Web Desk: যত দিন গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা। বিগত ২৪ ঘন্টায় দেশে ফের রেকর্ড সংক্রমণ। ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন আরও ২৯ হাজার ৪২৯ জন। এর ফলে দেশে মোকট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৮১। গত ২৪ ঘন্টায়য় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৮২ জন। এই নিয়ে মোট ২৪ হাজার ৩০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৩২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে আরও ২০ হাজার ৫৭২ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৪০ জন। দেশে আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছেন মহারাষ্ট্র।
মহারাষ্ট্রে মোট কোরোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৬৬৫ জন। এরপরেই আক্রান্তের তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩২৫ জন। আক্রান্তের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। মোট আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৪৬ জন। Reporter Aniruddha Benerjee
Web Desk: এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন বিহারের রাজভবনের কর্মীরা। বর্তমানে বিহারের রাজ্যপাল ফাগু চৌহান। তিনি ২৯ তম রাজ্যপাল। এক দৈনিক সংবাদ পত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, বিহার রাজভবনের কর্মীদের করোনার জন্য নমুনা পরীক্ষা করা হলে। তাদের মধ্যে ২০ জনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। এর জেরেই ঘুম উড়েছে প্রশাসনের। ইতিমধ্যেই রাজভবন স্যানিটাইজ করা চলছে। কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন একাধিক কর্মী।
দিন দিন বিহারে বেড়েই চলেছে মারন ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা। এর জেরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে মঙ্গলবারই রাজ্যজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩১ জুলাই পর্যন্ত করেছে নীতীশ কুমার সরকার। উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদি ঘোষণা করেছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ফের বিহারে পূর্ণ লকডাউন। বিহারের মোট ৩৮ টি জেলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশে এর আগে লকডাউন বলবৎ করা হয়েছিল। Reporter Aniruddha Benerjee
হুগলি: চন্দননগরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দেবদত্তা রায়ের মৃত্যুর ২৪ ঘন্টা পেরাতে না পেরোতেই ফের করোনার থাবায় মৃত্যু হল চন্দননগরের বাসিন্দা এক প্রতিশ্রুতিবান শিক্ষিকার। মৃত ওই শিক্ষিকার নাম সৌমি সাহা (৩৬)। বিবাহিত জীবনের এক মাস অতিক্রম হওয়ার পরই মারণ ভাইরাস করোনার গ্রাসে অকালে ঝড়ে গেল আর একটি প্রাণ।চন্দননগর মুন্সিপুকুরের বাসিন্দা সৌমি সাহা হুগলির আমনান গ্রাম পঞ্চায়েতের কাসোয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা পদে কর্মরত ছিলেন। করোনা আবহের মধ্যেই গত ১৩ জুন বিয়ে হয় সৌমির। সামাজিক দূরত্ববিধি, মাস্ক, সবকিছু মেনেই বিয়ে হয়েছিল তাঁর। তারপর থেকে নতুন জীবনে চলা শুরু। কিন্তু সেই নতুন জীবনের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র এক মাসের। চার দিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হন সৌমি। তারপরই তাকে ব্যান্ডেল ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।মঙ্গলবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন সৌমি। সৌমির মৃত্যুতে চন্দননগর মুন্সিপুকুর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হুগলি জেলা তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী জানান, সৌমি তাঁদের শিক্ষক সমিতির সক্রিয় সদস্য। তার মৃত্যুতে শুধু সমিতির নয় শিক্ষার ক্ষেত্রেও এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। Developed Reporter Samrat Ghosh
পুরুলিয়া: মুখে নেই মাস্ক (Mask), বদলে মুখ থেকে নামিয়ে ঝোলানো গলার কাছে। খানিকটা মাফলারের মতো। পুরুলিয়া শহরে মঙ্গলবার সকালে রাস্তায় নেমে পথচলতি মানুষজনকে এভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে দেখে ক্ষুব্ধ হলেন জেলাশাসক। মাস্ক কি মাফলার? এই প্রশ্ন তুলে নাক-মুখ খোলা অবস্থায় পথে বেরনো মানুষজনকে ‘শাসন’ করলেন জেলাশাসক রাহুল মজুমদার। শাস্তিস্বরূপ রাস্তাতেই কান ধরে ওঠবোস করালেন নিয়মভঙ্গকারী যুবকদের।মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি দেখতে রাস্তায় নেমেছিলেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক রাহুল মজুমদার। তাঁর চোখে পড়ে, দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে একটি ওষুধের দোকানে মালিক-সহ কর্মীরা মাস্ককে কার্যত মাফলারের মতো গলা কাছে ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাঁদের ধমক দেন জেলাশাসক। বলেন, “নাক-মুখ না ঢেকে হাসপাতালের সামনে ওষুধ দোকান চালাচ্ছেন? আগেও একবার সতর্ক করেছিলাম। এরপর যদি আর কোনওদিন দেখি নাক-মুখ না ঢাকা অবস্থায় আছে, তাহলে ওষুধের দোকানই বন্ধ করে দেব।” অথচ এই ওষুধ দোকানেই দেখা যায়, একাধিক মাস্ক ঝুলছে। এমনকী তা বিক্রিও হচ্ছে।একইভাবে এদিন পথচলতি মানুষজন, টোটোচালক, ফল বিক্রেতা, ব্যবসায়ীদের মাস্ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করার দৃশ্য তাঁর চোখে পড়ে। সবাইকে জেলাশাসকের ধমক খেতে হয়। তিনি বলেন, “সরকার বারবার বলছে, রাস্তায় বার হলেই নাক-মুখ মাস্ক, রুমাল, দোপাট্টা দিয়ে ঢাকুন। পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তবুও কিছু মানুষজন সচেতন হচ্ছেন না। ফলে স্বয়ং মুখমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় রাস্তায় নেমে মানুষজনকে সচেতন করেছেন। আমরা মানবিক হয়ে মানুষজনকে বলছি। কিন্তু তবুও সব ঢিলেঢালা। তাই আজ রাস্তায় নেমে একটু পদক্ষেপ করতে হল। এবার থেকে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ প্রশাসনও এই বিষয়ে নিয়মিত অভিযান চালাবে।”আসলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন জোনে থাকা এই জেলাতেও প্রায় ফি দিন করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ বাড়ছে। শহর পুরুলিয়াতেও থাবা বসিয়েছে এই মারণ রোগ। তাই আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। আগেও একবার এভাবে পথে নেমেছিলেন জেলাশাসক। মঙ্গলবারও ফের নিজেই নেমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুরুলিয়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) মুফতি শামিম শওকত, পুরুলিয়া (সদর) মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী। Developed Reporter Samrat Ghosh
শত্রু যখন দোরগোড়ায়, তখন চিন্তা হবেই। একদিকে চিন, অন্য দিকে পাকিস্তান। টার্গেট লে দখল করা। সম্প্রতি গালওয়ান সংঘর্ষে আরও সতর্ক দেশ। চিনকে (China) নজরে রেখে দ্রুত লেহ পৌঁছানোর বিকল্প পথের সন্ধানে রেলপথ তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়ছে কেন্দ্র।ইতিমধ্যে হিমাচল সরকারকে অবিলম্বে জমি অধিগ্রহণের পাশাপাশি যত শীঘ্র সম্ভব সার্ভে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। দু’দিন আগে হিমাচল সরকারের পরিবহন মন্ত্রী গোবিন্দ সিং ঠাকুর হিমাচল প্রদেশের রেল প্রকল্প রিভিউ নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে স্পষ্ট করেছেন, ভানুপল্লী-বিলাসপুর-মানালি হয়ে লেহ পর্যন্ত ৪৭৫ কিলোমিটার নতুন রেললাইন তৈরি হবে তার জমি অধিগ্রহণের কাজ ত্বরান্বিত করা হবে। প্রাকল্পটিকে ‘স্ট্র্যাটেজিক ইম্পর্টেন্টস’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই রেলপথটি অত্যন্ত জরুরি। ইতিমধ্যে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে রেলপথের জন্য বাইশ বার এজেন্সিকে দিয়ে সার্ভে করানো হয়েছে। ৪৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের মধ্যে ৩০টি স্টেশনের প্রস্তাবও রেলকে দিয়েছে হিমাচল সরকার। প্রিলিমিনারি সার্ভের পর এবার ডিটেল সার্ভে হবে। ডিটেল সার্ভের পর স্পষ্ট হবে কতটা জমি কোথায় অধিগ্রহণ করতে হবে। হিমাচল সরকার তড়িঘড়ি এই জমি অধিগ্রহণে সহযোগিতা করবে বলে রেলকে জানিয়ে দিয়েছে। রেল জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তড়িঘড়ি এই রেলপথ তৈরি করবে বলে জানা গিয়েছে। লেহ যে চিন ও পাকিস্তানের কাছে কতটা আগ্রহের তা ভারত বুঝে নিয়েছে গালওয়ানে চিনের আগ্রাসন থেকে। আগে কারগিলে পাকিস্তানের ভূমিকা একই রকম ছিল। বর্তমানে লেহ তে পৌঁছনোর একটি মাত্র পথ রয়েছে। যা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভারতীয় সেনা যাতে না পৌঁছতে পারে তার চেষ্টা করে শত্রুরা। ফলে এই অভিসন্ধি ব্যর্থ করতে বিকল্প রেলপথের প্রয়োজন। এজন্য রেল প্রকল্পের সব থেকে জরুরি এই প্রকল্প কার্যকর করতে চায় রেল। এই রেলপথ তৈরি করতে অসংখ্য টানেল ও ব্রিজ তৈরি করতে হবে। প্রাকৃতিক শোভা সমৃদ্ধ এই রেল পথের জন্য পর্যটক যে কম হবে না তা অনুমান করেছে রেল। Developed Reporter Samrat Ghosh
বিহারে আচমকা করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে মঙ্গলবারই রাজ্যজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩১ জুলাই পর্যন্ত করেছে নীতীশ কুমার সরকার। এ দিনই উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদি ঘোষণা করেছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ফের বিহারে পূর্ণ লকডাউন। তবে এর মধ্যেই করোনায় মৃতদের দেহ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে বিহারের স্বাস্থ্যদপ্তরের বিরুদ্ধে। গঙ্গায় ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে দেহ, এমনই চূড়ান্ত অমানবিকতার ঘটনা সামনে এসেছে। যা নিয়ে অস্বস্তিতে বিহার সরকার।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে। আর তাতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিহারে। সেই ছবি অনুযায়ী, পাটনার গঙ্গায় নৌকা করে এনে ফেলে দেওয়া হচ্ছে একাধিক মৃতদেহ। যদিও ওই মৃতদেহগুলি করোনা আক্রান্তদেরই কিনা, নাকি বেওয়ারিশ লাশ তার কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। সবুজ প্লাস্টিকে মুড়ে দেহগুলি গঙ্গায় ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ওই দেহ করোনা আক্রান্তদেরই। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ জায়গায় চলে গিয়েছে। বেহাল অবস্থা গোপন করতেই এমন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের।প্রসঙ্গত, রাজধানী পাটনা-সহ রাজ্যের ১৫টি জেলায় ইতিমধ্যেই কড়া লকডাউনের আওতায়। তবে চিন্তা বাড়িয়েছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজনীতিবিদদের সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা সামনে আসায়। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের ২৪ জন শীর্ষ নেতা করোনা আক্রান্ত। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন গেরুয়া শিবির। বিহারে এনডিএ সরকার যারপরনাই লকডাউন বাড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় দেখছে না এই মূহূর্তে। বিজেপির ৭৫ জন নেতার নমুনা পরীক্ষার পর ২৪ জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। Developed Reporter Samrat Ghosh
বয়স আশি ছুঁইছুঁই হবে! হাঁটতে গেলে সঙ্গী ক্রাচ। কিন্তু এই বয়সেও পেটের দায়ে রাস্তায় নামতে হয়েছে বেলঘড়িয়ার অমলবাবুকে। অভাব তাঁর নিত্যসঙ্গী। নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। এদিকে অর্থাভাব। এমতাবস্থায় দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোগাড় করতে তাই এই বয়সেও ক্রাচকে সঙ্গী করে বেরিয়ে পড়েন অমলবাবু। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দুয়ারে ঘুরেও সাহায্য মেলেনি। অতঃপর এভাবেই পথে ফেরি করে আয় হয় দু’পয়সা! সোশ্যাল মিডিয়াতেই দুস্থ অমলবাবুর কথা জানতে পারেন সাংসদ-অভিনেতা দেব (Dev)। দুস্থ বৃদ্ধের কষ্ট তাঁর মনেও দাগ কাটে। তাই নিজেই অমলবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন তৃণমূল সাংসদ।নিত্য অভাবের সঙ্গে যুঝে চললেও মনের জোর কিন্তু একচুলও নড়াতে পারেনি অমল ভৌমিককে। তাই সকাল হতেই বেরিয়ে পড়েন হাতে মাস্কের বোঝা নিয়ে। এমন করোনা আবহে তো মাস্ক অতি প্রয়োজনীয় বস্তু। তাই লোকেও কিনবেন। উপরন্তু জনসচেতনা প্রচারও হবে। কিন্তু অমলবাবুর যা বয়স, তাতে করে, সংক্রমণের ঝুঁকি তো আরও বেশি। কিন্তু ওই উপায় নেই। ছেলে বাজারে ফুল বিক্রি করেন। বাড়ি বেলঘড়িয়ার প্রফুল্লনগর রিক্রিয়েশন ক্লাবের সামনে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে এই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করেও গোটা বেলঘড়িয়া জুড়ে হেঁটে হেঁটে মাস্ক বিক্রি করেন অমলবাবু। আক্ষেপ, শাসক দলের অনেক নেতা এবং কাউন্সিলের কাছে ঘুরেও ওনার সামান্যতম সুরাহা হয়নি! উপরন্তু কোনও বার্ধক্যভাতাও পান না। সবাই যখন দেখছি, দেখব বলে এড়িয়ে যান, সাংসদ দেব কিন্তু অন্য পথেই হাঁটলেন। বরং, ব্যক্তিগতভাবে বেলঘড়িয়ার অমলবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। অমলবাবুর ছেলে জানিয়েছেন, সাংসদ-অভিনেতা দেবের ব্যক্তিগত সচিব ফোন করে যোগাযোগ করেছেন।প্রসঙ্গত, লকডাউনে দেবের হাত ধরেই বাড়ি ফিরেছেন ভিন রাজ্যে কাজ করা অগণিত বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকেরা। নেপাল থেকে স্বর্ণশিল্পীদের ফেরানোর পর রাশিয়া এমনকী দুবাই থেকেও সাংসদ অভিনেতার কাছে কাতর আরজি গিয়েছিল যে- “বাড়ি ফিরতে চাই, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন!” তাঁদের অনুরোধ ফেলতে পারেননি তিনি। একেবারে ‘দেব’দূতের মতোই অবতরণ করেছেন, ঠিক যেমনটা সিনেমার নায়ক হিসেবে করে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা করেছেন। ‘বন্দে মাতরম মিশনে’ রাশিয়ার ডাক্তারি পড়ুয়াদের দেশে ফিরিয়েছেন। সবটাই করেছেন একেবারে নিঃশব্দেই। প্রচারের আড়ালে থেকে। এবার দুস্থ বৃদ্ধ মাস্ক বিক্রেতা অমলবাবুর পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন অভিনেতা তথা তৃণমূলের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব।Developed Reporter Samrat Ghosh
করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ১৩৯ দিনের মাথায় বুধবার মাধ্যমিক (Madhyamik) পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বন্ধ রয়েছে সমস্ত স্কুল। তাই কীভাবে আবারও স্কুলে ভরতি হবে পড়ুয়ারা, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছিলেন অভিভাবকরা। তবে সেই চিন্তাভাবনার ইতি ঘটালেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)।সফল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা কীভাবে পরবর্তীকালে আবারও স্কুলে ভরতি হবে, সেই নিয়মকানুন সম্পর্কে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “সফল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কেউ যদি নিজের স্কুলে ভরতি হতে চায়, তারা আগামী ১-১০ আগস্টের মধ্যে ভরতি হতে পারবে। যারা স্কুল বদলের ভাবনাচিন্তা করছে তারা ভরতির সুযোগ পাবে ১১-৩১ আগস্ট পর্যন্ত। ভরতির সময় সশরীরে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে উপস্থিত থাকতে হবে না। শুধু অভিভাবকরা স্কুলে গিয়েই ভরতি প্রক্রিয়ার সমস্ত কাজ করতে পারবেন।” উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ আগামী শুক্রবার। সফল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কলেজে ভরতি হতে হবে অনলাইনেই। কলেজে ভরতির সময় তাদের দেখাতে হবে না মার্কশিটও। তবে কবে থেকে কলেজে ভরতির প্রক্রিয়া শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।মাধ্যমিকে চলতি বছরে ফের বেড়েছে পাশের হার। ছাত্রছাত্রীদের পাশের নিরিখে কলকাতাকে টেক্কা দিয়ে প্রথম স্থান দখল করেছে পূর্ব মেদিনীপুর। তারপরই রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর। চলতি বছর মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের ৮৪ জন পড়ুয়া। তবে তাতে নেই কলকাতার কোনও ছাত্রছাত্রীর নাম। রাজ্যে শিক্ষার সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাশের হার বাড়ছে বলেই দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। এদিকে, করোনা সংক্রমণের জেরে চলতি বছর ফলপ্রকাশের দিনই হাতে পাওয়া যাবে না মার্কশিট। পরিবর্তে অনলাইনে ওয়েবসাইট কিংবা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে হবে পড়ুয়াদের। আগামী ২২ এবং ২৩ জুলাই স্কুল থেকে মার্কশিট পাওয়া যাবে। তবে কোনও পড়ুয়া মার্কশিট নিতে যেতে পারবে না। অভিভাবকদের হাতেই তুলে দেওয়া হবে মার্কশিট। সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের অ্যাডমিট এবং রেজিস্ট্রেশন নিয়ে যেতে হবে।Developed Reporter Samrat Ghosh
রাজ্যে ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই প্রয়োজন অতিরিক্ত হাসপাতালের। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে (NRS Medical College & Hospital) খুলছে কোভিড (Covid-19) ওয়ার্ড। মোট শয্যাসংখ্যা হবে ১১০টি। এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে হাসপাতালের সুপার, প্রিন্সিপাল এবং কয়েকজন সিনিয়র অধ্যাপককে নিয়ে বৈঠক চলছে। আপাতত ঠিক হয়েছে চেষ্ট, অর্থোপেডিক বিল্ডিং নিয়ে কোভিড ওয়ার্ড তৈরি হবে।রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ডাঃ শান্তনু সেন বলেন, “কোভিড সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে বাড়তি বেডের প্রয়োজন। তাই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর বলার আগে আমরা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কোভিড ওয়ার্ড খোলার ইচ্ছা জানিয়ে প্রস্তাব দিই। উনি সম্মত হওয়ায় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।” সাতদিনের মধ্যেই কোভিড রোগীর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এখন এনআরএস হাসপাতালে করোনা সন্দেহভাজন রোগীদের শুধু আইসোলেশনে রেখে টেস্ট করা হয়। চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্যে ১০০টার বেশি বেড রয়েছে। সোমবার রোগীকল্যাণ সমিতির জরুরি বৈঠক। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড ওয়ার্ড খোলার বিষয়ে সিলমোহর পড়বে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। এই মুহূর্তে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া কলকাতার আর অন্য কোনও মেডিক্যাল কলেজে কোভিড রোগীর চিকিৎসার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে নিজে থেকে এগিয়ে এসে এনআরএস নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
রোগীকল্যাণ সমিতির এই সিদ্ধান্তে খুশি রাজ্যের চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, করোনা সংক্রমণের ফলে যেভাবে হরেক উপসর্গ নিয়ে দেখা দিচ্ছে। তাতে রোগীদের সুস্থ করে তোলার জন্য মেডিক্যাল কলেজের “অভিজ্ঞতা” খুব প্রয়োজন। বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট শুরু হলেই কোভিড রোগীকে অক্সিজেন থেরাপি দেওয়া জরুরি। যার জন্যে ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞ দরকার। অক্সিজেন থেরাপিতে কাজ না হলে রোগীকে দেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে। মেডিক্যাল কলেজে এই পরিকাঠামো থাকায় চিকিৎসাক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হবে। কমবে মৃত্যুর হার। এনআরএস মেডিক্যাল কলেজেও সংকটজনক রোগীদের চিকিৎসায় চারটি সিসিইউ বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
Web Desk: করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফের বাজার-দোকান খোলা বন্ধের সময় বেঁধে দেওয়া হল বালিতে। সমস্ত ব্যবসায়ী সমিতিগুলির সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। সিদ্ধান্ত হয়েছে বালি পুর বাজার ও বালি হপ্তা বাজার সহ অন্যান্য দোকান প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বিকেলে শুধু ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। Reporter: A Banerjee