সন্তানের চোখে মায়ের মুখই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর

প্রত্যেক মানব সন্তানের নিরাপদ ও স্বস্তির আশ্রয় মা। মায়ের যত্ন-ভালোবাসায় প্রতিনিয়ত নিজেদের পরিপূর্ণ রূপে গড়ে তুলে মানব সন্তানরা। এতে মায়ের রূপ কেমন হবে তার বালাই সন্তানদের কাছে নেই। চেহারা বিভৎস থাকলেও সন্তানদের ভালোবাসার প্রথম ও শেষ আশ্রয় হচ্ছে মা।সম্প্রতি বিভৎস মা ও তার শিশু ছেলের ভালোবাসা প্রকাশের একটি ছবি অনলাইনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। চেহারা পুড়ে যাওয়া বিভৎস মাকে চুমু দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করছে ছোট্ট ছেলে।২৩ ফেব্রুয়ারি এসআর গ্রে নামের একটি ফেসবুক পেজে পুড়ে যাওয়া মা ও তার ছোট্ট ছেলের আদরের একটি ছবি প্রকাশ পায়। ছবির ক্যাপশনে লেখা হয় ‘শিশুদের চোখের জন্য মা সব সময় সুন্দর থাকবে’। এরইমধ্যে ছবিটি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ছবিটিতে ৫১ হাজার লাইক ও ১২ হাজার বার শেয়ার করা হয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh

লিলুয়া রেল ওয়ার্কশপে দুর্ঘটনা, নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মীদের

অতীতে দুর্ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি কর্তৃপক্ষ বলে অভিযোগ। ফের লিলুয়া ওয়ার্কশপে দুর্ঘটনা। ওয়ার্কশপের বাহার লাইনে (জে ৭)ক্রেনের হুক ভেঙে মাথায় এসি কামরার প্যাকেজিং ইউনিট পড়ায় গুরুতর আহত হয়েছেন এক রেলকর্মী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত কর্মী আলোক রায়কে বিআর সিং হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁর মাথায় দশটি সেলাই পড়েছে। আপাতত তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কা নেই। এই ঘটনায় ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। সিডব্লুএম পি শর্মাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। লকডাউনের আগেও ওয়ার্কশপে এমনভাবেই ক্রেন ছিঁড়ে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আরও আগে এমন দুর্ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপযুক্ত রাখেননি কর্তৃপক্ষ বলে অভিযোগ।কর্মীদের অভিযোগ, বাহার লাইনে কার্পেন্টার, ফিটার, রং মিস্ত্রি, মজদুর সবাই এক সঙ্গে কাজ করলেও ইউনিটটি ব্যাটারির বাক্স ও অন্যান্য সরঞ্জামে ভরতি। ফলে সেখানে তিলধারণের জায়গা নেই। এহেন পরিবেশে নিরাপত্তা শিকেয় তুলে কর্মীরা কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎই মাথার উপরের ক্রেনের হুক ভেঙে ৭০৫ কিলোগ্রাম ওজনের একটি প্যাকেজিং ইউনিট প্রথমে ট্রেনের কামরার ছাদে পড়ে। তারপর মাটিতে পড়ার সময়ে আলোকবাবুর মাথায় লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হেলথ ইউনিটে পরে বিআর সিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরে কর্মী বিক্ষোভ শুরু হয়। তাঁদের অভিযোগ, উপযুক্ত নিরাপত্তা নেই, নেই সুরক্ষার সরঞ্জাম। জিনিসপত্র ঠাসা থাকায় সময় থাকতে নিরাপদ জায়গায় সরতে পারেননি আলোকবাবু।বুধবার নিরাপত্তার দাবিতে ওয়ার্কশপে বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। পূর্বা রেলের মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ অভিযোগ করেন, লিলুয়া ওয়ার্কশপে কোনও রকমের নিরাপত্তা নেই শ্রমিকদের। করোনা পরিস্থিতিতেও একশো শতাংশ কর্মীকে কাজে লাগানো হয়েছে। স্যানিটাইজ করার মতো কোনও ব্যবস্থা নেই। দেওয়া হচ্ছে না সাবানও। ফলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে পারছেন না কর্মীরা। তার মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটায় আতঙ্কিত কর্মীরা। এদিকে, সমস্ত অভিযোগ নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে কর্তৃপক্ষ।Developed Reporter Samrat Ghosh

করোনা বধের কিট বানিয়ে বিপাকে রামদেবের পতঞ্জলি, উঠল ‘প্রতারণা’র অভিযোগ

আয়ুশ মন্ত্রকের রোষের মুখে সংস্থা। গোটা দুনিয়া যার অপেক্ষায় দিন গুনছে, সেই করোনা বধের ওষুধ আবিষ্কার করে ফেলেছে বাবা রামদেবের কোম্পানি পতঞ্জলি। এই আয়ুর্বেদিক ওষুধে কাজ হলে সত্যিই তা দেশ তথা গোটা বিশ্বের কাছে নজির হবে। কিন্তু কেন্দ্রের কিছু নিয়মকানুন আছে। তার বাইরে গিয়ে কোনওকিছুই সম্ভব নয়। তাই ‘করোনিল’কে সম্পূর্ণ খতিয়ে দেখার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। বুধবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় আয়ুশমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। একইসঙ্গে কোম্পানির বিরুদ্ধে ‘প্রতারণা’র অভিযোগ তুলল উত্তরাখণ্ডের আয়ুশ বিভাগ।মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে ধুমধাম করেই করোনা বধের ওষুধ বাজারে আনার কথা ঘোষণা করেছিলেন যোগগুরু রামদেব। পতঞ্জলির তরফে জানানো হয়, ‘করোনিল ও শ্বাসরি’ নামের দুটি ওষুধ কোভিড রোগীদের উপর পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে। এই ওষুধ প্রয়োগে সুস্থতার হার ১০০ শতাংশ বলে জানায় কোম্পানি। এমনকী রামদেব এও দাবি করেন, দীর্ঘ গবেষণার পরই আয়ুর্বেদকে কাজে লাগিয়ে ওষুধটি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এতে তিন থেকে সাতদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন করোনা আক্রান্ত। কিন্তু এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই কেন্দ্রের কোপে পড়ে পতঞ্জলি। আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওষুধ পরীক্ষা করার আগে এর কোনও বিজ্ঞাপন করা যাবে না।আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে একটি নোটিস জারি করে পতঞ্জলিকে ওই ওষুধের সমস্ত বিস্তারিত তথ্যও জমা দিতে বলা হয়। সেই সঙ্গে উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছ থেকে এই ওষুধ বিক্রির লাইসেন্সের কাগজপত্রও চাওয়া হয়েছে। এই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখবে কেন্দ্র। ততদিন পর্যন্ত পতঞ্জলিকে (Patanjali) করোনা বধকারী ওষুধ হিসেবে করোনিলের প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষিতেই আয়ুশমন্ত্রী এদিন বলেন, “বাবা রামদেব যে দেশের হিতে একটি ওষুধ তৈরি করেছেন, তা খুবই ভাল উদ্যোগ। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এটা আগে আয়ুশ মন্ত্রকের কাছে আসা উচিত। ওরা জানিয়েছে সব রিপোর্ট ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দিয়েছে। সব খতিয়ে দেখা হবে। তারপর অনুমতি।”আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ আসার পরই পূর্ণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন রামদেব। পতঞ্জলির তরফে বলা হয়, “আয়ুর্বেদ নিয়ে কাজ করতে উৎসাহ দিয়েছে কেন্দ্রই। আয়ুশ মন্ত্রকের সঙ্গে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় আগে রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। তবে সব নিয়ম মেনেই কাজ হবে।” এদিকে, উত্তরাখণ্ডের আয়ুর্বেদ বিভাগের দাবি, রোগ প্রতিরোধক ওষুধের নাম করে পতঞ্জলি লাইসেন্স চেয়েছিল। COVID-19 রোগী সুস্থ করে দেবে বলে কিছুই জানানো হয়নি। কীভাবে অনুমতি ছাড়া কিট বানাল তারা, এই মর্মে কোম্পানিকে নোটিস দেওয়া হবে।Developed Reporter Samrat Ghosh

ওষুধের দোকানে মিলবে না করোনার দাওয়াই, জানাল ড্রাগ কন্ট্রোলার

করোনা সারাতে ভারতের বাজারে হাজির দুই রেমডেসেভিরআর ফ্যাভিপিরাভির। এই তথ্য সামনে আসার পর থেকেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল আমজনতা। মনে করছিলেন, করোনা উপসর্গ দেখা দিলেই  পাড়ার ওষুধের দোকান থেকে মুড়ি-মুড়কির মতো সেই ওষুধ কিনে খেয়ে ফেলতে পারবেন তাঁরা। তাদের সেই ইচ্ছেই এবার বাদ সাধল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। এই দুই ওষুধের ব্যবহার নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল DCGI। জানিয়ে দিল, ওষুধের দোকানে মিলবে না এই ওষুধ। বরং প্রস্তুতকারী সংস্থা সরাসরি কোভিড হাসপাতালগুলিতে এই দুই ওষুধ সরবরাহ করবে। দুই ওষুধের দামও নির্ধারিত করে ফেলেছে প্রস্তুতকারী সংস্থা।বুধবার ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া-র তরফে নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সংকটজনক অবস্থায় থাকা করোনা রোগীদের উপর রেমডেসেভির (Remdesivir) আর ফ্যাভিপিরাভির (Favipiravir) ব্যবহার করা হবে।তবে সেই ওষুধ প্রয়োগের আগে রোগী বা তাঁর পরিবারকে একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে। যেখানে স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে, “এই ওষুধ ব্যবহারের সুফল ও বিপদ সম্পর্কে আমি ওয়াকিবহাল।  আমার চিকিৎসক আমাকে সমস্তটাই জানিয়েছেন। তার পরই আমি এই ওষুধ নিতে রাজি হয়েছি।” সরগকারি সূত্রে খবর, জুন থেকে সেপ্টেম্বর-এই চারমাস ফ্যাভিপিরাভির ব্যবহার করা হবে। তারপর তাঁর  ব্যবহারের ফল সম্পর্কে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। প্রসঙ্গত, ভারতে দুটি ওষুধেরই কোনও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়নি।এদিকে, সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, রেমডেসেভির দাম ধার্য করে ফেলেছে সিপলা (Cipla) ও হেটারো (Hetero)। সিপলা ১০০ মিলিগ্রাম রেমডেসেভির  দাম রাখছে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা। আর একই পরিমাণ ওষুধের দাম হেটেরো পাঁচ-ছয় হাজার টাকা রাখছে। প্রসঙ্গত, ফ্যাভিপিরাভির-এর প্রতি ট্যাবলেটের দাম ১০৩ টাকা। সবমিলিয়ে বলাই যায়, বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা মোটেই সস্তা হবে না।Developed Reporter Samrat Ghosh

স্বামীজির নামেই মার্কিন মুলুকে প্রতিষ্ঠিত হল বিশ্বের প্রথম যোগ বিশ্ববিদ্যালয়

ভারতীয় সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের প্রথম যোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হল আমেরিকার লস এঞ্জেলসে (Los Angeles)। ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে তা তৈরি করা হয়। যার নাম দেওয়া হল দ্য বিবেকানন্দ যোগ বিশ্ববিদ্যালয় (The Vivekananda Yoga University)। এখানেই ভারতের সনাতন যোগ সংক্রান্ত বিষয় পড়ানো হবে বলে জানা যায়।আমেরিকার শিকাগো শহরে গিয়ে নিজের বক্তৃতায় বিশ্ববাসীকে মুগ্ধ করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। তারপর থেকেই বিশ্বে বন্দিত হয়ে রয়েছেন তিনি। তবে শুধুমাত্র ভারতের মনীষীদের বক্তৃতাই নয়, ভারতের আচার-আচরণ, সংস্কৃতিরও গুরুত্ব রয়েছে বিশ্বের দরবারে। সেই কথা মাথায় রেখেই আমেরিকার লস এঞ্জেলসে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বের প্রথম যোগ বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমেই ভারতের যোগের বার্তা প্রচার করা হবে। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে ভারতীয় দূতাবাসে এক ভারচুয়াল অনুষ্ঠানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরন ও বিদেশমন্ত্রকের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য পি পি চৌধুরি। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান হচ্ছেন যোগগুরু এইচ আর নগেন্দ্র। ভারচুয়াল অনুষ্ঠানে মুরলীধরন বলেন, “স্বামী বিবেকানন্দ আমেরিকায় এসে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী শুনিয়েছিলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে যোগের বার্তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যোগ হল ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অঙ্গ। তা ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের মাধ্যম। আমরা এর মাধ্যমে বিশ্ব শান্তির বার্তা দিতে পারি।”প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগ শিক্ষক ড. এইচ আর নগেন্দ্রর (Dr. H R Nagendra) কথায়, “১৮৯৩ সালে স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর বিখ্যাত ভাষণের মধ্যে দিয়ে ভারতীয় যোগের মাহাত্ম্য তুলে ধরেছিলেন। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা যোগ শিক্ষা চালু করছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার সমন্বয় ঘটানো হবে। প্রাচ্যের থেকে আমরা পেয়েছি যোগ, পাশ্চাত্যের কাছে শিখেছি বৈজ্ঞানিক গবেষণা। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের প্রাচীন আয়ুর্বেদ চিকিৎসার প্রথাকেও শেখানো হবে।” আমেরিকায় প্রথম যোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শুনে তাকে ভারতের ‘গর্ব’ বলেও জানান যোগগুরু বাবা রামদেব। ইতিমধ্যেই আমেরিকায় চার কোটি মানুষ যোগব্যায়াম করেন। এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যোগাভ্যাসকে আমেরিকায় আরও জনপ্রিয় করে তুলবে বলেই মত অনেকের।Developed Reporter Samrat Ghosh

‘অশোকদা ভাল আছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবেন’, বাম নেতাদের ডেকে বললেন মমতা

মুখ্যমন্ত্রী বাকি বাম নেতাদের সতর্ক ও সুস্থ থাকার পরামর্শ দেন বলে খবর।: করোনায় আক্রান্ত শিলিগুড়ির বিধায়ক ও পুর প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্যর (Ashok Bhattacharya) শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখছেন তিনি। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র ও বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক শেষে নিজেই এই দুই সিপিএম নেতাকে ডেকে অশোকবাবুর প্রসঙ্গ তোলেন। প্রয়াত বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের বিষয়ে বলতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের বলেন, “তমোনাশের ঘটনা দুঃখজনক। তবে অশোক ভট্টাচার্য ভাল আছেন। আমরা তাঁর দিকে নজর রেখেছি। চিকিৎসাও ভাল হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি উনি ভাল হয়ে যাবেন।” মুখ্যমন্ত্রী বাকি বাম নেতাদের সতর্ক ও সুস্থ থাকার পরামর্শ দেন বলে খবর।প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছিল, তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। হাসপাতালে চিকিৎসাও চলছিল তাঁর। তবে তিনি করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই কিছুদিন আগে তাঁর কোভিড টেস্ট করা হয়। তবে সেই সময় তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। ১৬ জুন থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। তাই মাটিগাড়ার নার্সিংহোমে আবারও তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। ১৭ জুন রিপোর্ট আসে। তাতেই জানা যায় অশোক ভট্টাচার্য করোনা আক্রান্ত। বর্তমানে মাটিগাড়ার নার্সিংহোম থেকে তাঁকে কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বুধবারই করোনা আক্রান্ত হয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ তথা বর্ষীয়ান বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে তৃণমূল পরিবারে। শোকপ্রকাশ করেছেন ডান-বাম নির্বিশেষে সব দলের প্রতিনিধিরা। এদিন তাঁর মৃত্যুতে নবান্ন সভাঘরে সর্বদলীয় বৈঠক শুরুর আগে এক মিনিটের নীরবতা পালন করে শোক জানানো হয়। তাঁর মৃত্যুতে ব্যথিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই অশোকবাবুর স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখছেন তিনি সর্বদা।Developed Reporter Samrat Ghosh

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে আরও হাসপাতাল-ল্যাব প্রয়োজন, বললেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য

Web Desk: ভবিষ্যতে করোনা কী খেল দেখাবে, তা কেউ জানে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে এখন থেকেই পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। যা দিয়ে ভবিষ্যতে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। আরও অনেক হাসপাতাল, ল্যাব দরকার। যারা কোভিড আক্রান্ত নন, তাঁদের চিকিৎসার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। নবান্নে সর্বদল বৈঠকে পর জানালেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য।
Reporter Aniruddha Benerjee

সুশান্তের জীবনে এটাই ছিল সবথেকে বড় ভয়, মৃত্যুর পর ভাইরাল হল ভিডিও

প্রায় 10 দিন পেরিয়ে গেছে সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যু চলছে তদন্ত। এখনো বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে ওই হাসিখুশি ছেলেটা আর নেই। বারেবারে ফিরে আসছে তার ভিডিও, নেটিজেনদের স্মৃতিচারনে। সেরকম একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যা দেখে আবার রহস্য দানা বাঁধছে।বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাটে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সুশান্ত সিং রাজপুত। যে মৃত্যুকে স্বেচ্ছায় আপন করে নিয়েছেন তিনি সেই মৃত্যুকে একদিন সবচেয়ে বেশি ভয় পেতেন এই অভিনেতা। সুশান্ত মৃত্যুর পর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে তাকে বলতে শোনা গিয়েছিল যে মৃত্যুকেই সবথেকে বেশি ভয় পান তিনি। যে ভিডিও দেখে ফের প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। মৃত্যুকে যিনি ভয় পেতেন তিনি হঠাৎ করে কি ভাবে জীবন শেষ করে দেবার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।কাই পো চে, শুদ্ধ দেশি রোমান্স’ এমএস ধোনি সহ একের পর এক সিনেমা করেছেন। তার সাবলীল অভিনয় দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে বারবার। নতুনদের দৌড়ে একমাত্র দাবিদার ছিলেন তিনি। কিন্তু ক্যারিয়ার এর মধ্যগগণে হাজির হয়ে যখন নিজের জীবন শেষ করে দিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত তা দেখে স্তব্ধ হয়ে যান মানুষ। কেদারনাথে যেই মানুষটা মৃত্যুর আগে পর্যন্ত লড়াই করতে শিখিয়েছিল সেই মানুষটা আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন যা মানুষকে ভাবাচ্ছে।

https://www.instagram.com/p/CBw2mSZBjWO/?utm_source=ig_web_copy_link

প্রসঙ্গত তার মৃত্যুর পর বলিউডের একাংশকে একহাত নেন রোহিনী আইয়ার। সুশান্ত যে কোনোদিন পার্টি, স্বজনপোষনের ধার ধারত না, তার জগত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না , অনেক বড়ো মাপের মানুষ ছিলেন এই নিয়েও বলছেন।

‘উমপুন-ত্রাণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাবের কথা স্বীকার করেছে সরকার’, মন্তব্য সুজন চক্রবর্তীর

Web Desk: ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তালিকা ও ক্ষতিপূরণ যারা পেয়েছে, সেই তালিকা পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত দিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তা দেখে নেওয়া হবে। প্রয়োজনে থানায় ডায়েরি করব। সরকারকে স্বীকার করতে হল ত্রাণের বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। পুরসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, খাদ্যসচিকে সরাবেন, আর মন্ত্রীরা? তারা কি সবাই ঠিকঠাক? লকডাউনের তত্ত্বের সঙ্গে আমরা একমত নই, সর্বদলীয় বৈঠকের পর জানালেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
Reporter Aniruddha Benerjee