চতুর্থ দফা লকডাউনের শেষ দিন আজ। আগামী কাল অর্থাৎ ১ জুন রাজ্য তথা দেশ জুড়ে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ নিয়ে খুলছে লকডাউন। আর এর আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জানান নিয়ম মেনে মন্দির,মসজিদ-সহ সমস্ত ধর্মীয় স্থান খোলার নির্দেশ দিয়েছে।
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় সহমত নন রাজ্যের ইমামদের সংগঠন। তাদের দাবি, এই মুহূর্তে মসজিদ খোলা মোটেই নিরাপদ নয়। তাই লকডাউনের মধ্যে যে ভাবে নামিজ পড়া হয়েছে সেই ভাবেই নামাজ পড়া চালিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া জানিয়েছেন, ‘এখনো পরিস্থিতি ভয়াবহ। তাই আমাদের পরামর্শ এতদিন যেভাবে নমাজ পড়া হত সেভাবেই নমাজপাঠ জারি থাকুক। আমরা মসজিদ কমিটিগুলি ও ইমামদের কাছে আহ্বান জানাব যে মসজিদের দরজা খুলবেন না। মসজিদ আরও এক মাস খোলা না হলেও কোনও সমস্যা নেই।’তিনি আরও বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ১ জুন থেকে ধর্মস্থল খোলা যাবে। কিন্তু আমাদের কাছে তার কোনও লিখিত নির্দেশিকা নেই। ফলে আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
রাত ফুটলেই গোটা দেশে ‘এক দেশ, এক রেশন কার্ড’ প্রকল্প চালু হচ্ছে৷ আগামী কাল সোমবার অর্থাৎ ১ জুন থেকেই দেশের ২০টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের শুরু হচ্ছে৷ এই ‘এক দেশ এক রেশন’ ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর সাধারণ মানুষ দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে সস্তায় রেশন কিনতে পারবেন৷ এই প্রকল্প কার্যকর করার জন্য প্রতিটি রাজ্যের রেশনের দোকানগুলিতে Point of Sales মেশিন দেওয়া হবে৷ এই মেশিনে আধার কার্ড ব্যবহার করে পিডিএস সুবিধাভোগীদের পরিচয় যাচাই করা হবে৷ এই প্রকল্প কার্যকর হলে উপভোক্তারা দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে একই রেশন কার্ড দিয়ে রেশন তুলতে পারবেন৷ পুরনো রেশন কার্ড সারেন্ডার করে নতুন রেশন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে৷ স্থানীয় ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি বা হিন্দিতে নতুন রেশন কার্ডে যাবতীয় তথ্য লেখা থাকবে৷ভারতের যে কোনও নাগরিকই এই রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ ১৮ সালের নীচে যাদের বয়স, তাদের নাম বাবা- মায়ের সঙ্গেই রেশন কার্ডে যুক্ত থাকবে৷ রেশন কার্ড প্রতি ৫ কেজি চাল ৩ টাকা প্রতি কেজি দরে পাওয়া যাবে৷ আর গম মিলবে ২ টাকা প্রতি কেজি দরে৷ রাজ্যগুলি সব রেশন দোকানে একশো শতাংশ পিওএস মেশিন দিলেই ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ প্রকল্প পুরোপুরি কার্যকর হবে৷ এই সুবিধার জন্য অবশ্য আধার কার্ডের সঙ্গে রেশন কার্ড লিঙ্ক করতে হবে৷ তবে তার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ তার আগে পর্যন্ত আধার এবং রেশন কার্ড লিঙ্ক না করলেও রেশন মিলবে৷ নতুন রেশন কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে৷ অনলাইন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করলে প্রথমে নিজের রাজ্যের খাদ্য এবং সরবরাহ দফতরের ওয়েবসাইটে যেতে হবে৷ এর পর ভাষার নির্বাচন করে কিছু ব্যক্তিগত তথ্যের জবাব দিতে হবে৷ APL, BPL নাকি Antodya- কোন ধরনের কার্ডের জন্য আবেদন করা হচ্ছে, তা জানাতে হবে৷ এর পর পরিবারের প্রধান, আধার কার্ড নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল নম্বর, ইত্যাদি তথ্য পূরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে৷ অনলাইন আবেদনের প্রাপ্তি স্বীকারের একটি প্রিন্ট আউট নিজের কাছে রাখতে হবে৷ আধারের সঙ্গে রেশন কার্ড লিঙ্ক করতে গেলে প্রথম uidai.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে৷ এর পর start now অপশনে ক্লিক করতে হবে৷ এর পর যে বিকল্পগুলি পাওয়া যাবে তার মধ্যে থেকে Ration Card scheme বেছে নিন৷ নিজের রেশন কার্ড নম্বর, আধার নম্বর, ই মেল অ্যাড্রেস এবং মোবাইল নম্বর লিখে জমা দিন৷ এর পর মোবাইলে আসা OTP দিলেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার বিজ্ঞপ্তি স্ক্রিনে ফুটে উঠবে৷ আবেদন ভেরিফায়েড হয়ে গেলেই আধারের সঙ্গে রেশন কার্ডের সংযুক্তিকরণ হয়ে যাবে৷
বাংলায় ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবের পর দেড় সপ্তাহ কেটে গেছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সেনা সহ এনডিআরএফ শহরের অধিকাংশ ভেঙে পড়া গাছ সরিয়ে রাস্তা ফাঁকা করছে। আর এমন সময় রবিবার সাতসকালে দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে পড়ে যাওয়া গাছ সরাতে গিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ।
সূত্রের খবর, বাঁশদ্রোণীর উষা থেকে উদ্ধার করা হয় এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ। জানা গিয়েছে, আমফান ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। রবিবার সকালে গাছ সরিয়ে এলাকা পরিষ্কার করার সময় পাঁচিলের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় মৃতদেহ। তবে মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
অপরদিকে, একে করোনার সংক্রমণ, তার উপর যে ঘূর্ণিঝড় আমফানে বিপুল ক্ষতিগ্রস্থ বাংলা। চাষের জমি থেকে শুরু করে বাড়ি ঘর প্রায় সবই লোকশান পেরিয়ে উঠতে উঠতে অনেকটা সময় কেটে যাবে। আর তারই মাঝে বাঁশদ্রোণীর এই মর্মান্তিক ঘটনা যেন ভয়াবহ আমফানের কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিল কলকাতাকে।
হুগলি জেলার তারকেশ্বর থানার সন্তোষপুর গ্রামের তরুণ যুবক সুকান্ত সিংহ রায় কয়েকদিন আগে গাছ কাটতে গিয়ে হাওড়া জেলাতে বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে মারা যান,সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেন এবং 10 লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন পরিবারকে । সেই কথা মতো গতকাল বি বি ও রস্মি দীপ্ত বিশ্বাস তারকেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি প্রদীপ সিংহ রায় গিয়ে 10 লক্ষ টাকার চেক পরিবারের হাতে তুলে দেন।
প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করার অপরাধে ১৪ বছরের ওই মেয়েকে গলা কেটে খুন করলেন তার বাবা। নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে ইরানে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রমিনা আশরাফি নামে ওই মেয়েটি ইরানের উত্তরাঞ্চলের তালেহ কাউন্টির(২৯) নামে এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। পালিয়ে বিয়ে করার অপরাধে রমিনার বাবা রেজা আশরাফি গত ২১ মে রমিনার গলা কেটে দেয়।
রমিনাকে হত্যার দায়ে তার বাবা রেজা আশরাফিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি তার মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। আর রমিনা আশরাফি যার সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। ইরানের আইন অনুযায়ী, কথিত ‘অনার কিলিংয়ে’ বা কোনো ব্যক্তি যদি তার মেয়েকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে তাকে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। রমিনা আশরাফিকে হত্যার ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
মারন ভাইরাস করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক না পরে ঘরের বাইরে বের হলে ৬ মাসের জেল অথবা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার।শনিবার সন্ধ্যায় ,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও (দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, বাইরে চলাচলের সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাইরে চলাচলের ক্ষেত্রে সবসময় মাস্ক পরা সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) বাংলাদেশ আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৬১ নং আইন) এর ধারা ২৪ (১), (২) ও ধারা ২৫ (১) (ক, খ) এবং ধারা ২৫ (২) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জেলা প্রশাসন, যথাযথ কর্তৃপক্ষ সতর্কভাবে এটি বাস্তবায়ন করবেন। চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকালীন জনসাধারণ এবং সকল কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে;
রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (প্রয়োজনীয় ক্রয় বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, ঔষধ ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোন ভাবেই বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। তবে সর্বাবস্থায় বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরতে হবে।
পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে অভিনেতা সোনু সুদ যে উদ্যোগ নিয়েছেন এবার তার প্রশংসা করল মহারাষ্ট্র সরকার। পাশাপাশি, অভিনেতার এধরনের উদ্যোগে তাঁকে সব রকম সাহায্য করা হবে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎসিং কোশিয়াড়ি। শনিবারই, সোনু সুদকে রাজভবনে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল ভগৎসিং কোশিয়াড়ি। অভিনেতা রাজভবনে যান, রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর বেশকিছুক্ষণ কথাও হয়। দেশের সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিককে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে সোনু যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার প্রশংসা করেন রাজ্যপাল। এবং তাঁকে সরকারি সাহায্যের আশ্বাসদেন। এবিষয়টি নিজেই টুইট করে জানান মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎসিং কোশিয়াড়ি। লকডাউনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছেন সোনু সুদ। শুধু শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়াই নয়, যাত্রাপথে শ্রমিকদের খাবার, জলের ব্যবস্থাও করেছেন সোনু। এমনকি নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রয়োজনীয় PPE কিটের ব্যবস্থা করেছেন সোনু। আর সবটাই করেছেন একা দায়িত্ব নিয়ে। এই কাজের জন্য় একটি টিমও করেছেন তিনি। ANI-কে সোনু সুদ জানিয়েছেন, ”যতক্ষণ না শেষ পরিযায়ী শ্রমিকটি তাঁর বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি এই কাজ চালিয়ে যাবেন।” তবে শুধু পরিযায়ী শ্রমিকদেরই নয়, কেরলে আটকে থাকা ওডিশা কিছু ছাত্রীকেও বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন সোনু। এমনকি যেকেউ যাতে সাহায্যের আবেদন করতে পারেন, তার জন্য খুলেছেন একটি বিশেষ টোল ফ্রি নম্বর। সেই নম্বরে আসা সমস্ত ফোন কল ও মেসেজের উত্তরও দিচ্ছেন সোনু এবং তাঁর টিমের সদস্যরা।
দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ও করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫১৬৪ জনের। ধাপে ধাপে উঠবে লকডাউন, কাল থেকে শুরু আনলক ওয়ান। মেয়াদ ১ জুন থেকে ৩০ জুন। রাজস্থানে ১ জুন থেকে খুলছে কেল্লা-মহল। পিংলায় তৃণমূল-বিজেপি হামলার অভিযোগ। নামখানায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নামল সেনা। রাজ্যজুড়ে দফায় দফায় বৃষ্টির পূর্বাভাস।
Pic courtesy ANI(Developed by Reporter Samrat Ghosh
CovidWarrior #Nurse
Rip
কোনো নেতা মরে গেলে,অভিনেতা মরে গেলে শোকাতুর পোস্ট এর ঝড় বয়। আর 29th মে আমফান ঝড়ের রাতে একটা নার্সিং অফিসার ডিউটি করতে করতে অসুস্থ হয়ে নিজেই শয্যাশায়ী রোগী হয়ে মারা গেলেও কেউ জানতে পারে না ।
সুনীতা মন্ডল, পেশায় সেবাব্রতী (নার্স) । মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। কোভিড ওয়ারিওর । আমরা আমাদের আর এক সহযোদ্ধাকে হারালাম। ব্যক্তিগত সূত্রের খবর— PCOD ছিলো, সেদিন সাডেনলি পেটের ব্যথা আর প্রচন্ড বমি নিয়ে ভর্তি হয়। কোনো ফ্লুইড,ওষুধ কাজ করেনি, ইউরিন আউটপুট ভালো ছিলো না, প্রেসার 60/10 , kidney failure । MMCH এর CCU থেকে NRS আর SSKM এ রেফার করলেও বাড়ির লোক আনতে পারেনি , বেড নেই । কারন,এতবড় হাসপাতালে ক্যাচ না মারলে বেড পাওয়া যায় না ITU,CCU তে। পেশেন্ট নিজেই স্বাস্থ্যকর্মী হলেও এটা কোনো CATCH হতে পারেনা। catch হতে আমলাতন্ত্রী হতে হয়। । শেষমেশ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ডাক্তারবাবু দেখেই জানান অবস্থা ভালো না, intubate করা হয়,2 বার dialysis করা হয়। কিন্তু সব বিফলে যায়। আর পরিবার ও পারছিলনা বেসরকারি হাসপাতালের খরচা বহন করতে ।
মাত্র দেরবছর এই প্রফেশন আশা, অনেক স্বপ্ন নিয়ে। আর কুড়িতেই ঝড়ে গেলো কুঁড়ি। কতটুকুই বা বয়স তার জীবন যার শুরু হলোনা মোটেই! অচিরেই নিভে গেল। ভীষন প্রাণবন্ত,সদা প্রাণোচ্ছল একটি মেয়ে, যে সারাক্ষণ কাজ কাজ কাজ আর কাজ করে মাথা খেত । অথচ কোনো ক্লান্তির ছাপ ছিল না তার সদা হাস্যময় মুখটিতে ।
এই সেদিন ও যে মেয়েটি সারা ওয়ার্ডময় ঘুরে ঘুরে রোগীকে সেলাইন চালিয়েছে,মেডিসিন খাইয়েছে ,ইজেক্শন দিয়েছে, জ্বর মেপেছে,সুগার-প্রেসার চেক করেছে,খাবার খাইয়েছে, কখন কাউকে এক ইশারায় গোল্লা পাকানো চোখ দেখিয়ে চুপ করিয়েছে, কারোর মাথায় হাত রেখে সেরে ওঠার তাকৎ জুগিয়েছে অন্যকে, সে নিজেই আজ চুপ,অচল ,অসাড়। নিজেই আর সেরে উঠতে পারল না । সে আর কোনো পেশেন্ট এর নাম আর বেড নাম্বার ধরে ছুটি নিয়ে যাও বলে ডাক দেবেনা । সে নিজেই ছুটি নিয়েছে যে চিরতরে।
সুনীতা তোমার অসুম্পূর্ণ লড়াই আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো। এ লড়াই আমরা জিতব। তুমি তোমার সহকর্মী সহযোদ্ধাদের মাঝেই বেঁচে থাকবে । তবে, আমি বলবো তুমি আবার ফিরে এসো আমাদের মাঝে, আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে ।
ঈশ্বর তোমার আত্মা শান্তি দিক। আমরা ও তোমার আত্মা শান্তি কামনা করি ।🙏 .. She Was Our Super Hero, Don’t Let Her Fade Away. নামটা মনে রেখো “সুনিতা”, বয়েস কুড়ির মেয়েটি নার্স ছিল, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মানুষের সেবা করে গেছে ।
আজ ‘মন কি বাত’-এ নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের মৃত্যুর হার কম। যা মৃত্যু হয়েছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত। করোনার বিরুদ্ধে চলছে জোরদার লড়াই। আগের থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক দেশবাসী একত্রে লড়ছেন। দেশবাসীর সঙ্কল্প শক্তি আর সেবা শক্তি কাজে দিয়েছে।’ ‘এই পরিস্থিতিতে আরও বেশি সাবধান হওয়া দরকার’, আরও সতর্কতা নেওয়ার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর।