Web Desk: অমিত শাহর ভার্চুয়াল সভার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিক্ষোভ দেখালেন বাম নেতা-কর্মীরা। স্লোগান ছিল, ভাষণ নয়, রেশন চাই। তাদের অভিযোগ, করোনা এবং আমফানের চরম দুর্দশার মধ্যে শাহ ভোট চাইতে এসেছেন। সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বলেছেন, শাহ সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে তিনি সিএএ ও এনআরসি-র নামে বাঙালিকে তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করতে চলেছেন। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় যোজনার টাকা নয়ছয় করার জন্য কেন্দ্র রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপি গণতন্ত্রকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছে, মমতা পাঠিয়েছেন আইসিইউতে। বিপর্যস্ত গরিবদের দেখভালের বদলে মোদি সরকার ব্যবসায়ীদের স্বার্থই দেখছে। যখন কয়েকশো সংক্রমণ ছিল তখন লকডাউন করা এবং যখন ২ লাখ মানুষ আক্রান্ত তখন লকডাউন তোলার কী যুক্তি বোঝা মুশকিল। এদিন আসানসোলেও বিক্ষোভ দেখান সিপিএমের কর্মীরা। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: লকডাউনে শুনশান সমুদ্রু উপকূল। আনাগোনা নেই পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষের। আর এই সময়ে ওডিশার সমুদ্র উপকূলে জন্ম নিয়েছে ২ কোটির বেশি অলিভ রিডল কচ্ছপ। এবছর ডিম পেরেছিল প্রায় ৪ লক্ষ ৭০ হাজার কচ্ছপ। আর সেই ডিম ফুটেই জন্ম নিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গাহিরমাথা স্যানচুয়ারিতে।
ওডিশার গাহিরমাথা বিচ অলিভ রিডলে কচ্ছপের জন্যে বিখ্যাত। প্রায় পাঁচ লাখ মা কচ্ছপ ডিম দিয়েছিল। সেখান থেকেই ২ কোটির বেশি কচ্ছপের জন্ম হয়েছে। তারা এখন বঙ্গোপসাগরে চলে যাচ্ছে। একটি মা কচ্ছপ সাধারণত ১০০ থেকে ১২০টি ডিম দেয়। ৪৫-৪৫ দিন সময় লাগে ইনকিউবেশন পিরিয়ডের জন্যে। তাদের জীবিত থাকার সময়কালও অন্যান্য কচ্ছপের থেকে বেশি। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk:মনুষত্ব আজ লুন্ঠিত, স্বামীর সৎকারে পেল না পাশের আত্মীয়-স্বজন স্বজাতিকে। স্ত্রী একাই করলেন স্বামীর সৎকার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি দেখা যায় যেখানে এক মহিলাকে চিতায় আগুন দিতে দেখা যায়। জানা গেছে, ঘটনাটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ এলাকায়।
কয়েকদিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় মৃত ওই ব্যক্তি। এরপরের তার অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। শনিবার রাতে ওই ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। এর পরেই বাঁধে বিপত্তি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে পরিবার পরিজনের কেউ সৎকার করতে এগিয়ে আসেনি। অগ্যত স্ত্রী-ই একা স্বামীর সৎকার সম্পন্ন করেন।Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk:জীবন আগে , নাকি জীবিকা ? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবী সংগঠনগুলো এখন আড়াআড়িভাবে দুই শিবিরে বিভক্ত। ফলে ব্যান পিরিয়ড উঠলেও আগামী ১৫ জুন থেকে ট্রলারগুলোর সমুদ্র যাত্রার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা আরও বাড়লো। জীবন-জীবিকার প্রশ্নে, জীবন শিবিরের পাল্লা ক্রমশ ভারী হচ্ছে ।একদিকে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা, আর অন্যদিকে আমফান ও লকডাউনের ধাক্কায় প্রস্তুতিতে বড় বাধা কাটিয়ে, ১৫ জুন সমুদ্রে না যাওয়ার পক্ষ নিচ্ছে জীবন শিবির। তাদের মূল বক্তব্য হলো – জীবন আগে। এই শিবিরের সমর্থক হিসেবে শৌলা, পেটুয়া ও শংকরপুর মৎস্য বন্দর ইতিমধ্যে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আর সমুদ্রে যাওয়ার পক্ষ নিচ্ছে, জীবিকা শিবির। তাদের মূল বক্তব্য হল- করোনা এই মুহূর্তে দেশ ও রাজ্য ছেড়ে চলে যাবে না। কিন্তু অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে জীবিকাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করে, ১৫ জুন সমুদ্রে মাছ শিকারে বেরিয়ে পড়াটা যুক্তিযুক্ত। দীঘা মৎস্য বন্দর এই শিবিরের বড় সমর্থক। পূর্ব মেদিনীপুরের এই চার মৎস্য বন্দরের মতো, ট্রলার মালিকরা ১৫ জুন সমুদ্রে যাওয়া, আর না যাওয়ার প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত। দীঘা মৎস্য বন্দরে জেটি নেই। তাই এখান থেকে কোন ট্রলার সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে অথবা ফিরে আসতে পারে না। শংকরপুর, শৌলা, পেটুয়া বন্দরে রয়েছে জেটি। তাই ট্রলারগুলোর মাছ ধরতে যাওয়া ও ফিরে আসার ক্ষেত্রে এই তিন বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম । এই তিন বন্দরে ট্রলারগুলি মাছ নিয়ে আসার পর , তা সড়কপথে দীঘা পৌঁছায়। দীঘার মাছের আড়তে তা বিক্রি হয়। কাজেই অনেকাংশে পেটুয়া, শৌলা ও শংকরপুরের উপর দীঘা নির্ভরশীল এমনটা বলা চলে। শৌলা ফিশারমেন এন্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিবেক করণ ও সম্পাদক সত্যেন সামন্ত রবিবার সন্ধ্যায় জানান, পাথরপ্রতিমা সহ পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন , বহিরাগত ট্রলার কর্মী বা ট্রলার চালককে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া যাবে না। করোনা সংক্রমণের ভয়ে বহিরাগত লোকজনকে দিয়ে এই এলাকায় কোন ভাবে বরফ ওঠানামা করা যাবে না । বহিরাগত জাল প্রস্তুত ও মেরামতির কারিগরকে এই এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। স্থানীয় বাসিন্দা ও মৎস্যজীবীদের নিয়ে আমাদের চলতে হয়। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৫ জুন শৌলা থেকে কোনো ট্রলার সমুদ্রে যাবে না। আবার, শংকরপুর ফিসারমেন এন্ড ফিস ট্রেডার্স এসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ নায়ক বলেন, ট্রলারে ১৪-১৫ জন কর্মী মাছ ধরতে যান। সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়। তাই আমরা আপাতত ১৫ জুন সমুদ্রে না যাওয়ার পক্ষ্যে। তবে দুই এক দিনের মধ্যে শংকরপুরের সংগঠন বসে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব । আবার, পেটুয়া বন্দরে মৎস্যজীবীদের পরিচালনা করে দেশপ্রাণ শ্রমিক ইউনিয়ন। তার সম্পাদক শ্যামল জানা বলেন, দীঘা বন্দর গ্রাম থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। কিন্তু পেটুয়া বন্দরের কাছে অনেক গ্রাম আছে। সেইসব গ্রামবাসীরা বহিরাগতদের এখানে করোনা সংক্রমণের জন্য আসতে দিতে নারাজ । তাই আমরা প্রাথমিকভাবে ১৫ জুন সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার পক্ষপাতী নয়। তবে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দেশপ্রাণ মৎস্য বন্দরের স্পেশাল অফিসার অরিন্দম সেনগুপ্তকে দুই-একদিনের মধ্যে আমরা বৈঠক ডাকতে বলেছি। এদিকে দীঘা ফিশারমেন এন্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন রবিবার বৈঠক করে ।এই সংগঠনের সভাপতি প্রণব কর বলেন, “ ১৫ জুন মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে। তাই যে সমস্ত ট্রলারমালিক ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিতে পেরেছেন ,তারা যাবেন । আর যারা এখনও প্রস্তুত নয়, তারা পরে যেতে পারেন, অথবা চাইলে নাও যেতে পারেন। আমাদের সংগঠনে দেড় হাজার ট্রলার মালিক রয়েছে। তাদের মধ্যে ১১৩ জন ট্রলার মালিক রবিবার আমাদের কাছে এক স্মারকলিপিতে জানিয়েছেন, বিভিন্ন অসুবিধার জন্য তারা ১৫ তারিখ সমুদ্রে যেতে পারবেন না । আমরা তাদেরকে নিয়ে ৯ জুন বৈঠকে বসব। তবে শৌলা পেটুয়া ও শংকরপুর ট্রলার যাওয়া-আসা না করতে দিলে, বিষয়টি প্রশাসনের এক্তিয়ারভুক্ত। আমরা দীঘা মৎস্য বাজার ১৫ তারিখ থেকে খুলে দেবো। কারণ এই মার্কেটের সঙ্গে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়ে জড়িয়ে রয়েছে।“ আরো এক ট্রলার মালিক দুর্গা শংকর দাস বলেন, মাছ ধরতে গেলে ট্রলারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সারা রাজ্য থেকে হাজার হাজার কর্মী ও চালক ট্রলারে মাছ ধরতে যান। সেক্ষেত্রে একজনের কারও করোনা সংক্রমণ হলে তা সকলের মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের করোনা হবে, তার দায় কে নেবে ? কিছু ট্রলার মালিক মুনাফা লাভের জন্য কর্মীদের ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছেন। এটা অমানবিক। আরও এক ট্রলার মালিক বলেন, এখন মৎস্য বন্দরের কাছাকাছি গ্রামবাসীরা ট্রলারমালিক ,কর্মী এমনকি জাল মেরামতকারীদের ট্রলারের কাছাকাছি যেতে দিচ্ছে না। বহু জায়গায় বাধা দিচ্ছে। মাছ ধরে আসার পর যদি ফের গ্রামবাসীরা বাধা দেন , তাহলে সেই মাছ বিক্রির নিশ্চয়তা কে দেবে ?
এই পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে কয়েকদিনের মধ্যেই প্রশাসনিক বৈঠকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই বৈঠকে মহকুমা শাসক, এলাকার সমস্ত বিডিও, সমস্ত থানার ওসি, বিভিন্ন মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতৃত্ব, গ্রাম প্রধান সহ সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মৎস্য দপ্তরের সহ মৎস্য অধিকর্তা সুরজিৎ বাগ বলেন , যারা মাছ ধরতে ইচ্ছুক ও অনিচ্ছুক- দুই শিবিরের পাশেই আমরা রয়েছি । প্রশাসনিক বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। তবে তার আগে আজ সোমবার শৌলা, শংকরপুর ও পেটুয়াঘাটের ট্রলার মালিকদের একাংশ কাঁথির মিন ভবনে সহ মৎস্য অধিকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেবেন । সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য ,বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে ট্রলারমালিক উত্তম বারিকের নেতৃত্বে তারা সেখান থেকে সাংসদ শিশির অধিকারীর কাছেও যাবেন । এখন জীবন-জীবিকার প্রশ্নে, প্রশাসন কি সিদ্ধান্ত নেয়, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে যুযুধান দুই শিবির Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk:আবারও বোমা বাজির ঘটনা বীরভূমে। এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে বোমা ছোড়ার মত ঘটনা ঘটল বীরভুমে জেলার সিউড়ি ২ নং ব্লকের জামুরিয়া গ্রামের ডোমপাড়া এলাকায়। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে এনিয়ে তদন্তে নেমেছে সিউড়ী থানার পুলিশ।অন্যদিকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞেসা বাদের জন্য বিজেপি সমর্থক শক্তিপ্রমুখ বৃন্দাবন ডোমের বাবা চাঁদ ডোম আটক করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, আজ বিজেপির ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলায় সভা করার কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি সভাপতি আমিত শাহের। আর সভা শুনতে সিউড়ি জামুরিয়া গ্রামের সকল বিজেপি কর্মীরা ব্যস্ত ছিল। ঠিক সেই সুযোগে জামুরিয়া গ্রামের ডোমপাড়ায় বিজেপির সমর্থিত শক্তিপ্রমুখ বৃন্দাবন ডোমের কাকার বাড়ি অর্থাৎ নিজয় ডোম, বিজয় ডোমের বাড়িতে কেউ যেন বোম ছুড়ে পালিয়ে যায়। এই কাজে কে বা কারা যুক্ত রয়েছে তা নির্দিষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে বোমা ফেটে কেউ হতাহত না হলেও, ঘটনাস্থলের কিছুটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।স্থানীয়দের মতে, এক বিকট শব্দ শোনা যায়। তবে ঘটনাস্থলে সন্দেহভাজন কাউকে দেখা যায়নি। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk:লকডাউনে ব্যবসা বন্ধ। এর জের আগেই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল মালিকেরা। এর জের অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু চাপের মুখে সেই নিয়ম থেকে পিছু হঠল হোটেল মালিকদের সংগঠন। সোমবার সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে আজ মঙ্গলবার থেকে বরাবরের মতো খোলা থাকবে হোটেলগুলি। আবাসিকদের রাখা হবে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিধি মেনে। পর্যটন শিল্পে মন্দার জেরে হোটেল চালানোর খরচ তোলা যাচ্ছে না। এই কারণ দেখিয়ে ১ জুলাই থেকে দার্জিলিংয়ের সমস্ত হোটেল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করে হোটেল মালিকদের সংগঠন। এর জেরে কপালে আকাশ ভেঙে পড়ে হোটেলে কর্মরত কয়েক হাজার কর্মীদের। এরপরেই আসরে নামে জিটিএ। হোটেল খোলা রাখতে চাপ বাড়ানো হয় মালিকদের ওপর। তাতেই কাজ হল সোমবার। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে বন্ধ হচ্ছে না দার্জিলিংয়ের হোটেল। এদিন পুলিশ, জিটিএ ও হোটেল মালিকদের বৈঠকের পর দার্জিলিং হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাংগে শিরিং ভুটিয়া বলেন, ‘দার্জিলিংয়ে হোটেল বন্ধ থাকবে একথা কখনো বলিনি। কর্মীরাও তাদের বেতন পাবেন। করোনার বিধিনিয়ম মেনে চালু থাকবে দার্জিলিংয়ের সব হোটেল।’ জিটিএর সভাপতি অনিক থাপা বলেন, ‘দার্জিলিংয়ে কখনও হোটেল বন্ধ হতে পারে না। হোটেল চালু রাখতেই হবে। কর্মীদেরও বেতন দিতে হবে। কোনও হোটেল কর্মীদের বকেয়া না মেটালে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে GTA.’ ফলে হোটেল খোলার খবরে স্বাভাবিকভাবেই খুশি কর্মীরা।Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk:ফের বাঘের আতঙ্ক বীরভুম জেলায় সিউড়ী ২ং ব্লকের পলসিটা গ্রামে। গ্রামের পাশেই রয়েছে ঘন জঙ্গল। আর সেই জঙ্গলেই বাঘ জাতীয় জন্তুর দেখা গেছে,দাবী এক প্রত্যক্ষদর্শীর।ঘটনা রবিবার রাতের।এনিয়ে আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। ঘটনার খবর পেয়ে পরদিন গ্রামে যায় পুলিস ও বন দফতরের কর্মীরা। তবে এবারও বাঘের দেখা পায়নি বন দফতর।
তবে গ্রামেরই এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান অনুযায়ী, তিনি রবিবার রাত্র ৯ নাগাদ কাজ সেরে পুরন্দরপুর থেকে নিজের গ্রাম অর্থ্যাৎ পলসিটা গ্রামে ফিরছিলেন জঙ্গলের পাশে রাস্তা দিয়ে, সেই সময় জন্তুটি দেখতে পান তিনি। এরপর আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীদের জানান। এই খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে জঙ্গলে এলে দেখা মেলে সেই জন্তুটির। বনদপ্তরে খবর দেওয়া হলে, বনকর্মীরা তেমন কিছু দেখতে পাইনি বলে জানা গেছে। এনিয়ে গ্রামবাসীদের দাবি, সন্ধ্যে হয়ে যাওয়ায় জঙ্গলের ভেতরে ঢোকা সম্ভব হয়নি গ্রামবাসী ও বনকর্মীদের।
তবে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে গোটা গ্রাম। যার জেরে এদিন থেকে পাহারায় নেমেছে গ্রামবাসীরা। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা নিজেরাই লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন।Reporter Aniruddha Benerjee
আসাম: তিনসুকিয়া জেলার বাঘজনে তেল ইন্ডিয়া লিমিটেডের গ্যাস কূপে ব্যাপক আগুন। জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এনডিআরএফ) এর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
আসাম: তিনসুকিয়া জেলার বাঘজনে তেল ইন্ডিয়া লিমিটেডের গ্যাস কূপে ব্যাপক আগুন। "ওয়েল অনিয়ন্ত্রিতভাবে গ্যাস প্রবাহিত করছে," গতকাল অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড জানিয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
Web Desk: কুমোরটুলি থেকে মেলবোর্নে পাড়ি দিল দুর্গাপ্রতিমা। আরও বেশ কিছু প্রতিমা বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায়। করোনা আবহে দুর্দিনের মধ্যেও আশার আলো কলকাতার পটুয়াপাড়ায়। করোনার প্রভাব পড়েছে সর্বত্র। বাদ যায়নি কুমোরটুলিও। বাতিল হয়েছে একের পর এক প্রতিমার অর্ডার। আচমকাই কাজ কমে যাওয়ায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে প্রতিমাশিল্পীদের। তবে এরমধ্যেই কুমোরটুলিতে আশার আলো। কারণ এখানকার তৈরি দুর্গাপ্রতিমাই পাড়ি দিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে। বিদেশে যাচ্ছে ঠাকুর। তারজন্য নিতে হয়েছে বিশেষ সতর্কতাও। প্রতিমাশিল্পী কৌশিক ঘোষ জানিয়েছেন, “করোনার কারণে এখন শিল্পীরা কম আসছেন। কাজ করার সময় প্রতিটা মুহূর্তে হাত স্যানিটাইজ করছি। প্রতিমাও স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। বিদেশে পাঠানোর আগে যে বাক্সে প্রতিমা যাবে তাও স্যানিটাইজ করা হবে।” শুধু মেলবোর্নই নয়। এখানে তৈরি আরও বেশ কিছু প্রতিমা বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই কানাডা, আমেরিকা, ইতালিতে যাবে ঠাকুর। প্রতিমাশিল্পীদের আশা, এবার হয়তো ঠাকুর মুখ তুলে চাইবে। নতুন কিছু বরাত আসবে। ফের আগের ছন্দে ফিরবে কুমোরটুলি।Reporter Aniruddha Benerjee