সাবাশ ভারতীয় সেনা! চিনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লাদাখে বেইলি ব্রিজ বানাল ভারত

চিনের লালচোখকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লাদাখে বড় সাফল্য পেল ভারতীয় সেনাবাহিনী। গালওয়ান নদীর উপর উঁচু খাড়া পাহাড়ের কোলে বেইলি ব্রিজ বা অস্থায়ী ব্রিজ বানালেন সেনার ইঞ্জিনিয়াররা। এখানে সমতল জমি প্রায় নেই। খুব সংকীর্ণ গিরিখাত। ভরা গ্রীষ্মেও হিমাঙ্কের খুব কাছে তাপমাত্রা। প্রবল ঠান্ডা এবং চিনা হুমকি অগ্রাহ্য করেই সাফল্যের সঙ্গে ৬০ মিটার লম্বা এই বেইলি ব্রিজ বানাতে সক্ষম হয়েছে ভারতীয় সেনা। এর ফলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে ভারতীয় সেনার ফরোয়ার্ড পোস্টগুলিতে ভারী যুদ্ধাস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম, রসদ, সেনা, যানবাহন সবই মসৃণভাবে যাতায়াত করতে পারবে। নদীখাতের উপর কয়েকটি কংক্রিটের পিলারের উপরের এই বেইলি ব্রিজটি বসানো হয়েছে।বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে সবরকমভাবে সাহায্য করা হয়েছে ব্রিজটি তৈরি করতে। চার লেনের এই ব্রিজটি গালওয়ান নদী ও শায়ক নদীর সংযোগস্থল থেকে তিন কিলোমিটার দূরে, ১৪ নম্বর পেট্রলিং পয়েন্টটি যেখানে ১৫ জুন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল দুই দেশের সেনাদের মধ্যে, সেখান থেকে নয়া ব্রিজটি মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে। শায়ক ও গালওয়ান, দুই নদী যেখানে মিশছে সেখানে রয়েছে ভারতীয় সেনার একটি বেস ক্যাম্প। এর নাম ‘১২০ কিলোমিটার বেস ক্যাম্প’। এই ক্যাম্পের সঙ্গে ভারতীয় সেনার বাকি ফরোয়ার্ড পোস্টগুলির মসৃণ যোগাযোগ রাখতে এই ব্রিজটি লাইফলাইন হিসাবে কাজ করবে। অন্যদিকে, দারবুক থেকে দৌলতি বেগ ওল্ডি পর্যন্ত ২৫৫ কিলোমিটার লম্বা রাস্তা রয়েছে তার কৌশলগত রক্ষাকবচ হিসাবেও এই ব্রিজটি দারুণ কাজ করবে। অর্থাৎ ওই রাস্তার কার্যকারিতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সদ্য নির্মিত ব্রিজটি। লাদাখের বিভিন্ন শৈলশিরা দিয়ে সেনা যানগুলি অস্থায়ী পথ তৈরি করে চলাচল করছে। সেনা শিবির গুলি দুর্গম এবং অনেক উঁচুতে রয়েছে। ফলে বাড়ছে ঝক্কি এবং ঝুঁকি। এই হয়রানি স্থায়ীভাবে কমিয়ে দিল এই বেইলি ব্রিজ। এমনটাই মত কৌশলগত বিশেষজ্ঞদের।এই ব্রিজ তৈরির কর্মসূচি বাতিল করতে বার বার হুমকি দিয়েছিল লালফৌজ। সেনা পর্যায়ের বৈঠকেও তারা ব্রিজ বন্ধ রাখতে ভারতকে হুমকিও জানিয়েছিল। কিন্তু ভারত বিন্দুমাত্র এসব তোয়াক্কা করেনি। চিনাদের চোখরাঙানি উড়িয়ে দিয়েই গালওয়ানে ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ করল বিআরও এবং সেনার ইঞ্জিনিয়াররা। চিনা সেনা ও চিনের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য ছিল, ‘গোটা গালওয়ান নদী উপত্যকাটাই চিনের। সেখানে ভারতীয় সেনার ব্রিজ তৈরির চেষ্টা বেআইনি।’ যদিও ভারত আগেই এই দাবি খারিজ করে দিয়েছিল। এক ভারতীয় সেনা অফিসার জানিয়েছেন, “আমরা ঠিকই করেছিলাম, যুদ্ধ হলে হবে। কিন্তু নিজেদের জমিতে ব্রিজ তৈরির কাজ থামাব না। দরকার পড়লে এই এলাকায় আরও বেইলি ব্রিজ তৈরি হবে কংক্রিটের পিলার ফেলেই।Developed Reporter Samrat Ghosh

গালওয়ানে উত্তেজনার মাঝেই ফের ডোকলামে নজর ড্রাগনের! বাড়ছে লালফৌজের টহল

একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর! গালওয়ান উপত্যকায় উত্তেজনার মধ্যেই সিকিম সেক্টরে চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, গত দুদিন আগে ডোকলাম মালভূমিতে রেইকি করে গিয়েছে চিনা সেনা। ভুটান সেনার আউটপোস্টে বেশ কিছুক্ষণ তারা সময় কাটিয়ে ডোকলাম পর্যন্ত এগিয়ে আসে। তারপর সেখানকার ভূ-কৌশলগত ছবি তোলে চিনারা। মিনিট তিরিশেক সময় ছিল তারা। ডোকলাম সীমান্তে ৫-৬ জন পিএলএ জওয়ানকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল বলে নয়াদিল্লি সূত্রে খবর।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এই জুন মাসেই প্রথম ভারত-চিন সংঘাত শুরু হয় ডোকলাম নিয়ে। সেইসময় টানা ৭২ দিন ভারত-চিনের সেনা মুখোমুখি ছিল। তারপর থেকে প্রতি মাসে এক-দুবার লালফৌজ ভুটান-চিন-ভারত সীমান্ত সংযোগকারী এই মালভূমিতে টহল দিয়ে যায়। দু-একদিন থেকে চলে যায়। ভুটান সেনার আউটপোস্টেই থাকে তারা। এ নিয়ে ভারতের তরফে কোনও বাধা দেওয়া হয় না। সেনা আধিকারিকদের কথায়, ডোকলামে ভারতীয় সেনাও টহল দেয়। চিনা সেনাকে বাধা দেওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু ডোকলামে কোনও নির্মাণের মতলব রয়েছে চিনের। পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ নিতে হবে।Developed Reporter Samrat Ghosh

শিক্ষক / শিক্ষিকা এখন আপনার বাড়িতে। বীরভূম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে”নিবিড় যোগসূত্র স্থাপন কর্মসূচি -২০২০”

“নিবিড় যোগসূত্র স্থাপন কর্মসূচি -২০২০”শিক্ষক / শিক্ষিকা এখন আপনার বাড়িতে। শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎকার। শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও বৌদ্ধিক পরিস্থিতি অবলোকন। শিক্ষার্থীদের পঠন-পাঠন সংক্রান্ত খোঁজ খবর, পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান। অভিভাবকদের সাথে কথপোকথন ও পারস্পরিক মত বিনিময়। কোভিড’১৯ পরিস্থিতিতে জেলার বিদ্যালয় গুলিতে পঠনপাঠন বন্ধ, শিক্ষার্থীদের পঠনপাঠন অব্যাহত রাখতে বীরভূম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে অভিনব “নিবিড় যোগসূত্র স্থাপন কর্মসূচি -২০২০” । বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান ডঃ প্রলয় নায়েক বলেন “বীরভূম দিয়ে বাংলায় প্রথম শুরু”

শুরু 22/06/2020 থেকে।

পরিদর্শন এর সময় 9 am থেকে 3 pm ।

প্রায় ৮ ঘণ্টা জেরা, সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে তথ্য ফাঁস করলো বান্ধবী রিয়া

Webdesk:রিয়ার ফোন স্ক্যান করে তাদের ব্যক্তিগত মেসেজ, ছবি, ভিডিও পাওয়া গেছে। এও জানা গিয়েছে ঝগড়া হওয়ার পরেও তাদের মধ্যে কথা হত। শুধু তাই নয় মৃত্যুর আগের রাতেও শেষ ফোন রিয়াকেই করেছিলেন সুশান্ত। তবে রিয়া পুলিশকে জানিয়েছে কিছুদিন ধরেই সুশান্তের আচরণে পরিবর্তন এসেছিল। অবসাদ কাটানোর চিকিৎসা চললেও ওষুধ খেতে চাইতেন না তিনি। এই একই কথা জানিয়েছিলেন রিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, লেখিকা সুহৃতা সেনগুপ্তও।বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর কেটে গিয়েছে ৫ দিন। তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করতেই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তী কে প্রায় আট ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে বেশ কিছু তথ্য। দীর্ঘদিন একসাথে ছিলেন তারা। চলতি বছরই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে জানা গিয়েছে মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয় এবং আলাদা থাকতে শুরু করেন রিয়া।অন্যদিকে মুম্বাই পুলিশের তরফে খুব শীঘ্রই ডাক পাঠানো হবে প্রভাবশালী প্রযোজনা সংস্থা যশরাজ ফিলমস কে। এর আগে একটি সাক্ষাৎকারে সুশান্ত জানিয়েছিলেন সিনেমা জগতের প্রথম দিকে তাদের সাথে তিনটি ছবি করার চুক্তি হয়েছিল তার। যার মধ্যে দুটি বাস্তবায়িত হলেও তৃতীয় ছবিটি আর করা হয়নি। কিন্তু সেই তৃতীয় ছবিকেই টোপ বানিয়ে প্রায় ১১ মাস অন্য কোনো ছবিতে সই করতে দেননি আদিত্য চোপড়া। যার ফলে পরপর হাতছাড়া হয়ে যায় ‘রামলীলা’ ও ‘বেফিকরে’র মতো সিনেমা। তবে শীঘ্রই খতিয়ে দেখা হবে সমস্ত চুক্তিপত্র। Reporter: Shrinjoy Ghosh

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওভার ব্রিজের উপর থেকে রেললাইনে পড়ল মালবোঝাই গাড়ি!

Web Desk: ওভারব্রিজের রেলিং ভেঙে রেল লাইনে পড়ল গমবোঝাই লরি। এই ঘটনায় তিন জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,শুক্রবার খড়্গপুরের গোকুলপুরে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর রেল ওভারব্রিজ দিয়ে রামনগরের দিক থেকে মেদিনীপুরের দিকে যাচ্ছিল গম বোঝাই লরিটি। সে সময় রেল ব্রিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীচের রেললাইনের উপর পড়ে। ওই সময় রেললাইনে কোনো ট্রেন না থাকায় বড়সড় দূর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে।এদিন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেলের আধিকারিকরা। ক্রেন দিয়ে তোলা হয় লরিটিকে।
Reporter Aniruddha Benerjee

ঘরে ফিরলেন কফিনবন্দি রাজেশ ওরাং, শোকে ভেঙে পড়ল মহম্মদবাজারের গ্রাম

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: দীর্ঘ অপেক্ষার পর ছেলে ঘরে ফিরল, কিন্তু কফিনবন্দি হয়ে। বৃহস্পতিবার গোটা দিনের অপেক্ষা বিফলে গিয়েছে। ভারত-চিন লড়াইয়ে শহিদ হওয়া ছেলেটাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন বলে অপেক্ষায় ছিল বীরভূমের মহম্মদবাজারের বেলগড়িয়া গ্রাম। দেহ ফেরেনি রাজেশ ওরাংয়ের। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ফের শহিদকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত হয়েছেন এলাকাবাসী। সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে রাজেশের কফিনবন্দি দেহ নিয়ে সেনা কনভয় পৌঁছে যায় বেলগড়িয়া গ্রামে। ফুল, মালা, গান স্যালুটে শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্বের পর বাড়ির পাশে সমাধিক্ষেত্রে চিরশয্যায় শায়িত হবেন শহিদ রাজেশ ওরাং।শুক্রবার সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ পানাগড়ের সেনাঘাঁটি থেকে শহিদ রাজেশ ওরাংয়ের দেহ নিয়ে বেরয় সেনা কনভয়। সেখান থেকে বীরভূমের মহম্মদবাজার পর্যন্ত গোটা রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করে বীরভূমে জেলা পুলিশ। জাতীয় সড়কে অন্য কোনও যান প্রায় ছিলই না। সিউড়ি হয়ে সেনা কনভয় যখন মহম্মদবাজারের দিকে এগোতে থাকে, তখনই কার্যত রাস্তায় জন অরণ্য। সকাল সকালই আশেপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষ বৃহস্পতিবারের মতো প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন।ঘড়িতে ঠিক ন’টা তিরিশ। জনতার ভিড়ের মাঝখান দিয়ে গ্রামে ঢুকলেন রাজেশ, বীরের মতোই। তফাৎ একটাই। আগে যতবার এসেছেন, নিজে হেঁটে এসেছেন। আর এবার এলেন সেনার শববাহী শকটে। শায়িত হয়ে, ফুল-মালায় সজ্জিত হয়ে। ফিরে এলেন একেবারেই, আর কখনও যুদ্ধক্ষেত্রে যাবেন না। রাজেশ এখন ঘুমোবেন, ঘুমিয়েই থাকবেন। জাগবেন না।ছেলের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন মা মমতা ওরাং। কার্যত কোনও কথাই বলতে পারছিলেন না। তাঁকে আগলে রাখতে হচ্ছিল। তবে শুক্রবার ছেলেকে এত সমারোহে ফিরতে দেখে ডুকরে কেঁদে উঠলেন। সেই কান্না আর বাঁধ মানল না।Developed Reporter Samrat Ghosh

চিনের সঙ্গে যুদ্ধের আবহে ৩৩টি যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ভারত

ভারত-চিনের মধ্যে সংঘাত শুরু হতেই ভারতীয় বায়ুসেনাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেল। এবার ১২টি অত্যাধুনিক সুখোই ও ২১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে ভারত। এর জন‌্য বায়ুসেনা ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।বায়ুসেনাকে আরও নতুন করে সাজানোর জন‌্য ইতিমধ্যেই ৩৩টি নতুন কমব‌্যাট এয়ারক্র‌্যাফ্ট কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই থাকবে ১২টি সুখোই, ২১টি মিগ-২৯। যুদ্ধবিমানগুলি দ্রুত কেনার জন‌্য কেন্দ্রের কাছে বায়ুসেনার তরফে অনুমোদন চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) এই পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন‌্য অনুরোধ করেছে। বিশেষ সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে এই অনুমোদনের ব‌্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। রাশিয়া থেকে যে মিগ-২৯ এবার আনানো হবে তা এই যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে আগের যে চুক্তি হয়েছিল তাতে বদল এনে আরও কিছু সংযোজন হবে। মিগ-২৯-এ দু’টি ইঞ্জিন থাকে। এই যুদ্ধবিমান শত্রুপক্ষের বিমানকে নিখুঁত লক্ষ্যে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। এর ওজনও সুখোই-৩০ এমকেআই বিমানের থেকে হালকা।উল্লেখ্য, সদ্য চিনের সঙ্গে ক্রমে বেড়ে চলা সংঘাতের (China) আবহে বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্রহ্মস ক্রুজ মিসাইলকে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে সরকার। এর ফলে নিরাপদ দূরত্ব থেকে চিনা সামরিক ঘাঁটি বা বিমান গুঁড়িয়ে দিতে পারবে ভারতীয় বায়ুসেনা। চলতি বছরের শুরুতেই ভারতের অত্যাধুনিক সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সফল সংযোজন ঘটানো হয়। মিসাইলটির নির্মাতা BrahMos Corporation জানিয়েছে, সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হয় গিয়েছে। এবার সরাসরি যুদ্ধে মিসাইলটিকে ব্যবহার করতে পারবে ভারতীয় বায়ুসেনা। লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে ব্রহ্মসকে সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার সবুজ সঙ্কেত দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। Developed Reporter Samrat Ghosh

করোনা রোগীদের ডায়েটে নজর, দু’বেলা মাছ-মাংসের মেনু বেঁধে দিল স্বাস্থ্যদপ্তর

করোনা হাসপাতালগুলীতে রোগীদের খাবারদাবারের মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল বিস্তর। অনেকেই বলছিলেন, পুষ্টিকর খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। এবার সেই সমস্যার সমাধান। দু’বেলাই মাছ অথবা মাংস পাবেন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকা করোনা রোগীরা। স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ, চিকিৎ‍সাধীন করোনা আক্রান্তদের আরও উন্নত গুণমানের প্রোটিনযুক্ত খাবার দিতে হবে। নয়া নিয়মে এখন থেকে রোগীদের খাবারের জন্য মাথাপিছু বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১৫০ টাকা।বিশেষজ্ঞরা আগেই জানিয়েছিলেন, নোভেল করোনা ভাইরাস আসলে ফ্ল্যাবিও প্রকৃতির ভাইরাস, যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খেলে এই ভাইরাসের কোষ ধ্বংস হতে পারে। স্বাস্থ্য দপ্তরের নয়া বিজ্ঞপ্তিতে বেঁধে দেওয়া হয়েছে খাবারের তালিকা। ব্রেকফাস্টে দেওয়া হবে ৪টি রুটি, ১টি ডিম, কলা ও দুধ। দুপুরের খাবারে ১০০ গ্রামের চালের ভাত থাকবে, ডাল রাখতে হবে ৫০ গ্রাম। দই থাকবে ১০০ গ্রাম। মাছ অথবা মাংসের পিস হতে হবে ৯০ থেকে ১০০ গ্রাম।

কলকাতার ৪০টি রুটে বন্ধ হল বাস পরিষেবা, দেখে নিন তালিকা

ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বার্তা না পাওয়ায় শুক্রবার থেকে বন্ধ হয়ে গেল প্রায় চল্লিশটি রুটের বেসরকারি বাস-মিনিবাস। যেগুলোর অধিকাংশই উত্তর শহরতলির সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ রক্ষা করে। হাতেগোনা কয়েকটি রুট চললেও বাসের সংখ্যা সেখানেও খুব কম। ফলে এদিন বিকেলের পর বাস না পেয়ে স্টপেজে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াতে হয়েছে অফিস ফেরত যাত্রীদের। তবে সরকারি বাস এদিনও রাস্তায় ছিল প্রচুর। মালিকদের দাবি, বাস চালিয়ে লাভ দুরস্ত চালানোর খরচ উঠছে না। তাই বাধ্য হয়েই অধিকাংশ রুট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ভাড়া না বাড়ালে বাস নামানো সম্ভব নয়।শুক্রবার দুপুরে পরিবহণ দপ্তরের এক্সপার্ট কমিটি বাস সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করে। কিন্তু ভাড়া বাড়ানো নিয়ে সেই অর্থে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিবর্তে অন্য উপায়ে কীভাবে আয় বাড়ানো যায় তা নিয়ে বাস মালিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। বাস মালিকদের দাবি, ট্রেন চালু হলে কীভাবে যাত্রীচাপ সামাল দিতে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ঠিক হয়েছে দুটি বাসের সময়ের ব্যবধান কমিয়ে ঘনঘন বাস চালাতে হবে। যাতে যাত্রীদের বেশিক্ষণ বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে না হয়। পাশাপাশি এক বাসে ভিড় না হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বাসের ট্রিপ বাড়ানোর দাওয়াই দিয়েছে পরিবহণ দপ্তরের কর্তারা। তাদের দাবি, ট্রিপ বাড়লে বাস মালিকদের আয় বাড়বে। চালানোর খরচ যেমন উঠবে তেমনই বাড়বে লাভ।বাস মালিক সংগঠনের দাবি, শুক্রবার থেকে ২৩০, ২১৪, ২১৪এ, ৩০এ, ৩০এ/১, ২০২, ৭৮, ৭৮/১, ৩২এ, ২৩৪, ৩সি/১-সহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রুটের বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই সমস্ত রুটের বাসগুলি অধিকাংশই উত্তর শহরতলি থেকে ছেড়ে শহরে ঢোকে। এগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ডানলপ, সোদপুর বারাকপুর, দমদম, সিথির মোড়, চিড়িয়ামোড় এলাকার যাত্রীরা বেশি সমস্যায় পড়বেন। টালা ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হওয়ার পর থেকেই উত্তরের মানুষ শহরে ঢুকতে বেশ বেগ পাচ্ছেন। আর লকডাউন শেষে অফিস কাছারি খোলার পর বাস কমে যাওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। তবু এই কয়েকদিন কিছু বাস চলছিল। এদিন থেকে তাও বন্ধ হওয়ায় সোমবার অফিস খোলার দিন সমস্যা আরও বাড়বে।বাস মালিকদের দাবি, টালা ব্রিজ ভাঙার পর ঘুরপথে বাস চলাতে এমনিতেই ক্ষতির বোঝা বেড়েছে। আর এখন তো বাসে যাত্রীই হচ্ছে না। এভাবে বাস চালানো দিনের পর দিন সম্ভব নয়। ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মূলত এই উত্তর শহরতলির বাস চলাচল দেখভাল করে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসু বলেন, “সরকারের উপর আমাদের আস্থা আছে। দেখা যাক কি হয়! তবে ভাড়া না বাড়ালে মালিকদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।” বাস মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ভাড়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে সিদ্ধান্ত কিছু হয়নি। ট্রেন চালু হলে ঘনঘন বাস চালানোর কথা বলেছে সরকার। সেক্ষেত্রে ট্রিপের সংখ্যা বাড়বে।” বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেটের সহ-সভাপতি টিটু সাহা জানান, এক্সপার্ট কমিটির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। আমরা সরকারের প্রতি আস্থা রাখছি। Developed Reporter Samrat Ghosh

করোনা রুখতে মিলছে না পিপিই, অমিল ছুটিও, নার্সদের বিক্ষোভে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে ধুন্ধুমার

কৃষ্ণনগর বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁদের ডিউটি দেওয়া হয়েছে কৃষ্ণনগরের কোভিড হাসপাতালে। ওই হাসপাতালে ডিউটি করার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, যেমন পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদি তাদের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও দেওয়া হচ্ছে না। জেলার অন্যান্য হাসপাতালে সাতদিন ডিউটি করার পর অন্তত এক সপ্তাহের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কোভিড হাসপাতালে ডিউটি করার পর তাঁদের নিজেদের পরিবারের কাছে যাওয়া কিছুটা বিপদজনক।: কোভিড (Covid-19) হাসপাতালে ডিউটি করতে তারা রাজি আছেন ঠিকই। অন্যান্য হাসপাতালের নার্সদের মতো তাঁদেরও সাতদিন ডিউটি করার পর এক সপ্তাহ ছুটি দিতে হবে। শুধু তাই নয়, কোভিড হাসপাতাল থেকে ডিউটি করে আসার পর কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা  করতে হবে, এমনই একাধিক দাবি তুলে শুক্রবার সন্ধ্যায় নদিয়ার কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন কর্তব্যরত নার্সরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে ওই হাসপাতালের প্রধান গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান ওই হাসপাতালে নার্সরা।Developed Reporter Samrat Ghosh