Web Desk: মারন ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক স্বাধীন সরকার। তিনি মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগরের BJP বিধায়ক। পাশাপাশি আক্রান্ত হলেন এক রেলকর্তা ও চিকিৎসক। গত ২৪ ঘন্টায় মালদহে মোট ৪৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এই প্রথম জেলায় কোনও বিধায়ক করোনা সংক্রমিত হলেন ৷
আক্রান্ত স্বাধীন সরকার বলেন, ‘‘কয়েকদিন ধরে এলাকায় একাধিক কর্মী ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় আমি লালারসের নমুনা পরীক্ষা করাই ৷ আমার জ্বর বা অন্য কোনও উপসর্গ নেই ৷ স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো না হলেও আমি জানতে পেরেছি, আমার রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে ৷ রিপোর্ট জানার পর থেকেই হোম আইসোলেশনে রয়েছি৷ চিকিৎসকেরা যা নির্দেশ দেবে সেই অনুযায়ীই চলব ৷’’ পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত হলেন পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের সহকারী কমার্শিয়াল ম্যানেজারও ৷ দু’দিন আগেই সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজারও করোনায় আক্রান্ত হন ৷ এরপরই দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৷ অন্যদিকে আক্রান্ত সহকারী কমার্শিয়াল ম্যানেজারের স্ত্রী মালদা রেলওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক৷ Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: বিষ সালটা যেন সবকিছুই ওলটপালট করে দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে করোনা ভাইরাসের ত্রাস অন্যদিকে এঁকের পর এক বিপর্যয়ে কোন পথে এগোচ্ছে মানুষের জনজীবন? তবে কি কোনো সংকেত দিচ্ছে ২০২০ সাল ! তথাপি ভারত সহ গোটা বিশ্বে একপ্রকার ধ্বংস স্তুপে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ২৫০ বছরের বেশি পুরনো চার্চ আগুনের ভয়াল গ্রাসে ধ্বংস স্তুপে পরিণত করেছেন।
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অতিপ্রাচীন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের একটি চার্চ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত চার্চটিতে ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সংস্কারকাজ চলছিল। এমন সময় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটল। স্থানীয় সময় শনিবার ভোরের দিকে চার্চটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা অনেক চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর ক্যাপ্টেন পল নেগ্রেতে বলেন, চার্চের ছাদ একেবারে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কাঠের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভেতরেও অনেক ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: রহস্য জনক অবস্থায় মৃত্যু প্রাক্তন সিপিএম বিধায়কের। সোমবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ বিধানসভার বিধায়ক দেবেন রায়কে নিজের বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
Web Desk: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিয়ে ও লোক সমাগম হয় এমন সব সামাজিক অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করছে ইরান। কঠোর ভাবে এই নিষিদ্ধ ঘোষণা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ঘোষণা করেন ,সকল জনসমাবেশ, অনুষ্ঠান ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। কোন বিয়ের অনুষ্ঠান বা শোক সভা আয়োজন করা যাবে না। তিনি আরও জানান, চলতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাও স্থগিত হতে পার। এমন ঘোষণার পরই রাজধানী তেহরানে বিয়ে এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মত সব ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অটোয় করে চলছে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত মৃত দেহ। অ্যাম্বুলেন্সের আকাল তাই বাধ্য হয়ে মৃতদেহ পরিবহন করছে যাত্রীবাহী অটো। সম্প্রতি এমন একটি ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে। জানা গেছে, ঘটনাটি তেলেঙ্গানার নিজামবাদে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিড়িও ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, অটোর পিছনের সিটে PPE কিট পরে বসে আছে এক ব্যক্তি ৷ আর তার পায়ের কাছে ত্রিপলে মোড়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃতের দেহ ৷ জানা গেছে, PPE কিট পরা ওই ব্যক্তি পৌরনিগমের এক কর্মী৷ একটি সরকারি হাসপাতালে শুক্রবার মৃত্যু হয় ওই করোনা আক্রান্তের। কিন্তু, অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় ওই মৃতদেহটি অটোয় চাপিয়ে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়৷ ইতিমধ্যেই ঘটনাটি সামনে আসতেই নিজ়ামাবাদের জেলাশাসক সি নারায়ণ রেড্ডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ৷ পাশাপাশি পৌরনিগমের ওই কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে ৷ Reporter Aniruddha Benerjee
বিনা চিকিৎসায় মারা গিয়েছেন তাঁদের ছেলে। আর তার জন্য যে হাসপাতাল এবং তার কর্মীরা দায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানালেন ইছাপুরের শুভ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মা শ্রাবণী। রবিবার সকালে তিনি বেলঘড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।শুক্রবার প্রায় ১১ ঘণ্টা একের পর এক হাসপাতালে ছেলের চিকিৎসা করাতে ঘুরে বেড়ান শুভ্রজিতের বাবা-মা। কিন্তু কোথাও চিকিৎসা না পেয়ে মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন। সেখানেও প্রথমে ভর্তি নিতে চায়নি হাসপাতাল এমনটাই অভিযোগ। শেষে শ্রাবণী হাসপাতালের ভিতর ঢুকে আত্মহত্যার হুমকি দিলে শুভ্রজিতকে ভর্তি নেওয়া হয়। শুক্রবার রাতেই মৃত্যু হয় শুভ্রজিতের। পরিবারের অভিযোগ, কার্যত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে তাঁদের ছেলের।শ্রাবণী এ দিন তাঁর অভিযোগে, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় কামারহাটি ইএসআই হাসপাতালে ছেলেকে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে বেলঘড়িয়ার বেসরকারি নার্সিং হোম, সাগর দত্ত হাসপাতালে যাওয়া এবং সেখান থেকে মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে কী অবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন তা বিস্তারিত জানিয়েছেন। তার সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়েও। তিনি তাঁর লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, ‘‘স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে তাঁদের কাছে আমার ছেলের কোভিড পজিটিভ হওয়ার কোনও তথ্য নেই। তবে কিসের ভিত্তিতে আমার ছেলেকে কোভিড পজিটিভ বলা হচ্ছে? কেনই বা আমার ছেলের দেহও আমি দেখতে পাচ্ছি না শেষ বারের মত?”শ্রাবণী তাঁর লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন,‘‘আমার ছেলেকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করুন।” ব্যারাকপুর কমিশনারেটের এক কর্তা বলেন, ‘‘আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সেই বয়ান অনুযায়ী তদন্ত করে দেখা হবে।”রবিবার দুপুরেও শুভ্রজিতের বাবা বিশ্বজিত এবং মা শ্রাবণী গিয়েছিলেন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁরা আবেদন জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে, অন্তত একবার ছেলের দেহ যেন দেখতে দেওয়া হয়। কিন্তু কোভিড পজিটিভ সন্দেহে ভর্তি হওয়ায়, শুভ্রজিতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। দেখতেও দেওয়া হয়নি। যদিও সম্প্রতি স্বাস্থ্য দফতর নতুন নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, যে কোভিডে মৃত্যু হলেও, পরিবারকে অন্তত আধঘণ্টা শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে। দেখতে দেওয়া হবে মৃতকে। শ্রাবনীর অভিযোগ, ‘‘এদিন তিনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বার বার অনুরোধ করার পরও ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”
কবে আসবে করোনার রোখার ভ্যাকসিন? তীর্থের কাকের মতো চেয়ে বসে আছে গোটা বিশ্ব। এদিকে ক্রমশ দাপট বাড়াচ্ছে অদৃশ্য এই শত্রু। এর মাঝেই আশার আলো দেখাল রাশিয়া। মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিনের মানবদেহে সফল প্রয়োগ হয়েছে। স্বভাবতই তাঁদের দাবিতে উচ্ছ্বসিত গোটা বিশ্ব। তবে এর আগেও একাধিক দেশ দাবি করেছে তাঁরা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছেন, কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। ফলে এবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না তো, সেই আশঙ্কায় ভুগছে চিকিৎসক মহল। মস্কোর সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম মানব শরীরে করোনার ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগ করেছে বলে দাবি। ইন্সটিটিউট অফ ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি-র ডিরেক্টর ভাদিম তারাসোভ জানিয়েছেন, এক দল স্বেচ্ছাসেবকের উপরে এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম দলকে আগামী বুধবার ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর দ্বিতীয় দলটি আগামী ২০ জুলাই বাড়িতে ফিরতে পারবেন।জানা গিয়েছে, রাশিয়ার গামালেই ইন্সটিটিউট অফ এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি করোনার এই ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে। গত ১৮ জুন সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করে। সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ভেক্টর বর্ন ডিজিসেস-এর ডিরেক্টর অ্যালেক্সজান্দ্রা লুকাসেভ জানিয়েছেন, ট্রায়ালের এই পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল মানব শরীরে এই ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ তা খতিয়ে দেখা। এই পরীক্ষা সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়েছে। যা বিশ্বে এই প্রথম। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্লিনিক্যাল টেস্টেই তা প্রমাণিত হয়েছে।’ আরও ভ্যাকসিন তৈরির ভাবনা তাদের আছে বলে জানিয়েছে ওই রুশ বিশ্ববিদ্যালয়টি। তবে এর আগেও একই আশার আলো দেখিয়েছিল একাধিক দেশ। কিন্তু বাজারে এখও ভ্যাক্সিন অমিল। ফলে এক্ষেত্রেও তীরে আসে তরী ডুববে না তো, আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
ঢাকা: মানবতার সেবায় নাম লিখিয়ে বাংলাদেশের মেয়ে অণুজীব বিজ্ঞানী ডা. সেঁজুতি সাহা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরামর্শক হিসেবে নিযুক্ত হলেন। তিনি সংস্থাটির ‘দ্য পোলিও ট্রানজিশন ইন্ডিপেনডেন্ট মনিটরিং বোর্ডে’ (TIMB) নিয়োগ পেয়েছেন। সেঁজুতি বর্তমানে বাংলাদেশের শিশু বিষয়ক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে (CHRF) কর্মরত। বৈশ্বিক করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর গত মে মাসে বাবার সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাসের জিন-নকশা (জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করে শিরোনামে আসেন সেঁজুতি। তাঁর বাবা সমীর সাহা চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা শিশু হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক।শুক্রবার CHRF’র ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিআইএমবি প্রকল্প মূলত বিশ্বব্যাপী পোলিও রোগের বিস্তার নিয়ে কাজ করে। ২০১৮ সালের মে মাসে অনুমোদনের পর থেকে পোলিও সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করছে WHO। বোর্ডের আরও দুই সদস্যের সঙ্গে সেঁজুতি সাহা মূলত WHO’র মহাপরিচালক পর্যায়ে পোলিও সংক্রমণ প্রক্রিয়াটির অগ্রগতি বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বোর্ডে সভাপতি ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা স্যর লিয়াম ডোনাল্ডসন। তিনি একইসঙ্গে লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক। সেঁজুতির সহকর্মী বোর্ডের বাকি দুই সদস্য হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক শেইলা লেথারম্যান ও নাইজেরিয়ার চিকিৎসক ডা. লোলা ডেয়ার।
এবার মুরগির খামার তৈরিতেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠল বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, খামার তৈরির নামে প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন মালদহের (Maldah) বামনগোলা ব্লকের মহেশপুর-গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত।জানা গিয়েছে, মালদহের বামনগোলায় মহিলাদের স্বনির্ভর করতে প্রশাসনের তরফে মুরগির খামার তৈরির কাজ চলছে। অভিযোগ, খামার তৈরির যে কাজ করতে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়, বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান সেই কাজের খরচ দেখিয়েছেন ১ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা! তার দেওয়া খরচের হিসেব অনুযায়ী, ৫ টি টিনের দাম ৬০ হাজার টাকা। টিন লাগাতে যে স্ক্রু ব্যবহার করা হয়, তার দাম ধরা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এই হিসেব প্রকাশ্যে আসতেই প্রধান প্রতিমা মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, খামার বাবদ ২ কোটি টাকা পকেটে পুড়েছেন প্রধান।যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি প্রধান প্রতিমা মণ্ডলের। তাঁর কথায়, “আমি খামার তৈরিতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলাম না। অকারণে দোষারোপ করা হচ্ছে।” এ প্রসঙ্গে বামনগোলার বিডিও বলেন, ” অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখা হবে।” একই আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসকও। তবে এই ঘটনায় বেশ বিপাকে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু জানিয়েছেন, ” তদন্ত শেষ হলেই সত্য প্রকাশ্যে আসবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।”