সাধারণ যাত্রীদের জন্য এখনই খোলা হবে না শহরের লাইফ লাইন (Life line)। বরং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য চলতে পারে মেট্রো (Metro)। রেলবোর্ডের সম্মতি পেলে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকেই পরিষেবা শুরু হতে পারে। মেট্রোরেলের কর্তাদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের জরুরি বৈঠক শেষে তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে। সেক্ষেত্রে কারা পড়বেন জরুরি পরিষেবার আওতায়? মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন,সরকারি কর্মচারী, দমকল, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মীরা যাঁদের অফিস যেতে হয় তারা জরুরি পরিষেবা দিয়ে থাকেন। মেট্রো চালু হলে তারা তাতে যেতে পারবেন।
সোমবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মেট্রো রেলকে বলেছি ওরা ট্রেন চালাক। ওরা বলেছে লিমিটেড সার্ভিস দিতে পারবে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত লোকেরা তাতে যাতায়াত করতে পারবেন। মুম্বইয়ের যেমন হয়েছে ঠিক সেই ভাবেই। তবে এটা চালু হোক। অনেক লোক তো বাসে যাচ্ছিলেন, মেট্রো যদি চার ভাগের এক ভাগ লোককেও নেয় তবুও তো কিছু লোক যাবে। তিনি বলেন, “যে লোকটা মেট্রোয় যাবে তার জায়গায় তো আরেকজন লোক বাসে উঠতে পারবেন। বাসের ভিড় একটু কমবে। আমি মুখ্যসচিবকে বলেছি চিঠি তৈরি করে রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে পাঠানোর জন্য।”নবান্নের বৈঠক শেষে মেট্রোর তরফেও জানানো হয়েছে, তাঁদের পক্ষে আগের মতো অতগুলো ট্রেন এই পরিস্থিতিতে চালানো সম্ভব নয়। কিছু মেট্রো চালানো যেতে পারে। তবে সাধারণ যাত্রীদের জন্য এখনই পাতাল পথ খুলে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিষেবা দেওয়া অসম্ভব। মেট্রোরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “একটা মিটিং হয়েছে রাজ্যের সঙ্গে। সেই মিটিংয়ে আমরা জানিয়েছি যে, কোচের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে ট্রেন চালানো আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে আগের মত এতগুলো ট্রেন চালাতে পারব না। তাহলে আমরা কম সংখ্যায় কেবলমাত্র জরুরী পরিষেবার জন্য ট্রেন চালাব। জরুরি পরিষেবার আওতায় কারা পড়বেন সেই তালিকা রাজ্যই ঠিক করবে। পুরো বিষয়টি নিয়ে এবার রাজ্য সরকার রেল মন্ত্রকের কাছে আরজি জানাবে। আমরা রেল মন্ত্রকের নির্দেশমতো পদক্ষেপ করব।” এদিকে মেট্রোর আধিকারিকদের কথায়, নবান্নের কথা মতো যদি রাজ্য সরকারি কর্মচারীরাও জরুরী পরিষেবা তালিকাভুক্ত হন সেক্ষেত্রে যাত্রী সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে। মেট্রোর পক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এতো যাত্রী তখন সামাল দেয়া যাবে তো! এদিন বিকেলে সেই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে মেট্রো ভবনে।স্বাস্থ্যবিধি মানতে পারলে ১ জুলাই থেকে কলকাতায় মেট্রো চালু হতে পারে বলে আগেই জানায়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সংক্রমণের সম্ভাবনা যতটা সম্ভব কমানোর ক্ষেত্রে মেট্রোর থেকে রাজ্য সরকার কী কী পদক্ষেপ চাইছে, সে সব নিয়েই এদিন বৈঠক হয় নবান্নে। এ দিনে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিবহণসচিব প্রভাত মিশ্র, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। কলকাতা মেট্রোর পক্ষ উপস্থিত ছিলেন সংস্থার জেনারেল ম্যানেজার মনোজ যোশি ও চিফ অপারেটিং ম্যানেজার সাত্যকি নাথ।Developed Reporter Samrat Ghosh
Category Archives: Uncategorized
চরম অমানবিকতা! গাছে ঝুলিয়ে ‘খুন’ করা হল হনুমানকে, হাততালি দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা
কেরলে হাতি মৃত্যুর ঘটনার ক্ষত এখনও দগদগে। তারই মধ্যে চরম বর্বরতার ছবি ধরা পড়ল তেলেঙ্গানায়। প্রকাশ্য দিবালকে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হল এক হনুমানকে। ছটফট করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ল সে। আর সেই দৃশ্য রীতিমতো উপভোগ করে হাততালি দিল ভিড় জমানো জনতা।সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় হনুমানকে ‘খুনে’র এই মর্মান্তিক দৃশ্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই প্রকাশ্যে ঘটনাটি। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, তেলেঙ্গানার খাম্মান জেলার আম্মাপালেম গ্রামে এক হনুমানকে ধরে বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে গাছে ঝুলিতে দেওয়া হচ্ছে। খানিকক্ষণ পরই প্রাণ হারায় সে। যে দৃশ্য দারুণ উপভোগ করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই খবর পৌঁছায় পুলিশের কানে। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।কিন্তু কেন অমানবিক আচরণ করা হল সেই হনুমানের সঙ্গে? জানা গিয়েছে, সেই এলাকায় হনুমানের একটি দল ঢুকে পড়েছিল। তাদের লাফালাফি সহ্য করতে না পেরে ‘উচিত শিক্ষা’ দেবে বলে ঠিক করেছিল এক ব্যক্তি। একটি হনুমানকে টিউবওয়েলের নিচে পড়ে যেতে দেখে তাকে ধরে ফেলে স্থানীয় ব্যক্তিটি। তারপরই দড়ি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে দেয়। আশ্চর্যজনকভাবে এমন ঘটনার প্রতিবাদও করেনি অন্যরা। বরং এই হনুমান বধের ‘মজা’র দৃশ্য উপভোগ করতে সেখানে লোক জড়ো হয়ে যায়। ওই ব্যক্তির সাহায্যে পাশেও দাঁড়ায় অনেকে। মানব সমাজের এমন নির্মম রূপ দেখে হতবাক নেটদুনিয়া। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নিন্দার ঝড় বইছে সোশ্যাল দুনিয়ায়।Developed Reporter Samrat Ghosh
একের পর এক ভেসে উঠছে মরদেহ

Web Desk: ঘড়ির কাঁটা যত ঘুরছে ততই বেড়ে চলেছে লাশের সংখ্যা। বাংলাদেশর রাজধানী ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চডুবির ঘটনায় বাড়ছে লাশের মিছিল। একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করে আনছেন উদ্ধারকর্মীরা। ইতিমধ্যেই লঞ্চডুবির পর ডুবে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করতে নেমেছে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ডুবুরিরা। এখনও পর্যন্ত ৩৬ টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।
এদিকে, ঠিক কতজন যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ডুবেছে, বিষয়টি কেউই নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৫০ জন যাত্রী লঞ্চটিতে ছিল। স্থানীয়রা জানান, লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার পর কিছু যাত্রী সাঁতরে নদীর কিনারে উঠতে সক্ষম হন। তবে বেশিরভাগই উঠতে পারেনি। কতজন উঠতে পারেনি তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো কর্তৃপক্ষ।
Reporter Aniruddha Benerjee
অ্যামাজন কর্মীদের করোনা সংক্রমণ,সুরক্ষার দাবীতে ৬টি ওয়ারহাউস বন্ধ করে ধর্মঘট

Web Desk: মারন ভাইরাস করোনার থাবায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে তাদের সুরক্ষার দাবিতে ওয়ারহাউস বন্ধ করে ধর্মঘটের ডাক দিলেন অ্যামাজনের কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে জার্মানির একাধিক শহরে। অন্তত ৬টি জায়গায় সুরক্ষার দাবীতে কর্মীরা আজ সোমবার ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আমাজনের বেশ কিছু কর্মী কোভিড-১৯ সংক্রমিত হন। এরপরেই কর্মীদের সুরক্ষার দাবীতে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। এই ধর্মঘট কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা চলবে বলে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা ওরহান আকমান সংবাদ মাধ্যমের সামনে জানিয়েছেন, আমরা জানতে পেরেছি কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ জন কর্মী করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। এরপরেই শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও অ্যামাজনের পক্ষ থেকে ইউনিয়নের এই দাবি অস্বীকার করা হয়েছে। সংস্থার বক্তব্য কর্মীদের সুরক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee
বাথরুমে ঢুকেই চক্ষু ছানাবড়া, কিলবিল করছে ৩৫ টি চন্দ্রবোড়া সাপের বাচ্চা

বিভিন্ন সাপের কার্যকলাপ বা সাপের ডিম পাড়া ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা প্রায়ই দেখতে পাই। সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনা ঘটলো তামিলনাডুর কোয়েম্বাটুরে। সেখানেই গ্রামের লোকেরা বেশ কিছুদিন ধরেই একটি বাড়ির বাথরুম থেকে হিসহিস শব্দ শোনা যায়। তারপর গ্রামের লোকজন খোঁজ নিয়ে দেখে একটি বিষধর সাপ রীতিমতো বাসা গড়ে বসে আছে। সাপটি হলো বিষাক্ত ‘রাসেল’ প্রজাতির সাপ সঙ্গে ৩৫ টি তার বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। এই খবর গ্রামে ছড়াতেই হইচই লেগে গেছে মানুষদের মধ্যে।তারপরেই মূরলী নামের এক সাপুড়কে ডেকে আনা হয় সাপটিকে উদ্ধার করার জন্য। সাপুড়ে টি অনেকক্ষণ চেষ্টা করার পর বিষাক্ত কর ছাত্রীকে কাবুতে আনতে পারে এবং বাচ্চাগুলো একটি বস্তার মধ্যে নিয়ে নেয়। তারপর সাপুড়েটি সেই সাপ গুলো ধরে জঙ্গলে ছেড়ে আসে। এই রাসেল প্রজাতির সাপটির দেশীয় নাম হলো চন্দ্রবোড়া .এই প্রজাতির পৃথিবী থেকে মহাবিপন্নের তালিকায় রয়েছে।জানা গিয়েছে, অন্যান্য প্রজাতির সাপ যেমন ডিম পাড়ে তারপর বাইরে বাচ্চা বের হয় কিন্তু এই প্রজাতির সাপ গুলির বাচ্চা শরীরের মধ্যেই ডিম পেটে বাচ্চা বের হয়। বাচ্চাগুলোর জন্ম থেকেই বিষাক্ত হয়.
৫১ লাখি বাইকে সওয়ার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, নেটদুনিয়ায় ভাইরাল ছবি
বাইকটি নাগপুরের এক বিজেপি নেতার ছেলের নামে রেজিস্টার্ড বলে খবর।ছেলেবেলা থেকেই তাঁর বাইক প্রীতি সর্বজনবিদিত। কখনও রয়্যাল এনফিল্ডের (Royal Enfield) বুলেট তো কখনও আবার হার্লে ডেভিডসনের (Harley Davidson) লিমিটেড এডিশনের ৫১ লাখি ‘সিভিও ২০২০’। বড় দুর্ঘটনাও (Accident) তাঁকে বাইক থেকে দূরে রাখতে পারেনি। তিনি আর কেউ নন, দেশের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে (S A Bobde)। সম্প্রতি, ক্যাজুয়াল পোশাকে তাঁর বাইক সওয়ারির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তা দেখে কেউ কেউ যেমন, প্রধান বিচারপতি সোয়্যাগকে (Swag) স্বাগত জানিয়েছেন, কেউ কেউ তেমন নাকও সিঁটকেছেন। মোটকথা, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বোবদের বাইকপ্রীতি আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং হটকেক। ওই বাইকটি নাগপুরের এক বিজেপি নেতার ছেলের নামে রেজিস্টার্ড বলে খবর। সম্প্রতি নাগপুরে গিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি। উইক এন্ডের ছুটি কাটাচ্ছিলেন সেখানে। সেই সময়েই হার্লের ‘সিভিও ২০২০’ সওয়ার হয়েছিলেন তিনি। পরনে টিশার্ট, ক্যাজুয়াল প্যান্ট। সঙ্গে পায়ে স্নিকার্স, চোখে সানগ্লাস। তাঁর আশপাশে হাজির ছিলেন অনেকেই। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু বিপত্তি বাঁধল অন্যত্র। মহারাষ্ট্রে হু হু করে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতির মুখে মাস্ক না থাকা দেশবাসীকে ভুল বার্তা দেবে বলেই মনে করছে নেটিজেনদের একাংশ। এমনকী বোবদের মাথায় হেলমেটও ছিল না। যা আরও একপ্রস্থ বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর চারপাশে উপস্থিত লোকজন নাকি সামাজিক দূরত্ব মানেনি বলেও অভিযোগ।প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময় বাইকের প্রতি ভালবাসার কথা জানিয়েছিলেন বোবদে। তাঁর পছন্দ বুলেট জাতীয় ভারী বাইক। তবে গত বছর হাইস্পিড বাইকের টেস্ট ড্রাইভ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। দীর্ঘদিন বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিচার সংক্রান্ত কাজও করতে পারছিলেন না। কিন্তু তারপরেও বাইকের প্রতি ভালবাসায় তাঁর যে বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি, তা আরও একবার প্রমাণিত হল।প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময় বাইকের প্রতি ভালবাসার কথা জানিয়েছিলেন বোবদে। তাঁর পছন্দ বুলেট জাতীয় ভারী বাইক। তবে গত বছর হাইস্পিড বাইকের টেস্ট ড্রাইভ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। দীর্ঘদিন বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিচার সংক্রান্ত কাজও করতে পারছিলেন না। কিন্তু তারপরেও বাইকের প্রতি ভালবাসায় তাঁর যে বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি, তা আরও একবার প্রমাণিত হল।উল্লেখ্য, ‘সিভিও ২০২০’ লিমিটেড এডিশন বাইক। এই বাইকের ইঞ্জিনের ক্ষমতা ১৯২৩ সিসি। প্রতি লিটারে ১৭ কিলোমিটার মাইলেজ দিতে পারে এই বাইক। অ্যান্টি লকিং ব্রেকিং সিস্টেম এই বাইকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ওজন ৪২৮ কেজি।
ডাক্তার, করোনাযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে পয়লা জুলাই রাজ্যের ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

মর্মান্তিক! ৫০ জনকে নিয়ে ডুবল নৌকা, , জলে ভাসছে ২৩টি দেহ

Newsbally: ঢাকা: করোনার ভয়াবহ হামলার মাঝেই লকডাউন তুলে নেওয়ার পর নতুন করে যাত্রী সমাগমে ভরপুর সদরঘাট। সোমবার এখান থেকেই ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে ডুবে গেল লঞ্চ। অর্ধ শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ। জনা কয়েক সাঁতরে তীরে এসেছেন।
বাংলাদেশ নৌ পরিবহণ মন্ত্রক ও সদরঘাট জেটি কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, সদরঘাটের শ্যামবাজার এলাকায় ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ নামে লঞ্চের ধাক্কায় ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটের মর্নিং বার্ড লঞ্চ ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে গিয়েছে।
বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। আজ সোমবার সকাল নয়টার দিকে এমএল মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি এলাকা থেকে সদরঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। সদরঘাটের কাছেই ফরাশগঞ্জ ঘাট এলাকায় নদীতে লঞ্চটি ডুবে যায়।ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। ঢাকা নদীবন্দরের নৌযান পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান লঞ্চডুবির বিষয়টি জানিয়েছেন। Reporter: Shrinjoy Ghosh courtesy: UGG NEWS
TikTok থেকে চুরি যাচ্ছে হাজার হাজার ইউজারের তথ্য, ফের বিতর্কে চিনা অ্যাপ
TikTok-এর ‘চুরি’ হাতেনাতে ধরল অ্যাপেল।এবার তথ্যচুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল জনপ্রিয় অ্যাপ TikTok। জানা গিয়েছে, অ্যাপেল ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি করছিল চিনা এই অ্যাপটি। এক ব্যবহারকারীর টুইটে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ঘুম উড়েছে TikTok প্রেমীদের।ভিডিও তৈরির এই চিনা অ্যাপ একাধিক কারণে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। এবার অ্যাপেল ব্যবহারকারীদের তথ্যচুরির অভিযোগ করলেন এক ব্যবহারকারী। জানা গিয়েছে, IOS 14 অর্থাৎ অ্যাপেলের নতুন অপারেটিং সিস্টেমে একটি বিশেষ ফিচার রয়েছে। যার মাধ্যে জানা যায় যে, কোন অ্যাপ ব্যবহারকারীদের কোন ডেটা অ্যাকসেস করছে। সেই ফিচারই পর্দাফাঁস করেছে TikTok-এর। তথ্য বলছে TikTok দীর্ঘদিন ধরেই সারা পৃথিবী জুড়ে লক্ষ লক্ষ আইফোন ব্যবহারকারীর তথ্যের উপর নজর রাখত। মনে করা হচ্ছে, TikTok প্রায়ই ইউজারদের ক্লিপবোর্ড অ্যাকসেস করত, যার সাহায্যে তাঁদের নোটগুলি পড়তে পারত।এরআগেও TikTok ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই সময় সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল যে, গোটা বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত। ফের একই অভিযোগে কাঠগড়ায় TikTok। এবার ব্যবহারকারীই টুইট করে জানিয়েছেন তথ্যচুরির বিষয়টি। যদিও এবারও সংস্থার অজান্তেই এই ঘটনা ঘটছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। TikTok আরও বলেছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই অ্যাপ স্টোরে তাঁদের অ্যাপের একটি আপডেটেড ভার্সন দিয়েছে এবং তাতে পুরনো ফিচারটি সরানো হচ্ছে। কিন্তু কেন বারবার একই ঘটনার পুনারাবৃত্তি? প্রশ্ন তুলছেন ব্যবহারকারীরা।
‘আমাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ষড়যন্ত্র করছে ভারত’, বিস্ফোরক নেপালের প্রধানমন্ত্রী
কয়েকদিন আগেই তিনটি ভারতীয় ভূখণ্ডকে নিজেদের বলে দাবি করে বিতর্কিত মানচিত্র (Map) তৈরি করেছে নেপাল। তারপর সংবিধান সংশোধন করে তাকে মান্যতাও দিয়েছে। তখনও অনেক বড় বড় কথা শোনা যাচ্ছিল নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলির মুখে। কিন্তু, দুদিন যেতে না যেতেই আমূল বদলে গেল তাঁর রূপ। দেশের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা কমছে দেখে এবার নেপালের প্রধানমন্ত্রীর আসন থেকে ভারত তাঁকে সরানোর ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ জানালেন কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli)।রবিবার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সরাসরি ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন তিনি। বলেন, ‘নেপালের সংবিধান সংশোধনের পর থেকেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে দিল্লি। নতুন মানচিত্র তৈরির জন্যই আমার প্রতিপক্ষদের উসকানি দিয়ে সরকার ফেলার চেষ্টা করছে। না হলে নেপালের সংবিধান সংশোধনের বিষয় নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করার কী দরকার? এর পিছনে আসল উদ্দেশ্য হল আমার সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো। যদিও এই চেষ্টায় কোনওভাবেই সফল হবে না তারা। কারণ নেপালের জাতীয়তাবাদ অত ঠুনকো নয় যে কেউ বাইরে থেকে সরকার ফেলে দেবে। আমিও কোনওভাবে বাইরের কোনও শক্তির কাছে মাথা নোয়াব না। কারণ আমি সরে গেলে নেপালের জাতীয়তাবাদ ও সীমানা নিয়ে দাবি জানানোর আর কেউ নেই।’নেপালের প্রধানমন্ত্রী ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেও অন্য কথা বলছেন তাঁর বিরোধীরা। তাঁদের কটাক্ষ, দেশের অভ্যন্তরে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ দানা বাঁধছে বুঝতে পেরেই ভারতের দিকে আঙুল তুলছেন ওলি। আসলে মানচিত্রের দিকে নজর দিতে গিয়ে করোনার সংক্রমণ আটকানোর কোনও চেষ্টাই করেননি তিনি। তাই শাসকদলের অন্দরেই তাঁর বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ইদানিং তাঁর সঙ্গে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের অত্যাধিক মাখামাখি ভাল চোখে দেখছেন না দলের নিচুতলার নেতা-কর্মীরা। তিনি চিনের কাছে দেশকে তুলে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে দলের কোনও কোনও স্তরে। এই সমস্ত বিক্ষোভকে চাপা দিতেই ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার তত্ত্ব আমদানি করেছেন ওলি।






