রাজ্যের উপকূল এলাকায় ফের ঝড়, বৃষ্টির সম্ভাবনা, পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

রাজ্যের উপকূল এলাকায় ফের ঝড়, বৃষ্টির সম্ভাবনা। সুন্দরবন অঞ্চলে ৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টায় ঝড়ের সতর্কতা। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনায়  বৃষ্টির পূর্বাভাস, জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

ভারতে এলেই গ্রেফতার! নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ত্রিপুরায়

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর পোস্ট। এবার বাংলাদেশি গায়ক মইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে দায়ের করা হল FIR। তার বিরুদ্ধে ত্রিপুরা পুলিসের কাছে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ত্রিপুরা পুলিস সূত্রে খবর, নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ত্রিপুরার দক্ষিণ জেলার বিলোনিয়া শহরের বাসিন্দা সুমন পাল। ইতিমধ্যেই সুমন পালের দায়ের করার অভিযোগের প্রতিলিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, বাংলাদেশ হাই কমিশন ও ত্রিপুরা জেলা পুলিস সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে। নোবেলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০৪, ৫০৫ ও ১৫৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য নোবেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন অভিযোগকারী সুমন পাল। নোবেলের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এই অভিযোগের ভিত্তিতে এদেশে এলেই নোবেলকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন ত্রিপুরা পুলিস।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করে একটি পোস্ট দেন বাংলাদেশের গায়ক নোবেল। তাঁর এই পোস্টের সমালোচনা করেন ভারত-বাংলাদেশ, উভয় দেশের নাগরিকরা। ঘটনার ঠিক পরেই বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন’ (RAB)-এর জেরার মুখে পড়তে হয় গায়ক মইনুল হাসান নোবেলকে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগে অসংখ্যবার বিতর্কে জড়িয়েছেন নোবেল। কখনও রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে মন্তব্য করে, কখনও আবার কিংবদন্তীদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করে। এমনকি ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নোবেলের বিরুদ্ধে।

গাফিলতি CESC রই, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সুজিত বসু


Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

বেলুড়ে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দমকল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বেসরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা CESC কে একহাত নিলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বলেন, গোটা ঘটনায় CESC র গাফিলতি রয়েছে। আমরা এই ধরণের কাজ করার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য তাদের জানাই। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু cesc উপযুক্ত ব্যবস্থা না করায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনা ঘটার পরই CESC কর্মীরা সেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় আমাদের কর্মীকে উদ্ধার না করে। শেষে দমকলের কর্মীরাই উদ্ধার করে মৃত কর্মীকে।
কাজে গিয়ে মৃত্যু হওয়া কর্মীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন দমকল মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যের তরফে মুখ্যমন্ত্রী ১০ লক্ষ টাকা ও একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়াও আমরাও যোগাযোগ রাখব তার পরিবারের সঙ্গে। এই সময়ে বিপদে মানুষের পাশে থাকতে কাজ করছেন তারা। তাই CESC র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্টেশনে পড়ে পরিযায়ী শ্রমিক মায়ের দেহ, ‘ঘুম’ থেকে তুলতে চাদর নিয়ে খেলে যাচ্ছে দুধের শিশু!

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

লস্টেশনে প্ল্যাটফর্মের উপর পড়ে মায়ের নিথর দেহ। আর মায়ের গায়ে জড়ানো চাদর নিয়ে খেলে যাচ্ছে বছর তিনেকের এক অবুঝ শিশু। কখনও চাদর ধরে টানছে সে। কখনও সেই চাদর নিয়ে নিজের মাথা ঢাকছে। কখনও চাদর ফেলে রেখে একবার প্ল্যাটফর্মে ঘুরে আসছে। এসেই আবার মায়ের গায়ের চাদর ধরে টানছে। মা শুয়ে আছে… অনেকক্ষণ ধরে। কিছুতেই উঠছে না। আর মাকে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুধের শিশু। কিন্তু মায়ের আর ‘ঘুম’ ভাঙছে না। মায়ের ‘ঘুম’ আর ভাঙবেও না কোনওদিন। কিন্তু অবুঝ শিশুমন তা বুঝবে কী করে? করোনা, লকডাউন, পরিযায়ী শ্রমিক! এই শব্দগুলোর সঙ্গে এখনও যে তাঁর কোনও পরিচিতি-ই ঘটেনি। তাই সে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাকে ‘ঘুম’ থেকে তোলার। দেশজুড়ে পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার এই নিদারুণ মর্মান্তিক ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে বিহারে।
পরিবারের লোকদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, গুজরাটে কাজ করতেন ওই মহিলা। বিহারে বাড়ি ফেরার জন্য রবিবার সেখান থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত স্পেশাল ট্রেনে ওঠেন ওই মহিলা। দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যাভাবে তাঁর শরীর ভালো ছিল না। এরপর ট্রেনের ভিতর খাবার ও জলের অভাবে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শেষে সোমবার মুজফ্ফরনগরে ট্রেন ঢোকার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। অত্যধিক গরম, খিদে ও জলকষ্টে ট্রেনেই প্রাণ হারান ওই মহিলা। 
এরপর ট্রেন মুজফ্ফরপুরে পৌঁছালে, ওই মহিলার নিথর দেহ ট্রেন থেকে নামানো হয়। দেহ নামিয়ে যখন প্ল্যাটফর্মে শুইয়ে রাখা হয়েছে, তখনই ওই মহিলার একরত্তি শিশু তাঁর গায়ে জড়ানো চাদর নিয়ে খেলতে শুরু করে। মাকে তোলার জন্য টানাটানি করতে থাকে সে। স্টেশনে উপস্থিত জনৈক ক্যামেরাবন্দি করে সেই ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিয়ো পোস্ট হতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। শুধু ওই মহিলা নয়, জানা গিয়েছে অত্যধিক গরম ও খিদেয় বিহারের ওই স্টেশনে মৃ্ত্যু হয়েছে বছর দুয়েকের এক শিশুরও। রবিবার দিল্লি থেকে পরিবারের সঙ্গে ট্রেনে উঠেছিল ওই শিশু।
একদিকে করোনার জেরে লকডাউন। কাজ নেই, টাকা নেই, খাবার নেই। অন্যদিকে তীব্র গরম, দাবদাহ, জল নেই। কষ্টটা চতুর্গুণ হয়ে গিয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য এক অসম লড়াই লড়ছেন ওরা। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর জন্য রেল স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সঙ্গে ঠিকমতো কো-অর্ডিনেশন করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গোপনে ৩ নম্বর বিয়ে! লুকিয়ে সংসার পাতলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক নোবেল

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

 ​ফের বিয়ে করলেন নোবেল। এই নিয়ে তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় গায়ক। মেহরুবা সালসাবিল নামে এক তরুণীর সঙ্গে তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িয়ে বসেন বাংলাদেশের এই বিতর্কিত গায়ক। যে খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে জোর শোরগোল। যদিও তৃতীয়বার বিয়ে নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি মইনুল আহসান নোবেল।
বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, ঢাকার নিকেতনের একটি ফ্ল্যাটেই মেহরুবা সালসাবিলকে নিয়ে সংসার পেতেছেন এই গায়ক। তাঁর আত্মীয়তের তরফেই প্রকাশ্যে এসেছে এই খবর। 
জানা যাচ্ছে, প্রথমে রিমি নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন নোবেল। সেই বিয়ে বেশিদিন টেকেনি। নোবেলকে বিচ্ছেদ দিয়ে, তাঁকে ছেড়ে চলে যান প্রথম স্ত্রী। এরপর এক আত্মীয়কে দ্বিতীয়বারের জন্য বিয়ে করেন নোবেল। তারপর গোপনে মেহরুবার সঙ্গেতৃতীয়বার সংসার পাতেন নোবেল। যা নিয়ে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে।

নতুন অশান্তি! ভারত—পাক সীমান্তে জন্মাতে পারে আট হাজার কোটি পঙ্গপাল

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে গোটা দেশ। এর মধ্যে আসামে বন্যা। আমফানে লন্ডভন্ড বাংলা ও ওড়িশায় বিস্তীর্ণ অঞ্চল। একের পর এক সমস্যায় জেরবার গোটা দেশ। এমনিতেই লকডাউনের জেরে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। দুবেলা খাবার জুটছে না অনেকেরই। আর এসবের মধ্যে নতুন অশান্তি পঙ্গপাল। পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢুকেছে পঙ্গপালের বিশাল দল। রাজস্থানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল নষ্ট করেছে এই পঙ্গপালের দল। হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশের চাষীরাও পঙ্গপাল হামলার আশঙ্কায় রয়েছেন। এরই মধ্যে রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, ভারত—পাক সীমান্তে সামনের মাসেই আট হাজার কোটি পঙ্গপালের জন্ম হতে পারে। সেই পঙ্গপালের দল আবার নতুন করে ভারতে হানা দিতে পারে।
মরু অঞ্চলের পঙ্গপাল। তাই চিন্তা বেশি। এদেরকেই ফসলের জন্য সব থেকে ক্ষতিকারক বলে ধরা হয়। ভারতে ১লা জুন বর্ষার মরশুমের শুরু। পঙ্গপালের দল স্যাতস্যাতে আবহাওয়া পেলে ডিম পাড়ে। ভারত—পাক সীমান্ত এলাকায় বর্ষার সময় আদ্রতা বেশি হয়। ফলে ওই অঞ্চলে পঙ্গপালের দল বেশি সংখ্যায় ডিম পাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্দাজ করা হচ্ছে, ১৫ জুন নাগাদ প্রাক বর্ষার বৃষ্টি হলেই পঙ্গপালের দল ওই এলাকায় ডিম পাড়তে শুরু করবে। তবে ভারত—পাক সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা এতটাই দুর্গম যে সেখানে পৌঁছে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া এত সহজ নয়। তবে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চাষীরা ইতিমধ্যে কীটনাশক ছড়িয়েছেন। ড্রোন—এর সাহায্য চাওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। পঙ্গপালের সমস্যায় কেন্দ্রীয় সরকার সবরকম সহায়তায় আশ্বাস দিয়েছে কৃষকদের।
জয়পুরের কৃষি বিভাগের সহ—সচিব এসপি সিং জানিয়েছেন, এখন দেশের যে অঞ্চলগুলিতে পঙ্গপালের দল রয়েছে সেখানে যুদ্ধকালীন তত্পরতায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাজারে হাজারে পঙ্গপাল মারা পড়ছে। কিন্তু এবার হানা দেওয়া পঙ্গপালের দল এতটাই বড় যে এঁটে ওঠা সহজ হচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, পঙ্গপাল এখন গ্লোবাল সমস্যা। বিশ্বের বহু দেশে পঙ্গপাল হানা দিয়ে ফসল নষ্ট করছে। ফলে আন্তর্জাতিক সমস্যা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘেও আলোচনা হতে পারে। ডিম পাড়ার আগেই পঙ্গপালের দলকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

লকডাউনের জের! আত্মহত্যা করলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

স্বপ্নগুলো সব শেষ হয়ে গিয়েছে। জীবনকে শেষ বিদায় জানানোর আগে এমনই একটি স্টেটাস দেন নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে।  এরপরই সব শেষ হয়ে যায়। লকডাউনের মধ্যে পের আত্মহত্যা করলেন টেলিভিশন অভিনেত্রী প্রেক্ষা মেহতা।  মাত্র ২৫ বছর বয়সেই সব শেষ করে দিলেন প্রেক্ষা। 
রিপোর্টে প্রকাশ, করোনা সংক্রমণের জেরে গোটা দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ার পর মুম্বই থেকে নিজের বাড়ি ইন্দোরে ফিরে যান প্রেক্ষা। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে থাকছিলেন তিনি।  বাড়িতে পৌঁছনোর পর এমন কী হয় যে তার জেরে আত্মহত্যা করতে হয় প্রেক্ষাকে!
জানা যাচ্ছে, লকডাউনের জেরে অন্য টেলি অভিনেতা, অভিনেত্রীদের মতো প্রেক্ষার কেরিয়ারেও ভাটা পড়ে। হাতে কাজ না থাকায় বিমর্ষ হয়ে পড়েন প্রেক্ষা।  সেই সঙ্গে বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কেও ভাটা পড়ে তাঁর।  এরপরই জীবনকে শেষ করে দেওয়ার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন টেলিভিশনের এই প্রতিভাবান অভিনেত্রী। 
লাল ইস্ক, মেরি দুর্গা, ক্রাইম পেট্রল-সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যায় প্রেক্ষা মেহতাকে। তাঁর মৃত্য়ুর খবর ছড়িয়ে পড়েই ভেঙে পড়তে দেখা যায় অন্য অভিনেতাদের।  করণ কুন্দ্রা থেকে সুরভি চন্দ কিংবা দিব্যা অগরওয়াল, প্রত্যেকে অবাক হয়ে যান।  প্রেক্ষার সামনে যখন গোটা জীবন পড়ে রয়েছে, সেই সময় কীভাবে মাত্র ২৫-এ তিনি নিজের জীবনশেষ করে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে শোক প্রকাশ করেন করণ কুন্দ্রা। অর্জুন বিজলানিও শোক প্রকাশ করেন প্রেক্ষার মৃত্যুতে।  সুরভি চন্দ বলেন, প্রেক্ষার মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন তিনি।
অন্যদিকে দিব্যা অগরওয়াল বলেন, আত্মহত্যা সবকিছুর সমাধান হতে পারে না। জীবন কঠিন, তাই লড়াই করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন দিব্যা। 
তবে এই প্রথম নয় যখন লকডাউনের জেরে অভিনেতারা আত্মহত্যা করলেন।  এর আগে মনমীত গ্রেওয়ালও আত্মহত্যা করেন।  শোনা যায়, লকডাউনের জেরে ফ্ল্যাটের ভাড়া বাকি পড়ে যায়। সবকিছু মিলিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন মনমীত।  

খাবার, জল ছাড়া বেঁচে ছিলেন ৭৬ বছর! গুজরাটের সাধু মারা গেলেন ৯০ বছর বয়সে

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

প্রহ্লাদ জানি। লোকে বলে চুনরিওয়ালা মাতাজি। গুজরাটের এই সাধু দাবি করেছিলেন, তিনি ৭৬ বছর ধরে বেঁচে ছিলেন খাবার, জল ছাড়া। গুজরাটের গান্ধীনগরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন শিষ্যরা। ৯০ বছরের এই সাধু স্থানীয়দের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। গোটা গুজরাটেই অবশ্য চুনরিওয়ালা মাতাজির অগণিত ভক্ত। ২০০৩ ও ২০১০ সালে দুবার বিজ্ঞানীরা চুনরিওয়ালা মাতাজির উপর গবেষণা চালিয়েছিলেন। সত্যিই কি তিনি ৭৬ বছর ধরে খাবার ও জল ছাড়া বেঁচে ছিলেন! বাস্তবে কি সেটা কখনও সম্ভব!
চুনরিওয়ালা মাতাজির দাবি ছিল, বেঁচে থাকার জন্য আর পাঁচজনের মতো তাঁর খাবার ও জলের প্রয়োজন পড়ে না। শ্বাস—প্রশ্বাসটুকু রয়েছে মানেই তিনি জীবিত রয়েছেন! আর তাঁকে রক্ষা করছেন ঈশ্বর। বনসকাথা জেলায় অম্বাজি মন্দিরের কাছে একটি গুহার ভিতর চুনরিওয়ালা মাতাজির আশ্রম রয়েছে। তাঁর মৃতদেহ এদিন সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই তাঁকে চরাদায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি জীবনের শেষ কয়েকটা দিন নিজের পুরনো জায়গায় কাটাতে চেয়েছিলেন। আশ্রমে তাঁর মরদেহ রাখা থাকবে দুদিন। সেখানে ভক্তরা এসে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। তার পর আশ্রমেরই একটি অংশে তাঁকে সমাধিস্থ করা হবে।
দেবী অম্বার পরম ভক্ত ছিলেন এই সাধু। আর সেই জন্য তিনি সব সময় লালা শাড়ি পরে থাকতেন। এমনকী সিঁথিতে সিঁদুরও দিতেন। অনেক ছোট বয়সে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। আধ্যাত্মিক চর্চা করবেন বলে। এর পর ১৪ বছর বয়স থেকেই নাকি তিনি খাবার, জল ছাড়া বেঁচে রয়েছেন। গত ৭৬ বছরে তিনি একবারও নাকি খাবার বা জল স্পর্শ করেননি। Defence Institute of Physiology and Allied Sciences (DIPAS) ২০১০ সালে তার উপর গবেষণা চালিয়েছিল। ১৫ দিন ধরে লক্ষ্য রাখা হয়েছিল, কীভাবে তিনি খাবার ও জল ছাড়া বেঁচে রয়েছেন! পরে জানানো হয়, প্রহ্লাদ জানি এভাবেই বেঁচে থাকা অভ্যেস করে ফেলেছেন। 

বিয়ের গয়নার তালিকাতেও মাস্ক! তবে কাপড়ের নয়, রুপোর

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

খ্যাটা ‘হাতে গোনা’ হলেও লকডাউনের মধ্যেও বিয়ে সেরে ফেলছেন অনেকে। আড়ম্বর, জৌলুসহীন হলেও দুই পরিবার একত্রিত হয়ে সেরে ফেলছেন বিয়ের পর্ব। কিন্তু বিয়েতেও চাই বিশেষ সতর্কতা! তাই এ ক্ষেত্রে মাস্ক ছাড়া গতি নেই। সে জন্যই এ বার বিয়ের অলঙ্কার হিসাবেও জায়গা করে নিল মাস্ক। তবে সে মাস্ক কাপড়ের নয়, একেবারে খাঁটি রুপোর তৈরি!
শুনতে অবাক লাগলেও এমনই রুপোর মাস্ক তৈরি করেছেন কর্ণাটক-মহারাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী বেলগাম জেলার অলঙ্কার ব্যবসায়ী সন্দীপ সালগাওকর। করোনা আতঙ্কের আবহে অলঙ্কার হিসাবে এই রুপোর মাস্ক ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে অসংখ্য মানুষের। বিয়ের পিঁড়িতে বসা বর-কনের মুখ ঢাকা থাকবে নকশা করা রুপোর মাস্কে। অন্যান্য মাস্কের মতো এটিও ইলাস্টিকের সাহায্যে দু’কানের পাশ দিয়ে মাথার পিছন দিকে বাঁধা থাকবে।
ওই অলঙ্কার ব্যবসায়ী জানান, বিয়ের অন্যান্য অলঙ্কারের মধ্যে বর-কনের মুখ ঢাকা থাকবে সাধারণ কাপড়ের মাস্কে, তা-ও কি হয়! তাই রুপো দিয়ে এই মাস্ক বানানোর কথা মাথায় আসে তাঁর। অলঙ্কার হিসাবে নতুনত্বের চমকে অনেক মানুষ এটিকে পছন্দও করেছেন।
জানা গিয়েছে, এই রুপোর মাস্কের ওজন বড়জোড় ২৫ থেকে ৩৫ গ্রাম। আর এর দাম আড়াই থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকার মধ্যেই। তাই বিয়ের গয়না হিসাবে এটিকে খুব একটা দামিও বলা যাবে না। ওই অলঙ্কার ব্যবসায়ী জানান, ইতিমধ্যেই এই মাস্ক তৈরির অনেক অর্ডার পাচ্ছেন তিনি। বিয়ের উপহার হিসাবেও রুপোর মাস্ক কিনছেন অনেকেই।

এবার কলকাতায় রাস্তায় নামল অটো, ভাড়া কত?


Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন। ইতিমধ্যে শুরু হচ্ছে সরকারি বাস চলাচল। যেখানে ২০ জন যাত্রীকে নিয়ে চালানো হচ্ছে বাস। আজ থেকে বাড়তে পারে সেই সংখ্যা। অন্যদিকে শহরে চলতে শুরু করেছে অটো। বেশি ভাড়া দিয়ে অটো চালাচ্ছে এমনটাই জানা যাচ্ছে। উত্তরের শোভাবাজার থেকে দক্ষিণের রাসবিহারী সর্বত্র অটো চালানো হচ্ছে। শোভাবাজারের অটো চালকরা জানাচ্ছেন, সরকার যতক্ষণ না বলছে ভাড়া বাড়াতে পারছি না, কিন্তু বেশিদিন দু’জন কে নিয়ে চালানো যাবে না।