
Webdesk: বীরভূম জেলার প্রাথমিক শিক্ষক/শিক্ষিকারা আজ মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৩১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৪০ টাকার চেক জেলা সভাপতি “অনুব্রত মণ্ডলের” হাতে তুলে দেয় বীরভূম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি মাননীয় ডঃ প্রলয় নায়েক . Reporter: Shrinjoy Ghosh



Web Desk:মিলছে বর্ষার সংকেত।মুষলধারে বৃষ্টি নামল কলকাতায়।ভিজল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাও।আবহবিদরা বলছেন, এটি প্রাকবর্ষার বৃষ্টি।আগামী সপ্তাহের মধ্যে কলকাতায় বর্ষা ঢুকে যাবে।এ দিন দুপুর বিকেল নাগাদ অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামে হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, নদিয়া, দুই বর্ধমান ও পুরুলিয়ায়।বৃষ্টির সঙ্গেই বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া।হাওয়ার গতি ছিল ৩০-৪০ কিলোমিটার।বহু জায়গায় একটানা বজ্রপাত হয়েছে দুই চব্বিশ পরগণাতেও।কলকাতাতেও পার্কস্ট্রিট, লেকগার্ডেনস, নিউআলিপুর, দমদমে বৃষ্টি হয়েছে মুষলধারে।উত্তর চব্বিশ পরগনা বারাসাত দেগঙ্গা আমডাঙা-সহ বিস্তীর্ন এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয় এদিন দুপুরে।বজ্রবিদ্যুৎ সহ মুষলধারায় বৃষ্টি হয়েছে দুর্গাপুরে।বহু জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে পড়ে। বৃষ্টির জেরে রাস্তায় জলও জমেছে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর অনেক জায়গাতেই। হুগলির চন্ডীতলা, সিঙ্গুর, হরিপাল, তারকেশ্বর-সহ বিভিন্ন এলাকায় তুমুল বৃষ্টি হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আরও বৃষ্টি হতে পারে আগামী কয়েকদিনে।কারণ বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ ক্রমেই স্পষ্টতর হচ্ছে।এই নিম্নচাপের হাত ধরেই রাজ্যে বর্ষা ঢুকতে চলেছে,মত আবহবিদদের।লকডাউনের জেরে এ বছরের গ্রীষ্মের সময়টা নজিরবিহীন ভাবেই ঘরবন্দি অধিকাংশ রাজ্যবাসী।এবার বৃষ্টিতে বোঝা যাচ্ছে ঋতুটাই শেষ হতে চললReporter Aniruddha Benerjee
Developed Reporter Samrat Ghosh


Web Desk:০৭জুন:লকডাউন উঠতেই শিলিগুড়িতে ফের সক্রিয় মধু চক্র।এদিন গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শহরের একটি হোটেলে মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করল শিলিগুড়ি থানার পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির পুলিশ।ধৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ৩ জন মহিলা রয়েছেন। ধৃতদের মধ্যে ৪ যুবক বিহারের বাসিন্দা এবং ১ জন শিলিগুড়ির হোটেলের ম্যানেজার। বাকি ৩ যুবতি দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দা হলেও শিলিগুড়ির ভক্তিনগর এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ওই ৩ যুবতি শিলিগুড়ির বিভিন্ন পার্লারে কাজ করে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশের কাছে খবর ছিল পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ি এলাকায় একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছে। খবর পেয়েই শনিবার রাতে পুলিশ ওই হোটেলে হানা দিয়ে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরে। প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করে রবিবার শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পাঠানো হচ্ছে।Reporter Aniruddha Benerjee

Web Desk:একদিকে বিপুল পরিমাণ দেনা। অন্যদিকে লকডাউনে ব্যবসা মন্দা। এর জেরে তিন শিশু সন্তানের গলার নলি কেটে খুন করার পরে আত্মহত্যা করলেন দম্পতি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে বরাবাঁকিতে। পুলিশ অভিশপ্ত বাড়ি থেকে পাঁচটি দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তেরক জন্য পাঠিয়েছে ।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, বছর সাঁইত্রিশের ওই ব্যক্তি ও তাঁর ৩৪ বছর বয়েসি স্ত্রী আত্মহত্যা করার আগে ৫ বছর বয়সি শিশুপুত্র এবং ৭ ও ১০ বছর বয়সি দুই মেয়ের গলার নলি ও কব্জির শিরা কেটে খুন করেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছেন যে, ১২ বছর আগে দুই পরিবারের অসম্মতিতে বিয়ে করেছিলেন ভিন্ন জাতের যুগল। তার পর থেকে সফেদাবাদে পারিবারিক বাড়ির একাংশে তাঁরা বসবাস শুরু করেন। ক্রমে দম্পতির তিনটি সন্তান জন্মায়। দুই দিন দেখা না পেয়ে মৃত
যুবকের মা ছেলের পরিবারের খোঁজ নিতে গিয়ে বাড়িরতে গিয়েছিলেন।
বাড়িতে গিয়ে ছেলে, ছেলের বউ ও নাতি-নাতনির সাড়া না পেয়ে বাড়ির পিছন দিকে গিয়ে জানলা দিয়ে দেখেন সিলিং ফ্যানে ছেলের দেহ ঝুলছে। এরপরেই খবর পান বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা। তাঁরাই থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে বাড়ির ঢুকে পাঁচটি দেহ উদ্ধার করে।
তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বোঝা গিয়েছে যে, ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পরে ঘুমন্ত তিন সন্তানের হাতের শিরা ও গলার নলি রান্নায় ব্যবহৃত ছুরি দিয়ে কেটে ফেলেন ওই দম্পতি। তারপরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন যুবক। হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করেন তাঁর স্ত্রী। বাড়ির এসি চালু ছিল বলে এই দুই দিন প্রতিবেশীরা ঘটনার কোনও আঁচ পাননি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সই করা সুইসাইড নোটে নিজেদের আর্থিক সংকট এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন আত্মঘাতী দম্পতি।Reporter Aniruddha Benerjee

Web Desk:টোটো এবং গরু বোঝাই গাড়ির সংঘর্ষে প্রান হারাল বছর পঞ্চাশের এক ব্যক্তি। এই মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে নলহাটি থানার চামটি বাগান এলাকায়। ঐ মৃত ব্যক্তির সাথে থাকা তার ছেলেও গুরুতর আহত হন। তাকে তাড়াতাড়ি স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। জাতীয় সড়কের ওপর বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা।যার জেরে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যহত হয়।খবর পেয়ে নলহাটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁচ্ছায়। ঘাতক গাড়িটিকে আটক করে।
ঘটনা, রবিবার সকাল নাগাদ ৬০ নং জাতীয় সড়কের ওপর নলহাটি থানার চামটি বাগানের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বাবা এবং ছেলে টোটো করে ফল কিনে রামপুরহাট থেকে নলহাটির দিকে আসছিল। অন্যদিকে রামপুরহাটগামী একটি গরু বোঝাই করা ৪০৭ গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে টোটোতে।ফলে ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয় বাবার। স্থানীয়রা মৃত ব্যক্তির ছেলেকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্থানীয়রা রাস্তার ওপর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাদের দাবী, রোজ এমনভাবে গরু পাচার হচ্ছে। পুলিশ দেখেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।Reporter Aniruddha Benerjee

Web Desk: কলকাতার প্রাক্তন পুলিস কমিশনারের প্রাক্তন স্ত্রী ও শাশুড়ির রহস্যজনক মৃত্যু। সল্টলেকের বিই ব্লকের বন্ধ ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার জোড়া দেহ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়। মৃতদের নাম পাপিয়া দে (৭৯) ও শর্মিষ্ঠা কর পুরকায়স্থ (৬০)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মা-মেয়ে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আগের তুলনায় তাই মেলামেশাও কমে গিয়েছিল। কিন্তু গত দুদিন ধরে তাঁদের একেবারেই বাড়ির বাইরে দেখতে পাননি কেউ।
আত্মীয়রাও ফোন করে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি বলে খবর। ঘরের দরজা জানলা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় আর তাঁদের দেখতে না পাওয়ায় সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। শনিবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশীরাই থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে মা-মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রথমে বিধাননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকরে পাঠানো হয়।
জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই পাপিয়াদেবীর একটি অপারেশন হয়। তিন দিন আগেই তিনি হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন। তাঁরা স্বাস্থ্যদফতরের নজরেই ছিলেন।
কীভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। করোনায় মৃত্যু কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তবে এলাকায় স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, প্রাক্তন নগরপাল সুরজিত্ কর পুরকায়স্থর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগেইReporter Aniruddha Benerjee

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
মারণ ভাইরাস করোনার তাণ্ডবে ভেঙে চুরে যাচ্ছে পুরো পৃথিবী। ক্রমাগত জিনের রূপ বদলে ভয়াল আকার ধারণ করায় এখন পর্যন্ত এই মরণব্যাধির প্রতিষেধক আবিষ্কার সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে বিজ্ঞানীরা জানালেন চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য। তাদের দাবি- করোনার মতো মঙ্গল গ্রহও রূপ বদলেছে।
প্রায় ৪০০ কোটি বছর আগে মঙ্গল গ্রহের রঙ নীল ছিল। ধীরে ধীরে সেটি লাল হয়েছে। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা শেষে এমনটাই দাবি করছেন। একই সঙ্গে তারা মঙ্গল গ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত পেয়েছেন। বিজ্ঞানীরা মঙ্গলে নাইট্রোজেন বা জৈবিক পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন। জাপানের একদল বিজ্ঞানী মঙ্গলের উল্কাপিন্ডে এমন এক জৈবিক পদার্থ পেয়েছেন যাতে নাইট্রোজেনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।এই বিশেষজ্ঞদের দলে রয়েছেন, টোকিও ইন্ডাসট্রিজ অব টেকনোলজির বিজ্ঞানী আন্সুকো কোবায়াশী ও জাপানি এরোস্পেস এক্সপোরেশন এজেন্সির ইনস্টিটিউট অব স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্টোনটিক্যাল সায়েন্সের বিজ্ঞানী মিজুহো কোএকে।
তাদের গবেষণায় জানা গেছে, মঙ্গলে পাওয়া এই জৈব পদার্থ প্রায় ৪০০ কোটি বছর পুরনো। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলের মাটির ভেতরে জৈবিক পদার্থ পানির সংমিশ্রণে থাকতে পারে। ফলে সেই সময়ে মঙ্গলে প্রাণের স্পন্দনের এক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। এর আগেও বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, একটি উল্কাপিন্ড আন্টার্কটিকায় পড়েছিল সেটিকে হিল্স এএলএইচ ৮৪০০১ (ALH 84001) নাম দেওয়া হয়েছিল। ওই উল্কাপিন্ড ১৯৮৪ সালে বৈজ্ঞানিকেরা পেয়েছিলেন। তারপরে একাধিক সমীক্ষায় উঠেছে এমন সব তথ্য যে- মঙ্গলের রং আগে হয়তো নীল ছিল যা এখন লাল হয়েছে।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
বছরের শুরুতেই ভেঙে পড়েছিল বর্ধমান স্টেশনের একাংশ তড়িঘড়ি মেরামত করা হয়। ছুটে আসে জেলার নানাপ্রান্তের রেলের আধিকারিক। বর্তমানে রাজ্যের বাইরে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরছে ঠিক সে সময় বর্ধমান স্টেশনে ওই মেরামতের অংশের কিছু প্লাউডের অংশ ছেড়ে পড়ে তাদের মাথায় হতে পারতো বড়সড় দুর্ঘটনা তড়িঘড়ি রেল কর্তৃপক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকদের সরিয়ে ফেলে ছেড়ে যাওয়া যথাস্থানে তার ব্যবস্থা নেই রেল কর্তৃপক্ষ। পরিযায়ী শ্রমিকরা আতঙ্কের মধ্যে ছিল সে সময় । তাদের বক্তব্য কিছুদিন আগে বড়োসড়ো অংশ ভেঙে পড়েছিল যদিও কোন মানুষের ক্ষতি হয়নি তবুও রেল কর্তৃপক্ষকে দেখা দরকার।

Web Desk:Reporter Aniruddha Benerjee
হাসপাতালের বিল না মেটানোয় দড়ি দিয়ে বেডের সঙ্গে বেঁধে রাখলেন কতৃপক্ষ। জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার। মধ্যপ্রদেশের ভোপালের শাজাপুর জেলার একটি হাসপাতালে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই জেলাশাসকের নির্দেশে ওই হাসপাতালে পৌঁছেছে একটি প্রতিনিধি দল। পাশাপাশি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
জানা গেছে, শারিরীক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধ। ভর্তির সময় ৫ হাজার টাকা দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এরপরেই কয়েকটা দিন কেটে গেলে হাসপাতালের ১১ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করতে পারেনি বৃদ্ধের পরিবার। এরপরেই অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ওই বৃদ্ধ হাসপাতাল থেকে পালাতে না পারেন তার জন্য মোটা দড়ি দিয়ে হাসপাতালের বেডের সঙ্গে হাত ও পা বেঁধে রাখেন। এই ঘটনা জানাজানি হতেই ঘটনাটি ক্ষতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ চৌহান। পাশাপাশি অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তর কথা বলেছেন