Newsbally Webdesk:খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ১১ হাজার টাকা লকডাউনে লাগামছাড়া বিলের অভিযোগ অন্যান্য গ্রাহকদেরও। কেন এমন হল স্পষ্ট করে জানাক সিইএসসি, দাবি মন্ত্রীর। গত দু মাসে মিটার রিডিং নেওয়া হয়নি, তার জেরেই এই পরিস্থিতি, দাবি সিইএসসি-র। আশ্বাস, তিনটি ইনস্টলমেন্টে দেওয়া যাবে বিল।
শুরুতে রাজ্যে করোনা সংক্রমণে নিয়ন্ত্রণ আনতে পারলেও, হঠাত্ করেই বাড়তে শুরু করেছে আক্রান্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ওডিশা সরকারের তরফে ঘোষণা করা হল রাজ্যের চারটি জেলায় আগামী ১৪ দিনের জন্যে বহাল হবে কড়া লকডাউন। প্রসঙ্গত, এই চার জেলা থেকেই সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।ওডিশা সরকারের প্রধান সচিব অসিত কুমার ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, ১৪দিনের এই লকডাউন কার্যকর হবে গঞ্জাম, খোরদা, কটক এবং জজপুর জেলায়। তালিকায় থাকছে রাউরকেলা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন এলাকাও। শুক্রবার ১৭ জুলাই রাত ৯টা থেকে শুরু করে এই লকডাউন চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। মুখ্য সচিব বলেন, ‘প্রায় ৬৬ শতাংশ সংক্রমণের খবর আসছে গঞ্জাম, খোরদা, কটক এবং জজপুর জেলা থেকে। অন্যদিকে সুন্দরগড়ের ৯০ শতাংশ করোনা আক্রান্তই রাউরকেলা মিউনিসিপালিটির বাসিন্দা।’ সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে এই ১৪দিন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অফিস এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মানুষের চলাফেরার উপরও থাকবে কড়া নজরদারি। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় এবং অত্যাবশ্যক পণ্যের উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।
খোলা থাকবে…
সরকারি প্রতিষ্ঠান: ডিফেন্স, সেনট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স, ট্রেজারি, কম্পট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টসের ফিন্যানশিয়াল অ্যাডভাইজার এবং ফিল্ড অফিস, পোস্ট অফিস, টেলিকম সার্ভিস, ন্যাশনাল ইনফর্ম্যাটিক্স সেন্টার, আবহাওয়া দফতর, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক এবং তার অধীনে থাকা প্রতিটি প্রতিষ্ঠান।Developed Reporter Samrat Ghosh
পরীক্ষায় ভালো ফল করার প্রাথমিক শর্ত কী? একাধিক গৃহশিক্ষক? ঝাঁচকচকে স্কুল, স্বচ্ছল পরিবার? উঁহু, এই সবের মধ্যে যে বাদ পড়ে গেল আসল গুণটি… মেধা। হ্যাঁ, মেধা এবং অধ্যাবসায় থাকলে যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করে এগিয়ে যাওয়া যায় জীবন যু্দ্ধে। এই কথা ফের একবার প্রমাণ করে দিল উত্তরপ্রদেশের প্রত্যন্ত গ্রামের দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া অনুরাগ তিওয়ারি। চলতি বছরে দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.২ শতাংশ। চমকের এখানেই শেষ নয়। করোনা পরিস্থিতি সামলে উঠলে আমেরিকায় আইভি লিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল স্কলারশিপে পড়তেও যাবে অনুরাগ।
উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর জেলার সারাসান গ্রামের বাসিন্দা অনুরাগ তিওয়ারি প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়েছিল আমেরিকার প্রসিদ্ধ কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরীক্ষায় পাশও করেছেন সে। আগামীদিনে এখানেই অর্থনীতি নিয়ে পড়তে যাবে সে।
১৮ বছর বয়সী অনুরাগ দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষায় অঙ্কে পেয়েছে ৯৫, ইংরেজিতে ৯৭, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৯৯ এবং ইতিহাস ও অর্থনীতিতে ১০০। সোমবার প্রকাশিত হয়েছে সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণীর ফল। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে হওয়া স্কল্যাস্টিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্টে ১৩৭০ নম্বর পেয়েছিল অনুরাগ। প্রসঙ্গত, আমেরিকার নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্যে পাশ করতে SAT পরীক্ষা। এর নম্বরের ভিত্তিতেই ভর্তি হওয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে। ডিসেম্বরে অনুরাগকে পাঠানো একটি চিঠিতে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রোভোস্ট ফর এনরোলমেন্ট, জোনাথান আর বার্ডিক লেখেন, ‘শুভেচ্ছা! কলেজ অফ আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সের অ্যাডমিশন সিলেকশন কমিটি ২০২০ সালে ফল সেশনের জন্যে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমার আবেদন গ্রহণ করেছে। তোমার সঙ্গে এই খবর শেয়ার করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। কর্নেল কমিউনিটিতে তোমাকে স্বাগত জানাই।’ বোর্ডের পরীক্ষায় অনুরাগের ফলের উপরেই নির্ভর করছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ পর্যন্ত সে পড়তে যেতে পারবে কি না। এরই মধ্যে অনুরাগের হাতে এসেছে আরও একটি চিঠি, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে সেখানে পড়ার জন্যে সে ফুল স্কলারশিপ পেয়েছে।
তবে অনুরাগের সফর মোটেই সহজ ছিল না। পড়াশোনার জন্যে সীতাপুর জেলার রেসিডেনশিয়াল স্কুলে ভর্তি হতে হয়েছিল। একই সঙ্গে ছিল পারিবারিক দারিদ্র। অনুরাগের পরিবারে বাবা কমলপতি তিওয়ারি ও মা সঙ্গিতা তিওয়ারি ছাড়াও রয়েছেন তিন দিদি, যার মধ্যে একজনের বিয়ে হয়ে গেছে।
স্বপ্ন সফল তো করতে পেরেছে অনুরাগ মেধার জোরে, কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বে যে পরিস্থিতি শুরু হয়েছে, তাতে কবে সে আমেরিকা পাড়ি দিতে পারবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।Developed Reporter Samrat Ghosh
কোভিড কেয়ার সেন্টারে ঠিকমতো জল এবং খাবার না পাওয়ার অভিযোগে রাস্তা অবরোধ করলেন অন্তত ১০০ জন করোনা রোগী। উদ্বেগজনক এই ঘটনা ঘটেছে অসমের কামরূপ জেলায়। বৃহস্পতিবার ৩১ নম্ব জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন এই রোগীরা।
করোনা রোগীদের জাতীয় সড়ক অবরোধ করার কথা জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশ টিম। ঘটনাস্থলে পৌঁছন কামরূপের ডেপুটি কমিশনার কৈলাশ কার্তিক। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে চাংসারি কোভিড কেয়ার সেন্টারের বিরুদ্ধে করোনা রোগীদের ঠিকমতো দেখাশোনা না করার অভিযোগ উঠেছে।
কামরূপের ডেপুটি কমিশনার কৈলাশ কার্তিক ঘটনাস্থলে গিয়ে তখনই জাতীয় সড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। সব রোগীকে তখনই কোভিড সেন্টারে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন তিনি। আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন কামরূপ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার। তাঁর কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে করোনা সেন্টারে ফিরে যান রোগীরা।
এতজন করোনা রোগী এই ভাবে সেন্টার থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তা অবরোধ করায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। রোগীদের অভিযোগ তাঁদের ঠিকমতো জল এবং খাবার দেওয়া হচ্ছে না। বিছানার অবস্থাও খুব খারাপ বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। রোগীদের বেশিরভাগই গাদাগাদি করে থাকলেও ১০-১২ জনকে সিঙ্গল রুম দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ডেপুটি কমিশনার। অসমের স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যান মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে রোগীরা করোনা কেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট না হলে তাঁরা হোম কোয়ারানটিনে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা করোনা রোগীদের সেন্টারে নিয়ে এসেছি যাতে তাঁরা এখানে থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন এবং তাঁদের দ্বারা আর কেউ সংক্রামিত না হন। কিন্তু তাঁদের যদি এখানে ভালো না লাগে তাহলে হোম কোয়ারানটিনে থাকতে পারেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা দিন-রাত কাজ করছেন। কিন্তু এত কাজের চাপে একটু তো দেরি হয়ে যেতেই পারে।’ সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্য রাজ্য করোনা পরীক্ষার জন্যও টাকা নিচ্ছে। কিন্তু অসমে করোনা পরীক্ষা থেকে করোনা রোগীদের থাকা-খাওয়া-চিকিত্সার ব্যবস্থা সব সরকার করছে।’Developed Reporter Samrat Ghosh
চিকিৎসা পরিষেবার দেড় কোটি টাকা বিল মকুব, তার উপর বিমানের টিকিট কেটে দিয়ে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা। ভারতীয় রোগীর প্রতি এমনই ঔদার্যের নজির রাখল আরব দেশের এক হাসপাতাল। আপ্লুত তেলেঙ্গানার বাসিন্দা ওই ভারতীয়। দুবাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহায়তাতেই তিনি নিজের বাড়ি ফিরেছেন সদ্য।হায়দরাবাদের বাসিন্দা বছর বিয়াল্লিশের রাজেশ ওড়নালা গত দু’বছর ধরে দুবাইয়ে একটি নির্মাণ সংস্থায় কর্মরত। তিনি একাই থাকতেন দুবাইতে। এপ্রিল মাসের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বেসরকারি দুবাই হাসপাতালে তাঁকে ভরতি করা হয়।এরপর গত মাসে আচমকা তাঁর শরীরে করোনা (Coronavirus) বাসা বাঁধে। রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই বেসরকারি হাসপাতালেও রাজেশের চিকিৎসা চলতে থাকে। করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে রাজেশের একটু বেশিই সময় লেগেছিল। সবমিলিয়ে প্রায় ৮০ দিন মতো। এই সময়ের মধ্যে তাঁর চিকিৎসা বাবদ হাসপাতাল বিল ধরিয়েছিল ভারতীয় অঙ্কে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু নির্মাণ সংস্থার কর্মী রাজেশের মোটেই এত টাকা ছিল না বিল মিটিয়ে দেওয়ার মতো। তিনি নিজের অপারগতার কথা জানান।রাজেশের আবেদনে আসরে নামেন গালফ প্রোটেকশন সোসাইটির এক আধিকারিক। তিনি ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান, রাজেশের আর্থিক সঙ্গতি তেমন নেই। তাই দেড় কোটির বিল মকুব করে দেওয়া হয়। সেই অনুরোধ মেনে রাজেশের সম্পূর্ণ চিকিৎসার খরচ মকুব করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুধু তাইই নয়, করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে আসা রাজেশকে তেলেঙ্গানার বাড়ি ফেরার জন্য বিমানের টিকিটও কেটে দেন তাঁরা। হাতে দশ হাজার টাকাও দিয়ে দেওয়া হয়, যাতায়াতের খরচ বাবদ।এত কিছু পেয়ে আপ্লুত রাজেশ। ভাবতেই পারেননি, বিদেশ বিভুঁইয়ে, আরব-বেদুইনের দেশে এত সহায়তা পাবেন তিনি। তাঁদের দেওয়া টিকিট নিয়ে বুধবার ভোরের বিমানে হায়দরাবাদে ফিরেছেন রাজেশ। আপাতত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। ফের কাজের জন্য দুবাই ফিরবেন কি না, জানা নেই। তবে দুবাই হাসপাতালের এই মানবিকতা চিরজীবন তাঁর স্মরণে থাকবে।Developed Reporter Samrat Ghosh
ফের গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত জম্মু ও কাশ্মীর। শুক্রবার সকালে সেনা, আধাসেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে তিন সন্ত্রাসবাদী। লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের সন্ধানে এখনও চলছে তল্লাশি অভিযান।পুলিশ সূত্রে খবর, কাশ্মীরের কুলগাম জেলার নাগনাদ চিমের এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরার সন্ধান দেন গোয়েন্দারা। তারপরই দ্রুত ছকে ফেলা হয় অভিযানের নকশা। শুক্রবার সকালে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ ও কাশ্মীর পুলিশের একটি যৌথবাহিনী। আত্মসমর্পণ করতে বলা হলে গুলি চলাতে শুরু করে জেহাদিরা। জবাবে পালটা হামলা চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলা গুলির লড়াইয়ে এপর্যন্ত নিকেশ হয়েছে তিন সন্ত্রাসবাদী। বাকিদের খোঁজে গোটা এলাকা ঘিরে ধরে চলছে তল্লাশি অভিযান। ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু হাতিয়ার উদ্ধার হয়েছে বলেও খবর।সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত মৃত জঙ্গিদের পরিচয় না পাওয়া গেলেও তারা পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর লাগাতার অভিযানের জেরে কোমর ভেঙে গিয়েছে জইশ, লস্করের মতো অধিকাংশ জঙ্গি সংগঠনের। গত রবিবার ও সোমবার দুদিন মিলিয়ে পাঁচ জেহাদিকে নিকেশ করে সেনা। সব মিলিয়ে চলতি সপ্তাহে এনিয়ে প্রায় আটজন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে কাশ্মীরে।Developed Reporter Samrat Ghosh
জলপাইগুড়ি: থানায় বসিয়ে ধৃত বিজেপি নেতা-কর্মীদের মাংস-ভাত খাওয়ানোর ঘটনা। কোতোয়ালি থানার আইসি বদলির ২৪ ঘন্টার মধ্যে বদলি করা হল জেলা পুলিশ সুপার অভিষেক মোদিকে। তাঁর জায়গায় জলপাইগুড়ি জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্বে আসছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) প্রদীপকুমার যাদব। পাশাপাশি বদলি হওয়া কোতোয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকারের জায়গায় দায়িত্বে আসছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিআইবির ইনস্পেক্টর বিপুল সিনহা।প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে বাড়ির কিছুটা দূর থেকে উদ্ধার হয়েছিল হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ঝুলন্ত দেহ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই বিজেপি অভিযোগ তোলে যে, পরিকল্পনামাফিক তৃণমূলের লোকেরা খুন করেছে ওই বিধায়ককে। তদন্তের দাবিতে সরব হন প্রত্যেকে। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে বনধের ডাক দেয় বিজেপি। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই বনধ সফল করতে রাস্তায় নামে গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। কোতোয়ালি থানার বিভিন্ন জায়গায় জোরপূর্বক দোকান বন্ধ করানোর অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। সেই সময়ই আটক করে থানায় নিয়ে যায় মহিলা-সহ বেশ কয়েকজন। সেখানে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীরা পুলিশ আধিকারিকদের জানায় যে, তাঁদের খিদে পেয়েছে। ধৃতদের মধ্যাহ্নভোজের আবদার পাওয়া মাত্রই আয়োজন শুরু করে পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই থানায় পৌঁছে যায় গরম ভাত-খাসির মাংস। বিজেপি কর্মীদের মাংস-ভাত খাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শুরু হয় বিতর্ক। তারপরই পরপর দুই বদলি।Developed Reporter Samrat Ghosh
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানি লিওন। তবে সানি শুধু বলিউডের অভিনেত্রী নন, নীল ছবি জগতেও ততধিক জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। তবে নীল ছবি ছেড়ে দেওয়ার পরেও যেন সেই তকমা তাঁর পিছু ছাড়তে চায়না।photo source Instagram
সানির আগে ১১ জন দম্পতি নিশাকে দত্তক নিতে চাননি। শুধু মাত্র নিশার গায়ের রঙের জন্য। কোনও প্রশ্ন না করে নিশাকে আপন করেছিলেন সানি।
কলকাতা: স্নেহাশিষ গঙ্গোপাধ্যায়ের করোনা হওয়ায় হোম কোয়ারেন্টাইনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ গোটা পরিবার। ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। মহারাজ বেহালায় তাঁর বাড়ি লাগোয়া নিজের অফিস ১০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দিন কয়েক আগে সেখানে স্নেহাশিষ গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কর্মচারীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।