বিহার

বিহার: যাত্রীদের জন্য পাটনা রেলওয়ে স্টেশনে অটোমেটেড ফেস মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ডিসপেন্সার মেশিন ইনস্টল করা হয়েছে 

জম্মু ও কাশ্মীর

Webdesk: Pic ANI
জম্মু ও কাশ্মীর: কুপওয়ারা পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর Rash টি জাতীয় রাইফেলস এলওসি https://t.co/6NgVGvRd2Q বরাবর কেরান গ্রাম ও বন এলাকায় একটি যৌথ অভিযানের সময় প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।Developed Reporter Samrat Ghosh

এটাই দুনিয়ার সব থেকে দামি আম! এক কেজি কিনতে অনেক ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গেলেন

Web Desk: ফলের রাজা আম। তাই তেমনই তার দাম! চলতি বছরে আমফান আম চাষে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। অকালে ঝড়ে গিয়েছে আম। চাষীদের মাথায় হাত। গরম পড়তে শুরু করেছে। সামনেই জামাইষষ্ঠী। এই সময় তো আম, কাঁঠালের গন্ধে চারপাশ ম ম করার কথা! কিন্তু এই বছর যেন সবই আলাদা। আমের গন্ধও নেই। জামাইষষ্ঠীর কেনাকাটাও প্রায় নেই বললেই চলে। করোনা আর আমফানের জোড়া থাবায় মানুষের জেরবার অবস্থা। হরেকরকম আম মেলে আমাদের দেশে। জানেন কি, আম খাওয়ার দিকেও ভারতীয়রাই সব থেকে এগিয়ে! তবে বিশ্বের সব থেকে দামি আম কিন্তু ভারতে পাওয়া যায় না। সেই আম এক কেজি কিনতে গিয়ে অনেক ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গেলেন। 
তাইও নো তামাগো। যার মানে Egg of the sun. এই প্রজাতির আম বিশ্বে সব থেকে দামি। এটির চাষ হয় জাপানের মায়াজাকি অঞ্চলে। বিক্রি হয় অবশ্য গোটা জাপানজুড়ে। প্রতি বছর প্রথম ফলন করা আম নিলামে তোলা হয়। আর সেই আম বিক্রি আকাশছোঁয়া দামে। তবে এই আমের ফলন আর পাঁচটা প্রজাতির আমের মতো হয় না। অর্ডারের উপর নির্ভর করে এই আমের ফলন। এই প্রজাতির আম অর্ধেক লাল, অর্ধেক হলুদ। জাপানে এই প্রজাতির আমের ফলন হয় গরম ও শীতের মাঝে। আর সেই জন্যই এই আমের দাম এমন চড়া হয়। ২০১৭ সালে এই প্রজাতির দুটি আমের নিলামে দাম উঠেছিল ৩৬০০ ডলার। অর্থাত্, প্রায় দুলাখ ৭২ হাজার টাকা। সেবার প্রতিটি আমের ওজন ছিল ৩৫০ গ্রাম। অর্থাত্ মাত্র ৭০০ গ্রাম আমের দাম দুলাখ ৭২ হাজার টাকা।

আপনি হয়তো ভাবছেন কী এমন আছে যে এই আমের এমন অস্বাভাবিক দাম! এই আমের চাষ করতে চাষীকে অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। প্রতিটি আম গাছে থাকাকালীনই ছোট জালে জড়িয়ে রাখা হয়। তার পর আমগুলিকে নির্দিষ্ট পজিশন—এ রাখা হয়। এতে করে সূর্যের আলো আমের একটি নির্দিষ্ট অংশে পড়ে। তা ছাড়া আমগুলিকে গাছ থেকে মাটিতে পড়তে দেওয়া হয় না। তারও ব্যবস্থা করা হয়। বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে আমের এক পাশে রুবি রেড রং ধরানো হয়। আর স্বাদের কথা বলাবাহুল্য। যেমন দাম তেমনই তার স্বাদ ও গন্ধ। 
Reporter Aniruddha Benerjee

পাক সেনার নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে দাউদ ইব্রাহিমকে!জল্পনা ফের তুঙ্গে; 

Web Desk: করোনায় মৃত্যু হয়েছে ডি কোম্পানির মালিক দাউদ ইব্রাহিমের। এমন জল্পনাতে গত সপ্তাহে উত্তাল ছিল নেট দুনিয়া। তবে ওই খবর একেবারে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে দাউদের ভাই আনিস ইব্রাহিম। সেখানেই থেমে নেই দাউদের মৃত্যু নিয়ে জল্পনা। নিউজ পোর্টাল সানডে গার্ডিয়ান-এর দাবি, পাক সেনার নির্দেশেই খুন করা হয়েছে মোস্ট ওয়ান্টেড দাউদকে। এমনকি পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-ও চাইছিল মাথা থেকে দাউদকে নামিয়ে দিতে।

কীভাবে এতবড় দাবি করা হচ্ছে

ওই পোর্টালটির দাবি, রাওয়ালপিন্ডিতে পাক সেনা সদর GHQ সূত্রে এমন কথাই বলছেন ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দারা। বলা হচ্ছে ২০১৭ সাল থেকেই পাকিস্তানে দাউদের কাজকর্মের ওপরে নজর রাখা হচ্ছিল। শুধু তাই নয় দাউদের আত্মীয়দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, ডি কোম্পানি প্রধানের মৃত্যুর খবর অস্বীকার করতে হবে। গোয়েন্দাদের দাবি, পাক সেনা চাইছিল দাউদকে পাকিস্তান থেকে ‘উধাও’ করে দিতে। কারণ বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের হত্যার সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল দাউদের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাউদকে প্রত্যার্পণ করার চাপ দিচ্ছিল ইসলামাবাদের ওপরে।

কীভাবে হত্যা

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, যে সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে দাউদ থাকে সেখানে থেকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম। বরং চিকিত্সার নামে তাকে সু-কৌশলে কোনও বিষ ইঞ্জেকশন দিয়ে দেওয়া হতে পারে। তার ফলেই তার মাল্টি অরগ্যান ফেলিওর হয়ে যায়।

কেন হত্যার সম্ভাবনা বেশি

পাকিস্তান বরাবারই দাবি করতো ওসামা বিন লাদেন পাক মাটিতে নেই। কিন্তু শেষপর্যন্ত অ্যাবোটাবাদের ক্যানটনমেন্ট এলাকার কাছ থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন নেভি সিল। দাউদ ইব্রাহিমের ক্ষেত্রেও একই দাবি করে আসছে পাকিস্তান। এর আগেও তার মৃত্যুর খবর রটানো হয়েছে। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন সহ একাধিক দেশের চাপ। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি নিয়মিত দাউদ সম্পর্কে তথ্য ওইসব দেশকে দিয়ে আসছে। আর তাতেই চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। ফলে পাক সেনার মাথা থেকে দাউদকে ঝেড়ে ফেলা অস্বাভাবিক নয়।Reporter Aniruddha Benerjee

দলিত মৃত্যু যোগী রাজ্যে! ইটের আঘাতে বাবা ও ছেলেকে পিটিয়ে মারল দুষ্কৃতীরা

Web Desk: সম্পত্তি ভাগাভাগির বিবাদের জেরে দলিত বাবা ও ছেলেকে পিটিয়ে মারল দুষ্কৃতীরা। উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের হনুমান নগরে দলিত কিষান লাল ও তাঁর ছেলে রাজেশের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিস। ৫২ বছরের কিষান লালের দেহ ঘরের ভিতরেই পড়েছিল, কিন্তু বছর বাইশের রাজেশের দেহ মিলেছে বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে একটি স্থানে।
 ১০ থেকে ১৫ জন মিলে বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে মেরেছে বাবা ও ছেলেকে। এমনটাই খবর মিলেছে পুলিসের তরফে। কিষন লালের মেয়ে গুড়িয়ার অভিযোগ, প্রতিবেশীরা তাঁর বাড়িতে ঢুকে এসে প্রথমেই রাজেশকে মারতে শুরু করে। রাজেশ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। তারপর অসুস্থ কিষান লালকে পিটিয়ে মেরে ফেলে ওরা। শনিবারের এই ঘটনার পর  বাবা ও ছেলের মৃতদেহকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিস।
মাঝোলা পুলিসের এসএইচও রাকেশ কুমার সিং জানিয়েছেন , পুলিস পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। মোরাদাবাদের এসপি অমিত আনন্দের কথা অনুসারে, বাবা ও ছেলেকে বারবার ইট দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলেছে দোষীরা। ৩০৪ ধারা ও তার সঙ্গে তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের নৃশংসতা রোধের ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত মোতিরাম ও সঞ্জয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিস। বাকিদের উদ্দেশ্যে তল্লাশি চলছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

‘আক্রান্ত’ বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত! মারধর-হেনস্থার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

Web Desk: আক্রান্ত বিজেপি নেতা  সব্যসাচী দত্ত।  লেকটাউন দক্ষিণদাঁড়িতে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়েন সব্যসাচী দত্ত। 
হামলার ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তকে বাধা দেন তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। সব্যসাচী দত্তকে হেনস্থা করা হয়।
এরপর লেকটাউন থানায় সব্যসাচী দত্ত অভিযোগ জানাতে গেলে, সেখানে থানার বাইরে পুলিসের সামনেও একপ্রস্থ গন্ডগোল বাধে দুই দলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। সব্যসাচীকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। 
বহিরাগত বলে স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টা জয়শ্রী রাম বলে স্লোগান দেন বিজেপি কর্মীরাও। বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় সব্যসাচী দত্তকেও।
Reporter Aniruddha Benerjee

রয়েছে মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম-নিরাপত্তা স্যুট, মোদী-ভিভিআইপিদের জন্য আসছে অত্যাধুনিক বিমান

Web Desk: প্রধানমন্ত্রী ও দেশের ভিভিআইপি-দের ব্যবহারের জন্য আসছে বিশেষ দুটি বিমান। ভারতের চাহিদা মতো বিশেষভাবে তৈরি দুটি B777 বিমান ভারতকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সরবারহ করবে বেয়িং। এমনটাই খবর সংবাদমাধ্যমে।
উল্লেখ্য, ওই দুটি বিশেষ বিমান কেনার জন্য অর্ডার আগেই দেওয়া হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে সরকার জানিয়ে দেয় বিমানদুটি ভারতের হাতে আসবে জুলাই মাসে। কিন্তু করোনা-সহ অন্যান্য সমস্যার জন্য সেই সরবারহ পিছিয়ে গেল।

কী বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে B777 বিমানে

প্রধানমন্ত্রী বা ভিভিআইপিদের জন্য থাকবে বিশেষ নিরাপত্তা স্যুট।

থাকবে মিশাইল ডিফেন্স সিস্টেম।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ওই দুই প্রযুক্তি ভারতকে ১৯০০ লাখ ডলারে বিক্রি করতে রাজি হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বিমানটি ওড়াবেন বায়ুসেনার পাইলট। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে এয়ার ইন্ডিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস লিমিটেড।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ব্যবহার করেন এয়ার ইন্ডিয়ার B747 বিমান। এটিকে বলা হয় এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান। বিমানটি ওড়ানোর দায়িত্বে থাকেন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট। এবার সেই নিয়মের বদল ঘটছে। বোয়িংয়ের নতুন বিমান এসে গেলে B747 বিমানকে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা হবে।
Reporter Aniruddha Benerjee

দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়েও বাসের দেখা নেই! বাড়ি ফিরতে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার অফিসযাত্রীরা

Web Desk: করোনার সংক্রমণ রুখতে বারংবার সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ধর্মতলায় অফিস ফেরত যাত্রীদের লাইনে ধরা পড়ল সম্পূর্ণ বিপরীত ছবি।

ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে অফিস ফেরত যাত্রীদের লম্বা লাইন।  সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের নাম গন্ধ নেই সেখানে। ষাটোর্ধ্ব মানুষজনও দাঁড়িয়ে রয়েছেন সেই লাইনে।

জিজ্ঞাসা করতেই তাঁরা জানালেন, অফিস থেকে বেরিয়ে পড়েছেন সাড়ে ৩টেয়। তারপর থেকে দেড় ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু বাসের দেখা নেই।

এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং যেন পিছনের সারিতে গিয়ে জায়গা পেয়েছে! লক্ষ্য একটাই, যেন-তেন প্রকারে বাড়ি ফিরতে পারলেই প্রাণে বাঁচে।

লকডাউন পর্ব কাটিয়ে শুরু হয়েছে আনলক হওয়ার পালা। এই আনলক হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ যেটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা হল গণ পরিবহন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাসের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন অফিসযাত্রীরা।

Reporter Aniruddha Benerjee

করোনা আবহে উপহার! জুনিয়র চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত রাজ্যের

Web Desk: রাজ্যের জুনিয়র চিকিৎসকদের জন্য সুখবর। স্টাইপেন বাড়ানো হচ্ছে ইন্টার্নদের। সোমবার এমনইটাই ঘোষণা করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এ দিন তিনি বলেন, “বিরাট একটা অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলছি আমরা। যাঁরা কোভিড যুদ্ধে প্রথম সারির যোদ্ধা, বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত তাদেরকে সম্মান জানানোর জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন। চন্দ্রিমা আরও জানিয়েছেন, প্রায় ১০,০০০ জুনিয়র ডাক্তার এতে উপকৃত হবেন। 

ইন্টার্নদের ভাতা ছিল ২৩,৬২৫, বেড়ে হল ২৮,০৫০

হাউস স্টাফ দের ভাতা ছিল ৩৮,৩৯১, বেড়ে হল ৪৩,৭৫৮

পোষ্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিদের (১ম বর্ষ) ভাতা ছিল ৩৮,৩৯১, বেড়ে হল ৪৩,৭৫৮

পোষ্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিদের (২য় বর্ষ) ভাতা ছিল ৪১,৩৪৪, বেড়ে হল ৪৭,১২৪

পোষ্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিদের (৩য় বর্ষ) ভাতা ছিল ৪৪,২৯৭, বেড়ে হল ৫০,৪৯০

পোষ্ট ডক্টর ট্রেনিদের (১ম বর্ষ) ভাতা ছিল ৪৭,২৫০, বেড়ে হল ৫৩,৮৫৬

পোষ্ট ডক্টর ট্রেনিদের (২য় বর্ষ) ভাতা ছিল ৫০,২০৪, বেড়ে হল ৫৭,২২২

পোষ্ট ডক্টর ট্রেনি (৩য় বর্ষ) ভাতা ছিল ৫৩,৭৫১, বেড়ে হল ৬০,৫৮৮

জুনিয়র ডাক্তারদের বর্ধিত ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে কার্যকর করা হবে বলেই জানানো হয়েছে।

Reporter Aniruddha Benerjee

ভারতের সীমানায় ঢুকলে কঠিন পরিণাম হবে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা মনে করালেন শাহ

Web Desk: লাদাখ নিয়ে চিন-ভারত সীমান্ত উত্তেজনা খানিকটা কমেছে দুদেশের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকের পর। শান্তিপূর্ণ উপায়ে আলোচনার মধ্যমে তা মিটিয়ে নেওয়ার হবে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। এর মধ্যেই সীমান্তে দখলদারি নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
সোমবার ভিডিয়ো কন্ফারেন্সের মাধ্যমে ওড়িশা জন সংবাদ র্যালিতে ভাষণ দিচ্ছিলেন শাহ। সেখানে তিনি বলেন, ভারতের সীমানা দখল করা কোনও ছেলেখেলা নয়। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমানহানার কথা মনে করুন। জঙ্গি হানা আমাদের সময়েও হয়েছে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী সময় নষ্ট করেননি। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে, বিমানহানা চালিয়ে পাকিস্তানকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। গোটা দুনিয়া বুঝতে পেরেছে ভারতীয় সীমানায় ঢুকে পড়া কোনও ছেলেখেলা নয়। এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে।
সম্প্রতি তিনি বিহারের জন্য এরকম একটি সভা করেছেন। আজ ছিল ওড়িশার জন্য। গত কয়েক বছরে কেন্দ্রের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন শাহ। তিনি বলেন, দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠাতা নিয়ে অনেকে ক্ষমতায় এসেছে। এতদিন কারও ক্ষমতা ছিল না ৩৭০ ধারা ৩৫এ ধারা বিলোপ করে। মোদী সরকার তা পেরেছে
ওড়িশায় নবীন পট্টনায়ককে নিশানা করে শাহ বলেন, ওড়িশায় ৪২ শতাংশ বাড়িতে পানীয় জল নেই। সেই জল সরবারহ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী চালু করেছেন জল জীবন মিশন। ২০২০ সালের মধ্যে দেশের ২৫ কোটি মানুষের কাছে নলের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে।Reporter Aniruddha Benerjee