বিজেপি সাংসদকে ত্রাণ বিলির অধিকার ফিরিয়ে দিল হাইকোর্ট

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

শেষপর্যন্ত আদালতের হস্তক্ষেপে অধিকার ফিরে পেলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। দফায় দফায় তাঁকে ত্রাণ বিলির কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ তাকে বারবার বল প্রয়োগ করে ত্রাণ কাজে অংশ নিতে বাধা দিয়েছে এবং তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়, এবং রায় যায় সাংসদের পক্ষে।
আদালত তার রায়ে বলেছে, সাংসদকে ত্রাণের কাজে বাঁধা দেওয়া যাবে না। তিনি অবাধে যাতে ত্রাণ বিলির কাজে অংশ নিতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সেইসঙ্গে সাংসদকেও নিশ্চিত করতে হবে, তিনি যেন কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধ পালন করেন। এই ঘটনায় স্বভাবতই উচ্ছসিত সাংসদ বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেবার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার, আদালত সেই চেষ্টা রুখে দিল। তিনি আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার এলাকার মানুষের বিপদে পাশে থাকাটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সেকাজে বাধা দেবার অধিকার নেই প্রশাসনের। তারা একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে পক্ষপাত মূলক আচরণ করেই যাচ্ছে। বালুরঘাটের প্রাক্তন সাংসদ ও তৃনমূল নেত্রী অর্পিতা ঘোষ বলেন,সাংসদকে কেউ ত্রাণ বিলিতে বাধা দেয়নি। তিনি যদি প্রশাসনকে জানিয়ে কর্মসূচি নিতেন তাহলে এই জটিলতা হতো না।
শুধু সুকান্ত নয়, রাজ্যের একাধিক সাংসদ একই অভিযোগে সরব। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বারলাকে গৃহবন্দি করে রেখেছে বলে অভিযোগ। দু দুবার তিনি ত্রাণ বিলি করতে বেরিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছেন। তার অভিযোগ ,দুবারই পুলিশ তাকে বাধা দিয়েছে এবং বাড়ি ফিরতে বাধ্য করেছে। তারপর বাড়ির সামনে পুলিশ পিকেট বসিয়ে তাকে বাড়িতেই বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। ত্রাণ কাজে আটকানোর অভিযোগ তুলেছেন একাধিক বিজেপি সাংসদ। এমনকি বিজেপি রাজ্য সভাপতি এবং সাংসদ দিলীপ ঘোষ নিজে অভিযোগ করেছেন, তাকে আমাফানের পর দুর্গত এলাকায় যেতে দেয়নি পুলিশ। জোর করে পথ আটকে তাকে কলকাতায় ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

ভোর সাড়ে ৫টায় নৈহাটি থেকে বেরিয়ে সেক্টর ফাইভ! শহরে বাস ভোগান্তি শিকার অফিসযাত্রীরা

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

আনলক ১.০ এর দ্বিতীয় দিনেও কলকাতা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ধরা পড়ল নিত্যযাত্রীদের বাস ভোগান্তির ছবি।
সকালে ধর্মতলায় দেখা যায়, বাস মিলছে না। ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় ধরে বাসের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এরফলে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। দেখা যায়, দীর্ঘ সময় পর বাসের দেখা মিলতেই যাত্রীদের দৌড়ে গিয়ে বাসে উঠতে। হয়রানি কমাতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি তুলেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
অন্যদিকে এমজি রোডেও ছবিটা ছিল মোটের উপর এক। কাশীপুরের বাসিন্দা লিপিকা মুন্সি জানান, বালিগঞ্জে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে অ্যাকাউন্টসের কাজ করেন তিনি। কোনওরকমে এমজি রোড পর্যন্ত আসতে পেরেছেন। কিন্তু সেখান থেকে আর অফিসে যাওয়ার জন্য কোনও বাস পাচ্ছেন না তিনি। 
তবে এমজি রোডে রাস্তায় বেসরকারি বাস চলতেও দেখা গিয়েছে। যদিও যাত্রী সংখ্যা ছিল নিতান্তই হাতেগোনা। নৈহাটি ও শ্যামবাজারের বাসিন্দা অর্ণব চক্রবর্তী ও দোলন ঘোষ জানালেন, সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অফিস যাওয়ার জন্য একজন ভোর সাড়ে ৫টায় নৈহাটি থেকে বেরিয়েছেন। এখনও অফিস পৌঁছতে পারেননি। 
তাঁদের স্পষ্ট কথা, সেক্টর ফাইভে অফিস শুরু হয়েছে। কিন্তু অফিস আসতে নাজেহাল হতে হচ্ছে মানুষকে। যাঁদের কোম্পানি পিক-আপ দিচ্ছে তাঁরা সময়ে পৌঁছতে পারলেও, যাঁরা বাসে আসছেন, তাঁদের বাড়ি থেকে বেরতে হচ্ছে অনেক আগে। খাওয়াদাওয়া বাড়ি থেকেই আনতে হচ্ছে। কারণ সেভাবে দোকানও আর খোলা নেই। ফলে অফিস খুললেও আর পুরোনো ছন্দে নেই সেক্টর ফাইভ।

এবার পরিযায়ী শ্রমিককে চোর সন্দেহে গণপিটুনি, মৃত্যু যুবকের – দেশের লজ্জা

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

লম্বা লকডাইনে দেশের পরিযায়ী শ্রমিকদের মতো সমস্যায় আর কেউ পড়েনি।কেউ হাঁটতে হাঁটতে ভিটেতে ঠাঁই পেয়েছেন, কেউ পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।এখনও শিবিরে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।কিন্তু চোর সন্দেহে মারতে মারতে মেরে ফেলা? লকডাউন পর্বে এই নির্মমতারও সাক্ষী থাকল দেশ।গুজরাটের সুরাটে সোমবার চোর সন্দেহে বেধড়ক মার দেওয়া হল।বিহার থেকে গুজরাটে কাজ করতে এসেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিক সঙ্গম পন্ডিত।একটি জুটমিলে কাজ করতেন তিনি।এ দিন তাঁকে একদল লোক ঘিরে ধরে বেধড়ক পেটাতে থাকতে। সঙ্গম বারবারই বলছিলেন,চুরি করেননি তিনি,বরং ঘরে ফিরতে চাইছেন তিনি।কিন্তু সে কথায় মন গলেনি এলাকাবাসীর।সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে সঙ্গমকে কয়েকজন সুরাট মিউনিসিপ্যাল ইন্সটিটিউশান অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে নিয়ে যায়।সেখানেই মারা যান তিনি।তদন্তে নেমে পুলিশ পরিযায়ী শ্রমিককে গণপিটুনির অভিযোগে এ যাবৎ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক কংগ্রেস কাউন্সিলার সতীশ প্যাটেল।

মাছ ধরতে গিয়েছিলেন, তারপর নদীতে দেখলেন ভাসছে মৃতদেহ

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

রায়গঞ্জ নদীতে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল।ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার শহর সংলগ্ন আবদুলঘাটা এলাকায় কুলিক নদীতে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় কমলাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য ও কর্নজোড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ।পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে৷পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আবদুলঘাটা এলাকার বাসিন্দা সায়ন মজুমদার সকালে কুলিক নদীতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে আসেন।সেইসময় তিনি এক ব্যক্তির মৃতদেহ কুলিক নদীর জলে ভাসতে দেখেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের খবর দিলে তারাও ছুটে আসে।মৃতদেহ উদ্ধারের খবরে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।খবর দেওয়া হয় হয় কর্নজোড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশকে।ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ।এটি আত্মহত্যা না খুনের ঘটনার তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তবে স্থানীয় বাসিন্দা বা পুলিশ কেউই মৃতের পরিচয় উদ্ধার করতে পারেনি।

বারাসতে বিক্ষোভ, প্রবল যানজট জাতীয় সড়কে

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করার প্রতিবাদে বারাসত চাপাডালি মোড়ে প্রায় ঘন্টাখানেকের বেশী সময় ফরওয়ার্ড ব্লক ও সিপিএমের যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ অবরোধ করে রাখে।আন্দোলন বিক্ষোভের নেতৃত্ব দানকারী ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসত।বারাসাত পৌরসভার বিভিন্ন ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সর্বস্তরে কথা না বলেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে। যাতে স্থানীয় মানুষের আপত্তি রয়েছে ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।সঞ্জীব বাবু দাবি করেন, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার অবশ্যই প্রয়োজন কিন্তু সেটা ঘন জনবসতিহীন অঞ্চলে করতে হবে। পাশাপাশি পৌরবোর্ডের পরিবর্তে যে প্রশাসক বসানো হয়েছে পুরসভায় তাঁর নেতৃত্বে সর্বত্র ওয়ার্ডগুলোতে দলমত নির্বিশেষে, নিরপেক্ষভাবে, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমান ভাবে যাতে কাজ হয় তার দাবিতে এই অবরোধ।সকাল ১১ টা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত এই অবরোধ কর্মসূচি চলে।পরে বারাসত থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায় এবং তাঁদের দাবি মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় অবরোধের ফলে যশোর রোড, টাকি রোড এবং ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নিসর্গ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, ট্যুইট করে মোদি বললেন, সবাই নিরাপদে থাকুন

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

আমফানের পরে নতুন করে দেশের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ‘নিসর্গ’।আর তাই নিয়েই ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।দেশের পশ্চিম উপকূলে ৩ জুন আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়।আর সেই নিয়ে ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন,ভারতের পশ্চিম উপকূলে নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তির পর সেটি মোকাবিলা করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। সবাই যাতে ভাল থাকে, সেই কামনা করি।আমি সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করব, আপনারা সঠিক সময়ে, নিরাপত্তাজনিত সমস্ত ব্যবস্থা সেরে রাখুন।করোনা বিধ্বস্ত মহারাষ্ট্র আর গুজরাতে নতুন করে যে এই ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ঝামেলা তৈরি হতে চলেছে, সেটা বলাই বাহুল্য। আইএমডি–র দেওয়া শেষ সতর্কবার্তায় দেখা যাচ্ছে, এই ঝড়ের আনুমানিক গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটারের কাছাকাছি।আর এর ল্যান্ডফলের সময় ৩ জুন সকাল সাতটা থেকে ১২টার মধ্যে।এই ঝড়ের কারণে ইতিমধ্যে পশ্চিম উপকূলের প্রায় সমস্ত অংশের বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে।একদিকে কেরলে বর্ষা ঢুকে যাওয়ায় সেখানে বর্ষার বৃষ্টি অন্যদিকে কর্ণাটক, মুম্বই ও গুজরাতে নিম্নচাপের কারণে ইতিমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।হাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে ইতিমধ্যে নিষেধ করা হয়েছে।

ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু যুবতীর

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

পরিযায়ী শ্রমিক বোঝাই একটি স্পেশাল ট্রেন মুম্বাই থেকে নাগাল্যান্ড যাওয়ার পথে সোমবার রাতে মালদা টাউন স্টেশন থেকে ট্রেনটি সামসী স্টেশন যাবার আগে শ্রীরামপুর স্টেশনের কাছে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে য়ায় এক যুবতী। এই পরিস্থিতিতে ট্রেনে থাকা অন্য যাত্রীরা ট্রেনের চেন টেনে ট্রেনটিকে দাড়করায়। সাথে সাথে ট্রেনে থাকা রেল পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। সাথে সাথে রেল পুলিশ ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় যুবতীকে উদ্ধার করে সামসী রেল হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে মৃত্যু বলে জানানো হয়।রেল পুলিশ সু্ত্রে জানাযায় মৃত যুবতী নাম ভানলাল মানঘই জুয়ালি(২৬)বাড়ি মিজোরামে মৃতদেহ টি রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লকডাউনের জন্য কর্মহীন,ঋণের দায়ে আত্মঘাতী যুবক

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট শহরের ছেতানী মাঠপাড়ার,  সংগতি পল্লীতে। মৃত যুবকের নাম বরুণ(আপু) মন্ডল, বয়স ৩৭। পিতা মন্টু  মন্ডল। মৃত যুবকের স্ত্রীর নাম পিঙ্কি মন্ডল, একটি সাত বছরের মেয়ে রয়েছে এবং গর্ভবতী অবস্থায় রয়েছে মৃতের স্ত্রী।  খবর সূত্রে জানা গেছে বা পরিবারের একটাই বক্তব্য যে লকডাউনের জন্য অনেকদিন ধরেই কর্মহীন অবস্থায় ছিলেন এবং কিছুটা হলেও মানসিক চাপে ছিলেন, যার ফলে আর্থিক সংকট হয়েছিল পরিবারে, বেশ কিছু ঋণ ছিল বাজারে ,যেগুলি না মেটাতে পাড়ায় এই পথ বেছে নেন বরুণ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায় পারিবারিক কোনো অশান্তি বা পাড়াতে কোন অশান্তি সেরকমভাবে ছিলনা । শুধু মাত্র একটাই কারণ, এই লকডাউনের  জন্য কর্মহীন হয়ে পড়ায় ঋণ হয়েছিল বাজারে বেশ কিছু যার ফলে এই পথ অবলম্বন করেছে। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই নিখোঁজ, তবে বরুন যখন আত্মঘাতী করে তার আগে তার জায়গায় ফোন করে জানো কে ফোন করে বলে যে আমাকে আর পাবেন না তারপর থেকে পরিবারের খোঁজাখুঁজি শুরু হয়ে যায় বরং কে শেষমেষ রাত নটায় তার বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে অর্থাৎ আখিরা মোড়ে একটি গাছে গলায় দড়ি নাই এবং ঘটনাটি সম্পদ থানা পুলিশকে খবর দেয় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং আজকে তার ময়নাতদন্ত হয় রামপুরহাট মেডিক্যাল হসপিটালে

গতি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে নতুন ঘূর্ণিঝড়, মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ


Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডব এখনও পর্যন্ত ভুলতে পারিনি পশ্চিমবঙ্গ এবং ওডিশা। ফের চোখ রাঙাচ্ছে আরও একটি ঘূর্ণিঝড়। আরব সাগরের উপর তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট উপকূলের দিকে। সোমবার সকালে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর-এর ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল আনন্দ কুমার শর্মা জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম আরব সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে এবং পরবর্তী ৪৮ ঘন্টায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে।
ধীরে ধীরে উত্তর অভিমুখ বরাবর এগোবে ঘূর্ণিঝড়টি। তার পর সেটা উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ৩ জুন (বুধবার) সন্ধে কিংবা রাতের দিকে উত্তর মহারাষ্ট্র ও দক্ষিণ গুজরাটের উপকূলে হরিহরেশ্বর এবং দমনের মাঝে সেটি আছড়ে পড়তে পারে। আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের ঘূর্ণনের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০৫ থেকে ১১৫ কিলোমিটার।

গতিবেগ সর্বোচ্চ মাত্রায় উঠতে পারে ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটার। এই ঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। তবে লাক্ষাদ্বীপ অঞ্চলে, কেরল এবং উপকূলীয় কর্নাটকে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোঙ্কণ, গোয়া, মহারাষ্ট্রের কিছু অংশে এবং গুজরাটে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর।

এই সময় সমুদ্র ব্যাপক উত্তাল হবে। জলের উচ্চতা ৪ মিটার পর্যন্ত হতে পারে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কর্নাটক, কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপের উপকূলীয় এলাকাগুলিতে। কেন্দ্রীয় পৃথিবী বিজ্ঞান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। পৃথিবী বিজ্ঞান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘন্টা দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর, লাক্ষাদ্বীপ এলাকা এবং কেরল উপকূলে যেতে বারণ করা হচ্ছে মৎস্যজীবীদের। এছাড়াও ৩ জুন পর্যন্ত পূর্ব-মধ্য আরব সাগর এবং কর্ণাটক-গোয়া উপকূল বরাবর সমুদ্রে যেতে বারণ করা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, ৩-৪ জুন মহারাষ্ট্র উপকূল বরাবর পূর্ব-মধ্য আরব সাগর এবং গুজরাট উপকূল বরাবর উত্তর-পূর্ব আরব সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সীমান্তে ইছামতীর গর্ভে কংক্রিটের বা‌ঁধ্, ডুবল কয়েকশো নৌকা বিপন্ন মৎস্যজীবীরা

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee

বসিরহাট ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ইটিন্ডা ফেরিঘাট থেকে, পানিতর সীমান্ত পর্যন্ত ইচ্ছামতী নদীর ওপর প্রায় তিন কিলোমিটার কংক্রিটের বাঁধ নদীগর্ভে। আমফান ঝড়ে মৎস্যজীবীদের তিনশতাধিক নৌকা ডুবল ইচ্ছামতীর গর্ভে। বিপন্ন ৪০০০, মৎস্যজীবী পরিবার। সব মিলিয়ে কুড়ি হাজার মানুষ আজ সর্বস্বান্ত ।একদিকে করোনা লকডাউন এর জন্য খাবার মজুদ করা চালডাল ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বইপত্র ও নথিপত্র এছাড়া নদীতে মাছ ধরার ছাড়পত্র কেড়ে নিল ইছামতি নদী আমফানের ধ্বংসলীলার মধ্যে। সামনে ৩রা জুন ভরা কোটাল, তার মধ্যেও আতঙ্কের মেঘ দেখছে বাংলাদেশ সীমান্তের ইছামতির তীরের মৎস্যজীবী থেকে মৎস্যজীবী পরিবার, সর্বস্বান্ত হয়েছে। এখনো ত্রান শিবিরে আশ্রয় পাঁচশতাধিক মানুষ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
বিশিষ্ট সমাজসেবী তৃণমূল নেতা শরিফুল মন্ডলের উদ্যোগে চলছে তাদের দু বেলা খাবারের বন্দোবস্ত। সবমিলিয়ে দুর্যোগের থেকে আজ পর্যন্ত আশ্রয়হীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সংকল্প নিয়েছেন, এই বিপর্যয় থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে যতটুকু প্রয়োজন সেটা করে যাব ।এই লড়াইতে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। যতদিন পর্যন্ত মৎস্যজীবী থেকে মৎস্যজীবী পরিবার স্বাভাবিক না হবে ততদিন পর্যন্ত তাদের পাশে দাঁড়াবেন। গত ২০শে মে সেই অভিশপ্ত রাত্রিরের কথা মনে উঠলে শিয়রে উঠশে গ্রামবাসী রাবেয়া বিবি, তিনি বলেন ওই দুর্যোগের রাতে আমাদের পাড়ার ছোট ছোট শিশু সন্তানদের ত্রাণশিবিরে না যেতে পারলে,আর হয়তো আমাদের সকালের সূর্য ওঠা দেখতে পেতাম না ।সামনে ভরা কটাল নদীর দিকে তাকিয়ে বসে আছে, রাত পাহারায় বসেছে ইচ্ছামতী পাড়ের মানুষেরা। নদীগর্ভে চলে যাওয়া তিন কিলোমিটার কংক্রিটের বাঁধ অবিলম্বে মেরামতি না হলে আরো বড় বিপদের সামনা সামনি হতে হবে। আমাদের আর কিছু নেই যা দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করবো, জীবনের শেষ সম্বলটুকুও নদীগর্ভে চলে গেছে ।
ইতিমধ্যে ইছামতি নদীর জলে তিনটি গ্রাম জলবন্দি রয়েছে, নদীতে প্রায় ৩০০, নৌকা ডুবেছে, তেমনি নদীর পাড়ে থাকা নৌকাগুলো ঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ করে দিয়েছে। এমনকি আস্ত একটি নৌকা ঝড়ের তাণ্ডবে দু’টুকরো হয়ে গেছে, যেটুকু আছে কঙ্কাল চেহারার রূপ নিয়েছে ।সবমিলিয়ে সীমান্তের ইছামতীর পাড়ে ইটিন্ডা পানিতার গ্রাম পঞ্চায়েতের এই তিনটি গ্রাম ইটিন্ডা, পানিতর, নাগরাজ পাড়া,প্রহর গুনছে সামনে ভরা কটাল, আবার কি নতুন করে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হবে। গত ১২ দিন আগেই আম্ফানের তান্ডব দেখেছে গোটা রাজ্য। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের এই ঘোজাডাঙ্গা পানিতর সীমান্ত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল আম্ফানের তাণ্ডবে। পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি লেগেই আছে ইছামতি লাগোয়া পানিতার গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম। ওপারে বাংলাদেশ ভারতবর্ষের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে ইছামতি। আমফানের সময়ে ভয়ঙ্কর চেহারার নেয় এই ইছামতি। তাই ভরা কটাল এর আগেই কোমর বেঁধেছে গ্রামবাসীরা। যাতে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা ঠেকানো যায় সেজন্যই এই উদ্যোগ।