জঙ্গিদের গুলিতে নিহত বিজেপি প্রাক্তন জেলা সভাপতি ও তাঁর পরিবার

Web Desk: বেঘোরে প্রাণ হারালেন বিজেপি প্রাক্তন জেলা সভাপতি ও তাঁর পরিবার। বুধবার জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন। এই ঘটনায় পুলিশ আটজন নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার, জম্বু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা এলাকায়। ওই এলাকার পুলিশ স্টেশনের বাইরে নিজেদের দোকানের বাইরে বসেছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতা ওয়াসিম বারি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা বসির আহমেদ  ও ভাই উমর। রাত নটা নাগাদ তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালায় কয়েকজন জঙ্গি। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে তিনজন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে আটজন কর্মী ছিলেন। কিন্তু ঘটনার সময় তাঁরা কেউ উপস্থিত ছিল না। সূত্রের খবর, সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওয়াসিম বিজেপির প্রাক্তন জেলা প্রেসিডেন্ট ছিলেন। 
Reporter Aniruddha Benerjee

১০ বছর ধরে কমিশন বসিয়ে CPM-এর কাউকে জেলে ভরতে পেরেছেন মমতা? কটাক্ষ সুজন চক্রবর্তীর

Web Desk: ফের আরও এক হাত নিলেন রাজ্যের শাসকদল তৃনমূল সরকারকে। বুধবার কড়া ভাষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে সমালোচনা করলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন  সিপিএমের জমানায় পঞ্চায়েতে ১০০ শতাংশ দুর্নীতি হত। তৃণমূল এসে ৯০ শতাংশ দুর্নীতি কমিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন  ‘সিপিএম জমানায় এত দুর্নীতি হয়ে থাকলে ১০ বছর ধরে কমিশন বসিয়ে কেন কাউকে জেলে ভরতে পারলেন না মুখ্যমন্ত্রী।’ এদিন সুজনবাবু বলেন, ‘পাগলের প্রলাপ, মাথা খারাপ হয়ে গেলে লোকে উলটো পালটা বকে। তৃণমূল সরকার ৩০ কোটি টাকা খরচ করে কমিশন বসিয়েছে। সিপিএমের দুর্নীতি খুঁজে বার করবে। ১০ বছরেও দুর্নীতি বার করতে পারল না। এখন যারা হাতে হাতে টাকা নিয়ে ধরা পড়ে। তারা মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বসে আছেন।‘
Reporter Aniruddha Benerjee

২২ বছরে ১০০-র বেশি ধর্ষন কেসের আসামি এই যুবক!

Web Desk: বয়স মাত্র ২২ আর এই বয়সে কমপক্ষে ১০০ বেশি ছাত্রী ও মহিলাদের ধর্ষন করেছেন। আর এই নৃশংস কান্ডের সাহায্য করেছেন গুনধর ছেলের পয়সাওয়ালা বাবা। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রান্তে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, ব্ল্যাকমেল-সহ একাধিক অভিযোগ দায়ের করলেন শতাধিক মহিলা। খবর চাউর হতেই গোটা মিশরে হইচই পড়ে গিয়েছে। 

এক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, অভিযুক্ত যুবক মিশরের কায়রোর আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র। আর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরাও প্রত্যেকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। ঘটনার তদন্তে নেমেছে কায়রো প্রশাসন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা বেড়েই চলেছে যত দিন গড়াচ্ছে।

জানা গিয়েছে, খুব ছোট বয়স থেকেই মহিলাদের উপর অত্যাচার করে চলেছে অভিযুক্ত যুবক। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে তার শিকার হয়েছে ১০০-এর বেশি তরুণী ও মহিলা। প্রভাবশালী বাবার সহায়তায় বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খোলেননি। কিন্তু এক নির্যাতিতা মামলা দায়ের করতেই চক্ষু চড়কগাছ কায়রো প্রশাসনের। শেষ পর্যন্ত আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হওয়ায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সামনে আসে যুবকের আসল চেহারা। কোনো ছাত্রী অথবা মহিলা মুখ খুললেই ভয় দেখানো হত বিকৃত ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়। দীর্ঘদিন ধরেই যুবকের বিরুদ্ধে মহিলাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠছে। প্রতিবারই অভিযুক্তকে বাঁচিয়ে দিয়েছে তার প্রভাবশালী বাবা। এত কুকীর্তি সত্বেও ছেলে যাতে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সেজন্য বারে বারে কলেজ বদল করেছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

বাম জমানায় ১০০ শতাংশ দুর্নীতি হয়েছে, আমাদের সময় ৭-৮ শতাংশ হয়েছে : মমতা

আমফানের (Amphan) তাণ্ডবের পর থেকে বারবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ‘স্বজনপোষণ’ নিয়ে একাধিকবার কাঠগড়ায় উঠেছেন নেতাকর্মীরা। যদিও দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও হয়েছে শাসকদলের তরফে। তবে সেই পদক্ষেপকে নেহাত ‘লোক দেখানো’ বলতেও দ্বিধা করেনি বিরোধী শিবির। বুধবার কলকাতা পুলিশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বিরোধীদের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ইস্যুতে সিপিএমকে কড়া আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।তিনি বলেন, “কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে কোনও কোনও রাজনৈতিক দল। ৭-৮ শতাংশ মানুষ এসব কাজ করছে। তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর হচ্ছে। ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সিপিএমের আমলে ১০০ শতাংশ চুরি করত পঞ্চায়েতে। আমরা ৯০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছি। এখনও ১০০ শতাংশ পারিনি। কারণ, একবারে সব চোর উৎখাত করা সম্ভব নয়। তবে আস্তে আস্তে ১০০ শতাংশ পারবো। অন্য রাজ্যে গিয়ে দেখুন ৯০ শতাংশই দুর্নীতি। আমি আমার দলীয় নেতাকর্মীদেরও ছেড়ে কথা বলি না। মানুষের টাকা যেন কেউ না নেয় এটাই আমার নির্দেশ।” সিপিএমকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রীর আরও দাবি, “সিপিএম ৩৪ বছর ধরে দুর্নীতি করে গিয়েছে। সরকারি দপ্তরগুলির নিচুতলায় এখনও এসব ব্যবস্থা চালু রয়েছে। একদিনে তো কারও অভ্যাস বদলানো যাবে না। এটাকে সামলাতে আমাকে আরও লড়াই করতে হবে।”এছাড়াও কলকাতা পুলিশের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে করোনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মমতা। মারণ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানে থাকারই পরামর্শ দেন তিনি। বলেন, “‘কোভিড পরীক্ষার সংখ্যা বেড়েছে, তাই ধরাও পড়ছে। করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। করোনায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যেখানে সেখানে ভিড় করবেন না।” কোভিডে আক্রান্তদের জন্য ১০ লক্ষ টাকা বিমার কথাও বলেন তিনি। এছাড়াও সুস্থ থাকতে চাইলে কোভিড বিধি সম্পূর্ণ মেনে চলার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বকেয়া ডিএ দিতেই হবে কর্মচারীদের, স্যাটের নির্দেশে মুখ পুড়ল রাজ্যের

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) প্রদান সংক্রান্ত আগের রায় বহাল রাখল ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল বা SAT। রায় পুনর্বিবেচনার রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে বুধবার তা জানিয়ে দিল বিচারপতি আর কে বাগের বেঞ্চ। অতএব রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া-সহ নয়া হারে ডিএ দিতে হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের হারে ডিএ (DA) দেওয়ার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের কংগ্রেস প্রভাবিত সংগঠন কনফেডারেশন অব এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন। সেই মামলার রায়ে গত বছর ২৬ জুলাই স্যাটের এই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে রাজ্যের কর্মচারীদের ডিএ (DA) দিতে হবে। সেই রায় পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। যা এদিন খারিজ হয়ে গেল।রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি, কেন্দ্রীয় হারে তাঁদের ডিএ (DA) বা মহার্ঘ্য ভাতা দিতে হবে। দিল্লিতে কর্মরত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরাও উচ্চহারে ডিএ (DA) পান। এই বৈষম্য মেটানোর দাবি জানিয়েছিলেন রাজ্যে কর্মরত কর্মচারীদের একাংশ। স্যাটের এদিনের রায়কে স্বাগত জানিয়ে মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অফ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের তরফের মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্য সরকার যেকোনও ভাবে বিষয়টিকে বিলম্বিত করতে চাইলেও ফের একবার প্রমাণিত হয়ে গেল কেন্দ্রীয় হারে ডিএ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকার। এবং তা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে।”২০১৭ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল বা SAT (স্যাট)-এর দ্বারস্থ হয় ওই কর্মচারী সংগঠন। কিন্তু সেই মামলার রায় তাঁদের বিপক্ষে গিয়েছিল। এরপর তাঁরা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই সময় রায়ে হাই কোর্টের তরফে জানানো হয়েছিল, ডিএ সরকারের দয়ার দান। সেই রায়কে ফের চ্যালেঞ্চ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় কর্মচারী সংগঠন। দেবাশিস করগুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ রায়ে জানায়, ডিএ সরকারের দয়ার দান নয়। এটা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের নায্য প্রাপ্য।  তবে কী হারে ডিএ দেওয়া হবে, কীভাবে রাজ্য তা মেটাবে, তা ঠিক করতে ফের মামলাটি স্যাটে পাঠায় হাই কোর্ট।সেখানে ফের শুনানি শুরু হয়। সেই মামলার শুনানিতে ২০১৯ সালে ২৬ জুলাই স্যাট জানায়, বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে রাজ্যকে। কীভাবে সেই বকেয়া মেটানো হবে তা ঠিক করবে রাজ্য। একইসঙ্গে স্যাট জানিয়েছিল, সর্বভারতীয় মূল্য সূচক বা রোপা আইনের ভিত্তিতে রেটের ভিত্তিতে তিন মাসের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। এমনকী, ২০০৬ সালের ১ জুলাই থেকে ১ জুলাই, ২০১৬ সাল পর্যন্ত অনিয়মিত ডিএ দেওয়ার ফলে যে বকেয়া জমে রয়েছে, তাও মেটাতে হবে দ্রুত। কিন্তু সেই রায় পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়েছিল রাজ্য। ফলে ফের শুনানি শুরু হয়। ৩ মার্চ শুনানি শেষের পর এদিন তার রায় দান হয়। এদিনও রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত, মহামারী আবহে কেন্দ্রের ডিএ বকেয়া রাখার প্রসঙ্গ তোলেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিচারপতি। তিনি পাল্টা জানান, “মহামারী প্রসঙ্গ তুলতে চাইলে আপনারা উচ্চ আদালতে যেতে পারেন।” 

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন লকেট, লক্ষণ দেখা দিলেও আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ সাংসদের

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। বুধবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তবে আগামী ১০ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকতে হবে বিজেপি নেত্রীকে। লক্ষণ দেখা দিলেও অযথা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন করোনাজয়ী লকেট। এদিকে, এদিন শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিজেপি সাংসদের কাছে ফোন আসে। কয়েকদিন ধরেই জ্বর ও সর্দি-সহ একাধিক উপসর্গ ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। করোনা শরীরে বাসা বাঁধেনি তো, সেই সন্দেহ মনের কোণে উঁকি দিয়েছিল। সে কারণেই নিজেকে গৃহবন্দি করে ফেলেছিলেন সাংসদ। ছিলেন হোম আইসোলেশনে। পাশাপাশি, নমুনাও পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষার জন্য। গত শুক্রবার সেই রিপোর্ট আসতেই জানা যায়, তিনি করোনা আক্রান্ত।সেদিনই দুপুরে টুইটে বিজেপি নেত্রী জানিয়েছিলেন, “আমার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তবে সব ঠিক রয়েছে। সময় মতো সব জানাব।” রাজনৈতিক মহল মনে করছে, লকডাউনের মাঝে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় অযথা জমায়েতে নিষেধ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে সেকথায় কর্ণপাত করেননি বিজেপি সাংসদ। পরিবর্তে একাধিত ইস্যুতে দফায় দফায় রাস্তায় নেমেছেন তিনি। লাগাতার আন্দোলন-বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, দূরত্ববিধি না মেনেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে করোনামুক্ত বিজেপি সাংসদ। বুধবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই সোজা বাড়ি পৌঁছন তিনি। আগামী ১০দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাঁকে। চিকিৎসকরা তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। বাড়ি ফিরে লকেট বলেন, “সবাইকে বলব আতঙ্কিত হবেন না। লক্ষণ দেখা দিলে লুকোবেন না। চিকিৎসকের কাছে যান। নমুনা পরীক্ষা করান। আত্মবিশ্বাস রাখুন। মনে জোর রাখুন।” অসুস্থ হওয়ার পরেই ফোনে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ি ফেরার পর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও তাঁর কাছে ফোন আসে। এছাড়াও রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনেকেই লকেটের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

চিনের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধলে ভারতের পাশে থাকবে মার্কিন ফৌজ, ইঙ্গিত হোয়াইট হাউসের

চিনের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধলে ভারতের পাশে থাকবে মার্কিন ফৌজ। হোয়াইট হাউসের এক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মারফত এমনই দাবি করেছে ‘Fox News’। হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ কর্তার বয়ান, চিনের পার্শ্ববর্তী যারাই আছে, তারা চিনা আগ্রাসন থেকে নিরাপদ নয়।গালওয়ান উপত্যকায় চিনা আগ্রাসনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে আমেরিকা। অতি আগ্রাসী মনোভাবের জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে কার্যত একঘরে হয়ে পড়েছে বেজিং। আমেরিকার সঙ্গে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, এমনকী ন্যাটো (NATO) জোটও চিনকে (China) সতর্ক করেছে। এহেন সময়ে, হোয়াইট হাউসের চিফ অফ স্টাফ মার্ক মিডোজ বলেছেন, “চিন বা অন্য কোনও দেশ সর্বশক্তিমান হয়ে বিশ্বের লাগাম নিজেদের হাতে নেবে, এমনটা আমরা চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখব না। তা সে এই অঞ্চলেই হোক বা অন্য কোনও অঞ্চলে।” মিডোজ আরও বলেন, “আমাদের সামরিক ক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তা অটুট থাকবে। তা সে ভারত-চিন সংঘাতই হোক বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে। দক্ষিণ চিন সাগরে মার্কিন অভিযানের উদ্দেশ্য হচ্ছে সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়া যে বিশ্বে আরও বড় শক্তি রয়েছে।”উল্লেখ্য, পূর্ব লাদখে চিনা আগ্রাসন ও গালওয়ানে (Galwan) সংঘর্ষের আবহেই চিনের বিরুদ্ধে নয়া ফ্রন্ট খুলে দক্ষিণ চিন সাগরে দু’টি রণতরী পাঠিয়েছে আমেরিকা। সেখানে সামরিক মহড়া করবে আণবিক শক্তি চালিত যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ‘USS Nimitz’ ও ‘USS Ronald Reagan’। ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে আবহে আমেরিকা নয়া ফ্রন্ট খোলায় রীতিমতো সাঁড়াশি চাপে পড়েছে বেজিং।এদিকে, প্রায় গোটা বিশ্বের সঙ্গে লড়াইয়ে নেমে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে শি জিনপিং প্রশাসন। তাই পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিতে বাধ্য হয়ে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের এলাকা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পিছিয়ে গিয়েছে লালফৌজ। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং লি-র মধ্যে বৈঠকের পর মঙ্গলবার থেকে গালওয়ান ও গোগরা অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে শুরু করেছে চিন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যে অনুকূল নয় তা স্পষ্ট বুঝতে পারছে বেজিং।

আগামী বছর ভারতে প্রতিদিন করোনা আক্রান্ত হবেন ২.৮৭ লক্ষ মানুষ! মার্কিন সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

লকডাউনের পর শুরু দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনলক প্রক্রিয়া। কিন্তু আনলকের দ্বিতীয় পর্বেও দেশে করোনা সংক্রমণে লাগাম পরানো যাচ্ছে না। ভ্যাকসিনের জন্য দিনপাত করা ভারতবাসীর উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। রোজই গড়ে ২০ হাজার বা তার বেশি আক্রান্তের হদিশ মিলছে। তার মধ্যেই দেশবাসীর উদ্বেগ বাড়ালেন মার্কিন গবেষকরা। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (Massachusetts Institute of Technology) বা MIT’র গবেষকদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, এই হারে সংক্রমণ চলতে থাকলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে দিনে গড়ে ২.৮৭ লক্ষ মানুষ মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন।গবেষকরা জানিয়েছেন, যদি কোনও ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক না আসে তাহলে বিশ্বের সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত হবেন এই ভারতেই। MIT’র গবেষক হাজঘির রাহমানন্দ, টোয়াই লিম ও জন স্টেরমান জানিয়েছেন যে, ভারতের পরই আমেরিকায় দিনে সর্বাধিক আক্রান্ত হবে। দৈনিক ৯৫৪০০ জন হবে। এরপর দৈনিক সবচেয়ে বেশি হবে দৈনিক দক্ষিণ আফ্রিকা (২০,৬০০) ও ইরানে (১৭,০০০)। সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে ৮৪টি দেশে ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন প্রায় ২৫ কোটি মানুষ। মারা যাবেন প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ। করোনায়য় সুরক্ষাবিধির উপরই নির্ভর করবে আক্রান্তের সংখ্যা, এমনটাই পূর্বাভাস রিপোর্টে।এই সমীক্ষার জন্য SEIR (Susceptible, Exposed, Infectious, Recovered) মডেল ব্যবহার করেছেন গবেষকরা। মূলত তিনটি ফ্যাক্টর ধরা হয়েছে এই ক্ষেত্রে। সেটা হল টেস্টিং রেট ও রেসপন্স, যদি দৈনিক ০.১ শতাংশ করে টেস্ট বাড়ে এবং টেস্টিং যদি একই থাকে এবং কনট্যাক্ট রেট যদি ৮ ধরা হয়। মানে একজনের থেকে যদি দিনে গড়ে আটজন আক্রান্ত হয়। বিশ্বের ৮৪টি দেশের করোনা পরিসংখ্যান সমীক্ষা করে রিপোর্ট পেশ করেছেন গবেষকরা। বুধবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২ হাজার ৭৫২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৪১৭ জন। এদের মধ্যে ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৩১ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখনও চিকিৎসাধীন ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৪৪ জন ।অর্থাৎ, সক্রিয় রোগীর থেকে এখন করোনাজয়ীর সংখ্যা প্রায় দু’লক্ষ বেশি। সংক্রমণের নিরিখে ইতিমধ্যেই রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। শুধুমাত্র আমেরিকা এবং ব্রাজিল রয়েছে উপরে। এর মধ্যে ব্রাজিলের তুলনায় ভারতের সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও বেশি।

কনটেইনমেন্ট জোনে কতদিন চলবে লকডাউন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

Web Desk: আগামী কাল ৯’ই জুলাই বিকাল থেকে ফের শুরু হতে চলেছে সম্পূর্ণ লকডাউন। ইতিমধ্যেই কলকাতার কোন কোন জায়গায় কনটেনমেন্ট জ়োন করা হয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করলেন রাজ্য সরকার। 

শুধু কলকাতা নয় হাওড়া ও উত্তর 24 পরগনার তালিকাও প্রকাশ করা হয়৷ আগামীকাল বিকেল পাঁচটা থেকেই এই জায়গাগুলিতে কড়া লকডাউন কার্যকর করা হবে৷ তবে বাতিল করা হয়েছে দক্ষিণ 24 পরগনার কনটেনমেন্ট জ়োনের তালিকা। আগামী কাল অথবা পরশু এই জেলার তালিকা প্রকাশ করার জন্য মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা৷ এছাড়াও বিশেষ নজরদারি রাখার কথা জানিয়েছেন মালদা ও শিলিগুড়িতে। 

রাজ্যের কনটেইনমেন্ট জ়োনগুলিতে ফের যে কড়া লকডাউন শুরু হতে চলেছে তার ঘোষণা মঙ্গলবারই করেছিলেন নবান্ন। ইতিমধ্যেই প্রতিটি জেলার জেলাশাসকের কাছে এই বিষয়ে নির্দেশিকাও পাঠিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ আজ রাজ্যের তিন জেলার কনটেনমেন্ট জ়োনগুলির তালিকা প্রকাশ করা হয়৷ এই কনটেইনমেন্ট এলাকায় ফের সাতদিন করে লকডাউন জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লকডাউন চলাকালীন, বন্ধ থাকবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান বাদে বাকি সব কিছু। 
Reporter Aniruddha Benerjee