আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ফের দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি হতে পারে মূলত দুই বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে। উত্তরবঙ্গের জন্যও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। কলকাতা ও সন্নিহিত জেলায় আকাশ মেঘলা থাকবে। ঝড় বৃষ্টিও হতে পারে। কালবৈশাখীর পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারি এবং দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারি বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। আন্দামানে মৌসুমী বায়ু ঢুকেছে আমফানের সময়েই ঢুকেছে। এরফলে কিছুটা হলেও শক্তি পেয়েছে বর্ষা। বঙ্গে এবার প্রাক-বর্ষার পরিস্থিতি দেখতে পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
বাংলা ও বাঙালির আবেগ বসন্তোৎসব থেকে শুরু করে চড়ক নববর্ষ এবং সদ্য সমাপ্ত হওয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের ৩০দিনের রোজা শেষে খুশির ইদ্ সবই করোনার সর্বগ্রাসী মুখগহ্বর গ্রাস করেছে।এবার হাতে গোনা মাত্র একটি দিন বাদ দিলেই বাঙালি জামাইদের ৩৪৬দিনের অপেক্ষা শেষে জামাইষষ্ঠী,তাও মাটি হতে বসেছে।জামাইষষ্ঠী পালনের যদিওবা একটা আশার ক্ষীণ আলোর দিশার দেখা মিলেছিল সেটাও এবারের মতো অন্তত স্থগিত হয়ে গেল।একটু বিশ্লেষণ করে বললে বলতে হয়,করোনার দাপট যেই না একটু স্থিতিশীল হয়েছে আমনি সরকারের ঘোষণা করা পরিযায়ী শ্রমিকরা নিজ নিজ রাজ্যে ফিরে আসবে, ব্যাস যেমনটা বিশেষজ্ঞরা ভয় করেছিল ঠিক তেমন টাই হল।পরিযায়ী শ্রমিকদের ঢোকার শুরু হতেই অমনি তরতরিয়ে করোনা সংক্রমণের পারদও উর্ধমুখী।কিন্তু তারাই বা যায় কোথায় বাপু।এরই সাথে সাথে বাংলা কাঁপাতে এলো মহাপ্রলয় ঘুর্ণিঝড় ‘আমফান’।সেতো একেবারে সবকিছুকেই খান খান করে দিয়ে চলে গেল।সে তো আর জানেনা যে এমন সময় বাংলায় জামাইষষ্ঠী আছে।সে ব্যাটা নির্দয় হৃদয়ে ভোজন রসিক জামাইদের পাতের কলাটা আমটা লিচু টার গাছ গুলির গুষ্ঠির ষষ্ঠী পুজো করে ছেড়েছে।তাই এবারের মতো শাশুড়ির আদর মাখানো হাতে জামাইদের খই দই দিয়ে ফলা্র খাওয়া হলো না।আহারে বেচারা জামাই বাবাজি! লকডাউনের বাজারে মন্দা অর্থনীতি।তাই পকেট গড়ের মাঠ সকলের।শ্বশুরকুল কি বলছেন?তাঁরা কি এবার জামাইদের হাত থেকে নিস্কৃতি পেলেন?বিবিপি নিউজের সাংবাদিক বেড়িয়ে ছিল তারই খবর সংগ্রহ করতে। কেউ বলেছেন,’পরিস্থিতি হয়তো খারাপ কিন্তু মেয়ে জামাই নাতি নাতনি বাড়িতে এলে আনন্দে সময়টা কেটে যায়, ভালোও লাগে।’আবার কেউ বলেছেন,’যেহেতু এই মুহূর্তটা খুব অস্থিরতায় কাটছে।তাই এবারের মতো বিপদের সামনাসামনি না হওয়াই ভালো।পরের বারে পুশিয়ে নেওয়া যাবে।’এবার আসা যাক এই অনুষ্ঠানের মূল হোতাদের কাছে।তাঁদের কেউ বলেছেন,’কয়েক বাব তো জামাইষষ্ঠী খেয়েছি।এবার না হয় নাই গেলাম ,বিপদের ঝুঁকি আছে।’কিন্তু মুসকিলে পড়েছে সদ্য বিবাহিতরা অর্থাৎ কিনা যাঁদের এক বছর ও পূর্ণ হয়নি।একে তো তাঁরা নতুন জামাই,তার ওপর প্রথম, সেটাও হল মিস্।
মহারাষ্ট্রে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ৷সবথেকে খারাপ অবস্থা রাজ্যের রাজধানী মুম্বইয়ের৷এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার একদিনেই মহারাষ্ট্র থেকে পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে একসঙ্গে ৪১টি ট্রেন রওনা হওয়ার কথা৷এখনই সেই ট্রেনগুলি রাজ্যে না পাঠানোর দাবি জানাল পশ্চিমবঙ্গ সরকার৷বিষয়টি দুই রাজ্যের মধ্যে কথা বলে মীমাংসা করতে বলেছে রেল৷মহারাষ্ট্র করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৫২ হাজার ছাড়িয়েছে৷দেশের মোট আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশের বেশিই এই রাজ্যের৷মৃতের সংখ্যা ১৬৯৫৷তার মধ্যে মুম্বইতেই মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে৷এই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্র থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের অন্য রাজ্যে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷বিশেষত মুম্বই বা তার সংলগ্ন এলাকাগুলি থেকে যে পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরছেন, তাঁদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা প্রবল৷এদিকে মঙ্গলবারই মুম্বই সহ মহারাষ্ট্র থেকে ৪১টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন রাজ্যের উদ্দেশ্যে ছাড়ার কথা৷কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেহেতু আমফানের জেরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যস্ত, তাই এখনই এই ট্রেনগুলিকে আনার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে রাজ্য সরকারের৷কারণ ট্রেনে করে আসা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ যাবতীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থার আয়োজন করা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষে কঠিন৷বরং ওই শ্রমিকদের থেকেই আরও বহু মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে৷রেলের তরফে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানানো হয়েছে, ট্রেন পাঠানো নিয়ে আপত্তি থাকলে তা মহারাষ্ট্র সরকারকেই জানাতে হবে৷দুই রাজ্য যদি ঠিক করে ট্রেন এখনই পাঠানো হবে না, তাহলে সেই মতো ব্যবস্থা করবে রেল৷এ দিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি দুই রাজ্যের সম্মতিক্রমেই হওয়া উচিত৷পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য রাজ্য যে কয়েকদিন শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন আসা বন্ধ রাখতে চাইছে, তাও জানান স্বরাষ্ট্রসচিব৷
বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে আন্তঃরাজ্য সরকারি বাস পরিষেবা। ২৫ জন যাত্রী নিয়ে কলকাতা, শিলিগুড়ি সহ সাত রুটে বাস পরিষেবা চালু করছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা ।বুধবার থেকে কলকাতা, শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেবে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের রায়গঞ্জ ডিপোর বাস।শিলিগুড়ি, কলকাতার পাশাপাশি বালুরঘাট, মালদহ ও চাঁচলগামী বাস পরিষেবা শুরু হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলায় বেশ কিছুদিন আগেই লকডাউন শিথিল হয়েছিল। লকডাউন শিথিল হবার কারণে ২০ জন যাত্রী নিয়ে আন্ত জেলা বেসরকারি বাস পরিষেবা চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।লোকসানের অজুহাত দিয়ে বেসরকারি মালিক সংগঠন রাস্তায় বাস নামায়নি।বাধ্য হয়েই উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা রায়গঞ্জ ডিপো থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে আন্তঃ জেলা চারটি বাস পরিষেবা চালু হয়েছিল।রাস্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার রায়গঞ্জ ডিপোর আধিকারিক বিজয় দাস জানিয়েছেন,বাস কন্ডাক্টর প্রত্যেক যাত্রীকে থার্মাল চেকিং করে বাস তুলবেন।কন্ডাক্টরের হাতে গ্লাভস, স্যানিটাইজার রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।স্টপেজে যাত্রী ওঠানো গেলেও তা কখনই ২৫ জনের উপরে নয়৷এমনটাই জানা গিয়েছে৷
এই লকডাউনের মধ্যে স্কুল ফি দেওয়া নিয়ে সারা দেশেই একাধিক বিতর্ক হচ্ছে৷তারমধ্যে আগুনে আরও ঘি পড়ল৷সম্প্রতি চণ্ডীগড়ের এক দম্পতি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন৷ চণ্ডীগড়ের অতুল ভোরা এই লকডাউনে বদ্ধ থাকা পরিবারের যন্ত্রণার কথা চিঠির ছত্রে ছত্রে ফুটিয়ে তুলেছেন৷নিজের চিঠিতে তিনি সন্তানের স্কুল ফি দেওয়ার জন্য কিডনি বিক্রি করার বিষয়টিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে৷মেয়ের স্কুল ফি দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে কোনও আর্থিক সঙ্গতি নেই তাই এই পথই তাঁর কাছে একমাত্র উপায়৷তিনি চিঠি লিখে জানিয়েছেন,একটি কোম্পানিতে তিনি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করেন৷আর এই লকডাউন পর্বে তিনি চাকরি হারিয়েছেন৷তাঁর পরিবারে পাঁচ সদস্য রয়েছে৷ আর পরিবারে একমাত্র তিনিই রোজগার করেন৷নিজেদের যা সামাণ্য সঞ্চয় আছে তার থেকে কোনওমতে দিন গুজরান হচ্ছে৷এখন তাদের পরিবার চালানোর একমাত্র সম্বল মায়ের পেনশন৷তার কাছে বাড়ি ভাড়া দেওয়ার মতো অর্থ নেই, নেই ইএমআই দেওয়ার মতো অর্থ, হেলথ ইনসিওরেন্স ও মেটাতে পারছেন না৷চণ্ডীগড়ের সেন্ট জোসেফস সিনিয়র সেকেন্ডরি স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশুনো করে মেয়ে৷স্কুল এই মুহূ্র্তে ডিসেম্বর অবধি ৩২ হাজার টাকার টিউশন ফি চাইছে৷ভোরা এর আগে ফি রেগুলেটরি কমিটি ও চণ্ডীগড়ের শিক্ষা দফতরের কাছে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন৷তাঁর দাবি এরা কেউই কোনও স্কুলকেই কোনও শোকজ করেনি৷বিভিন্ন পেরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নিজেদের স্কুলের এইরকম বিষয় নিয়ে সরব হয়েছে৷তিনি নিজের চিঠিতে লিখেছেন স্কুল ফি নিয়ে সরকার যদি এতটাই কড়াকড়ি করে তাহলে শিক্ষার বাণিজ্যি করণের জন্য শরীরের অঙ্গ বিক্রিকেও সরকারি স্বীকৃতি দিন৷যাতে স্কুল ফি দিতে গিয়ে নিজেদের কিডনি বেচতে পারেন৷চণ্ডীগড় পেরেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিতীন গোয়াল জানিয়েছেন, বেশিরভাগ স্কুল এতটা টাকা একেবারে চেয়েছে যা স্কুলের মোট টিউশন ফি-র সমান৷এই পরিস্থিতিতেও বাবা-মা কোনও রেহাই পাচ্ছেন না৷যদিও এরপর কী হয়েছে তা নিয়ে এখনও কেউ কোনও জবাব দেয়নি৷
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিড়াকাটা রেঞ্জের আমজোড় এলাকায় হাতির হানায় মৃত্যু হয় বছর কুড়ির রথিন মানা নামে এক যুবকের। গ্রাম ও জঙ্গল সংলগ্ন রাস্তাতে পাবজি খেলছিল যুবক, খেলাতে এতটাই মত্ত ছিল যে পিছন দিক থেকে 20-25 টি হাতি চলে আসে তা খেয়াল করিনি ওই যুবক ৷ তারপর হাতির কবলে পড়লে যা হয় তাই ঘটল ৷ পরিবারের লোকজন এবং পিড়াকাটা বনাঞ্চলের কর্মীরা ঐ যুবককে জখম অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
করোনা পরিস্থিতি এবং আমফান ঝড়ের প্রভাবে এবছর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বংশীহারী ব্লকের বিভিন্ন এলাকার করলা চাষ।একদিকে অপ্রস্তুত ভাবে আমফান ঝড়ের দাপটে বেশিরভাগ ক্ষেতের করোলা গাছ ক্ষেতেই ছিঁড়ে পড়েছে।
অপরদিকে করোনা পরিস্থিতিতে জারি লকডাউনে সময়মতো মিলছে না পর্যাপ্ত শ্রমিক , যার ফলে উৎপন্ন করলা, না তুলতে পাড়ার কারনে পচে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে জমিতেই । পাশাপাশি করলা চাষীদের অভিযোগ, বাজারেও মিলছে না উৎপন্ন ফসলের পর্যাপ্ত দাম। এইমত অবস্থায়, করোলা চাষে ব্যায় করা অর্থ টুকুও না উঠার কারণে চরম ক্ষতির আশঙ্কায় এখন কপালে চিন্তার ভাঁজ বংশীহারী ব্লকের করলা চাষিদের । ব্যাপক ক্ষতির মুখে এলাকার করলা চাষীরা সরকারি সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন।
আর একদিন বাদেই বাঙালির অন্যতম উৎসব জামাইষষ্ঠী।দুই মাসের বেশি সময় ধরে সারা দেশের সঙ্গে মালদা জেলাতেও চলছে লকডাউন পরিস্থিতি। একের পর এক উৎসব ম্লান হয়ে গেছে লকডাউনের কারনে। আগামী বৃহস্পতিবার বাঙালির অন্যতম উৎসব জামাইষষ্ঠী। এই উপলক্ষে বাজারে বিভিন্ন ফলমূল এবং বাঁশের তৈরি ডালি কুলার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। লকডাউনের ফলে ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসলেও দেখা নেই ক্রেতাদের।টানা দুইমাস পর জামাই ষষ্ঠী উপলক্ষে বিভিন্ন ফল মূল সহ অন্যান্য উপকরণ নিয়ে উপস্থিত হন ব্যবসায়ীরা কিন্তু ক্রেতাদের দেখা নেই। ফলে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের। বহুদিন বাদে তারা সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে বাজারে বসে ছিলেন। কিন্তু লকডাউনের কারনে ক্রেতাদের দেখা নেই বাজারে। অন্যান্য উৎসবের মতো জামাইষষ্ঠী উৎসবও ম্লান হতে চলেছে লকডাউনের কারনে।
সম্প্রতি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ধানের জমি গুলি পরিদর্শন করলেন বনমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি। এদিন তিনি জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে পুরাতন মালদার যাত্রা ডাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত ধানের জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এই বিষয়ে মন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি জানান মালদায় এই ঝড়ে বাড়িঘরের সেইরকমভাবে ক্ষতি না হলেও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে আম এবং ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ডাউন উঠতে এখনও বেশ কয়েকটা দিন বাকি। তবে তার আগেই শ্যুটিং শুরু করে দিলেন বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমার ও পরিচালক আর বালকি। তবে কঠিন নিয়মানুবর্তিতা মেনে, সতর্কতা মেনেই শ্যুটিং করতে দেখা গেল অক্ষয়কে। অক্ষয় কীভাবে সতর্কতা অবলম্বন করে শ্যুটিং করছেন সে ছবি ও ভিডিয়ো উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে লকডাউন ওঠার আগে কীসের শ্যুটিং শুরু করেছেন পরিচালক আর বালকি ও অক্ষয়। এবিষয়ে পরিচালক আর বালকি PTI-কে জানিয়েছেন, ”স্বাস্থ্য মন্ত্রকের একটি বিজ্ঞাপনের জন্যই এই শ্যুটিং হচ্ছে। তবে সমস্ত সতর্কতা মেনেই শ্যুট করা হচ্চে। লকডাউনে আমাদের কী মেনে চলা দরকার, কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, এই সব নিয়েই বিজ্ঞাপন। যেখানে অক্ষয়কে দেখা যাবে। আমরাও সেই সব সতর্কতা মেনে চলছি।” বালকি আরও জানান, ”শ্যুটিংয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। শ্যুটিংয়ে ঢোকার সময়ও স্যানিটাইজড গেট বসানো হয়েছে, সেটা পার করে তবেই শ্যুটিং সেটে ঢোকা হচ্ছে। সকলেই মাস্ক পরে রয়েছেন। খুব কম সংখ্যক লোকবল নিয়েই কাজ হচ্ছে। ” পরিচালক আরও জানান, ”প্রযোজক অনিল নাইডু আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন, আমরা কীভাবে অল্প লোকবল নিয়ে ও সতর্কতা মেনে শ্যুটিং করতে পারি। আর অবশ্যেই সেটা পুলিসের অনুমতি নিয়ে।” শ্যুটিং সেটের যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে সেখানে PPE কিট পরে এক স্বাস্থ্যকর্মীকেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে।