নাগাল্যান্ড

Pic courtesy ANI(Developed by Reporter Samrat Ghosh)
নাগাল্যান্ড: 14633 জন যাত্রী নিয়ে একটি বিশেষ ট্রেন আজ তামিলনাড়ুর চেন্নাই থেকে ডিমাপুরে পৌঁছেছে। 

করোনার গ্রাসে তটস্থ বনি-জাহ্নবীর পরিবার

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
করোনার গ্রাসে তটস্থ বনি-জাহ্নবীর পরিবার। দিন কয়েক আগে বনি কাপুর এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, তাঁর বাড়ির এক রান্নার লোকও করোনায় আক্রান্ত। এ বার জানা গেল, এক জন নয়, বনি কাপুরের বাড়ির আরও দুই পরিচারক মারন ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।  এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য না করলেও মুম্বইয়ের ‘স্পটবয়’ ম্যাগাজিন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওসিয়াড়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার দয়ানন্দ ভানগড় বনির আরও দুই পরিচারকের করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ের গ্রিন একর আবাসনে যেখানে বনি, জাহ্নবী থাকেন তা সিল করে দেওয়া হয়েছে। হোম কোয়রান্টিনে থাকতে হচ্ছে কাপুর পরিবারকে।

শুক্রবার মোদি আসার ২০ মিনিট আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছে যান মমতা

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
কলকাতা: আমফান বিধ্বস্ত বাংলাকে দেখতে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নিজেই রাজ্যে আসার সিদ্ধান্ত নেন মোদি ৷ আর শুক্রবার মোদি আসার ২০ মিনিট আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছে যান মমতা ৷
নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী ৷ কলকাতা বিমান বন্দরের উদ্দেশ্যে একঘণ্টা আগেই রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ৷ আর সেখানেই তাঁর সঙ্গে একটি বৈঠকে সারতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ তারপর দুজনে আকাশপথে সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখবেন ৷
আকাশপথে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করবেন, মোদি ও মমতা ৷
হেলিকপ্টারে বসিরহাটে যাবেন প্রধানমন্ত্রী৷ বসিরহাট কলেজে তৈরি হয়েছে ২টি হেলিপ্যাড৷  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রীও৷
আমফান-বিপর্যয় নিয়ে বৈঠক করবেন মোদি৷সকাল ১১.৩০: বসিরহাটে প্রশাসনিক বৈঠক৷  আজই ভুবনেশ্বর যাবেন প্রধানমন্ত্রী৷ দুপুর ১.৩০: ভুবনেশ্বরের উদ্দেশে রওনা৷

সূর্যেও লকডাউন! পৃথিবীতে বাড়তে পারে শীত, ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের ঘটনা! আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
সূর্যেও লকডাউন! পৃথিবীতে বাড়তে পারে শীত, ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের ঘটনা! আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

কিছুদিন আগেই জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা দাবি করেন যে, ক্রমশ কমছে সূর্যের তেজ আর উজ্জ্বলতা! এ বার বিজ্ঞানীদের দাবি, সূর্যপৃষ্ঠের উপরে ঘটে চলা ক্রিয়াকলাপ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। অর্থাৎ, সূর্যেও নাকি ‘লকডাউন পর্ব’ শুরু হয়েছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডঃ টনি ফিলিপস জানান, ‘সোলার মিনিমাম’ পর্ব শুরু হয়েছে। সূর্যের শরীরে সৌর কলঙ্কের চিহ্ন ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। একই সঙ্গে সূর্যের চুম্বকীয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। ফলে মহাজাগতিক রশ্মি অতিরিক্ত মাত্রায় সৌরজগতে প্রবেশ করছে।

সৌর বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এমনই এর ‘সোলার মিনিমাম’-এর প্রভাবে ১৮১৫ সালের ১০ এপ্রিলে ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট টাম্বোরাতে হওয়া ভয়ঙ্কর অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭১ হাজার মানুষ। এর ঠিক পরের বছরই (১৮১৬ সাল) ‘বিনা গ্রীষ্মের বছর’ দেখেছিল পৃথিবী। সে বছর জুলাই মাসে বিশ্বের বহু জায়গায় বরফ পড়েছিল। এই ঘটনা বিজ্ঞানীদের কাছে ‘ডালটন মিনিমাম’ নামে পরিচিত।

নাসার বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই ‘সোলার মিনিমাম’-এর প্রভাবে ১৭৯০ থেকে ১৮৩০ সালের মধ্যে হওয়া ‘ডালটন মিনিমাম’ ফিরে আসতে পারে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডঃ ফিলিপস উদ্বেগের সঙ্গে জানান, এই ‘সোলার মিনিমাম’-এর প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীতেও। খরা, তীব্র শীত, অগ্ন্যুত্পাত বা ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের ঘটনা বেড়ে যেতে পারে পৃথিবীতে। পৃথিবী ফের সম্মুখীন হতে পারে ‘ডালটন মিনিমাম’-এর মতো ভয়ঙ্কর পর্বের।

অন্যদিকে প্রকৃতির রোষানলে ডুবেছে বহু মুল্যবান বই। ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে নষ্ট হল কয়েক কোটি টাকার বই।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
একদিকে লকডাউনে আর্থিক মন্দা চলছে বইপাড়া। অন্যদিকে প্রকৃতির রোষানলে ডুবেছে বহু মুল্যবান বই। ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে নষ্ট হল কয়েক কোটি টাকার বই। চূড়ান্ত ক্ষতির শিকার কলেজ স্ট্রিটের অগণিত প্রকাশক ও বই বিক্রেতারা। বুধবার রাজ্যের জেলা ও শহরজুড়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছে আমফান। ঘণ্টায় ১৩০ কিমি বেগে বয়ে চলা প্রবল ঝড়ে উড়ে গিয়েছে কলেজ স্ট্রিট, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিট, সূর্য সেন স্ট্রিটে ফুটপাথের অনেক বুকস্টলের টিনের চাল, কোথাও বা রাস্তার জমা জল ঢুকে নষ্ট হয়েছে থরে থরে রাখা বই। বিপুল এই ক্ষতি কী ভাবে সামলাবেন, তা ভেবে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না বই বিক্রেতারা।

বুধবার রাত থেকেই জল জমতে শুরু করে কলেজ স্কোয়্যার ঘেঁষা সূর্য সেন স্ট্রিটে। রাস্তায় সারিবদ্ধ নীচু দোকানগুলিতে হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে রাতেই। জলে ভিজেছে লাখ লাখ টাকার বইপত্র নষ্ট হয়েছে। রাতেই রাস্তায় জল জমার খবর পেয়েছিলেন বহু বিক্রেতারা। লকডাউনের জেরে সকালেও পৌঁছতে পারেননি। দুপুর গড়িয়ে গেলে কোনোরকম বই পাড়ায় পৌঁছে মাথায় হাত। দোকানে জল ঢুকে  বহু বই শেয় হয়েছে