মাফিয়া সাম্রাজ্যের রমরমাই হরিশপুরের ধ্বসের প্রধান কারন

Web Desk: কালো হীরা । ডাম্পারে লরিতে করে ভরে পাচার করতেই পারলেই মিলে যায় জাগতিক সব সুখ । গলায় মোষ বাঁধার শিকলের মতো মোটা সোনার চেন , দশ আঙুলে আঙটি , আর দামি গাড়ি সই মিলে যায় ।তাই চলে অবাধ কয়লা চুরি । গড়ে ওঠে মাফিয়া সাম্রাজ্য ।অবশ্য একদিনে বা এক বছরে এইওবাধ কয়লা চুরির সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে নি । সেই বাম আমল থেকে চলে কালো মানিকের চোরাই ব্যবসা । নিন্দুকেরা বলে মাফিয়া সাম্রাজ্যের প্রসদ অর্থাৎ মাফিয়াদের ভাষায় কাটিং চা সবাই পেয়ে থাকেন । আর সব দেবতাই পুজো পান তাই সেই বাম আমলের থেকেই চলে আসছে এই মাফিয়া সাম্রাজ্য ।ক্ষমতার রঙ বদল হলেমাফিয়ারা বদলে নেয় নিজেদের জামা । মাখনের মধ্যে ছুরি চালানোর মতোই চলতে থাকে মস্ররীণভাবে সেই একই মাফিয়া সাম্রাজ্য । কিন্তু প্রকৃতি বেজায় ক্ষুব্ধ । এবার প্রকৃতি নিচ্ছে বদলা ।মাটির তলা হয়ে গিয়েছে । আবার হরিশপুরে নেমেছে ধ্বস ।দেখা দিয়েছে ফাটল । লোটা কম্বল নিয়ে বাসিন্দারা আতঙ্কে খোলা আকাশের নিচে ।অবৈধ কয়লা খননের ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের। আজ বামফ্রন্টের ৩ বিধায়ক সহ জেলা নেতৃত্ব গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় , পঙ্কজ রায় সরকার, প্রবীর মন্ডল, সুবীর সেনগুপ্ত পৌঁছালে তাদের কাছে সাধারন বাসিন্দারা যন্ত্রণার কথা বলে। অসহায় মানুষগুলো তাদের দাবি নিয়ে GM অফিসে দেখা করতে যায়, তখন CISF দিয়ে গেট বন্ধ করে দেয়। প্রতিবাদে গৃহহীন‌ বাসিন্দারা জাতীয় সড়কে বসে পড়ে। পুনর্বাসনের দাবিতে বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে ।
১৬ জুলাই দেখা যায় প্রথম ধ্বস । জাতীয় সড়ক থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে হরিশপুর গ্রামের রাস্তায় ১০০ মিটার জূড়ে ফাটল দেখা যায় ।রবিবার রাতে বিকট শব্দে ধ্বস নামে হরিশপুরে ।প্রায় ১৫ টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এই বাড়িগুলি কমপক্ষে ৫ ফুট মাটিতে বসে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। এই ঘটনায় হরিশপুর গ্রামে থাকা ৫৫০ টি পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।ইসিএল আধিকারিক থেকে শুরু করে প্রশাসন, আসানসোল–দুর্গাপুর ডেভলপমেন্ট অথরিটি ,স্থানীয় প্রশাসন প্রায় সকলকেই গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে গ্রামের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে কিন্তু মেলে নি পুনর্বাসন । ১৬ জুলাই ধ্বসের পরে জেলা শাসক পুর্ণেন্দু মাজির সাথে একটি বৈঠক হয় এবং সেখানে ছিলেন ইসিএল কতৃপক্ষ । স্থির হয় যতদিন না সম্পুর্ণ পুনর্বাসোন হচ্ছে ততদিন বাসিন্দারা ই সিএলের ফাঁকা আবাসনে থাকবেন । কিন্তু তার কোন বাস্তব রুপ পায় নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের । পুনর্বাস্নের দাবিতে জাতীয় সরক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা ।
কালো হীরা । ডাম্পারে লরিতে করে ভরে পাচার করতেই পারলেই মিলে যায় জাগতিক সব সুখ । গলায় মোষ বাঁধার শিকলের মতো মোটা সোনার চেন , দশ আঙুলে আঙটি , আর দামি গাড়ি সই মিলে যায় ।তাই চলে অবাধ কয়লা চুরি । গড়ে ওঠে মাফিয়া সাম্রাজ্য ।অবশ্য একদিনে বা এক বছরে এইওবাধ কয়লা চুরির সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে নি । সেই বাম আমল থেকে চলে কালো মানিকের চোরাই ব্যবসা । নিন্দুকেরা বলে মাফিয়া সাম্রাজ্যের প্রসদ অর্থাৎ মাফিয়াদের ভাষায় কাটিং চা সবাই পেয়ে থাকেন । আর সব দেবতাই পুজো পান তাই সেই বাম আমলের থেকেই চলে আসছে এই মাফিয়া সাম্রাজ্য ।ক্ষমতার রঙ বদল হলেমাফিয়ারা বদলে নেয় নিজেদের জামা । মাখনের মধ্যে ছুরি চালানোর মতোই চলতে থাকে মস্ররীণভাবে সেই একই মাফিয়া সাম্রাজ্য । কিন্তু প্রকৃতি বেজায় ক্ষুব্ধ । এবার প্রকৃতি নিচ্ছে বদলা ।মাটির তলা হয়ে গিয়েছে । আবার হরিশপুরে নেমেছে ধ্বস ।দেখা দিয়েছে ফাটল । লোটা কম্বল নিয়ে বাসিন্দারা আতঙ্কে খোলা আকাশের নিচে ।অবৈধ কয়লা খননের ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের। আজ বামফ্রন্টের ৩ বিধায়ক সহ জেলা নেতৃত্ব গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় , পঙ্কজ রায় সরকার, প্রবীর মন্ডল, সুবীর সেনগুপ্ত পৌঁছালে তাদের কাছে সাধারন বাসিন্দারা যন্ত্রণার কথা বলে। অসহায় মানুষগুলো তাদের দাবি নিয়ে GM অফিসে দেখা করতে যায়, তখন CISF দিয়ে গেট বন্ধ করে দেয়। প্রতিবাদে গৃহহীন‌ বাসিন্দারা জাতীয় সড়কে বসে পড়ে। পুনর্বাসনের দাবিতে বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে ।
১৬ জুলাই দেখা যায় প্রথম ধ্বস । জাতীয় সড়ক থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে হরিশপুর গ্রামের রাস্তায় ১০০ মিটার জূড়ে ফাটল দেখা যায় ।রবিবার রাতে বিকট শব্দে ধ্বস নামে হরিশপুরে ।প্রায় ১৫ টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এই বাড়িগুলি কমপক্ষে ৫ ফুট মাটিতে বসে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। এই ঘটনায় হরিশপুর গ্রামে থাকা ৫৫০ টি পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।ইসিএল আধিকারিক থেকে শুরু করে প্রশাসন, আসানসোল–দুর্গাপুর ডেভলপমেন্ট অথরিটি ,স্থানীয় প্রশাসন প্রায় সকলকেই গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে গ্রামের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে কিন্তু মেলে নি পুনর্বাসন । ১৬ জুলাই ধ্বসের পরে জেলা শাসক পুর্ণেন্দু মাজির সাথে একটি বৈঠক হয় এবং সেখানে ছিলেন ইসিএল কতৃপক্ষ । স্থির হয় যতদিন না সম্পুর্ণ পুনর্বাসোন হচ্ছে ততদিন বাসিন্দারা ই সিএলের ফাঁকা আবাসনে থাকবেন । কিন্তু তার কোন বাস্তব রুপ পায় নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের । পুনর্বাস্নের দাবিতে জাতীয় সরক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা ।
Reporter Aniruddha Benerjee

ফের লাঠি হাতে রাস্তায় পুলিশ

Web Desk: লাঠি হাতে রাস্তায় ফের পুলিশ। লকডাউন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সকাল থেকেই অভিযানে নামে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। মালদা শহরের একাধিক মার্কেটে এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে অভিযান চালায় পুলিশ। উল্লেখ্য লকডাউন চলছে মালদার ইংরেজবাজার শহরে। কিন্তু একাংশ মানুষ লকডাউন অমান্য করে দোকান , বাজার খুলে রাখছেন। এমনকি ঠাসাঠাসি করে যানবাহনে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর সেই দিকেই নজর রেখে লাঠি হাতে ফের ময়দানে নামলো ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। মালদা শহরের বিভিন্ন বাজার এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এমনকি রাস্তায় মাস্কবিহীন অবস্থায় অনেককে  ধরপাকড় করে পুলিশ। এদিন মালদা শহরের নেতাজি পুরো মার্কেট , রথবাড়ি, স্টেশন রোড, রাজমহল রোড় , রবীন্দ্র এভেনিউ সহ একাধিক এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে যেসব এলাকায় দোকান খোলা রাখা হয়েছিল, সেই সব দোকানিদের বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেয় অভিযানকারী পুলিশ কর্তারা।
Reporter Aniruddha Benerjee

সীমান্তে পেরিয়ে গরু চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লো তিন বাংলাদেশি, গণপ্রহরছ মৃত্যু

Web Desk: সীমান্ত টপকে পাতারকান্দি ভুবরিগাট বাগানে গরু চুরি করতে গিয়ে গ্রামবাসীদের গণপ্রহারে মৃত্যু হলো তিন বাংলাদেশির। অভিযুক্ত নাম জানা যায়নি। আনুমানিক প্রত্যেকের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হবে বলে জানা গেছে । রবিবার সকালে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আদায়ে সক্ষম না হলেও ওদের বাড়ি বাংলাদেশ সিলেটের জাম কান্দিতে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য করিমগঞ্জের মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছে পাতারকান্দি থানার পুলিশ।
Reporter Aniruddha Benerjee

এবার থেকে সপ্তাহে ৫ দিন খুলবে ব্যাঙ্ক,শনি-রবি বন্ধ; জানালেন নবান্ন

Web Desk: করোনা ভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত ব্যাঙ্ক খোলার সময় নিয়ে অ্যাডভাইজারি জারি করল রাজ্য সরকার। এবার থেকে সপ্তাহে ৫ দিন খোলা থাকবে ব্যাঙ্ক। শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে। নতুন নির্দেশিকায় এমনটাই জানিয়েছেন নবান্ন। এবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ব্যাঙ্ক খোলা রাখা যাবে। 

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের ব্যাঙ্ক কর্মচারী সংগঠন। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছিল। যার প্রেক্ষাপটে ব্যাঙ্ক খুলে রাখা নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে নতুন এই অ্যাডভাইজারি প্রকাশ করা হল।
Reporter Aniruddha Benerjee

উচ্চমাধ্যমিকে একই স্কুলে ১৫০ পড়ুয়ার মধ্যে ১০০ জন ফেল!

Web Desk: গত শুক্রবার ১৭’জুলাই রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। রেকর্ড হারে পাশ করেছে এবছরে। ফলাফল প্রকাশের পর  ওয়েবসাইটে নিজেদের প্রাপ্ত নম্বর দেখতে গিয়ে মাথায় হাত টালিগঞ্জ অশোকনগর বিদ্যাপীঠের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের। চলতি বছরেল ওই স্কুলের ১৫০ জন পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বসেছিলেন।‌ কিন্তু রেজাল্ট বের হলে দেখা গেছে প্রায় ১০০ জনের উপর পরীক্ষার্থীর ফলাফল অনলাইনে নেই। শুধু লেখা রয়েছে, আপনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সংসদের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। ফলে তারা ফেল করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারন পাশ করলে ফলাফল ওয়েবসাইটে শো করবে। আর ফেল করলে স্কুলে যোগাযোগ করার কথা জানায়। তবে ওই পড়ুয়ারা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের দিনই সার্ভার বিভ্রাটের কারণে প্রায় দু’ঘণ্টা নিজেদের ফলাফল দেখতে পারেনি পরীক্ষার্থীরা । দেখতে পেলেও প্রথমদিকে তা ছিল ভুলভ্রান্তিতে ভরা। পরে তা ঠিক করে প্রকাশ করা হলেও টালিগঞ্জ অশোকনগর বিদ্যাপীঠের পরীক্ষার্থীদের সমস্যা অব্যাহত। গোটা বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। এমন পরিস্থিতিতে অনেক পড়ুয়া দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে গিয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ ফলাফল প্রকাশের পর থেকে আর ঘরে থেকে বের হচ্ছে না বলে তাদের ‌বন্ধুরা জানিয়েছেন। অনেকেই আবার রাস্তা অবরোধ করার কথা ভাবছেন। তবে অনেকেই খুব ভালো পড়ুয়া, ফার্স্ট ক্লাস পাওয়ার মতো পড়ুয়া রয়েছে। অভিভাবকরা মনে করছেন কপি চেক না করেই একটা এভারেজে নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাহলে এটা কী করে হয়? আমরা স্কুলের সঙ্গেও কথা বলেছি। ওরা বলছে তাদের কিছু করার নেই। এটা সংসদের বিষয়। তবে, একটি স্কুলে এত শতাংশ পরীক্ষার্থীর অসফল হওয়া সম্ভব নয় বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
Reporter Aniruddha Benerjee

ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে ধসে ভেঙে পড়ল ৫টি বাড়ি! বিপদজনক আরও ৩০ বাড়ি

Web Desk: দিল্লির পর এবার মুষলধারে বৃষ্টির জেরে নদীর জলে ভেঙে পড়ল ৫ টি বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরাখণ্ডের  পিথোগড় জেলায়।

সংবাদ সংস্থা এএনআই এর খবর অনুযায়ী জানা গেছে পিথোগড় জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গরি নদীর জল ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে।  এর জেরে নদীর তীরে অবস্থিত ৫ টি বাড়ি ভূমি ধসে ভেঙে পড়েছে।

এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন পিথোগড় জেলার জেলাশাসক ভিকে জোগডান্দা। তিনি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ সমস্ত পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তিনি জানিয়েছেন ওই এলাকায় আরও ৩০ টি বাড়ির অবস্থা বিপদজনক। যে কোনো মুহূর্তেই ভেঙে পড়তে পারে।
Reporter Aniruddha Benerjee

বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ! ১ কোটি টাকা সহ ২৫৭ গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

Web Desk: ফের বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি চালিয়ে উদ্বার হল বিপুল পরিমাণ টাকা সহ গাঁজা। এই ঘটনায় পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। 

ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দুপুরে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারের অন্তর্গত জামুড়িয়া থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুয়ো মোড় এলাকায়। এদিন দুপুর পুলিশ সনোজ সিং নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায়, সেসময় পুলিশ নগদ ১ কোটি এক লাখ ৭৮ হাজার টাকা সহ  ২৫৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। পুলিশ প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে অভিযান চালায়। এই ঘটনায় ‌পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে গ্রেফতারকৃত ওই পাঁচজনের মধ্যে একজন ঝাড়খন্ডের বাসিন্দাও রয়েছেন।
Reporter Aniruddha Benerjee

চোপড়ায় মৃত কিশোরীর দেহে মেলেনি যৌন হেনস্থা বা শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ, মৃত্যু বিষক্রিয়ায়

Web Desk: দেহে মেলেনি যৌন হেনস্থা বা শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ। বিষক্রিয় হয়ে মৃত্যু হয়েছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার মাধ্যমিক উত্তীর্ণ কিশোরীর মৃতদেহ।  রবিবার রাতে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট হাতে আসার পর এমনটাই জানিয়েছেন ইসলামপুর জেলা পুলিশ। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে রবিবার ওই কিশোরীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। রেকর্ড করা হয়েছে ভিডিয়োগ্রাফি।  কিশোরীর দেহে কোনও আঘাত বা যৌন হেনস্থার চিহ্ন মেলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ইসলামপুর পুলিশের দাবি, ওই কিশোরীর মৃত্যু সম্পর্কে পরিবারের তরফে পুলিশকে কিছু জানানো হয়নি। পুলিশই খবর পেয়ে ওই কিশোরীর দেহে উদ্ধার করেছে। তবে পরে পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ধর্ষণ ও খুনের উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা বাসে আগুন লাগিয়েছে, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসলামপুর জেলা পুলিশ।
Reporter Aniruddha Benerjee

উদ্ধার বিরল প্রজাতির হলুদ রঙের কচ্ছপ!

Web Desk: এক বিরল প্রজাতির হলুদ রঙের কচ্ছপ উদ্ধার করলেন বন বিভাগের কর্মীরা।‌
রবিবার উড়িশ্যার বালেশ্বর জেলার সুজনপুর এলাকা থেকে ওই বিরল প্রজাতির কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে বনদফতরের কর্মীরা।
বালেশ্বর জেলার বন দফতরের অফিসার বি আচার্য  জানিয়েছেন “এটি একটি বিরল কচ্ছপ, আমি এর আগে কখনও দেখিনি।” ইন্ডিয়ান ফরেষ্ট অফিসার সুশান্ত নন্দা ওই কচ্ছপের ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করে বলেন, এটি সত্যিই বিরল প্রজাতির।
Reporter Aniruddha Benerjee

বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় মাঝ সমুদ্রে ভাসছেন জাহাজের ২ লাখ কর্মী

Web Desk:  শেষ মাটিতে পা রেখেছিলাম ফেব্রুয়ারি মাসে। তারপরে আর কোনো ভূভাগে ঠায় মেলেনি। সংবাদ সংস্থা এএফপির সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে এমনটাই জানিয়েছেন তেজস্বী দুজেসা।  বাড়ি ফেরার জন্য মন টানিয়ে আছে। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জলসীমা বন্ধ। ফলে বিশ্বজুড়ে প্রায় দুই লাখ মানুষ, মাঝ সমুদ্রে ‌জাহাজে ভাসছে। তাাঁরা কেউ নাবিক,কেউ,কুক,সহ জাহাজের বিভিন্ন পদে কর্মরত।

তেজস্বীদের এই দলে কার্গো জাহাজের প্রকৌশলী থেকে শুরু করে ‌প্রায় ৪০০ কাছাকাছি কর্মী রয়েছেন। ইতিমধ্যেই জাহাজে কাজ করেন, এমন বেশ কয়েকজন আত্মহত্যা করেছেন। বিশ্বজুড়ে জাহাজের কর্মীদের আটকে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।  করোনার সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করার আগে এই কর্মীরা জাহাজে চেপে যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বিভিন্ন দেশ তাদের স্থল, জল ও আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে অনেক জাহাজ কর্মীরদের কাজ শেষ হলেও তাঁরা আর দেশে ঢুকতে পারছেন না।

 এই পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে সংবাদ সংস্থা এএফপির সঙ্গে কথা বলেন তেজস্বী। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে ধরে রেখেছি। কারণ, আমার আসলে কিছু করার নেই।’  একটি কার্গো জাহাজে কাজ করি। আমার ডিউটি শেষ তবুও ঘরে ফিরতে পারছি না। মাঝ সমুদ্রে বিশাল জলরাশির মধ্যেই থাকতে হচ্ছে। তবে আমার মতো প্রায় ৩০ হাজার ভারতীয় কর্মী এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। মহামারির কয়েক মাস আগেই তাঁরা জাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন। তেজস্বী বলেন, ‘সর্বশেষ ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাহাজ থেকে মাটিতে পা রেখেছিলাম গত ফেব্রুয়ারি মাসে।’ জাহাজের কর্মীরা সাধারণত ছয় থেকে আট মাস টানা কাজ করে থাকেন। এরপর আরেক দল কর্মীর কাছে জাহাজ বুঝিয়ে দিয়ে জাহাজ থেকে নামতে পারেন। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে এবার সেটা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের বাড়ি ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্যে একটি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রতি। সারা বিশ্বে যে পরিমাণ জাহাজকর্মী রয়েছেন, তার এক-চতুর্থাংশ ফিলিপাইনের নাগরিক। জানা গেছে, দেশটির প্রায় ৮০ হাজার জাহাজকর্মী এখনো সমুদ্রে আটকা পড়ে আছেন। এমন অনিশ্চয়তার কারণে সমুদ্রে আটকা পড়ে থাকা বেশ কয়েকজন আত্মহত্যা করেছেন। ফ্লোরিডার পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে ফিলিপাইনের এক নাগরিক আত্মহত্যা করেছেন। এসব ঘটনার পর জাহাজ পরিচালনা করেন, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে
Reporter Aniruddha Benerjee