হু হু করে রাজ্যে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ। তবে তা সত্ত্বেও এই পরিস্থিতিতে করোনা হাসপাতাল তৈরি এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দেহ দাহ নিয়ে অশান্তি করছেন অনেকেই। এই বিক্ষোভ নিয়ে বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এ প্রসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, “আমার বডির মধ্যে চুল্লি বানিয়ে পুড়িয়ে দিন।” এছাড়াও কেন্দ্র রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার জন্যই রাজ্যকে আক্রমণ করছে বলেই দাবি তাঁর। কেন্দ্রকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কী দিতে পেরেছেন আপনারা? আমরা ভেবেছিলাম ১০ হাজার ভেন্টিলেটর পাবো। ফ্রি ড্রাগস, পিপিই পাবো। খালি হাতে তালি বাজালে হয়ে গেল? কী দিয়েছেন? যা দিয়েছেন। তা দিয়ে মার্চ থেকে এখনও চলে যাবে?” তিনি আরও বলেন, “সামনেই নির্বাচন বলে একটা রাজ্যকে সারাক্ষণ গালি দেওয়া হচ্ছে। এরপর তো এ থেকে জেড নিয়ে আসবেন। সব সময় রাজনীতি করবেন না। বাংলায় যা আছে তাই দিয়ে করোনা সামাল দেবো।” দেশজুড়ে করোনা গ্রাফ যে উর্ধ্বমুখী হবে, তা আগেই আঁচ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিয়েছে প্রায় প্রতিটি রাজ্য। বাংলাও তার ব্যতিক্রম নয়। বেশ কয়েকটি সরকারি হাসপাতালকে পুরোপুরি কোভিড হাসপাতাল হিসাবে গড়ে তোলা হয়েছে। কিছু বেসরকারি হাসপাতালও অধিগ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে সেফ হোম। তবে কখনও করোনা হাসপাতাল তৈরি করা নিয়ে আবার কখনও করোনা রোগীর দেহ সৎকার নিয়ে বারবার তৈরি হয়েছে উত্তেজনা। বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বহু মানুষ। আবার কখনও কখনও করোনা রোগীর দেহ না হওয়া সত্ত্বেও দাহতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় বেশিরভাগ দিনই এমন অভিযোগ সামনে আসে। এই সমস্ত ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, “আমার বডির মধ্যে চুল্লি বানিয়ে পুড়িয়ে দিন।” তবে সব কিছুর পরেও বাংলা ঠিক করোনা পরিস্থিতি সামলে নেবে বলেই আশাবাদী রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। Developed Reporter Samrat Ghosh
দক্ষিণ চিন সাগর কারও একার সম্পত্তি নয়, বেজিংকে চাপে রেখে বার্তা ভারতের
তাইওয়ানের পর দক্ষিণ চিন সাগর। বেজিংয়ের উপর চাপ বাড়াতে কুটনীতিকে প্রধান হাতিয়ার করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার চিনের নাম না করেও নয়াদিল্লি সাফ জানিয়েছে, দক্ষিণ চিন সাগর কারও একার সম্পত্তি নয়।বৃহস্পতিবার, দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব সাফ বলেন, “দক্ষিণ চিন সাগরে বৈশ্বিক কর্তৃত্ব আছে। ওই অঞ্চলে শান্তি ও সুরক্ষা বজায় থাকুক এটাই চায় ভারত।” বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের আগ্রাসন মেনে নেবে না ভারত, সেই বার্তা কূটনীতির ভাষায় চিনকে দিয়েছে নয়াদিল্লি। লাদাখে চিনা আগ্রাসন না থামলে ভারতও যে পালটা কূটনৈতিক ফ্রন্টে আগ্রাসী হয়ে উঠবে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে জিনপিং প্রশাসনকে। এদিকে, লাদাখে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে এদিন অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানান, দু’দেশের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা প্রত্যাহারে দু’পক্ষই রাজি হয়েছে।কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোড়াল করেছে নয়াদিল্লি। লাদাখ ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। লালফৌজের আগ্রাসনের বরুদ্ধে প্রয়োজনে ফৌজ পাঠিয়ে ভারতকে মদত করার আশ্বাসও দিয়েছে ওয়াশিংটন। এহেন সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতও সাফ করে দিতে চাইছে যে, চিন যদি আগ্রাসন না থামায়, তাহলে দক্ষিণ চিন সাগরে সরাসরি আমেরিকার পাশেই দাঁড়াবে দেশ। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারত-আমেরিকা যুগলবন্দি নিয়ে উৎকণ্ঠা বাড়ছে শি জিনপিং প্রশাসনের।উল্লেখ্য, দক্ষিণ চিন সাগরে আধিপত্য নিয়ে চিনের লড়াই সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, জাপান এবং সুদূর ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও। তাদের ভূখণ্ড থেকে দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার একটি দ্বীপেও মাছ ধরার অধিকার চাইছে চিন। পালটা বেজিংকে শায়েস্তা করতে সেখানে দুটি যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে আমেরিকা। সব মিলিয়ে দক্ষিণ চিন সাগর ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। Developed Reporter Samrat Ghosh
হঠাৎ চর্মরোগ করোনার অন্যতম উপসর্গ??

Newsbally Webdesk:হঠাৎ চর্মরোগ করোনার অন্যতম উপসর্গ । হাত ও পায়ের তলা, কোনুই, হাটুর চারপাশে ,চোখের নিচে চর্মরোগ দেখা দিতে পারে, 12 হাজার মানুষের মধ্যে অনলাইনে এই সমীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে 21 শতাংশ রোগীর এই উপসর্গ দেখা দিচ্ছে তাই অবহেলা নয় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে কারণ এর মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে করোনার উপসর্গ এমনটাই লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষণায় উঠে আসছে। তবে চিকিতসকরা বলছেন চিন্তার কোন কারণ নেই যেকোনো চর্মরোগে করোনা নাও হতে পারে কারণ করোনার উপসর্গ হচ্ছে হঠাৎ করে স্কিন ড্রাই হয়ে গিয়ে র্যাশ দেখা দেবে এবং তা ক্রমশ বাড়তে থাকবে। তবে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলে মনে করা হচ্ছে। Jr.Reporter: Debika Mukherjee
৯৯ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত আমফানের টাকা পেয়েছেন, তাও কেউ কেউ ডার্টি পলিটিক্স করছে: মুখ্যমন্ত্রী
আমফানের (Amphan) ত্রাণ নিয়ে তৃণমূল নেতারা ‘দুর্নীতি’তে জড়িত বলে বারবার অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। তবে যারা ত্রাণ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দলনেত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ইতিমধ্যে শাস্তিও পেয়েছেন বেশ কয়েকজন। তা সত্ত্বেও বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের মুখ বন্ধ করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আরও একবার বিরোধীদের কড়া ভাষায় জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “কাজ নেই, কর্ম নেই। সরকারের ভাল কাজ দেখতে পায় না। তাড়াহুড়ো করে করতে গিয়ে ভুল হয়েছে। ৯৯ শতাংশ মানুষ ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। জেলাশাসকদের বলা হয়েছে ভুল করে যাদের কাছে টাকা গিয়ে তা ফেরত নিয়ে নেওয়ার কথা। তাও কেউ কেউ ডার্টি পলিটিক্স করছে। কোনও কোনও রাজনৈতিক দল বেশি বাড়াবাড়ি করছে। মনে রাখবেন চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম।” আমফানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বাংলার। প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে অনেকেই হারিয়েছেন ঘর। তাঁদের দুরবস্থার কথা ভেবেই আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ক্ষতি না হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই পেয়েছেন ত্রাণ। আবার কারও ক্ষতি হলেও মেলেনি আর্থিক সাহায্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সমস্ত অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। বিরোধীরা আমফানের ত্রাণ নিয়ে ‘দুর্নীতি’কে হাতিয়ার করেই আসরে নেমেছে। শানিয়েছে কড়া ভাষায় আক্রমণের তীর। তার ফলে বেড়েছে ক্ষোভের পারদ।ক্ষোভের আগুনে জল ঢালতে নিজেই ময়দানে নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতি করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সেই নির্দেশ অনুযায়ী হাওড়া, নন্দীগ্রাম-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় তৃণমূল নেতাদের সাসপেন্ডও করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া সত্ত্বেও যাঁরা টাকা পেয়েছেন, তাঁদের টাকা ফেরত নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত নির্দেশ অনুযায়ী চলছে কাজ। তবে ‘শাস্তি’কে লোক দেখানো বলেই কটাক্ষ করেছে বিরোধী শিবির। সেই ইস্যুতে এদিন আবারও পালটা বিরোধীদের আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। Developed Reporter Samrat Ghosh
সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তভার নিচ্ছে CBI! চিঠি গেল অমিত শাহর দপ্তর থেকে
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত এবার খতিয়ে দেখুক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সিবিআই দপ্তরে চিঠি পাঠালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।মুম্বই পুলিশের তদন্তে সন্তুষ্ট নন! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হোক সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যুরহস্য তদন্তের ভার। এই দাবি তুলেই নেটদুনিয়াজুড়ে সরব হয়েছেন সুশান্ত-অনুগামীরা। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ার সেই প্রতিবাদে চিঁড়ে ভেজেনি! অতঃপর সোজাসুজি প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপের জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলেন। অভিনেতার মৃত্যুর তদন্তের ভার যতদিন না সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, ততদিন তাঁদের আন্দোলন বন্ধ হবে না বলেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন সুশান্ত অনুরাগীদের একাংশ। আর সেই আন্দোলনকে সমর্থন করেই বিজেপির নেতামন্ত্রীরাও সরব হয়েছিলেন সিবিআই তদন্তের জন্য। অবশেষে সেই আন্দোলন সফল হলই বলা চলে! কারণ, ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সিবিআইকে চিঠি পাঠিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্ত খতিয়ে দেখার বিষয়ে।সিবিআই যাতে এই ঘটনার তদন্ত করে সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই সম্প্রতি আইনজীবী নিয়োগ করেছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম। বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে মনোজ তিওয়ারি অনেকেই একসুরে সিবিআই তদন্তের দাবি তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে আরজিও জানিয়েছিলেন। নেটিজেনরাও তাঁদের পোস্টে অমিত শাহকে ট্যাগ করে আবেদন জানাচ্ছিলেন দীর্ঘ ১ মাস ধরে। আজ সুশান্তের মৃত্যুর ঠিক একমাস একদিনের মাথায় সেই আরজি শুনল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।প্রসঙ্গত, বিহারের প্রাক্তন সাংসদ পাপ্পু যাদব অমিত শাহকে লিখিত আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই তদন্তের জন্য। আর সেই চিঠি যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে গৃহীত হয়েছে এবং অমিত শাহ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে লিখিত জানিয়েছেন সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তের জন্য, সেকথাও জানান তিনি। অতঃপর এবার সুশান্ত অনুরাগীদের মনোবাঞ্ছা সম্ভবত পূরণ হতে চলেছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
করোনাতঙ্ক কাটিয়ে উৎসবের মেজাজেই হবে দুর্গাপুজো? বড়সড় আপডেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্যে দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। বাঁধ মানছে না আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েতে কড়া নিষেধাজ্ঞা রাজ্যে। সামনেই আসছে দুর্গাপুজো (Durga Pujo)। করোনাতঙ্ক কাটিয়ে এত বড় উৎসব কীভাবে সম্ভব, তা ভেবে কূল পাচ্ছেন না কলকাতার পুজো উদ্যোক্তারা। অনেক পুজো কমিটিই বাজেট কাটছাঁট করে পুজোর কথা ভাবছে। কোনওরকম নমঃ নমঃ করে পুজোর পক্ষে অনেকে। চিন্তার মধ্যে আশার আলো দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সবাইকে আগামী কয়েকদিন সচেতন থাকতে হবে। সামনেই পুজো আসছে। ভাল করে করতে হবে তো। সংক্রমণ কমাতে এখন থেকেই ক্লাবগুলি ভূমিকা নিক।’অনেকেরই মতে, এবার হয়তো দুর্গাপুজোতেও থাবা বসাতে পারে করোনা। মুম্বইয়ে ঐতিহ্যবাহী গণেশ উৎসবে কোপ বসিয়েছে করোনা। মুম্বইয়ের সবথেকে বড় গণেশ উৎসব ‘লালবাগচা রাজা’র পুজোয় এবার ছেদ পড়ছে। বাকি অনেক গণেশ পুজো কমিটিও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে কলকাতার দুর্গাপুজো কমিটিগুলির। এতদিনের ঐতিহ্যে শেষে ছেদ পড়বে করোনার জন্য? তবে এদিন মমতা যা বললেন তাতে বহু পুজো কমিটির মুখে হাসি ফুটতে বাধ্য। তিনি বলেছেন, ‘এখন সচেতন হয়ে থাকতে হবে। ভাল করে থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সুস্থ থাকতে হবে। সামনে তো পুজো। পুজো ভাল করে করতে হবে তো।সংক্রমণ কমাতে এখন থেকেই ক্লাবগুলি ভূমিকা নিক। সবাই রাস্তায় মাস্ক পরে বেরিয়েছে কিনা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা হচ্ছে কি না ওরা নজর রাখুক।’ বেশ কিছু পুজো উদ্যোক্তার আশঙ্কা ছিল, রাজ্য সরকার হয়তো বিধিনিষেধ চাপাতে পারে দুর্গাপুজোর উপর। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এদিন যা ইঙ্গিত দিলেন তাতে একটা জিনিস স্পষ্ট, পুজো এবার স্বমহিমাতেই হতে চলেছে।দুর্গাপুজোর সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মিক যোগ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। দুর্গাপুজো নিয়ে বরাবরই তিনি উৎসাহী। পুজো কমিটিগুলির আমন্ত্রণে প্রত্যেকবার মহালয়ার পরদিন থেকেই দরকারি কাজকর্মের মধ্যেও সময় বের করে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে ছুটে যান মমতা। দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদানও করেন। পুজোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিবিড়। পাশাপাশি বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বায়নের নেপথ্যেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালির দুর্গাপুজোই সব উৎসবের সেরা, স্বীকৃতিও দিয়েছে ইউনেস্কো। এবছর রেড রোডে দুর্গাপুজোর কার্নিভালেও ইউনেস্কোর প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই জায়গায় পুজোয় করোনা যদি থাবা বসায়, সেই নিয়ে আশা-আশঙ্কার দোলাচলে রয়েছেন উদ্যোক্তারা। মমতার মন্তব্য তাঁদের চিন্তা কিছুটা দূর করবে আশা করাই যায়। এই প্রসঙ্গে ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের (Forum For Durgotsav) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু জানিয়েছেন, ‘বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার পিছনে মুখ্যমন্ত্রীর অনেক অবদান। রাজ্য সরকার পুজো করার জন্য যা যা নির্দেশিকা দেবে তাই পালন হবে। এমনকী আমরা সব পুজো কমিটিগুলিকে ফোরামের তরফেও পুজো করার জন্য নির্দিষ্ট গাইডলাইন দিয়েছি। বাকিটা দুর্গা সহায়।’Developed Reporter Samrat Ghosh
মহামারী আবহে আরও দামি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার! ১৮ শতাংশ GST চাপাল কেন্দ্র
অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের মতো এখন অতিপ্রয়োজনীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রতিটি মূহুর্তে এটার প্রয়োজন। অথচ সেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য অ্যালকোহল ভিত্তিক স্যানিটাইজারের দাম বাড়তে চলেছে। একধাক্কায় তার উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি চাপিয়েছে সরকার। স্বভাবতই এর ফলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের দাম হবে আকাশ ছোঁয়া। ফলে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলি কীভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনবেন, তা চিন্তা বিষয় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে।Authority for Advance Ruling বা এএআর জানিয়েছে, সমস্ত অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজারের উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি প্রয়োগ করা হবে। কারণ এগুলি অ্যালকোহল ভিত্তিক ‘হাইজিন প্রোডাক্ট’র অধীনে পড়ছে। তাই এটা অতিপ্রয়োজনীয় বা এসেনসিয়াল কমোডিটিস হলেও জিএসটি থেকে ছাড় পাবে না। গোয়ার স্প্রিংফিল্ড ইন্ডিয়া ডিস্টিলারিজের একটি আবেদনের জবাবেই এই কথা জানিয়েছে AAR। কেন্দ্রের আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের উপর ১৮ শতাংশ কর চাপানো হবে। তার বিরুদ্ধে Authority for Advance Ruling-এর দ্বারস্থ হয়েছিল সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাঁদের দাবি ছিল, এটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত পণ্য। তাই এটার উপর ১২ শতাংশ জিএসটি চাপানো হোক। সে আরজি খারিজ হয়ে গিয়েছে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের শ্রেণিবদ্ধকরণের বিষয়ে স্পষ্ট জানতে এবং এই স্যানিটাইজারগুলিকে জিএসটি থেকে ছাড় দেওয়া হবে কিনা তা জানতে স্প্রিংফিল্ড ইন্ডিয়া ডিস্টিলারিজ AAR-এর গোয়া বেঞ্চের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কারণ গ্রাহক বিষয়ক মন্ত্রক হ্যান্ড স্যানিটাইজারকে কিন্তু প্রয়োজনীয় পণ্য হিসাবেই শ্রেণিবদ্ধ করেছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, “আবেদনকারীর দ্বারা উৎপাদিত হ্যান্ড স্যানিটাইজারগুলি অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজারের বিভাগে পড়ে এবং এইচএসএন-এর ৩৮০৮ বিভাগের অধীনে শ্রেণিবদ্ধ করা আছে যেখানে জিএসটি প্রয়োগের হার ১৮ শতাংশ হবে।” কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, জিএসটি আইনে ছাড়যোগ্য পণ্যের পৃথক তালিকা রয়েছে। সেই তালিকায় অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজারের নাম নেই। মহামারী কালে হ্যান্ড স্যানিটাইজার অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য। যতক্ষণ না ভ্যাক্সিন মিলছে, ততক্ষণ এই ভাইরাসকে ঠেকাতে একমাত্র উপায় অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার। কিন্তু তার দামও বেড়ে গেলে, আদও দিন আনা, দিন খাওয়া মানুষজন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন তো, উঠছে প্রশ্ন। Developed Reporter Samrat Ghosh
আর ৩০ নয়, এবার ট্যাক্সিতে উঠলেই দিতে হবে পঞ্চাশ টাকা ভাড়া, জানুন কবে থেকে কার্যকর
সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বাস-ট্যাক্সির ভাড়া বাড়াতে গররাজি সরকার। তাই এবার নিজেরাই ট্যাক্সির ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করল ট্যাক্সি মালিক সংগঠনগুলি। বুধবার বেঙ্গল ট্যাক্সি সংগঠনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ১ আগস্ট থেকে ট্যাক্সিতে পা দিলেই দিতে হবে ৫০ টাকা। প্রথম ২ কিলোমিটারের জন্য। যা এতদিন ছিল ৩০ টাকা। পরের প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ছিল ১৫ টাকা। সেই ভাড়া ২৫ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ট্যাক্সি মালিকদের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরেই ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন । ডিজেলের দাম মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছে।এই অবস্থায় পুরনো ভাড়ায় গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এদিন চারটি সংগঠন বৈঠকে বসে এই ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, এভাবে ভাড়া বাড়ানোর মানে কী, যেখানে ট্যাক্সিচালকরা কোনওদিনই মিটারে যেতে চান না। ভাড়ার নামে যেমন খুশি জুলুমবাজি চলছেই। লকডাউনের সময় তা আরও বেড়েছে। যাত্রী প্রত্যাখ্যান তো রোজকার ঘটনা। ফলে সরকারের এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পরিবহন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এভাবে যাত্রীভাড়া বাড়ানো বেআইনি। সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।যাত্রীদের অভিযোগ, শহরে ট্যাক্সি মিটারে চলে না বহু বছর ধরেই। বলেও কোনও লাভ হয় না। রাত বাড়লে ট্যাক্সিচালকদের বেয়াদপি আরও বেড়ে যায়। যখন মানুষের হাতে এমনিতেই টাকা নেই, এই অবস্থায় ভাড়া বাড়ানোর মানে হয় না। তাছাড়া ট্যাক্সি মিটারে চললেও অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় তাতেও কারচুপি রয়েছে। তাই এভাবে এই সময়ে ভাড়া বাড়ানোর মানে কী! বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিমল গুহ বলেন, ” সরকার যখন আমাদের দাবি মানছে না তাই আমরা নিজেরাই সংগঠন গত ভাবে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ১ আগস্ট থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে।” তবে পরিবহন দপ্তরের কর্তারা জানিয়েছেন এটা পুরোপুরি বেআইনি সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।Developed Reporter Samrat Ghosh
১ কেজি ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার ১ মহিলা

Web Desk: ফের সাদা পোশাকের পুলিশের সাফল্য। বুধবার সন্ধ্যায় ডিসিপি ওয়েস্ট কুনওয়ার ভূষন সিং মাটিগারার থানায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান মাটিগারার বিশ্বাস কলোনির একজন মহিলা পুস্পা বেগম সম্প্রতি মালদা থেকে প্রায় ১কেজি ব্রাউন নিয়ে আসছিলো একটি বাসে চেপে শিলিগুড়িতে।
এরপরই গোপন সূত্র খবরের উপর ভিত্তি করে এসিপি ওয়েস্ট চিন্ময় মিত্তাল এবং মাটিগারা থানার ওসি সুবল ঘোষ সহ মাটিগাড়া থানার সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মীদের সাথে নিয়ে হঠাৎ শিবমন্দিরে অভিযান চালিয়ে বুধবার বিকেলে সেই মহিলাকে গ্রেফতার করে,তল্লাশিতে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ১কেজি ব্রাউনসুগার,যার বাজারমূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
বৃহস্পতিবার ধৃত মহিলাকে শিলিগুড়ি আদলতে পেশ করা হলে ৭দিনের পুলিশি রিমান্ড চাইবে মাটিগাড়া থানার মেট্রোপলিটন পুলিশ।
Reporter Aniruddha Benerjee
মাস্ক-পিপিই চাওয়ার ‘শাস্তি’, দিল্লিতে চাকরি খোয়ালেন ৮৪ জন নার্স!
হাসপাতালের নাম হামদার্দ। অথচ সমব্যথী হওয়া তো দূর, করোনা কালেও নার্সদের সঙ্গে ‘অভব্য আচরণ’ করতে ছাড়ল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চুক্তি শেষ হওয়ার যুক্তি দেখিয়ে অন্তত ৮৪জন নার্সকে ছেঁটে ফেলল দিল্লির এই হাসপাতাল। যদিও নার্সদের অভিযোগ, পিপিই (PPE) কিট, মাস্ক আর খাবার জলের দাবি জানানোর জন্যই বরখাস্ত করা হয়েছে তাঁদের।মহামারীর মধ্যে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরাই। তাঁদের প্রতি মানবিক হতে সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ জানানো হচ্ছে বারবার। কিন্তু এবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই অভিযোগের মূলে। বেশিরভাগ নার্সই জানিয়েছেন, আগাম কোনও নোটিস ছাড়া ডিপার্টমেন্টের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেই বরখাস্ত করার চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাঁরা কোভিড টেস্ট করিয়েছিলেন, তাঁদের থেকে জোর করে পরীক্ষার টাকাও নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।এক সর্বভারতীয় ইংরাজি সংবাদমাধ্যমকে এক নার্স বলেন, “করোনা পজিটিভ হওয়ায় আপাতত আমি হোম আইসোলেশনে রয়েছি। আমিও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে চাকরি যাওয়ার চিঠি পাই। প্রতিদিন ১২-১৪ ঘণ্টা কাজ করার পর এমন আচরণ সত্যিই মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের ছেঁটে ফেলতে হলে চুক্তির মেয়াদ যখন শেষ হল, তখনই বলতে পারত। নিজেরাই আমাদের কাজ করতে বলেছিল। আর এখন আমরা মাস্ক-পিপিই চেয়েছি বলে এই পরিণতি হল।”মারণ ভাইরাসের (Coronavirus) সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হচ্ছে। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে অন্যদের সেবা করছেন নার্সরা। কিন্তু হাসপাতালের তরফে পর্যাপ্ত পিপিই কিট বা মাস্ক দেওয়া হচ্ছে না। যা মিলছে, তার মানও অত্যন্ত নিম্ন। N95 মাস্কও পাচ্ছেন না। এমন অভিযোগ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাসপাতালেই উঠেছে। এবার তা চাওয়ায় চাকরিই খোয়াতে হল নার্সদের। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁদের বরখাস্ত করা হয়নি। চুক্তি শেষ হয়েছে। তাঁরা চাইলে ফের ইন্টারভিউ দিতে পারেন। গোটা ঘটনার কথা ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জানিয়েছে দিল্লি-এনসিআর নার্স অ্যাসোসিয়েশন। Developed Reporter Samrat Ghosh







