উত্তাল দিঘা,ফুঁসছে সমুদ্র! মৃতদেহ ভেসে এল তাজপুরে

Web Desk: জলোচ্ছ্বাসে ফুলে ফেঁপে উঠেছে দিঘার সমুদ্র। ঢেউয়ের জল আছড়ে পড়ছে উপকূলের গার্ডওয়ালে। জোয়ারের তোড়ে প্রায় সাত থেকে আট ফুট উচ্চতায় ঢেউ ধাক্কা মারছে। শুধু দীঘা নয়  শঙ্করপুর, জমড়া শ্যামপুর ও উপকূলের কিছু অঞ্চলে জলোচ্ছাসের দরুণ নোনা জল ঢুকে পড়েছে। রাতের বেলা সমুদ্র আরও উত্তাল হতে পারে। জলের তোড়ে তাজপুরে ভেসে উঠছে লাশ।

সমুদ্রের এমন জলোচ্ছ্বাসে, আরও উত্তাল হতে পারে উপকূলবর্তী এলাকায়। আগাম সতর্কতা গ্রহণ করছে  প্রশাসন। অবস্থা বুঝে গ্রামবাসীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এমনিতে দিঘায় পর্যটকের তেমন ভিড় নেই তবে কোনও পর্যটক যাতে সমুদ্রে না নামেন তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে রয়েছে পুলিশ ও সিভিক। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার হাওড়া থেকে তাজপুরে ঘুরতে এসে স্নান করতে নেমে  তলিয়ে যায় তিন যুবক। এরপরে পুলিশ একজনকে জীবিত ও অন্য একজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল।  পাশাপাশি আরও এক জন নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ সেই পর্যটকের লাশ  তাজপুর ৩ নম্বর সৈকতের কাছে  ভেসে আসে। 
Reporter Aniruddha Benerjee

যাত্রীদের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্মের নম্বর পরিবর্তন শিয়ালদহ স্টেশনে!

Web Desk: যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে আমূল পরিবর্তন শিয়ালদহ স্টেশনে। লকডাউনের মাঝে বন্ধ রেল পরিষেবা। এই ফাঁকে নতুন রুপে ফিরছে সবচেয়ে ব্যস্ততম রেল স্টেশন। এবার যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে শিয়ালদহ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বরের পুনঃ র্বিন্যাস করল পূর্ব রেল। প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা না বাড়লেও তার পরিবর্তন করা হল স্টেশনের নম্বর।  

এই মর্মে, পূর্ব রেলওয়ে ‌একটি নোটিশ জারি করে স্টেশনের নম্বর পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেন। এর আগে শিয়ালদহ স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম নম্বর নিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীন  হত বহু রেলযাত্রী। তার মূল কারণ ছিল নম্বরের পাশে ইংরেজি অক্ষরের উপস্থিতি। যেমন, ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পরে ৫ নম্বরের আগে ছিল ৪এ নম্বর প্ল্যাটফর্ম। আবার এ ভাবেই স্টেশনে ছিল ৯এ, ৯বি ও ৯ডি প্ল্যাটফর্ম এবং ১০ নম্বরের পরে ১০এ নম্বর প্ল্যাটফর্ম আর ১৪ নম্বরের পরে ১৪এ প্ল্যাটফর্ম।

পরিবর্তিত নিয়মে ঠিক হয়েছে, শিয়ালদহ উত্তর শাখার স্টেশনে মোট ৫টি প্ল্যাটফর্ম থাকছে। শিয়ালদহ মেন স্টেশনে থাকছে ৯টি প্ল্যাটফর্ম এবং শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় থাকছে মোট ৭টি প্ল্যাটফর্ম। 

জানা গিয়েছে, শিয়ালদহ উত্তর শাখায় ১এ প্ল্যাটফর্ম এবার হচ্ছে প্ল্যাটফর্ম ১ এবং প্ল্যাটফর্ম ১ চিহ্নিত হবে ১এ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। প্ল্যাটফর্ম ২ থাকছে ২ নম্বরই ও ৩ থাকছে ৩ এবং প্ল্যাটফর্ম  ৪ থাকছে ৪। কিন্তু প্ল্যাটফর্ম ৪এ হচ্ছে ৫ নম্বর, ৫ হচ্ছে ৬, ৬ হচ্ছে ৭, ৭ হচ্ছে ৮, ৮ হচ্ছে ৯, ৯ হচ্ছে ১০, ৯সি হচ্ছে ১১, ৯বি হচ্ছে ১২, ৯এ হচ্ছে ১৩ এবং ৯ডি হচ্ছে ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম
Reporter Aniruddha Benerjee

শেষ বারের মত পর্দায় সুশান্ত সিং রাজপুত,প্রকাশ্যে দিল বেচারার নতুন পোস্টার

Web Desk: তাঁর মৃত্যুতে এখন শোকের ছায়া বলিউডে। চলছে তদন্ত। তবে বলিউডের স্বজনপোষনের দাবি তুলে সোচ্চার হয়েছেন অনেকেই। তাঁর মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন দেশের একাধিক তারকা থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। এবার তারই অভিনীত শেষ ছবি দিল বেচারা ছবির ট্রেইলার মুক্তি পাবে সোমবার।

এটিই সুশান্ত সিং রাজপুতের জীবনে অভিনীত শেষ ছবি। রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা সারলেন টিম দিল বেচারা। সুশান্তের নায়িকা সঞ্জনা থেকে পরিচালক মুকেশ ছাবরা, সকলেই ইমোশ্যানাল এই ঘোষণা ঘিরে। অন্তিম বার সুশান্ত সিং রাজপুতের ছবির ট্রেলার দেখার সুযোগ পাবে তাঁর ভক্তরা। এদিন ছবির প্রযোজক সংস্থা ফক্স স্টারের তরফে টুইট বার্তায় জানানো হল- ‘প্রত্যেক প্রেম কাহিনি আমাদের কাছে অত্যন্ত সুন্দর, তবে এইটা আমাদের সবচেয়ে প্রিয়, দিল বেচারার ট্রেলার আসছে আমাগিকাল,সঙ্গে থাকুন’।
Reporter Aniruddha Benerjee

অমরনাথ দর্শনে প্রতিদিন ৫০০ জন যাত্রীদের অনুমতি, দূরদর্শনে সরাসরি সম্প্রচার হবে‌ পূজা!

Web Desk:  করোনা ভাইরাস মহামারিতে অমরনাথ যাত্রা নিয়ে‌ সুপ্রিম কোর্টের রায়ে মিলল স্বস্তি।  জম্মু ও কাশ্মীরে শ্রী অমরনাথজি যাত্রার জন্য সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা গঠিত উপ-কমিটির বৈঠকে এদিন মুখ্যসচিব, বিভিআর সুব্রহ্মণ্যমের সভাপতিত্বে নতুন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে অমরনাথ যাত্রায় হ্রাস টেনেছে। ২০২০ সালের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করার সময়, মুখ্যসচিব পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছেন যে COVID-19 মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের অধীনে গঠিত রাজ্য নির্বাহী কমিটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল (এসওপি) জারি করেছে, যা 100% নির্ধারণ করে J&K- এ ভ্রমণকারী সকল ব্যক্তির জন্য আরটিপিসিআর পরীক্ষা।

অমরনাথে যাত্রার আগে সকল যাত্রীদের, শারিরীক পরীক্ষার পরেই যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জম্বু ও কাশ্মীরের মুখ্যসচিব।

বৈঠকে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, কালী মাতার বাল্টাল থেকে হলি গুহায় ট্র্যাক ধরে উন্নীতকরণ / উন্নতি এবং সঙ্গম থেকে জরুরী বহির্গমন ট্র্যাক ও স্থিতিশীলতার জন্য নতুন রুট নির্মান করা হয়েছে। যাত্রাপথে তীর্থযাত্রীদের কোনোরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে, জরুরি পরিষেবা হিসেবে পাহাড়ের গুহায় মেডিকেল ক্যাম্প ও সামগ্রী রাখা হবে। এছাড়াও গুহার ট্রাকের দুধারে রেলিং দিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়াও লোয়ার হলি গুহায় অতিরিক্ত হেলিপ্যাড নির্মাণ এবং নীলগ্রাথ হেলিপ্যাড, বাল্টাল এবং ডোমেলে স্যানিটাইজেশন টানেল নির্মাণ করা হয়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতার কারনের পরিপ্রেক্ষিতে, জম্মু থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০০ যাত্রীদের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।  পাশাপাশি এবছর  বাবা অমরনাথ আরতি দূরদর্শনে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। মুখ্য সচিব বলে যে আরতির নিরবচ্ছিন্ন টেলিকাস্ট নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা উচিত
Reporter Aniruddha Benerjee

ফের অগ্নিগ্রাসে বড়বাজার, ক্যানিং স্ট্রিটের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন

Web Desk: ফের অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল বড়বাজারে। এবারের ঘটনাস্থল ১০৯ নম্বর ক্যানিং স্ট্রিটের বহুতলে একটি প্লাস্টিকের গুদামে। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকমের ৭ টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নেভানোর কাজ।
পুলিশ ও দমকল বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, রবিরবার সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ বহুতলটির চতুর্থ তলে আগুন লাগে। প্লাস্টিকের গুদাম হওয়ায় সেখান থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। গ্রাস করে বহুতলটির বিভিন্ন তলকে।
কোথা থেকে এই আগুন লাগল তা এখনো স্পষ্ট নয়। দাহ্য পদার্থ প্রচুর পরিমাণে মজপুত থাকায় আগুন নেভাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। একই সঙ্গে এলাকাটি ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে রবিবার ছুটির দিন থাকায় ভেতরে কারোর আটকে থাকার সম্ভাবনা নেই। নাহলে আরও বড়সড় কোনো দূর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে মনে করা হচ্ছে।
বহুতলটির অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্পূর্ণভাবে আগুন নেভানোর পরই কীভাবে আগুন লাগল তা তদন্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ ও দমকল সূত্রে।
Reporter Aniruddha Benerjee

ক্যানিং স্ট্রিটে বহুতলে প্লাস্টিকের গুদামে ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন

Web Desk: ক্যানিং স্ট্রিটে বহুতলে প্লাস্টিকের গুদামে ভয়াবহ আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ প্রথমে বাড়িটির চারতলায় আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে দোতলা পর্যন্ত। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আশপাশের বন্ধ দোকান ও হকারদের স্টলগুলিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। সংকীর্ণ এলাকায় আগুন নেভাতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন দমকল কর্মীরা।
Reporter Aniruddha Benerjee

কলকাতায় আর নামবে না দিল্লি, মুম্বই-সহ দেশের ৬টি শহরের উড়ান

ঠিক মতো শারীরিক পরীক্ষা ছাড়াই বাইরে থেকে প্রচুর লোক রাজ্যে ঢুকছে। এর ফলে করোনার সংক্রমণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। এই পরিস্থিতি রাজ্য সরকারের তরফে কয়েকদিন আগেই চিঠি দিয়ে কেন্দ্রকে অনুরোধ করা হয়েছিল, দেশের বেশ কিছু শহর থেকে আগামী দু সপ্তাহ কলকাতাগামী বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখতে। সেই অনুরোধ মেনে নিল কেন্দ্র।শনিবার কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) কর্তৃপক্ষের তরফে টুইট করে জানানো হল, দিল্লি, মুম্বই, পুনে, নাগপুর, চেন্নাই ও আমেদাবাদ থেকে আগামী তিন সপ্তাহ কোনও বিমান কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবে না। আগামী সোমবার থেকেই পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে। করোনার সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কেন্দ্রের কাছে যে আবেদন জানানো হয়েছিল। তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৬ তারিখ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বিমান পরিষেবা বন্ধ থাকবে। পরে পরিস্থিতি দেখে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার চিঠি দিয়ে কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছিল, ৬ জুলাইয়ের পরে দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, আমেদাবাদ, পুনে, নাগপুর, সুরাট ও ইন্দোর থেকে কলকাতার উড়ান দু’সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হোক। অন্যান্য শহর থেকে ও পুরো জুলাই মাস সপ্তাহে মাত্র একটি করে উড়ান চালান হোক কলকাতায়। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, ‘হটস্পট থেকে দু’সপ্তাহ কলকাতায় বিমান আসবে না। বাকি জায়গা থেকে সপ্তাহে একটি করে বিমান আসবে। তবে রাজ্যের বিভিন্ন শহরের মধ্যে বিমান চললে কোনও আপত্তি নেই।’

সাঁড়াশি চাপে বেজিং, দক্ষিণ চিন সাগরে আণবিক রণতরী পাঠাল আমেরিকা

চিনের বিরুদ্ধে নয়া ফ্রন্ট খুলে দক্ষিণ চিন সাগরে দু’টি রণতরী পাঠাচ্ছে আমেরিকা। সেখানে সামরিক মহড়া করবে আণবিক শক্তি চালিত যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ‘USS Nimitz’ ও ‘USS Ronald Reagan’। ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে আবহে আমেরিকা নয়া ফ্রন্ট খোলায় রীতিমতো সাঁড়াশি চাপে পড়েছে বেজিং।শেষ পাওয়া খবরের মতে, লুঝন প্রণালীতে (Luzon Strait) রযেছে মার্কিন রণতরীগুলি। বলে রাখা ভাল, তাইওয়ান ও ফিলিপিন্সের লুঝন দ্বীপের মধ্যের জলরাশিকে বলা হয় লুঝন প্রণালী। এবার ফিলিপিন্স সাগরের সঙ্গে দক্ষিণ চিন সাগরের যোগসূত্র এই প্রণালী। সম্প্রতি দক্ষিণ চিন সাগরে বিতর্কিত জলসীমায় সামরিক মহড়া করে চিনের নৌসেনা (People’s Liberation Army Navy)। তারই জবাবে দু’টি ‘ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ’ পাঠিয়েছে আমেরিকা। উল্লেখ্য, একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে থাকে সাবমেরিন, ফ্রিগেট, ডেস্ট্রয়ারে মতো বেশ কয়েকটি রণতরী। এগুলোকে মিলিয়ে বলা হয় ‘স্ট্রাইক গ্রুপ’। যেহেতু মার্কিন রণতরীগুলি আণবিক শক্তি চালিত তাই তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য সাগরে থাকতে সক্ষম। পাশাপাশি, F-18 যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ‘USS Nimitz’ ও ‘USS Ronald Reagan’-এ রযেছে বিধ্বংসী মিসাইল সম্ভার।Wall Street Journal-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে ‘USS Ronald Reagan’ স্ট্রাইক গ্রুপের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল জর্জ এম উইকফ বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে সহযোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া যে আমরা আঞ্চলিক স্থিতবস্থা নষ্ট হতে দেব না। এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখাই আমাদের উদ্দেশ্য।”উল্লেখ্য, দক্ষিণ চিন সাগরের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজেদের বলে দাবি করে চিন। ফলে ইতিমধ্যেই জাপান, ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে বেজিং। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই সাগর দিয়েই প্রতিবছর ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হয়। ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে এই রুটটি অত্যন্ত লাভজনক। এছাড়াও, এশিয়া মহাদেশে মার্কিন প্রভাব খর্ব করতে হলে সবার আগে দক্ষিণ চিন সাগরে মার্কিন নৌবহরকে কাবু করতে হবে, তা ভালই জানে চিন। কিন্তু ভারত-সহ একাধিক ফ্রন্ট খুলে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে লালফৌজ। এহেন সময়ে মার্কিন নৌবহরের উপস্থিতি বেজিংকে সাঁড়াশি চাপে ফেলেছে।

সুনির্দিষ্ট অভিযোগেই ধৃত ‘আরামবাগ টিভি’র সম্পাদক, বিতর্কের জবাব পুলিশ সুপারের

‘আরামবাগ টিভি’র (Arambagh TV) সম্পাদককে গ্রেপ্তারির পর থেকেই বিভিন্ন মহলে তোলপাড়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সর্বত্র চলছে জোর আলোচনা। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার যে কোনও কারণ নেই, সাংবাদিক বৈঠক করে সেকথাই পরোক্ষে জানিয়ে দিলেন হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশ সুপার তথাগত বসু। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই সফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেই জানান তিনি।এদিন পুলিশ সুপার জানান, সফিকুল ইসলাম একটি বেআইনি তিনতলা বাড়ির মালিক। তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তা কৃষকদের কাছ থেকে জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতারিতরা নির্দিষ্ট অভিযোগও দায়ের করেছেন। তথাগতবাবু আরও জানান, সস্ত্রীক সফিকুল ‘আরামবাগ টিভি’র পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্রও চালাতেন। যার কোনটারই আরএনআই করা নেই। এমনকী স্থানীয় প্রশাসনিক অনুমতিও নেননি তিনি। শুধু তাই নয়, বিতর্কিত খবর ছাপিয়ে তোলাবাজিরও অভিযোগ উঠেছে সফিকুলের বিরুদ্ধে। এদিন হুগলির গ্রামীণ পুলিশ সুপার তথাগত বসু সাংবাদিক বৈঠকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেন, প্রতারিতদের নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, এর আগেও ২০১৩, ২০১৫ ও ২০১৭ সালে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সফিকুল।গত ২৮ জুন রাতে ‘আরামবাগ টিভি’র সম্পাদক সফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় সফিকুলের স্ত্রী আলিমা বিবি এবং ‘আরামবাগ টিভি’র আরেক সাংবাদিক সুরজ আলি খানকে। তাঁদের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশনের নামে তোলাবাজির অভিযোগ ছিল। সফিকুল এবং সুরজের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়। যাতে অভিযোগ ছিল, সরকারি গাছ কাটা নিয়ে সুরজ এক ব্যক্তিকে হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগকারীর দাবি, সুরজ তাঁর কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকার ‘তোলা’ চেয়েছেন। না দিলে গাছ কাটা নিয়ে দুর্নীতির ‘ভুয়ো’ খবর ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সেই মামলার ভিত্তিতেই ওই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়।যদিও ‘আরামবাগ টিভি’র আধিকারিকদের দাবি, সফিকুল এবং সুরজের উপর পুরনো রাগ পুলিশের। এপ্রিল মাসে ‘আরামবাগ টিভি’তে একটি খবর সম্প্রচারিত হয়। যাতে দেখানো হয়, লকডাউনের মধ্যেও থানা থেকে স্থানীয় কতগুলি ক্লাবকে আর্থিক সাহায্যের চেক বিলি করা হচ্ছে। সেই খবরে দাবি করা হয়, তথাকথিত এই ‘ক্লাব’গুলির অস্তিত্ব নেই। শাসকদলের নেতামন্ত্রীদের টাকা পাইয়ে দিতেই এভাবে ক্লাবের নামে থানা থেকে চেক বিলি করা হচ্ছে। তখনই সফিকুলের বিরুদ্ধে ‘ভুয়ো’ খবর সম্প্রচারের মামলা দায়ের করা হয়েছিল। যদিও আদালত তাঁর গ্রেপ্তারিতে স্থগিতাদেশ দিয়ে দেয়। সেই মামলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে সফিকুলের দাবি, তখন থেকেই তাঁকে জেলে ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

কুৎসার জন্যই ভিত্তিহীন মন্তব্য, মোদির হাসপাতাল সফর বিতর্কে মুখ খুলল ভারতীয় সেনা

শুক্রবার লাদাখ সফরে গিয়ে লেহ-এর হাসপাতালে ভরতি থাকা জখম জওয়ানদের দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। হাসপাতালের ওয়ার্ডের মধ্যে ঘুরে ঘুরে অনেক জওয়ানের সঙ্গে কথাও বলেন। পরে এই ভিডিও সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ পেতেই বিতর্ক তৈরি হয়। মোদির ফটোশুটের জন্য হাসপাতালটিকে সাজানো হয়েছিল বলে অভিযোগ জানাতে থাকে বিরোধীরা। শনিবার সেই বিতর্ককে ভিত্তিহীন বলে দাবি করল ভারতীয় সেনা। কুৎসা করার জন্যই এই ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে বলে সরাসরি অভিযোগ জানাল। একই কথা শোনানো হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেও।এই বিষয়ে রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ৩ জুলাই লেহ (Leh) -এর হাসপাতালে এসে জখম সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেছেন। তারপর থেকেই এই বিষয় নিয়ে ওনার নামে বিদ্বেষপূর্ণ ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করা হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক একটি ঘটনা। এই ধরনের মন্তব্যের ফলে জখম জওয়ানরাও অপমানিত হচ্ছেন। ভারতীয় সেনা নিজেদের কর্মীদের সবথেকে ভাল পরিষেবা দিয়ে থাকে। কিন্তু, এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীকে বদনাম করার পাশাপাশি ভারতীয় সেনার পরিষেবাও নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক।হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডের মধ্যে চিকিৎসার সরঞ্জাম সেভাবে দেখা না গেলেও প্রজেক্টর কেন রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এর জবাব দিয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই রুমটি আগে প্রশিক্ষণ ও কনফারেন্সের জন্য ব্যবহার করা হত। কিন্তু, কিছুদিন আগে হাসপাতালের বাকি ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্তদের ভরতি করার কারণে জখম জওয়ানদের ওখানে রাখা হয়েছিল। এর জন্য আলাদা করে ১০০টি নতুন বেডেরও ব্যবস্থা করা হয়।