Web Desk:সাধারণত কাদা-জলে কচ্ছপ কালো বা মেটে রংএর কচ্ছপ সবসময়ই দেখা যায়।কিন্তু মঙ্গলবার সকালে পুকুরে জাল ফেলতে গিয়ে আচমকাই হলুদরঙের একটি প্রাণীকে দেখতে পান পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা থানার পাঁচরোল গ্ৰামের চন্দন পাত্র। তিনি তৎক্ষণাৎ প্রতিবেশীদের ডেকে সেটিকে দেখান। ওই ব্যক্তি প্রথমে ভেবেছিলেন এটি অন্য কোনও বিশেষ প্রাণী। ভাল করে দেখার পর তাঁরা বুঝতে পারেন আদতে কচ্ছপ ওই হলুদ রঙা প্রাণীটি। এরপরই ওই ব্যক্তি সেটিকে বাড়িতে নিয়ে যান। মুখে মুখে খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রাণীটিকে দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। এই খবর এগরা বন দফতরে জানানো হলে বন দফতরের কর্মীরা কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।Reporter Aniruddha Benerjee
বিরোধীদের মুখ পুড়ল সুপ্রিম কোর্টের রায়ে। বড়সড় জয় মিলল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের। রাজ্য সরকারের নিয়গ করা বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরই আপাতত কলকাতা পুরসভার কাজ চালিয়ে যাবে, এমনটাই জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এদিন বিচারপতি এম খানউইলকর, দিনেশ মাহেশ্বরী এবং সঞ্জীব খন্নাকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়। এই নিয়োগকে বেআইনি বলে করা পিটিশনকে খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
এদিন শুনানির সময়, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উকিল অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন করোনা অতিমারির জেরে নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণ করতে পারেনি। তারা সেটা চিঠি লিখে পাঠায়। সেই পরিস্থিতিতে যাতে পুরসভার কাজ বন্ধ না হয় তাই প্রশাসক নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। এই পরিপ্রক্ষিতে কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের উদাহরণ দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, পুরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পুরসভা আইন (১৯৮০)-এর ৬৩৪ নম্বর ধারাকে ব্যবহার করে প্রশাসকদের বোর্ড গঠন করা হয়। সেখানে প্রধান করা হয় মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। বাকি মেয়র পারিষদদের বোর্ডের অংশ করা হয়। এর বিরুদ্ধেই আদালতে মামলা হয়। এই প্রক্রিয়া বেআইনি বলে দাবি করে বিরোধীদের উকিল। ফলে শীর্ষ আদালতের এমন রায়ে মুখ পুড়ল বিরোধীদের। পাশাপাশি পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম-ই থাকবেন।
পারিবারিক অশান্তির জেরে ভাইয়ে ভাইয়ে চলল গুলি। আহত দুই ভাই হলেন হাবিল শেখ ও ওয়াসিকুল শেখ। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার অন্তর্গত দেওয়ানসরাই গ্ৰাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গ্রাম সীতেশনগর গ্ৰামে। স্থানীয়দের তৎপরতায় আহতদের কৃষ্ণপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় লালগোলা থানার পুলিশ । কোথায় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এল ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে লালগোলা থানার পুলিশ। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দিন কয়েক থেকে টাকা-পয়সার সমস্যা নিয়ে চলছিল ওই দুই ভাইয়ের মধ্যে এর পরেই আজ সকালে বচছা চরমে ওঠে এরপর এই গুলি চালায় বলে অভিযোগ।
তেল চুরির প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত হতে হল এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে। আক্রান্ত আশিস সাহার মাথা ইঁট দিয়ে ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এমনকি,বাধা দিতে গেলে কামড়ে তাঁর বুকের মাংসও তুলে নেয় হামলাকারী। ঘটনাটি বারাসতের বনমালিপুরের।
এরপর রক্তাক্ত অবস্থাতেই তিনি অভিযোগ জানাতে ছুটে যান বারাসত থানায়।
রক্তে তখন গায়ের জামা লাল হয়ে গিয়েছে।মাথা থেকেও ঝরছে অঝোরে রক্ত।সেই দৃশ্য দেখে চমকে যান থানার পুলিশ অফিসারেরাও। ব্যবসায়ীকে উপদেশ দেন,আগে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করানোর। তারপর অভিযোগ করার অনেক সময় থাকবে!
পুলিশের উপদেশ মেনে আক্রান্ত ব্যবসায়ী দেরি না করে চিকিৎসার জন্য যান বারাসত জেলা হাসপাতালে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,আক্রান্ত আশিস বাবুর বাড়ি বারাসতের বনমালিপুরে। তাঁর বড় বাজারে পঞ্চানন মার্কেটে ওষুধের দোকান রয়েছে।
আজ দুপুরে বনমালিপুরের একটি ক্লাবের সামনে ওই ব্যবসায়ীর বাইক দাঁড় করানো ছিল। সেই সময় গৌরাঙ্গ পাল নামে এক ব্যাক্তি তাঁর বাইক থেকে তেল চুরি করছিলেন বলে অভিযোগ। তা দেখে প্রতিবাদ করেন ওই ব্যবসায়ী।
অভিযোগ,এরপরই তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে সে। হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। দু-এক কথার মধ্যে আচমকাই ওই ব্যাক্তি ইট তুলে আঘাত করে ব্যবসায়ীর মাথায়। মাথা থেকে গলগল করে বেরতে থাকে রক্ত।সেই অবস্থায় বাধা দিতে গেলে তাঁর বুকে কামড় দেয় হামলাকারী।
চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে সুযোগ বুঝে সেখান থেকে চম্পট দেয় সে। এরপর,রক্তাক্ত অবস্থাতেই অভিযোগ জানাতে বারাসত থানায় ছুটে যান আক্রান্ত ব্যবসায়ী। তাঁর শরীর থেকে রক্ত ঝরতে দেখে পুলিশ অফিসাররা আগে চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন তাঁকে। সেই মতো বারাসত জেলা হাসপাতালে যান চিকিৎসা করাতে।
Web Desk: Aniruddha Benerjee আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাসের থেকেও অতিব শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ আছড়ে পড়ল। মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার আলিবাগের কিছুটা দক্ষিণে মুরুদ এবং রেভদান্দার মাঝে স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ল নিসর্গ। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ স্থলভূমিতে প্রবেশ করেছে নিসর্গ। তবে পূর্বাভাসের তুলনায় হাওয়ার বেগ বেশ খানিকটা বেশি। ঘণ্টায় ১২০-১৪০ কিলোমিটার বেগে বইছে ঝড়। সমুদ্রে থাকার সময়ে ঘূর্ণিঝড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ কিলোমিটার ছিল। ঝড়ের বেগ ছিল ঘণ্টায় ১১০-১২০ কিলোমিটার।
আজ সকালে হঠাৎই ভূমিকম্প অনুভূত হল ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.২। ভূমিকম্পের উৎস্যস্থল ছিলো বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাছে নেত্রকোনা এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে হঠাৎ কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
এর আগেও ভারতে একাধিকবার ভূমিকম্প হয়েছে। গত সপ্তাহেই ৪৮ ঘণ্টায় পর পর দুবার ভূমিকম্প হয়েছে রাজধানী দিল্লিতে। কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৫। ভূমিকম্পের উৎস্যস্থল ছিল হরিয়ানার রোহতক। দিল্লির এনসিআর পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছিল। যদিও সবকটিই মৃদু ভূমিকম্প ছিল। ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি।
Web Desk: ৭১ বছরের রোগী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহেই হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল গুজরাতের ক্যানসার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে। সিভিল হাসপাতালের ক্যাম্পাসে ভরতি ছিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে রোগীকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং পরিবারের লোকেরা তাঁর শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেন সেদিন। কিন্তু তার পর সেদিন ফের হাসপাতাল থেকে পরিবারের লোকেদের ফোন করে জানানো হয়, রোগী ভালো আছেন।
বিরাটনগরের বাসিন্দা দেবরামভাই মহানগুরাও ভিশিকার গত ২৯ মে গিসিআরআইতে মৃত্যু হয় বলে জানানো হয় পরিবারকে। তাঁর শেষকৃত্যের কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে ফোনে জানানো হয় তিনি ভালো আছেন। পরের দিন ফের হাসপাতালের সিভিল ক্যামপাস থেকে ফোন করে একই তথ্য জানানো হয় যে তিনি এখন অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছেন।
নোবেলনগরে মৃতের জামাই নীলেশ নিকতে থাকেন। তিনি বলেছেন, ‘২৯ মে দুপুরে হাসপাতাল থেকে ফোন পাই আমরা। বলা হয় তিনি মারা গিয়েছেন এবং তাড়াতাড়ি পরিবারের লোকেদের হাসপাতালে যেতে বলা হয়। আমি ও আমার স্ত্রীর দিদি সেখানে পৌঁছয়। একটি দেহ প্যাক করা অবস্থায় আমাদের দেখানো হয়। কোভিড ১৯-এর নিয়ম অনুযায়ী এখন যেভাবে দেহ রাখা হচ্ছে সেভাবেই আমাদের দেহ দেখান কর্তৃপক্ষ শ্বশুরের কোভিড রিপোর্ট আসা তখনও বাকি ছিল। আমরা অবশ্য দেহের মুখ দেখিনি। কারণ আমাদেরকে তাঁর জামাকাপড়, ব্যাগ ফেরত দেওয়া হয় যেগুলি ভরতির দিন আমিই হাসপাতালে দিয়েছিলাম। তাই আমরা বিশ্বাস করে ফেলি যে ওটাই শ্বশুর।’
দেবরামভাই গত ২৮ মে দুপুরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আচমকাই তাঁর কাশি শুরু হয় এবং ব্লাড সুগার বেড়ে যায়। বুকের এক্সরে-র পর তাঁকে কোভিড ওয়ার্ডে রাখা হয়। পরে স্থানান্তর করা হয় জিসিআরআই-তে। ২৯ মে রাতে জামাই ও আরেক পরিবারের সদস্য মিলে বেদজ শ্মশানে শেষকৃত্য করা হয়। তাঁর তিন মেয়েরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে রাত ১১টা নাগাদ ফেরার পর, মেয়ের কাছে ফোন আসে রাত দেড়টা নাগাদ (৩০ মে)। জামাইয়ের কথায়, ‘রাতে ফোন আসার পর আমার স্ত্রী সেটা ধরেনি। কারণ একটা অপরিচিত নম্বর থেকে অত রাতে ফোন এসেছিল তাই। কল সেন্টার থেকে পরদিন সকালে ফের ফোন আসে। সেখানে জানানো হয় শ্বশুরের কোভিড পরীক্ষা নেগেটিভ এসেছে এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, কোনও গণ্ডগোলই হয়নি। রোগীর শেষ রিপোর্ট না জেনে কোভিড নেগেটিভ এসেছে সেই খবরটি শুধু পরিবারকে জানানো হয়। কিন্তু তাঁর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা যিনি ফোন করেছিলেন তাঁর জানা ছিল না।Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বাস মালিকের সঙ্গে টানাপোড়েন চললেও গতকালই ভাড়া বাড়িয়ে রাস্তায় নেমেছে কিছু বেসরকারি বাস। বাসের সামনে নোটিসে লেখা রয়েছে কোভিড-১৯ স্পেশাল ফেয়ার। ৭ টাকা বেড়ে ভাড়া হয়েছে ১০ টাকা। ৯ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা। ১০ ও ১১ টাকার ভাড়া বেড়ে হয়েছে ২০ টাকা। যাত্রীদের দাবি, এই কদিন বাস না মেলায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি অথবা অন্য কোনও গাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এর থেকে ভাড়া বেশি দিয়ে বাস যাত্রা অনেক বেশি লাভজনক। আজ সকাল থেকে রাস্তায় দেখা গিয়েছে বেসরকারি বাস।Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: মুম্বাইয়ের আকাশে নিসর্গ (nisarga) ঘূর্ণিঝড়ের কালো মেঘ বিরাজ করলেও, বাংলার আবহাওয়া (Weather) কিন্তু মনোরম। সকাল থেকেই রোদ ঝলমলে আকাশ দেখা যাচ্ছে। রোদের পারদও চড়ছে জোরকদমে। এরই মাঝে গতকাল অল্প সময়ের বজ্রপাত যুক্ত বৃষ্টিতে সামান্য ঠাণ্ডা হয়েছে পরিবেশ। আবার মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা নিসর্গের দরুন আজ তান্ডব চলতে পারে মহানগরী মুম্বাইয়ে। ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে উপকূল অঞ্চলগুলিও। তাঁর রেশ সামান্য হলেও বাংলায় আসতে পারে নিম্নচাপ হয়ে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর (Weather office)। করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই নিসর্গ আতঙ্কে রয়েছে মহারাষ্ট্রবাসী।
সতর্কতা জারী ঘণ্টায় প্রায় ১২৫ কিমি বেগে উপকূলের উপর তাণ্ডব দেখাতে পারে এই নিসর্গ। এই সময়কালে সমুদ্র উপকূলবর্তী মানুষজনকে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং সেই সঙ্গে সমুদ্র যাত্রা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। লাল সতর্কবার্তা জারী করা হয়েছে সর্বত্র।Reporter Aniruddha Benerjee
হাওড়ার # সাইক্লোন আ্যামফান বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলিকে # হাওড়াসিটিপিলিস #COVID Warriors দ্বারা কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে। স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলিতে তারপলিন শীট বিতরণ করা হয়। #WeCareWeDare # হ্যাভট্রাস্ট
Pic courtesy howrah city police(Developed by Reporter Samrat Ghosh)