Web Desk: পৃথিবী তথা দেশ আজকের দিনে দাঁড়িয়ে করোনার সাথে লড়াই চালাচ্ছে। বিশ্বে এবং দেশে চলেছে মৃত্যুর মিছিল। হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। কি করবে না করবে ভেবে পাচ্ছে না তারা। তাই শনিবার বনগাঁ পশ্চিম পাড়া এলাকায় বিপত্তারিণী পুজোর পাশাপাশি এলাকার মহিলারা পুরহীত ডেকে জাঁকজমক ভাবে করোনা পুজোয় মাতলেন। রীতিমত করোনার প্রতিকৃতি বানিয়ে হোম যজ্ঞ করে চলে এই পুজো। তাদের একটাই দাবি একটাই চাওয়া পাওয়া দেশ তথা পৃথিবীর করোনা মুক্ত হোক। এই বিষয়ে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদি মঞ্চের রাজ্য সম্পাদ প্রদীপ সরকার বলেন, করোনা পুজো সম্পূর্ণটাই অবৈজ্ঞানিক। শুধুমাত্র বিশ্বাস আর আবেগ থেকেই চলছে এই পুজো। তবে করোনার হাত থেকে মুক্তি পেতে বিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল হওয়ার কথা বলেন তিনি। করোনা পূজার খবর পেয়ে ওই এলাকায় জান বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিনিধিরা।পুজোর নামে কুসংস্কার ছড়ানো হচ্ছে এই অভিযোগে এলাকায় পোস্টারিং করা হয় বিজ্ঞান মঞ্চের পক্ষ থেকে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালির ঘটনার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বসিরহাট জেলা হাসপাতলে দেখতে এসে তিনি বলেন। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা আক্রান্ত হচ্ছে, পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। এক সময় দেখতাম বিখ্যাত সিনেমা অমিতাভ বচ্চনের শোলে যেখানে কেউ কিছু করলে গব্বর সিং গুলি চালাতো। এখানে দেখছি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গুলি চালাচ্ছে। মানুষকে কথা বলতে দিচ্ছেনা, আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। সন্দেশখালির আজকের এই ঘটনা উদাহরণ ফলসরুপ,পাশাপাশি আজকে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা টাউন হল বিজেপির পার্টি অফিস থেকেই ইটিন্ডা রোড হয়ে বসিরহাট জেলা হাসপাতাল পর্যন্ত কয়েকশো বিজেপি কর্মী নেতাসহ প্রথমে জমায়েত। তারপর মোটর বাইক রেলী করেন ।এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আমি সামাজিক বিধি লঙ্ঘন করিনি। কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ দিতে এসেছি, পাশাপাশি রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে এক হাত নিয়ে কটূক্তি করেন উনিতো চাল চোর, চাল চাইলে মানুষকে গুলি খাওয়াচ্ছে। পাশাপাশি বিডিওর কাছে কেউ চাল চাইতে গেলে মন্ত্রীর সাগরেদরা গুলি চালাচ্ছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপরে,রাতের অন্ধকারে মারধর করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন যাকে মায়ের মত দেখতাম তিনি এখন কলঙ্ক, কেন্দ্র সরকারের অর্থ কিভাবে ভাইপোর তহবিলে জমা করা যায় সেই চেষ্টা উনি করছেন। সন্দেশখালি ঘটনা নিয়ে তিনি বুদ্ধিজীবীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন এই ঘটনায় কেন বুদ্ধিজীবীরা আসছেন না। তাহলে কি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা করে মাইনে পাচ্ছে সেই কারণেই কি মুখ খুলছেন না?তিনি আরো বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: পেট্রোল,ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতৃসূচক আচরণের মাধ্যমে বাংলার মানুষদের প্রতি বঞ্চনার বিরুদ্ধে আজ হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করলেন হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা সমবায় মন্ত্রী অরুপ রায়। মন্ত্রী অরুপ রায় এই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার তীব্র সমালোচনা করেন। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: সীমান্তের আঁচ ইতিমধ্যেই গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষোভ ফুঁসছে দেশবাসী। বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিনা পন্য। এবার খোদ কলকাতায় চিনা বিনিয়োগকারী খাবার ডেলিভারি সংস্থা Zomato-তে পড়ল বিক্ষোভের ছাপ। সংস্থার কর্মীদের দাবি চিনা বিনিয়োগ রয়েছে এমন সংস্থায় কাজ করবেন না তাঁরা। গন ইস্তফা দেন ১০০ বেশি কমীরা। এমনকী Zomato-র লেখা জামা পুড়িয়ে সংস্থার দফতরের সামনে বিক্ষোভও দেখান তাঁরা। পাশাপাশি ফোন থেকে জোমাটোর অ্যাপ আন ইন্সটল করে অফিস ছাড়েন তারা।
গত ১৫ জুন রাতে লাদাখে গালওয়ান সীমান্তে চিনা হামলায় শহিদ হয়েছেন ভারতীয় সেনার ২০ জন জওয়ান ও আধিকারিক। সেনার তরফে জানানে হয়েছে, চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করলে বাধা দেন ভারতীয় সৈনিকরা। তখনই ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। পালটা জবাবও দিয়েছে ভারতীয় বাহিনী। এই ঘটনার পরই গত এক সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দেন অনেকে। চিনা পণ্য জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান সাধারণ মানুষ। এবার চিনা বিনিয়োগ রয়েছে এমন সংস্থার চাকরি ছাড়া শুরু করলেন যুবকরা।বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের সংস্থায় চিনা সংস্থার মোটা বিনিয়োগ রয়েছে। এর পরই আত্মগ্লানিতে ভুগছিলেন তাঁরা। অবশেষে চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন ১০০-র বেশি যুবক। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: ফাঁপরে বাবা রামদেব। করোনার ওষুধ হিসেবে ‘করোনিল’–এর প্রচার ও ‘ভাওতাবাজির’– অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হল বাবা রামদেবের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি আরও চারজনের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বাবা রামদেব দাবি করেছিলেন তাঁর আয়ুর্বেদিক ওষুধের কোম্পানি পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ ‘করোনিল’ এবং ‘স্বসরী’ নামে করোনা ভাইরাস নিরাময়ের ওষুধ বাজারে নিয়ে আসার কথা ঘোষণা করেন পতঞ্জলির সংস্থা। সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করেন, ওই দুটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ নাকি কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত রোগীদের উপর পরীক্ষিত এবং ১০০ শতাংশ সুফলও দিয়েছে।
কিন্তু তৎপর হয় কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক, দ্রুততর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। একে একে পরীক্ষানিরীক্ষার সমস্ত রিপোর্ট মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া কথা জানান। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। এরপরেই আসরে নামে মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও রাজস্থান সরকার। তার জানিয়ে দেন, তাদের রাজ্যে পতঞ্জলির করোনার ওষুধ বিক্রি করা যাবে না। রাজস্থান সরকার এও জানিয়ে দিয়েছিল, যদি কোনও ব্যক্তি রামদেবের সংস্থার করোনার ওষুধ বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু তারপরেও দেখা যায়, জয়পুরের একটি হাসপাতাল রামদেবের করোনার ওষুধ প্রয়োগ শুরু করে দিয়েছিল। এই ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে রাজস্থানের স্বাস্থ্যদপ্তর হাসপাতালে নোটিস পাঠিয়েছিল। এরপরে জানা যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে অনুমতি চায়নি ওষুধ প্রয়োগের আগে। এবং এবিষয়ে একবারও অবগত করেনি। এরপরেই শুক্রবার জয়পুর জ্যোতিনগর থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের স্রষ্টা যোগা গুরু রামদেব, পতঞ্জলির সিইও আচার্য বালকৃষ্ণ, বিজ্ঞানী অনুরাগ ভার্শনে, এনআইএমএস–এর চেয়ারম্যান বলবীর সিং তোমর ও কর্মকর্তা অনুরাগ তোমরের বিরুদ্ধে। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: তাঁর ২২ গজে ফের নিয়ে এখনও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে কবে ফিরবে মহেন্দ্র ২২ গজে তা কেউ-ই বলতে পারছেন না। কিন্তু গুঞ্জনের মাঝে ফের ময়দানে ফিরছেন মাহি তবে আর খেলোয়াড়ের ভূমিকায় নয় এবার কোচ হিসেবে দেখা যাবে। গত বছর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে বাইশ গজে শেষবার ব্যাট হাতে ময়দানে নেমেছিলেন ধোনি। তারপর থেকে স্বেচ্ছাতেই যেন নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন।
কখনও সীমান্তে সেনার প্রশিক্ষণে চলে গিয়েছেন তো কখনও পরিবারের সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণে। টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে যত দূরত্ব বেড়েছে, ততই তাঁর ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অগণিত ভক্তের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মার্চে আইপিএলে চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে নামার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু করোনা মহামারীর জেরে সেটাও হয়নি। ফলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই মাঝেমধ্যে দর্শন মিলছে এমএসের। কিন্তু সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর যেন আরও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। তবে এবার ক্রিকেটের কাছে ফিরছেন তিনি। আগামী মাস থেকেই পুরোদমে কোচিং শুরু করে দেবেন ক্যাপ্টেন কুল। জানা গিয়েছে, আগামী ২ জুলাই অনলাইনে ক্রিকেট অ্যাকাডেমি খুলছেন তিনি। গোটা বিষয়টির তত্ত্বাবধান নিজেই করবেন। সঙ্গে কোচিংও করাবেন। তবে তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা কালিনান। অ্যাকাডেমির কোচিং ডিরেক্টর তিনি। এই অনলাইন কোচিংয়ে উঠতি ক্রিকেটরা উপকৃত হবে বলেই মনে করছেন আয়োজকরা। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হয়ে দেহ লোপাটের কথা নতুন নয় রাজ্যে। বারবার বিরোধীর অভিযোগ করেেছেন। এবার ফের শহর কলকাতার হাসপাতালে সদ্যোজাতের দেহ লোপাটের অভিযোগ তুললেন মৃতের পরিজনরা। মৃত শিশুটির পরিবারের দাবি, সন্তানের মৃত্যুর পর তাদের সে খবর জানানো হয়নি। এমনকী দেওয়া হয়নি মৃতদেহও।
ঘটনাটি ঘটেছে আরজি কর হাসপাতালে। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, গত ১৩ জুন চন্দননগরের বাসিন্দা দেবযানী মণ্ডলের সদ্যোজাতকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়। তার পর থেকে আর শিশুর দেখা পায়নি পরিবার। যদিও লকডাউনের মধ্যে রোজ চন্দননগর থেকে হাসপাতালে এসে সন্তানের জন্য স্তন্যদুগ্ধ দিয়েছেন মৃত শিশুটির মা। সন্তানের কথা জিজ্ঞাসা করলে জানানো হয়, চিকিৎসক বলতে পারবেন।দেবযানী দেবীর দাবি, শুক্রবার ২৬ জুন তাঁকে সন্তানের মৃত্যু সংবাদ জানানো হয়। জানানো হয় ভর্তির ২ দিন পরেই ১৫ জুন মৃত্যু হয়েছে শিশুটির। যদিও তার দেহ পরিবারকে দেখাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মৃত শিশুর বাবার দাবি, তাঁর সন্তান বেঁচে রয়েছে। তাকে বিক্রি করে দিয়েছেন হাসপাতালের কর্মীরা। তাই দেহ দেখাতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁর প্রশ্ন, আমার সন্তান ১৫ জুন মারা গেলে এতদিন মায়ের দুধ নিয়ে কাকে খাওয়াচ্ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের ত্রাণ বিতরণ নিয়ে চলছে দূর্নীতি। আর এই দূর্নীতি নিয়ে ফের সবর হলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন ট্যুইটারে। ট্যুইটারে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে মনে করালেন, এটা আলোচনা করা বা বিবৃতি দেওয়ার সময় নয়। সঙ্গে রাজ্যপালের পরামর্শ, যারা অন্যের ত্রাণ ছিনিয়ে নিয়েছেন তাদের শাস্তিবিধানের ব্যবস্থা করুন। ঘূর্ণিঝড় আমফানের ত্রাণে দুর্নীতি রুখতে ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত স্তরে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। ত্রাণ প্রাপকদের তালিকা সংশোধন করবে ওই কমিটি। কিন্তু ইতিমধ্যে যাঁরা ত্রাণ পেয়ে গিয়েছেন, বা যাঁরা ত্রুটিপূর্ণ তালিকা তৈরি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে তার কোনও উল্লেখ নেই নির্দেশিকায়। এদিন সকালে ট্যুইটারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে যে দুর্নীতি রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন আলোচনা বা বিবৃতি দেওয়ার সময় নয়। যাঁরা অন্যের প্রাপ্য ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁদের থেকে ত্রাণ উদ্ধার করে শাস্তি দিতে পদক্ষেপ করুন।’ এমনটাই লিখে জানিয়েছেন। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: বলিউডের অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার ঘটনা এখনও দগদগে নেটিজেনদের মনে। তাঁর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যুর জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। এবার সেই অনুরাগীদের পাশাপাশি সুশান্তের মৃত্যুর জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি ক্রমেই আরও জোরালো করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।
শুক্রবার দিনভর টুইটার ইন্ডিয়ায় ট্রেন্ড করছে #cbiforsushant, এই হ্যাশট্যাগ। এই প্রতিবেদন লেখবার সময়ও টুইটার ইন্ডিয়ায় পয়লা নম্বরের ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ। ঘরের ছেলের মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাস্তাতেও নেমেছে বিহারবাসী। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিতা শাহকেও ট্যাগ করেছেন রূপা।
Why did the forensic team arrive on 15th June leaving a lot of time which could lead to evidence tampering? #cbiforsushant #roopaganguly pic.twitter.com/FPuuleH9Hy
— Roopa Ganguly (@RoopaSpeaks) June 26, 2020
রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এবার সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবিকে সমর্থন জানালেন বিজেপি সাংসদ তথা সঙ্গীতশিল্পী,অভিনেতা বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার টুইটারের দেওয়ালে তিনি লেখেন, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সুইসাইড নোটের অনুপস্থিতি এবং বেশকিছু অসংবেদনশীল মন্তব্য কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্বদের কাছ থেকে। আমি সকলকে সমর্থন জানাচ্ছি যাঁরা সিবিআই তদন্তের দাবি তুলছেন। তবে তদন্ত চলাকালীন আমাদের কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া উচিত নয়’।
Several Ques hv come up surrounding #SushantSinghRajput ‘s death, including non-existence of a Suicide Note&Insensitive comments made by responsible individuals, I support every1 who’r asking for a CBI enquiry•But we shud not jump the guns while investigations r on @shekharkapur