রবিবার (৩ মে) সকালে সারাদেশে কর্নাভাইরাস নিয়ে লড়াইয়ে জড়িত কলকাতার দুটি হাসপাতালে ফুলের পাপড়ি বর্ষণ করার জন্য ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুমোদন প্রত্যাখ্যান করেছে।

রবিবার (৩ মে) সকালে সারাদেশে কর্নাভাইরাস নিয়ে লড়াইয়ে জড়িত কলকাতার দুটি হাসপাতালে ফুলের পাপড়ি বর্ষণ করার জন্য ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুমোদন প্রত্যাখ্যান করেছে।




নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আপনার ব্যবহৃত শব্দ এবং যোগাযোগ ভারতীয় সংবিধান ও রাজনৈতিক ইতিহাসের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এগুলি আপনার সাম্প্রতিক বা প্রথমবারের মতো উত্সাহ নয়: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধানখারকে একটি চিঠিতে। (ফাইলের ছবি)

এই সমালোচনামূলক সময়ে শুরুতে আমি তাকে গুরুতর পরিস্থিতির দিকে মনোনিবেশ করার এবং অনির্বাচিত জনদুর্ভোগ দূরীকরণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাই



নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাস সংক্রমণের তীব্রতার নিরিখে দেশের জেলাগুলিকে রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্যসচিবদের চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব প্রীতি সুদান। তিনি লিখেছেন, যেহেতু সুস্থতার হার বেড়েছে, তাই মাপকাঠি আরও বৃহত্তর করে বিভিন্ন এলাকাকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বিভিন্ন বিষয় ও সংক্রমণের ঘটনা, দ্বিগুণ হওয়ার হার, পরীক্ষার প্রসার ও নজরদারি সংক্রান্ত ফিডব্যাক বিবেচনা করে এই চিহ্নিতকরণ। কয়েকটি রাজ্য নির্দিষ্ট কিছু জেলার রেড জোনে অন্তর্ভূক্তি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। কিন্তু এটি একটি চলমান তালিকা। প্রতি সপ্তাহ তা সংশোধন করা হবে।
কেন্দ্রের ওই তালিকা অনুযায়ী, গোটা দেশে ১৩০টি জেলা রেড জোনে রয়েছে। আর ২৮৪টি জেলা রয়েছে অরেঞ্জ জোনে এবং ৩১৯টি গ্রিন জোনে। সেই তালিকায় দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০টি জেলা রয়েছে রেড জোনে। ৫টি রয়েছে অরেঞ্জে এবং ৮টি গ্রিন জোনে ।
সুদানের চিঠি অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ ও বিহারের পাঁচটি করে জেলা, দিল্লির ১১, জম্মু ও কাশ্মীরের ৪, ঝাড়খণ্ডের ১, কর্ণাটকের ৩, কেরলের ২, মহারাষ্ট্রের ১৪, ওড়িশার ৩, তামিলনাড়ুর ১২ ও উত্তরপ্রদেশের ১৯ জেলা রেড জোনে রয়েছে।
সুদান বলেছেন, কোনও জেলায় এখনও পর্যন্ত কোনও সংক্রমণ নেই বা গত ২১ দিনে কোনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি, সেগুলি গ্রিন জোন হিসেবে ধরা হবে।
বাফার জোনগুলিতে সংক্রমণের ঘটনার দিকে ব্যাপক নজরদারি চালাতে হবে। চিহ্নিত রেড ও অরেঞ্জ জোনগুলিতে বাফার জোন ও সংক্রামক জোনগুলির পুণর্বিণ্যাস ঘটাতে এবং বিজ্ঞপ্তি জারি করতে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিবের চিঠি অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের রেড জোনে রয়েছে দশ জেলা- কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং মালদহ।
পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার ৫টি জেলা অরেঞ্জ এবং৮টি জেলা গ্রিন জোন।

আনুরোধ শেষ পযর্ন্ত দেখুন যদি ভালোবাসেন

