Webdesk: নিজে বাঁচলে পরিবার প্রতিবেশী দেশ বাঁচবে। কিন্তু বর্তমানে মহাগ্রাসী করোনা কে গুরুত্ব না দিয়ে মুখে মাস্ক না পড়ে যেন যুদ্ধজয়ে বেরিয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে সেই জন্য ফের বালি এলাকার ৫২ ৫৩ ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের বালি হপ্তা বাজার,বালি বাজার,বেলুড় স্টেশন রোড সংলগ্ন বাজারের দোকান খোলার সময় বেঁধে দিল পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসন ব্যবসায়ী সমিতি গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজ অর্থাৎ বুধবার থেকে বালি থানা এলাকার তিনটি বাজার সহ সমস্ত দোকান শুধু সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে,শুধুমাত্র ওষুধের দোকান সারাদিন খোলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। Jr.Reporter: D Mukherjee
Web Desk: WBBSE Result 2020: করোনা আবহে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ। ১৩৯ দিন পর প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফল। এবার ১০ লক্ষ ৩ হাজার ৬৬৬ জন পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক দিয়েছে। ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২.৭২ শতাংশ বেশি। ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৭০ জন বেশি। সাফল্যের হার সর্বাধিক পূর্ব মেদিনীপুরে। পূর্ব মেদিনীপুরে সাফল্যের হার ৯৬.৫৯ শতাংশ। তার পরে স্থান পশ্চিম মেদিনীপুর ও কলকাতার। তার পরে স্থান দুই ২৪ পরগনার। কলকাতায় পাসের হার ৯১.০৭ শতাংশ। পশ্চিম মেদিনীপুরে পাসের হার ৯২.১৬ শতাংশ। রাজ্যের ৪৯টি কেন্দ্র থেকে মার্কশিট বিলি। প্রথম স্থানে মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল স্কুলের অরিত্র পাল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪।
করোনা সংক্রমণ থেকে যাত্রীদের বাঁচাতেই এই কোচ বিশেষভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে।
Web Desk: করোনাকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচতে হবে। এটা এখন আমরা প্রায় সবাই বুঝে গিয়েছি এবং বাস্তব পরিস্থিতি মেনেও নিয়েছি। টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। দেশে করোনার সংক্রণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ রেল পরিষেবা। ভারতীয় রেলের তরফে জানানো হয়েছে, অগাস্ট পর্যন্ত কোনও ট্রেন চলাচল সম্ভব নয়। তবে ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই বলছেন, তার পরও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক হবে কি না সন্দেহ রয়েছে। তবে রেল ইতিমধ্যে করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে উঠে পড়ে লেগেছে। এরই মধ্যে একটি বড়সড় পপদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় রেল। ভারতীয় রেল ইতিমধ্যে পোস্ট কোভিড কোচ বানাতে শুরু করেছে। যাত্রীদের করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল। এই কোচে একাধিক সাবধানতা অবলম্বন করা হবে। করোনার সংক্রমণঁ থেকে বাঁচতে যাত্রীদের যত বেশি সম্ভব সুরক্ষা দিতে চাইছে রেল। জানা যাচ্ছে, আপাতত কয়েকটি রুটে চলবে এই পোস্ট কোভিড কোচ। কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ধীরে ধীরে বহু রুটে এই কোচ নামাবে রেল। করোনা সংক্রমণ থেকে যাত্রীদের বাঁচাতেই এই কোচ বিশেষভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে। কোচের জানালা, দরজার ছিটকিনি ও হাতল কপার কোটেড করা হবে। কপার কোটেড কোনও কিছুর উপর করোনাভাইরাস বেশিক্ষণ জীবিত থাকতে পারে না। অনেক সময় কপার কোটেড জিনিস থেকে করোনা নিচে পড়ে যায়। এছাড়া কোচে প্লাজমা এয়ার পিউরিফায়ার লাগানো থাকবে। যাতে কোচের বাতাস বিশুদ্ধ রাখা যায়। টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইডের প্রলেপ দেওয়া থাকবে সিটের উপর। এছাড়া বেসিন ও টয়লেটের জল ব্যবহারের হাতল পা দিয়ে অপারেট করা যাবে। এতে হাত দিয়ে ধরার প্রয়োজন পড়বে না। এমনকী ওয়াশ বেসিন-এর উপরও কিছু জায়গায় কপার কোটিং করানো হবে। পাঞ্জাবের কপুরথালাতে এই কোচের উত্পাদন শুরু হয়ে গিয়েছে। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: মুম্বইয়ের ব্যান্ডস্ট্যান্ডের সি স্প্রিংস বাংলোয় রেখার ২ নিরাপত্তা রক্ষীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই জল্পনা শুরু হয়। রেখার বাংলোর দুই নিরাপত্তা রক্ষীর রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর বিএমসির তরফে তাঁদের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছে তাঁদের চিকিতসা
বাংলোর দুই নিরাপত্তা রক্ষীর করোনার টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর রেখার বাসভবনের আরও ৪ নিরাপত্তা রক্ষীর কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে
অর্থাত রেখার মুম্বইয়ের বাংলোর মোট ৬ জন নিরাপত্তা রক্ষী করোনা পজিটিভ বলে খবর
বাড়ির একের পর এক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরও নিজের কেভিড টেস্ট করাতে বিএমসির আধিকারিকদের বাংলোয় ঢুকতে দিচ্ছেন না রেখা। শুধু তাই নয়, বর্তমানে তিনি ভাল আছেন। তাই বিএমসির আধিকারিকদের হাতে করোনা পরীক্ষা করাবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় অভিনেত্রীর ম্যানেজারের তরফে। এমনকী, রেখার বাংলো সান্যানিটাইজ করতে গেলে, তখনও বিএমসির আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয় বলে খবর
রেখা কারও সংস্পর্শে আসেননি। ফলে তাঁর শরীর সুস্থ রয়েছে বলেই তিনি করোনা টেস্টে আপত্তি করছেন বলে খবর Reporter Aniruddha Benerjee
Edu Webdesk: আজ সকালে নিবেদিতা ভবন থেকে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এবছরের মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হলো।এবারে পাশের হার শতকরা ৮৬.৩৪%শতাংশ।তারমধো ছাত্ররা পরীক্ষা দিয়েছে ৪৩৭৯৯৮ জন।ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছেন ৫৬৫৬৬৮ জন। এবার ফলাফল ১৩৯ দিন পর প্রকাশিত হল।ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২৭৬৭০ জন প্রায় ১২% বেশি ।পাশের হার হিসাবে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুর ৯৬.৫৯% , দ্বিতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর ৯২.১৬% তৃতীয় স্থানে কলকাতা ৯১.০৩% দখল করেছে।পর্ষদ সভাপতি সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।পাশাপাশি এক থেকে দশম স্থান পর্যন্ত সকলের নাম প্রকাশ করেন।প্রথম স্থান পায় অরিত্র পাল,মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল স্কুল তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪[৯৯.১৪%] দ্বিতীয় সায়ন্তন গড়াই,অভীক দাস তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩,তৃতীয় স্থানে আছেন ৩জন সৌম্য পাঠক,অরিত্র মাইতি,দেবস্মিতা মহাপাত্র।।২২ শে জুলাই সকাল ১০টা থেকে রাজ্যের ৪৯ টি ক্যাম্প অফিস থেকে অভিভাবকদের মার্কশিট গ্রহণ করতে হবে ।। Jr.Reporter: Debika Mukherjee
মাধ্যমিকে তৃতীয় রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অরিত্র মাইতি
মাধ্যমিকে তৃতীয় সৌম্য পাঠক প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০
কাটোয়া থেকে যুগ্ম দ্বিতীয় অভীক দাস কাটোয়া কাশিরাম দাস হাইস্কুল
বাঁকুড়া থেকে দ্বিতীয় সায়ন্তন গড়াই, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩ বাঁকুড়া ওন্দা হাইস্কুল
পূর্ব বর্ধমান থেকে প্রথম অরিত্র পাল, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪ মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল
ছাত্রী পরিক্ষার্থী বেশি ১২.৭২ শতাংশ। সামগ্রিক গ্রেড দেওয়া হয়েছে। ছাত্রী পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৭০ জন বেশি। সাফ্যলের হারে ছাত্রীরা সামান্য পিছিয়ে। পুর্ব মেদিনীপুর সাফল্যের হারে প্রথম। ৯৬.৫৯ শতাংশ। মোট পরিক্ষার্থী ১০ লক্ষ ৩ হাজার ৬৬৬। সাফল্যের হারে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর ও কলকাতা। কলকাতায় পাসের হার ৯১.০৭ শতাংশ। চতূর্থ ও পঞ্চম স্থানে সাফল্যের হারে দুই ২৪ পরগনা।
মোট ৪৯ টি ক্যাম্প অফিসের মাধ্যমে ২২ জুলাই মার্কশিট মিলবে স্কুলে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ১ সপ্তাহ সময়। সফল পরিক্ষার্থী ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৩০৫। মোট পাস করেছে ৮৬.৩৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ছাত্র পাস ৮৯.৮৭ শতাংশ। ছাত্রী ৮৩.৪৮ শতাংশ
কলকাতায় পাশের হার ৯১.০৩ শতাংশ
এবছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৫৬৫৬৬৮
এবছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৪৩৭৯৯৮
এবছর করোনা আবহে ১৩৯ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হচ্ছে
প্রকাশিত হচ্ছে এছরের মাধ্যমিকের ফল। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, অন্যান্যবারের মতো সকাল ৯টায় না, এবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হবে ফল। wbresults.nic.in ওয়েবসাইটে রেজাল্ট জানা যাবে। পরীক্ষার্থীদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে মার্কশিট দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষার্থীরা গিয়ে মার্কশিট নিতে পারবে না। অভিভাবকদের গিয়ে মার্কশিট সংগ্রহ করতে হবে। এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা হয় ১৮ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৮০। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: বুধবারই যে ফলপ্রকাশ হবে তা শোনার পর আতঙ্কিত হয়ে যায় সে। ফল যে ভাল হবে না, সে বিষয়ে যেন নিশ্চিতই ছিল জিতেন্দ্র গুপ্তা নামে এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। আর সেই অনিশ্চয়তার জেরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিল সে। বাড়ি থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছে।ফল খারাপের ভয়। রেজাল্ট বেরোনোর আগেই আত্মঘাতী হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাজাবাগান থানা এলাকার মিঠা তালাওয়ে ঘটনাটি ঘটে। এখানেই থাকত জিতেন্দ্র গুপ্তা (১৭)। এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে সে। পরীক্ষা দেওয়ার পর থেকেই সে ভয় পেত যে, তার পরীক্ষার ফল ভাল হবে না। রেজাল্টের দিন যত এগিয়ে আসে, এই ভয় তাকে তত গ্রাস করতে থাকে। এদিন বাথরুমে একটি রড থেকে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে তাকে ঝুলতে দেখা যায়। রাজাবাগান থানার পুলিশ খবর পেয়ে তার দেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তে বাড়ির মধ্যে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে।
তাতেই ভয়ের কথা লিখে গিয়েছে সে। পুরো ঘটনাটির তদন্ত চলছে। আচমকা ছেলের এমন আত্মহননের সিদ্ধান্তে স্তম্ভিত গোটা পরিবার। কীভাবে কঠিন বাস্তব মেনে নেবেন, তা যেন বুঝতেই পারছেন না ছাত্রের পরিজনেরা। মনোবিদরা বলছেন, জিতেন্দ্রর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেপথ্যে হয়তো খানিকটা দায়ী তাঁর অভিভাবকরাও। কারণ বর্তমানে ছোট থেকেই সকলেই প্রতিযোগিতার ইঁদুরদৌড়ে অংশ নিচ্ছে। সবেতে প্রথম হতেই হবে, এভাবেই বোঝানো হচ্ছে পড়ুয়াদের। সেই লড়াই হয়তো ভীষণভাবে জিতেন্দ্রকে মানসিক চাপ দিচ্ছিল। আর সেই চাপ সহ্য করতে না পেরেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। Reporter Aniruddha Benerjee
মাধ্যমিকে তৃতীয় রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অরিত্র মাইতি
মাধ্যমিকে তৃতীয় সৌম্য পাঠক প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০
কাটোয়া থেকে যুগ্ম দ্বিতীয় অভীক দাস কাটোয়া কাশিরাম দাস হাইস্কুল
বাঁকুড়া থেকে দ্বিতীয় সায়ন্তন গড়াই, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩ বাঁকুড়া ওন্দা হাইস্কুল
পূর্ব বর্ধমান থেকে প্রথম অরিত্র পাল, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪ মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল
ছাত্রী পরিক্ষার্থী বেশি ১২.৭২ শতাংশ। সামগ্রিক গ্রেড দেওয়া হয়েছে। ছাত্রী পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৭০ জন বেশি। সাফ্যলের হারে ছাত্রীরা সামান্য পিছিয়ে। পুর্ব মেদিনীপুর সাফল্যের হারে প্রথম। ৯৬.৫৯ শতাংশ। মোট পরিক্ষার্থী ১০ লক্ষ ৩ হাজার ৬৬৬। সাফল্যের হারে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর ও কলকাতা। কলকাতায় পাসের হার ৯১.০৭ শতাংশ। চতূর্থ ও পঞ্চম স্থানে সাফল্যের হারে দুই ২৪ পরগনা। মোট ৪৯ টি ক্যাম্প অফিসের মাধ্যমে ২২ জুলাই মার্কশিট মিলবে স্কুলে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ১ সপ্তাহ সময়। সফল পরিক্ষার্থী ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৩০৫। মোট পাস করেছে ৮৬.৩৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ছাত্র পাস ৮৯.৮৭ শতাংশ। ছাত্রী ৮৩.৪৮ শতাংশ কলকাতায় পাশের হার ৯১.০৩ শতাংশ এবছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৫৬৫৬৬৮ এবছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৪৩৭৯৯৮ এবছর করোনা আবহে ১৩৯ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হচ্ছে
প্রকাশিত হচ্ছে এছরের মাধ্যমিকের ফল। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, অন্যান্যবারের মতো সকাল ৯টায় না, এবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হবে ফল। wbresults.nic.in ওয়েবসাইটে রেজাল্ট জানা যাবে। পরীক্ষার্থীদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে মার্কশিট দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষার্থীরা গিয়ে মার্কশিট নিতে পারবে না। অভিভাবকদের গিয়ে মার্কশিট সংগ্রহ করতে হবে। এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা হয় ১৮ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৮০। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: আরজি কর হাসপাতাল থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এসে হয়রানির শিকার করোনা আক্রান্ত রোগী। পিপিই পরা অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ অ্যাম্বুল্যান্সের পড়ে থাকেন মহিলা। পরে লাঠির সাহায্যে নিজেই যান জরুরি বিভাগে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। Reporter Aniruddha Benerjee