
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বাংলার উপকূলে আঘাত হানার কারণে ওড়িশার ১৩ টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলা থেকে ১ লক্ষ লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বাংলার উপকূলে আঘাত হানার কারণে ওড়িশার ১৩ টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলা থেকে ১ লক্ষ লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

মহারাষ্ট্র: নকশালরা গডছিরোলি জেলার ধনোড়ায় রাস্তা নির্মানের কাজে জড়িত 3 ট্রাক মশাল। https://t.co/mTMFab68vF

ওড়িশা: যানবাহন, প্রয়োজনীয় পণ্যাদি এবং জরুরী সেবা কর্মীদের চলাচলের সুবিধার্থে ভদ্রকস্থ আর অ্যান্ড বি অফিসের কাছে রাস্তা অবরোধ পরিষ্কার করতে ফায়ার সার্ভিস দল team # সাইক্লোনআ্যাম্হান https://t.co/jE2P9eAtqz

ঘূর্ণিঝড় আমফান আসার আগেই এই সুপার সাইক্লোনের মোকাবিলা করতে সতর্ক প্রশাসন। ঝড়ের সময় বাড়ি থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হল সরকারের তরফে।পাশাপাশি আগামিকাল কলকাতার সমস্ত দোকান-বাজার বন্ধ রাখার কথাও বলা হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে।শুধু তাই নয়, আবহাওয়া দফতরের তরফে রাজ্য সরকারকে আগামিকাল কলকাতার সমস্ত অফিস বন্ধ রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।বিপজ্জনক ও পুরোন বাড়িতে না থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।সাবধানতা নিতে কলকাতার বিভিন্ন এলাকা ও বাবুঘাটে গঙ্গার ধারে মাইকিং করছে কলকাতা পুলিশ।বুধবার সারারাত নবান্নের কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি করবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী নজরদারি চলছে পুরসভার কন্ট্রোল রুম থেকেও। চালু হয়েছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোল রুম।পুলিশের ৩টি কন্ট্রোলরুম নম্বর রয়েছে- ০৩৩-২২১৪৩০২৪, ০৩৩-২২১৪১৩১০, ০৩৩-২২১৪৩২৩০ ।সাংবাদিক সম্মেলনে নবান্নের তরফে জানানো হয়,দুর্যোগে সরকারি সাহায্যের জন্য খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম নম্বর৷ নম্বরটি হল, ২২১৪৩৫৩৬ ও ২২১৪১৯৯৫৷এ ছাড়া টোল ফ্রি নম্বর ১০৭০
Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

কাউন্টার এরিয়া থেকে প্ল্যাটফর্ম।কোচের মধ্যেও হিম শীতল অনুভুতি উপভোগ করতে পারবেন যাত্রীরা।তবে লকডাউন পরবর্তী পরিস্থিতিতে মেট্রোয় যাত্রী সংখ্যা দৈনিক গড়ে সাড়ে ছয় লক্ষই থাকবে না কমবে তা নিয়ে একটা মতান্তর অবশ্য এখনও চলছে।তবে শুধু সুপার কুল নয় এসক্যালেটর থেকে কোচের বেয়ারিং সব কিছুই রক্ষণাবেক্ষণ থেকে বদলে ফেলার সব কাজ করে চলেছেন মেট্রোর কর্মীরা।কলকাতার লাইফলাইন মেট্রো রেল।কিন্তু লাইফলাইনেও মাঝে মধ্যে বিপত্তি ঘটে।কখনও আবার সমস্যা ঠান্ডা না হওয়ার।কখনও আবার সমস্যা ধরা পড়ে দরজা খোলা বা বন্ধ হওয়ার সময়ে।এছাড়া মাঝে মধ্যেই মেট্রো কোচেও ধরা পড়ে নানা সমস্যা।সেই সমস্যা মেটাতে এবার উদ্যোগী কলকাতা মেট্রো রেল।লকডাউনের মধ্যে মেট্রো রেল চলাফেরা না করলেও ইঞ্জিনিয়াররা প্রতিদিন মেট্রোর ট্রায়াল দিচ্ছেন কারশেডে।তার আগে চলছে মেট্রোর নানা কাজ।বেয়ারিং বদলানো, ব্রেক সিস্টেম পরীক্ষা করা, নানা যন্ত্রাংশ পরীক্ষা যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কারেন্ট কানেক্টর পরীক্ষা।এর পাশাপাশি চলছে এসি কোচের পরীক্ষা।কোচের আর এম ইউ যা শীতল বাতাস রাখতে সাহায্য করে তা পুরোপুরি খুলে ফেলে চলছে সাফাই।বদলানো হয়েছে ফিল্টার।এর পাশাপাশি মেট্রো সুড়ঙ্গ এবং ওপরের অংশে থার্ড রেল পরীক্ষা করা হয়েছে।সেখানেও বেশ কয়েকটি জায়গায় বদল করতে হয়েছে। যাত্রীদের একটা বড় অংশের অভিযোগ থাকে,পাতালে ঠান্ডা অনুভব হয় না।প্ল্যাটফর্মে থাকা এসি’র ফিল্টার তাই বদলে ফেলা হয়েছে। মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লকডাউন চললেও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ বন্ধ হয়নি।সেই কাজ চলছে জোর কদমে।মেট্রো পরিষেবা যখন চালু হবে তখন যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে যাতায়াত করতে পারবেন।তবে মেট্রো পরিষেবা চালু হলে থাকবে নানা বিধি নিষেধ।ইতিমধ্যেই প্ল্যাটফর্ম সহ টিকিট কাউন্টার বিভিন্ন জায়গায় কিভাবে ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট করা হবে তার বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হচ্ছে।


করোনা ভাইরাস অতিমারিতে থমকে গিয়েছে জনজীবন। গোটা দেশ জুড়ে চলেছে লকডাউন। আর এই তালাবন্দির মাঝে স্থগিত হয়ে যায় রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের চলা পরীক্ষা। এর জেরে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে পরীক্ষার্থীরা। কবে হবে বাকি থাকা পরীক্ষা? কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কবে হবে জানানো হলেও জানানো হয়নি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের স্থাগিত হওয়া পরিক্ষা। অবশেষে মঙ্গলবার জানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষা গুলি শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশের চেষ্টা হবে। তিনি জানিয়েছেন, “উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ইতিমধ্যেই হয়ে যাওয়া বিষয়গুলির পরীক্ষার উত্তরপত্রের নম্বর সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। বাকি যে পরীক্ষাগুলি রয়েছে সেগুলি শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই আমরা উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের চেষ্টা করব। উচ্চমাধ্যমিকের বাকি থাকা পরীক্ষাগুলি নিয়েও আমরা বিবেচনা করছি।”
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন জানিয়েছিলেন উচ্চমাধ্যমিকের বাকি বিষয়গুলোর পরীক্ষা নেওয়া হবে জুন মাসে। যদিও পরীক্ষার দিন বা সূচি ঠিক করবে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ১০ই জুন পর্যন্ত নির্দেশ মোতাবেক রাজ্যের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলি বন্ধ রাখার ঘোষণা করা আছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের স্কুল খুললেই পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে। উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে ২৯ জুন, ২ ও ৬ জুলাই। তবে, কবে কী পরীক্ষা নেওয়া হবে, তা ঠিক করবে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।
রাজ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ও তার জেরে চলা লকডাউন এর ফলে উচ্চমাধ্যমিকের তিন দিনের পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। এর জেরে উচ্চমাধ্যমিকের ফিজিক্স, নিউট্রেশন,এডুকেশন, অ্যাকাউন্টেন্সি,কেমিস্ট্রি, ইকোনমিক্স, জার্নালিজম এন্ড মাস কমিউনিকেশন,সংস্কৃত, পার্শিয়ান,অ্যারাবিক,ফ্রেঞ্চ,স্ট্যাটিসটিকস, ভূগোল,কস্টিং অ্যান্ড ট্যাক্সেশন,হোম ম্যানেজমেন্ট এন্ড ফ্যামিলি রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এর মত বিষয়গুলির পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। সেই পরীক্ষাগুলিই নেওয়ার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে সংসদ স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। তবে সামগ্রিকভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এবং লকডাউন এর পরিস্থিতি বুঝেই উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা নিতে চায় স্কুল শিক্ষা দফতর বলেই জানা গিয়েছে।

এই মুহূর্তে চলছে বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তে সংক্রমণ ও মৃত্যু।এই রাজ্যে ও তার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।এই সংক্রমণ রুখতে চলছে দু’মাস ধরে টানা লকডাউন। কলকারখানা, অফিস,বাজার, দোকান বন্ধ।মানুষের সঞ্চিত অর্থ নিঃশেষ।দিন আনা- দিন খাওয়া মানুষজন সংকটে। কেহ আধপেটা, কেহ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।এই মুহূর্তে আম্ফান প্রবলতর শক্তিবৃদ্ধি করে বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে।করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হওয়ায় পুলিশ প্রশাসন কিছুটা স্বস্তিতে ছিল।এবার আবারও ঘুম ছুটে গেল আম্ফান-র চোখরাঙানিতে। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলির পাশাপাশি আম্ফান ঘূর্ণিঝড় হাওড়া, হুগলী সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলবে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া জেলায় প্রাথমিক ভাবে ৭০-৭৫ কি মি বেগে বইবে ঝড়। তারপর আস্তে আস্তে তার গতিবেগ যাবে ১০০ কিমিতে। এরই পাশাপাশি চলবে ব্যাপক বৃষ্টিপাত। হাওড়া জেলা প্রশাসন দূর্যোগ মোকাবিলায় সমস্ত রকম ভাবেই প্রস্তুত। জানা গেছে, হাওড়া জেলা সদরে আম্ফান মোকাবিলায় হাওড়া পুরসভা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।ইতিমধ্যে হাওড়া পুরসভার বিভিন্ন বোরোয় বিশেষ কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে।পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখা হয়েছে গ্যাসকাটার , পাম্পিং মেশিন, এর পাশাপাশি খাদ্যসামগ্ৰী।বিশেষ ভাবে নজর রাখা হচ্ছে বিপজ্জনক বাড়ি, হোডিং এবং বড় বড় গাছ গুলির দিকে। হাওড়া প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া পুরসভার পাশাপাশি হাওড়া জেলার বিভিন্ন ব্লকের বি ডি ও , অফিসার, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, কর্মাধক্ষ্য, সদস্য, পঞ্চায়েত প্রধান, সদস্য-সদস্যাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে WBSEDCL ,CESC, দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের। ইতিমধ্যে উলুবেড়িয়ায় কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সাথে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যথেষ্ট সিভিক ভলেন্টিয়ার, রাজ্য সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের।জানা গেছে, উলুবেড়িয়ায় জলের পাউচ প্রস্তুতকারক একটি মেশিন ও মজুত করা হয়েছে।হাওড়া জেলা প্রশাসনের তরফে খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম।
Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

পশ্চিমবঙ্গ: জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এনডিআরএফ) এর কর্মীরা তাদের সচেতনতামূলক প্রচারণার অংশ হিসাবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘায় জনগণের জন্য # আমফাইকাইক্লোনের ভূমিধ্বনের আগে ঘোষণা দিয়েছে যা আগামীকালই করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। https://t.co/af9wfb9CJ5