ভয়াবহ পরিস্থিতি! যে কোনো মুহূর্তেই গোষ্ঠী সংক্রমণ হতে পারে, অকপটে স্বীকার মুখ্যমন্ত্রীর

Web Desk: রাজ্যে যে কোনো মুহূর্তে গোষ্ঠী সংক্রমণ হতে পারে। অকপটে স্বীকার করলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। বৃহস্পতিবার রাজ্যে একাধিক এলাকায় আচমকা করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ‌চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রশাসনের কপালে।

গত, ২৪ ঘণ্টায় ৩৩৯টি সংক্রমণের জেরে কেরালায় করোনা রোগাীর সংখ্যা মোট ৬ হাজার ৫৩৪ জন ষ। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ রোগী ২ হাজার ২৯৫ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৩ হাজার ৭১০ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানিয়েছে কেরালা সরকার। এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা মোট ২৯ জন। 

কেরলের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, নতুন করে ৩৩৯ জন আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ১৩৩ জন স্থানীয় সংক্রমণের শিকার হয়েছেন, এবং ১১৭ জন বিদেশ থেকে এসেছেন এবং ৭৪ জন এসেছেন ভিনরাজ্য থেকে। স্থানীয় সংক্রমণের হার হঠাৎ বাড়তেই সতর্কবার্তা জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন।
Reporter Aniruddha Benerjee

১১টি অ্যাপ ব্যান করলেন গুগল! আপনার ফোনে নেই তো এই অ্যাপ গুলো

Web Desk: এবার ১১টি ক্ষতিকারক অ্যাপ নিষিদ্ধ করল গুগল। যে কোনো মুহূর্তেই হ্যাক হতে পারে আপনার ফোনে যদি থাকে নিষিদ্ধ এই অ্যাপগুলি। ২০১৭ সাল থেকে এই অ্যাপগুলোর উপর নজরদারি চালিয়ে অবশেষে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন।

জানা গেছে, চেক পয়েন্ট রিসার্চাররা জোকার ম্যালওয়্যারেরে একটা নয়া সংস্করণ খুঁজে পেয়েছেন। এই ম্যালওয়্যারগুলি অনেক বৈধ অ্যাপের মধ্যেও পাওয়া গিয়েছে। হ্যাকাররা গুগল প্লে-এর প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভঙ্গ করে অ্যাপের মধ্যে এই  ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। যখনই কেউ এই অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন, নিজে থেকেই সেই ফোনে ইনস্টল হয়ে যেত। ফলে হ্যাকারেরা সহজেই সেই ফোনে নজরদারি চালাতে পারতেন। এরফলে নজরদারি চালিয়ে গুগল প্লে স্টোর থেকে ১১ টি অ্যাপ পুরোপুরি ভাবে নিষিদ্ধ করলেন।
Reporter Aniruddha Benerjee

করোনা আবহে বদল বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার

Web Desk: করোনা ভাইরাস মহামারির মাঝেই রদবদল বিধাননগর পুলিশ কমিশনার। এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন।

বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার লক্ষ্মীনারায়ণ মিনাকে বদলি করে তার জায়গায় নতুন কমিশনার হলেন মুকেশ। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে লক্ষ্মীনারায়ণ মিনাকে CID-র IG-র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে । তাঁর জায়গায় বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব নিলেন মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের DIG মুকেশ। মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের নতুন DIG হচ্ছেন DIG(CID অপারেশন) সুনীল কুমার চৌধুরি
Reporter Aniruddha Benerjee

রায়গঞ্জে বাজ পড়ে প্রাণ হারালেন ৩ যুবতী, আহত আরও ৯

Web Desk: করোনা ভাইরাস মহামারির আবহে প্রকৃতির রোষানলে প্রাণ হারালেন ৩ জন। আজ শুক্রবার রায়গঞ্জে বাজ পড়ে মৃত্যু হয় তিন যুবতীর। জানা গেছে তারা সবাই মাঠে কাজ করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জের কোকরাটুলির এলাকায় মাঠে চাষের ‌কাজ করছিলেন। দুপুরে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি শুরু হয় । কিছুক্ষণ পরই বাজ পড়ে। ঘটনাস্থানে মৃত্যু হয় শোভা বর্মণ, মান্ডা বর্মণ ও চম্পা বর্মণ নামে তিন যুবতীর। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরো ৯ জন। আহতদের স্থানীয়‌ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে‌ যাওয়া হলে দুজনের অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাদের রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

করোনায় আক্রান্ত কোয়েল ও রঞ্জিত মল্লিক!

Web Desk: মারন ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হলেন টলিউডের অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক ও রঞ্জিত মল্লিক। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজে।

আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর বাবা রঞ্জিত মল্লিক, মা দীপা মল্লিক ও স্বামী নিসপাল সিং। এদিন ট্যুইটারে টলিউডের অভিনেত্রী জানিয়েছেন, “আমার বাবা, মা, রানে ও আমার কোরোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে…সেলফ কোয়ারেন্টাইনে রয়েছি !”
Reporter Aniruddha Benerjee

এটিকে মোহুনবাগান ফুটবল ক্লাব

দেশের বৃহত্তম স্পোর্টিং ফ্যান বেস লোগোতে সম্মানিত হয়েছে। লোগো তার সারাংশ ধরে রাখে। লোগোতে এটিকে যুক্ত করা নিশ্চিত করে যে একটি স্বল্প তবে অত্যন্ত সফল সময়ের মধ্যে নির্মিত দ্রুত বর্ধনশীল এবং উত্সাহী অনুসরণটিও এগিয়ে চলেছে।

ডাঃ সানজিভ গোয়েনকা অধ্যক্ষের মালিক এটিকে মহুন বাগান প্রাইভেট লিমিটেড বলেছেন, "কয়েক দশক ধরে যে সমস্ত কিংবদন্তি মহুন বাগান যে মহান acyতিহ্যে অবদান রেখেছেন তাদের কাছে আমার সর্বনামগুলি। আমি এই নতুন যাত্রায় তাদের আশীর্বাদ চাইছি। মোহুন বাগান আমার হৃদয়ের কাছাকাছি রয়েছেন শৈশবকাল থেকেই। গ্রিন এবং মেরুন তাদের সেরা ফুটবল খেলতে দেখার সম্মান পেয়েছি।আমরা উত্তরাধিকারকে সম্মান করি এবং একই জার্সি ধরে রেখেছি যা প্রজন্মের প্রজন্মে জড়িয়েছে, আদর করেছে এবং ভালবাসে। আমার স্বপ্ন এটিকে মোহুন বাগান প্রতিষ্ঠা করা একটি বিশ্বমানের দল হিসাবে যারা আন্তর্জাতিক সার্কিটে নিজের জায়গা অর্জন করে। "

এটিএম মহুন বাগান আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করার জন্য সর্বোত্তম অবকাঠামো এবং প্রশিক্ষণে অ্যাক্সেস পান তা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এটিকে মোহুনবাগান আবারও আন্তর্জাতিক মাঠে তাদের উপস্থিতি অনুভব করবে। এছাড়াও বিদ্যমান মোহুনবাগান সুবিধা পুনর্নির্মাণ নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ করা হবে যাতে আইএসএল এবং এএফসি হোম গেমস সেখানে অনুষ্ঠিত হয়।

মিঃ সৌরভ গাঙ্গুলি সহ-মালিক এটিকে মোহুন বাগান প্রাইভেট লিমিটেড বলেছেন, "এটিকে এবং মোহুনবাগানের একসাথে আসার প্রতি আমি সালাম জানাই। একসাথে এটিকে মোহুনবাগান ব্র্যান্ড নামটি ইতিহাস তৈরি করবে।"

মিঃ শ্রীনজয় বোস এবং মিঃ দেবাশিস দত্ত ডিরেক্টরস এ টি কে মোহুন বাগান প্রাইভেট লিমিটেড বলেছেন, "আমরা সত্যই আনন্দিত যে এটিটি বোর্ডের সবুজ ও মেরুন এবং 'পাল তোলা নওকা'র চিত্রটি ঘরের রঙ হিসাবে রাখার জন্য সম্মত হয়েছে এবং মোহুনবাগানের নতুন অবতারের স্মৃতিচারণ.এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ উত্সাহী ফুটবল অনুগামীদের হৃদস্পন্দন sports খেলাধুলা এবং ক্যামেরাদারির চেতনা বজায় রয়েছে We আমাদের দৃ faith় বিশ্বাস এবং আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে এই সত্তাটি সক্ষম নেতৃত্বের অধীনে রয়েছে entity বোর্ড ১৩১ বছরের লিগ্যাসি এবং হেরিটেজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে যা ফুটবলের বিশ্ব অঙ্গনে অনুরণিত হবে। এক বাক্যে এই অবতারটি হবে গ্লোরিয়াসের অতীত ভাইব্র্যান্ট ভবিষ্যতের। "

সংস্থাটি বাংলায় বিশ্বমানের ফুটবল একাডেমি তৈরিতে বিনিয়োগ করবে যা স্থানীয় খেলোয়াড়দের তাদের প্রতিভা অর্জনে এবং বাংলাকে ভারতীয় ফুটবলের পাওয়ার হাউস হিসাবে নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এটিএম মোহুনবাগান ফুটবল স্কুল সারা দেশে চালু করা হবে যা উচ্চমানের ফুটবল শিক্ষার ব্যবস্থা করবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সঞ্জিব গোয়েনকা প্রিন্সিপাল মালিক এটিএম মহুন বাগান, মিঃ সৌরভ গাঙ্গুলি সহ-মালিক এটিকে মোহুনবাগান, জনাব উত্সব পরখ সহ-মালিক এটিকে মোহুনবাগান, মিঃ শ্রীনজয় বোস ডিরেক্টর এটিকে মোহুন বাগান, মিঃ দেবাশিস দত্ত। পরিচালক এটিকে মোহুনবাগান, জনাব গৌতম রায় ডিরেক্টর এটিকে মোহুনবাগান এবং জনাব সঞ্জীব মেহরা ডিরেক্টর এটিকে মহুন বাগান।

অবশেষে পিছু হটছে ‘ড্রাগন’, পূর্ব লাদাখের তিন এলাকা থেকে সরল চিনা সেনা

অবশেষে সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার শর্ত মেনে পূর্ব লাদাখের তিনটি এলাকা থেকে সেনা সরানোর প্রথম পর্বের কাজ শেষ করল চিন। এমনটাই জানা গিয়েছে সরকারি সূত্রে। বৃহস্পতিবার সেনার সরানোর বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু লালফৌজ সেনা সরালেও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারত। কারণ, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (LAC) কিছু অংশে এখনও টানাপোড়েন চলছে।প্রসঙ্গত, লাদাখের চুসুল সীমান্ত লাগোয়া মল্ডোতে গত ৩০ জুন কোর কম্যান্ডার লেভেলের বৈঠকে মুখোমুখি অবস্থান থেকে সেনা পিছনো (Disengagement) এবং সেনা সংখ্যা কমানোর (Diescalation) বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেনা সূত্রের খবর, সেই বৈঠকের পর ২ জুলাই থেকে সেনা কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। তারপর ৫ জুলাই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিনে বিদেশমন্ত্রী তথা স্টেট কাউন্সিলরের বৈঠকে লাদাখে পর্যায়ক্রমে এই বিষয়ে ঠিক হয়। জানা গিয়েছে, গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষস্থল পেট্রলিং পয়েন্ট ১৪ থেকে লালফৌজের পিছু হটার প্রমাণ উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে ইতিমধ্যেই। পেট্রলিং পয়েন্ট ১৫ যাকে বলা হয় হট স্প্রিং এবং গোগরার পেট্রলিং পয়েন্ট ১৭ থেকেও কিছুটা পিছনে সরেছে চিনা সেনা। সেনার একটি সূত্রে খবর, ৩০ জুনের পরে ওই তিন এলাকা থেকে পাঁচটি ছাউনি সরিয়েছে লালফৌজ। কিন্তু তাদের বেশ কিছু নির্মাণ ও ছাউনি এখনও রয়েছে। ফলে পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছে ভারতীয় সেনা। তবে ওই তিন এলাকায় লালফৌজের সমাবেশ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে রয়েছে বলে উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে।এদিকে, অল্প কিছু সেনা সরেছে প্যাংগং এলাকা থেকেও। কিন্তু এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই এলাকা এখনও পুরোপুরি চিনাদের দখলমুক্ত নয়। সূত্রের খবর, প্যাংগংয়ের ফিংগার ৪ থেকে ফিংগার ৮-এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার চিনা সেনা মোতায়েন আছে। অথচ, ঐতিহাসিকভাবে ওই এলাকা ভারতের অন্তর্গত। ৩০ জুনের বৈঠকে হওয়া চুক্তি অনুযায়ীও ওই এলাকা থেকে চিনা সেনা সরে যাওয়ার কথা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেছে ড্রাগন। চিনারা এখন ফিংগার ২ পর্যন্ত এলাকায় নিজেদের অধিকার দাবি করছে। তবে স্বস্তির খবর, ফিংগার ২ এবং ফিংগার ৩ এখনও ভারতীয় সেনার দখলেই আছে। নতুন করে উদ্ভুত এই সমস্যা মেটাতে আজ, শুক্রবার ফের বৈঠকে বসছে দুই দেশ।

হংকং ইস্যুতে চিনকে ধাক্কা, বন্দি বিনিময় চুক্তি বাতিল অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার

বিদ্রোহী হংকংকে (Hong Kong) বাগে আনতে সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা আইন জারি করেছে চিন (China)। এবার হংকংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এবং স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে চিনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল দুই পুরনো ব্রিটিশ উপনিবেশ অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা। গণতন্ত্রকামীদের সমর্থন জানিয়েছে হংকংয়ের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি বাতিল করল দুই দেশ। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বৃহস্পতিবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এই পদক্ষেপ করেছেন।স্কট মরিসন জানিয়েছেন, “চিনের নতুন আইন হংকংয়ের স্বতন্ত্র আইনকে খর্ব করেছে। বেজিং হংকংয়ের স্বায়ত্ত্বশাসনকে ধ্বংস করেছে। এর প্রতিবাদে হংকংয়ের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি বাতিল করছে অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত হংকংয়ের বাসিন্দাদের ভিসার মেয়াদও পাঁচ বছর বাড়ানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে হংকংয়ের বাসিন্দাদের অস্ট্রেলিয়াতে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দেওয়া হবে। তাঁদের বাসিন্দাদের আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন থাকবে অস্ট্রেলিয়ার। হংকংয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দমনপীড়নের জন্য গোটা দুনিয়ার কাছে জবাবদিহি করতে হবে চিনকে।” উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় এখন এক লক্ষের বেশি হংকংয়ের নাগরিক পড়াশোনা এবং কাজের জন্য রয়েছেন।এদিকে, হংকংয়ের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি বাতিল করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, “হংকংয়ে কোনওরকম স্পর্শকাতর সেনাপণ্য সরবরাহ রপ্তানির অনুমতি দেবে না কানাডা। এবং অবিলম্বে তা কার্যকর করা হবে। হংকংয়ের বিরুদ্ধে চিন যে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করেছে তা কানাডা মানছে না। হংকংয়ের বাসিন্দাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে চিনের দমননীতির বিরুদ্ধে কানাডা অবস্থান নেবে।”তবে চিন ও কানাডার এই কূটনৈতিক লড়াইয়ের ইতিহাস অনেক পুরনো। এদিন ট্রুডোর এই পদক্ষেপ তারই জের বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। ফলে চিনের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দেখানো রাস্তাতেই হাঁটলেন ট্রুডো এবং অজি প্রধানমন্ত্রী মরিসন। এই তিন দেশই চিনের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি বাতিল করল। এই ঘটনার জবাবে চিনা বিদেশমন্ত্রক বলেছে, ‘হংকং নিয়ে কমনওয়েলথ ঐক্য দেখাতে নেমেছে কানাডা, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া। তাতে লাভ হবে না। নয়া নিরাপত্তা আইন ওই তিন দেশের সঙ্গে কোনওভাবেই সম্পর্কিত নয়। তাই হংকং নিয়ে তিন দেশের মন্তব্য ও হস্তক্ষেপ চিন বরদাস্ত করবে না।’ হংকংয়ের চিনপন্থী সরকারি আধিকারিক ও চিনা বাসিন্দারা চিনের জাতীয় নিরাপত্তা আইনকে সমর্থন করেছেন। কিন্তু বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অন্য বাসিন্দারা ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যর্পণ চুক্তি বাতিলের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বাড়ি তৈরির পর আবাস যোজনার টাকা ফেরত চাইল প্রশাসন! মাথায় হাত উপভোক্তাদের

ফরাক্কা: বাংলা আবাস যোজনার টাকায় বাড়ি তৈরির পর উপভোক্তাদের কাছে টাকা ফেরত চাইল ব্লক প্রশাসন! ঘটনায় প্রবল বিপাকে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সুতির পাঁচ পরিবার। কেন টাকা ফেরত চাওয়া হল? কীভাবে সাতদিনের মধ্যে সমস্ত টাকা ফেরত দেবেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা।।মাস সাতেক আগেই বাংলা আবাস যোজনায় ৬০ হাজার করে টাকা পেয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের সুতি-১ ব্লকের বংশবাটি গ্রামের রণজিৎ মাঝি, বিকাশ মাঝি, ঘুতু মাঝি, অজিত মাল ও নিবারণ মাল। তা দিয়ে ইতিমধ্যেই কাঁচা বাড়ি পাকা করেছেন তাঁরা। অভিযোগ, সম্প্রতি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পাঁচ পরিবারে নোটিস পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, ভুলবশত তাঁদের অ্যাকাউন্টে বাংলা আবাস যোজনার টাকা ঢুকেছে। তাই সেই টাকা ব্লক অফিসে ফেরত দিতে হবে। এই নোটিসেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে ওই পরিবারগুলির। বাড়ি তো তৈরি হয়ে গিয়েছে, ফলে টাকা ফেরতও দিতে পারেন না তাঁরা। এরপর ৩০ জুন ফের আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে জুলাই মাসের সাত তারিখে ব্লক অফিসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় পাঁচজনকেই। সেদিন অফিসে হাজিরা দিলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা ফেরতের নির্দেশ দেয় ব্লক প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে উপভোক্তা রঞ্জিত মাঝি বলেন, “টাকা পেয়ে বাড়ি তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আমাদের কাছে টাকা ফেরত চাইছে। আমরা কীভাবে দেব? আমরা তো আর জানি না যে ভুল করে ঢুকেছে! এই মুহূর্তে কী করব, কীভাবে টাকা ফেরত দেবো প্রশাসনকে? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।” বিষয়টি নিয়ে সুতি-১ ব্লকের বিডিও রবীন্দ্রনাথ বাড়ুই জানান, “টাকাটা অন্যজনের। কিন্তু একই নামের কারণে কিংবা ভুলবশত এদের অ্যাকাউন্টে চলে যায়। বিষয়টি জানিয়ে তাঁদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। একজন ইতিমধ্যেই টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি চারজন এক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছেন।”

নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার ‘অভিমান’, ফের হাওড়া ব্রিজের রেলিং বেয়ে উঠলেন মহিলা!

নোবেল (Nobel Prize) পুরস্কার না পাওয়ার অভিমানে ফের হাওড়া ব্রিজের মাথায় চড়লেন অশোকনগরের বাসিন্দা ডলি ঘোষ। বৃহস্পতি সন্ধেবেলা তাঁর এই কাণ্ড দেখে পথচারীরাই যদিও তড়িঘড়ি সামলেছেন পরিস্থিতি। ব্রিজের রেলিং বেয়ে ওঠার সময়েই তাঁকে জোর করে নামিয়ে উত্তর বন্দর থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। আপাতত তিনি সুস্থ রয়েছেন।গত ৭জুন, সন্ধেবেলা হাওড়া ব্রিজের মাথায় উঠে গিয়েছিলেন এই মহিলা। সেবার দীর্ঘক্ষণের চেষ্টা দমকল, পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে এনেছিলেন। কেন এমন কাজ করেছেন? তার উত্তরে অশোকনগরের বাসিন্দা ডলি ঘোষ জানিয়েছিলেন, তাঁর যাবতীয় গবেষণামূলক কাজকর্ম নোবেল কমিটিতে পাঠিয়েছিলেন তিনি। তার স্বীকৃতি স্বরূপ নোবেল কমিটি তাঁকে পুরস্কার নেওয়ার আমন্ত্রণও জানায়। কিন্তু তখন বয়স কম থাকায়, তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেননি বলে দাবি। ডলিদেবীর আরও দাবি, পরবর্তী সময়ে তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার বদলে অমর্ত্য সেনকে দেওয়া হয়েছিল। অথচ অমর্ত্য সেনের কাজের সিংহভাগ আগেই তিনি করেছেন। এই অভিমানে তিনি হাওড়া ব্রিজে উঠে বসেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন।বৃহস্পতিবারও সেই একই বক্তব্য শোনা গেল। ডলিদেবীর দাবি করলেন, রিসার্চ পেপার তিনি জমা দিয়েছেন নোবেল কমিটিতে। পুরস্কার তাঁর বাঁধা, তবু তা দিচ্ছে না নোবেল কমিটি। যদিও এদিন আর ডলিদেবীকে নিয়ে পুলিশ, দমকলের কালঘাম ছোটেনি আগেরবারের মতো। এদিন সন্ধেবেলা তাঁকে ব্রিজের রেলিং ধরে উঠতে দেখেন পথচারীরা। তাঁরাই কর্তব্যরত পুলিশের নজরে আনেন ব্যাপারটা। তিনিই পথচারীদের সাহায্যে ডলিদেবীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। পরে তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হয় নিজের বাড়িতে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্ন একটা থাকছেই। হাওড়া ব্রিজের মতো কড়া নিরাপত্তাবলয়ে থাকা এলাকায় কীভাবে রেলিং ঘেরা এলাকায় ঢুকে পড়তে পারেন?