দুরন্ত লড়াই ব্ল্যাকউডের, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে করোনা আবহে প্রথম টেস্টে জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ

করোনাতঙ্ক কাটিয়ে দীর্ঘধিন পর ২২ গজে ফিরেছিল ক্রিকেট। ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাউদাম্পটনে প্রথম টেস্টে ৪ উইকেটে জিতল ক্যারিবিয়ানরা। জেতার জন্য পঞ্চম তথা শেষদিনে ২০০ রান দরকার ছিল তাঁদের। কিন্তু ৬ উইকেট হারিয়েই জয়ের রান তুলে নেয় তাঁরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জারমেইন ব্ল্যাকউডের দুর্ধর্ষ ৯৫ রানের ইনিংস ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁদের জিততে সাহায্য করেছে।অনেক বিধিনিষেধ আরোপের পর করোনা আবহে শুরু হয়েছিল এই টেস্ট ম্যাচ। তিন ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ ঘিরে অনেক আশা-আকাঙ্খা জড়িয়ে রয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুরক্ষিত থাকে যদি সব ক্রিকেটার, তাহলে আগামিদিন বাকি দেশগুলির কাছেও ক্রিকেটের দরজা খুলে যাবে। গোটা ক্যারিবিয়ান টিমের দুরন্ত লড়াই। এবং ব্ল্যাকউডের শেষদিনে ঝলসে ওঠা। সবমিলিয়ে অসাধারণ একটা টেস্ট ম্যাচের সাক্ষী থাকল ক্রিকেট দুনিয়া। দর্শকশূন্য মাঠে খেলা হলেও টিভিতে ম্যাচের সম্প্রচার হচ্ছিল।এদিন সেঞ্চুরি না পেলেও ব্ল্যাকউডের নাছোড় লড়াই অনেকদিন মনে থাকবে ব্রিটিশদের। তাঁদেরই ঘরের মাঠে তাঁদের হারানো যে কত কঠিন কাজ তা জানে ক্রিকেট বিশ্ব। তবুও হার মানেনি ক্যারিবিয়ানরা। এদিন লাঞ্চ পর্যন্ত ৩৫ রানে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান ক্যারিবিয়ানরা। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ ফলে এগিয়ে থাকল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর পরের ম্যাচ ম্যাঞ্চেস্টারে হবে।

করোনায় প্রয়াত হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা তপন ঘোষ

NewsBally webdesk

করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা তপন ঘোষ। রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। মারা যাওয়ার সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ জুন মারণ ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়ে কলকাতার মেডিকা হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা তপন ঘোষ (Tapan Ghosh)। তারপর থেকে সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। চিকিৎসকরা তাঁকে সুস্থ করার সবরকম চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হলেন।রবিবার সন্ধ্যায় চিকিৎসা চলাকালীনই প্রয়াত হলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব-সহ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির নেতা-নেত্রীরা আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সংস্পর্শে আসেন তপন ঘোষ। কলকাতার শ্রদ্ধানন্দ পার্ক শাখার স্বয়ংসেবক হিসেবে কাজ শুরুর পর প্রচারকও হন। পরে জরুরি অবস্থার সময়ে জেলও খাটেন তিনি।জেল থেকে বেরোনোর পর সংঘের প্রচারক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সংগঠন সম্পাদক হন। সেসময়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দিতে চাইলেও তৎকালীন বিজেপি নেতৃত্ব তাতে রাজি হয়নি। এরপর দীর্ঘ সময় বিদ্যার্থী পরিষদের দায়িত্ব পালনের পরে ফের হাওড়া ও হুগলি জেলা নিয়ে গঠিত বিভাগের প্রচারক হন তপন। পরে সংঘের নেতাদের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে সংঘের ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে এসে তৈরি করেন হিন্দু সংহতি।

দু’টি লাভজনক সংস্থার শীর্ষে কেন ফিরহাদ? বাতিল হতে পারে বিধায়ক পদ, নবান্নকে চিঠি কমিশনের

রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে এবার স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী কি দুটি লাভজনক সংস্থার শীর্ষ পদে রয়েছেন? সে বিষয়ে জানতে চেয়ে এবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে (Rajiv Sinha) চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। চলতি মাসের শুরুতে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে ৯টি প্রশ্নের জবাব চেয়েছিলেন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিক বিজয়কুমার পাণ্ডে। কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসনিক বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে তাঁর দায়িত্ব ও বেতনের ব্যাপারেও জানতে চাওয়া হয় বলে সূত্রের খবর।জানা গিয়েছে, গত ২২ জুন ফিরহাদ হাকিমের বিষয়ে কমিশনকে চিঠি লেখেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের (Jagdeep Dhankhar) অতিরিক্ত মুখ্যসচিব সতীশ তিওয়ারি। তিনি জানিয়েছেন, দুটি লাভজনক পদে ফিরহাদ আছেন এই অভিযোগ পেয়েছেন রাজ্যপাল। সংবিধানের ১৯১ (১) (এ) ধারার আওতায় সেই অভিযোগপত্রে মন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজের দাবিও জানানো হয়েছে বলে জানান রাজ্যপালের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব। রাজভবনের সেই চিঠির ভিত্তিতেই মুখ্যসচিবের কাছ থেকে জবাব চেয়েছে কমিশন।সূত্রের খবর, নবান্নের তরফে এক শীর্ষ আধিকারিক চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার করেছেন। জানা গিয়েছে, চিঠিতে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নিয়োগ প্রক্রিয়া, সেই পদে বসার বিজ্ঞপ্তির কপি, তিনি কী ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন এবং কোনও আইন বা নির্দেশিকার আওতায় তাঁর কার্যালয় বিশেষ কোনও ছাড় পায় কিনা, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। মুখ্য প্রশাসক পদ তৈরির বিজ্ঞপ্তি কোন তারিখে জারি করা হয়েছিল এবং তা রাজ্যের নির্দেশিকার ভিত্তিতে হয়েছিল কিনা, সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হয়েছে, ফিরহাদ হাকিমের বিধায়ক পদ কেন খারিজ করা হবে না।তবে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসকমণ্ডলীয় চেয়ারম্যান বা মুখ্য প্রশাসক হিসাবে কোনও বেতন বা সুবিধা নেন না ফিরহাদ হাকিম। তাই পদটি লাভজনক হওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। সেকথা জানিয়েছেন ফিরহাদ নিজেও। তিনি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ও বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁকে বিব্রত করার পালটা অভিযোগ তুলেছেন. তবে তিনি এও বলেছেন, ‘ওরা আমাকে যতই বিরক্ত করুক, আমা আদালতের নির্দেশে দায়িত্ব পালন করছি। আমা আমার কাজ চালিয়ে যাব।’

করোনা কাড়তে পারেনি জীবনের আনন্দ, ৮৯ বছরের জন্মদিনে হাসপাতালে মিষ্টি বিলি বৃদ্ধের

করোনাসুরের তাণ্ডবে বিশ্বজুড়ে হাহাকার উঠছে। প্রতিদিনই প্রচুর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারাও যাচ্ছেন অনেকে। করোনার প্রকোপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন সবাই। কিন্তু, এই পরিস্থিতির মধ্যে অনেককে দেখা যাচ্ছে চোখে চোখ রেখে এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে। এমনই একজন করোনা (Corona) আক্রান্ত মানুষের দেখা মিলল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। যিনি ৮৯ বছরের বয়সেও রয়েছেন প্রাণবন্ত। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের ফাঁকে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য কর্মী ও রোগীদের মিষ্টি খাইয়ে পালন করেছেন নিজের জন্মদিন।বিজেপি (BJP) রাজ্য দপ্তরের ওই প্রবীণ কর্মীর নাম বিমল রায়। বেশ কিছুদিন আগে বার্ধক্যজনিত অসুখের চিকিৎসা করার জন্য উত্তর কলকাতার একটি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁর শরীরে করোনার জীবাণু প্রবেশ করে। নমুনা পরীক্ষার ফলাফলের পর চিকিৎসার জন্য তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা। বর্তমানে মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংয়ের চার তলায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।এর মাঝেই শনিবার ছিল তাঁর জন্মদিন। বিগত বছরগুলিতে বাড়ি বা দলের লোকদের সঙ্গে এই বিশেষ দিনটি পালন করলেও এবার আর তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু, তাতে ভেঙে পড়েননি বিমলবাবু। বরং তাঁর ওয়ার্ডের চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য কর্মী ও রোগীদের মিষ্টি খাইয়ে জন্মদিন পালন করেন তিনি। এমনকী ওয়ার্ডের বাইরেও মিষ্টি বিলি করা হয় বিশ্বের তাবড় তাবড় মানুষরা যখন করোনার ভয়ে কাঁপছেন তখন ৮৯ বছর বয়সী বিমলবাবুর মনের জোর দেখে অবাক হচ্ছেন সকলেই।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তাঁর সংস্পর্শে আসার জন্য বিমলবাবুর ভাইপো তথা বিজেপি নেতা অমিতাভ রায়ও হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ইতিমধ্যে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও পথে নেমে তাদের সমস্ত দলীয় আন্দোলন ও কর্মসূচি বাতিল করেছে। রাজ্য দপ্তরেও নেতা-কর্মীদের আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

লকডাউনে রোজগার নেই, পরনের জামাটুকু খুলে ছেলেকে ঘর থেকে বার করে দিল বাবা! বৌমার সঙ্গেও ঘৃণ্য আচরণ

Web Desk: বাড়ির অমতে নিজের পছন্দ করা মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। এখানেই সমস্যার সূত্রপাত। বিয়ের পর স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসতেই চরম অশান্তি। ছেলে-বৌমাকে কোনওভাবেই স্বীকার করছিলেন না বাবা-মা। সঙ্গে আবার পণ না পাওয়ার ক্ষোভও রয়েছে। আর পাঁচটা গার্হস্থ্য অশান্তির মতো কিন্তু নয়, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির দম্পতি মেহেবুব দাস ও সুমিতা দাসের লড়াই কিন্তু আরও কঠিন।

স্ত্রী সুমিতার কথায়, স্বামীর কথা ভেবে শ্বশুরবাড়িতে সব অত্যাচার মেনেই থাকছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও না কোনও ছুতোতে অত্যাচার চলতই। তাঁর বিয়ের গয়না (যার বাজারমূল্য ১০ লক্ষ টাকা) শ্বশুর, শাশুড়ি কেড়ে নেয় বলেও অভিযোগ। চলত অত্যাচারও। এমনটাই অভিযোগ অসহায় মেহেবুব ও তাঁর স্ত্রীর। এরপর কোনওমতে নিজেদের প্রাণ বাঁচিয়ে ভাড়া বাড়িতে এসে সংসার পাতেন মেহেবুব সুমিতা।

কিন্তু মাঝে সেই লকডাউন! টিউশন করে যেকটা টাকা আয় করতেন, তাও বন্ধ হয়ে যায় মেহেবুবের। ফলে টাকার অভাবে ভাড়া বাড়ি ছাড়তে হয়। বাধ্য হয়েই ফের বাবার দ্বারস্থ হন ছেলে। অভিযোগ, বাবা তাঁকে মারধর করেন। এমনকি পরনের পোশাকটুকুও খুলে নেনে যেহেতু সেটা নিজে কিনে দিয়েছিলেন।

সুমিতা নিজের বাপেরবাড়ি থেকে আনা গয়না ফেরত চাইলে শ্বশুর তাঁর স্বামীকে মারধর করে বলেও অভিযোগ। এরপর অসহায় স্বামী-স্ত্রী ১ জুলাই মন্দারমণি কোস্টাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস গিয়ে দেখে মেহেবুবের বাড়িতে তালা ঝুলছে। তাঁর বাবা-মা বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন।

এখনও এই ঘটনার কোনও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়েই পোস্টার হাতে রাস্তায় ধর্নায় বসেছেন অসহায় দম্পতি। পথচলতি সাধারণ মানুষ দেখছেন, আর প্রশ্ন করছেন, “বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ির ওপর অত্যাচারের খবর মেলে আখছার, কিন্তু বাবা-মা যে নিজের সন্তানের সঙ্গে এমনটা করতে পারে, তা তো আগে দেখিনি।”
Reporter Aniruddha Benerjee

করোনা আক্রান্ত ঐশ্বর্য ও আরাধ্যা, দ্বিতীয়বার COVID-19 টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ

করোনা আক্রান্ত ঐশ্বর্য ও আরাধ্যা দ্বিতীয়বার কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ। তবে জয়া বচ্চনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

শোকস্তব্ধ বলিউড, না ফেরার দেশে চলে গেলেন কো-স্টার রঞ্জন সেহগল

Web Desk: ফের বলিউডে শোকের ছায়া। না ফেরার দেশে চলে গেলেন বলিউডের পরিচিত মুখ রঞ্জন সেহগাল। একাধিক সিনেমার কো-স্টার হিসেবে পর্দায় তাকে দেখা গিয়েছে। কখনও ঐশ্বর্য তো কখনো রনদীপ হুডা সহ একাধিক তারকার সঙ্গে। এছাড়াও টেলিভিশনের হিট ক্রাইম শো ‘ক্রামই পেট্রোল’-এ দেখা যেত তাঁকে।

এক দৈনিক সংবাদ পত্রের খবর অনুযায়ী জানা গেছে, শনিবার মাল্টি অর্গান ফেলিয়োরের কারণে চণ্ডীগড়েই মৃত্যু হয়েছে বলিউডের অভিনেতার। ৩৬ বছর বয়সী এই অভিনেতা থিয়েটার জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট রঞ্জন সেহগল। ‘সবকি লাডলি বেবো’,’ভাগ্য’,‘রিসতা ডট কম’ এর মতো একাধিক টেলিভিশন সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রঞ্জন। ‌শাহরুখ খানের জিরো ছবিতেও অভিনয় করেছেন রঞ্জন। পঞ্জাবি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
Reporter Aniruddha Benerjee

অমিতাভ ও অভিষেক ছাড়া বচ্চন পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনা টেস্ট নেগেটিভ

Web Desk: করোনাভাইরাস আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর ছেলে অভিষেক বচ্চন। তবে উদ্বেগের মধ্যে স্বস্তির ব্যাপার হল, তাঁরা দুজন ছাড়া পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনা টেস্ট নেগেটিভ এসেছে।
করোনা টেস্ট পজিটিভ আসার পর শনিবার সন্ধেয় অমিতাভ ও অভিষেক মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরিবারের বাকি সদস্য জয়া বচ্চন, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ও আরাধ্যার টেস্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানা গেছে।
মৃদু উপসর্গ নিয়ে অমিতাভ ও অভিষেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর ট্যুইট করে জানান বলিউডের মহাতারকা অমিতাভ বচ্চন। এরপর তাঁর ছেলে অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে।

পরীক্ষার রিপোর্ট আসার পর অমিতাভ ট্যুইটে লেখেন, ‘পরীক্ষায় আমার করোনা পজিটিভ এসেছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাচ্ছে। পরিবার এবং কর্মীদেরও করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। ফলের অপেক্ষায় রয়েছি। যাঁরা গত ১০ দিনে আমার কাছাকাছি এসেছেন তাঁদের পরীক্ষা করানোর জন্য অনুরোধ করছি।’’
অভিষেকও ট্যুইটে লিখেছেন, ‘আজ আমার ও বাবার-দুজনেরই কোভিড ১৯ টেস্ট পজিটিভ এসেছে। আমাদের দুজনেরই সামান্য উপসর্গ রয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আমরা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকেই জানিয়েছি। আমাদের পরিবার ও কর্মীদের সকলেরই টেস্ট করা হচ্ছে। সবাইকে শান্ত থাকার ও অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আর্জি জানাচ্ছি। ধন্যবাদ’।
অমিতাভের করোনা সংক্রমণের খবর চাউর হতেই উদ্বিগ্ন সিনেমা মহল ও অনুরাগীরা। তাঁরা প্রবীণ অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা ও শিল্পীরা অমিতাভ বচ্চনের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনা করছেন।
Reporter Aniruddha Benerjee