এই ব্যংকে চারদিন ধরে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পাচ্ছেননা গ্রাহকরা, পড়ুন বিস্তারিত

Web Desk: ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তারাতলা শাখার গ্রাহকরা প্রায় চারদিন ধরে ব্যাঙ্কের কোন পরিষেবা পাচ্ছেন না।
গ্রাহকদের অভিযোগ গত তিনদিন ব্যাঙ্কের লিঙ্ক না থাকার অজুহাতে লেনদেন সংক্রান্ত কোন কাজ কর্ম করা যায় নি। আজ বুধবার চতুর্থ দিন আজও যথারীতি গ্রাহকরা ব্যাঙ্কে আসেন তাদের প্রয়োজনিয় কাজ সারতে। কারণ আগামী- কাল পূর্ণদিবস লকডাউনের কারনে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। অনেক গ্রাহকই এই আশায় ছিলেন কাল বন্ধ থাকবে তাই আজ অন্তত ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে। কিন্তু গ্রাহকরা ব্যাঙ্কের তারাতলা শাখার সামনে গিয়ে প্রথমে দেখেন ব্যাঙ্কের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ । বেশ কিছ্ক্ষণ সময় অপেক্ষা করার পর গ্রাহকরা চেঁচামেচি শুরু করলে হঠাৎই দেখা যায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়। তাতে লেখা ব্যাংকের ম্যানেজার না থাকার দরুন কোন প্রকার ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দেওয়া যাবে না। এতেই উপস্হিত গ্রাহকদের মধ্যে দাবানলের মতো বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকশো গ্রাহক ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার , তারাতলা শাখার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ।

যদিও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও সূত্র মারফত জানা যায় ব্যাঙ্কে ১ জন মাত্র স্টাফ আজ উপস্হিত হয়েছিল। ঐ শাখায় আজ ই নতুন ম্যানেজারের্ যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি আসতে পারেন নি।এ ছাড়াও খবর ব্যাঙ্কের এক স্টাফের বাড়ির লোক করোনায় আক্রান্ত হবার খবরে অনেকেই ভীত।পরে অবশ্য ঘটনাস্থলে তারাতলা থানার পুলিশ পৌছে ঐ ব্যাঙ্কের নিকটবর্তী অন্যান্য শাখার মাধ্যমে গ্রাহক পরিষেবার ব্যাবস্হা করে পরিস্হিতির সামালদেয়।
Reporter Aniruddha Benerjee

ডিউটি চলাকালীন দেখা মেলে না কোন গ্রুপ ডি কর্মী”সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের”

Web Desk: ডিউটি চলাকালীন দেখা মেলে না কোন গ্রুপ ডি কর্মী, সুইপার এমনকি ডাক্তারেরও ! ঘটনাটি সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। দিনের পর দিন অপর্যাপ্ত নার্সিং স্টাফ দের দিয়েই চলছে ওয়ার্ড। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানিয়েও কোন লাভ হচ্ছে না, ফলত আজ হাসপাতালের সমস্ত নার্সিং স্টাফ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
Reporter Aniruddha Benerjee

মদ্যপ যুবকের অশালীন আচরণের প্রতিবাদের মাশুল, শ্রীরামপুরে খুন মহিলা

Web Desk: মদ্যপ যুবকের অশালীন আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন এক গৃহবধূ। তার পরিণতি যে এতটা ভয়াবহ হবে, ভাবতে পারেননি কেউ। গৃহবধূকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী ওই মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে। শ্রীরামপুরের প্রভাসনগরের ঘটনায় যুবকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক অমল প্রায় প্রতিদিন মদ্যপ অবস্থায় পাড়া-প্রতিবেশীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা পিন্টু নাগ-সহ এলাকার অন্যান্যদের অভিযোগ, সোমবার রাতে আভিযুক্ত মদ্যপ অবস্থায় দীপালি মুখোপাধ্যায় নামে এক মহিলার বাড়িতে ঢুকে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করতে শুরু করে। দীপালিদেবী মদ্যপ যুবকের অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করলে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায়। বচসা চলাকালীন মদ্যপ অমল গৃহবধূকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিলে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।

ইতিমধ্যে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্বামী ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তাঁরাই সংজ্ঞাহীন অবস্থায় দীপালিদেবীকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার পরই মদ্যপ যুবক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পর টাল সামলাতে না পেরে রাস্তার উপর পড়ে আঘাত পায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নেশাগ্রস্ত ওই অভিযুক্ত যুবককে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এদিকে মৃতার স্বামীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এলাকাবাসী অভিযুক্ত যুবকের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, রোজ মদ্যপ অবস্থায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে ওই যুবক।
Reporter Aniruddha Benerjee

অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলছে ৬ বছরের শিশু, উত্তরপ্রদেশের সরকারি হাসপাতালের ঘটনায় নিন্দার ঝড়

Web Desk: অসুস্থ দাদুকে স্ট্রেচারে ঠেলে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যাচ্ছে ছয় বছরের শিশু। যার মাথাও ঠিকমতো স্ট্রেচার অবধি পৌঁছয় না! সেই খুদেই কিনা দাদুর চিকিৎসার জন্য তৎপরতার সঙ্গে স্ট্রেচার ঠেলছে। ঠিক সময়মতো দাদু যাতে চিকিৎসাটা পায় অন্তত! সম্প্রতি এরকমই একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল নেটদুনিয়ায়। রাজনৈতিক স্তরের ব্যক্তিত্বরাও সরব হয়েছিলেন এই ছবি দেখে। যার জেরে বরখাস্ত করা হল হাসপাতালের এক ওয়ার্ড বয়কে।

যোগী আদিত্যনাথ শাসিত উত্তরপ্রদেশের এক সরকারি হাসপাতাল ঘটনা। সেখানে স্ট্রেচার ঠেলতেও ওয়ার্ড বয়ের হাতে প্রথমেই গুঁজে দিতে হয় ৩০ টাকা! না হলে তিনি কাজটাই করবেন না। টাকা না পেলেই মুখের উপর না বলে দিয়ে চলে যাবেন। উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার এক হাসপাতালে সম্প্রতি এমনই ঘটনার সাক্ষী হতে হয়েছে বারহজের গাওরা গ্রামের এক হতদরিদ্র পরিবারকে। হাতে টাকাপয়সা ছিল না বিশেষ। তাই চিকিৎসার খরচের বাইরে অতিরিক্ত ত্রিশ টাকা দেওয়ার সামর্থ্যটুকু নেই তাদের। অতঃপর অবস্থা বেগতিক দেখে ৬ বছরের সেই খুদেকেই মায়ের সঙ্গে স্ট্রেচার ঠেলে দাদুকে নিয়ে যেতে হল ওয়ার্ডে।
Reporter Aniruddha Benerjee

খিদের জ্বালায় কাঁঠাল খেতে যাওয়াই কাল, নাগরাকাটার চা-বাগানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হাতির

Web Desk: বুধবার আবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হাতির। মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা চা-বাগানের ঘটনা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে প্রচন্ড বৃষ্টির সময় নাথুয়া জঙ্গল থেকে এই হাতিটি চা-বাগান এলাকায় আসে। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ চা-বাগানের কারখানার কাছে একটি কাঁঠাল গাছ থেকে কাঁঠাল খাবার সময় কোনওভাবে বিদ্যুতের সংস্পর্শে চলে আসে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, রাতে প্রচন্ড শব্দ করে হাতিটি মাটিতে লুটিয়ে পরে। খবর পাওয়া মাত্র ভোরের দিকে ঘটনাস্থলে যায় খুনিয়া বনদপ্তর এবং নাগরাকাটা পুলিশ। দেখা যায়, হাতিটির শুঁড়ে বিদ্যুতের তার জরিয়ে রয়েছে এবং রাস্তার পাশেই মৃত অবস্থায় পরে রয়েছে। খুনিয়া রেঞ্জের রাজকুমার লায়েক বলেন, এটি পুর্ণবয়স্ক পুরুষ হাতি। রাতের দিকে নাথুয়া জঙ্গল থেকে এই এলাকায় এসেছিল। এখন হাতিটিকে জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে গিয়ে ময়না তদন্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে, ময়নাতদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে।
Reporter Aniruddha Benerjee

আমফানের তিন মাস পরেও মেরামত হয়নি শহরের বাসস্ট্যান্ড, আলোহীন পথে দুর্ভোগে যাত্রীরা

Web Desk: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহরের বাসস্ট্যান্ডগুলি তিন মাসেও আদৌ সংস্কার করে উঠতে পারেনি কলকাতা পুরসভা। অধিকাংশ বাসস্ট্যান্ডে এখনও ভগ্নদশা এবং আলো না থাকায় সন্ধ্যা হলেই ঘন অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে। বেশ কিছু রাস্তায় এখনও আলো না জ্বলায় বাসস্ট্যান্ডগুলি ঘিরে পথচলতি যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বাসস্ট্যান্ডগুলি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা পুরসভার দুই বিভাগ, বিজ্ঞাপন ও ইঞ্জিনিয়ারিং মঙ্গলবার জানিয়েছে, বরোগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত স্ট্যান্ডের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কতদিনের মধ্যে মেরামত সম্পূর্ণ হবে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি আধিকারিক ও পুরকর্তারাও। তবে পুজোর আগে সমস্ত বাসস্ট্যান্ড মেরামত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পুরপ্রশাসক রতন দে।

বৃষ্টি পড়লে আগে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা ছুটে গিয়ে স্ট্যান্ডের নিচে আশ্রয় নিতেন। প্রবল রোদে ও ভ্যাপসা গরমেও শহরের শীতাতপ বাসস্ট্যান্ডগুলি রাস্তায় বের হওয়া বাসিন্দাদের কাছে ছিল স্বস্তির ঠিকানা। অনেক যাত্রী ছিলেন যাঁরা এই সমস্ত স্ট্যান্ড থেকে অটো বা ট্যাক্সিও ধরতেন। শহরে পথচলতি মানুষের কাছে প্রতিটি বাসস্ট্যান্ড একটা অন্যতম আশ্রয়স্থল হিসাবে চিহ্নিত ছিল। বস্তুত এই কারণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিধায়ক ও সাংসদরা তাঁদের উন্নয়ন তহবিল থেকে শহরের বাসস্ট্যান্ডগুলিকে সুদৃশ্যভাবে তৈরি করেছিলেন। বাংলার মনীষি থেকে শুরু করে ক্রীড়াক্ষেত্রের নানা ব্যক্ত্বিত্বও বাসস্ট্যান্ডে শোভা পাচ্ছিলেন। কলকাতা পুরসভাও রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যে প্রায় ১৪০টি বাসস্ট্যান্ডকে বিজ্ঞাপনদাতাদের ভাড়া দিয়েছিলেন। কিন্তু আমফান ঘূর্ণিঝড়ে দাপটে অধিকাংশ স্ট্যান্ডের মাথার ছাউনি উড়ে গিয়েছে। ভেঙে গুড়িয়ে গিয়েছে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং ও আলো। বিভাগীয় দায়িত্বে থাকা প্রশাসক দেবাশিস কুমার জানান, “বিজ্ঞাপনদাতাদেরই বলা হয়েছে মেরামত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে। ইতিমধ্যে কাজও শুরু হয়েছে।” তবে লকডাউনের ধাক্কায় আর্থিক কারণে বেশ কিছু বিজ্ঞাপনদাতা ফের ওই স্ট্যান্ডে বোর্ড বা আলো লাগাতে আগ্রহী নন বলে স্বীকার করেছেন দেবাশিস কুমার।

গত কয়েকদিন ধরে পুরোদমে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় স্ট্যান্ড ভাঙাচোরা ও মাথার উপরে ছাউনি না থাকায় বহু রাস্তায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। আবার সন্ধ্যার পর আলো ও ছাদহীন স্ট্যান্ডে অন্ধকারে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। আনলকের জেরে অফিস ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পুরোদমে চালু হওয়ায় রাস্তায় অটো ও বাসযাত্রীর সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পথচলতি যাত্রীরা অবশ্য অধিকাংশ স্ট্যান্ডে গিয়ে বর্ষা থেকে বাঁচতে পারেননি। বিজ্ঞাপন দেওয়া ১৪০টি ছাড়া শহরের অন্য সমস্ত বাসস্ট্যান্ড রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় পুরপ্রশাসক রতন দে জানান,“ শহরের সমস্ত বরোকেই ক্ষতিগ্রস্ত স্ট্যান্ডের তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। করোনা যুদ্ধ সামলে এখন রক্ষনাবেক্ষনের অর্থ পাওয়া কঠিন। ক্ষতির তালিকা সম্পূর্ণ হলে মুখ্যপ্রশাসক মারফত রাজ্য সরকারের কাছে অর্থের জন্য পাঠানো হবে।”
Reporter Aniruddha Benerjee

বকরি ইদে পশুহত্যা বন্ধ করতে হাই কোর্টে মামলা দায়ের অর্জুন সিংয়ের

Web Desk: কিছুদিন আগে মসজিদ থেকে মাইকে আজান দেওয়ার বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং (Arujn Singh)। এর প্রেক্ষিতে বারাকপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে পালটা মামলা করার হুমকিও দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখা সংগঠন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ (muslim rastriya mancha)। এবার আরও এককদম এগিয়ে বকরি ইদে পশুহত্যা বন্ধ করার জন্য জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন অর্জুন সিং। আর কিছু দিন পরই বকরি ইদ। তার আগে এই মামলা দায়ের করলেন বিজেপি সাংসদ।

এটাই প্রথমবার পশুহত্যার বিরুদ্ধে মামলা নয়। এর আগেও হাই কোর্টে এই মর্মে মামলা হয়েছে। ২০০৮ সালে প্রথম মামলা দায়ের হয়। তখন আদালত নির্দেশ দেয়, পশুহত্যার নিয়মাবলি মানতে হবে কুরবানি ইদের সময়। কসাইখানায় পশুদের নিয়ে যাওয়ার আগে সেগুলির পরীক্ষা করতে হবে। ২০১৯ সালে ফের এই মর্মে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, পশুহত্যার নিয়ম কিছুই মানা হচ্ছে না রাজ্যে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হাই কোর্ট রাজ্যকে সব নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেয়।

এক সপ্তাহ পরই ইদ-উদ-জ্জোহা। তার আগে রাজ্য সরকার পশুহত্যা নিয়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা জানাতে চাওয়া হয়েছে অর্জুন সিংয়ের আইনজীবীর তরফে। দ্রুত শুনানির আরজি জানিয়েছেন সাংসদের আইনজীবী।
Reporter Aniruddha Benerjee

আমফানের ত্রাণের ত্রিপল দিয়ে একুশের সভা শোনার মঞ্চ! বিতর্কে তৃণমূল

Web Desk: বাগুইআটিতে (Baguiati) ত্রাণের ত্রিপল টাঙিয়ে বসে একুশের সভার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা শুনল তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা! বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড় বইতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও বিষয়টি বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি শাসকদলের একাংশের।

করোনা সংক্রমণের শঙ্কায় এবছর ভারচুয়ালি একুশে জুলাই পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল করেছে তৃণমূল। ভারচুয়ালি বক্তব্য রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সে কথাও আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই মতো প্রস্তুতি নিয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের তৃণমূলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। কোথাও ত্রিপল টাঙিয়ে, কোথাও আবার মঞ্চ করে জায়েন্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যাতে এক জায়গায় বসে অনেকে মিলে দলনেত্রীর বক্তব্য শুনতে পারেন। এমনই আয়োজন করা হলেছিল বিধাননগর পুরনিগমের ১১ ওয়ার্ডেও। ত্রিপল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছিল অস্থায়ীভাবে তৈরি মঞ্চ। সেখানে ব্যবহৃত ত্রিপলে থাকা রাজ্য সরকারের স্টিকার নিয়েই শুরু বিতর্ক। কারণ, ত্রিপলে থাকা স্টিকারে স্পষ্ট লেখা, “পশ্চিম বঙ্গ সরকার, দুর্গত মানুষদের পাশে।”

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের প্রদেশ স্তরের নেতা সোমেশ্বর বাগুই বলেন, ” ত্রিপল নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে এ খবর আমাদের কাছে আগেই ছিল। আমফানের ত্রিপল বিলি নিয়ে আমরা হিসাব প্রকাশ করার দাবি জানিয়ে বিধাননগরে মেয়রের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছিলাম। এই ঘটনা বুঝিয়ে দিল ত্রিপল বিলি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে।” যদিও গোটা ঘটনাটি বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠদের। তাঁদের কথায়, বিরোধীরা চক্রান্ত করে ত্রিপলে সরকারি স্ট্যাম্প লাগিয়ে দিয়েছে!
Reporter Aniruddha Benerjee

কেমন থাকবে আবহাওয়া? বাইরে বেরনোর আগে জেনে নিন হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস

Web Desk: সকাল থেকে মুখভার আকাশের। ঝিরিঝিরি চলছে বৃষ্টিও (Rain)। তবে বুধবার দিনভর বৃষ্টি পিছু ছাড়ছে না তিলোত্তমাবাসীর। পরিবর্তে মেঘলা আকাশ এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি জারি থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মৌসুমী অক্ষরেখা অতি সক্রিয়। তার ফলে দক্ষিণী বাতাসে সাগর খেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার প্রভাবে আগামী তিন-চারদিন উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ভারী বৃষ্টি হবে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও। ২৪ ঘন্টার পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। তবে পাহাড়ের দিকে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি চলবে আরও কয়েকদিন।

বৃষ্টির হাত থেকে এখনই রেহাই নেই দক্ষিণবঙ্গবাসীরও। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই। আগামী দু-তিন দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি জারি থাকবে।
বুধবার কলকাতাতে মেঘলা আকাশ জারি থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও এড়ানো যাচ্ছে না। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৮৪ থেকে ৯৭ শতাংশ। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি হয়েছে ২৫.৬ মিলিমিটার।
Reporter Aniruddha Benerjee

বীরপ্পন কন্যা বিজেপির যুব সহসভাপতি

Web Desk: বীরাপ্পন, নাম শুনলে এখনও তামিলনাড়ুর পশ্চিম ঘাট জঙ্গলের অনেকের হাড় হিম হয়ে যায়। স্মৃতিতে ভেসে ওঠে অপহরণ, হত্যার ছবি। কিন্তু এবার এই নামই এক অন্য খাতে এগিয়ে চলবে। সদ্য বিজেপির রাজ্য শাখার যুব মোর্চার সহসভাপতি পদ পেয়েই ফোনে একথা জানালেন চন্দনদস্যু বীরাপ্পনের মেয়ে পেশায় আইনজীবী বিদ্যা রানি। ফেব্রুয়ারিতেই গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন বিদ্যা।

আপাতত কৃষ্ণগিরিতে একটি স্কুল চালান বিদ্যা বীরাপ্পন। তামিলনাড়ুতে এখনও কল্কে পায়নি বিজেপি। ভান্নিয়ার জাতির ভোটের কথা মাথায় রেখেই পদ্ম শিবির দলে ঠাঁই দিয়েছে বিরাপ্পন কন্যাকে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। তবে, এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন বিদ্যা নিজে। তাঁর কথায়, ‘আমি কোনও জাতির কথা ভেবে দলে যোগ দিনি। মানবিকতাই আমার কাছে প্রধান বিবেচ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবিধ জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা তাঁকে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ায় অনুপ্রাণিত করেছে। জাত-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষকে শিক্ষাদানের মাধ্যমে জনসেবায় অংশগ্রহণ করতে চাই।’

দলে যোগদানের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় যুব মোর্চার মত সংগঠেন সহসভাপতির পদ মিলেছে। সেই কথা ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমেই জানতে পারেন বীরাপ্পন কন্যা বিদ্যা।

বাবা হলেও ছোট থেকে মাত্র একবারই চন্দন দস্যু বীরপ্পনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল মেয়ের। এদিনও এল প্রয়াত বাবার কথা। মেয়ে বিদ্যার কথায়, ‘স্কুলে পড়ি তখন, বয়স সাত বছর হবে, সেই সময় গরমের ছুটিতে একবার ঠাকুরদার বাড়ি কর্নাটকের সীমানায় গোপীনাথমে গিয়েছিলাম। আমি খেলছিলাম। তখনই বাবা বেশ কিছুক্ষণ আমার সঙ্গে কাটিয়েছিল। আমার মনে পড়ে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ভাল করে লেখাপড়া করে ডাক্তার হতে, মানুষের সেবা করতে।’

কিন্তু, বাবা বীরপ্পনের বেশ কিছু গল্প মেয়ে বিদ্যাকে উৎসাহিত করে বলে জানিয়েছেন তামিলনাড়ু বিজেপির রাজ্য শাখার যুব মোর্চার সহ সভাপতি। অনর্গলভাবে বিদ্যা বলে চলেন, ‘পরিস্থিতি বাবাকে দস্যু হওয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কিন্তু ওঁর এমন অনেক কাজ আমাকে সমাজের হয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। তিনি রাজনীতি না করলেও তাঁর পদক্ষেপ চারপাশের নানা দিকের দ্বারা প্রবাবিত হত। ভানিয়ার সম্প্রদায়ে বীরপ্পনের কাজ নিয়ে নানা কথা রয়েছে।’
Reporter Aniruddha Benerjee