বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে শেষ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিস্তৃর্ন অঞ্চল।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে শেষ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিস্তৃর্ন অঞ্চল। ঝড়ের দাপটে ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে গ্রামাঞ্চলের ঘরবাড়ি থেকে রাস্তা ঘাট। শেষ হয়েছে কৃষি ক্ষেত্র।  বিঘের পর বিঘা জমির ধান ও ফসল ধূলিসাৎ।

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় রাতভর নবান্নেই রইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝড়ে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে আমফান, তা নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এলাকার পর এলাকা ধ্বংস, তিন-চারদিন সময় লাগবে রিপোর্ট পেতে। ৫ লক্ষ মানুষকে সরিয়েছিলাম, এতটা ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠল এই ঝড়!’ তাঁর কথায়, ‘বিভিন্ন জেলায় মানুষদের নিরাপদে স্থানে সরানো হয়েছিল। সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আমরা সিরিয়াসলি যদি না নিতাম, ৫ লক্ষ মানুষকে না সরালে কত মানুষ মারা যেতেন, জানি না।

 তিনি জানান, ইতোমধ্যেই নবান্নের কাছে দশ-বারো জনের মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছেছে। তাঁর কথায়, ‘মৃত্যুর সংখ্যা হয়ত কমানো গিয়েছে, কিন্তু সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতি বাংলার জন্যে। ওডিশা বেঁচে গিয়েছে। দীঘার ক্ষতি যতটা ভেবেছিলাম, তা হয়নি। কিন্তু উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ধ্বংস হয়ে গেছে। রাস্তা, ঘরবাড়ি, ব্রিজ সব ভেঙে পড়েছে। এখনও সব খবর পাইনি।’নবান্নেরও প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। আমার রুমে ঢুকতে পারিনি। কাঁচ ভেঙে গেছে। এখানে এই অবস্থা হলে সারা বাংলায় যে তাণ্ডব হয়েছে, তার ক্ষতি তো বিপুল।’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিরভাগ গাছ ও বাড়ি ভেঙে মারা গিয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। বিদ্যুৎ নেই। জল নেই। পুকুরগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। দিকেদিকে ধ্বংসের চিহ্ন। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দূর্দশায় দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন বলে দাবি ফেসবুকে: বি.জে.পি নেতা দীলিপ ঘোষ।

Sourced: facebook Developed by Reporter Shrinjoy Ghosh

ঘূর্ণিঝড় # আম্ফান আমাদের চিন্তাভাবনা ছাড়াই সর্বনাশের পথ ফেলেছে। বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি যথেষ্ট হলেও এই সঙ্কটের সময়ে বাংলা এক হয়ে দাঁড়িয়েছে united একসাথে আমরা এটিকে পরাভূত করব কারণ কোনও কিছুই বাংলার মানুষের চেতনা ও শক্তি হ্রাস করতে পারে না। আজ, আমি ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের নবান্নে রাজ্য কর্মকর্তাদের সাথে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নিয়েছি। জিনিসগুলি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে পেতে আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছি W আমরা একসাথে এটি পেয়ে যাব: মূখ্যমন্ত্রী

Source: Facebook Developed by Reporter Shrinjoy Ghosh

কলকাতার হাসপাতাল থেকে ১৮৫ জন নার্স চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইমফালে ফিরেছেন।

Pic Courtesy ANI (Developed by Reporter Samrat Ghosh)
মণিপুর: কলকাতার হাসপাতাল থেকে ১৮৫ জন নার্স চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইমফালে ফিরেছেন। ক্রিস্টেলা নামে এক নার্স বলেছিলেন, "আমরা আমাদের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছি বলে আমরা সন্তুষ্ট নই। তবে আমরা বৈষম্য, বর্ণবাদ এবং লোকেরা মাঝে মাঝে আমাদের উপরে থুতু ছিটিয়েছি। পিপিই কিট অভাব এবং লোকেরা যেখানেই যেত না কেন আমাদের প্রশ্ন করত"। 

পশ্চিমবঙ্গ: ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স

Pic Courtesy ANI (Developed by Reporter Samrat Ghosh)
পশ্চিমবঙ্গ: ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) এর কর্মীরা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ও ওড়িশা সীমান্তের দিঘার মাঝামাঝি রাস্তা থেকে বিদ্যুতের তারের এবং গাছ উপড়ে ফেলেছে। # সাইক্লোনআমফানের ভূমিপ্রসারণ প্রক্রিয়া দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয়েছে, প্রায় 4 ঘন্টা চলবে। 

কলকাতাতে কতটা হবে ঝড়ের গতিবেগ?আলিপুর হাওয়া অফিসে জানাচ্ছে, দুপুরের পর স্থলভাগে প্রবেশ করবে আমফান।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
প্রশাসন হাজার চেষ্টা করেও যা করে উঠতে পারেনি, তা করে দেখাল আমফান।করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় লকডাউন পুরোপুরি সফল না হওয়ার ছবি দেখা গেছে বারবার। কিন্তু সকাল থেকেই ঘরবন্দি কলকাতা।মঙ্গলবার দুপুর থেকেই শহরে শুরু হয়েছিল বৃষ্টি।তার সঙ্গে বাড়তে থাকে হাওয়ার বেগও।এরপর রাতেই বাড়তে থাকে বৃষ্টির দাপট।সকালে ঘুম থেকে উঠে শহরবাসীর আশঙ্কার প্রমোদ গোনা শুরু করেছে।সকলের মনেই প্রশ্ন আর কত দূরে আছে আমফান? সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কখন স্থলভাগে আছড়ে পড়বে সে? সেই সময় কত থাকবে তার গতিবেগ? কলকাতাতে কতটা হবে ঝড়ের গতিবেগ?আলিপুর হাওয়া অফিসে জানাচ্ছে, দুপুরের পর স্থলভাগে প্রবেশ করবে আমফান।তখন তার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটারেরও বেশি।কলকাতা পর্যন্ত আসে আসতে গতিবেগ হওয়ার সম্ভাবনা ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার।তার ওপর আজ আবার চতুর্দশী,কাল অমাবস্যা।গঙ্গায় ভরা কোটাল।বাড়বে জলস্তর।সকাল থেকে টিভির পর্দায় এই সব দেখার পর আজ মহানগর সম্পূর্ণ ভাবে চলে গেছে লকডাউনে।

ফের আশায় কোমর বাঁধতে শুরু করেছেন বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলি।ফের আশায় কোমর বাঁধতে শুরু করেছেন বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলি।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
এপ্রিল মাস থেকেই শুরু হয়েছে টালবাহানা।প্রতিবারই দেশের মধ্যে বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েও বারেবারে ভেস্তে গিয়েছে।সৌজন্যে অবশ্যই করোনার প্রকোপে লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে যাওয়া।শেষমেশ, চতুর্থ লকডাউনে অনেক পরিষেবাক্ষেত্রেই বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং সড়ক পরিবহণে অনেকটাই ছাড় মেলায় ফের আশায় কোমর বাঁধতে শুরু করেছেন বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলি।আর ঠিক সে সময়েই বিশেষ ঘোষণা কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরীর।তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর কথা মাথায় রেখে অঙ্গরাজ্যগুলির মত নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার।সম্প্রতি ট্যুইট করে পুরী লিখেছেন দেশীয় বিমান পরিষেবা শুরুর সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ভারত সরকার বা অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের সিদ্ধান্ত হতে পারে না। যে সব রাজ্যে ওই সব বিমান ওঠানামা করবে তাদের আগে এর জন্য প্রস্তুত হতে হবে।হঠাৎ করে কেন এমন ট্যুইট? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্তা বলেন,গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে অনেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই, রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা বলেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল কেন্দ্রের কাছে।সেই সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েই এমন অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্র। অন্য তিনটি লকডাউনের থেকে এ বারের লকডাউন চরিত্রগত ভাবে আলাদা হবে জানিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।তার অন্যতম পরিবর্তনই হল,এ বারের লকডাউনের সময়সীমা আর প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা শুধু দিয়েছে কেন্দ্র।বাকি সব কিছুই নিজেদের প্রয়োজনমতো ঠিক করে নিয়েছে রাজ্যগুলি

বিদ্যুৎ পরিষেবায় যাতে কোনও রকম বিঘ্ন না-ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সিইএসসি।

রাজ্যে উপকূলবর্তী এলাকা সহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর,হাওড়া,হুগলি জেলা সহ একাধিক অঞ্চলে সুপার সাইক্লোন আমফান-এর প্রভাবে ঝড় শুরু হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে কলকাতা ও তার সন্নিহিত এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবায় যাতে কোনও রকম বিঘ্ন না-ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সিইএসসি। সংস্থার বিদ্যুৎ বণ্টন নেটওয়ার্কের ৭০ শতাংশের বেশি ভূগর্ভস্থ। বাকিটা ওভারহেড।

এদিন সিইএসসির ভাইস-প্রেসিডেন্ট, ডিস্ট্রিবিউশন, অভিজিৎ ঘোষ বলেন, ‘করোনা-লকডাউনের মধ্যে আমাদের পাঁচ হাজারের মতো কর্মী বণ্টন পরিষেবায় কাজ করছেন। সাইক্লোনের জন্য আমরা আরও অতিরিক্ত ১,০০০ কর্মী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্ট্র্যাটেজিক লোকেশনে ২৪০টি মোবাইল ভ্যান থাকবে, যাতে ঝড়ে তার ছিঁড়ে গেলে বা অন্য কোনও ফল্ট হলে দ্রুততার সঙ্গে সারানো সম্ভব হয়। আমরা স্ট্র্যাটেজিক লোকেশনে ২০টি জেনারেটরও রাখছি।’ সমস্ত হাসপাতাল ও ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশনগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অবিচ্ছিন্ন রাখতে বিকল্প লাইন রাখার পাশাপাশি সংস্থার তরফে খোলা হচ্ছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের যেহেতু সমস্ত সরবরাহ লাইনই ওভারহেড, তাই আগে থেকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও উপায় নেই। তবে ঝড়-বৃষ্টিতে ফল্ট হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হলে দ্রুত স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে আনতে বেশি সংখ্যায় ফল্ট রিপেয়ারিং টিম মোতায়েন করছে বণ্টন সংস্থা।

Web Desk: Anirudhha Banerjee

অন্যদিকে বিএসএনএল,জিও, ভোডাফোন-আইডিয়া, এয়ারটেল সহ একাধিক মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলি জানিয়েছেন
 ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায়  সমস্ত মোবাইল টাওয়ার চালু রাখতে ডিজেল-চালিত জেনারেটরগুলি তৈরি রাখার পাশাপাশি গ্রাহক পরিষেবা অক্ষুণ্ণ রাখতে মোবাইল টাওয়ারগুলির পরিচালনায় পর্যাপ্ত ডিজেলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
  বিএসএনএল এর ব্রডব্যান্ড বা অন্য কোনও লাইনে কোনও রকম ফল্ট হলে তা সারাতে মোতায়েন থাকবে বিশেষ দল। এমনটাই জানিয়েছেন বিএএনএল এর এক আধিকারিক।  জেলাগুলিতে সাইক্লোন চরম আকার নিতে পারে, সেখানকার মোবাইল টাওয়ারগুলির যাতে ঝড়ে ক্ষতি না হয়, তা তাঁরা নিশ্চিত করেছেন। গ্রাহক পরিষেবা অবিচ্ছিন্ন রাখতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভোডাফোন আইডিয়া। এগুলির মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত জেনারেটর ও তা চালানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিজেল, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ ইত্যাদি। তবে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হলে কেব্‌ল টিভি ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

সারা বিশ্বে চলছে মহামারী আর এই মহামারীর মধ্যে বাংলার শিল্পকলা চলচ্চিত্রজগতের টেলিছবি ‘সঞ্জয় মুখার্জি অভিনীত “কলিংবেল” ফিল্মটি সম্প্রতি ফেস্টিভ্যালে জায়গা করে নিয়েছে।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

বাংলায় এই গুণগত ছবির মূল্য না দিলেও বিদেশ থেকে “কলিংবেল” ছবিটির মূল্য দিতে চলেছে। সত্যজিৎ রায় যেমন চলচ্চিত্রশিল্পে বিদেশে স্বনামধন্য হয়ে উঠেছিল, সেইরকমই বাংলার আর এক মহাপুরুষ শমীক বোস পরিচালিত ছবি বিদেশের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। আমাদের সমাজে এমন একটা সময় ছিলো যখন একঝাঁক তাজা তরুণ প্রাণ তত্‍কালীন ঘূন ধরা সমাজে পরিবর্তনের নতুন ভোর আনার স্বপ্নে বিভোর ছিল। তাঁদের সেই বিপ্লবের পটভূমিতে নানা ভাবে ফাটল ধরতে সদা তত্‍পর ছিল সেই সময়ের সরকার বাহাদুর, যার ইতিহাস আমাদের অল্প বিস্তর সকলেরই জানা। যদিও তাঁদের মধ্যে অধিকাংশের স্বপ্নে আঘাত হেনেছিল তাঁদেরই সহযোদ্ধাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন। আমাদের সমাজের সেই ইতিহাস আজও আমাদের মধ্যে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁদের প্রতিনিয়ত নিজেদের মনের গভীরে তাড়া করে বেড়ায়, এবং ওই সকল জীবিত মানুষগুলি আজও কিছুটা হলেও নিজেদের অতীত কৃতকর্মের ফল নিজেরা তো বটেই, তাঁর উত্তরসূরীরাও বয়ে বেড়ায়। পাঠকের মনে কৌতুহল জাগতেই পারে কী কারণে এই পুরোনো কাসুন্দির চর্ব্বিত চর্বণ। আসলে কিছুটা হলেও সেই সময় ঘটে যাওয়া এক ঘটনা ও তার পরবর্তী সময়ের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আজ থেকে সাত বছর আগে তিলোত্তমার বুকে তৈরি হয়েছিল “ব্লু আই মিডিয়া’র” প্রযোজনায় ৪৬ মিনিটের একটি টেলিছবি। আবারও প্রশ্ন উঠতেই পারে ঠিক কী কারণে এত বছর বাদে আজকের এই কঠিন সময়ে এই টেলিছবি’র বিষয় এত কথার অবতারণা। আসলে আমার বা আপনার কোনও ভাল কাজ বা শিল্পকলা ঠিক তখনই আপামরের মধ্যে স্বীকৃতি পায় যখন তাতে সাগর পারের দেশের শীলমোহর লাগে। এক্ষেত্রেও ঠিক এমনিই এক ঘটনা ঘটে গেছে সম্প্রতি। ‘কলিংবেল’ শীর্ষক টেলিছবিটিকে কয়েকদিন আগেই লণ্ডনের এক ফিল্ম সমারোহ ‘লিস্ট অফ গ্লোবাল নেটওয়ার্ক’ এ ‘ফার্স্ট টাইম ফিল্মমেকার সেশন ২০২০’তে বেছে নেওয়া হয়েছে, যা এককথায় এক দৃষ্টান্ত। এই ছবির বিষয়ে কথা বলতে বলতে ছবির অন্যতম প্রধান অভিনেতা সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের গলায় ঝরে পড়ছিল এই ছবিটির প্রযোজক সংস্থার প্রধান নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত সম্পর্কে কৃতজ্ঞতা।
সঞ্জয় বাবু জানাচ্ছিলেন কিভাবে এই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে নিজে একটি টিম প্রস্তুত করে এই ছবিটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ে সকলে মিলে একাত্ম হয়ে ‘কলিংবেল’ শীর্ষক টেলিছবিটি বানাতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তা যে বিফলে যায় নি তার প্রমাণ বিদেশের মাটিতে এই স্বার্থকতা। শমিক বোসের সুদক্ষ পরিচালনা, অভিজিত্‍ পোদ্দারের যথাযথ সম্পাদনা ও শব্দ সংযোজন, মেহবুব চৌধুরির ক্যামেরা ও সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের সহ অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অর্থাত্‍ অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, রবিন কর্মকার, সঞ্জু ভদ্র চৌধুরী সহ সকলের কঠোর পরিসমের ফল আজকের এই প্রাপ্তি বলে জানাচ্ছিলেন সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়।

ওড়িশা: বাতাসের গতিবেগ 102 কিলোমিটার / ঘণ্টায় ছড়িয়ে পড়ায় পারাপদীপে গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। # সাইক্লোনআফহান আজ ল্যান্ডফোল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।ওড়িশা: বাতাসের গতিবেগ 102 কিলোমিটার / ঘণ্টায় ছড়িয়ে পড়ায় পারাপদীপে গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। # সাইক্লোনআফহান আজ ল্যান্ডফোল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pic courtesy ANI