফোরণে হত ২, জখম ৫

Web Desk: বোমা বাঁধতে গিয়ে ভয়াবহ বিষ্ফোরণে মৃত দুই ব্যাক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে, মুর্শিদাবাদের সুতির আহিরণ পাদুয়া এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় আরও ৫ জন আহত হয়েছেন। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে আহিরণ পাদুয়া গ্রামে ওই কারখানায় বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। তখন কারখানায় বেশ কয়েকজন কর্মচারীও কাজ করছিল। আচমকাই বিস্ফোরণের জেরে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। বিষ্ফোরণের তীব্রতায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও দমকল পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। এই ঘটনায় মৃত অবস্থায় দুই ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে। পাশাপাশি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আর ৫ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। আহতদের মধ্যে  দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুত্বর জখম অবস্থায় তাদের মধ্যে একজনকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়।
Reporter Aniruddha Benerjee

জয় শ্রীরাম না বলায় খুন হন ৯ জন, দিল্লি হিংসা নিয়ে আদালতকে জানাল পুলিশ

জয় শ্রীরাম’ না বলায় দিল্লি হিংসায় (Delhi Violence) ৯ জনকে খুন হতে হয়েছিল। আর তাঁর প্রত্যেকেই ছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত। ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লি হিংসা কাণ্ডের চূড়ান্ত চার্জশিটে (Chargesheet) এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। চার্জশিটে বলা হয়েছে. হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ  বানিয়ে হামলাকারীরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। বিভিন্ন এলাকার আমজনতাকে ধরে তাঁদের পরিচয় জানতে চাইত। ভিন্ন ধর্মীবলম্বী হলে তাঁদের ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হত। কেউ তা বলতে অস্বীকার করলে খুন পর্যন্ত করত ওই অভিযুক্তরা।চার্জশিটে বলা হয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘কট্টর হিন্দু একতা’ তৈরি করা হয়েছিল। যেখানে প্রায় ১২৫ জন সদস্য ছিল। কোন এলাকায় কারা অশান্তি ছড়াবে, কীভাবে অশান্তি ছড়ানো হবে, কে কে থাকবে সেই এলাকায় এমনকী অস্ত্রের হদিশও মিলত এই গ্রুপে। তবে গ্রুপের ক্রিয়েটর, অর্থাৎ যে এই গ্রুপটি তৈরি করেছিল সে এখনও বেপাত্তা বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi police)। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, ৮ মার্চ ৪৭ জন গ্রুপটি ছেড়ে দিয়েছিলেন।২৯ জুন অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যে চার্জশিট (Chargesheet) জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে ন’জনের খুনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেই ন’জন হলেন-হামজা, আমিন, ভুরে আলি মুরসালিন, আস মহম্মদ, মুশারফ, আকিল আহমেদ এবং হাসিম আলি ও তাঁর দাদা আমির খান। চার্জশিটে বলা হয়েছে, “২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে গঙ্গাবিহার এলাকায় যতীন শর্মা, ঋষভ চৌধুরি, বিবেক পাঞ্চাল, লোকেশ সোলাঙ্কি, পঙ্কজ শর্মা, প্রিন্স, সুমিত চৌধুরি, অঙ্কিত চৌধুরি ও হিমাংশু ঠাকুর অন্যান্য দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে সক্রিয় ছিল। তাঁরা ওই নজন মুসলিমকে খুন করেছে।”কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদের? এ প্রসঙ্গে পুলিশ চার্জশিটে জানিয়েছে, ধর্ম জানার জন্য রাস্তায় সাধারণ মানুষকে ধরে ধরে নাম জানতে চাইত দাঙ্গাকারীরা। এমনকী, পরিচয় মিলিয়ে দেখত পরিচয়পত্রের সঙ্গে। ভিন্ন ধর্মীবলম্বী হলেই জয় শ্রী রাম বলতে বাধ্য করা হত। বলতে অস্বীকার করলেই কপালে জুটত বেধড়ক মার। এমনকী মারতে মারতে খুনও করে ফেলা হত।

পশুপ্রেমীদের আন্দোলনের ফল, নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস বিক্রি

দীর্ঘ আন্দোলনের ফল পেলেন নাগাল্যান্ডের পশুপ্রেমীরা। তাঁদের লাগাতার চাপের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হল সরকার। এর জেরে অবশেষে বন্ধ হল নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস বিক্রি। শুধু তাই নয়, রাজ্য থেকে কুকুর ও কুকুরের মাংসের রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিল নাগাল্যান্ড সরকার।শুক্রবার এপ্রসঙ্গে নাগাল্যান্ডের মুখ্যসচিব টেমজেন টয় জানান, কুকুর ও কুকুরের মাংসের রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাগাল্যান্ড সরকার। এর ফলে এখন থেকে রাজ্যে আর কুকুরের মাংস কাঁচা বা রান্না করা অবস্থায় বিক্রি করা যাবে না। এই ধরনের মাংসের বাজারগুলি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি কুকুরের ব্যবসায়িক রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী রিওয়ের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মার্চে নাগাল্যান্ডের প্রতিবেশী রাজ্য মিজোরামে কুকুরের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর থেকেই নাগাল্যান্ডে থাকা ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান অ্যানিমাল প্রোটেকশন অর্গানাইজেশন (FIAPO) -এর সদস্যরা এই বিষয়ে বারবার নাগাল্যান্ড সরকারের কাছে আবেদন জানাতে থাকে। বৃহস্পতিবার FIAPO-এর কার্যনির্বাহী অধিকর্তা ভদ্রা মেরোট্রা একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানান, নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর (Dimapur) -এ অবস্থিত পশুবাজারের সাম্প্রতিক রূপ দেখে আমরা ভয় পেয়ে গেছি। যেভাবে সেখানে কুকুর মেরে বিক্রির জন্য ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ ও অমানবিক। সেখানে ২০০ টাকা কিলো দরে কুকুরের মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। আর গোটা কুকুর বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকায়।

দিল্লি হিংসায় বিতর্কিত ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েকের যোগ স্পষ্ট, রিপোর্টে জানাল পুলিশ

দিল্লি হিংসায় (Delhi Clash) কি মদত জুগিয়েছিল বিতর্কিত ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েক? ফেব্রুয়ারি মাসের সেই অশান্তিতে মদতদাতাদের সঙ্গে জাকির নায়েকের (Zakir Naik) ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ক্রমশ সামনে আসছে। এমনকী, বিদেশ থেকে অর্থের জোগান দেওয়ার বিষয়টিও ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে বলেও দাবি দিল্লি পুলিশের। দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) স্পেশাল সেল এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে। তাঁদের তদন্তের রিপোর্টেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।  রিপোর্টে বলা হয়েছে, দিল্লি হিংসার অন্যতম মদতদাতা খালিদ সইফির সঙ্গে ভারতে নিষিদ্ধ ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েকের (Zakir Naik) সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এমনকী, মালয়েশিয়ায় গিয়ে জাকিরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন সইফি। প্রসঙ্গত, সইফি আবার উমর খালিদ (Umar Kahlid) ও তাহির হুসেনের (Tahir Hussain) বন্ধু হিসেবে পরিচিত। তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট বলছে, দিল্লিতে অশান্তি ছড়াতে অর্থের যোগান এসেছে সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরের এক এনআরআইয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে। এমনকী, কংগ্রেসের কাউন্সিলর ইশরত জাহানের (Ishrat Jahan) অ্যাকাউন্টে গাজিয়াবাদ থেকে বেনামী টাকা ঢুকেছিল। ইশরতের মহারাষ্ট্রের আত্মীয়দের অ্যাকাউন্টেও বিভিন্ন সূত্র থেকে টাকা ঢুকেছিল। যা আদপে দিল্লিতে অশান্তি (Delhi Clash) ছড়াতে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মার্চ মাসেই ইশরতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  হাজতে রয়েছে খালিদ সইফিও। তবে করোনা আবহে তাদের জেরা করা যায়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুর (Singapore) থেকে ভারতের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে টাকা এসেছে খালিদের কাছে। সেই সংগঠন চালান উমর খালিদ ও মীরাটের এক ব্যক্তি। মহামারী আবহের জেরে তাদেরও জেরা করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে খালিদের পাসপোর্টের তথ্য থেকে এটা পরিস্কার অশান্তির জন্য অর্থ জোগার করতে সে বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াত। সেই সূত্রে জাকির নায়েকের সঙ্গেও দেখা করেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, খালিদের মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেখান থেকে দিল্লি হিংসা সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে। প্রসঙ্গত. হিংসায় আর্থিক মদত দেওয়ার ক্ষেত্রে পিএফআই-এর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ, সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুর, দু’দেশেই তাদের শাখা রয়েছে। 

শহিদদের শ্রদ্ধার্ঘ্য, গালওয়ানের সংঘর্ষ নিয়ে ছবি বানাচ্ছেন অজয় দেবগন

লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিনা সেনার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের গল্প এবার উঠে আসবে সিনে পর্দায়। ১৫ জুন রাতে গালওয়ান উপত্যকায় কীভাবে লালফৌজের নৃৃশংসতার বলি হয়েছিলেন এক কর্নেল-সহ ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। এবার সেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে ছবি বানাতে চলেছেন অজয় দেবগন। এই ছবির মধ্যে দিয়ে শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের বিশেষ সম্মান জানাবেন অভিনেতা। এমনটাই জানা গিয়েছে টিনসেল টাউন সূত্রে।ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি। কারা ছবিতে অভিনয় করবেন, স্থির হয়নি তাও। তবে ছবিটি প্রযোজনা করবে অজয় দেবগনের প্রযোজনা সংস্থা। এছাড়া সহ-প্রযোজক হিসেবে থাকবে সিলেক্ট মিডিয়া হোল্ডিংস এলএলপি। টুইটারে এ কথা জানিয়েছে চলচ্চিত্র সমালোচক তরণ আদর্শ। তিনি লিখেছেন, চিনা ফৌজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গালওয়ান উপত্যকায় ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তাঁদের নিয়ে ছবি তৈরি করতে চলেছেন অজয় দেবগন।গত ৪৫ বছরে চিন ও ভারতের মধ্যে এমন যুদ্ধ হয়নি। ১৫ জুন পূর্ব লাদাখে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের বাহিনীর সংঘর্ষে এক কর্নেল-সহ তিনজন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। তারপর থেকেই ক্রমে উত্তপ্ত হতে থাকে পরিস্থিতি। চিনা আগ্রাসন রুখতে গিয়ে শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। এদিকে চিনা সেনার হামলার জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও। ভারতীয় সেনার তরফে দাবি করা হয়েছে যে জওয়ানদের হাতে নিহত হয় ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’র সদস্যও। দুই দেশের তরফে বিষয়টি মধ্যস্থতা করার দাবি করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধানসূত্রে বের হয়নি। লাদাখের এই গোটা ঘটনাটিই অজয় দেবগন তাঁর ছবিতে রাখতে চাইছেন।অভিনেতার আগামী ছবিটি ‘ভুজ: দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া’ ভারতীয় সেনার উপরই ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। ডিজনি+ হটস্টারে ছবিটির প্রিমিয়ার হবে। অভিষেক দুধাইয়া পরিচালিত ছবিটি একাত্তরের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। অজয় ছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, সোনাক্ষী সিনহা, নোরা ফাতেহি, শরদ কেলকর, অ্যামি ভির্ক এবং প্রণিতা সুভাষ। অজয় দেবগন ভারতীয় বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন লিডার বিজয় করণিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ছবিতে। বিজয় করণিক যুদ্ধের সময় ভুজ বিমানবন্দরের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২০ সালের ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ছবিটির। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে এটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে। তবে মুক্তির তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

চিনা সংস্থা স্পনসর, রাগে ‘সেরা অভিনেতা’র পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করলেন জিৎ!

সীমান্তে ইন্দো-চিন (Indo-China) উত্তেজনার আঁচ এবার টলিউডে! লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। চিনাবাহিনী যেভাবে ভারতীয় জমি দখলের অভিযান চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন টলিউড অভিনেতা জিৎ। তবে নিজস্ব ভঙ্গীতে। একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের স্পনসর হিসেবে যুক্ত রয়েছে চিনা সংস্থা, আর ঠিক সেই কারণেই দেশের সম্মানে পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করলেন জিৎ। “সীমান্তে গিয়ে লড়তে না পারলেও নিজের দেশের জন্য এটুকু তো করাই যায়!” সাফ মন্তব্য টলিউড অভিনেতার।দিন দুয়েক আগেই চিনা অ্যাপ টিকটককে (TikTok) নিষিদ্ধ করা নিয়ে সওয়াল করেছিলেন অভিনেত্রী সাংসদ নুসরত জাহান। পাশাপাশি তৃণমূলের যুবশক্তির রাজ্য কো-অর্ডিনেটর তথা অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীরও মন্তব্য ছিল, “অ্যাপ ব্যান করলে তো আর শহিদরা ফিরে আসবেন না!” তবে সেদিক থেকে একেবারে উলটো পথে হেঁটেই অভিনব সিদ্ধান্ত নিলেন টলিউড সুপারস্টার জিৎ মদনানি। সংস্থার নামোল্লেখ না করেই পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের কথা জানিয়েছেন অভিনেতা।দিন কয়েক আগে এক সংস্থা চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের জন্য ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানেই দর্শককের বিচারে সেরা অভিনেতার শিরোপা জিতেছিলেন জিৎ। স্বাভাবিকবশতই অনুষ্ঠানের দিন সেকথা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সীমান্তের যে বর্তমান পরিস্থিতি ভাবিয়ে তুলেছে অভিনেতাকে। সম্প্রতি লাদাখে ইন্দো-চিন সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান, লালফৌজদের সেই ন্যাক্কারজনক ষড়যন্ত্র বিবেচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে জিৎ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, সংশ্লিষ্ট সংস্থার দেওয়া পুরস্কার তিনি গ্রহণ করতে পারবেন না!অভিনেতা জিতের (Jeet) মন্তব্য, “যে সমস্ত দর্শকরা আমাকে ভোট দিয়েছেন, যাঁরা আমাকে ভালবাসেন, তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ। পুরস্কার পেতে কার না ভাল লাগে বলুন! পরিবারের সদস্যরা, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সবাই খুশিও হয়। বিশেষ করে বাড়ির বাচ্চারা ট্রফি দেখলেই আনন্দ পায়। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থার দেওয়া পুরস্কার গ্রহণ করতে কিছুতেই আমার মন সায় দিচ্ছে না!”আপত্তিটা ঠিক কোন কারণে? এপ্রসঙ্গে অভিনেতা সাফ জানিয়েছেন যে, “অনেকেই হয়তো জানেন না যে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সঙ্গে একটি চিনা কোম্পানি যুক্ত রয়েছে। আমার ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের দেশের সঙ্গে চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভাল নয়। চিনের আগ্রাসী মনোভাবাপন্নের জন্যই শহিদ হতে হয়েছে আমাদের দেশের জওয়ানদের। আর এমতাবস্থায় কোনও মতেই আমি এই পুরস্কার নিতে পারব না। সীমান্তে গিয়ে লড়াই না করতে পারলেও নিজের দেশের জন্য তো এটুকু করাই যায়। তাই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করলাম।”

বিজেপি শাসিত রাজ্যের তুলনায় বাংলায় বেকারত্ব কম, পরিসংখ্যান দিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মমতার

: মহামারী আবহে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। দেশজুড়ে বেড়েছে বেকারত্ব। তবে বাংলায় সেই বেকারত্বের হার অনেকটাই কম বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।  নিজের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির (CMIE) পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজেপিশাসিত উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানাকেও বিঁধেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।লকডাউনে বন্ধ হয়েছে বহু সংস্থা। আবার বহু মানুষ ভিন রাজ্যের কাজ ছেড়ে ঘরে ফিরে এসেছেন। ফলে দেশজুড়ে বেড়েছে বেকারত্ব। জুন মাসে কোন রাজ্যে কত বেকারত্ব (Unemployment) তার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি তথা সিএমআইই (CMIE)। শনিবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) লেখেন, “সিএমআইই’র রিপোর্ট অনুযায়ী জুন মাসে বাংলায় বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ। আর সারা দেশের গড় ১১ শতাংশ। সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ অনেক ভাল জায়গায় রয়েছে।” একইসঙ্গে সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) ও হরিয়ানাকে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, করোনা সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া সংকট এবং উপরন্তু ঘূর্ণিঝড় আমফান-এই দুইয়ের মোকাবিলায় রাজ্য সরকার যে বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে এটা তারই ফল।সিএমআইই’র রিপোর্ট বলছে, জুন মাসে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে বেকারত্বের হার ৯.৬ শতাংশ। আর দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব মনোহরলাল খাট্টার শাসিত হরিয়ানায়। সেখানে জুন মাসে বেকারত্ব ৩৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ জনের মধ্যে ৩৩ জনের বেশি মানুষের হাতে কোনও কাজ নেই। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেকারত্বে উত্তরপ্রদেশকে টেক্কা দিয়েছে পাঞ্জাব, ছত্তিশগড় ও রাজস্থান। কিন্তু তিনটি রাজ্যর উল্লেখ নেই মুখ্যমন্ত্রীর টুইটে। এমনকী, বামশাসিত কেরলের বেকারত্ব নিয়েও কোনও কথা বলেননি মুখ্যমন্ত্রী। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পিছনে বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।।