সীমান্তে চোখ রাঙাচ্ছে চিন-পাকিস্তান। তাদের উচিৎ শিক্ষা দিতে সীমান্ত এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন। প্রয়োজন দ্রুত প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যাওয়া যায়। সেই উদ্দেশ্যেই এবার স্ট্র্যাটেজিক ব্রিজ, রাস্তা তৈরিতে জোর দিয়েছে মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার জম্মু ও কাশ্মীরে ছটি ব্রিজ উদ্বোধন করে সেই লক্ষ্যে আরও একধাপ এগোল ভারত।এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যে ওই ছটি সেতু উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের (BRO) তৈরি করা সেতুগুলির বাজেট ছিল ৪৩ কোটি টাকা। নবনির্মিত ব্রিজগুলি একদিকে যেমন সেনাবাহিনীকে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে, তেমনই প্রত্যন্ত এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও সাহায্য করবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।দ্রুত এই প্রকল্প সম্পূর্ণ করায় বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের সমস্ত আধিকারিককে অভিনন্দন জানান। এ প্রসঙ্গে রাজনাথ সিং বলেন, “রেকর্ড সময়ের মধ্যে এই প্রকল্প শেষ করার জন্য বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের সমস্ত আধিকারিকদের অভিনন্দন জানাই। এই ব্রিজগুলি সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলিকে মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করবে। যা আর্থিক উন্নয়নে সাহায্য করবে।” মোট ছটি ব্রিজ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে কাঠুয়া জেলায় তারাহ-নাল্লাহ এলাকায় তৈরি হয়েছে দুটি ব্রিজ। বাকি চারটি রয়েছে জম্মু জেলার আখনোর এলাকায়। ব্রিজগুলি ৩০ থেকে ৩০০ মিটার চওড়া।প্রসঙ্গত, ১৯৬২’র যুদ্ধে ভারতের (India) পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল সীমান্তে যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্দশা। তবে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে দেশ। ফলে, বিগত কয়েকবছরে সীমান্তে পরিকাঠামো নির্মাণে গতি এসেছে। এবার লাদাখে চিনের (China) সঙ্গে সংঘর্ষের আবহে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের বরাদ্দ একধাক্কায় চারগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন রাস্তা-ব্রিজ।
Category Archives: Uncategorized
চালের সঙ্গে এবার রেশনে মিলবে কেন্দ্র ও রাজ্যের বরাদ্দ গমও, জানুন কবে থেকে
: করোনা আবহে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে আমজনতার জন্য বিনামূল্যে রেশন দিতে বেশ কিছু বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। তারই অংশ হিসেবে আগস্ট থেকে রেশনে চালের সঙ্গে মিলবে গমও। রাজ্য ও কেন্দ্র – দুই সরকারের বরাদ্দ করা পরিমাণ গমই পাবেন গ্রাহকরা।‘প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা’য় এতদিন শুধু মাথা পিছু পাঁচ কেজি করে চাল পাঠাচ্ছিল কেন্দ্র। ঠিক হয়েছে, এবার থেকে ২ কেজি চালের সঙ্গে ৩ কেজি গম পাঠানো হবে। অন্যান্য রাজ্যে এপ্রিল থেকে কেন্দ্রের পাঠানো বিনামূল্যের শস্য পৌঁছতে শুরু করে। কিন্তু এ রাজ্যে তা আসতে শুরু হয় মে মাস থেকে। ফলে তিন মাসের বরাদ্দ শেষ হবে জুলাইতে। নতুন বরাদ্দ আসবে আগস্টে। আবার রাজ্যের জুলাই মাসের যে বরাদ্দ রেশন, তা তোলা হয়ে গিয়েছে। এবার আগস্ট মাসের পালা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দুই সরকারের বরাদ্দের রেশনে গম মিলবে একই মাস থেকে।বঙ্গের ৬ কোটি ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৭৭০ জন গ্রাহককে ‘অন্নপূর্ণা অন্ত্যোদয় যোজনা’ RPHH বা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিবার ও SPHH বা বিশেষ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিবার পিছু রেশন দেয় কেন্দ্র। বাকি ৪ কোটির কিছু বেশি মানুষকে রেশন দেয় রাজ্য সরকার। তবে এতদিন কেন্দ্র যেভাবে পাঁচ কেজি চাল দিচ্ছিল, রাজ্য চেয়েছিল সেভাবেই পরবর্তী পাঁচ মাসও শুধু চালই দেওয়া হোক। তাতে দফায় দফায় গ্রাহকদের চাল আর গম দেওয়ার ঝক্কি সামলাতে হবে না। এ নিয়ে আবেদন করে কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, তা সম্ভব নয়। সব রাজ্যকে যে নিয়মে চাল আর গম দেওয়া হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও তেমনই বরাদ্দ হয়েছে। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসুর কথায়, ”চালের সঙ্গে গম দেওয়ার দাবি ছিল গ্রাহকদের। তা জানানো হয়েছিল কেন্দ্রকে। সেই অনুযায়ীই এবার থেকে বরাদ্দ গম মিলবে। তবে এ রাজ্যে এক মাস দেরিতে কেন্দ্রের বরাদ্দ পাওয়া শুরু হওয়ায় নভেম্বরের বদলে তা পাওয়া যাবে ডিসেম্বর পর্যন্ত।”যাঁরা রেশনের চাল-গম নিতেন না, লকডাউনের (Lockdown) মধ্যে তাঁরাও এখন তা নিচ্ছেন। ফলে বাড়তি চাহিদার পাশাপাশি বরাদ্দ নিয়ে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন সামলাতে চাল আর গম – দুই ভাগে দেওয়ার বদলে একেবারে শুধু চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। তাতে কম সময়ে বেশি মানুষকে দ্রুত শস্য সরবরাহ সম্ভব হচ্ছিল। তবে গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নবান্ন থেকে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানান, চালের সঙ্গে নতুন করে গম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজ্যও।
কোভিডে মৃত্যু ডাক্তারের, ‘করোনা শহিদে’র সম্মান চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি মৃতের স্ত্রীর
গোটা গ্রামে চোখের ডাক্তার একজনই। করোনা আতঙ্কে সিংহভাগ প্রাইভেট চেম্বার যখন বন্ধ। মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারেননি ডা. শুভেন্দু ভাণ্ডারী। হাওড়ার দেউলটির অপথ্যালমোলজিস্ট সকাল-বিকেল রোগী দেখেছেন। ফিরিয়ে দেননি কাউকে। জুনের ১৪ তারিখের ঘটনা, হঠাৎই একদিন প্রবল শ্বাসকষ্ট। বুঝতে পেরেছিলেন ভাইরাসের অনুপ্রবেশ ঘটে গিয়েছে। তারপর? স্ত্রী মনীষা ভাণ্ডারী জানিয়েছেন, ‘ভয় পাননি। রোগীরাই ছিল ওর ধ্যান-জ্ঞান। আমাদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে আরও একটা লড়াই শুরু করে। করোনার (COVID-19) বিরুদ্ধে।’ গত ২৫ জুন যে লড়াইয়ের শেষ। মাত্র উনষাটেই ভাইরাসের কাছে হার মানলেন চিকিৎসক । ভাইরাসের ভয়ে যখন রুগী দেখা কার্যত শিকেয়। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাননি তাঁর স্বামী। বরং রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ার পরে রাতে দু’ঘন্টা বাড়তি চেম্বার করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাছে স্ত্রীর আকুতি, “কোনও আর্থিক সাহায্য নয়, ওঁকে কোভিড শহিদের সম্মান দিন।” আর এখানেই বেধেছে গন্ডগোল। আবেদন জানিয়ে হাওড়া মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে চিঠি লিখেছেন মনীষাদেবী। সূত্রের খবর, সেখান থেকে জানানো হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসককে এই সম্মান জানানোর রীতি নেই। প্রসঙ্গত, এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিক ডা. বিপ্লবকান্তি দাশগুপ্ত। সে সময়ও চিকিৎসকরা দাবি জানিয়েছিলেন তাঁকে কোভিড মার্টারস বা করোনা শহিদ উপাধি দেওয়ার জন্য। এমন প্রস্তাব নাকচ করে দেয় স্বাস্থ্যদপ্তর।চিকিৎসকরা বলছেন, বাংলায় না পেলেও প্রতিবেশী বাংলাদেশে করোনায় মৃত চিকিৎসকরা যথাযথ সম্মান পাচ্ছেন। করোনায় মারা যাওয়া দেশের প্রথম চিকিৎসক ডা. মহম্মদ মইনুদ্দিনের নামে ‘শহিদ ডাক্তার’ মহম্মদ মইনুদ্দিন ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়েছে সে দেশে। সম্প্রতি কোভিড ওয়ারিয়র-এর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে করোনা থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের সবেতন করোনা চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এরজন্য জেলায় জেলায় তৈরি হবে কোভিড ওয়ারিয়র ক্লাব। মৃত চিকিৎসকের স্ত্রী-র দাবি, “কোভিড শহিদ হিসেবে আমার স্বামীর নাম ঘোষণা করা হলে অন্যান্য চিকিৎসকরাও এই সময়ে কাজ করতে উৎসাহ পাবে।”এমন দাবির পাশেই দাঁড়িয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। সংগঠনের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সম্পাদক ডা. কৌশিক চাকি বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আগেও আমরা দাবি নিয়ে গিয়েছি। এই দাবিটি অত্যন্ত মানবিক। চিকিৎসকরা এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর এক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করছেন। ডা. ভাণ্ডারীকে করোনা শহিদ সম্মান দেওয়া হলে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল বাড়বে।
এক মেসেজেই পৌঁছে যাবে জরুরি সামগ্রী, কনটেনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের জন্য WhatsApp গ্রুপ পুলিশের
আপনার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটা একটু দেবেন? পুলিশ অফিসারের মুখে এই কথাটা শুনে প্রথমে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার (kolkata) চক্রবেড়িয়া রোডের এক বাসিন্দা। হঠাৎ পুলিশ ফোন নম্বর চাইছে কেন? বিষয়টি বুঝতে পেরে হেসে পুলিশ অফিসার জানান, নতুন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হচ্ছে। কনটেনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের কোনও জিনিস প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তা জানাবেন। সেই মতোই প্রয়োজনীয় সামগ্রী নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দেবে পুলিশ কর্মীরা। লকডাউনে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে পুলিশের এই উদ্যোগে খুশি প্রত্যেকেই।উত্তর থেকে দক্ষিণ। কলকাতার কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন শুরু হওয়ার আগেই রাস্তায় নেমে পড়েছে পুলিশ। কোনও এলাকায় তৈরি হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। আবার কোথাও প্রত্যেক পরিবারের একজনের ফোন নম্বর নিয়ে রাখছেন সংশ্লিষ্ট থানার আধিকারিকরা। পুলিশ অফিসারদের ফোন নম্বর দেওয়া হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বুধবারই পুলিশ কমিশনার প্রত্যেক পদমর্যাদার অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, লকডাউনে কোনও বৃদ্ধ-বৃদ্ধা যাতে সমস্যায় না পড়েন। সেই নির্দেশ মেনে যে প্রবীণ নাগরিকরা কলকাতা পুলিশের প্রকল্প ‘প্রণাম’-এর সদস্য, তাঁদের খবরাখবর নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন পুলিশ অফিসাররা। যাঁরা সদস্য নন, তাঁরাও যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সেদিকেও রয়েছে পুলিশের নজর। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শহরের কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন শুরু হতেই মাইক নিয়ে প্রচার করছে পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে কেউ যাতে বের হওয়ার চেষ্টা না করেন, সে বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন করা হচ্ছে প্রত্যেককে।লকডাউন শুরুর আগেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ও ডিসি পদমর্যাদার অফিসাররা। যাতে বাসিন্দারা অসুবিধা না পড়েন, সেদিকেও নজর আছে পুলিশের। জানা গিয়েছে, সতর্কতা মেনে পুরসভার সবজির গাড়ি এলাকায় পৌঁছে যাবে। বাসিন্দারা মাস্ক পরে ও সামাজিক দূরত্ব মেনে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতেও পারবেন। প্রসঙ্গত, উল্টোডাঙা থানার এলাকায় আরিফ লেন, অধর দাস লেন, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি নিয়ে তৈরি হয়েছে কনটেনমেন্ট জোন। ওই এলাকার বাসিন্দাদের দেওয়া হয়েছে পুলিশের বিশেষ ফোন নম্বর। বলা হয়েছে, দিনে বা রাতে যে কোন সময় বাসিন্দারা যোগাযোগ করতে পারেন। বাসিন্দাদের বাজার বা খাবারের ক্ষেত্রে যাতে অসুবিধা না হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়াও কনটেনমেন্ট জোনে কেউ বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেদিকে নজরদারির জন্য পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোরও ব্যবস্থা হচ্ছে।
ডাক্তার নেই, পরিকাঠামোর অভাব, বারাসতের কোভিড হাসপাতালের সুপারকে শোকজ
অভিরূপ দাস: অত্যন্ত খারাপ পরিকাঠামো। দেখা নেই চিকিৎসকের। কোনও প্রোটোকল না মেনে খেয়াল খুশি মতো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে রোগীদের। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের অন্যতম কোভিড হাসপাতাল পরিদর্শন করে আতঙ্কে স্বাস্থ্য ভবনের ‘টিম’। জিএনআরসি হাসপাতালের সুপারকে শোকজ করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. অজয়কুমার চক্রবর্তী।
গত ৬ জুলাই স্বাস্থ্য ভবনের একটি ‘টিম’ পরিদর্শন করে বারাসতের ওই বেসরকারি হাসপাতালটি। সেখানকার পরিস্থিতি দেখেই চক্ষু চড়কগাছ। আর্টারিয়াল ব্লাড গ্যাস টেস্ট বা এবিজি মেশিনের সূচক ঠিকমতো কাজ করছে না। একেক সময় একেক ফলাফল আসছে। করোনা রোগীদের জন্য যে নির্দিষ্ট অক্সিজেন দেওয়ার প্রোটোকল রয়েছে তাও মানছেন না কেউই। হাসপাতালে একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বারাসতের ওই হাসপাতাল ঘুরে মাইক্রোবায়োলজিস্টের দেখা মেলেনি।
এখানেই শেষ নয়, ব্লাড টেস্ট, ইলেকট্রোলাইট, কিডনি কার্যকারিতার মতো অতি সাধারণ পরীক্ষা করতে এসেও রিপোর্ট পেতে কালঘাম ছুটছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের শোকজ নোটিসে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সামান্য টেস্ট করতেই যদি এত সময় লাগে সংকটজনক রোগী এলে কী করবে হাসপাতাল?পিটি এপিটিটির মতো রক্তের সাধারণ পরীক্ষা করার ব্যবস্থাও নেই ওই হাসপাতালে। প্রতিদিন ডেইলি রাউন্ডে কোন কোন চিকিৎসক আসেন স্বাস্থ্য ভবনের ‘টিম’-কে তারও কোনও তালিকা দেখাতে পারেনি হাসপাতাল। এমনকি হাসপাতালে যদি কোনও করোনা রোগীর অবস্থা সংকটজনক হয়ে পরে তাকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও কুইক রেসপন্স টিম চোখে পড়েনি স্বাস্থ্য ভবনের। ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। কিছু ঘরের অবস্থা এমনই যার থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে যেকোনও মুহূর্তে। উত্তর ২৪ পরগনায় যেখানে রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কিভাবে এত উদাসীন রয়েছে এই হাসপাতাল? তারই জবাব তিনদিনের মধ্যে তলব করেছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা।
বাড়ছে বিবাদ, এবার ভারতীয় নিউজ চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করল নেপাল
সংঘাত বাড়িয়ে এবার ভারতীয় নিউজ চ্যানেলগুলির সম্প্রচার বন্ধ করল নেপাল। সে দেশের Multi-System Operators-দের (MSO) এই সিদ্ধান্তে বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ আজ থেকেই দুরদর্শন ছাড়া পড়শি দেশটিতে দেখা যাবে না কোনও ভারতীয় নিউজ চ্যানেল।নেপালের MSO বা সম্প্রচারসেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির অভিযোগ, ভারতীয় নিউজ চ্যানেলগুলিতে তাঁদের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে। চিনের সঙ্গে ওলির সম্পর্ক নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর পরিবেশন করছে ভারতীয় চ্যানেলগুলি। এদিকে, আজই নেপালের শাসকদল ‘নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি’র মুখপাত্র নারায়ণ কাজি শ্রেষ্ঠ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। তিনিও অভিযোগ জানিয়েছেন যে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রধানমন্ত্রী ওলির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ভারতীয় মিডিয়ায়। বিশ্লেষকদের মতে, কাঠমান্ডুর নির্দেশেই এই কাজ করা হয়েছে।সম্প্রতি, নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারির সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন চিনের রাষ্ট্রদূত হউ ইয়ানকি। শুধু তাই নয়, দেশের শাসকদল ‘নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি’র অন্যতম শীর্ষনেতা মাধব কুমার নেপাল-সহ একাধিক শীর্ষস্তরের আমলার সঙ্গেও আলোচনা চালিয়েছেন চিনা রাষ্ট্রদূত। বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির মসনদ বাঁচাতেই আসরে নেমেছে চিন। নেপালের শাসকদলের মধ্যে কলহ মিটিয়ে ‘চিনপন্থী’ ওলিকেই আসনে রাখতে মরিয়া চিন। তাই মাধব নেপালের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন চিনা রাষ্ট্রদূত। উল্লেখ্য, জাতীয়তাবাদের এককালের বন্ধু থেকে বর্তমানের বিক্ষুব্ধ শিবিরের প্রধান সেনাপতি পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ডের সঙ্গে কিছুতেই বনিবনা হচ্ছে না তাঁর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে ইস্তফা দিতে হলে শাসক দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টিকে (NCP) দু’টুকরো করে ফেলার হুঁশিয়ারিও দিয়ে ফেলেছেন ওলি। শনিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে ওলি অভিযোগ করেন, ভারতের (India) ষড়যন্ত্রে শামিল হয়ে দলেরই একাংশ তাঁকে তাঁকে পদচ্যুত করার চেষ্টা করছে।
গাঁজায় আশার আলো! করোনা ভাইরাস সারতে পারে গাঁজায় থাকা THC উপাদানে
গাঁজার বিশেষ উপাদানে করোনা ভাইরাস নিরাময় হতে পারে, একথা কয়েকদিন আগে একদল গবেষক দাবি করেছিলেন। এবার সেই বিষয়েই কিছুটা একই দাবি করলেন ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ক্যারোলিনার গবেষকরা। তাঁদের দাবি, করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত একটি বড় রোগ সমাধান হতে পারে গাঁজায় থাকা উপাদানের মাধ্যমে।ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ক্যারোলিনার গবেষকরা দাবি করেছেন, Tetrahydrocannabinol (THC) নামে একটি উপাদান থাকে গাঁজার মধ্যে। যেটি গাঁজার অন্যতম একটি উপাদান। এটি ফুসফুসেরAcute Respiratory Distress Syndrome (ARDS)–এর সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। ARDS হয় তখনই যথন শরীরে রোগ প্রতিরোধের কারণে সাইটোকাইন প্রোটিন বেশি মাত্রায় নির্গত হয়। যার ফলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। প্রতি বছর পৃথিবীতে প্রায় ৩০ লক্ষ লোক এই রোগে আক্রান্ত হন। এর ফলে কী হয়? এর ফলে ফুসফুসের মাধ্যমে শরীরে ভিন্নভিন্ন অঙ্গে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছয় না। ফলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। গবেষকরা দেখেছেন, ১০০ শতাংশ ক্ষেত্রেই (THC) এই সমস্যা প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।তারপরেই গবেষকরা লিখেছেন এর সঙ্গে করোনা ভাইরাসের যোগের কথা। গবেষক আমিরা মহম্মদের নেতৃত্বে তৈরি গবেষকদলের লেখায় প্রকাশিত হয়েছে, বেশিরভাগ করোনা আক্রান্ত রোগী আসছেন ARDS নিয়ে, যাঁদের শরীরে অত্যাধিক সাইকোটিন রয়েছে। অত্যাধিক সাইকোটিনের জন্যই ফুসফুসে সংক্রমণ হচ্ছে, আর তাতে মৃত্যু হচ্ছে অধিকাংশ কোরোনা আক্রান্তের। ফলে গাঁজার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের তীব্রতাও কমিয়ে ফেলা সম্ভব।
বন্যা পরিদর্শনে বিজেপি বিধায়ক

Web Desk: বামনগোলা ব্লকে বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত পরিদর্শন, করলেন হবিবপুর বিধানসভার বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। এদিন তিনি চাঁদপুর জিপির কোটাদাও,তালতলী, বটতলী, সংঘাত, আধা রাঙ্গা সহ বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করেন তার সাথে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের সমস্যার কথা শুনেন। এদিন বিধায়ক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন
বামনগোলা ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উৎপল সরকার, জেলা পরিষদের সদস্য বিনা কীর্তনীয়া, zp-2 সভাপতি অমিত ঘোষ সহ অন্যান্যরা। এলাকা পরিদর্শনের পর বিধায়ক
জুয়েল মূর্মূ জানান বন্যার জলে সাধারণ মানুষের চাষের জমিতে পাট, ও বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের কিছু আর্থিক সাহায্য করলে তাদের একটু উপকৃত হবে।
Reporter Aniruddha Benerjee
কোল ইন্ডিয়া বেসরকারীকরণ করার প্রতিবাদে বিধায়কের নেতৃত্বে আন্দোলন

Web Desk: কোল ইন্ডিয়া এবং রেলকে বেসরকারিকরণ করে দেওয়ার প্রতিবাদে ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিহার রঞ্জন ঘোষের নেতৃত্বে প্রতীকি আন্দোলনে শামিল হলেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। এদিন মালদা শহরের বেলতলা এলাকায় এই মর্মে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আন্দোলনে সরব হন।
উল্লেখ্য রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মতো গোটা রাজ্যের প্রতিটা জেলায় এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তারই অঙ্গ হিসাবে বৃহস্পতিবার ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়কের নেতৃত্বে শহরের বেলতলখ এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে কোল ইন্ডিয়া এবং রেলকে বেসরকারিকরণ করে দেওয়ার প্রতিবাদে জোড়ালো আওয়াজ তোলা হয়।
Reporter Aniruddha Benerjee
গঙ্গাজল এর বিকল্প হিসাবে ইচ্ছামতী জল পানীয় জল হিসেবে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ভাবনা খতিয়ে দেখলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য দপ্তর

Web Desk: পৌরসভার উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেবার কাজ শুরু হলো জোরকদমে। রাজ্য জনসাস্থ দপ্তরের মাধ্যমে বনগাঁ শহরের অধিকাংশ পাড়ায় পানীয় জল পৌঁছালেও সেই অর্থে বাড়ি বাড়ি বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছানোর ব্যবস্থা এখনও চালু হয়নি। সেই ব্যবস্থার বাস্তব রূপ দিতে উদ্যোগ হলো বনগাঁ পৌরসভা। চাকদা থেকে গঙ্গার জল নিয়ে আসা হবে আপনজন মাঠের ট্রিটমেন্ট প্লাণ্টে। সেখান থেকেই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হবে জল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে চাকদা থেকে জল আনার ব্যাপারে বিলম্ব হচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসাবে ইছামতি নদীর জল কে কাজে লাগানো যায় কিনা সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার কেএমডিএ রাজ্য জনসাস্থ দপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরের বাস্তুকার এরা বনগাঁয় আসেন। তারা নির্দিষ্ট এলাকা ঘুরে দেখেন বনগাঁ পুরসভার প্রশাসক তাদের সাথে বৈঠক করেন। এই বছরের মধ্যেই বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন পুরো কর্তৃপক্ষ এদিন বৈঠকের পর এমনই জানান পুরসভার প্রশাসক।
Reporter Aniruddha Benerjee






