প্রাণ ফিরে পেলো বিড়াল

ঝড়ে নারকেল গাছে আটকে গিয়েছিল বিড়াল! দারুণ কায়দায় গাছ থেকে বিড়ালকে নামিয়ে প্রাণ ফেরাল একদল যুবক, ভাইরাল ভিডিও সবাই ধন্যবাদ দিচ্ছেন তাদের

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মণিপুর-সহ উত্তর-পূর্বের পাঁচ রাজ্য

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মণিপুর। সোমবার রাত ৮টা ১২ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, এ দিন কম্পনের উৎসস্থল ছিল মইরাং থেকে ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪০ কিলোমিটার গভীরে।
মণিপুরের পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয়েছে মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, গুয়াহাটি এবং অসমের বেশ কিছু অংশে। তবে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায়নি। মণিপুরে কম্পন অনুভুত হতেই আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন লোকজন।

তিন দিন আগেই অর্থাত্ ২২ মে-তেও কম্পন অনুভূত হয়েছিল। সে সময় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.৬। কম্পনের উৎসস্থল ছিল উখরুলের পূর্বে ৪৩ কিলোমিটার গভীরে। গত এপ্রিল থেকে মে-র মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল থেকে ১৫ মে-র মধ্যে মধ্যে দিল্লিতে চার বার ভূমিকম্প হয়েছে। কিন্তু সেই কম্পনের তীব্রতা ছিল খুবই কম। রিখটার স্কেলে ২.২। গত ১৮ মে হিমাচল প্রদেশের চম্বায় মাঝারি ধরনের ভূকম্পন হয়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৩.৫।

রাজ্যের জেলায় ফের ভারী ঝড়-বৃষ্টি‌সহ ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী!

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে ক্ষত এখনও দগদগে। চারিদিকে এখনও শুধু হাহাকার। ভেঙেছে বিদ্যাধরী নদীর বাঁধ। জলমগ্ন হাড়োয়া থানার বেশ কিছু এলাকায়। এরই মধ্যে  রাজ্যের একাধিক জেলায় ফের শুরু হল কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টি। আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস, রাজ্যের মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, কোচবিহার সহ একাধিক জেলায় ঘন্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হতে পারে। সারাদিন আকাশ কালো মেঘে ঢেকেছে, পাশাপাশি বেশ ভালোই ঝড় শুরু হয়েছে এলাকায়। পাশাপাশি বিকালে ও সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে যে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। এর জেরে বহু মানুষ আতঙ্কে প্রহর গুনছে।কারন ঘূর্ণিঝড়ে বহু মানুষ ঘরছাড়া ‌হয়ে পড়েছে।

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি ক্ষতিয়ে দেখতে বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল!

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের ধ্বংসলীলার পর পাঁচ দিন কেটে গেলেও এখনও স্বাভাবিক স্রতে ফিরতে পারেনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষেরা‌। রাজ্যের জরুরি পরিষেবা চালু করতে সেনাবাহিনী কাজ করে চলেছেন। বিদ্যুৎ ও জল পরিষেবা চালু করতে নিরালস ভাবে কাজ করে চলেছেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে রাজ্যের বিস্তৃর্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ-এর খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঠিকঠাক মিলছে না ফোনের নেটওয়ার্ক। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি মাপতে পশ্চিমবঙ্গে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। আজ সোমবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এমনই জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এদিন বৈঠকে বসেছে সঙ্কট মোকাবিলা কমিটি। এই নিয়ে ৫ দিনে মোট ৪ বার বৈঠক করলেন তাঁরা। ঘূর্ণঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে শুক্রবার রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আকাশপথে ঘুরে দেখেন আমফান বিধ্বস্ত বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পরই রাজ্যকে প্রাথমিক ক্ষতিপূরণ হিসাবে ১,০০০ কোটি টাকা ঘোষণা করেন তিনি। সঙ্গে জানান রাজ্য সরকার ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ণ করে কেন্দ্রের কাছে পাঠালে মিলবে আরও সাহায্য। এসবের মধ্যেই আমফানের ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর ঘোষণা করল অমিত শাহর মন্ত্রক।

মিনিস্টার সুজিত বোস

Pic courtesy Google(Developed by Reporter Samrat Ghosh)
আজ, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের দ্বারা সৃষ্ট বিশাল ক্ষতির পুনরুদ্ধারের কাজটি  ডব্লিউবি ফায়ার অ্যান্ড ইমারজেন্সি সার্ভিস মিনিস্টার সুজিত বোসের উপস্থিতিতে ভিআইপি রোড, বিধাননগর এবং করুণাময়ীর (বিশেষতঃ ব্যবস্থা করা টেলিস্কোপিক ক্রেনের সহায়তায়) সম্পন্ন করা হয়েছিল। বিধাননগর

Howrah Municipal Corporatio

Developed by Reporter Samrat Ghosh
হাওড়া ফিরে ফিরবে!
1. আমাদের জল পাম্প সম্পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে চলছে। চাপ সমস্যা শীঘ্রই স্থির হবে।
2. হাওড়া শহরে 25 টিরও বেশি দল গাছ কাটছে (এইচএমসি, ফায়ার, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ)
৩. সিইএসসি এবং ডাব্লুবিএসইডিসিএলের 10+ টি টিম গাছ কাটার টিমের সাথে সমন্বয় করে শক্তি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে
৪. শুকনো অঞ্চলে জলের ট্যাঙ্কার ও পাউচ সরবরাহ করা হচ্ছে। জলের থলিগুলির যে কেউ প্রয়োজনে নিকটস্থ বরো অফিস বা থানায় যেতে পারেন।

ভয়ানক তান্ডব শুরু

ভয়ানক তান্ডব শুরু!! এবারে পঙ্গপাল..
গুজরাট, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশের হেক্টর হেক্টর এলাকা জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে লক্ষ লক্ষ পঙ্গপাল 😓😓

একটা সিদ্ধান্তই কেল্লা ফতে! আমফানকে দশ গোল দিল ‘বৃদ্ধ’ টালা ট্যাঙ্ক

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

বুড়ো হারে ভেলকি দেখালো টালা ট্যাঙ্ক। যে ক্রেন নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিলো, সোমবার ইঞ্জিনিয়াররা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানালেন, সব অবিকৃত রয়েছে। অর্থাত্ এক ফোঁটা আঁচড়ও কাটতে পারেনি আমফান।
তবে, ট্যাঙ্ক বাঁচানো সম্ভব হলো কিভাবে? প্রায় ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে আসা আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারতো শতাব্দী প্রাচীন টালা ট্যাঙ্ক। এই ভয় কাজ করেছিল পুর আধিকারিকদের মনে। কারণ, মেরামতির কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। বিগত ১০০ বছরে এত বড় রকমের ঝড়ের কোনো অভিজ্ঞতাও নেই কারোর। প্রাক্তন জল বিভাগের বেশ কিছু আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, কিন্তু সাহায্য করতে পারেননি কেউ।  দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে দেখে শুধুমাত্র মেয়রকে জানিয়েই টালা ট্যাঙ্কের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক দ্রুত একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। আর সেই সিদ্ধান্তেই কেল্লা ফতে হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।
এমনিতে হাইড্রোলিক সিস্টেম এ টালা ট্যাঙ্ক থেকে অবিরাম পদ্ধতিতে অনবরত জল ওঠানামা করে। কখনোই ট্যাঙ্কে জল দাঁড়িয়ে থাকে না। কিন্তু দুপুরের পর পরিস্থিতি দেখে আধিকারিকরা সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন, বিকেল পাঁচটা থেকে রাত্রি পর্যন্ত কোন জল নামতে দেওয়া যাবে না। দ্রুত চাবি বন্ধ করে জল নামা বন্ধ করে দেওয়া হয়। টালার ট্যাঙ্কে জল ধরার ক্ষমতা ৯ মিলিয়ান গ্যালন। 8 মিলিয়ন গ্যালন জল দ্রুত পূর্ণ করে ফেলা হয় ট্যাঙ্কেরর চারটি প্রকোষ্ঠে। জল-সহ গোটা ট্যাংকের ওজন দাঁড়ায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন। যাকে এক চুলও নড়ানো ক্ষমতা আমফানের ছিলো না বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
 সোমবার সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সাফল্যের হাসি হাসছেন টালার দায়িত্বে থাকা পুরো আধিকারিকরা। বলছেন, আমফান ক্ষতি করল অনেক, কিন্তু একটা পরীক্ষা হয়ে গেল এর মধ্যে দিয়েঅ। আগামী আরও ১00 বছরের জন্য সুরক্ষিত টালা ট্যাঙ্ক। আমফানই যেন সিলমোহর দিয়ে গেল!