বিবাহ জীবনের ২৫ বছর, স্ত্রী অঞ্জলিকে ‘মিষ্টি’ উপহার দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

লকডাউনে বিয়ের ২৫ বছর পূর্তি সচিন ও অঞ্জলির। বাড়িতে থেকে তাই স্ত্রীকে সারপ্রাইজড গিফট দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। গোটা পরিবারকে ম্যাঙ্গো কুলফি করে খাওয়ালেন মাস্টার শেফ সচিন তেন্ডুলকর।
ক্রিকেটিয় কেরিয়ারে মতোই ব্যক্তিগত জীবনে মাইলস্টোনে পৌঁছলেম মাস্টার ব্লাস্টার। আর তাই পঁচিশ তম বিবাহবার্ষিকীতে মিষ্টি উপহার পরিবারকে তুলে দিলেন সচিন তেন্ডুলকর। বরং বলা ভালো স্ত্রী অঞ্জলিকে উপহার দিলেন সচিন। সেই ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সচিন লিখেছেন, “আমাদের বিবাহবার্ষিকীর সারপ্রাইজ। এই ম্যাঙ্গো কুলফি তৈরি করলাম আমি সবাইকে চমক দেওয়ার জন্য যারা আমাদের ২৫তম বিবাহবার্ষিকীতে বাড়িতে রয়েছেন।”
লকডাউনে ব্যাটিং মায়েস্ট্রোকে নানারূপে আবিষ্কার করল বিশ্ব। যিনি ব্যাটিং করেন তিনিই আবার হেয়ার স্টাইলিশ আবার তিনিই হয়ে যান শেফ। কয়েকদিন আগে প্রথমে নিজের চুল কাটার পর ছেলে অর্জুনেরও চুল কেটে দেন সচিন। এবার ম্যাঙ্গো কুলফি তৈরি করে চমকে দিলেন গোটা পরিবারকে, তাও আবার নিজের ২৫তম বিবাহবার্ষিকীতে। প্রসঙ্গতঃ ১৯৯৫ সালে অঞ্জলিকে বিয়ে করেন সচিন।

শুধু পরিযায়ী শ্রমিকরাই হাঁটছে না! ১১০০ কিমি পেরিয়ে বাংলায় এল ‘নেপালি’ ঘড়িয়াল

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

লাখ লাখ শ্রমিক পায়ে হেঁটে, সাইকেল চালিয়ে ভিন রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছে্ন। এই লকডাউনে সব থেকে সমস্যায় ছিলেন তাঁরাই। অন্য রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হয় লাখ লাখ শ্রমিককে। কেন্দ্রীয় সরকার হঠাত্ করেই লকডাউন ঘোষণা করায় কাজ হারান বহু মানুষ। মালিকরা হাত তুলে নেন। ফলে জমানো টাকা থেকে কিছুদিন কাটে শ্রমিকদের। তার পর যে যার বাড়িতে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। এমন অবস্থায় বহু শ্রমিক পথ দুর্ঘটনার শিকার হন। ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গিয়েছেন অনেকে। তাঁদের এই দুর্দশা দেখে সারা দেশের মন খারাপ হয়েছে। তবে লকডাউনে শুধু যে শ্রমিকরাই পায়ে হেঁটে ফিরেছেন তা নয়। নেপাল থেকে ১১০০ কিমি পেরিয়ে একটি ঘড়িয়াল এসেছে বাংলায়।
ঘড়িয়াল বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণী। নারায়ণী ও রাপতি নদীর মিলনস্থলে ঘড়িয়ালটিকে ছাড়া হয়েছিল। কিন্তু সেটি চলে এসেছে ১১০০ কিমি পেরিয়ে। হুগলির রানী নগর ঘাটে মত্সজীবীদের জালে ধরা পড়েছে ঘড়িয়া্লটি। তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘড়িয়ালটির চামড়ায় এমন মার্কিং রয়েছে যা নেপালের এই প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়। ওয়াইল্ড ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া-র তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, ঘড়িয়ালটির বাড়ি আসলে নেপালে। কিন্তু কীভাবে সেটি এতটা পথ পেরিয়ে বাংলায় এসে পৌঁছেছে তা আন্দাজ করা কঠিন হয়েছে। তবে ওয়াইল্ড ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া-র তরফে আন্দাজ করা হয়েছে, গণ্ডক থেকে গঙ্গায় এসে পড়ে সেটি। তার পর ফারাক্কা হয়ে হুগলিতে।
ইতিমধ্যে নেপালের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ওয়াইল্ড ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া। তারাই ঘড়িয়ালটির পরিচিতি নিশ্চিত করেছে। নেপাল থেকে বাংলায় আসার এতটা পথ পেরোতে প্রায় মাস দুয়েক সময় লেগেছে ঘড়িয়ালটির। ঘড়িয়ালটিকে উদ্ধারে পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘড়িয়ালটির লেজের দিকে স্কাউট মার্কিং রয়েছে। সেই চিহ্ন দেখেই বোঝা গিয়েছিল যে সেটি নেপাল থেকেই এতটা পথ পাড়ি দিয়ে হুগলিতে এসে পৌঁছেছে। 

শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন পাতে রাখুন খেজুর!

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

খেজুর সহজলভ্য বলেই এর উপকারীতা সম্পর্কে আমরা হয়তো অনেকেই জানি না। খেজুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ, বি ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন। তিন-চারটি বা ৩০ গ্রাম খেজুরে ক্যালোরি থাকে ৯০, ১ গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার। ফ্রুকটোজ, গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ এই ফল শক্তি বা এ্যানার্জির একটি অন্যতম উৎস। ভিটামিন বি-৬ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম তাজা খেজুরে ভিটামিন-সি রয়েছে যা থেকে ২৩০ ক্যালরী (৯৬০ জুল) শক্তি উৎপাদন করে। পাকা খেজুরে প্রায় ৮০ শতাংশ শর্করা জাতিয় উপাদান রয়েছে। এ ছাড়া খনিজ সমৃদ্ধ খেজুরে কোবাল্ট, বোরন, ফ্লুরিন, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান রয়েছে। এ জন্যই  প্রতিদিন খাবার পাতে ৩ থেকে ৪টে খেজুর রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
খেজুর দুধের সঙ্গে ফুটিয়ে খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয় সহজেই। এ ছাড়া লো ব্ল্যাড প্রেসারের সমস্যাতেও ডায়েটে খেজুর রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। খেজুর সারা রাত জলে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে সেই জল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দূর হয়। শরীরে গ্লুকোজের অভাব খেজুর দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর।

১ দিন পর এল শাহরুখের ইদের শুভেচ্ছা! হতাশ ভক্তরা কী বললেন জানেন?

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

সোমবার গোটা দেশজুড়ে পালিত হয়েছে ইদ। তবে প্রত্য়েকবারের থেকে এবার ইদের ছবিটা ছিল অনেকটাই আলাদা। করোনার কারণে ঘরবন্দি হয়েই ইদ সেলিব্রেট করতে হয়েছে অনেক মানুষকে। এবছর ‘বলিউড বাদশা’র বাড়িতেও ইদের ছবিটা ছিল অন্যরকম। প্রত্যেকবারের মতো এবার আর শাহরুখের ‘মন্নত’-এর সামনে আর উপচে পড়া ভিড় ছিল না। তাই কিং খানকেও বাড়ির ব্যালকনিতে এসে ভক্তদের জন্য হাত নাড়তে হয়নি। এমনকি তাঁর বাড়িতেও অন্য়বারের মতো অতিথিরা আমন্ত্রিতও ছিলেন না।
 ইদের শুভেচ্ছা শাহরুখ সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে জানালেও তা এসেছে প্রায় ১ দিন পর। সোমবার রাত ১২টা পার করে ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেন কিং খান আর তাতেই হতাশ তাঁর ভক্তরা। ইদের শুভেচ্ছায় শাহরুখ লিখেছেন, ”আল্লার আশীর্বাদে আমরা এই কঠিন সময় পার করতে পারবো। শেষপর্যন্ত বিশ্বাস আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ইদ মোবারক। আল্লা সকলের জীবন ভালোবাসা, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দেবেন।” 
দেরিতে শাহরুখের শুভেচ্ছা বার্তা আসায় হতাশ ভক্তদের কেউ লিখেছেন, ”এত অপেক্ষা করালেন।”, কেউ আবার মজা করে লিখেছেন, ”সবথেকে প্রথমে শুভেচ্ছা জানালেন”। কেউ আবার লিখেছেন, ”ভাই কালকে শুভেচ্ছা জানাতেন, এত তাড়া কীসের ছিল? ”, আবার কেউ লিখেছেন, ”সবই লকডাউনের ফল”। দেখুন আর কে কী লিখেছেন…
প্রসঙ্গত, করোনার প্রকোপ ও লকডাউনের কারণে শাহরুখও তাঁর পরিবারের সঙ্গে নিজের ‘মন্নত’-এই আটকে রয়েছেন।

জলের নিচে ১০০ বিঘা ধান ক্ষেত, দিশেহারা দিনহাটার কৃষকরা

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

 করোনা-লকডাউনে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। রুজি-রোজগার বন্ধ টান পরেছে হাড়িতে। এমন অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে আগমন বিধ্বংসী ঝড় আমফান, এর ধ্বংসাত্বক রুপ দেখেছে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা বাদ যায়নি উত্তরবঙ্গের এলাকা গুলোও।
উত্তরবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোচবিহার জেলার দিনহাটা ২ নং ব্লকের বামনহাট গ্ৰাম পঞ্চায়েতের পোয়াতুরকুটির বেশির ভাগ চাষের জমি জলের নিচে। ২,৩ দিন ধরে অতিভারি বৃষ্টির ফলে ১০০ বিঘা ধান ক্ষেত জলের নিচে।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল সোবাহান জানান, লকডাউন এর জন্যে আমরা আমদানি করা কোনো জিনিসই সঠিক ভাবে বিক্রি করতে পারছিনা, এরই মাঝে ঝড় বৃষ্টি এর কবলে আমাদের সমস্ত ধান ক্ষেত শেষ, আমরা এই ধান গুলো কাটতে পর্যন্ত পারবোনা, আমাদের শেষ সম্বল টুকু আজ জলের নিচে। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি আমাদের সাহায্য করতে নাহলে আমরা না‌ খেয়ে মরে যাবো।
অন্য এক কৃষক বিকাশ চন্দ্র বর্মন বলেন, আমার ২ থেকে ৩ বিঘা জমি জলের নিচে সেগুলো থেকে ধান কাটার পরিস্থিতি নেই। বিকাশ বাবু আরো বলেন শুধু আমারই নয় এই জায়গায় ১০০ বিঘা ধান ক্ষেত জলের নিচে পাশাপাশি পাট ক্ষেত গুলো জলের নিচে ডুবতে শুরু করেছে আজকে ভারি বৃষ্টিপাত হলে পাটের জমিও জলের নিচে চলে যাবে।
কৃষক পরিবারগুলোর দাবি তাদের ঘরে বৌ-বাচ্চা রয়েছে একমাত্র উপার্জনের রাস্তা বলতে কৃষি কাজ, আজ প্রধান ফসল ধান ক্ষেত জলের নিচে, আগামী দিনে কি খেয়ে থাকবো এই চিন্তায় দিশেহারা তারা।
গ্ৰামের এক বাসিন্দা মুর্তাজা আলী বলেন এরকম ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমি জলের নিচে কৃষকদের অবস্থা খুবই অসহায় তারা কি করবে কোনো রাস্তা খুঁজে পাচ্ছেনা। আমরা সবাই সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি‌।
ঘটনার বিষয়ে গ্ৰাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী রফিকুল মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন পোয়াতুরকুটির প্রায় ১০০ বিঘা ধান ক্ষেত জলের নিচে কৃষকদের অবস্থা করুন। তিনি বলেন একদিকে লকডাউন অন্যদিকে বৃষ্টি আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানতে পারিনি তাই কৃষকদের কোনো রকম আশ্বাস দিতে পারছিনা কিন্তু সরকার কৃষকদের পাশে আছেন সবসময় নিশ্চয় তাদের সাহায্য করা হবে।

বিদ্যুৎ কর্মীদের যুদ্ধকালীন চেস্টায় স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিষেবা ।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

আমফানের ধাক্কায় বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। চার দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে বিদ্যুতের মুখ দেখেছে কেউ কেউ। তবে এখনও অনেক অঞ্চল অন্ধকারে। ঘূর্ণিঝড় আমফানের কারনে বিদ্যুৎ পরিষেবা একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। আমফানের তান্ডাব এতটাই শক্তিশালী ছিলো প্রায় ৮০ শতাংশ বিদুৎ এর খুঁটি ভেঙ্গে দিয়েছে। টুকরো টুকরো করে দিয়েছে বিদ্যুৎ এর তার। ফলে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে রাতদিন এক করে কাজ করে চলেছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। জেলায় সব থেকে বেশি আমফানের প্রভাব পড়েছে হলদিয়া মহকুমায়। আর সেই মহকুমায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু হয়েছে পুরোদমে।বেশকিছু অংশে বিদ্যুৎ এর লাইন ছাড়া হয়েছে, বাকি কয়েকদিনের মধ্যে স্বাভাবিক করে দেওয়া হবে বলে জানান বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা।।

ভারত মহাসাগরের বিশাল টেকটনিক প্লেট ভেঙে দু’টুকরো, ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

 সত্যিই বিষধর বিশ! ২০২০ সালে যে আরও কত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে কে জানে! এবার জানা যাচ্ছে, ভারত মহাসাগরের নিচে বিশাল টেকটনিক প্লেট ভেঙে দুটুকরো হয়ে গিয়েছে। আর তাই ভবিষ্যতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছে বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভ সায়েন্সে জানিয়েছে, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মকরাঞ্চলের ওই প্লেট প্রত্যেক বছর ০.০৬ মিলিমিটার করে দূরে সরে যাচ্ছে। আট বছর আগে একবার ভারত মহাসাগরের নিচে ভূমিকম্প হয়েছিল। তার পর থেকেই ওই প্লেট—এর এমন পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন বিজ্ঞানীরা।
আপাতদৃষ্টিতে দেখলে এই দুটি প্লেট—এর দূরে সরে যাওয়ার গতি খুবই ধীর। এই গতিতে চলতে থাকলে এক মাইল দূর যেতে দুটি প্লেট—এর ১০ লাখ বছর সময় লাগার কথা। কিন্তু পুরো প্রক্রিয়াটাই ঘটছে জলের তলায়। ফলে ঠিক কী কী পরিবর্তন চলছে তা সবসময় নজরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। দুটি প্লটের আলাদা হয়ে যাওয়ার গতি কম হলেও বিজ্ঞানীরা চিন্তায় রয়েছেন। কারণ এভাবে প্লেট সরে যাওয়াই ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে। তবে অদূর ভবিষ্যতেই যে বড়সড় কোনও ভূমিকম্প হবে তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলছেন না বিজ্ঞানীরা। গবেষক অরলি কৌদুরিয়ার-কার্ভুর যেমন জানিয়েছেন, অন্য গ্রহের বাউন্ডারির তুলনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে। সবটাই ঘটছে জলের নিচে। জলের এত গভীরে সব পরিবর্তন ঘটছে। তাই সব সময় সব পরিবর্তন আমাদের নজরেও পড়ছে না। তবে দুটি প্লেট ভেঙে দুটুকরো হয়েছে। আর সেগুলি ক্রমশ পরস্পরের থেকে সরছে। গতি অবশ্য অনেকটাই কম।
বিশ্ব উষ্ণায়ন থেকে শুরু করে দূষণ, একের পর এক কারণে এমনিতেই পৃথিবীর ভবিষ্যত নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই দুই প্লটের সরে যাওয়ার ফলে ২০ হাজার বছর পর পৃথিবীতে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিতে পারে।

চাষের জমি থেকে মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

চাষের জমি থেকে মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছে ‌মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি হুকোহারার এলাকায়। মৃতের নাম ঝন্টু শেখ। সূত্রের খবর ঝুন্টু সেখের বাড়ি জলঙ্গীর চোয়াপাড়া দুর্লভপাড়াতে।
পরিবার সূত্রে জানা যায় ঝুন্টু গতকাল ঈদের নামাজ পড়ে স্ত্রী নিতে শ্বশুরবাড়ি আসে।
আজ সকলে ঝুন্টু সেখের স্ত্রী ঝুন্টুর পরিবারকে কে খবর দেয় ঝুন্টু আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে দেখে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় এক চাষের জমিতে ঝন্টুর মৃতদেহ পড়ে আছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জলঙ্গী থানার পুলিশ এবং মৃতদেহ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
মৃত ঝন্টু শেখের স্ত্রী কল্পনা বিবিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে জলঙ্গি থানা পুলিশ । খুন না আত্মহত্যা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

‘কোনও ঘূর্ণিঝড় এখন আসছে না, গুজবে কান দেবেন না’, স্পষ্ট বার্তা আবহাওয়া দফতরের

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

গুজবে কান দেবেন না। এখনই কোনও ঘূর্ণিঝড় আসছে না। আর ঘূর্ণিঝড় কবে আসবে, তা আগাম বলাও যায় না। স্পষ্ট জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 
আমফানের ধ্বংসলীলার ছাপ এখনও চারদিকে ছড়িয়ে। ধুঁকছে জনজীবন। বিপর্যস্ত মানুষগুলো মাথা তুলে উঠে দাঁড়ানোর জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। আর এমন সময়ই হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে, ফের ঘূর্ণিঝড় ‘নিসর্গ’ আসছে। আর সেটা নাকি আমফানের থেকেও ভয়ঙ্কর হতে পারে! সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে এই খবর। হাজার হাজার শেয়ার, লাইকস, কমেন্টস। আমফানের তাণ্ডবের স্মৃতি এখনও স্মৃতিতে শুধু টাটকা বললে ভুল হবে, বলা ভালো দগদগে ঘা হয়ে রয়েছে। তারপর আবার ‘ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ আসছে’ এই খবরে আতঙ্ক ছড়ায়। 
সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এবার আসরে নামল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের স্পষ্ট বক্তব্য, এর পুরোটাই ভিত্তিহীন, মিথ্যে। বিষয়টা সম্পূর্ণ অন্য। কী তাও স্পষ্ট করেছে হাওয়া অফিস। আসল খবর হল, ঘূর্ণিঝড়ের নামের একটা আগাম তালিকা থাকে। আমফান ছিল আগের তালিকার শেষ নাম। এরপর নতুন তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। যার প্রথম নাম বাংলাদেশের দেওয়া, ‘নিসর্গ’ । বঙ্গোপসাগরে বা আরব সাগরে এরপর কোনও ঘূর্ণিঝড় হলে তার নাম হবে ‘নিসর্গ’। 
উল্লেখ্য, উপমহাদেশে ঝড়গুলোর নামকরণ করে বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, পাকিস্তান, মলদ্বীপ, ওমান, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। এরসঙ্গে ২০১৮ সালে যুক্ত হয়েছে আরও ৫টি দেশ- ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও ইয়েমেন। এই ১৩টি দেশ আসন্ন ঘূর্ণিঝড়গুলোর জন্য ১৬৯টি নাম প্রস্তাব করেছে। আমফানের পরের ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম ঠিক হয়েছে ‘নিসর্গ’, ‘গতি’, ‘নিভার’। এখন ঘূর্ণিঝড়ের জন্মের আগেই নাম ঠিক করে রাখা এবং সেটিকে সবার আয়ত্তের মধ্যে আবহাওয়া দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করাতেই কি যত বিপত্তি? উঠছে প্রশ্ন।
ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা। ঘূর্ণিঝড় ঘনীভূত না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড় জন্ম না নেওয়া পর্যন্ত তার নাম জনসমক্ষে আনা হবে কি হবে না, সে নিয়ে কথাবার্তা চলছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, মানুষকে অযথা আতঙ্কিত বা বিপর্যস্ত করাটা কি আইনত দণ্ডনীয় নয়? এ প্রশ্ন অনেকেই তুলেছেন। যদিও নিসর্গ নিয়ে যে গুজব বা ভুল খবর রটেছে, তার জন্য কোনও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়নি আবহাওয়া দফতর। বরং গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে তারা মানুষকে সচেতন করতে চান। 

নিজের ১০ বছর বয়সী বোনকে অপহরণ করে বন্ধুদের সাথে ধর্ষন করে হত্যা করল সাজিদ আলী

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

উপরে যে চারজন অপরাধীর ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তাদের মানুষদের মতো দেখতে মনে হলেও তার আসলে মানুষ নয়। এই চারজন আসলে মানুষরূপী শয়তান। রাজস্থান থেকে এমন খবর সামনে আসছে যা পুরো সমাজকে লজ্জিত করবে।
ঘটনা রাজস্থানের জয়পুরের মনোহরপুর থানা এলাকার যেখানে এক ১০ বছরের বালিকাকে গ্যাং রেপ করে হত্যা করা হয়েছে। ২০ বছর বয়সী জিসান আলী তার নিজের বোনকে বন্ধুদের সাথে মিলে ধর্ষণ করে হত্যা করেছে।
শুধু এই নয়, পশুর থেকেও অধম এই শয়তানের হত্যার পর পুলিশের কাছে বোন হারিয়ে যাওয়ার মামলা দায়ের করিয়েছিল। নিজেদের বাঁচাতে শয়তানের দল বোন হারিয়ে গেছে বলে নাটকীয় ভঙ্গিমা শুরু করে এবং পুলিশের সাথে সাথে খুজটর আরম্ভ করে।
জানিয়ে দি, বালিকা প্রতিবন্ধী ছিল। তাই তার নিজের দাদা মহম্মদ জিসান আলী খুব সহজেই তাকে অন্যত্র নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। যারপর বন্ধুদের সাথে মিলে ধর্ষণ করে এবং গলা টিপে হত্যা করে।
পুলিশ তদন্ত করে জিসানকে গ্রেফতার করে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ চলার পর আরো তিন অপরাধী সাজিদ আলী (১৯), আমজাদ আলী (১৯), ওয়াজিদ আলী(২০) কে গ্রেফতার করা হয়।