Web Desk: দুপুর বারোটায় ছেলের সঙ্গে কথা হল বাড়ির লোকের। আর দেড়টায় বাড়িতে এল ছেলের মৃত্যু সংবাদ। দেড় ঘন্টায় সব ওলটপালট।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবংয়ের দাঁরার গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংপুর গ্রামে এখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। গ্রামের ছেলে শ্যামল দে শহিদ হয়েছেন।
শুক্রবার অনন্তনাগে ভারতীয় জওয়ানদের উপর জঙ্গিরা অতর্কিত হামলা চালায় । সেই হামলায় এক জওয়ানের মৃত্যু হয়। সেই শহীদ জওয়ানের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবংয়ের দাঁরার গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংপুর গ্রামে।
শহীদ জওয়ান ৯০ সিআরপিএফ পদে কর্মরত ছিলেন। জওয়ানের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ডিসেম্বরে বাড়ি এসেছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর বাড়ি আসেননি।
মৃত জওয়ান শ্যামলের বাবা বাদল দে জানান , “আজ দুপুর ১২ সময় বাড়ির কিছু জিনিসপত্র কেনার জন্য ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারপর দুপুর ১:৩০-এ সিআরপিএফ অফিস থেকে ফোন আসে। বলা হয় আপনার ছেলে শহিদ হয়েছেন।” Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: কলকাতায় হতে পারে সাইকেল লেন। আনলক ওয়ানের পরই রাস্তায় সাইকেলের সংখ্যা বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। সাইকেল লেন কেন থাকবে না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। সত্যি-ই কি পুরনো কলকাতায় এটা সম্ভব? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কেএমডিএ দায়িত্ব দিয়েছে এক বিশেষ সংস্থাকে। ওই সংস্থা নকশা করে জানাবে কীভাবে কলকাতায় সাইকেলের আলাদা লেন হতে পারে। সমীক্ষা শেষ হবে ৫ মাসের মধ্যে। কেএমডিএ সূত্রে খবর, শহর কলকাতার ৬০ টি রাস্তায় সাইকেল লেন হতে পারে। পরিবেশবান্ধব হিসেবে পরিবেশপ্রেমীরা অনেক দিন থেকেই সাইকেলের দাবি করছিলেন। বিশেষত পৃথিবীর অন্যতম দূষিত শহরের নামের তালিকায় শীর্ষে যখন কলকাতা, তখন যে এর চাহিদা থাকবে সেটা বলাই বাহুল্য।
এই ভাবনাকে সামনে রেখেই কেএমডিএর কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন মেয়র। তারঁ কথায় এখোনও নকশা আসেনি। ফলে এখনই কী হবে, ম্যাপে সেটা বলা সম্ভব নয়। তবে পুরনো কলকাতায় কীভাবে সেটা সম্ভব, তা দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ফুটপাথ কেটে সাইকেল লেন বানানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে ৬০টি রাস্তাতেই এটি সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এক্ষেত্রে কেএমসি ও কেএমডিএ একত্রে কাজ করবে। এখন এই নকশা করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা। শহরের প্রতিটি রাস্তা সাইকেলের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়ার ক্ষেত্রে জায়গার সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে ফুটপাথের ৩০ শতাং জায়গা ব্যবহার করা হতে পারে। এছাড়া পার্কিং তুলে সেখানেও লেন করা যেতে পারে। তবে যেসব জায়গায় অত্যন্ত জ্যাম হয়, সেখানে কীভাবে এই সাইকেলের লেনের নকশা বানানো যায় সেটাই এখন চ্যালেঞ্জ পুরসভার কাছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হলে অক্টোবর-নভেম্বরে ঘরোয়া লিগ করতে মরিয়া আইএফএ। শুক্রবার লিগ করার পক্ষে সায় দিলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। এদিন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে আইএফএ অফিসে সুব্রত ভট্টাচার্য, প্রশান্ত ব্যানার্জি, অলোক মুখার্জী, ভাস্কর গাঙ্গুলি, কৃষ্ণেন্দু রায় আর রঘু নন্দীর সঙ্গে বসেছিলেন আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি। সেখানে সবাই একযোগে লিগ করার প্রস্তাব দেন। প্রয়োজনে খেলা কমিয়ে, ফরম্যাট বদলেও খেলা করতে বলেন সুব্রত ভট্টাচার্যরা। বাংলা ফুটবলের উন্নতির রোডম্যাপ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। আগামী সময়ে জেলা থেকে ফুটবলার তুলে এনে একাডেমি করারও প্রস্তাব দেন প্রাক্তনরা। প্রশান্ত ব্যানার্জি-সুব্রত ভট্টাচার্য ফুটবলার তুলে আনার জন্য স্কাউট কমিটি করার প্রস্তাব দেন। একাডেমি থেকে উঠে আসা ফুটবলারদের নিয়ে আইএফএ-র নিজস্ব অনূর্ধ্ব-১৭ দল করার অভিনব প্রস্তাব দেন সুব্রত ভট্টাচার্য। দলটি ঘরোয়া লিগে দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডিভিশনে খেলানোর পক্ষে তিনি। পরবর্তী সময়ে সন্তোষ ট্রফির মত টুর্নামেন্টে বাংলা দলের সাপ্লাই লাইন হয়ে উঠতে পারে এই দলের ফুটবলাররা। এমনকী বিদেশের মতো একাডেমির প্রতিশ্রুতিমান ফুটবলারদের ট্রান্সফার ফি’র বিনিময়ে বিভিন্ন ক্লাবে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ থাকবে আই এফ এর কাছে। বলা চলে প্রাক্তনদের দেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আত্মনির্ভর হয়ে উঠবে রাজ্য ফুটবল সংস্থা। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: কডাউনে গণপরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় একদিকে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষা হয়েছে যেমন তেমনই তেলের সাশ্রয় হয়েছে বেশ খানিকটা, অন্যদিকে পরিশোধিত তেলের সংরক্ষণের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল বেশ খানিকটা। যদিওবা বেশ খানিকটা শিথিল হয়েছে লকডাউন, কিন্তু গাড়ির চাকা গতিহীন হয়েছে অত্যাধিক মাত্রায় পেট্রোল-ডিজেলের দাম বর্ধিত হওয়ায়। যেখানে মোটরসাইকেলের 14 লিটার ট্যাংক পুরনো ভর্তি করতে 1036 টাকার পরিবর্তে এখন 1154 টাকা লাগছে। ডিজেলের পরিস্থিতিও খুবই খারাপ লিটার প্রতি প্রায় বেড়েছে 10 টাকা। আজ সকাল ছয়টা থেকে নতুন ভাবে পেট্রোলের দাম হয়েছে 82. 43 এবং ডিজেলের 75.91 টাকা। শুধু পেট্রোল নয় পেট্রোল জাতীয় দ্রব্য, বা মালপরিবহনের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটা বিষয়ে দাম বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল, মানুষের চরম এই দুরাবস্থার জন্য দু’একটি স্থান ছাড়া সেই অর্থে দেখা যাচ্ছে না কোন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি। Reporter Aniruddha Benerjee
ভারতীয় রেলের কোনও অনুমোদিত অনুমোদনকারী এজেন্সি দ্বারা কোনও আইটেমের জন্য অনুমোদিত কোনও বিক্রেতাকে সেই নির্দিষ্ট আইটেমটির জন্য দেশের সমস্ত রেলওয়ে ইউনিট অনুমোদিত অনুমোদিত হিসাবে বিবেচিত হবে।
এই সিদ্ধান্তটি বিক্রেতাদের পক্ষে অনুকূলভাবে প্রভাব ফেলবে কারণ এটি সময় সাশ্রয় করবে এবং একাধিক বিক্রেতাকে অনুমোদনের সংস্থাগুলির কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দূরে রাখবে
মাস তিনেক আগের ঘটনা। তখনও লক ডাউন শুরু হয়নি। Inspection সেরে ফিরছি হাওড়া থেকে। শরীর টা ভালো লাগছে না। একটা ট্যাক্সি নিয়ে অফিসের দিকে রওনা দিলাম বেলা দুটো নাগাদ। আমার সুগারের আছে। তাই সুগার ফল করলে এমন হয়। মাথা প্রচন্ড ঘুরছে প্রচুর ঘাম হোচ্ছে।বুঝতে পেরে ট্যাক্সি ড্রাইভার আমাকে জিজ্ঞাসা করলো “স্যার শরীর কি খারাপ লাগছে”? আমি শুধু বলেছিলাম “আমার সুগার আছে” তারপর আর কিছু মনে নেই। সম্পূর্ণ সেন্স লেস হয়ে যাই। হঠাৎ মনে হলো কে আমাকে ডাকছে, কোনোমতে তাকিয়ে দেখি ড্রাইভার টি কোথা থেকে একটা ক্যাটবেরি আর জলের বোতল কিনে এনেছে এবং বলছে এটা তারাতারি খেয়ে নিন স্যার। আমি তখনও প্রায় অচেতন। তাকিয়ে দেখি মিন্টো পার্কের কাছে আছি।শেষ যখন মনে আছে তখন দ্বিতীয় হুগলি সেতু ক্রস করছিলাম। এতটা পথ আমি কি করে এলাম আমার মনে নেই। ক্যাটবেরি আর জল খেয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হলাম খানিকটা। ভাড়া দিয়ে আমি যখন গন্তব্যে চলে গেলাম। ভুলেই গেলাম ক্যাটবেরি আর জলের পয়সা দিতে। সে চাইলনা একবারও। পরে মনে পড়াতে খুব খারাপ লেগেছিল। আজ যখন একই জায়গা থেকে ট্যাক্সি ধরি আবার সেই ড্রাইভার এর সঙ্গে দেখা। সেই আমাকে চিনতে পারলো। আর জিজ্ঞাসা করলো স্যার সুগার কেমন আছে। আমি তো অবাক। অনেক কথা হলো লোকটির সাথে। শুনলাম এর আগেও সে 55 হাজার টাকা পেয়ে পুলিশ কে ফেরত দিয়েছে। পুরস্কার ও পেয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম লোকটিকে। এরা আছে বলেই সমাজটা আজও সুন্দর। গন্তব্যে পৌঁছে তাকে 100 টাকা বেশি নিতে অনুরোধ করি। কিন্তু সে টাকা সে নিলনা। শুধু বললো ভাড়াটা শুধু দিন স্যার। আপনি ভালো আছেন দেখে ভালো লাগছে। কটা টাকা দিয়ে তাকে আর ছোট নাই বা করলাম। তুমিও ভালো থেকো, স্যালুট তোমাকে।
ফ়েসবুক থেকে সংগৃহীত
Share করবেন দয়া করে। এনার কথা যেন অনেক লোক জানতে পারে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: বাগনানের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কুশ বেরা ও সঙ্গী শোভন মণ্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। আজ ধৃতদের উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালাতে তোলা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ৪৪৮ (মারপিট), ৩৭৬ (ধর্ষণ), ৫১১ (ধর্ষণের চেষ্টা), ৩০২ (খুন) এবং ৩৪ (সংঘটিত অপরাধ) ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিস। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কুশ বেরা। অন্যদিকে, ধৃতদের জেল হেফাজত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার আইনজীবী। কেন পুলিস হেফাজত চাওয়া হল না, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এদিন বাগনানের গোপালপুরের বাড়িতে মায়ের দেহ নিয়ে আসা হয়। সেইসময় এলাকায় আসেন বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। নিজেদের রক্ষার্থে এরপর থেকে মহিলাদের হাতে বটি, কাটারি নিয়ে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। বলেন, “মহিলারা নিজেদের আত্মরক্ষার্থে এবার থেকে হাতে বটি, কাটারি এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থাকুন। দুষ্কৃতীরা যদি আপনাদের উপর আক্রমণ চালায়, আপনারাও পাল্টা আক্রমণ চালান।” রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়েও তোপ দাগেন অগ্নিমিত্রা। বাগনান থানায় গিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আর কী বলার আছে! ২০২১-এ সরকারে আসছি। হাতে আর মাত্র ৯ মাস। তারপর আপনাদেরও উচিত শিক্ষা দেব আমরা। তখন কে বাঁচায় দেখব! তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী যদি গর্তের ভিতর ঢুকে থাকে, তাদেরকে বের করে এনে উচিত শিক্ষা দেব।” প্রসঙ্গত, বুধবার মন্ত্রী অরূপ রায় বলেছিলেন, বাগনানের ঘটনা ‘অবৈধ সম্পর্ক’-এর পরিণতি। ‘বিজেপি ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। কিন্তু মন্ত্রী অরূপ রায় বাগনানের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যোগ এড়ালেও, এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন যে প্রতিবাদ কোনওভাবেই থামবে না। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা এলাকায় প্রধানমন্ত্রী গৃহ সম্পর্ক অভিযানে সামিল হন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি বলেন, “প্রতিবাদ করা গণতান্ত্রিক অধিকার, এই আন্দোলন বিজেপি চালিয়ে যাবে।”
উল্টোদিকে বাগনানের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগে অরূপ রায়ের পর এদিন ফের সরব হন তৃণমূল বিধায়ক তথা পরিষদীয় দলের সচিব সমীর চক্রবর্তী। দিলীপ ঘোষকে একহাত নিয়ে কড়া আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, “নিমতলা ঘাটে বসে থাকুন দিলীপবাবু। সকাল থেকে প্রচুর লাশ আসবে। তা নিয়ে ২০২১-এ রাজনীতি করবেন।” Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: রেড অ্যালার্ট আগেই জারি ছিল। কিন্তু এত মারাত্মক ঝড়ের আশা বোধ হয় আবহবিদরাও করেননি। বৃহস্পতিবার বিহারে প্রবল ঝড়ে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ৮৩ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর।
মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বিহারের গোপালগঞ্জ জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন। দেওয়াল ভেঙে পড়ে, গাছ ভেঙে পড়ে আহত হয়েছেন অসংখ্য। আপাতত সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।
প্রবল ঝড়বৃষ্টির কারণে বিহারে ৮৩ জনের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুর্যোগে বাংলার মানুষ বিহারের পাশে আছে বলে এক টুইটবার্তায় জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, আগেই তিনদিন বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছিলেন আবহবিদরা। গত ২২ জুন ন্যাশানাল ডিস্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি বিহারে অতিবৃষ্টির ফলে বন্যার বিষয়ে সতর্ক করেছিল। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: ক্রমান্বয়ে পেট্রোল, ডিজেলের দাম বাড়া নিয়ে মুখ খুললেন রাহুল সিনহা। এদিন তিনি বলেন, “পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে লকডাউনের জন্য । এই লকডাউন উঠে গেলে আবার দাম কমে যাবে।”
তবে পশ্চিমবঙ্গে দাম বাড়ার জন্য রাজ্য সরকারের সেস বসানোকে দায়ি করেন তিনি। একইসঙ্গে সবজির দাম বাড়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষও করেন। বলেন, “এই রাজ্যে দাম বেশি, কারণ রাজ্য সরকার প্রচুর সেস বসিয়েছে । এটা কমানো উচিত । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত এই সময় পেট্রোল, ডিজেল থেকে কম টাকা রোজগার করে জনগণকে সুবিধা দেওয়া । আমার প্রশ্ন হল, কেন এত সবজি, আলুর দাম বাড়ছে? রাজ্য সরকার কী করছে? শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করলে হবে!”
পাশাপাশি রাহুল সিনহা আরও দাবি করেন যে, “এই সময় সর্বদলীয় বৈঠকের কোনও দরকার ছিল না। যখন দরকার ছিল, তখন রাজ্য সরকার করেনি। এখন হাতের বাইরে চলে গিয়েছে, তাই বাধ্য হয়ে এই বৈঠক ডেকেছে। এটা আইওয়াশ ছাড়া কিছু না।” প্রসঙ্গত, বুধবার রাজ্যের করোনা ও আমফান পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৩ মার্চের পর ফের ২৪ জুন সর্বদলীয় বৈঠক হয়। মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সেই বৈঠকে যোগ দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। Reporter Aniruddha Benerjee