
স্বাস্থ্যকর্মীদের বিনম্র শ্রদ্ধা!Humble tribute to the health workers.DoctorsDay #CovidWarriors



সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, নিরাপত্তা অবলম্বন করা এবং মাস্ক ব্যবহার করাই এখন মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার সর্বোত্তম উপায়। তবে আমরা অনুভব করি, মাস্ক সংগ্রহ করা অনেকের পক্ষে সম্ভবহয় না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক তিন কোটি মাস্ক সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, ১০০দিনের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষ, স্বাস্হ্য কর্মী, পুলিশ, অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ কর্মী, পৌরসভার কর্মচারী এবং নাগরিক স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য একেবারে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Newsbally Desk: এর আগে ‘ভুয়ো খবর’ দেখানোর মামলা হয়েছিল আরামবাগ টিভি ইউটিউব চ্যানেলের সম্পাদক সেখ সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জুন মাসের গোড়ায় সেই মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, সফিকুলকে এখন গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ।
কিন্তু অন্য একটি মামলায় সফিকুলকে রবিবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর স্ত্রী আলিমা বিবি এবং আরামবাগ টিভির আরএক সাংবাদিক সুরজ আলি খানকে। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালাচোনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সোমবার সফিকুলদের আরামবাগ আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক তাঁদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।null

আগের মামলা কী ছিল?
এপ্রিল মাসে ওই ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, লকডাউনের মধ্যেও থানা থেকে ক্লাবগুলিকে চেক বিলি করা হচ্ছে। প্রথমে পুলিশ অস্বীকার করলেও পরে কাগজে কলমে মেনে নেয় চেক বিলি হয়েছিল। সফিকুলের অভিযোগ ছিল, পুকুর চুরি হওয়া মানুষের সামনে তুলে ধরার কারণেই এই পুলিশ উঠেপড়ে লেগেছে তাঁকে জেলে পাঠাতে। সেই সময়ে অনেকে বলেছিলেন, যে ক্লাবগুলিকে পুলিশ সরকারি চেক বিলি করেছিল তার অধিকাংশের কোনও অস্তিত্বই নেই। সবটাই শাসকদলের নেতাদের লুটে খাওয়ার বন্দোবস্ত। এদিন রাজ্যপাল টুইট করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে লিখেছেন, “সরকারি টাকা ভুয়ো ক্লাবগুলির মধ্যে বিলি করা তুলে ধরাতে সফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার হয়েছে।” রাজ্যপাল এও লিখেছেন, “সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে রাখা মানে গণতন্ত্রের মুখ বন্ধ করে দেওয়া।”
আগের মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাক নির্দেশ দিয়েছিলেন, সফিকুলকে গ্রেফতার করা যাবে না। কিন্তু গতকাল একটি এফআইআর দায়ের হয় সফিকুল ও আরামবাগ টিভির সাংবাদিক সুরজের বিরুদ্ধে। তাতে বলা হয়, গাছ কাটা নিয়ে এক ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী পুলিশকে বলেন, সুরজ তাঁকে হুমকি দেন, ৩০ হাজার টাকা না দিলে গাছ কাটার খবর ফাঁস করে দেবেন! তাঁর বক্তব্য, তিনি সুরজকে বলেছিলেন পঞ্চায়েতের নির্দেশে গাছ কাটছেন। তাও টাকা চাওয়া হয়।
এদিন সফিকুলের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এই পুলিশ একেবারে তৃণমূলের ক্যাডারবাহিনীর মতো কাজ করছে। কোনও লাজলজ্জা নেই। সফিকুলের দুটি শিশু সন্তানকেও পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরে তাদের ছাড়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় শিশু সুরক্ষায় লকডাউন চলছে।” পুলিশের তরফে ১৪ দিনের হেফাজত চাওয়া হলেও বিচারক সাত দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন।
স্থানীয়দের অনেকের অভিযোগ, সফিকুলের উপর পুলিশের রাগ অন্য কারণে। তাঁদের বক্তব্য, সম্প্রতি নদী থেকে বালি চুরির সঙ্গে প্রশাসনিক যোগের খবর আরামবাগ টিভিতে দেখানো হয়েছিল। তারপর জেলাশাসক ব্যবস্থা নেন। তাঁদের বক্তব্য, ওই ঘটনার পর পুলিশে বাঁহাতি রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের বক্তব্য, যা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সবটাই আইন মেনে। আরামবাগের শাসকদলের কোনও নেতা প্রতিক্রিয়া না দিলেও ঘরোয়া আলোচনায় তাঁরা বলছেন, সফিকুল সাংবাদিকতার নামে হুমকি দিয়ে তোলা আদায় করছিল। পুলিশ যা করেছে সঠিক কাজ করেছে।

Web Desk: ভারতবর্ষে আনলক ২.০ শুরু হবার প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী তার ভাষণে জানান। কোরোনা প্রতিরোধে সবাইকে সাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত রেশনে চাল এবং ডাল দেওয়া হবে। যাতে আগামী উৎসবের দিন গুলিতে কেউ অনাহারে না থাকে।
সতর্কতা বিধি সমন্ধে বলতে গিয়ে তিনি মাস্ক না পরায় বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর জরিমানার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।উদাহরণ হিসাবে তিনি বরিসভের কথা উল্লেখ করেন। জনসমক্ষে মাস্ক না পড়ায় বরিসভকে ৩০০ লেভ বা ভারতীয় মুদ্রায় ১৩০০০ টাকার কিছু বেশি জরিমানা দিতে হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে এনে প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়েছেন, আইন সবার জন্যই সমান। করোনা সম্পর্কিত বিধিনিষেধ না মানলে কাউকে ছাড়া হবে না।এই সময় যাঁরা বেপরোয়া মনোভাব দেখাচ্ছেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন না যে, তাঁরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইকেই দুর্বল করছেন। এমন মানুষের বেপরোয়া মনোভাবে রাশ টানতে হবে এবং নিয়ম পালন করাতে হবে। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে বাইরে কাজে বেরোলেই।
Reporter Aniruddha Benerjee

রাজ্যের ১০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেবে রাজ্য সরকার।আনলক ওয়ানের শেষদিনে দেশবাসীর উদ্দেশে বড় ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা বলে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছেন মোদি। মঙ্গলবার মোদির ভাষণ শেষ হতেই নবান্নে পালটা বড় ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি জানিয়ে দিলেন. ‘আমি আগামী বছর জুন পর্যন্ত ফ্রি রেশনের মেয়াদ বাড়িয়ে দিচ্ছি। রাজ্যে ১০ কোটি মানুষ জুন পর্যন্ত ফ্রি রেশন পাবে। ভাল চাল, আটা পাবেন সাধারণ মানুষ।’প্রসঙ্গত, আনলক ওয়ানের শেষ দিনে জাতির উদ্দেশে ভাষণে বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এদিন বলেছেন, করোনা পরিস্থিতিতে এতদিন দেশের ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে তিন মাসের রেশন দিয়েছে সরকার। এবার পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বিনামূল্যে রেশনের মেয়াদ দীপাবলি ও ছটপুজো পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। মোদি বলেন, ‘তার মানে আগামী নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত দেশের ৮০ কোটি মানুষ এই ফ্রি রেশনের সুবিধা পাবেন। চাল ডাল-সহ অন্যান্য যা যা পাচ্ছিলেন, এবার তার সঙ্গে মাথাপিছু এক কেজি করে চানা ডালও পাবেন।’ তাঁর মতে, এটাই উপযুক্ত সময় এক রাষ্ট্র এক রেশন কার্ডের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার। তাই সূচনা পর্বে এই বিনামূল্যে রেশনের মেয়াদ বাড়িয়ে দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার।এদিন প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের পরই নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করে সাংবাদিক সম্মেলনে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে বলেন, ‘এক দেশ এক রেশন কার্ডের বিষয়টা আমাকে আগে বুঝতে হবে। কেন্দ্র ঠিক কী চাইছে সেটা না জেনে আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে পারব না।’ এরপর তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রের দেওয়া চাল তো দেখেছি। FCI-এর চালের মান আর আমাদের দেওয়ার চালের মান অনেক ফারাক। আমরা সরাসরি চাষির থেকে চাল নিই। অনেক ভাল চাল। এর এবার থেকে আটাও দিচ্ছি। কেন্দ্র নভেম্বর পর্যন্ত দেবে বলেছে তো? আমি বললাম, আগামী বছর জুন মাস পর্যন্ত রাজ্যের ১০ কোটি মানুষকে ফ্রি রেশন দেব।’Developed Reporter Samrat Ghosh

নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্যকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেছে হাই কোর্ট।ঘুড়ির সুতোয় চিনা-সহ কোনও মাঞ্জাই ব্যবহার করা যাবে না রাজ্যে, জনস্বার্থ মামলার শুনানির শেষে মঙ্গলবার সাফ জানাল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্যকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও বলা হয়েছে এদিন। হাই কোর্টের এই নির্দেশে দুর্ঘটনা কমবে বলেই আশাবাদী রাজ্যবাসী। মাঞ্জা সুতো বারবার মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন উড়ালপুলে একাধিকবার শুধু এই মাঞ্জা (Manja) সুতোর কারণেই ভয়ংকর দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছে বাইক আরোহীদের। কেউ মাঞ্জা সুতোয় রক্তাক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, কারও প্রাণহানী ঘটেছে। জানা গিয়েছে, ২০১৯-এর ডিসেম্বরে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন এক আইনজীবী। সেইদিন মাঞ্জায় রক্তাক্ত হন তিনি। কেটে যায় থুতনি। এরপরই হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন ওই আইনজীবী। সেই মামলার শুনানি শেষেই মাঞ্জা নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ ওই মাঞ্জা দেওয়া সুতো ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, লকডাউনেও এই মাঞ্জা সুতো প্রাণ কেড়েছে খিদিরপুরের এক বাসিন্দার। বাইকে মা উড়ালপুর ধরে কোনও বিশেষ কাজে যাচ্ছিলেন তিনি। লকডাউনে উড়ালপুল ফাঁকা থাকায় একটু বেশিই ছিল তাঁর বাইকের গতি। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চিনা মাঞ্জা সুতোয় ভয়ংকরভাবে কেটে যায় গলা। শুরু হয় রক্তপাত। সেই অবস্থাতেই প্রবল মানসিক জোর নিয়ে গাড়ি চালিয়ে নিজের এলাকায় পৌঁছন তিনি, কিন্তু বাঁচানো যায়নি তাঁকে। ঘটনার পর মাইকিং করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মাঞ্জা সুতো ব্যবহার বন্ধের আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাজারে রমরমিয়ে চলছিল মাঞ্জা সুতো বিক্রি। তবে এবার হাই কোর্টের নির্দেশের পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।Developed Reporter Samrat Ghosh

হাসপাতালকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য কমিশন।প্রায় আড়াই বছর আগের ঘটনা। মুকুন্দপুর আমরি (AMRI) হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল দু’বছর সাত মাসের ঐত্রী দে-র। ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারির ওই ঘটনায় বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছিলেন মৃত একরত্তির মা শম্পা দে। স্বাস্থ্য কমিশনে (Health Commission) অভিযোগ জানিয়েছিল শিশুটির পরিবার। অবশেষে মঙ্গলবার বিকেলে রায় দিল রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশন। জানাল, চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই প্রাণ গিয়েছিল খুদের।জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সব পক্ষকে ভিডিও কনফারেন্সে জানানো হয়েছে। ঘটনায় মুকুন্দপুর আমরিকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যদিও শিশুটির পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি জ্বর নিয়ে মুকুন্দপুর আমরিতে ভরতি হয়েছিল ছোট্ট শিশুটি। তার মৃত্যুর পর পরিবার অভিযোগ করেছিল, ভুল ইঞ্জেকশন দেওয়ার কারণেই মৃত্যু হয় খুদের। মৃত শিশুর মা শম্পা দে জানিয়েছিলেন, “আমার মেয়ে যখন শ্বাস নিতে পারছিল না, সময়মতো অক্সিজেন মাস্ক আনতে পারেনি হাসপাতাল।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল হাসপাতাল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় হাসপাতালের ইউনিট হেড জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায় মৃতের পরিবারকে শাসাচ্ছেন। সে ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরেই তড়িঘড়ি সরিয়ে দেওয়া হয় ইউনিট হেডকে।এরপর স্বাস্থ্য কমিশনেও অভিযোগ জানায় শিশুটির পরিবার। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মঙ্গলবার রায় পেল দে পরিবার। এদিন শম্পা দে বলেন, “সামান্য সর্দি-কাশি নিয়ে আমার মেয়ে ভরতি হয়েছিল। হাসপাতালই ভুল ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলেছে। আজকের রায়ে ঐত্রীর আত্মা শান্তি পাবে।” মেয়ে আর ফিরবে না, তবে এ দিনের রায় দে পরিবারের ক্ষতে কিছুটা মলমের কাজ করবে ঠিকই। Developed Reporter Samrat Ghosh

লাদাখ নিয়ে ক্রমেই সংঘাতের পথে হাঁটছে ভারত ও চিন। কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চললেও ১৯৬২’র যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে লালফৌজের বিরুদ্ধে সামরিকভাবে প্রস্তুত থাকতে চাইছে ভারত। তাই এবার শক্তি বাড়িয়ে আরও স্পাইস ২০০০ বা ‘বালাকোট বোমা’ কিনতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় (Pulwama) ভয়াবহ নাশকতা চালায় পাক মদতপুষ্ট জইশ জঙ্গিগোষ্ঠী৷ এর বদলা নিতেই ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে ঢুকে এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা৷ খাইবার পাখতুনখোয়ার বালাকোট-সহ মুজফ্ফরাবাদ ও চাকোতির তিনটি জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির নষ্ট করে দেয় ভারত৷ প্রথম অস্বীকার করলেও পরে এই এয়ারস্ট্রাইকের কথা স্বীকার করে পাকিস্তান (Pakistan)৷ বালাকোটের এই বিমানহানায় ব্যবহার হয়েছিল স্পাইস ২০০০ বোমা। তারপর থেকেই ‘বালাকোট বোমা’ নামেই পরিচিতি পায় ইজরায়েলের নির্মিত এই হাতিয়ারটি।চলতি মাসেই সেনার তিন বাহিনীকেই ৫০০ কোটি টাকা প্রতি প্রকল্পে অস্ত্র কেনার ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। ফাস্ট ট্র্যাক পদ্ধতিতে, সহজ কথায় লালফিতের জট এড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রতি প্রকল্পে হাতিয়ার কেনার জন্য সেনার তিন বাহিনীর সহ-প্রধানদের অনুমতি দিয়েছে সরকার। সেই বিশেষ অনুমতি কাজে লাগিয়েই এবার ইজরায়েলের কাছ থেকে আরও স্পাইস ২০০০ বোমা কিনতে চলেছে বায়ুসেনা। প্রায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম এই বোমা। মিরাজ- ২০০০ এর মতো যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করলে মজবুত বাঙ্কার মুহূর্তে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম এই গাইডেড বোমা। তাই লাদাখে চিনা বাঙ্কারগুলির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। বিশ্লেষকদের মতে, শুধু গালওয়ান উপত্যকা নয়, সুযোগ পেলে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার লম্বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ফ্রন্ট খুলতে পারে চিন (China)। সেক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ড থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত লালফৌজের আগ্রাসন থামাতে প্রস্তুত থাকতে হবে ভারতীয় বাহিনীকে।Developed Reporter Samrat Ghosh

মঙ্গলবার নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির বৈঠকেও তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেন অনেকে।বিতর্কিত মানচিত্র অনুমোদন করার পর থেকে সমস্যায় পড়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। যতদিন যাচ্ছে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে চাপ বাড়ছে দলের অন্দরে। পুষ্পকুমার দহল বা প্রচণ্ড-সহ শাসকদল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (Nepal Communist Party) -এর শীর্ষ চার নেতা অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। অন্য নেতারাও ভারতের সঙ্গে এতদিনকার মধুর সম্পর্ক খারাপ হওয়ার জন্য তাঁর দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছেন। মঙ্গলবার দুপুরে দলের স্ট্যান্ডি কমিটির বৈঠক চলাকালীনও উত্তেজনা ছড়ায়। বিভিন্ন বিষয়ে ব্যর্থতার জন্য ওলিকে পদত্যাগ করতে বলেন দলের যুগ্ম সভাপতি প্রচণ্ড, বর্ষীয়ান নেতা মাধব নেপাল, ঝালানাথ খানাল ও বামদেব গৌতম।সোমবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি অভিযোগ করেছিলেন, ভারত তাঁকে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে চাইছে। চাপ দিয়ে তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে। এর জন্য নয়াদিল্লিতে একটি বৈঠকও হয়েছে। এই বিষয়টি উল্লেখ করে নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড ওলিকে প্রশ্ন করেন, ‘ভারত যে আপনার সরকার ফেলার চেষ্টা করছে তার প্রমাণ কোথায়?’ এরপরই তিনি বলেন, ‘ভারত নয় আমিই চাই যে আপনি পদত্যাগ করুন।’পরিস্থিতি দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই নেপালের নাগরিকদের মনে জাতীয়তাবাদী মনোভাবের জিগির তুলে নিজের মসনদ পোক্ত করার চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী ওলি। আর এর জন্য নতুন মানচিত্র বানিয়ে ভারতের সঙ্গে বিবাদের রাস্তাতে হেঁটেছেন। মূলত গোর্খা ভাবাবেগকে হাতিয়ার করে ওলি নিজের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করছেন। না হলে মানচিত্র নিয়ে ওলিকে রয়েসয়ে পদক্ষেপ করার উপদেশ আগেই দিয়েছিলেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল ওরফে প্রচণ্ড (Prachanda)। কিন্তু, তাতে কর্ণপাত করেননি ওলি। পাশাপাশি দলের যুগ্ম সভাপতি বা দেশের প্রধানমন্ত্রী যে কোনও একটি পদ তাঁকে বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। দুটো পদে একসঙ্গে আসীন থাকা যাবে না বলে সর্তকও করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতে গুরুত্ব দেননি নেপালের প্রধানমন্ত্রী। তার ফলশ্রুতিতেই ওলিকে পদত্যাগ করানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। মঙ্গলবার দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিংয়েই তার প্রমাণ পাওয়া গেল।Developed Reporter Samrat Ghosh

সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে ব্যক্তিগত তথ্য! কোন অ্যাপ? জানুন বিশদে।মেদিনীপুর: সদ্য টিকটক-সহ মোট ৫৯টি চিনা অ্যাপসের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর মঙ্গলবারই টিকটকের মতো অ্যাপ- ‘ইনোসেন্স’ লঞ্চ করে তাক লাগিয়ে দিলেন মেদিনীপুরের ১৭ বছরের ছাত্র প্রিয়াংশু সিং। তার দাবি, এই অ্যাপ টিকটকের (TikTok) তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ। যেখানে ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে। এদিন ভার্চুয়াল সভার মধ্য দিয়ে কলকাতায় বসে সাংসদ দিলীপ ঘোষ প্রিয়াংশুর তৈরি ওই অ্যাপের উদ্বোধন করেন।মেদিনীপুরের এক বেসরকারী স্কুলের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র প্রিয়াংশু। বাড়ি তাঁতিগেড়িয়ায়। বাবা কুমার রাজীব রঞ্জনের রেডিমেড কাপড়ের দোকান আছে। মা রিঙ্কি সিং গৃহবধু। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান বলেছেন, লকডাউনের সময় ঘরে বসে থাকা অবস্থাতেই কিছু একটা করার ভাবনা ঢোকে তার মাথায়। ঘরে বসে সময় নষ্ট না করে দেশের জন্য কিছু একটা করার ভাবনা চলছিল তাই তখন থেকেই। ইন্টারনেট ঘেঁটে নানানরকম চর্চা করার পর প্রিয়াংশু নিজে নতুন ওই অ্যাপস তৈরি করেন।আগে থেকেই অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর প্রচুর আগ্রহ ছিল। গত নভেম্বরে আইআইটিতে দু’দিনের সাইবার সিকিউরিটি ওয়ার্কশপে যোগ দিয়ে অনেককিছু জানতেও পেরেছিলেন। সেখান থেকে সাইবার অ্যাটাক রোখার অনেক কৌশল রপ্ত করেছিলেন প্রিয়াংশু। সেসব কৌশলই এবার প্রয়োগ করলেন নিজের তৈরি ‘ইনোসেন্স’ অ্যাপে। এখন গুগল ইঞ্জিনে সার্চ করলেই পাওয়া যাবে এই অ্যাপটি। পাওয়া যাচ্ছে ইনোসেন্সের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজেও। খুব শীঘ্রই মোবাইলের প্লে-স্টোরেও তা পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।প্রিয়াংশুর কথায়, অল ইন ওয়ান সাইবার টিম প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও শিবম সিং তাঁকে অনেক সাহায্য করেছেন। এখনও পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে তার ওই অ্যাপটি বানাতে গিয়ে। আপাতত ব্যবসার কথা ভাবছেন না প্রিয়াংশু। তাঁর টার্গেট ‘ইউজার্স’ সন্তুষ্টি। তিনি চান আগামী দিনে তার তৈরি এই অ্যাপ যেন ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ হিসেবে নেটদুনিয়ায় ঝড় তোলে। যেখানে সবাই বলতে পারে ভারতের তৈরি জিনিসও বিশ্বকে কাঁপাতে পারে।ছেলের এই আবিষ্কারে খুশি তাঁর বাবা রাজীববাবুও। তিনি বলেছেন, “ছেলে প্রায় সবসময়ই ল্যাপটপ ও মোবাইল নিয়ে বসে থাকত। গত নভেম্বরে ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির পরিক্ষাতেও ২০০ র্যাংক করেছে সে। দেশের জন্য ছেলে কিছু করতে পারলেই তাঁর গর্ব হবে।”Developed Reporter Samrat Ghosh