বিজেপির অভিযোগ: রাজ্যে চাল চুরি, রেশন দুর্নীতি ও বিদ্যুৎ বিল মুকুব এর দাবিতে বিজেপি বালি বিধানসভার ১ ও ২ নম্বর মন্ডলের পক্ষ থেকে এস, ডি, ও অফিসের সামনে প্রতিকী অবস্থান বিক্ষোভ করে।

৭৬টি কনটেইনমেন্ট ও বাফার জোন। দেখে নিন হাওড়া পৌর কর্পোরেশন অঞ্চলের কোন কোন এলাকায় কনটেইনমেন্ট ও বাফার জোন।

হাওড়া পৌর কর্পোরেশন অঞ্চলে contain 76 টি কনটেইনমেন্ট এবং বাফার জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

কোভিড -১৯: পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যুর হার (12.8%) সবচেয়ে বেশি, কেন্দ্রীয় দলের চিঠি চিফ সেক্রেটারিকে .অপূর্ব চন্দ্র বলেছিলেন, ‘অত্যন্ত’ উচ্চ মৃত্যুর হার নিম্ন পরীক্ষা, দুর্বল নজরদারি এবং ট্র্যাকিংয়ের স্পষ্ট ইঙ্গিত।

রিচার্জের লিঙ্কে ক্লিক করলেই ২৫জি.বি ডেটা?? Scammer-দের নয়া ফাদ। সাবধান।

ভুলেও লিঙ্কে ক্লিক করলেই উড়ে যাবে সব টাকা ও পুরোপুরি Scammer-দের হাতে চলে যাচ্ছে আপনার ফোনে রাখা সব গোপন তথ্য। একটি নামি টেলিকোম সংস্থার নাম জালিয়াতি করেই চলছে scam। তাই সাবধান।

এবার প্রশ্ন হল, বাংলার সুরাপ্রেমীরাও কি সোমবার থেকে মদ কিনতে পারবেন?

West Bengal will open wine shops from tomorrow at Red,Orange, and green zones, there should be 6ft gap in the que and also need bamboo corridor to maintain social distance and also shop keeper will mandate no mask no wine and sanitizer should be used with every transaction, also the timing would be 10am to 6pm. Wine shops will not get opened in containment zone areas, shopping mall, And dense housing complex areas.

মার্চের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন। করোনা মোকাবিলায় সেই লকডাউন বাড়াতে হয়েছে দু’বার। আর লকডাউনের মধ্যে মদের দোকান বন্ধই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। ফলে সুরাপিপাসুদের মুখ ছিল ভার। তেষ্টায় গলা ফাটলেও কষ্ট বুকে চেপেই ঘুমিয়েছেন তাঁরা। তবে সোমবার থেকে ছবিটা অনেকাংশে বদলাতে চলেছে। কারণ শর্তসাপেক্ষে মদের দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কোন কোন রাজ্য ইতিমধ্যেই মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে? কী শর্তই বা মেনে চলতে হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমেই আসা যাক রাজধানী দিল্লির কথায়। কনটেনমেন্ট জোন বাদ দিয়ে সোমবার দিল্লিতে খুলছে সাড়ে ৪০০টি মদের দোকান। সবগুলিই স্ট্যান্ড অ্যালোন ও সরকারের খাতায় নথিভুক্ত দোকান। অর্থাৎ শপিং মল বা সুপারমার্কেটের মধ্যে নয়। ২২ মার্চ থেকে বন্ধ থাকার পর সোমবারই শাটার উঠবে এই দোকানগুলিতে। ফলে সুরাপ্রেমীদের ভিড় যে উপচে পড়বে, তা আন্দাজ করাই যায়। আর সেই কারণেই কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে চলা জরুরি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধিও। দিল্লির আবগারী দপ্তর জানাচ্ছে, শপিং মল, বাজারের দোকান মিলিয়ে ৫৪৫টি মদের দোকান রয়েছে রাজধানীতে। অর্থাৎ সোমবার থেকে অধিকাংশ মদের দোকানই খুলবে, তা উপরের সংখ্যা থেকেই স্পষ্ট।

মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে আবার জানানো হয়েছে, ৪ মে অর্থাৎ সোমবার থেকে রেড জোনেও খোলা থাকবে মদের দোকান। তবে সংক্রমক এলাকায় কোনও দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। প্রত্যেক লেনে পাঁচটি অনাবশ্যক দোকান খুলতে পারে। তবে অত্যাবশ্যক দোকানের ক্ষেত্রে এমন কোনও বাধানিষেধ থাকবে না। এই দুই রাজ্যের পাশাপাশি কর্ণাটক, অসম ও গোয়া সরকারও মদ কেনা-বেচার অনুমতি দিয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে সংক্রমক এলাকা বাদ দিয়ে স্যান্ড অ্যালোন মদের দোকানগুলিই সোমবার থেকে খোলা হবে। কর্ণাটকের আবগারী মন্ত্রী এইচ নাগেশ বলেন, “রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন- সব এলাকাতেই মদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুধু শপিং মল আর জনবহুল এলাকায় ও সংক্রমক এলাকায় খোলা যাবে না।”