সদ্যজাতর দেহ খেলো রাস্তার কুকুর

Web Desk: অমানবিকতার সাক্ষী হল বর্ধমান শহর। রাস্তার ধারে সদ্যোজাত শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে থাকা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরে। সদ্যোজাত শিশুর দেহে রাস্তার ধারে বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘক্ষন পড়ে থাকে এবং রাস্তার কুকুরে দেহটিকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে টানাহেঁচড়া করে নিয়ে এসেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের ছোটনিলপুর আমবাগান এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় তারা। সদ্যোজাত শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ টি বেলচায় করে উদ্ধার করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিক্ষোভ দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম সমাদ্দার বলেন, বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘক্ষন শিশুটির দেহ রাস্তায় পড়েছিল। রাস্তার কুকুরের এটিকে টানাহেঁচড়া করছিলো। তার অনুমান শিশুটির বয়স আনুমানিক ১থেকে ২ দিন হবে। স্থানীয়রা কেউ শিশুটিকে এইভাবে ফেলে দিয়ে গেছে বলে উত্তম বাবু অভিযোগ করেন। অপর এক বাসিন্দা সঞ্চিত মাকড় বলেন, সদ্যোজাত শিশুর দেহ এইভাবে পড়ে থাকাটা খুবই বেদনাদায়ক। আমাদের সকলেরই সন্তান আছে যারা এইভাবে সদ্যোজাত শিশুকে ফেলে দিয়ে গিয়েছে তারা খুবই নিষ্ঠুর তাদের অবিলম্বে শাস্তি হওয়া উচিত।
Reporter Aniruddha Benerjee

চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ

Web Desk: চকলেটের প্রলোভন দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মাত্র চার বছর বয়সী শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশু ভর্তি মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।নির্যাতিতা শিশু কন্যার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘটেছে মালদার ইংরেজবাজার থানার নিমাইসরাই এলাকায়।
ধৃত ব্যক্তির নাম,সফিকুল আলম(৫৫)। নিমাইসরাই এলাকারই বাসিন্দা তিনি পেশায় চাল ব্যবসায়ী। নির্যাতিত শিশু কন্যার পরিবারের অভিযোগ,গত ১৬ তারিখ বাড়ির বাইরে শিশুকন্যাটি খেয়েছিল। সেই সময় প্রতিবেশী শফিকুল আলম শিশুকন্যাকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে ডাকেন। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে ওই ব্যক্তির বাড়ি থেকে কাঁপতে কাঁপতে বেরিয়ে আসে শিশুকন্যাটি। মুহূর্তের মধ্যেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রক্তপাত হতে থাকলে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে সমস্ত ঘটনা ও শিশুকন্যা জানাই। শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তড়িঘড়ি মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওই শিশু কন্যাকে। এরপরে পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় ইংরেজবাজার থানায়। অভিযোগ পেয়ে ইতিমধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নির্যাতিতার পরিবারের তরফ থেকে অভিযুক্ত ফাঁসির সাজা দাবি তোলা হয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়ে বালি তোলার কাজ, আটক ৪ জেসিবি

Web Desk: অবৈধ বালি পাচার’ নিয়ে বাঁকুড়ায় অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এবার রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়ে বালি তোলার কাজে ব্যবহৃত চারটি জেসিবি আটক করলো জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে ওন্দার নবজীবন পুর সংলগ্ন দ্বারকেশ্বর নদী থেকে ঐ চারটি জেসিবি আটক করা হয় বলে খবর।
সূত্রের খবর, দ্বারকেশ্বর নদীর নবজীবনপুর এলাকায় বালি তোলার বিষয়ে কোন সরকারী অনুমোদন নেই। তারপরেও এক শ্রেণীর বালি মাফিয়া দিনের পর দিন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বালি তুলে মজুত করছে। এই ঘটনায় শাসক দল ও প্রশাসনের একাংশ জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে বিজেপি। দলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি হরকালি প্রতিহার বলেন, প্রশাসনের তরফে লোক দেখানো আটক করা হয়েছে ঐ চারটি জেসিবি। এই কাজে সরাসরি শাসক দলের মদত রয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, অবিলম্বে এই অবৈধ বালি পাচার বন্ধ না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন।
বাঁকুড়া জেলাশাসক অরুণ প্রসাদ বলেন অবৈধভাবে বালি তোলার জন্য ওই জেসিবি মেশিন গুলিকে আটক করা হয়েছে। জেসিবি গুলি সিজ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। আইনের মধ্য দিয়ে এর ব্যবস্থা করা হবে।প্রত্যেকটা জায়গায় যেখান থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছি সেখানে রেড টিম গিয়ে রেড করছে এবং আগামী দিনেও এই রেড চলবে বলে জানান তিনি।
Reporter Aniruddha Benerjee

সংশোধনাগারের ভীতরে বন্দীদের মাদক দ্রব্য সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন সংশোধনাগারের ওয়ার্ডেন

Web Desk: প্রসঙ্গত, খড়গপুরের শ্রীনু নাইডু হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ও বাঁকুড়া জেলা সংশোধনাগারের তিন নম্বর সেলের বন্দি সুমন সিং ওরফে মোটা রাজা গত শুক্রবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের তরফে সুমন সিংকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন জেলের মধ্যে ঐ বন্দিকে মাদক দ্রব্য সরবরাহ করা হতো।

আর এই ঘটনায় যুক্ত খোদ ওয়ার্ডেন দেবব্রত ভৌমিক। দেবব্রত ভৌমিকের সরবরাহ করা মাদক সেবন করেই ঐ বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপরেই সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ডেন দেবব্রত ভৌমিকের নামে বাঁকুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পূলিশ তাকে গ্রেফতার করে। শনিবার ধৃতকে বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

সুজন চক্রবর্তীর মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠি লকডাউনে সাধারণ মানুষের রোজগার নেই। তার মধ্যেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলিতে ফি বৃদ্ধি করছে। এই সময়কালে ছাত্রছাত্রীদের মাহিনা ছাড় দেওয়া সহ অনলাইন ক্লাস সংক্রান্ত ও শিক্ষাবর্ষের সময়কাল বাড়ানোর দাবী জানিয়ে

জম্মু ও কাশ্মীর: ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে কাঠুয়ার পানসারে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মীরা পাকিস্তানি গুপ্তচর ড্রোনকে গুলি করে হত্যা করে।

webdesk pic ANI
যে ধরণের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে সেদিকে নজর দিলে মনে হয় এর জন্য যে দায়ী সে বড় কোনো ঘটনা তৈরির চেষ্টা করছে। সন্দেহ নেই যে ড্রোনটি পাকিস্তান থেকে এসেছে: এনএস জামওয়াল, মহাপরিদর্শক, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (জম্মু ফ্রন্টিয়ার) Developed Reporter Samrat Ghosh

লকডাউনে বন্ধ রোজগার, সংসার টানতে করোনায় মৃতদের দাহ করছে স্কুলপড়ুয়া

সংসারে অর্থাভাব। পেটের দায়ে করোনা রোগীদের মৃতদেহ দাহ করতে হচ্ছে স্কুলপড়ুয়াকে। দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র চাঁদ মহম্মদ। স্কুলে নামটা লেখানো আছে বটে, কিন্তু পড়াশোনার খরচ যোগাতে নাজেহাল এই কিশোর। এই করোনা আবহে মানুষের কষ্ট তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নও দেখে সে। কিন্তু ঘিঞ্জি বসতির ঘরে ডাক্তার হওয়ার আশা তাঁর কাছে ছেঁড়া কাথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতোই ঠেকে।এইটুকু বয়সে তাঁর কাঁধে দায়িত্বও কম নয় নেহাত! মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগানো, চাঁদের তিন বোন স্কুলে পড়ে। তাদের স্কুল ফি। উপরন্তু নিজের পড়াশোনার খরচ যোগানো। পুরো সংসারের দায়িত্বটাই চাঁদ মহম্মদের কাঁধে। এই বয়সে এত দায়িত্ব সামলানোটা কি চারটিখানি কথা! এই করোনা আবহে লকডাউনের জন্য রোজগারের সব পথ বন্ধ। উপরন্তু স্কুলও বন্ধ। তাই পেটের দায়ে সংসার টানতে করোনায় মৃতদের দাহ করতে হচ্ছে তাঁকে। নমাজ পড়ে রোজ কাজে যায় সে। এমন বিপজ্জনক কাজের পারিশ্রমিক শুনলে অবাক হবেন আপনিও! মাসে মাত্র ১৭ হাজার টাকা। তবে অভাবের সংসারে বড় হওয়া চাঁদের কাছে সেটাই তো অনেক। খেয়ে-পড়ে, মায়ের চিকিৎসার খরচ দিয়ে, বোনদের পড়িয়ে কোনও মতে চলে যায়।স্কুল পড়ুয়ার বাড়ি উত্তরপূর্ব দিল্লির (Delhi) সিলামপুরে। চাঁদের স্বপ্ন ডাক্তার হবেন। কিন্তু স্বপ্ন বললেই তো আর হয় না! বাড়িতে নিত্য অভাবের সঙ্গে সঙ্গী রোগভোগ। মা থাইরয়েডের রোগী। দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যায় ভুগছেন। এদিকে নিয়মিত চিকিৎসা করানোর দরকার থাকলেও উপায় নেই! পরিবারের আয় বলতে ছিল একমাত্র দাদার রোজগার। একটি দোকানে কাজ করতেন চাঁদের দাদা। কিন্তু সেই কাজটাও হাতছাড়া হয়েছে লকডাউনের জেরে। এইভাবেই কোনও মতে কাটছিল সিলামপুরের দুস্থ পরিবারটির দিন। লকডাউনের সময়ে দুই ভাইয়ের খুচরো কিছু আয় ছাড়া ভরসা বলতে ছিল শুধুমাত্র প্রতিবেশীদের সাহায্য।লকডাউনের আর বাকি দিন চলবে কী করে? চিন্তায় চাঁদ মহম্মদের পরিবারের সকলের কপালে ভাঁজ পড়ে যায়! ঠিক এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতেই একটি কাজের সুযোগ এসে যায়। দিল্লির লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে (Jay Prakash Lok Narayan Hospital) ঝাড়ুদারের কাজ পেয়েছিল চাঁদ। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিফট। তখনই করোনা আক্রান্ত মৃতদের দেহ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে হত। এরপরই জুটল সৎকারের কাজ। পিপিই কিট পড়ে নেমে পড়ল চাঁদ রণক্ষেত্রে। যে কিনা ভবিষ্যতে ডাক্তারি পড়ুয়া হওয়ার স্বপ্ন দেখে তাঁকে এখন করোনা (COVID-19) সংক্রমিত ব্যক্তিদের মৃতদেহ পোড়াতে হচ্ছে।Developed Reporter Samrat Ghosh

তৃণমূলী দুষ্কৃতীদের হাতে নৃশংস ভাবে খুন হন

Web Desk: বিজেপির একজন সক্রিয় কর্মী পবন জানা, দাঁতনে ‘গৃহ সম্পর্ক অভিযানে’ অংশ নিতে গিয়ে তৃণমূলী দুষ্কৃতীদের হাতে নৃশংস ভাবে খুন হন। আজ অন্তিম যাত্রায় তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাজ্য সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষ।

TikTok-কে জোর টক্কর দিতে হাজির দেশীয় অ্যাপ Roposo, অ্যাকাউন্ট খুলেছে কেন্দ্রও

দেশজুড়ে যখন চিনাপণ্য বয়টকের দাবি উঠছে, তখন দেখা যায় জনপ্রিয় চিনা অ্যাপ TikTok-এ অ্যাকাউন্ট খুলেছে খোদ কেন্দ্র। যা নিয়ে বিস্তর সমালোচনার মুখেও পড়তে হয় মোদি সরকারকে। এবার ‘স্বদেশি টিকটক’-এ শামিল MyGovIndia। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের প্রচারেই এই প্ল্যাটফর্মে পা রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার।কিন্তু ‘স্বদেশি টিকটক’ অ্যাপ কোনটি? টিকটককে জোর টক্কর দিতে আসরে নেমেছে Roposo অ্যাপ। ইতিমধ্যেই গুগল প্লে স্টোর থেকে ৫ কোটি ইউজার ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপটি ডাউনলোড করেছেন। যে তালিকায় রয়েছে কেন্দ্রও। ‘ভোকাল ফর লোকাল’ অর্থাৎ স্বদেশি জিনিসের প্রচারে সরব হতেই এই পদক্ষেপ। এই প্ল্যাটফর্মে নানা ধরনের ভিডিও শেয়ার করে জনসাধারণকে স্বদেশি পণ্যের ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হবে। অ্যাপটির মাধ্যমে আরও বেশি করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাওয়া যাবে। সেই জন্যই রোপোসো অ্যাপটি বেছে নিয়েছে সরকার।MyGov-এর সিইও অভিষেক সিং বলেন, “এই অ্যাপের মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে সরকার। স্বদেশি পণ্য ব্যবহারে সবাই মিলে অংশ নেওয়া হবে। অন্যকেও ভারতীয় অ্যাপ Roposo ব্যবহারেও আহ্বান জানানো হবে। তাছাড়া Covid-19 সংক্রান্ত প্রচারেও এই অ্যাপ সাহায্য করবে।”যাঁরা এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে এখনও অভ্যস্ত হয়ে ওঠেননি, কিংবা টিকটককে বিদায় জানিয়ে এই অ্যাপটিই ব্যবহারে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা নিশ্চয়ই ভাবছেন, কীভাবে কেন্দ্রের কার্যকলাপ এখানে ফলো করবেন? খুবই সহজ। প্রথমে অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর কিংবা অ্যাপেল স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সেটি ওপেন করে MyGovIndia লিখে সার্চ করুন। ব্লু টিক দেখা ভেরিফায়েড পেজটি খুঁজে পেলে Follow অপশন ক্লিক করুন। ইতিমধ্যেই ১১ লক্ষ ফলোয়ার তৈরি হয়েছে কেন্দ্রের। তাই সরকারের আশা, এই প্ল্যাটফর্মে আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের প্রচার সুবিস্তৃত হবে। Developed Reporter Samrat Ghosh

‘আমরা প্রস্তুত, বীর শহিদদের বলিদান ব্যর্থ হতে দেব না’, হুঙ্কার বায়ুসেনা প্রধানের

আবার এয়ারস্ট্রাইকের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা? লাদাখে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হওয়ার পর থেকেই চলছে জল্পনা। গালওয়ান উপত্যকার কাছে ইতিমধ্যেই যুদ্ধবিমান নামাতে শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। লাদাখের আকাশে শুরু হয়েছে বায়ুসেনার ‘এয়ার ডমিন্যান্স’। চক্কর কাটছে বায়ুসেনার কপ্টার অ্যাপাচে-চিনুক। এসবের মধ্যেই শনিবার চিনের উদ্দেশ্যে একপ্রকার হুংকার ছাড়লেন বায়ুসেনা (Indian Air Force) প্রধান আর কে এস ভাদুরিয়া (RKS Bhadauria)। বায়ুসেনা (IAF) প্রধানের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “আমরা প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত। ২০ জন শহিদ জওয়ানের বলিদান ব্যর্থ হতে দেবে না বায়ুসেনা।”শনিবার হায়দরাবাদে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদুরিয়া বলেন, “আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। লাদাখ হোক বা লাদাখ সীমান্তের অপারের পরিস্থিতি হোক, আমরা পুরোটা খতিয়ে দেখেছি। এবং যে কোনও ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যা যা করনীয় সবটাই করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। একটা জিনিস স্পষ্ট করে দিতে চাই, পরিস্থিতি যাই হোক, আমরা তা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত। আমরা কখনওই আমাদের বীর শহিদদের বলিদান ব্যর্থ হতে দেব না।” উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই দুদিনের সফরে গিয়ে লেহ ও শ্রীনগরের বায়ুসেনা ঘাঁটি ঘুরে দেখেছেন বায়ুসেনা প্রধান কে এস ভাদুরিয়া। প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখেছেন। এরপরই লাদাখ সীমান্তে শুরু হয়েছে বায়ুসেনার তৎপরতা। এসবের মধ্যেই শনিবার বায়ুসেনা প্রধানের মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।Developed Reporter Samrat Ghosh