
অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার তম্মাদপল্লী গ্রাম থেকে উদ্ধার করার পরে একটি ১৫ ফুট দীর্ঘ কিং কোবরা চেরুকুপাল্লির বনে মুক্তি পেয়েছে

অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার তম্মাদপল্লী গ্রাম থেকে উদ্ধার করার পরে একটি ১৫ ফুট দীর্ঘ কিং কোবরা চেরুকুপাল্লির বনে মুক্তি পেয়েছে

কেরল: কোল্লামে সাপের ছোবল দ্বারা স্ত্রীকে হত্যা করার জন্য পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ অনুসারে, ৬মে ঘটনাটি ঘটেছিল, যখন পূর্বপরিকল্পিত উদ্দেশ্যযুক্ত স্বামী তার সাথে একটি সাপ এনে স্ত্রীর গায়ের উপর ফেলে দেয়; সে অপেক্ষা করছিল সাপটি তার স্ত্রীকে দু'বার কামড়তে দেখেছিল।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
এই ভদ্রলোককে কলকাতাবাসী চিনুন। শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রাক্তনী বর্তমানে DGM(water)KMC শ্রী অমিতাভ পাল।…যেদিন উম্ফুন আসে পরিস্থিতি অনুধাবন করে উনি বিকালে টালার ট্যাংকে পৌঁছান। ১০০ বছরের পুরোনো লোহার ট্যাংক যা টাইটানিকের সমমানের স্টিল দিয়ে তৈরি এইমুহূর্তে সংস্কারের প্রসেসে আছে। সুনিপুণ স্থাপত্যবিদ অমিতাভবাবু সেই মুহূর্তে নির্দেশ দেন জলাধারটিকে সম্পূর্ণ ভরে ফেলার। ট্যাংকের ৪টি ইউনিট ৮৫হাজার মেঃটন জল ভরে জল সাপ্লাই বন্ধ করে দেওয়ার আদেশ দেন অমিতাভবাবু।
উম্ফুনের ক্ষমতা হয়নি সেই ওজনদার কাঠামোকে নড়াবার। বিদ্যুৎ সংযোগ চলে আসার পর টালার ট্যাংক যথারীতি কলকাতা জুড়ে তার সরবরাহ বজায় রাখে। ট্যাংক ভেঙে পড়লে কী হত তা সহজেই অনুমেয়।
আপনাকে কুর্নিশ জানাই অমিতাভ বাবু।
পুনশ্চঃ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী উনি ২০তারিখ থেকে এখনো অবধি বাড়ি যাননি।


Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
চতুর্থ দফা লকডাউন চালু হতেই গোটা দেশ যখন ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করছে। কেন্দ্রীয় সরকার অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা চালু করেছে, সেই সময়ই লকডাউনের মেয়াদ একেবারে পাঁচ সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল হিমাচল। সে রাজ্যের সরকার ঘোষণা করেছে, করোনার সংক্রমণ রুখতে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন চলবে।
সোমবার বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুর এই মর্মে ঘোষণা করলেন। যে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে লকডাউন জারি থাকবে। এখনও পর্যন্ত পাহাড়ি এই রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১৪। মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। সেরে উঠেছেন ৬৩ জন।



Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
আমফানের দাপটে লন্ডভন্ড কলকাতা। কোথাও গাছ পড়েছে, কোথাও আবার ভেঙেছে বাড়ি, লাইট পোস্ট, ছিঁড়েছে বিদ্যুৎ-এর তার। পরিস্থিতি সামাল দিতে দিনরাত কাজ করে চলেছেন পুর কর্মীরা। চারিদিকে চলছে গাছ কেটে রাস্তা সাফ করা ও বিদ্যুৎ সংযোগ ঠিক করার কাজ। এমন পরিস্থিতি আমফানে পড়ে যাওয়া গাছ কাটার কাছে নিজেই এগিয়ে এলেন ‘কৃষ্ণকলি’ খ্যত অভিনেতা নিখিল ওরফে নীল ভট্টাচার্য।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গাছ কাটার ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিনেতী নীল লিখেছেন, তাঁর ওষুধের দোকানের সামনে গাছ পড়ে যাওয়ায় মানুষের সমস্যা হচ্ছিল। তাই সেই গাছ কেটে সাফ করতে তিনি এগিয়ে এসেছেন। তাঁকে সহযোগিতা করেছেন তাঁর সহকর্মীরা। অভিনেতার পোস্ট থেকে মেডিক্যাল স্টোরটি তাঁর বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ‘কৃষ্ণকলি’ ধারাবাহিকে ‘শ্যামা’র স্বামী ‘নিখিল’-এর ভূমিকায় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন অভিনেতা নীল ভট্টাচার্য। টেলিভিশনের দর্শকদের কাছে নিখিল বলেই পরিচিত তিনি।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
আমফান বিধ্বস্ত বাংলায় ৮০ শতাংশ এলাকায় জরুরি পরিষেবা পুনর্গঠন ও তা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে এদিন বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রায় বেশিরভাগ শহর এলাকাতেই জরুরি পরিষেবাগুলি শুরু হয়ে গিয়েছে। বাকিগুলোতেও খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত হাসপাতাল, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, জল সরবরাহ কেন্দ্র, সেচ ও নিকাশি ব্যবস্থা, পাম্পিং সিস্টেম, পাওয়ার সাবস্টেশন সবই কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। দিনরাত এক করে কাজ করে পরিষেবা চালুর জন্য এদিন বিভিন্ন দফতরের সরকারি কর্মীদের তিনি ‘স্যালুট’ জানান। তাঁর কথায়, সেনা, NDRF, SDRF ও ওড়িশা সরকারের সঙ্গে একযোগে উদয়অস্ত লাখ লাখ সরকারি কর্মী কাজ করেছেন। এরফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় দ্রুততার সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ, জল সরবরাহ, রাস্তার উপর পড়ে থাকা গাছ কাটা, ত্রাণ বিলি, পরিকাঠামো পুনর্গঠন সম্ভব হয়েছে।
কোন কোন ক্ষেত্রে কতজন করে কাজ করেছেন, তার একটি তালিকাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সবমিলিয়ে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজারের উপর কর্মী কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
আমফান বিধ্বস্ত বাংলায় ৮০ শতাংশ এলাকায় জরুরি পরিষেবা পুনর্গঠন ও তা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে এদিন বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রায় বেশিরভাগ শহর এলাকাতেই জরুরি পরিষেবাগুলি শুরু হয়ে গিয়েছে। বাকিগুলোতেও খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত হাসপাতাল, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, জল সরবরাহ কেন্দ্র, সেচ ও নিকাশি ব্যবস্থা, পাম্পিং সিস্টেম, পাওয়ার সাবস্টেশন সবই কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। দিনরাত এক করে কাজ করে পরিষেবা চালুর জন্য এদিন বিভিন্ন দফতরের সরকারি কর্মীদের তিনি ‘স্যালুট’ জানান। তাঁর কথায়, সেনা, NDRF, SDRF ও ওড়িশা সরকারের সঙ্গে একযোগে উদয়অস্ত লাখ লাখ সরকারি কর্মী কাজ করেছেন। এরফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় দ্রুততার সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ, জল সরবরাহ, রাস্তার উপর পড়ে থাকা গাছ কাটা, ত্রাণ বিলি, পরিকাঠামো পুনর্গঠন সম্ভব হয়েছে।
কোন কোন ক্ষেত্রে কতজন করে কাজ করেছেন, তার একটি তালিকাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সবমিলিয়ে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজারের উপর কর্মী কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।