



Web Desk: Reporter Anirudhha Banerjee


রাজ শুভশ্রীর ফ্ল্যাটের পাশেই করোনার থাবা – টেনশনে সেলেব দম্পতি
Web Desk: Repoter Aniruddha Banerjee

বেশ চিন্তায় রয়েছেন টলিউডের পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রী৷চিন্তার এখন একটাই কারণ কমপ্লেক্সে করোনা হানা ৷বাইপাসের ধারে অভিজাত এক আবাসনে হানা দিয়েছে করোনা৷খবর অনুযায়ী এই অভিজাত আবাসনের এক ব্যক্তি করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে৷আর এই খবর কানে আসা মাত্র ঘুম উড়েছে রাজ ও শুভশ্রীর৷ কয়েকদিন আগেই প্রেগন্যান্ট হওয়ার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন শুভশ্রী৷ সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরেই শুভশ্রী ফ্যানদের জানিয়ে ছিলেন এবছরই তাঁদের সংসারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য৷তাই তো তাঁদের ব্লকে করোনা ধরা পড়ায় রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ জুটির কপালে৷ খবর অনুযায়ী অভিজাত এই কমপ্লেক্সের ৬ নম্বর ব্লকেই থাকেন রাজ শুভশ্রী৷ এই ব্লকেরই এক বাসিন্দার শরীরে পাওয়া গিয়েছে করোনা ৷এমনকী, ব্যক্তির ফ্ল্যাট রাজের ফ্ল্যাটের কয়েক তলা ওপরেই ৷রাজের কথায় খবরটা শোনার পর থেকেই খুব দুশ্চিন্তায় আছি৷ বাড়িতে প্রেগন্যান্ট বউ,বয়স্ক মা-বাবা৷এমনিতেই সাবধান ছিলাম,তবে এর পর আরও বেশি সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে৷তবে যিনি আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি সুস্থ হয়ে উঠুক তাড়াতাড়ি এটাই চাই৷তবে ব্যাপারটা শুনে খুবই রাগ হচ্ছে আমার৷ কেন গাইড লাইন মানছে না মানুষ৷ ওই ব্যক্তি মাঝে মধ্যেই বেরিয়ে পড়তেন৷দেখুন তো, কেমন বিপদ ডেকে আনল সবার জন্য ওই ব্যক্তি৷সত্যিই খুব টেনশনে হচ্ছে৷এই অভিজাত কমপ্লেক্সে থাকেন আরেক পরিচালক অরিন্দম শীলও৷তাঁর কথায় এখন আর কিছু তো করার নেই৷যথেষ্ট সচেতন থাকার পর এটা কীভাবে ঘটে গেল সেটাই আশ্চর্য লাগছে৷তবে আমরা আরও বেশি সতর্ক থাকব৷আক্রান্ত ব্যক্তির দ্রুত আরোগ্য কামনা করি৷

দিল্লি: # লকডাউন ৪-এর সময় অদ্ভুত-সমমানের ভিত্তিতে খুলতে কারোল বাঘের বাজারে দোকানগুলি। সিনিয়র ভিপি, আজমল খান রোড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, "গ্রাহকদের তাপীয় স্ক্রিনিং, মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্বের নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক হবে"।


ওয়েব ডেস্ক : প্রতিনিধি ANIRUDHHA BANERJEE


সুপার সাইক্লোন আমফান মোকাবিলার জন্য রাজ্যের তরফে প্রস্তুতির ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।যেভাবে রাজ্য প্রশাসন এই সুপার সাইক্লোনের ওপর নজরদারি রাখছে সেই ভূমিকার প্রশংসা ট্যুইট করে করলেন রাজ্যপাল।মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি আবহাওয়া দপ্তরের প্রশংসা করেছেন ট্যুইট করে।তবে এই সময় রাজনীতি নামক জীবাণুকে দূরে রাখার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।পরপর দুটি ট্যুইট করে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকাকে প্রশংসা জানাই আমফান মোকাবিলার জন্য যে প্রস্তুতি নিয়েছে।এই আমফান আছড়ে পড়বে ২০ই মে।পূর্ব মেদিনীপুর,দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া হুগলি কলকাতা এই সাইক্লোন এর দ্বারা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।এনডিআরএফ ও ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডের জাহাজ এবং এয়ারক্রাফট প্রতিনিয়ত মৎস্যজীবীদের ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের উপর গর্ব অনুভব করছি তাদের এই বিজ্ঞানসম্মত সাফল্য এসেছে এত নিখুঁত পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য।এই সময় রাজনীতি নামক জীবাণুকে দূরে রাখাই ভালো।ক্রমেই শক্তিশালী থেকে অতি শক্তিশালী ঝড়ে পরিণত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আমফান। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস ঘূর্ণিঝড় এই আমফান সর্বোচ্চ ২০০ কিলোমিটারে তার গতিবেগ পৌছাতে পারে।এর জেরে বুধবার সন্ধ্যা থেকেই দুই ২৪ পরগনা,পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার।এমনকি কলকাতা, হাওড়া,হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সর্তকতা জারি করা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস রয়েছে মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই এই ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার।রাজ্যের এই জেলাগুলিতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই রিলিফ সেন্টার গুলিতে বহু মানুষকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে।শুধু তাই নয় নবান্ন থেকে ক্রমশই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে বলেই জানা গেছে।সুপার সাইক্লোনকে মোকাবিলা করতে রাজ্যের তরফে এত বিপুল উদ্যোগ নেওয়ার ফলে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকাকেই প্রশংসার সার্টিফিকেট দিলেন রাজ্যপাল।তবে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করলেও এই পরিস্থিতিতে যেন রাজনীতি না করা হয় সেই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা রেখেছেন রাজ্যপাল।

ভারত আবহাওয়া অধিদফতর (আইএমডি) সুপার ঘূর্ণিঝড় # আম্ফানের প্রেক্ষিতে ২০ মে অবধি পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় মাছ ধরা কার্যক্রম বন্ধ রাখার সতর্কতা জারি করেছে; ওড়িশার ভদ্রক, districts টি জেলার মধ্যে একটি জেলার ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে https://t.co/ZJnsZ2bYGW