গতিবিধিতে কড়াকড়ি, পুরনো ধাঁচেই ফিরছে নতুন লকডাউন!

Web Desk: সপ্তাহে দু’দিন সম্পূর্ণ লকডাউন। রাজ্য সরকার নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করতে। তবে এই লকডাউন পুরাতন ধাঁচেই ফিরছে। মার্চে লকডাউনের শুরুতে যেমন নিয়ন্ত্রণবিধি কার্যকর হয়েছিল, এই পর্বে গতিবিধিতে তেমন কড়াকড়ি থাকবে।

রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, গত ৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বৃহত্তর কন্টেনমেন্টভিত্তিক লকডাউন যেমন চলছিল, তেমনই চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। ১৫ জুলাই থেকে শহরভিত্তিক লকডাউন পদ্ধতিও চালু থাকবে। এর পাশাপাশি সপ্তাহে দু’দিন করে গোটা রাজ্যে সার্বিক লকডাউন কার্যকর হতে চলেছে। চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতি ও শনিবার। সপ্তাহে কোন কোন দিন লকডাউন থাকবে তা প্রতি সপ্তাহের সোমবার জানানো হবে।

লকডাউন চলবে ভোর ছ’টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত, এই সময়ে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। তা ছাড়া, প্রতি দিন রাত ১০টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না।
লকডাউনের দিনগুলিতে সরকারি এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি পরিবহণও চলবে না। তবে স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত গতিবিধি, ওষুধের দোকান, আইনশৃঙ্খলা, সংশোধনাগার, দমকল, বিদ্যুৎ, আন্তঃরাজ্য এবং আন্তঃরাজ্য পণ্য পরিষেবা, সংবাদমাধ্যম, রান্না করা খাবারের হোম ডেলিভারিতে ছাড় থাকবে। পাশাপাশি, ছাড় দেওয়া হয়েছে চালু শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়ায়। যে সব কারখানায় শ্রমিকরা থেকে কাজ করতে পারেন, সেগুলিকেও নিয়ন্ত্রণের আওতায় রাখা হয়নি। চা-বাগানের কাজও নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

চলে গেলেন মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন!

Web Desk: দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন। মৃত্যুকালীন তাঁর বয়স‌ হয়েছিল ৮৫ বছর। আজ মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে প্রয়াত হন।

এদিন সকালে রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের ছেলে আশুতোষ ট্যান্ডন ট্যুইট করে মৃত্যুর খবর জানিয়েছে। লখনৌ-এর মেদান্ত হাসপাতালে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল বেশ কয়েকদিন। গত ১১ জুন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে লিভারের সমস্যা ছিল। ১৬ জুলাই থেকে লালজি ট্যান্ডনের অবস্থার অবনতি ঘটে। তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। ফুসফুস, কিডনি, লিভার, কোনওটাই ঠিক মতো কাজ করছিল না গত কয়েকদিন। 
Reporter Aniruddha Benerjee

সন্তান না হওয়ায় বাপের বাড়িতে যেতে নিষেধ প্রতিবাদী বধু কে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ

Web Desk: বসিরহাট মহাকুমার হাসনাবাদ থানা রামেশ্বরপুর গ্রামের ঘটনা। গত তিন বছর আগে বসিরহাটের শাকচুড়া দাশপাড়ার রিয়া দাস এর সঙ্গে হাসনাবাদ রামেশ্বরপুর গ্রামের দেবব্রত দাসের সঙ্গে ভালোবাসা হয়। পরিণতি বিয়ে এই বিয়েতে রাজি ছিল না টিয়ার বাবা-মা তা সত্ত্বেও, ভালোবাসার বিয়ে কে স্বীকৃতি দিতে বাপের বাড়ির পরিবার পরে বিয়ে মেনে নেয়। বিয়ের ছমাস পর থেকে টিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত স্বামী দেবব্রত কারণ হিসেবে কাজ করতো না বারবার টাকার জন্য চাপ দিত টিয়ার ওপরে, একদিকে পণের দাবি অন্যদিকে বাপের বাড়িতে আসা নিষেধ ।এই নিয়ে একাধিকবার টিয়ার সঙ্গে তার স্বামীর দেবব্রত দাস, শাশুড়ি বাতাসি দাস, শশুর সঞ্জয় দাস এর সঙ্গে বচসা গন্ডগোল শুরু হয় কিন্তু একের পর এক অত্যাচারের সীমা বেড়ে যায়। গত ছ’মাস আগে টিয়ার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে শশুর শাশুড়ি ও স্বামীর বিরুদ্ধে,সেইসময় মিটে গেলেও একাধিকবার তার সন্তান না হওয়ার জন্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ মৃত বধূর মা সুমিত্রা দাস এর গত শনিবার সন্ধ্যেবেলায় টিয়া বাপের বাড়িতে আসার জন্য তার স্বামীকে বললে তারা আসতে দিতে নারাজ। এমনকি বারবার সন্তানের দাবি করে টিয়ার কোন সন্তান না হওয়ার জন্য প্রায় সময় অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করত। প্রতিবাদ করাতেই টিয়ার স্বামী তার হাত-পা ধরে রাখে আর টিয়ার শ্বশুর-শাশুড়ি কেরোসিন তেল দিয়ে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেয়ার অভিযোগ করে বধূর বাপের বাড়ির লোকজন। ওই বধূ কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা উদ্ধার করে প্রথমে বসিরহাট জেলা হাসপাতাল তারপর কলকাতা আরজিকরে নিয়ে গেলে রবিবার দুপুর বেলায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় মৃত বধূর বাপের বাড়ি লোকজন হাসনাবাদ থানায় শ্বশুর-শাশুড়ি স্বামী মামি শাশুড়ি ও মামার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে ইতিমধ্যে হাসনাবাদ থানার পুলিশ শশুর শাশুড়ি ও স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ সোমবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। মৃত বধুর মা সুমিতা দাস, বাবা সুকুমার দাসসহ গ্রামবাসীরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।
Reporter Aniruddha Benerjee

নয়া মোড়! চোপড়ায় মৃত কিশোরীর বাবা-দাদা সহ ৫ জনকে আটক করল পুলিশ

Web Desk: মাধ্যমিক উত্তীর্ণ কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ফুঁসছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। রবিবার থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ, প্রতিবাদে থমথমে গোটা এলাকা। সোমবার দুপুর পর্যন্ত ছবিটা ছিল একইরকম। তবে সন্ধে হতেই নড়া মোড়া দেখা গেল। নিহত কিশোরীর বাবা, দাদা, কাকা-সহ পরিবারের মোট পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেই জানিয়েছে। যদিও আটক করার প্রতিবাদে চোপড়া থানার সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির নেতৃত্বরা।

শনিবার বিকাল থেকে নিখোঁজ থাকার পর রবিবার তার দেহ উদ্ধার করে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে সোনারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চোপড়াগজের কাছে একটি ফাঁকা জায়গা। দেহ উদ্ধার করে প্রথমে তাকে চোপড়ার দলুয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তার। অপহরণ করে ধর্ষণের পর ওই কিশোরীকে খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ করে নিহতের পরিবার। ঘটনায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। তারই প্রতিবাদে রবিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় চোপড়া। সেই রেশ ছিল সোমবারও। এদিন কিশোরীর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সামনে আসে। যদিও পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, ধর্ষণ নয়। বিষক্রিয়াতেও মৃত্যু হয়েছে ওই স্কুলছাত্রীর। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট মানতে নারাজ তাঁর পরিজনেরা। এরপরই মিছিল করে দেহ সৎকার করতে নিয়ে যাওয়া হয়। মিছিলে ছিলেন নিশীথ প্রামাণিক-সহ রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব। যদিও মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। তা নিয়ে বিক্ষোভও দেখায় গেরুয়া শিবির। দেহ সৎকার করে বাড়িতে ফিরে আসার পরই নিহতের বাবার সঙ্গে দেখা করে তৃণমূল নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রী গৌতম দেব, গোলাম রব্বানি, মৌসম বেনজির নূর এবং জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল কিশোরীর বাড়িতে যান। ঠিক তারপরই কিশোরীর বাবা, দাদা, কাকা-সহ পরিবারের ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। ছি ঘটনায় বিজেপির দাবি, ঘটনা অন্যদিকে ঘোরাতেই ‘অন্যায়’ভাবে কিশোরীর পরিজনদের আটক করা হল। বিজেপি জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ি বলেন, “পুলিশ বাড়ি বাড়ি ঘুরে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার করছে।”
Reporter Aniruddha Benerjee

প্লাজমা দানের টোপদিয়েকম পক্ষে ২০০ জনের সঙ্গে প্রতারণা, ধৃত যুবক

Web Desk: এই সংকটকালে করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য অ্যান্টি-ভাইরাল জরুরি ওষুধ জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অনেককে ঠকিয়েছে সে। আবার একই লোক কোভিডে বিপন্ন রোগীর জন্য প্লাজমা দান করার কথা বলে শেষ মুহূর্তে ধোকা দিয়েছে একাধিক জনকে। সংকটের মুহূর্তে রোগীর পরিবারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এ ভাবেই প্রতারণার ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলেছে অভিযুক্ত যুবক। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে সে ধরা দেয়।

হায়দরাবাদ পুলিশ কমিশনারের তৈরি টাস্ক ফোর্স সোমবার ওই ঠগকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্লাজমা প্রতারণায় যুক্তের নাম সন্দীপ। বয়স পঁচিশের আশপাশে। বাড়ি অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার রাজামে। হায়দরাবাদ পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সন্দীপ দু’শোর বেশি লোককে ঠকিয়েছে।

এই কোভিড সংকটে প্লাজমা ডোনারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, তা প্রতারকের অজানা ছিল না। সে এ-ও জানত বাজারে কোভিডের অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধের টান আছে। এই দু’টি বিষয় মাথায় রেখে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলিতে শিকারের জন্য জাল বিছোতে থাকে সে। সেই ফাঁদে একে একে ২০০-র বেশি রোগীর স্বজন পা দেয়। শিকার ঠিক করে, ফোন নম্বর জোগাড় করে নিত। এর পর সরাসরি ফোন। প্রত্যেকের কাছে নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে সে জানিয়েছে, তারও কোভিড হয়েছিল। প্রাণঘাতী ভাইরাসের মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এসেছে। এর পরই সংকটাপন্ন করোনা রোগীর জন্য প্লাজমা দানে আগ্রহ প্রকাশ করত। এই বাজারে হাতের কাছে প্লাজমা দাতাকে পেয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার মতো লোক পাওয়া দুষ্কর। ফলে, প্রায় প্রত্যেকেই সেই টোপ গিলে সন্দীপের শিকারের জালে ধরা দেয়। আবার প্রতারিতদের মধ্যে কাউকে কাউকে বলেছিল, সে ওষুধ বিক্রেতা। করোনার অ্যান্টি-ভাইরাস জরুরি মেডিসিন তার কাছে পাওয়া যাবে।

ফোনে আস্থা অর্জনে যতক্ষণ। এর পর পার্টি রাজি হলে, যাতায়াতের খরচের কথা বলে অ্যাপের মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার করতে বলত। অনলাইনে অ্যাকাউন্টে একবার টাকা ঢুকে গেলেই ওই ব্যক্তিকে এড়িয়ে যেত সে। তখন সে ফোনে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

অভিযুক্তকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, সে স্নাতক উত্তীর্ণ। কম্পিউটার হার্ডওয়ার নেটওয়ার্কিং কোর্সও সে করেছে। হায়দরাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, কোভিড (Covid-19) সংকটকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা শুরু করলেও, অপরাধ জগতে হাতেখড়ি আরও আগে। দু-দুটো চুরির দায়ে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিল। ছাড়া পেয়েই প্লাজমা নিয়ে প্রতারণা শুরু করে। Reporter Aniruddha Benerjee

২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত হবে, সরকার গড়ব আমরাঃ মুখ্যমন্ত্রী

Web Desk: এই বছরের ২১ জুলাই রাজনৈতিক দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। করোনা ও আমফানে বিপর্যস্ত বাংলা। অন্যদিকে ক্রমশ ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের দিন এগিয়ে আসছে।

একদিকে বাম-কংগ্রেস জোটের মুহুর্মুহু আক্রমন, অন্যদিকে বিজেপির স্লোগান ‘বদল চাই ও বদলা চাই’। সবমিলিয়ে সাঁড়াশী চাপে তৃণমূল। রাজনীতির মহারণে এবার কী বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী? নজর থাকবে শাসক থেকে বিরোধী সকলেরই।

ভার্চুয়াল মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণঃ
ধর্মতলায় সভা করতে না পেরে আমরা ব্যাথিত। হৃদয়ে ব্যাথা নিয়ে ভার্চুয়ালি এই সভা করছি। আগামী বছর সবচেয়ে বড় সভা হবে। সেই প্রস্তুতি এখন থেকে নিতে হবে।

তবে বাংলার ৬২হাজার ৬০০ বুথে আজ আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা পালন করছেন শহীদ দিবস।

দেশের সমস্ত শহিদকে স্মরণ করছি। দেশে ভয়ে অনেকে কথা বলতে পারছেন না। মানুষ প্রতিবাদ করতে পারছে না।

আমফানের পরের দিন প্রধানমন্ত্রী এলেন এক ঘণ্টার জন্য দয়া করে। এক হাজার কোটি টাকা দিলেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে সে টাকা খরচ করে দিয়েছি।

আমপান হল, বিজেপির কী নাচানাচি বাপরে! যাঁরা আমপানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাবেন

বহিরাগতরা বাংলা চালাবে না। দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই বাংলাকে। বাংলাকে বদল করব তবে বদলা দিয়ে নয় মানবিকতা দিয়ে।

আমফানে ক্ষতিগ্রস্থ বহু মানুষ। লকডাউন শুরুর আগেই আমরা ফ্রিতে রেশনের কথা ঘোষণা করেছি। তৃণমূল থাকলে সারাজীবন ফ্রিতে রেশন।

কোভিড চলছে বলে এনসিআর, এনপিআর ভুলে যাচ্ছি না। রাজ্য জুড়ে অপ-প্রচার চালাচ্ছে বিরোধীরা। হিন্দু-মুসলিম-শিখ-সর্ব ধর্ম নির্বিশেষে একসঙ্গে থাকবে বাংলায়।

আপনাদের রাজনৈতিক জন্মটা কোথায়। কখনও শুনিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রশাসন থেকে শিল্পী, সবাইকে আক্রমণ করা হচ্ছে। দিল্লিতে কীভাবে মানুষ খুন আমরা ভুলিনি- বিজেপিকে কটাক্ষ মমতার

মাটিতীর্থর পর মাটিসৃষ্টি প্রকল্প। কর্মসংস্থান হবে আড়াইলক্ষ গ্রামীন মানুষের।৪৬ লক্ষ মানুষকে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের টাকা দিয়েছি।

কোভিডে প্রতিদিন টেস্ট হবে ১৩ হাজার। দৈনিক ২৫ হাজার টেস্টের টার্গেট। বাংলায় মৃত্যুর হার আরও কমাব। করোনা চিকিৎসায় ১৮ হাজার বেড আছে। আরও বাড়াব বেড।মাত্র ৫% রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক।

আমাদের রাজ্যে উপসর্গহীন রোগী ৮৭ শতাংশ। সামান্য উপসর্গ ৮ শতাংশ। গুরুতর সংক্রমণ ৫ শতাংশের। আমাদের ডিসচার্জ রেট ৬০ শতাংশ।

দিল্লি একটা ছোট্ট জায়গা। কলকাতার মতো। গুজরাত, ওড়িশা বাংলার অর্ধেক। অন্য রাজ্যের সঙ্গে বাংলার তুলনা হয় না। উত্তরপ্রদেশ বড় রাজ্য, তার পরেই কিন্তু বাংলা। মনে রাখবেন।

রেলওয়ে টোটাল বিক্রি, কোল ইন্ডিয়া টোটাল বিক্রি, এয়ার ইন্ডিয়া টোটাল বিক্রি। কোভিডের নাম করে অনেক রাজ্যে সরকারি কর্মচারীরা মাইনে পাচ্ছেনা।

একমাত্র রাজ্য আমরা ১ তারিখে টিচারদের মাইনে দি। দারিদ্র দূরীকরণে আমরা প্রথম, একশো দিনের কাজে প্রথম বাংলা। ক্ষুদ্র শিল্পে এক নম্বর বাংলা।

একটি নির্বাচন হয়েছে। কয়েকটামাত্র সিট ওরা পেয়েছে। তার মধ্যেই রোজ অভিযোগ যাচ্ছে কেন্দ্র। এখানে নাকি আইন শৃঙ্খলা নেই। যান অন্য রাজ্যে দেখে আসুন।

কেন কাশ্মীর থেকে মৃতদেহ আনতে হবে রাজ্যকে? বাংলার শ্রমিকরা আপেল বাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। পুরুলিয়ার এক শ্রমিককে খুন করা হয়েছে ।

সারা দেশ জুড়ে তাণ্ডব হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে যা হচ্ছে তা জঙ্গলরাজ বললেও ভুল বলা হবে।

জনগন সাবধান। আপনাদের করছি আহবান। ওদের অনেক টাকা আছে। ওদের ভোট দিলে জীবন -জীবিকা সব হারাবেন।

নির্বাচনকে বিজেপি একটা নোংরা খেলায় পরিণত করেছে। টাকা দিয়ে ভোট কেনে। আর বিজেপির রাজত্বে কথায় কথায় বঞ্চনা, অসম্মান, চক্রান্ত।

সারা জীবন সিপিএমের হাতে মার খেতে খেতে আমার সারা শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েছে।শান্তিতে ক’দিন কাজদ করতে পেরেছি। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দেয়নি। বঞ্চনা করেছে। কথায় কথায় অপমান করেছে।

দিদিকে বলোতে শুনে ৬ লক্ষ মানুষের পেনশন করে দিয়েছিলাম। আশাকর্মীদের মাইনে বাড়ানো হয়েছে।দেশে বেকারের হার বেড়েছে। এখানে সেই হার কমেছে।

গোটা দেশে সবচেয়ে বেশি স্কলারশিপ আমাদের এখানের ভাই বোনরা পান। ২ কোটি ৩৮ লাখ ছাত্রছাত্রী স্কলারশিপ পেয়েছে।

১ কোটি ৩৬ লক্ষের কর্মসংস্থান হয়েছে ক্ষুদ্র শিল্পে। বেকারের হার ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছে। শস্য বিমার টাকা দেয়।বাংলায় সরকার ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করব না।

টাকা দিয়ে সরকার ভাঙা হচ্ছে। কেন মধ্যপ্রদেশে, কর্ণাটকে, রাজস্থানে সরকার ভাঙা হবে। মনে রাখবেন গুজার বাংলা শাসন করবে না।বাংলার মানুষ বাংলা শাসন করবে।

২১ জুলাই দিচ্ছে ডাক, বিজেপি বাংলা থেকে বিদায় যাক। ২১ পথ দেখাবে ভারতবর্ষকে।
Reporter Aniruddha Benerjee

ব্যবসা মন্দা, কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা IndiGo বিমান সংস্থার

Web Desk: করোনা ভাইরাস মহামারিতে মূর্ছা গেছে বিমানের পরিষেবা। একেবারেই বন্ধ বললেই চলে। এমন সময়ে ব্যবসা বাঁচাতে গেলে কর্মী ছাঁটাই ছাড়া আর কোনো পথ নেই বলে জানিয়েছেন ইন্ডিগো। সংস্থার সিইও রণজয় দত্ত জানিয়েছেন যে করোনার জেরে অর্থনৈতিক মন্দার ফলে দশ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিগো। ফলে একের পর এক বিমান সংস্থার কর্মীদের কাজ হারিয়ে যাওয়া বড়সড় সংকট দেখা দিয়েছে। 

ইন্ডিগোর সিইও রণজয় দত্ত বলেন যে এই অর্থনৈতিক ঝড় সামলানো সম্ভব নয় কোনও আত্মত্যাগ ছাড়া। ব্যবসাকে বাঁচানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার বলে জানান সংস্থার কর্ণধার। সমস্ত পরিস্থিতি বিচার বিবেচনা করে কর্মী সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান রণজয়বাবু। তিনি বলেন যে ইন্ডিগোর ইতিহাসে এই প্রথম এত লোকের চাকরি যাবে। ভারতের সবচেয়ে বড় বিমান পরিবহণ সংস্থা ইন্ডিগো। কিন্তু করোনার জেরে যেভাবে ফ্লাইট পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে, তার প্রভাব পড়েছে ইন্ডিগোর ওপরেও। ইন্ডিগোর  প্রায় ৩০ হাজারের মতো কর্মী ছিল। সেই হিসাব অনুযায়ী কমপক্ষে তিন হাজার কর্মী চাকরি হারাবেন। ইন্ডিগোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে বিনা বেতনে ছুটি ও মাইনে কমানোর মতো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাদের নিতে হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও খরচা সামলানো যাচ্ছে না। ফলে এই কঠিন সিদ্ধান্তের নিতে বাধ্য হলেন।
Reporter Aniruddha Benerjee

সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত টলিউডের অভিনেতা সুরজিৎ বন্দোপাধ্যায়

Web Desk: টলিউডের অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের পরিবারের সদস্যদের আক্রান্তের পর এবার সপরিবারে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হলেন টলিউডের অভিনেতা সুরজিৎ বন্দোপাধ্যায়। একাধিক বাংলা ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে এই অভিনেতাকে, তবে আপতত কোড়া পাখি ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ন চরিত্রে অভিনয় করছিলেন তিনি। শুধু সুরজিৎ নয়, তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী অনিন্দিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মেয়ে দেবপ্রিয়ার করোনা রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে বলে ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন অভিনেতার মেয়ে দেবপ্রিয়া। 

সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে দেবপ্রিয়া লেখেন, ‘আমার এবং আমার বাবা-মা তিন জনেরই কোভিড টেস্ট আজ পজিটিভ এসেছে। তিন মাস গৃহবন্দি থাকার পর এ জিনিস কী করে সম্ভব তা আমার জানা নেই। বাড়িতে টাকা পয়সার নেহাত বড্ড বেশি টানা টানি পড়ায় বাবাকে শ্যুটিং করতে হয়।কিন্তু যতটুকু তথ্য আমাদের দেওয়া হয়েছিল, তাতে আমরা জানতাম টলিপাড়া সম্পূর্ণরূপে স্যানিটাইজ আছে। হয়তো অন্য কোনোভাবে এসেছে। বলছে গোষ্ঠী সংক্রমণ নাকি সবে শুরু হয়েছে। বোধ হয় আমরাই ছিলাম গোষ্ঠী সংক্রমণের প্রথম তিন বলি। জানা নেই।পনেরো দিনের এ ফাঁড়া কাটবে কিনা জানা নেই’।
Reporter Aniruddha Benerjee

বিক্রির পথে ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক, তালিকায় ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

Web Desk: ভারতীয় ব্যাঙ্ক শিল্পকে চাঙ্গা করতে এবার ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক বেসরকারি করনে পথে হাঁটলেন কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের সংখ্যা ১২ থেকে কমিয়ে পাঁচে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেসরকারিকরণের এই তালিকায় রয়েছে ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক, ইউকো ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র ও পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক-এর। জানা গিয়েছে, সরকারি পরিকল্পনায় এই সব ব্যাঙ্কের অধিকাংশ শেয়ার বিক্রির করা হবে।

 খুব তাড়াতাড়ি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণ করার প্রস্তাব ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে তারই খসড়া তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রস্তাবটি প্রস্তুত হলে তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক কোনও মন্তব্য করেনি।  তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়ে দিয়েছে, ভারতে পাঁচটির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক থাকার প্রয়োজন নেই।
Reporter Aniruddha Benerjee

সাকুল্যে দুটি LED জ্বলে, বরানগরের তারা মায়ের মন্দিরে বিদ্যুতের বিল ১ লক্ষ টাকা!

প্রয়োজন মতো কখনও সখনও একটি পাখা। বহু পুরনো মন্দিরটিতে ইলেক্ট্রিক বিলের অঙ্ক কস্মিনকালেও ২৫০ টাকার গণ্ডি পেরোয়নি। CESC-র সৌজন্যে জুন মাসে মন্দিরে ইলেক্ট্রিক বিল এসেছে ১ লক্ষ ৫ হাজার ৯২০ টাকা।

Web Desk: CESC-র ভুতুড়ে বিলের লাগামছাড়া তাণ্ডবে ওষ্ঠাগত শহরবাসী। নিস্তার নেই ‘ওপরওয়ালার’ও! মায়ের মন্দিরে ভুতুড়ে ইলেকট্রিক বিলের দাপট। বরানগরের অক্ষয় কুমার মুখার্জি রোডের তারা মায়ের মন্দির। এলাকায় জাগ্রত মন্দির হিসেবেই পরিচিত। মন্দিরে সাকুল্যে জ্বলে ৪০ ওয়াটের দুটো এলইডি আর বিগ্রহের মাথার ওপরে একটি বাল্ব।

প্রয়োজন মতো কখনও সখনও একটি পাখা। বহু পুরনো মন্দিরটিতে ইলেক্ট্রিক বিলের অঙ্ক কস্মিনকালেও ২৫০ টাকার গণ্ডি পেরোয়নি। CESC-র সৌজন্যে জুন মাসে মন্দিরে ইলেক্ট্রিক বিল এসেছে ১ লক্ষ ৫ হাজার ৯২০ টাকা।

জুন মাসে ইলেক্ট্রিক বিকেলের অঙ্ক দেখে চোখ কপালে মন্দির কমিটির। মন্দিরের পূজারী গৌতম চক্রবর্তী বলেছেন,”আমাদের সঙ্গে যা করার করছেই! মাকেও ছাড়ছে না! তারা মায়ের মন্দিরের এমন ভুতুড়ে বিল পাঠাবে? ভাবা যায় না!” রবিবার রাতে নতুন নোটিফিকেশন জারি করেছে ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন। এপ্রিল ও মে মাসের ইলেক্ট্রিক বিল স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউন শহরে শহরবাসীর উপর এমন ভুতুড়ে বিল চাপানোর ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

কিন্তু তাতেও বিস্ময় কমছে না বরানগরের অক্ষয় কুমার মুখার্জি রোডের উপর অবস্থিত তারা মায়ের মন্দির কমিটির সদস্যদের। মন্দিরে পুজো দিতে আসা এলাকার মানুষজন বলছেন, “প্রতি মাসে গড়ে বিল আসে ২৫০ টাকা। মে মাসেও ২৩০ টাকার বিল মেটানো হয়েছে। মন্দিরে জ্বলে সাকুল্যে দুটো এলইডি ও একটি বাল্ব। সেটাও ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার জন্য।”

সিএসইর নতুন নোটিফিকেশনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে মন্দির কমিটির সদস্য ও মন্দিরের পুজারী গৌতম চক্রবর্তী বলেছিলেন,”এই যাত্রায় মা বাঁচিয়ে দিল। না হলে এই ভূতুড়ে বিল দেওয়া সম্ভব ছিল না। মা-ই রক্ষা করলেন।” ‘জয় তারা’ বলে পুজোয় মন দিলেন তারা মায়ের মন্দির কমিটির সদস্যরা।
Reporter Aniruddha Benerjee