নয়াদিল্লি: চীনকে আর বিশ্বাস নেই। তাই লাদাখ সীমান্তে কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল নিয়ে এল ভারত। সোমবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শান্তি ফেরাতে আয়োজিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরের আরও একটা বৈঠকের আগেই।Developed Reporter Samrat Ghosh
সীমান্তে ড্রাগনের হুঙ্কার। অহরহ যুদ্ধের ভ্রুকুটি। দুই দেশেই চলছে চূড়ান্ত যুদ্ধপ্রস্তুতি। এরই মধ্যে আজ লাদাখ যাচ্ছেন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে (MM Naravane)। দু’দিনের সফরে চিন সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন সেনাপ্রধান। কথা বলবেন লেহ এবং লাদাখের দায়িত্বে থাকা সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে। গালওয়ান সীমান্তের সংঘর্ষে আহত সেনা জওয়ানদের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন জেনারেল নারাভানে। সীমান্তের পুরো পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে বৃহস্পতিবার দিল্লি ফিরবেন তিনি।উল্লেখ্য, রবিবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সঙ্গে বৈঠক করেছেন সেনাপ্রধান। প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিন সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধানকে। প্রয়োজনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারপরই জেনারেল নারাভানের এই লাদাখ যাত্রা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সূত্রের খবর, আজ বিকেলেই তিনি লেহতে ১৪ নং কর্পের কম্যান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। চিনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর প্রক্রিয়ার কী অগ্রগতি, তা জানতে চাইবেন সেনাপ্রধান। পাশাপাশি আগামী দিনে লাদাখে কোন পথে এগবে সেনা, তারও দিশা নির্দেশ করবেন জেনারেল নারাভানে। উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন রাতে গালওয়ান (Gallowan) উপত্যকায় ভারত ও চিনা সেনার সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। আহত হন আরও ৭৬ জন। সেই সংঘর্ষে চিনেরও বহু সেনা হতাহত হয়েছে। যদিও বেজিং এখনও হতাহতের সঠিক সংখ্যা ঘোষণা করেনি। সেদিনের সংঘর্ষের পর থেকেই গোটা দেশ চিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে। দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ যুদ্ধ রবও উঠছে। তবে সরকার এখনও আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের পক্ষে। সোমবারও দুই দেশের মধ্যে অসামরিক স্তরে দীর্ঘ একটি বৈঠক হয়েছে। প্রায় ১১ ঘণ্টার বৈঠকের পরও কোনও সমাধানসুত্র বের করতে পারেননি দুই দেশের আধিকারিকরা। আজ ফের দু’দেশের মধ্যে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা আছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
কয়েকদিন আগে তিনটি ভারতীয় ভূখণ্ড নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধান সংশোধন করিয়েছিল নেপাল। এই নিয়ে টানাপোড়েন চলার মাঝেই বিহারের সীতামারি জেলায় একজন কৃষক গুলি করে খুন করেছিল নেপালের সীমান্তরক্ষীরা। এবার সেই বিহারেই একটি বাঁধ (Dam) সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দিল তারা। বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রদপ্তরকে জানিয়েছে নীতীশ কুমারের প্রশাসন। এর ফলে বর্ষাকালে বিহারের মানুষ প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিহার সরকারের মন্ত্রী সঞ্জয় ঝা। এই বিষয়ে মঙ্গলবার একটি জরুরি বৈঠকেও বসছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপাল (Nepal) সীমান্তে অবস্থিত পূর্ব চম্পারণ জেলায় গণ্ডক বাঁধ সংস্কারের কাজ করছিল বিহারের জলসম্পদ দপ্তর। কিন্তু, ওই এলাকাটি নিজেদের বলে দাবি করে বাঁধ সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে নেপাল। নীতীশ কুমারের প্রশাসনের অভিযোগ, বহুদিন আগেই লালবাঁকি নদীর উপরে গণ্ডক বাঁধ তৈরি হয়েছে। এতদিন এই বিষয়টি নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্ত, এখন সেই বাঁধ সংস্কারের কাজ করার সময় বাদ সাধে নেপাল। ওই এলাকাটি তাদের বলে দাবি জানিয়ে জোর কাজ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বর্ষাকালে বিহারের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ প্রচণ্ড সমস্যায় পড়বেন।বিহার প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করে মীমাংসার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু, কোনও কথাতেই গুরুত্ব দিচ্ছে না তারা। বাধ্য হয়ে এই ঘটনার কথা ভারতে অবস্থিত নেপালের দূতাবাসে ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জানানো হয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
সচেতনতা বাড়াতে মাস্ক বিতরণ করছে কলকাতা পুলিশ। আনলক হওয়ার পর মাস্ক না পরে রাস্তায় ঘুরছেন বহু শহরবাসী। তাঁদের ধরতে চলছে পুলিশের অভিযান। একই সঙ্গে রাস্তায় থুতু ফেলার বিরুদ্ধেও শহরজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।লালবাজার সূত্র জানিয়েছে, জুন মাসে এখনও পর্যন্ত রাস্তায় মাস্ক না পড়ে বেরনোর অভিযোগে ৯ হাজার ২৭৫ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা শুরু করেছে। রাস্তায় যেখানে সেখানে থুথু ফেলার অভিযোগে ধরা পড়েছে ৫৫৫ জন। এর মধ্যেই কিছু শহরবাসীর কাছ থেকে পুলিশ তথ্য পেয়েছে যে, মাস্ক না পরলে জরিমানা নেওয়া হচ্ছে। যদিও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মাস্ক না পরার জন্য সরকারি নির্দেশ না মানার অভিযোগ ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে মামলা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আদালত।পুলিশ জানিয়েছে, গত মার্চ মাস থেকেই মাস্ক না পরে না বের হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু দেখা গিয়েছে, আনলক হওয়ার পরও মাস্ক না পরার অভ্যাস রয়ে গিয়েছে অনেকের মধ্যে। পুলিশের ভাষায়, মাস্ক পরে বেরনো এখন ‘নিউ নর্মাল’। তাই পুলিশের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে, এখনও রাস্তার উপর থুথু ও পানের পিক ফেলে চলেছেন বহু মানুষ। তাঁদের বিরুদ্ধেও ডিজাস্টার মানেজমেন্ট অ্যাক্টে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। Developed Reporter Samrat Ghosh
লাদাখে বাড়ছে উত্তেজনা। সোমবারই বেজিং স্বীকার করেছে, ১৫ জুন রাতে গালওয়ান উপত্যকায় দুই সেনার সংঘর্ষে তাদের এক কম্যান্ডিং অফিসারের মৃত্যু হয়েছে। এবার সিকিম সীমান্তে ভারতীয় জওয়ান ও লালফৌজের হাতাহাতির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। দাবি উঠছে, ওই ভিডিও সিকিম সীমান্তের। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বরফে ঢাকা পাহাড়ের উপর হাতাহাতি করছে ভারতীয় ও চিনা সেনা। এক চিনা অফিসারকে ঘুসি মারছেন এক ভারতীয় জওয়ান। তারপরই ধাক্কাধাক্কি করছে দুই পক্ষ। তার মধ্যেই দুই পক্ষেরই কয়েকজন চেঁচিয়ে বলছেন, ‘লড়াই কোরো না, ফিরে যাও’।ভারতীয় সেনা সূত্রের দাবি, ভিডিওটি সিকিম সীমান্তে তোলা। কিন্তু সেটা কবেকার তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। প্রসঙ্গত, ৯ মে সিকিমের নাকু লা-য় ভারতীয় ও চিনা সেনার ধস্তাধস্তি হয়েছিল। উল্লেখ্য, গালওয়ান উপত্যকায় উত্তেজনার মধ্যেই সিকিম সেক্টরে চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, কয়েক দিন আগে ডোকলাম মালভূমিতে রেইকি করে গিয়েছে চিনা সেনা। ভুটান সেনার আউটপোস্টে বেশ কিছুক্ষণ তারা সময় কাটিয়ে ডোকলাম পর্যন্ত এগিয়ে আসে। তারপর সেখানকার ভূ-কৌশলগত ছবি তোলে চিনারা। মিনিট তিরিশেক সময় ছিল তারা। ডোকলাম সীমান্তে ৫-৬ জন পিএলএ জওয়ানকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল বলে নয়াদিল্লি সূত্রে খবর। এবার এই ধস্তাধস্তির ভিডিও ডোকলামের কি না সেটাও স্পষ্ট নয়।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এই জুন মাসেই প্রথম ভারত-চিন সংঘাত শুরু হয় ডোকলাম নিয়ে। সেইসময় টানা ৭২ দিন ভারত-চিনের সেনা মুখোমুখি ছিল। তারপর থেকে প্রতি মাসে এক-দুবার লালফৌজ ভুটান-চিন ভারত সীমান্ত সংযোগকারী এই মালভূমিতে টহল দিয়ে যায়। দু-একদিন থেকে চলে যায়। ভুটান সেনার আউটপোস্টেই থাকে তারা। এ নিয়ে ভারতের তরফে কোনও বাধা দেওয়া হয় না। সেনা আধিকারিকদের কথায়, ডোকলামে ভারতীয় সেনাও টহল দেয়। চিনা সেনাকে বাধা দেওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু ডোকলামে কোনও নির্মাণের মতলব রয়েছে চিনের। পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ নিতে হবে।Developed Reporter Samrat Ghosh
‘শ্যামাপ্রসাদই আমাদের সবচেয়ে বড় আইকন’, বলছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মঙ্গলবার ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ৭০তম বলিদান দিবস। সেই উপলক্ষে মঙ্গলবার কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির রাজ্য দপ্তরের সামনে থাকা শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতেও মাল্যদান করেন তিনি।কেওড়াতলায় শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মাল্যদান করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad mukherjee) আমাদের সবচেয়ে বড় আইকন (Icon)। বিবেকানন্দ এবং নজরুলও আমাদের আইকন। বাঙালির সংস্কৃতি ও কৃষ্টি নিয়ে বিজেপি এগোচ্ছে।’ এরপরই নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘আমরা মনীষীদের সম্মান করি। নেতাজির ছবির উপর নিজেদের ছবি লাগাই না।’শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বলিদান দিবসে উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন মানুষ। পাশাপাশি আজ বিভিন্ন কর্মসূচিও নিয়েছে বিজেপি। প্রথমে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা ও সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-সহ অন্যান্য নেতারা। পরে বিজেপি রাজ্যদপ্তরের সামনে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু-সহ অন্যরা। পাশাপাশি হুগলি জেলার জিরাটে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈত্রিক ভিটেতে স্থাপিত ভারতকেশরীর মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় সংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যের বহু রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল বিজেপি।শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মাল্যদান করার পর কুমারটুলিতে অবস্থিত ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যান দিলীপ ঘোষ। সেসময় মন্দিরের পুরোহিতরা দিলীপ ঘোষকে অনুরোধ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একবার মন্দিরে নিয়ে আসার জন্য। দিলীপ ঘোষ পুরোহিতদের আশ্বাস দেন। বলেন, ‘নিশ্চয়ই চেষ্টা করব। আপনাদের এই আমন্ত্রণের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানাব। তাঁকে এই মন্দিরে আসতে অনুরোধ করব। দেশভাগের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে প্রাচীন এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সঙ্গে।’Developed Reporter Samrat Ghosh
নিযোগ বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।আর্থিক সংকট কাটাতে এবার নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। জানা গিয়েছে, নতুন সব ধরনের পদকে ‘ফ্রিজ’ করা হবে। পাশাপাশি, এখনও যে নিয়োগগুলি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে সেগুলির প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৈরি হচ্ছে আকশন প্ল্যান।সূত্রের খবর, ব্যায় সংকোচনের জন্য একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। জেনারেল ম্যানেজার ও ডিআরএমদের বার্ষিক নিরীক্ষনের ব্যায় সংকোচন করা হবে। আধিকারিকদের অধিকাংশ মিটিং, ই-অফিস ভিডিও কনফারেন্সে হবে। কাগজ ও কারটেজের পঞ্চাশ শতাংশ খরচ কমাতে ফাইল চালাচালি বন্ধ হবে। কমানো হবে স্টাফদের গাড়ির খরচ। নতুন ফার্নিচার, গাড়ি, কম্পিউটার, প্রিন্টার, কেনা বন্ধ। বার্ষিক সভা থেকে উদ্বোধনের কাজ সবই হবে অনলাইনে। সুরক্ষা, চিকিৎসা ছাড়া সব বিভাগে ক্যাশ আওয়ার্ড দেওয়া বন্ধ করা হয়েছেপাশাপাশি, রি-এনগেজ কর্মীর সংখ্যাও কমানো হবে বলে জানা গিয়েছে। গত দু’বছর ধরে যে সব শূন্য পদ রয়েছে, তা ভরতি প্রক্রিয়া শুরু না হলে তা ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রিজার্ভেশন কেন্দ্র কমিয়ে সেই কর্মীদের অন্যত্র কাজ করানো ও রক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে একাধিক বিভাগে কাজ করানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্তে চরম ক্ষুব্ধ শ্রমিক সংগঠনগুলি। পূর্ব রেলের মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ অভিযোগ করেন, ১৯৭৪ সালে রেলে কর্মী সংখ্যা ছিল কুড়ি লক্ষ। এখন কমে ১৩ লক্ষে নেমেছে। অথচ প্রচুর গাড়ি বেড়েছে। কাজের প্রক্রিয়া বেড়েছে। কর্মী কমানোয় কর্মরতদের উপর বাড়তি চাপ পড়ছে। পাশাপাশি বেকারদের স্বপ্ন পূরণ হবেনা।Developed Reporter Samrat Ghosh
তরুণ-তুর্কি যুবকদের সাহায্য পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ।করোনার কারণে হোম আইসোলেশনে আছে জেলার কয়েক হাজার পরিবার। শুধু জেলার নয়, কলকাতার বহু মানুষ এই মুহূর্তে করোনার কারণে আছেন আইসোলেশনে। সেই সমস্ত মানুষরা নিজেদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারের জন্য বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না কোভিডের বিধিনিষেধ থাকার কারণে। আর সেই সমস্ত মানুষ দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার পৌঁছে দিতে শুরু করলেন বেশ কয়েকজন যুবক। যারা সকলেই তৃণমূলের ‘জয় হিন্দ বাহিনী’র সদস্য। ইতিমধ্যেই কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার তিনশো পরিবারকে প্রতিদিন খাবার সরবরাহ করে আসছে তারা।শুধু নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার দিচ্ছে তাই নয় সঙ্গে থাকছে ফল, বিভিন্ন ধরনের জুস এবং বেবি ফুড। ইতিমধ্যেই এই কাজে নেমে পড়েছেন জনা পঁচিশ যুবক। যারা প্রতিদিন পায়ে হেঁটে কিংবা মোটরসাইকেলে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন সেই সমস্ত কভিডে আইসোলেশন এ থাকা পরিবারগুলিকে। আইসোলেশনে থাকা এক পরিবারের সদস্য জানালেন, ‘পরিবারের রোজগেরে সদস্য বেঙ্গালুরু থেকে কাজ করে ফেরার পর এলাকার লোকজন আমাদেরকে আইসোলেশনে থাকতে বলেছেন। প্রশাসনের কর্মীরা আমাদের বাড়ি থেকে না বের হতে নির্দেশ দিয়েছেন। সেইমতো আমরা বাড়ি থেকে বের হচ্ছি না। কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে কেউ বাইরে যেতে পারছি না। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দেখতে পেলাম। এবং সেখানে ফোন করার পর থেকেই প্রতিনিয়ত আমরা খাওয়ার পারছি বাড়িতে বসেই। আপাতত কোনও সমস্যাই নেই। শুধু খাবার নয় কিছু ওষুধের প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল তাও পেয়েছি আমরা।’এ বিষয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি পল্লবকান্তি ঘোষ বলেন,”লকডাউন শুরু হতেই আমরা বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প এবং গরিব মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলাম। আমফানের প্রচুর সাহায্য করেছি আমরা। বর্তমানে যে সমস্ত মানুষরা কোভিডের কারণে আইসোলেশনে আছে তাঁদেরকে আমরা খাবার পৌঁছে দিচ্ছি বাড়িতে। শুধু আমাদের কাছে ফোন করলেই বাড়ির একটি নির্দিষ্ট জায়গাতে পৌঁছে যাবে খাবার। যতদিন করোনার প্রকোপ থাকবে ততদিন আমাদের এই কর্মসূচি চালু থাকবে।’ Developed Reporter Samrat Ghosh
ভারত থেকে এবার হজে যাওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিলেন ২ লক্ষ ৩০ হাজারের বেশি . বাইরে থেকে আর কাউকে হজে আসতে দেওয়া হবে না। সোমবার একথা পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হল সৌদি আরবের পক্ষ থেকে। করোনা মহামারির সংক্রমণের কারণে এবার হজযাত্রা নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। শেষ পর্যন্ত হজ (Haj) আয়োজনের বিষয়ে ছাড়পত্র দিলেও বিদেশ থেকে কাউকে যোগ দিতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হল।এপ্রসঙ্গে সোমবার সৌদির হজ ও উমরাহ বিষয়ক মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, অনাড়ম্বরে ভাবে এবারে হজের আয়োজন করা হচ্ছে। এতে খুব কম সংখ্যক মানুষই অংশ নিতে পারবেন। দেশের বাইরে থেকে এবছর কাউকে হজে আসতে দেওয়া হবে না। বিভিন্ন দেশের যে সমস্ত নাগরিক বর্তমানে সৌদি আরবে (Saudi Arabia) রয়েছেন। একমাত্র তাঁরাই হজ পালন করতে পারবেন। প্রচুর মানুষের সমাগম হলে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাবে আশঙ্কা থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও জানানো হয়েছে, মার্চ মাসে উমরাহ পালনের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হলেও হজের বিষয়ে টানাপোড়েন চলছিল। পরে হজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে তা পালন করার কথা ঘোষণা করা হয়। হজে অংশ নেওয়া সবাইকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি বয়স্কদের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।সৌদির তরফে এই ঘোষণার পরেই হজযাত্রার জন্য নথিভুক্তকারী ভারতীয়দের টাকা ফেরানোর কথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি। মঙ্গলবার এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার হজ যাত্রীদের আমার সৌদি আরবে না পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ডায়রেক্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে নথিভুক্তকারী ২ লক্ষ ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে তাঁদের পুরো টাকাই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।