ফের মৃত্য়ু বলিউডে, চলে গেলেন ‘জিন্দগি ক্যায়সি হ্য়ায় পহেলি’-র গীতিকার যোগেশ গউর

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

চলে গেলেন বলিউডের অন্যতম গীতিকার যোগেশ গউর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। কাহি দূর যব দিন ঢল যায়ে, জিন্দগি ক্যায়সি হ্যায় পহেলি হায়-সহ একাধিক কালযয়ী গানের গীতিকার তিনি।
১৯৪৩ সালের ১৯ মার্চ উত্তরপ্রদেশের লখনউতে জন্ম হয় যোগেশ গউরের। এরপর টেলিভশন জগতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ধারাবাহিকের স্ক্রিপ্ট লেখা শুরু করেন তিনি। এরপর বলিউডে হাজির হয়ে একের পর এক কালযয়ী গানের সৃষ্টি করেন তিনি।
যোগেশ গউরের মৃত্যুতে শুক্রবার শোক প্রকাশ করেন লতা মঙ্গেশকর। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ট্যুইটারে শোক প্রকাশ করেন তিনি। যোগেশ গউরের মৃত্যুতে তিনি শোকস্তব্ধ বলে মন্তব্য করেন সুর সম্রাজ্ঞী। যোগেশজি খুব ভাল মানুষ ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন লতা মঙ্গেশকর।

যতগুলি সিট, ততজন যাত্রী! বাসে যাত্রী সংখ্যা নিয়ে নিয়ম শিথিল করল রাজ্য

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

রবিবার শেষ লকডাউন ফোর। এরই মধ্যে বাসে যাত্রী সংখ্যা নিয়ে নিয়ম শিথিল করল রাজ্য। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে এবিষয়ে একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, যতগুলি সিট, ততজন যাত্রীই নেওয়া যাবে। কেউ দাঁড়িয়ে যেতে পারবেন না। লোকসান ঠেকাতেই সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি কন্ডাক্টরদের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। 
অন্যদিকে করোনা আবহে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের। ৮ জুন থেকে রাজ্যে পুরোপুরি চালু হচ্ছে সব অফিস।  পয়লা জুন চা ও জুট শিল্পে কাজ করতে পারবেন ১০০ শতাংশ কর্মীই। সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি ১ জুন থেকেই রাজ্যে খুলছে সব  ধর্মস্থান। কাল থেকে মন্দির, মসজিদে সাফাইয়ের কাজ শুরু হবে। তবে এখনই উত্সবে ছাড় নয়। এবং একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মানুষকে মন্দির মসজিতের ভিতরে না ঢোকার আবেদন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 

এবার WhatsApp থেকেই বুক করা যাবে রান্নার গ্যাস! জেনে নিন উপায়…

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

রান্নার গ্যাস বুক করার সময় এখন আর ফোন করে আইভিআর (Interactive Voice Response)-এর বকবক শুনতে হবে না। কারণ, হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোন থেকেই এখন অনেক সহজে, আগের থেকেও কম সময়ে রান্নার গ্যাস বুক করা যাবে। WhatsApp থেকে দু’টো ছোট্ট মেসেজেই মুহূর্তে বুকিং করা হয়ে যাবে!
WhatsApp থেকে সহজে রান্নার গ্যাস বুকিং-এর ব্যবস্থা চালু করেছে ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড বা BPCL। বুধবার থেকেই গ্রাহকদের জন্য এই সুবিধা চালু হয়ে গিয়েছে। আসুন এ বার জেনে নেওয়া যাক কী ভাবে WhatsApp থেকে মেসেজ পাঠিয়ে গ্যাস সিলিন্ডারের বুকিং করবেন…

১) এর জন্য প্রথমেই ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড-এর গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং-এর নম্বরটি (1800224344) মোবাইলে সেভ করে নিতে হবে।

২) নম্বরটি সেভ করা হয়ে গেলে ওই নম্বরে রেজিস্টার্ড নম্বর থেকে WhatsApp-এ ‘Hi’ লিখে মেসেজ পাঠাতে হবে।

৩) ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড-এর তরফ থেকে কনফার্মেশন মেসেজ পাওয়ার পর গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং করার জন্য WhatsApp-এ ‘1’ অথবা ‘BOOK’ লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে (1800224344)-এই নম্বরে।

৪) এর পর ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড-এর তরফ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারির তারিখ জানিয়ে বুকিং কনফার্মেশন মেসেজ পেয়ে যাবেন গ্রাহক।

ইন্ডেন গ্যাসের ক্ষেত্রেও এই WhatsApp-এ বুকিংয়ের পরিষেবা আগেই চালু হয়েছে। ইন্ডেন গ্যাসের সিলিন্ডার বুকিং-এর নম্বরটি হল (7588888824)।

ফায়ার স্টেশনের মধ্যেই গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু দমকল কর্মীর, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রীর

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

 দমকলের গাড়ির ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনের মধ্যেই মৃত্যু হল এক দমকল কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে টালিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে। মৃতের নাম দেব নারায়ণ পাল। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।
এদিন দুপুর ৩টে নাগাদ টালিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন থেকে গাড়ি বের করছিলেন স্টেশন মাস্টার কৃষ্ণেন্দু কুন্দল। জানা গিয়েছে, সেইসময় গাড়িটি একবার পিছনে নিতে যান তিনি। আর তখনই ভিতরের একটি পোস্টে ধাক্কা মারে গাড়িটি। সঙ্গে সঙ্গেই সেই রডটি ভেঙে দেব নারায়ণ পালের মাথার উপর পড়ে। এই ঘটনায় গভীর চোট লাগে দেব নারায়ণ পালের মাথায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। 
স্টেশনের বাকি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, গাড়িটি অন্য একজনের নামে  লেখা ছিল। প্রশ্ন উঠছে, অন্যের নামে লেখা গাড়ি কৃষ্ণেন্দু কুন্দল কেন চালাতে গেলেন? তিনি কি আদৌ গাড়ি চালাতে পারেন? অভিযুক্ত কৃষ্ণেন্দু কুন্দল দাবি করেছেন, তিনি ব্রেক চিপতে গিয়ে ক্লাচ চেপে দেন। অন্যদিকে কানাঘুষোয় জানা যাচ্ছে, তাঁর নাকি ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল না।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিস অভিযুক্ত স্টেশন মাস্টার কৃষ্ণেন্দু কুন্দলকে গ্রেফতার করেছে। টালিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দমকলমন্ত্রী  সুজিত বসুও। উল্লেখ্য, ২ দিন আগেই বিদ্যুতের তারে পড়া গাছ কাটতে গিয়ে মৃত্যু হয় সুকান্ত সিং নামে এক দমকল কর্মীর। সেই ঘটনায় CESC-কে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছিল।

১ জুন থেকে রাজ্যে খুলবে সব ধর্মস্থান, ৮ জুন থেকে সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় ১০০% হাজিরা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

লকডাউনের চতুর্থ পর্যায় শেষ হচ্ছে ৩১ মে। এরপর কী পদক্ষেপ। সেদিকেই ছিল সকলের নজর। ‘দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা।’ সে-কথা মাথায় রেখেই, একগুচ্ছ নতুন ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দিলেন, ১ জুন থেকে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলবে। যদিও একসঙ্গে ১০জনের বেশি ঢোকা যাবে না। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, ৮ জুন থেকে সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় ১০০% কর্মী হাজিরা থাকবে। এছাড়াও গণ পরিবহণ ব্যবস্থা সম্পর্কেও বড় ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, বাসে যা আসন আছে, তাতেই যাবেন, দাঁড়িয়ে যাওয়া যাবে না। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক আর কী কী ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
• করোনার সঙ্গে লড়াই করতে গেলে অনেক কিছু বদলাতে হবে। একসঙ্গে সবাই বাজার করতে গেলে রোগ বাড়বে। করোনার সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। প্রথম ২-৩ মাস বাংলায় নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছিলাম। • করোনার মধ্যেই উমপুন, জোড়া বিপর্যয়। • বাসে ২০জনের বেশি নেওয়া যাবে না। অনেক লোকসান হচ্ছে, কিন্তু কী করা যাবে? • বাসে ওঠার জন্য কন্ডাক্টরের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। বাসে যা আসন আছে, তাতেই যাবেন, দাঁড়িয়ে যাওয়া যাবে না। • ১০০দিনের কাজ করতে গিয়ে সবাই জড়ো হবেন না। হটস্পট থেকে ট্রেনে কেন গাদাগাদি করে আনা হচ্ছে? সামাজিক দূরত্ব কেন মানছে না রেল, বাড়তি ট্রেন নয় কেন? • অনেকে না খেতে পেয়ে মারাও যাচ্ছেন। শ্রমিক এক্সপ্রেসের নামে করোনা এক্সপ্রেস হয়ে গেছে। • মন্দির, মসজিদ, গির্জা কী দোষ করল? কেন্দ্র এমন করলে, কেন আমি সব বন্ধ রাখব? • ১ জুন থেকে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলবে। একসঙ্গে ১০জনের বেশি ঢোকা যাবে না। লকডাউনের নিয়ম মেনে মন্দির, মসজিদ, গির্জা খুলবে। মন্দিরে ঢুকতে গেলে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে। বড় কোনও উৎসব এখন করা যাবে না। ১ জুন সকাল ১০টা থেকে মন্দির খোলা যাবে। ট্রেনে হাজার হাজার লোক এলে, মন্দিরও খুলতে পারে। আশা করব ভারত সরকারও এনিয়ে ভাববে। চা, জুটমিলে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করা যাবে। • ৮ জুন থেকে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা পুরোপুরি খুলবে। সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় ১০০% কর্মী। • পুরো জুন মাস বন্ধ থাকবে স্কুল। ভিন রাজ্য থেকে এলে গ্রামে স্কুলেই কোয়ারেন্টিন। কোয়ারেন্টিনে ৭দিন রাখার পরে করোনা পরীক্ষা। ১০দিন পরে করোনার হদিশ না পেলে বাড়ি পাঠানো হবে। • কোয়ারেন্টিন সেন্টার নিয়ে চিন্তা করবেন না, যাতে করোনা না ছড়ায় তার জন্য কোয়ারেন্টিন সেন্টার। বাইরে থেকে অনেকে করোনা সংক্রমণ নিয়ে আসছেন। দোষ আক্রান্তদের নয়, যারা চিকিৎসা করেনি তাদের।

এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে খুন করল আপন বাবা, মা ও ভাই

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে খুন করল তাঁরই নিজের বাবা, মা ও ভাই। এই ঘটনাটি ঘটেছে গড়ফার মণ্ডলপাড়ায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত বুধবার সারাদিন ধরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে বেধড়ক মারধর করে তার বাবা, মা ও ভাই মিলে।
তারপর ওই অসহায় যুবকটিকে কোপানো হয় কোনো ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে। দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁকে রক্তাত্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয় সেই বাড়িতেই। অনেকটা সময় পার হয়ে যাওয়ার পর তাঁর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। তখন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তাঁর বাবা, মা ও ভাই। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
খবরটি এলাকায় দাবানলের মত দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্তদের আটক করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। কিন্তু স্থানীয়রা বাধা দেয় পুলিশকে, তাদের কথায় এমন নৃশংস ঘটনার কারণে এই অভিযুক্তদের তাদের হাতেই তুলে দেওয়া হোক। তাঁরাই এর উচিত শিক্ষা দেবে। কিন্তু তাতে সম্মতি না দেওয়ায় হেনস্থার শিকার হতে হয় সেই পুলিশ আধিকারিকদের।
উন্মত্ত জনতার সাথে দীর্ঘক্ষণ বচসার পরে পুলিশ অভিযুক্তদের নিয়ে থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে বের করতেই প্রতিবেশীরা গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তাঁদের বাড়িতে। লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয় তাদের ঘর। অন্যদিকে অভিযুক্তদের দাবি এই খুনের অভিযোগ সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন। মৃতের মায়ের কথায়, মৃত যুবকই বঁটি নিয়ে চড়াও হয়েছিল তাঁদের উপর। যদিও এ ধরনের নৃশংসতা দেখে মনে হতেই পারে যে পুরো পরিবারটাই এক চরম মানসিক রোগগ্রস্ত।

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তবে উপসর্গ না থাকায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তবে উপসর্গ না থাকায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি। বাড়িতেই চিকিত্সাধীন তিনি। এই প্রথম রাজ্য়ের কোনও মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত হলেন। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন প্রশাসন, শাসকদলও।
মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে তাঁর বাড়ির পরিচারিকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এরপরই মন্ত্রী বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে তাঁর নমুনা পরীক্ষা করান। উপসর্গহীন কোভিড পজেটিভ পাওয়া যায় তাঁর শরীরে।
এরপরই পরীক্ষা করা হয় মন্ত্রীর স্ত্রী, দুই ছেলে, মেয়ে এবং বাড়ির অন্য এক পরিচারিকার নমুনাও। মন্ত্রীর স্ত্রীর নমুনাও কোভিড পজেটিভ এসেছেI
 রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর শরীরের উপসর্গ নেইI তাই তাঁদের হাসপাতালে রাখার প্রয়োজন পড়েনিI বাড়িতেই চিকিত্সাধীন তাঁরাI মন্ত্রীর সংস্পর্শে যাঁয়া এসেছেন, তাঁদেরও কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছেI

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

দিল্লি থেকে মাত্র ২০০ কিমি দূরে ১৬ কোটি পঙ্গপাল

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

শস্যখেকো পঙ্গপাল দেশের কৃষকদের ঘুম উড়িয়েছে।পঞ্জাব, গুজরাত, মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশে ফসলী জমিতে হানা দিয়েছে পঙ্গপাল বাহিনী।পঙ্গপালের উৎপাত রাজস্থান ও হরিয়ানাতেও। করোনা থেকে রক্ষে নেই।এবার কি তাহলে না খেয়ে মরতে হবে? পঙ্গপাল তাড়াতে পদক্ষেপ করল কেন্দ্রও।জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে এখন মাত্র ২০০ কিমি দূরে ১৬ কোটি পঙ্গপালের ঝাঁক৷এত বড় পঙ্গপালের দল রাজধানীতে পৌঁছলে যে বড়সড় বিপদ ঘটবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, করোনা এখনও বিদায় হল না। তারই মধ্যে পাকিস্তান থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসল ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল। রবিশস্য তোলা হয়ে গেলেও এই পতঙ্গের হানায় খারিফ শস্যে বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা।এখনও পর্যন্ত,রাজস্থান, পঞ্জাব, গুজরাত, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা তিনশোর বেশি এলাকার ৪৭ হাজার হেক্টর জমিতে পঙ্গপাল হানা দিয়েছে৷ তাহলে কি এবার না খেয়ে মরতে হবে? অবস্থা এমন যে, কোথাও ঢাক-ঢোল পিটিয়ে, থালা বাটি বাজিয়ে বা কোথাও তারস্বরে ডিজে বাজিয়ে আর কোথাও ড্রোনের সাহায্যে পঙ্গপাল বিদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।পঙ্গপালের মেঘ কাটাতে কিছু পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রও।বিভিন্ন রাজ্যে কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি চলছে।পঙ্গপাল তাড়াতে কীটনাশক ছড়াতে দমকলের ৮৯ ইঞ্জিন৷ সমীক্ষা করতে ১২০ টি গাড়ি৷ স্প্রে-সহ ৪৭ গাড়ি এবং ৮১০টি স্প্রে করার যন্ত্র দেওয়া হয়েছে৷ প্রতিদিন দেশের নতুন নতুন এলাকায় পঙ্গপাল বাহিনী ঢুকে পড়েছে। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে ফসলের দফারফা করে পতঙ্গের ঝাঁক দু’টি ভাগে ভাগ হয়ে ঢুকেছে মহারাষ্ট্রে। এক দল গিয়েছে নাগপুরের পারসেওনির দিকে আর এক দল গিয়েছে ভান্ডারার দিকে। উত্তর মহারাষ্ট্রে বিদর্ভ ও চার জেলায় পঙ্গপালের হামলার সতর্কবার্তা জারি হয়েছে। ওড়িশাতেও কৃষকদের সতর্ক করেছে প্রশাসন। জানুয়ারির মাঝামাঝি পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢুকতে শুরু করে পঙ্গপালের ঝাঁক ৷গত ২৭ বছরে এই বছরই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পঙ্গপালের হানা৷একটি পূর্ণাঙ্গ মরু পঙ্গপাল প্রতিদিন ২ গ্রাম খাবার খায়৷ ১ বর্গকিলোমিটার জুড়ে ১৫ কোটি পঙ্গপালের ঝাঁক থাকতে পারে ৷এই এক ঝাঁক পঙ্গপাল একদিনে ৩৫ হাজার মানুষের খাবার খেতে পারে৷পঙ্গপালের টার্গেট ফসল, মানুষকে আক্রমণ করে না৷ তীব্র আওয়াজে পঙ্গপাল শুধু দূরে পালিয়ে যায় ৷কীটনাশক ও রাসায়নিক দিয়ে পঙ্গপালকে বাগে আনা যেতে পারে৷একেই লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে। তার মধ্যে ভারতের মত কৃষিপ্রধান দেশে পঙ্গপালের হানায় অর্থনীতিতে বিপর্যয়ের অশনি সংকেত দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাঝপথে থামার অনুমতি পেল না বাস, পথেই মৃত্যু অসুস্থ পরিযায়ী শ্রমিকের

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

ইতিমধ্যেই একাধিক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুসংবাদ এসেছে। এবার মুম্বই থেকে বাসে করে বাড়ি ফেরার পথে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হল আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের। জানা গিয়েছে মৃত শ্রমিকের নাম কমল সেনাপতি। বছর ৪২-এর এই যুবক দাসপুরের গোকুলনগর এলাকার বাসিন্দা।
পেশায় স্বর্ণশিল্পী এই যুবক দীর্ঘদিন মুম্বাইতে আটকে ছিল লকডাউনের জেরে। একটি বাস ভাড়া করে পরিযায়ী শ্রমিকদের সাথে দাসপুর ফিরছিল সে। বুধবার বাসের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। কোনও রাজ্যেই বাস থামার অনুমতি না মেলায় সন্ধে নাগাদ ওড়িশা সীমান্তেই মৃত্যু হয় কমলের। অভিযোগ, সেখানেও ওড়িশা সরকার দেহ না নামাতে দেওয়ায় মৃতদেহ-সহ শ্রমিক বোঝাই বাসটি শেষ পর্যন্ত ঘাটালে এসে পৌঁছয়।
বৃহস্পতিবার সকালে বাস থেকে দেহটি নামিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা পরীক্ষার জন্য মৃত শ্রমিকের লালারস সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাসের অন্যান্য পরিযায়ী শ্রমিকদেরও কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে।

“কুসংস্কারের প্রোভাব”অতিমারি করোনাভাইরাসের বিনাশে এক ব্যক্তির মাথা কেটে বলি দিলেন পুরোহিত

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

অতিমারি করোনাভাইরাসের বিনাশে দেবতাকে তুষ্ট করতে হবে। তার জন্য চাই নরবলি। এমনটাই নাকি স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। সেই আদেশ মতো মন্দির ভিতরেই কুড়ুল দিয়ে এক ব্যক্তির মাথা কেটে বলি দিলেন পুরোহিত। ওড়িশার কটকে এক স্থানীয় মন্দিরের বৃদ্ধ পুরোহিতের বিরুদ্ধে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার পর তাঁকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটছে নরসিংহপুর থানা এলাকায় বাঁধহুদা গ্রামের কাছে একটি স্থানীয় মন্দিরে। ওই মন্দিরের ৭২ বছরের পুরোহিত সংসারী ওঝার বিরুদ্ধে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মৃতের নাম সরোজকুমার প্রধান (৫২)।
পুলিশের দাবি, এ দিন সকালে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন সংসারী ওঝা। তবে তদন্তকারীদের কাছে তাঁর দাবি, করোনাভাইরাসকে বিনাশ করতে মন্দিরের দেবীর কাছ থেকে নরবলির স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই সরোজকে বলি দিয়েছেন। তবে এই দাবি মানতে নারাজ এলাকার স্থানীয়রা। তাঁদের পাল্টা দাবি, সরোজের সঙ্গে ওই গ্রামের একটি আমবাগান নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিবাদ চলছিল ওই পুরোহিতের। সেই আক্রোশেই এ কাজ করে থাকতে পারেন তিনি।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে সরোজের সঙ্গে নরবলি নিয়েই ঝগড়াঝাঁটি হয় বলে জানিয়েছেন সংসারী ওঝা। তর্কাতর্কির সময় একটি কু়ড়ুল দিয়ে সরোজের মাথায় আঘাত করেন তিনি। কুড়ুলের ঘায়ে সেখানেই লুটিয়ে পড়েন সরোজ। এর রাত পেরোলে পুলিশের কাছে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন সংসারী।
কটকের ডিআইজি (সেন্ট্রাল রেঞ্জ) আশিসকুমার সিংহ জানিয়েছেন, সরোজের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই  তিনি বলেন, ‘‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে ঘটনার সময় মত্ত অবস্থায় ছিলেন সংসারী ওঝা। পরের দিন সকালে তাঁর হুঁশ ফিরলে পুলিশের কাছে এসে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। খুনের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন সংসারী।’’
ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে ওড়িশায়। অভিযুক্তের চরম শাস্তির দাবি করেছেন অনেকে। ওই রাজ্যের এক সমাজকর্মী সত্যপ্রকাশ পতি বলেন, ‘‘একবিংশ শতকেও যে মানুষ এ ধরনের বর্বর কাজে বিশ্বাস করে, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। দোষীর কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’’