অভিনেতার খোলস ছেড়ে একেবারে সাধারণ ‘কৃষক’! রিল নয়, রিয়েল লাইফে।রুপোলি পর্দায় গল্ফতারকা হিসেবে ধরা দিন অথবা সাইকো কিলার হয়ে, তাঁর জন্য প্রশংসার ভাণ্ডার সর্বদা পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু এসব চরিত্রের আড়ালে যিনি থাকেন, তিনি আক্ষরিক অর্থেই মাটির মানুষ। নাহলে এত বড়মাপের বলিউড অভিনেতা হওয়ার পর কি কেউ খেতে কোদাল নিয়ে চাষবাস করতে পারেন! হ্যাঁ, বিশ্বাস না হলেও এমনটাই করতে দেখা গিয়েছে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকিকে।লকডাউনের জেরে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ মুম্বইয়ের স্টুডিও। তাই কাজে খানিক বিরতি নিয়ে গত মে মাসে মায়ের সঙ্গে ইদ উদযাপন করতে উত্তরপ্রদেশের দেশের বাড়ি চলে যান নাওয়াজ। বি-টাউনে স্টুডিওর তালা খুললেও অভিনেতা এখনও বাড়িতেই রয়েছেন। সরকারি নির্দেশ মেনে বুধানায় পৌঁছে তাঁকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনেও থাকতে হয়েছিল। সেসব আপাতত শেষ। তাই দেশের বাড়িতে এখন একেবারে অন্যরকমভাবে দিন কাটাচ্ছেন নওয়াজ। পরিবারকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি তিনি অনেকক্ষণ থাকছেন প্রকৃতির কোলে। যে সুযোগটা বাণিজ্যনগরীর চাকচিক্যের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না। কোদাল হাতে মাটি কাটছেন। আলের জলে হাত-পা ধুয়ে নিচ্ছেন। কে বলবে, তিনিই কি না পর্দায় অবর্তীর্ণ হলে সিনেমা হলে হাততালির শব্দে কান পাতা দায় হয়!নওয়াজ চাষাবাদের একটি ভিডিও নিজেই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন। যা দেখে মুগ্ধ তাঁর অনুরাগীরা। অভিনেতার খোলস ছেড়ে তিনি একেবারে তখন ছা-পোষা ‘কৃষক’! অভিনয় জগতের মেকি চালচলন তাঁর ভাললাগা-ভালবাসাকে এতটুকু কবজা করতে পারেনি। এই সারল্যই তাঁকে রিয়েল লাইফেও অনুরাগীদের কাছে ‘হিরো’ করে তুলেছে।সম্প্রতি স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকির সঙ্গে ‘ঘুমকেতু’ অভিনেতার বিবাহ বিচ্ছেদের মামলার কথা শিরোনামে উঠে এসেছিল। আলিয়া অভিযোগ তোলেন, তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হত। সেই কারণেই আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা ভাবেন তিনি। তবে এই ভিডিওই বলছে, আপাতত নিজের দুনিয়ায় ভালই আছেন নওয়াজ।
Category Archives: Uncategorized
করণ-সলমনদের বয়কট করার দাবি, সুশান্ত-ভক্তদের অনলাইন পিটিশনে সই পড়ল ৪০ লক্ষ
সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার পর থেকে তদন্তের দাবি তুলে সরব নেটিজেনরা। অভিনেতার আত্মহত্যার পিছনে বারবার উঠে আসছে অবসাদের কথা। করণ জোহর, সলমন খানদের মতো দাপুটে তারকাদের ব্যান করার দাবি উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু তা সেখানেই শুধু সীমাবদ্ধ নেই। এবার করণ-সলমনের বিরুদ্ধে শুরু হল এক অনলাইন পিটিশন। সেখানে ইতিমধ্যেই ৪০ লক্ষেরও বেশি সই পড়েছে।১৪ জুন সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে বারবার উঠে আসছে নেপোটিজমের কথা। বলিউডে তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরেই জায়গা করে নিয়েছিলেন। ‘কাই পো চে’, ‘এম এস ধোনি_ দ্য আনটোল্ড স্টোরি’, ‘কেদারনাথ’-এর মতো ছবি করেন তিনি। কিন্তু বলিউডে ব্রাত্যই ছিলেন সুশান্ত। তাঁকে কেউই খুব একটা পছন্দ করত না। করিনা কাপুর, করণ জোহর, আলিয়া ভাটের মতো তারকারা বারবার তাঁকে অপদস্থ করেছেন। সুশান্তের প্রয়াণের পর সেই ভিডিওগুলি ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। আর তার পর থেকেই বলিউডের স্বজনপোষণ নিয়ে চর্চা শুরু হয় নেটদুনিয়ায়। আগুনে ঘি ঢালেন কঙ্গনা। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন, সুশান্ত এর শিকার ছিলেন। শুধু সুশান্ত কেন? যাঁরা স্টারকিড নন, ইন্ডাস্ট্রি বাইরে থেকে আসেন, প্রত্যেককেই এর মুখোমুখি হতে হয়। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাবা-মায়ে সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির যোগ না থাকায় স্টারকিডদের কাছে হেরে যান তাঁরা। সুশান্তের বন্ধু ও পরিচালক অভিষেক কাপুরও বলেন, ‘কেদারনাথ’-এর সেটে সারা আলি খানের সঙ্গে সবাই যেভাবে ব্যবহার করছিল, এই সব সত্য সামনে আসার পর বলিউডের স্বজনপোষণ নিয়ে উত্তাল হয় নেটদুনিয়া। করণ জোহর, সলমন খান, সোনম কাপুর, করিনা কাপুর, আলিয়া ভাটদের নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। কিন্তু শুধু অনলাইনে বিপ্লব করে যে কাজের কাজ কিছু হবে না, তা ভালমতোই জানে সবাই। তাই শুরু হয়েছে একটি অনলাইন পিটিশন। এর শিরনামে রয়েছে বয়কট কর্ণ জোহর, যশরাজ ফিল্মস, সলমন খান। পিটিশনে লেখা হয়েছে, সাধারণ মানুষ ভারতীয় সিনেমা তথা বলিউডের স্বজনপোষণের বিরুদ্ধাচরণ করছেন। শুধুমাত্র কয়েকজনের ক্ষমতাশালীর হাতে বলিউড চলতে পারে না। সেখানেও গণতন্ত্র কাম্য। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম ও হটস্টারের মতো জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলিকে অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন ওই ব্যানারের ছবি প্রমোট না করে। কারণ ওই সব ব্যানারে ভাল ছবি তৈরির বদলে স্টারকিডদের লঞ্চ করার প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
করোনা থেকেও ‘শিক্ষা’ নিল না চিন, ফের শুরু হল কুকুরের মাংস খাওয়ার মেলা
১০ দিন ধরে চলবে এই মেলা। করোনা আবহেই কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎসব শুরু হয়েছে চিনে। দক্ষিণ পশ্চিম চিনের ইউলিন শহরে টানা ১০ দিন এই মেলা চলবে বলেই জানা যায়। বেজিং (Beijing)-এ ফের করোনার দাপট দেখা দেওয়ার পরও এই মেলা শুরু হওয়ায় হতবাক অনেকেই।শুধুমাত্র বাদুড় নয়, পোষ্য প্রাণী কুকুরের মাংস খাওয়ারও প্রচলন রয়েছে চিনে। শুধু খাদ্যাভাসই নয়, এই মাংস নিয়ে ফি বছর মেলাও বসে দক্ষিণ পশ্চিম চিনের ইউলিন (Yulin) শহরে। সম্প্রতি এই মেলা শুরু হয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয় মেলাতে। সেখানে যেমন নানা পদের খাবার বিক্রি হয়, তেমনই খাঁচায় আটকানো কুকুরও বিক্রি হয়। অনেকেই সেই কুকুর কিনে নিয়ে যান বাড়িতে। তবে প্রতি বছর হলেও এই বছরটা যে বাকিগুলোর থেকে আলাদা তা আগেই বোঝা উচিত ছিল চিনা প্রশাসনের। কিন্তু কোনও কিছুকে ভ্রুক্ষেপ না করেই এবছরও শুরু হল কুকুরের মাংস খাওয়ার মেলা। বহুবার পশুপ্রেমীদের তরফ থেকে এই মেলা বন্ধ করার দাবি জানানো হলেও এখনও তা রমরমিয়ে চলছে।গত বছরের শেষের দিকে চিনের ইউহান শহর থেকেই বিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। গত বছরে সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য চিনে বাদুড়ের মাংস খাওয়াকেই দায়ী করা হয়। এমনকী চলতি মাসে বেজিং-এ ফের সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য পাইকারি মাংসের বাজারকেই দায়ী করা হয়। তারপরও চিনের স্থানীয়দের তথা সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। অবাধে শুরু হয়েছে কুকুরের মাংস খাওয়ার মেলা। সূত্রের খবর, করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর চিনে বাদুড়, সাপ, প্যাঙ্গোলিন, গিরগিটি ইত্যাদি খাওয়া অনেকটাই কমে গিয়েছে। এরপরে চিন প্রশাসনও বন্যপ্রাণী ব্যবসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যায়। গত এপ্রিলেই শেনজেন শহরে কুকুরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ হয়। কিন্তু ইউলিন শহরে এই বছরও অব্যাহত রয়েছে উৎসব।Developed Reporter Samrat Ghosh
করোনা রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে কড়া নির্দেশ রাজ্যের
রোগী হয়রানির অভিযোগ পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত। আনলক ওয়ানে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে রাজ্য। ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুও লেগেই রয়েছে। একাধিক সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড (Covid-19) চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও মাঝে মধ্যেই সামনে আসছে রোগী হয়রানির অভিযোগও। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর।মঙ্গলবার পরপর দু’টি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, করোনা আবহে কোনও রোগীকে সরকারি কিংবা বেসরকারি হাসপাতাল ফেরাতে পারবে না। সরকারি কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি নিতেই হবে রোগীদের। করতে হবে চিকিৎসাও। সরকারি কোনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি রোগী ফেরায় তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান থেকে দায়িত্ব থাকবেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। সার্ভিস রুল অনুযায়ী আরও পদক্ষেপও নেওয়া হবে। একইভাবে রোগী ফেরালে বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধেও নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা। ২০১৭ সালের আইন অনুযায়ী সেই হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।এতদিন রাজ্যে বেশ কয়েকটি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট ধরা হয়। অধিগ্রহণ করা হয় বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালও। তবে এবারের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবার আর কোনও নির্দিষ্ট বেসরকারি কিংবা সরকারি হাসপাতালে নয়। প্রয়োজনে রাজ্যের সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে করতে হবে করোনা রোগীর চিকিৎসা। কোনওভাবেই ফেরানো যাবে না রোগীদের। সম্প্রতি স্বাস্থ্যভবনে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়ে। বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভরতি নিতে অস্বীকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জমা পড়ে। তারপরই এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের।Developed Reporter Samrat Ghosh
শখের গাড়ি বিক্রি করে করোনা আক্রান্তদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দান, মানবিক উদ্যোগ মুম্বইয়ের যুবকের
মুম্বইয়ের ওই যুবকের এমন উদ্যোগে মুগ্ধ অনেকেই। শখের গাড়িতে একটা আঁচড় পড়লেও মন খারাপ হত। যত্ন-আত্তিরও কম হত না! কিন্তু সেই গাড়িটিকেই কিনা বিক্রি করে দিলেন দুস্থদের সেবায়! আজ্ঞে, গাড়ি বিক্রির টাকায় সেই ব্যক্তি এখন বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ করছেন।দয়ালু ওই ব্যক্তির নাম শাহনাওয়াজ শেখ। থাকেন মুম্বইয়ের মালাডে। তিনিই নিজের প্রাণাধিক প্রিয় এসইউভি গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছেন মানুষের সেবার জন্যে। খোঁজ নিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিচ্ছেন তাঁদের বাড়িতে, যাঁদের খুব দরকার। এই সময়ের প্রেক্ষিতে, অর্থাৎ করোনা আবহে যা সত্যিই বহুমূল্য।বন্ধুর গর্ভবতী বোনকে করোনা আক্রান্ত হয়ে শাসকষ্টে মরে যেতে দেখেছেন চোখের সামনে। সেই দৃশ্যই শাহনাওয়াজকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই আর কাউকে যাতে এভাবে কষ্টে চলে যেতে না হয়, সেই ভাবনা থেকেই নিজের শখের গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছেন মুম্বইয়ের এই ব্যক্তি।ঠিক কী হয়েছিল? গত মাসের কথা। শাহনাওয়াজের ব্যবসায়িক বন্ধুর গর্ভবতী বোন করোনা আক্রান্ত হন। মুম্বইয়ের পাঁচটি হাসপাতাল ঘোরার পর কোনওটাতে বেড নেই, কোনওটাতে ভেন্টিলেটর নেই- এসবের অজুহাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অবশেষে একটি হাসপাতালের বাইরে অটো-রিকশাতে বসেই মৃত্যু হয় ওই মহিলার। মৃত্যুর পর শাহনাওয়াজ জানতে পারেন, ঠিক সময়ে যদি অক্সিজেন দেওয়া যেত, তাহলে ওই মহিলা বেঁচে যেতে পারতেন। আর তা জানার পরই, ২০১১ সালে কেনা গাড়িটাকে বিক্রি করে দেন। যার প্লেট নম্বর নিজের পছন্দমতো পাওয়ার জন্যও বেশি টাকা খরচ করেছিলেন তিনি। এখনও অবধি করোনা আক্রান্ত পরিবারের প্রায় ২৫০ জনকে অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে দিয়েছেন শাহনাওয়াজ।দেশে ক্রমাগত করোনার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। বিগত সাড়ে তিন মাস ধরে রোগভোগ, মৃত্যুর হাহাকার, এসব খবরে স্বাভাবিকভাবে অনেকেই বিষাদগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে এই পরিস্থিতিতেই দুস্থ-আর্তদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বহু দয়ালু মানুষ। এই মৃত্যু বিভীষিকায় দাঁড়িয়েও তাঁদের দেখে মনে হয় যে পৃথিবীটা এখনও সত্যিই সুন্দর!Developed Reporter Samrat Ghosh
মধ্যরাতে কলকাতার রেড রোডে নগ্ন-মদ্যপ যুবতীর তাণ্ডব, বাগে আনতে যাওয়ায় পুলিশকে চড়
মধ্যরাতে রাস্তা দিয়ে উন্মাদের মতো এদিক-সেদিক দৌড়ে বেড়াচ্ছে প্রায় নগ্ন-মদ্যপ এক যুবতী। তাঁকে বাগে পেতে রীতিমতো হিমশিম অবস্থা পুলিশের। না, কোনও ছবির দৃশ্য নয়। খাস কলকাতায় এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার।মধ্যরাতে এমনিতেই কলকাতায় বিশেষ গাড়ি-ঘোড়া দেখা যায় না। তার উপর আনলক ওয়ানে মধ্যরাতে আরওই শুনশান পরিবেশ। এই অবস্থাতে হঠাৎই রেড রোডে আলো-আঁধারির মধ্যে ছুটে বেড়াতে দেখা গেল প্রায় নগ্ন এক যুবতীকে। মদ্যপ অবস্থায় রীতিমতো তাণ্ডব করে বেড়াচ্ছেন তিনি। তাঁকে থামাতে নাকানিচোবানি খেতে হল কলকাতা পুলিশকে। তাঁকে বাধা দেওয়ায় শুধু গালিগালাজতো খেল না পুলিশ, এক পুলিশ কর্মীকে সপাটে চড়ও কষালেন ওই যুবতী।ঠিক কী ঘটল মঙ্গল-রাতে? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল সন্ধেয় ময়দান চত্বরে মদ্যপান করেন বছর আঠাশের যুবতী। পদ্মপুকুর রোডে তাঁর বাড়ি। যুবতীর সঙ্গে ছিলেন একজন পুরুষও। সঙ্গী চলে যাওয়ার পরই রেড রোডের কাছে প্রায় নগ্ন অবস্থায় ঘুরে-বেড়াতে থাকেন যুবতী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। যুবতীর ‘পাগলামো’ ততক্ষণে মাত্রা ছাড়িয়েছে। রাস্তায় কোনও গাড়ি দেখলে সেদিকে ছুটে যাচ্ছেন। লোক দেখলে গালিগালাজ করছেন। এমন পরিস্থিতিতে সঙ্গে মহিলা পুলিশ না থাকায় আরও সমস্যায় পড়ে পুলিশ কর্মীরা। কীভাবে তাঁর তাণ্ডব থামাবেন, ভেবে কূল পাচ্ছিলেন না তাঁরা। শেষমেশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করলে মহিলা কনস্টেবল-সহ ছ’টি পুলিশের গাড়ি পৌঁছায় রেড রোডে। রীতিমতো লড়াই করে যুবতীকে গাড়িতে তোলেন মহিলা পুলিশ কর্মীরা।Developed Reporter Samrat Ghosh
ইনস্টাগ্রাম সুশান্তকে “রিমেমবারিং” উপাধি দিয়ে প্রথম বলিউড তারকা যাকে সম্মানিত করল ইনস্টাগ্রাম।

বাড়িতে অসুস্থ বৃদ্ধ। পাশে বালির স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা, স্বামীজী ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।

Newsbally Webdesk: অসহায় মানুষের পাশে বালির স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা স্বামীজী ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।
বাড়িতে অসুস্থ বৃদ্ধ একমাত্র মা, গত দু-সপ্তাহ আগে আর্থিক ও দেখভালের অভাবের কারনে, লকডাউনে লিলুয়ার অধিবাসী গৌতম দাসের। খবর পেয়ে বাড়ীতে ছুটে আসেন স্বামীজী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক শ্রাবন্তী খাঁ ও স্থানীয় অারো দুই যুবক এবং বেলুড় হাসপাতালের সুপার ডাঃ ঠাকুরের সহযোগিতায় ভর্তি করা হয়। অাজ সকালে বৃদ্ধকে দেখতে আসে সোসাইটির দুই সদস্য শ্রী সঞ্জয় মান্না বাবু ও রথীন্দ্রনাথ ঘোষ। এসে দেখেন হাসপাতালের ডাক্তার ত্রিপাঠী মেডাম বললেন Urgent CTS Scan করতে হবে।
সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় সোসাইটির সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ মজুমদারকে(প্রাক্তন কাউন্সিলর বালি), সাথে সাথে ফোনে স্বামীজী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকদের বলেন “নিয়ে চলে আয়” অবশেষে মাত্র ৩০মিনিটের মধ্যে Scan করে তাকে বেলুড় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। Reporter: Shrinjoy Ghosh
করোনার জেরে বালুরঘাটে পালিত হল না ১৩০ বছরের পুরোনো রথযাত্রা উৎসব

Web Desk: মারণ করোনা ভাইরাস ভাইরাসের থাবায় এবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটেও পালিত হল না প্রায় ১৩০ বছরেরও বেশি পুরোনো রথযাত্রা উৎসব। কেবলমাত্র পুজো-পাঠেই সীমাবদ্ধ থাকল বালুরঘাটের রথতলা ও দিপালীনগরের বর্ষ পুরোনো রথযাত্রা উৎসব বা বিভিন্ন জায়গায়। ফলে মন খারাপের ছায়া গোটা শহরজুড়ে। জানা গিয়েছে, প্রতিবারই ধুমধামের সহিত হয় বালুরঘাটের রথতলা ও দিপালীনগর এলাকায় পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। রাস্তায় দেখা যায় খোল-করতাল ও কীর্তনের সাথে ভক্তদের রথ টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। বড়োদের পাশাপাশি ছোটোরাও প্রতিবার অংশগ্রহণ করে এই রথযাত্রায় খুব আনন্দের সাথে উপভোগ করে।
পাশাপাশি রথযাত্রা উপলক্ষ্যে দিপালীনগরের মাঠে বসে বিশাল মেলাও। কিন্তু এবার করোনা আবহের জেরে বালুরঘাটের রাস্তায় নজরে আসেনি সেইসব চিত্র। শুধুমাত্র পুজো-পাঠেই সাড়া হয় রথযাত্রা। আয়োজন করা হয় না মেলারও। তবে ভক্তরা সামাজিক দূরত্ব মেনে, হাতে গ্লাভস ও মুখে মাস্ক পড়ে অংশগ্রহণ করে পূজায় বলে জানা যায়।
Reporter Aniruddha Benerjee
৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ: শিক্ষামন্ত্রী
৩১ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল । কিন্তু যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে জুলাই মাসেও স্কুল বন্ধই রাখতে হবে বলে মনে করে রাজ্য সরকার। করোনা সংক্রমণ রুখতে গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ। দফায় দফায় লকডাউনের জেরে ফের কবে তা খুলবে, তা নিয়ে চিন্তায় রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।এর আগে, জুন মাসের ১০ তারিখে নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ‘মনে হচ্ছে জুলাই মাসেও স্কুল খুলবে না’। আর তা হলও বটে। মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দিলেন ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে। প্রশাসনিক কাজকর্ম চলবে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ দিন তিনি জানিয়েছেন, ৩০ জুনের পরিবর্তে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সমস্ত স্কুল- কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বন্ধ রাখা হয়েছে। উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি কবে হবে? জানা গিয়েছে জুলাই মাসের ২,৬,৮ তারিখে হবে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষা।এ দিকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষের পর কেটে গিয়েছে সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময়। পরীক্ষার ফল কবে বেরোবে, তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় সওয়া ১০ লক্ষ পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ১৫ জুলাইকে পাখির চোখ করে ফলপ্রকাশের তোড়জোড় শুরু করেছে। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ কবে হবে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। রেজাল্ট প্রস্তুত থাকলেও কবে ফল প্রকাশ হবে তা নির্ভর করছে রাজ্য সরকারের সবুজ সংকেতের উপরেই। লকডাউন চলাকালীনই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে উত্তরপত্র ওর নম্বর সংগ্রহের কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষত প্রথম দফায় গ্রীন, তারপর অরেঞ্জ ও সবশেষে অঞ্চল থেকে উত্তরপত্র নম্বর সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়। বেশিরভাগ উত্তরপত্র ও নম্বর সংগ্রহের কাজ হয়ে গেলেও শেষমেষ পর্ষদের তরফে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হয় মূল্যায়নকারী শিক্ষকদের উদ্দেশে। নির্দেশিকার জেরে ১০০% নম্বরই জমা পড়েছে পর্ষদের কাছে।






