Web Desk: খুন না আত্মহত্যা ! রহস্য জনক মৃত্যু উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের BJP বিধায়ক দেবেন্দ্র নাথ। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ তাঁকে খুন করা হয়েছে। খুন করার অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের দাবি করেছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার BJP সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ি ৷
রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার নিল সিআইডি। নবান্ন সূত্রে খবর, সিআইডির স্পেশ্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট পদমর্যাদার এক আধিকারিকের হাতে এই ঘটনা তদন্তভার দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। তার নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ পেয়েই ঘটনার তদন্তে নেমে পড়েছেন সিআইডি আধিকারিকরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সিআইডির পাশাপাশি বিকেলেই ঘটনাস্থলে গিয়ে খতিয়ে দেখেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং অটোপ্সি সার্জেন। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: করোনা ভাইরাস মহামারিতে রাজ্যে কলেজ ইউনিভার্সিটির পড়ুয়াদের পরীক্ষা নিয়ে সংঘাত স্পষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ইউজিসি-র নির্দেশিকা মেনে চূড়ান্ত বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা আবশ্যিক করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের বিপাকে ফেলে পরীক্ষার আয়োজন করা যাবে না। সোমবার রাজ্যপালকে এই কথা জানিয়েছেন রাজ্য সরকার। এরপরেই রাজ্য সরকারের কথায় সায় মিলিয়ে ইউজিসিকে সুপারিশ করবে ধনকড়।
সোমবার রাজ ভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠকে পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে কোনও মতেই বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পরীক্ষার আয়োজন করা সম্ভব নয় তা স্পষ্ট করেন। ইউজিসির নির্দেশিকার সব দিক নিয়ে আলোচনা করার পরে রাজ্য প্রশাসনের তরফে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: লকডাউনে ঘরবন্দী সকলেই। এই ফাকে শহর মফস্বলের রাজপথ দখলে বন্য জন্তুদের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বেশ কিছু ছবি যেখানে শহরের রাস্তায় খোশ মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে গজরাজ থেকে শুরু করে সিংহ, হরিনের দল, কুমির সহ আরও অনেক প্রানী। খোলা রাস্তায় দেখা মিলেছে ময়ূরের। এবার জঙ্গলে দেখা মিলল ব্লাক প্যান্থরের।
বুধবার গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত তাঁর টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক ব্ল্যাক প্যান্থারের ছবি শেয়ার করেছেন। পোষ্টে তিনি জানান, ছবিটি তোলা হয়েছে দক্ষিণ গোয়ার নেত্রবালী অভয়ারণ্যে। সেখানেই দেখা গিয়েছে এই প্রাণীটিকে। খোশ মেজাজে জঙ্গলের পুকুরের ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে এই কালো বাঘ। এক বন বিভাগের আধিকারিক জানান, ওই অরণ্যে বাঘ থাকলেও ব্ল্যাক প্যান্থারের ক্যামেরাবন্দি হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত আনন্দজনক। ব্ল্যাক প্যান্থারের ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: করোনার প্রকোপে গোটা দেশ জুড়ে লকডাউন চলছে। ইতিমধ্যেই ফের লকডাউন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী। এমন পরিস্থিতিতে অত্যবশ্য পন্যের দোকান ছাড়া বন্ধ সবকিছু। শহরের হোটেলে,ধাবা, থেকে শুরু করে চায়ের দোকানে সবকিছুই বন্ধ। ফলে খাবারের অভাবে পথ কুকুরা। এমন পরিস্থিতিতে খাবারের খোঁজে গলায় বোর্ড লাগিয়ে রাস্তায় ঘুরছে কুকুর।
অনেকেই এগিয়ে এসেছেন এই পথ কুকুরদের খাবারে জন্য। পুলিশের পক্ষ থেকে এবং অনেক স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা থেকে এদেরকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে সব ছবি জ্বলজ্বল করছে। কিন্তু এরই মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ছবি। যেখানে দেখা গিয়েছে গলায় ঝুলছে একটি বোর্ড, যেখানে লেখা রয়েছে আমাকে খাবার দিন। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: গোটা বিশ্বে আজ ত্রাস হয়ে দাঁড়িয়েছে মারন ভাইরাস করোনা। এখনও পর্যন্ত আনুমানিক ৪০ লাখের কাছাকাছি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যাটাও দু’লক্ষ বেশি ছাড়িয়েছে। নিদ্দিষ্ট হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে পারেনি বেশ কিছু দেশ, পাশাপাশি মারন ভাইরাস সংক্রমণের কথাও বেশ কিছু দেশ প্রথমার্ধে অস্বীকার করেছেন। গোটা বিশ্বের ১৩৪ টির বেশি দেশে থাবা বসিয়েছে। ভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যুর শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। তবে এশিয়ান দেশ চিন থেকে উৎপত্তি হলে এশিয়ান দেশগুলিতে ভাইরাসের থাবায় মৃত্যুপুরী তৈরি হতে পারেনি। কিন্তু একটা প্রশ্ন সকলের মনে এই ভাইরাসের নাম কেন করোনা হল?
সম্প্রতি এই ভাইরাসের নাম কেন করোনা হল তা নিয়ে তোলপাড় নেট দুনিয়ায়। নতুন বছরের শুরু থেকেই ‘করোনা বিয়ার ভাইরাস’ নিয়ে ‘সার্চ’ বেড়ে চলেছে গুগলে। মানুষের ধারণা হয়েছিল জনপ্রিয় মেক্সিকান বিয়ার ‘করোনা এক্সট্রা বিয়ার’ থেকেই ছড়িয়েছে এই ভাইরাস, আর সে কারণেই এমন নামকরণ। ’গুগল ট্রেন্ড’ অনুযায়ী, গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ‘করোনা বিয়ার ভাইরাস’ নিয়ে খোঁজ বেড়ে যায় ২৩০০ শতাংশ। ‘বিয়ার ভাইরাস’ লিখে খোঁজ বেড়ে যায় ৭৪৪ শতাংশ। আর ‘বিয়ার করোনা ভাইরাস’ লিখে খুঁজেছিলেন ৩২৩৩ শতাংশ উৎসুক মানুষ।
এই পরিস্থিতিতে বেশ অস্বস্তিতেপড়ে জনপ্রিয় ওই বিয়ার কোম্পানি। তাদের জোর গলায় বলতে হয় যে, ওই ভাইরাসের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। মেক্সিকোর কোম্পনি সের্ভেসেরিয়া মোদেলোর তৈরি এই বিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি করে কনস্টেলেশন ব্র্যান্ড। এই ব্র্যান্ডের পরিচালক ম্যাগি বোমান গত ২৯ জানুয়ারি বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, “আমরা ভীষণভাবে বিশ্বাস করি, গ্রাহকরা ভালো করেই বোঝেন- আমাদের ব্যবসা এবং ওই ভাইরাসের মধ্যে কোনো যোগসূত্র নেই।” করোনা একটি ল্যাটিন শব্দ। স্প্যানিশ ভাষাতেও শব্দটি রয়েছে। আর করোনা বিয়ারের উৎস মেক্সিকো। ফলে মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন রয়ে যায়, তাহলে করোনার নামকরণ কিভাবে হল ?
গ্রাচীন গ্রিক শব্দ করোন (পুষ্পমাল্য বা পুষ্পমুকুট) শব্দ থেকে সপ্তদশ শতকের দিকে ল্যাটিন ভাষায় শব্দটি স্থান পায়। অন্যদিকে সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল যে আলোর বলয় (সাধারণভাবে পূর্ণগ্রাস গ্রহণের সময়ই কেবল দেখা যায়) রয়েছে, তা ওই মুকুটের মত দেখায় বলে জ্যোতির বিজ্ঞানীরা একেও করোনা বলেন অবহিত। করেন।
আবার ড্যাফোডিলের পাপড়ির বেষ্টনের মাঝে যে অংশটি ট্রাম্পেটের মত বেরিয়ে থাকে, সেটাকেও উদ্ভিদ বিজ্ঞানে করোনা বলে। ইলেকট্রনিক্স অনুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখলে এই মারন ভাইরাস করোনা পরিবারের সব সদস্যের মূল কাঠামো দেখতে ওই ড্যাফোডিল ফুলের পাপড়ির ট্রাম্পেট বা ফানেলের মত অসংখ্য কাঁটা দেখা যায়। যা মনে হয় রাজমুকুটের উপর থরে থরে সাজানো দণ্ড। আর এর থেকেই এই ভাইরাসের নাম হয়েছে করোনা।
এই করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে ১৯২৫-৩০ এর দশকের দিকে। বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল সায়েন্স ডাইরেক্ট ডটকমে ২০১২ সালের এক নিবন্ধে বলা হয়, মুরগির ‘অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশন‘ দেখা দিলে জানা যায় ইনফেকশাস ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস (আইবিভি) এর মূল কারণ। আর মানুষের দেহে প্রথমবারের মত করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায় ষাটের দশকে। তবে বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন পত্রিকাতে প্রকাশিত তথ্যে একেক বিজ্ঞানী এক এক ধরনের মত প্রকাশ করেছেন।
কিন্তু প্রশ্ন একটাই রয়ে যায় নব্বইয়ের দশকে ভাইরাস সনাক্ত করা হলেও তার টিকা কেন আবিষ্কার করতে পারেনি ? কেনই বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই মারন ভাইরাসকে প্রথমার্ধে গুরুত্ব দেয়নি। এটি একটি নিছক প্রকৃতির রোষ নাকি অন্য কোন পরিকল্পনা। ভাইরাস নিয়ে ইতিমধ্যেই কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু করেছেন আমেরিকার ও চিন। কিন্তু আমেরিকার এক পত্রিকায় বলা হয়েছে এই ভাইরাস নাকি সর্বপ্রথম আমেরিকার সেনাবাহিনীর দেখে সংক্রমিত হয়। কারন চিনের উহান প্রদেশে মোতায়েন ছিল আমেরিকার সেনাবাহিনী। যদিও এখন সেসব নিয়ে মাথা ঘামানো মানে মাথা ব্যাথা করা বলে মনে করছেন। আর ট্রাম চিন কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একথা মানতে নারাজ। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এখনও দেশ জুড়ে জারি রয়েছে লকডাউন। সাধারণ মানুষকে গৃহবন্দি রাখার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের সরকারের। কিন্তু তা সত্ত্বেও কে শোনে কার কথা? দিব্যি চোর-পুলিশ খেলা করছেন লকডাউনের নিয়ম ভঙ্গকারীরা। কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যে কতটা প্রয়োজনীয়, সে বিষয় অজানা নয় কারো।
অথচ যারা সামাজিক দূরত্ব বজায়ের প্রয়োজনীয়তার বিন্দু বিসর্গও জানে না সেই বানরেরা দিব্যি মেনে চলছে নিয়ম। অবাক লাগলেও সম্প্রতি এমনই একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। যাতে দেখা গেছে, নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রেখেই দিব্যি খাওয়া-দাওয়া করছে তারা।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ছবিটি ট্যুইট করেন। তাতে দেখা গেছে একজন যুবক কিছু তরমুজ কেটে বানরের হাতে দিচ্ছেন। রাস্তার একাংশ জুড়ে বসে রয়েছে বেশ কয়েকটি বানর। তবে প্রত্যেকেই নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রেখে বসে আছে। তারা এক এক করে হাত বাড়িয়ে ওই তরমুজ নিচ্ছে। এভাবেই কলাও নিয়েছে তারা। কোনও তাড়াহুড়ো না করে দিব্যি দূরত্ব বজায় রেখে খাবার খাচ্ছে বানরেরা। কিরেণ রিজিজুর পোস্ট করা ছবি নিয়ে রীতিমতো হইচই। নেটিজেনদের মন ছুঁয়েছে ছবিতে দেখতে পাওয়া বানরগুলো। অনেকেই অবাক হয়ে লিখেছেন, “বানরেরা তো সামাজিক দূরত্ব সম্পর্কে কিছুই জানে না। তা সত্ত্বেও কীভাবে তা বজায় রাখছে তারা?” কেউ কেউ আবার বলছেন, “মানুষের থেকে জীবজন্তুরা যে অনেক বেশি শৃঙ্খলাবদ্ধ জীব, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এ ছবি যেন আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল।”সাধারণ মানুষকে লকডাউনের জন্য বোঝাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকর্মীদের। তা সত্ত্বেও নিয়ম মানতে নারাজ তারা। অথচ বানরেরা কিছু না জানা সত্ত্বেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছে। প্রশ্ন উঠছে, অবলা পশুদের থেকেও কি কোনও শিক্ষা নিতে পারি না আমরা? Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই মাথা যুক্ত সাপের ভিডিও কে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই বিরল প্রজাতির সাপের খোঁজ মিলেছে ওড়িশা রাজ্যে। সম্প্রতি টুইটারে বন দপ্তরের কর্মীদের ওই বিরল প্রজাতির সাপের ভিডিও পোস্ট করেছেন।
ভিডিওটিতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে সাপটির শরীর এক কিন্তু মাথা দুটো। বন দফতরের আধিকারিট সুশান্ত নন্দ শেয়ার করেন ওই ভিডিওটি। জানা গিয়েছে ওই সাপটি বিষধর নয়। দুটো মাথা একেবারে ঠিকঠাক ভাবে গঠিত। দুটো মাথাই তার স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করে। দুটি মাথায় মিলিয়ে সাপটির মোট চারটি চোখ ও দুটি জিভ রয়েছে। তবে মাথা আলাদা হওয়ার দিশা খুঁজে না পেয়ে শিকার নিয়ে লড়াই চলে দুই মস্তিষ্কের মধ্যে।
বন আধিকারিক সুশান্ত নন্দ সাপটির ভিডিয়ো শেয়ার করে লিখেছেন, ‘বিরল প্রজাতির এই দুই মাথার সাপটিকে উদ্ধার করা হয়েছে দেহনকিখোটে ফরেস্ট রেঞ্জের কেওনঝড় জেলার একটি বাড়ি থেকে। এরপরে সাপটিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: সিনেমা দেখে স্টান্ট করতে গিয়ে ফাঁপরে পড়লেন পুলিশ কর্মী। মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় পুলিশ কর্মীর কৃতকর্ম। এরপরেই ভিডিও পৌঁছে যায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে। তাদের নজরে আসতেই ওই পুলিশকর্মীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, পাশাপাশি খুব ধীরে ধীরে যাচ্ছে দু’টি গাড়ি। চলন্ত দুই গাড়ির ছাদে নিজের দু’পা রেখে দাঁড়িয়ে আছেন ওই পুলিশকর্মী। চোখে সানগ্লাস পরে সেই অবস্থাতেই বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করছেন তিনি। সে সময় পিছনে বাজছে ‘সিংঘম’ ছবির গান। অজয় দেবগণের প্রথম ছবি ‘ফুল অউর কাঁটে’তে দু’টি বাইকে পা রেখে কলেজে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সেই ভঙ্গিরই নকল করেছেন ওই পুলিশকর্মী।জানা গিয়েছে, ওই পুলিশকর্মীর নাম মনোজ যাদব। তিনি মধ্যপ্রদেশের দামো জেলার নরসিংহগড় থানার কর্মী। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: আমরা মনে করি মনের মধ্যে কষ্ট হলে তা কান্না হয়ে ঝরে পড়ে। কিন্তু সকলেরই জানা পুরুষেরা কাঁদতে জানে না। এমনটাই কথিত আছে। পুরুষের চাইতে নারীরা বেশি কান্না করেন। অনেকেই মনে একটা প্রশ্ন রয়ে যায় নারীরা কেন কথায় কথায় কান্না করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক এই ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা কি বলছেন….
গবেষকদের মতে, নারীকে মনে করা হয় সৌন্দর্য্যের প্রতীক। কোমলতা আর নরম মনের অধিকারী তারা। মূলত এই কারণেই তারা বেশি কাঁদে। তাই তাদের সারাজীবন শুনতে হয়, ‘মেয়েরা নাকি কথায় কথায় কাঁদে’। যা পুরুষদের ক্ষেত্রে ভিন্ন। নেদারল্যান্ডসের টিনবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট অ্যাড ভিঙ্গারহোয়েটস-এর এক গবেষণাতেও একই তথ্য দিচ্ছেন।
গবেষণায় ভিঙ্গারহোয়েটস সাত দেশের ৫ হাজার নারীর উপর সমীক্ষা চালিয়ে। তিনি জানান, মেয়েরা বছরে ৩০ থেকে ৬৪ বার অশ্রুপাত করেন। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৬ থেকে ১৭ বার। গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের কান্নার সময়কালও বেশি। তাদের কান্না গড়ে ছয় মিনিট ধরে স্থায়ী হয়। অপরদিকে পুরুষের কান্না দুই থেকে তিন মিনিট। কান্নার উপর অধ্যাপক অ্যাড ভিঙ্গারহোয়েটস ‘হোয়াই অনলি হিউম্যানস উইপ: আনর্যাভেলিং দ্যা মিস্ট্রিজ অফ টিয়ারস’ নামের একটি বইও রয়েছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: পৃথিবীর আলো দেখার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। নিকৃষ্ট ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে পশু প্রেমী মানুষদের। কয়েকদিন আগেই গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল অষ্ট্রেলিয়ার অগ্নি গ্রাসে ধ্বংসের মুখে জঙ্গল থেকে ১০০-এর বেশি কোয়ালার বাচ্চা উদ্ধারের ঘটনা। এবার সেই অবলা প্রানীই জীবনযুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন পৃথিবীর অপর প্রান্তে।
ঘটনাটি ওড়িশার ভুবনেশ্বরের সামান্তারাপুর এলাকায়। এক পথ কুকুরকে রড নিয়ে আক্রমন করলেন এক মহিলা। রডের আঘাতে রাস্তার উপর সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। জানা গেছে শুধু ওই মহিলাই নয় মহিলার সঙ্গে প্রতিবেশী আরও কিছু মানুষ যুক্ত হন । তবে কী জন্য এই আক্রমণ, সেটা জানা যায়নি।
এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে কুকুরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। উদ্ধার করার সময়ই দেখা যায়, কুকুরটি অন্তঃসত্ত্বা। ওইরকমভাবে মারার পর হাসপাতালেই দুটি অপরিণত বাচ্চার জন্ম হয়। একটি ইতিমধ্যেই মারা গেছে, আরেকটি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। মা-কুকুরটি এখন কিছুটা সুস্থ আছে। কিন্তু তার সন্তানের কী হবে, তা এখনই বলতে পারছেন না ডাক্তাররা। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত মহিলার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে থানায়। পুলিশও যথাযথ সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সর্বত্র। সোশ্যাল মিডিয়ার ছড়িয়ে পড়েছে এই খবর। Reporter Aniruddha Benerjee