
Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
শেষপর্যন্ত আদালতের হস্তক্ষেপে অধিকার ফিরে পেলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। দফায় দফায় তাঁকে ত্রাণ বিলির কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ তাকে বারবার বল প্রয়োগ করে ত্রাণ কাজে অংশ নিতে বাধা দিয়েছে এবং তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়, এবং রায় যায় সাংসদের পক্ষে।
আদালত তার রায়ে বলেছে, সাংসদকে ত্রাণের কাজে বাঁধা দেওয়া যাবে না। তিনি অবাধে যাতে ত্রাণ বিলির কাজে অংশ নিতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সেইসঙ্গে সাংসদকেও নিশ্চিত করতে হবে, তিনি যেন কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধ পালন করেন। এই ঘটনায় স্বভাবতই উচ্ছসিত সাংসদ বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেবার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার, আদালত সেই চেষ্টা রুখে দিল। তিনি আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার এলাকার মানুষের বিপদে পাশে থাকাটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সেকাজে বাধা দেবার অধিকার নেই প্রশাসনের। তারা একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে পক্ষপাত মূলক আচরণ করেই যাচ্ছে। বালুরঘাটের প্রাক্তন সাংসদ ও তৃনমূল নেত্রী অর্পিতা ঘোষ বলেন,সাংসদকে কেউ ত্রাণ বিলিতে বাধা দেয়নি। তিনি যদি প্রশাসনকে জানিয়ে কর্মসূচি নিতেন তাহলে এই জটিলতা হতো না।
শুধু সুকান্ত নয়, রাজ্যের একাধিক সাংসদ একই অভিযোগে সরব। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বারলাকে গৃহবন্দি করে রেখেছে বলে অভিযোগ। দু দুবার তিনি ত্রাণ বিলি করতে বেরিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছেন। তার অভিযোগ ,দুবারই পুলিশ তাকে বাধা দিয়েছে এবং বাড়ি ফিরতে বাধ্য করেছে। তারপর বাড়ির সামনে পুলিশ পিকেট বসিয়ে তাকে বাড়িতেই বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। ত্রাণ কাজে আটকানোর অভিযোগ তুলেছেন একাধিক বিজেপি সাংসদ। এমনকি বিজেপি রাজ্য সভাপতি এবং সাংসদ দিলীপ ঘোষ নিজে অভিযোগ করেছেন, তাকে আমাফানের পর দুর্গত এলাকায় যেতে দেয়নি পুলিশ। জোর করে পথ আটকে তাকে কলকাতায় ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।









